Home›Ask & Answer›বিজ্ঞান ও ICT›পেঁচা দিনে দেখতে পায় না কিন্তু রাতে দেখতে পায় কারণ পেঁচার চোখেতে—
Q-08বিজ্ঞান ও ICT

পেঁচা দিনে দেখতে পায় না কিন্তু রাতে দেখতে পায় কারণ পেঁচার চোখেতে—

পেঁচা দিনে দেখতে পায় না কিন্তু রাতে দেখতে পায় কারণ পেঁচার চোখেতে— ক. কোনস এর সংখ্যা বেশি খ. রডস এর সংখ্যা বেশি গ. কোনস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু রডস এর সংখ্যা কম ঘ. রডস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু কোনস এর সংখ্যা কম
Nasrin💬 1👁 55

💬 Answers (1)

Latest First ▾
Job Solution
✓
উত্তরঘ
★
সঠিক উত্তররডস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু কোনস এর সংখ্যা কম।
⚗বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
পেঁচার চোখের রেটিনায় রড কোষ (Rod Cells) তুলনামূলক অনেক বেশি এবং কোন কোষ (Cone Cells) তুলনামূলক কম থাকে। রড কোষ অল্প আলোতে অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় পেঁচা রাতে বা স্বল্প আলোতে ভালোভাবে দেখতে পারে।

তবে পেঁচা দিনে দেখতে পায় না—এ ধারণাটি বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। পেঁচা দিনেও দেখতে পারে। অনেক প্রজাতির পেঁচা মূলত নিশাচর হওয়ায় তাদের চোখ রাতের স্বল্প আলোতে দেখার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।
পেঁচার রেটিনায় রড কোষের আধিক্যের বিষয়টি আধুনিক গবেষণায়ও প্রতিষ্ঠিত।

✦বিস্তারিত ব্যাখ্যা
  • পেঁচা (Owl): পেঁচা এক ধরনের শিকারি পাখি, যার অধিকাংশ প্রজাতি সন্ধ্যা, রাত কিংবা ভোরের স্বল্প আলোতে শিকার করার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।

পেঁচার চোখের বিশেষ গঠন, আলোকসংবেদনশীল রেটিনা, বড় তারারন্ধ্র এবং উন্নত শ্রবণক্ষমতা তাকে স্বল্প আলোতে শিকার শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
পেঁচার চোখের প্রধান বৈশিষ্ট্য:

  • চোখ তুলনামূলক বড়।
  • রেটিনায় রড কোষের আধিক্য থাকে।
  • কোন কোষ তুলনামূলক কম থাকে।
  • স্বল্প আলোতে দেখার ক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত।
  • বড় তারারন্ধ্রের সাহায্যে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করতে পারে।
  • চোখের গঠন সামনে অবস্থিত বস্তু পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।
  • পেঁচা দিনেও দেখতে পারে, তবে অনেক প্রজাতির দৃষ্টিব্যবস্থা রাতের পরিবেশে বেশি কার্যকর।

পেঁচার চোখের বিশেষ অভিযোজন
পেঁচার বড় চোখ এবং রড-সমৃদ্ধ রেটিনা অল্প আলো সংগ্রহ ও শনাক্ত করতে সহায়তা করে। তবে সব প্রজাতির পেঁচার দৃষ্টিক্ষমতা একরকম নয়।

  • রেটিনা (Retina): চোখের অভ্যন্তরে পেছনের দিকে অবস্থিত আলোকসংবেদনশীল স্নায়বিক স্তরকে রেটিনা বলে।

রেটিনায় প্রধানত দুই ধরনের আলোকগ্রাহী কোষ (Photoreceptor Cells) রয়েছে—

  • রড কোষ (Rod Cells)।
  • কোন কোষ (Cone Cells)।

এই দুই ধরনের কোষের কাজ আলাদা।

১
রড কোষ (Rod Cells):

রড কোষ হলো রেটিনার এমন আলোকগ্রাহী কোষ, যা খুব অল্প আলোতেও কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারে।
রড কোষের বৈশিষ্ট্য:

  • স্বল্প আলোতে দেখতে সাহায্য করে।
  • রাতের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • আলোর তীব্রতার পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
  • সরাসরি রং শনাক্তের প্রধান কোষ নয়।
  • রড কোষে রোডপসিন (Rhodopsin) নামক আলোকসংবেদনশীল রঞ্জক থাকে।
  • অনেক নিশাচর প্রাণীর রেটিনায় রড কোষের আধিক্য দেখা যায়।
২
কোন কোষ (Cone Cells):

কোন কোষ হলো রেটিনার এমন আলোকগ্রাহী কোষ, যা উজ্জ্বল আলোতে রঙিন দৃষ্টি ও সূক্ষ্ম বিবরণ শনাক্ত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কোন কোষের বৈশিষ্ট্য:

