💬 Answers (1)
সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তিতে সাধারণ প্রজেকশন লেন্সের সঙ্গে বিশেষ অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবহার করা হয়। এতে ছবির উচ্চতা অপরিবর্তিত রেখে প্রস্থ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়।
১৩তম বিসিএসের প্রকাশিত প্রশ্নপত্রের সমাধানেও সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স উত্তরটি পাওয়া যায়। সিনেমাটোগ্রাফির পেশাদার সংগঠন American Society of Cinematographers-এর ঐতিহাসিক প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যাতেও সিনেমাস্কোপের এই লেন্স ব্যবস্থার উল্লেখ রয়েছে।
- সিনেমাস্কোপ (CinemaScope): সিনেমাস্কোপ হলো চলচ্চিত্রকে সাধারণ পর্দার তুলনায় অধিক প্রশস্ত পর্দায় প্রদর্শনের একটি বিশেষ চিত্রগ্রহণ ও প্রক্ষেপণ পদ্ধতি।
এ প্রযুক্তিতে ছবিকে ফিল্মের নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যে অনুভূমিকভাবে সংকুচিত করে ধারণ করা হয়। পরে প্রজেক্টরের অ্যানামরফিক লেন্সের সাহায্যে ছবিটিকে স্বাভাবিক প্রশস্ততায় ফিরিয়ে আনা হয়।
সিনেমাস্কোপের প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রশস্ত পর্দায় চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা যায়।
- ছবির অনুভূমিক বিস্তার সাধারণ চলচ্চিত্রের তুলনায় বেশি হয়।
- অ্যানামরফিক অপটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- প্রচলিত ৩৫ মিলিমিটার ফিল্মে প্রশস্ত দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব হয়েছিল।
- প্রক্ষেপণের সময় সংকুচিত ছবিকে আবার প্রশস্ত করা হয়।
- দর্শক বিস্তৃত দৃশ্য ও অধিক প্রশস্ত চিত্র উপভোগ করতে পারেন।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স (Cylindrical Lens): যে লেন্সের এক বা একাধিক পৃষ্ঠের বক্রতা সিলিন্ডারের অংশের মতো এবং যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট অক্ষ বরাবর আলোকরশ্মির অভিসরণ বা অপসারণ ঘটায়, তাকে সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স বলে।
সাধারণ গোলীয় লেন্সের তুলনায় সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- সাধারণ গোলীয় লেন্স দুইটি প্রধান লম্ব দিকে আলোকরশ্মির ওপর প্রভাব ফেলে।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স মূলত একটি নির্দিষ্ট দিকে আলোকরশ্মির ওপর প্রভাব ফেলে।
- উপযুক্ত সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের সমন্বয়ে ছবির এক দিকের আকার পরিবর্তন করা যায়।
- সিনেমাস্কোপে ছবির অনুভূমিক সংকোচন ও প্রসারণের জন্য এই নীতি ব্যবহার করা হয়।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের বিশেষ সমন্বয় অ্যানামরফিক অপটিক্যাল ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ।
- অ্যানামরফিক লেন্স (Anamorphic Lens): যে বিশেষ অপটিক্যাল লেন্স ব্যবস্থা ছবির অনুভূমিক ও উল্লম্ব দিকে ভিন্ন বিবর্ধন সৃষ্টি করে, তাকে অ্যানামরফিক লেন্স বলা হয়।
সিনেমাস্কোপের প্রচলিত ফিল্মভিত্তিক প্রযুক্তিতে এই লেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যানামরফিক লেন্সের দুটি প্রধান কাজ:
- চিত্রগ্রহণের সময় (Squeezing): প্রশস্ত দৃশ্যকে ফিল্মে অনুভূমিকভাবে সংকুচিত করে ধারণ করা।
- প্রক্ষেপণের সময় (De-squeezing): সংকুচিত ছবিকে অনুভূমিকভাবে প্রসারিত করে স্বাভাবিক অনুপাতে প্রশস্ত পর্দায় প্রদর্শন করা।
এই দুই প্রক্রিয়া একে অপরের বিপরীত।
সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তিতে ছবি ধারণ এবং প্রজেকশনের সময় বিশেষ অপটিক্যাল ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
প্রশস্ত দৃশ্য
সংকুচিত ছবি
প্রসারিত ছবি
সিনেমাস্কোপে অনুভূমিকভাবে সংকুচিত ছবি প্রজেকশনের সময় পুনরায় প্রশস্ত করার ধারণামূলক চিত্র।
ধাপে ধাপে কার্যপদ্ধতি:
- প্রথমে চলচ্চিত্রের প্রশস্ত দৃশ্য ক্যামেরার সামনে আসে।
- ক্যামেরার অ্যানামরফিক লেন্স দৃশ্যটিকে অনুভূমিকভাবে সংকুচিত করে।
- সংকুচিত ছবিটি ফিল্মে ধারণ করা হয়।
- চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সময় ফিল্মের ছবির মধ্য দিয়ে আলো পাঠানো হয়।
- প্রজেক্টরের বিশেষ অ্যানামরফিক সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স ছবিটিকে অনুভূমিকভাবে প্রসারিত করে।
- ফলে পর্দায় ছবিটি স্বাভাবিক অনুপাত ও প্রশস্ততায় দেখা যায়।
- দর্শক বিকৃত ছবির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ওয়াইডস্ক্রিন ছবি দেখতে পান।
The Projected Picture Trust-এর চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিষয়ক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রচলিত অ্যানামরফিক ফিল্ম প্রজেকশনে সংকুচিত ছবিকে অনুভূমিক দিকে প্রায় দ্বিগুণ প্রসারিত করে প্রদর্শন করা হয়।
The Projected Picture Trust
বৈশিষ্ট্য সাধারণ প্রজেক্টর প্রচলিত সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টর
বিশেষ অপটিক্যাল ব্যবস্থা সাধারণ প্রজেকশন লেন্স অ্যানামরফিক লেন্সসহ প্রজেকশন
ছবির প্রসারণ সাধারণত দুই দিকে সমানুপাতিক অনুভূমিক দিকে বিশেষ প্রসারণ
ফিল্মের ছবি স্বাভাবিক অনুপাত অনুভূমিকভাবে সংকুচিত
প্রদর্শনের ধরন সাধারণ চিত্রানুপাত প্রশস্ত চিত্রানুপাত
মূল উদ্দেশ্য ছবি বড় করে প্রদর্শন প্রশস্ত ছবি স্বাভাবিক অনুপাতে প্রদর্শন
- চিত্রানুপাত (Aspect Ratio): কোনো ছবির প্রস্থ ও উচ্চতার অনুপাতকে চিত্রানুপাত বলা হয়।
- Aspect Ratio = প্রস্থ : উচ্চতা।
- ৪:৩ অর্থ—প্রস্থ ৪ একক এবং উচ্চতা ৩ একক।
- ১৬:৯ অর্থ—প্রস্থ ১৬ একক এবং উচ্চতা ৯ একক।
- আধুনিক ওয়াইডস্ক্রিন চলচ্চিত্রে প্রায় ২.৩৯:১ অনুপাত বহুল প্রচলিত।
- ঐতিহাসিক সিনেমাস্কোপে বিভিন্ন সময়ে ২.৫৫:১ ও ২.৩৫:১-সহ একাধিক চিত্রানুপাত ব্যবহৃত হয়েছে।
বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, সিনেমাস্কোপ কোনো একটি নির্দিষ্ট চিত্রানুপাতের নামমাত্র নয়; এটি একটি ঐতিহাসিক অ্যানামরফিক চলচ্চিত্র প্রযুক্তি।
- প্রশ্ন: একটি সিনেমাস্কোপ ক্যামেরায় মূল দৃশ্যের প্রস্থ ১২ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতা ৫ সেন্টিমিটার। ক্যামেরার অ্যানামরফিক লেন্স ছবিটিকে অনুভূমিকভাবে ২ গুণ সংকুচিত করলে ফিল্মে ছবিটির প্রস্থ কত হবে?
প্রদত্ত তথ্য:
- মূল প্রস্থ = ১২ সেমি।
- মূল উচ্চতা = ৫ সেমি।
- অনুভূমিক সংকোচনের গুণক = ২।
আমরা জানি,
- সংকুচিত প্রস্থ = মূল প্রস্থ / সংকোচনের গুণক।
সুতরাং,
- সংকুচিত প্রস্থ = ১২/২
- = ৬ সেমি।
উচ্চতা অপরিবর্তিত থাকবে।
- উচ্চতা = ৫ সেমি।
অতএব, ফিল্মে ধারণ করা ছবির প্রস্থ হবে ৬ সেমি এবং উচ্চতা হবে ৫ সেমি।
- প্রজেকশনের সময় ছবির প্রস্থ কত হবে?
প্রজেকশনের সময় ২ গুণ অনুভূমিক প্রসারণ ঘটালে—
- প্রসারিত প্রস্থ = ৬ × ২
- = ১২ সেমি।
অর্থাৎ, প্রজেকশনের পর মূল দৃশ্যের প্রস্থ-উচ্চতার অনুপাত ফিরে আসবে।
- মূল চিত্রানুপাত = ১২/৫ = ২.৪:১।
- ফিল্মে সংকুচিত চিত্রানুপাত = ৬/৫ = ১.২:১।
- প্রজেকশনের পর চিত্রানুপাত = ১২/৫ = ২.৪:১।
অতএব, অ্যানামরফিক প্রজেকশন ছবির অনুভূমিক অনুপাত পুনরুদ্ধার করে।
এটি অ্যানামরফিক পদ্ধতির একটি সরলীকৃত গাণিতিক উদাহরণ।
- ফরাসি উদ্ভাবক অঁরি ক্রেতিয়াঁ (Henri Chrétien) অ্যানামরফিক লেন্স প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি Hypergonar নামে একটি বিশেষ অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবস্থা তৈরি করেন।
- 20th Century Fox এই প্রযুক্তির সাহায্যে CinemaScope চলচ্চিত্র প্রদর্শনব্যবস্থা জনপ্রিয় করে।
- ১৯৫৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত The Robe সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত।
- সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তি চলচ্চিত্রের দৃশ্যকে তুলনামূলক প্রশস্ত ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ সৃষ্টি করে।
American Society of Cinematographers-এর ১৯৫৩ সালের প্রযুক্তিগত নিবন্ধে সিনেমাস্কোপের অ্যানামরফিক লেন্সের ধারণ ও প্রক্ষেপণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- “সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়”—কিছু প্রচলিত প্রশ্নব্যাংকে এমন উত্তর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিকারী লেন্স হলো অ্যানামরফিক সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স।
- “সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স শুধু ছবিকে বড় করে”—এ বক্তব্য অসম্পূর্ণ। এটি একটি নির্দিষ্ট দিকে ছবির বিবর্ধন পরিবর্তন করে। সিনেমাস্কোপে এই বৈশিষ্ট্যের সাহায্যে অনুভূমিক অনুপাত পুনরুদ্ধার করা হয়।
- “সব সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সই সিনেমাস্কোপ লেন্স”—এটি সঠিক নয়। সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের ব্যবহার আরও অনেক ক্ষেত্রে রয়েছে। সিনেমাস্কোপে বিশেষভাবে নকশা করা অ্যানামরফিক অপটিক্যাল ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়।
- “জুম লেন্স ও অ্যানামরফিক লেন্স একই”—এটিও ভুল। জুম লেন্সের প্রধান কাজ ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে দৃশ্যের পরিসর পরিবর্তন করা। অ্যানামরফিক লেন্সের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দুই অক্ষে ভিন্ন বিবর্ধন সৃষ্টি করা।
- কয়েকটি অনলাইন প্রশ্নব্যাংকে খ. অবতল উত্তর দেওয়া থাকলেও CinemaScope-এর মূল প্রযুক্তিগত নথি এবং চলচ্চিত্রবিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী ঘ. সিলিন্ড্রিক্যাল উত্তরটিই অধিক নির্ভুল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
- ক. উত্তল ⇒ ভুল। উত্তল লেন্স সাধারণত আলোকরশ্মিকে অভিসারী করে। ক্যামেরা ও সাধারণ প্রজেকশনের লেন্স ব্যবস্থায় উত্তল উপাদান থাকতে পারে। কিন্তু সিনেমাস্কোপের বিশেষ অনুভূমিক সংকোচন ও প্রসারণের প্রধান প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য বোঝাতে শুধু উত্তল লেন্স যথাযথ উত্তর নয়।
- খ. অবতল ⇒ ভুল। অবতল লেন্স সাধারণত আলোকরশ্মিকে অপসারী করে। কিছু প্রশ্নব্যাংকে এটিকে সিনেমাস্কোপের উত্তর হিসেবে উল্লেখ করা হলেও সাধারণ অবতল লেন্স নিজে সিনেমাস্কোপের প্রয়োজনীয় অ্যানামরফিক চিত্র প্রসারণ ব্যাখ্যা করে না।
- গ. জুম ⇒ ভুল। জুম লেন্সের সাহায্যে ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে দৃশ্যকে বড় বা ছোটভাবে ধারণ করা যায়। কিন্তু সিনেমাস্কোপে প্রয়োজন অনুভূমিক দিকে বিশেষ সংকোচন ও প্রসারণ। তাই জুম লেন্স সঠিক উত্তর নয়।
- ঘ. সিলিন্ড্রিক্যাল ⇒ সঠিক। সিনেমাস্কোপে বিশেষ সিলিন্ড্রিক্যাল অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবহার করে ফিল্মে সংকুচিত ছবিকে অনুভূমিকভাবে প্রসারিত করা হয়। এর ফলে প্রশস্ত পর্দায় স্বাভাবিক অনুপাতের ছবি প্রদর্শন সম্ভব হয়। এটিই বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক উত্তর।
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ব্যবহৃত বিশেষ লেন্স—সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের ইংরেজি—Cylindrical Lens।
- সিনেমাস্কোপের বিশেষ লেন্সের নাম—অ্যানামরফিক লেন্স (Anamorphic Lens)।
- সিনেমাস্কোপ হলো—প্রশস্ত পর্দায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনের একটি প্রযুক্তি।
- সিনেমাস্কোপে মূল ছবিকে ধারণের সময়—অনুভূমিকভাবে সংকুচিত করা হয়।
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ছবিকে—অনুভূমিকভাবে প্রসারিত করা হয়।
- অ্যানামরফিক সংকোচন পদ্ধতির ইংরেজি—Squeezing।
- সংকুচিত ছবি স্বাভাবিক প্রশস্ততায় ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি—De-squeezing।
- প্রচলিত অ্যানামরফিক ফিল্মে সংকোচন বা প্রসারণের গুণক—প্রায় ২×।
- সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন—অঁরি ক্রেতিয়াঁ।
- তাঁর উদ্ভাবিত অ্যানামরফিক লেন্স ব্যবস্থার নাম—Hypergonar।
- CinemaScope প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে—20th Century Fox।
- CinemaScope প্রযুক্তিতে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র—The Robe (১৯৫৩)।
- সিনেমাস্কোপে ছবির প্রশস্ততা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—চিত্রানুপাত (Aspect Ratio)।
- ছবির প্রস্থ ও উচ্চতার অনুপাতকে বলে—চিত্রানুপাত।
- আধুনিক চলচ্চিত্রে বহুল প্রচলিত প্রশস্ত চিত্রানুপাত—প্রায় ২.৩৯:১।
- সিনেমাস্কোপ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক চিত্রানুপাতের উদাহরণ—২.৫৫:১ ও ২.৩৫:১।
- জুম লেন্সের প্রধান কাজ—ফোকাল দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করা।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের বিশেষ বৈশিষ্ট্য—একটি নির্দিষ্ট অক্ষ বরাবর আলোকরশ্মির ওপর প্রভাব সৃষ্টি করা।
- সাধারণ উত্তল লেন্স—অভিসারী লেন্স।
- সাধারণ অবতল লেন্স—অপসারী লেন্স।
- ক্যামেরায় সাধারণত ব্যবহৃত হয়—অভিসারী অপটিক্যাল লেন্স ব্যবস্থা।
- প্রজেক্টরের পর্দায় প্রদর্শিত ছবি—বাস্তব প্রতিবিম্ব।
- মোটরগাড়ির প্রচলিত হেডলাইটে ব্যবহৃত প্রতিফলক—অবতল দর্পণ।
- গাড়ির সাইড মিররে ব্যবহৃত দর্পণ—উত্তল দর্পণ।
- সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের আরেকটি ব্যবহার—অ্যাস্টিগমাটিজম সংশোধনের চশমা।
________________________________________
✎ আপনার উত্তর দিন
Answer বা Reply করতে BCS Job Solution App-এ login প্রয়োজন। Like website থেকেই দিতে পারবেন।