  • উজ্জ্বল আলোতে কার্যকরভাবে কাজ করে।
  • রং শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • সূক্ষ্ম দৃশ্য ও বস্তুর বিস্তারিত গঠন শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ।
  • স্বল্প আলোতে রড কোষের তুলনায় কম সংবেদনশীল।
  • দিনের আলোতে স্বাভাবিক রঙিন দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
◆রড ও কোন কোষের পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য রড কোষ (Rod) কোন কোষ (Cone)
প্রধান কাজ স্বল্প আলোতে দেখা রঙিন ও সূক্ষ্ম দৃষ্টি
আলোর প্রয়োজন খুব কম আলোতেও কাজ করে তুলনামূলক বেশি আলো প্রয়োজন
আলোকসংবেদনশীলতা বেশি তুলনামূলক কম
রং শনাক্ত রঙিন দৃষ্টির প্রধান ভিত্তি নয় রং শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ
দৃষ্টির সূক্ষ্মতা তুলনামূলক কম তুলনামূলক বেশি

▣
গুরুত্বপূর্ণরঞ্জক রোডপসিন কোন অপসিন

নিশাচর প্রাণীতে সাধারণত বেশি তুলনামূলক কম হতে পারে

  • পেঁচার রেটিনায় রড কোষ বেশি থাকে কেন?

পেঁচার অনেক প্রজাতি মূলত রাতে শিকার করে। রাতের পরিবেশে আলোর পরিমাণ কম থাকে। ফলে শিকার শনাক্ত করতে অল্প আলোতেও কাজ করতে পারে এমন দৃষ্টিব্যবস্থা প্রয়োজন হয়।
রড কোষ স্বল্প আলোতে অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় পেঁচার রেটিনায় এ ধরনের কোষের আধিক্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোজন।
রাতের দৃষ্টির কার্যপদ্ধতি:

  • রাতের পরিবেশে চাঁদ, তারা কিংবা অন্যান্য উৎস থেকে সামান্য আলো আসে।
  • সেই আলো পেঁচার চোখের কর্নিয়া ও তারারন্ধ্র দিয়ে প্রবেশ করে।
  • চোখের লেন্স আলোকে রেটিনার দিকে কেন্দ্রীভূত করে।
  • রেটিনার রড কোষ অল্প আলো শনাক্ত করে।
  • আলোকসংবেদনশীল কোষে স্নায়বিক সংকেত সৃষ্টি হয়।
  • সংকেত অপটিক নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
  • মস্তিষ্ক সংকেত প্রক্রিয়াকরণ করে বস্তুর অবস্থান ও আকৃতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে।

২০২০ সালে প্রকাশিত Visual adaptations of diurnal and nocturnal raptors গবেষণায় পেঁচার রাতের দৃষ্টির বিশেষ অভিযোজন হিসেবে বড় কর্নিয়া এবং রড-প্রধান রেটিনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

◆নিশাচর ও দিবাচর প্রাণীর চোখের তুলনা:
  • নিশাচর প্রাণী (Nocturnal Animals): যেসব প্রাণী প্রধানত রাতে সক্রিয় থাকে, তাদের নিশাচর প্রাণী বলা হয়।

উদাহরণ—

  • পেঁচার অনেক প্রজাতি।
  • বাদুড়ের অধিকাংশ প্রজাতি।
  • বিভিন্ন প্রজাতির নিশাচর স্তন্যপায়ী।

এদের অনেকের চোখ স্বল্প আলো শনাক্ত করার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।

  • দিবাচর প্রাণী (Diurnal Animals): যেসব প্রাণী প্রধানত দিনের বেলায় সক্রিয় থাকে, তাদের দিবাচর প্রাণী বলা হয়।

উদাহরণ—

  • মানুষ।
  • চড়ুই।
  • ঈগলের অনেক প্রজাতি।
  • দিনের বেলায় সক্রিয় বিভিন্ন পাখি।

দিবাচর প্রাণীর দৃষ্টিব্যবস্থায় উজ্জ্বল আলোতে সূক্ষ্ম বিবরণ ও রং শনাক্ত করার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে সব দিবাচর প্রাণীর রড কোষ কম কিংবা সব নিশাচর প্রাণীর কোন কোষ নেই—এমন কোনো সর্বজনীন নিয়ম নেই।

◆রোডপসিন (Rhodopsin):
  • রোডপসিন হলো রড কোষে অবস্থিত একটি আলোকসংবেদনশীল রঞ্জক।
  • একে Visual Purple-ও বলা হয়।
  • স্বল্প আলো শনাক্ত করার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • রোডপসিন গঠনে অপসিন প্রোটিন ও রেটিনাল নামক আলোকসংবেদনশীল অণু থাকে।
  • রেটিনাল ভিটামিন A-সংশ্লিষ্ট একটি যৌগ।
  • ভিটামিন A-এর অভাবে রাতকানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • রাতকানা (Night Blindness): কম আলোতে বা রাতে স্বাভাবিকভাবে দেখতে অসুবিধা হওয়াকে রাতকানা বা নিকট্যালোপিয়া (Nyctalopia) বলে।

ভিটামিন A-এর অভাব রাতকানার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তবে রেটিনার বিভিন্ন রোগসহ অন্য কারণেও রাতকানা হতে পারে।

◆পেঁচা কি সত্যিই দিনের বেলায় দেখতে পায় না?

না। এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা।
পেঁচার চোখে রড কোষের আধিক্য থাকলেও কোন কোষ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত নয়। তাই পেঁচা দিনের বেলাতেও দেখতে পারে।
বিশেষত কিছু প্রজাতির পেঁচা দিনের বেলায় সক্রিয় থাকে এবং দিনের আলোতে শিকারও করে।
World Owl Trust-এর তথ্য অনুযায়ী, পেঁচারা দিনের আলোতে অন্ধ নয়; কিছু প্রজাতির দিনের দৃষ্টিক্ষমতাও অত্যন্ত উন্নত।
পেঁচার দৃষ্টিশক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য:

  • পেঁচা রাতে ভালো দেখতে পারে।
  • পেঁচা দিনেও দেখতে পারে।
  • পেঁচার চোখে রড কোষের আধিক্য থাকে।
  • পেঁচার চোখে কোন কোষও উপস্থিত থাকে।
  • পেঁচার সব প্রজাতি সম্পূর্ণ নিশাচর নয়।
  • পেঁচার রাতের শিকারক্ষমতায় শ্রবণশক্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
◆মূল ব্যাখ্যার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-সংশোধনী:
  • “পেঁচা দিনে দেখতে পায় না”—এই বক্তব্যটি বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। পেঁচা দিনেও দেখতে সক্ষম।
  • “পেঁচার চোখে শুধু রড কোষ থাকে, কোন কোষ থাকে না”—এটিও ভুল। পেঁচার রেটিনায় রড ও কোন উভয় ধরনের কোষ রয়েছে, তবে অনেক প্রজাতিতে রডের আধিক্য থাকে।
  • “রড কোষ রং শনাক্ত করে”—এটি ভুল। রড কোষ মূলত স্বল্প আলোতে দৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রঙিন দৃষ্টিতে কোন কোষ প্রধান ভূমিকা পালন করে।
  • “পেঁচার রাতের দৃষ্টির একমাত্র কারণ রড কোষ”—এই বক্তব্য অসম্পূর্ণ। রড কোষ ছাড়াও বড় চোখ, বৃহৎ কর্নিয়া, তারারন্ধ্রের নিয়ন্ত্রণ এবং চোখের অন্যান্য অপটিক্যাল অভিযোজন রাতের দৃষ্টিতে সহায়তা করে।
  • ২০১৯ সালে Vision Research সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় পেঁচার রড-প্রধান রেটিনা এবং দিনের আলোতেও কিছু মাত্রায় রঙিন দৃষ্টির সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া যায়।
  • খ. রডস এর সংখ্যা বেশি বিকল্পটিও বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য। কিন্তু ঘ. রডস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু কোনস এর সংখ্যা কম বিকল্পটিতে তুলনামূলক অনুপাতের বিষয়টি আরও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তাই একক সঠিক উত্তর হিসেবে ঘ অধিক উপযুক্ত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:

  • ক. কোনস এর সংখ্যা বেশি ⇒ ভুল। কোন কোষ প্রধানত উজ্জ্বল আলোতে রঙিন দৃষ্টি ও সূক্ষ্ম বিবরণ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। কিন্তু পেঁচার রাতের দৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ রড কোষের আধিক্য। তাই শুধু কোন কোষ বেশি থাকার বক্তব্য সঠিক নয়।
  • খ. রডস এর সংখ্যা বেশি ⇒ আংশিক সঠিক। পেঁচার রেটিনায় রড কোষের আধিক্য থাকে এবং এই কোষ স্বল্প আলোতে দেখতে সাহায্য করে। তবে ঘ বিকল্পে রড ও কোন কোষের তুলনামূলক অবস্থাও উল্লেখ রয়েছে। তাই ঘ অধিক পূর্ণাঙ্গ উত্তর।
  • গ. কোনস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু রডস এর সংখ্যা কম ⇒ ভুল। এটি পেঁচার রাতের দৃষ্টির অভিযোজনের বিপরীত ধারণা। নিশাচর পেঁচার রেটিনায় রড কোষের আধিক্য থাকে। তাই এই বিকল্পটি সঠিক নয়।
  • ঘ. রডস এর সংখ্যা বেশি কিন্তু কোনস এর সংখ্যা কম ⇒ সঠিক। পেঁচার রেটিনায় রড কোষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি এবং কোন কোষ তুলনামূলক কম থাকে। রড কোষ অল্প আলোতে সংবেদনশীল হওয়ায় পেঁচা রাতের পরিবেশে কার্যকরভাবে দেখতে পারে। এটিই সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও পরীক্ষার প্রত্যাশিত উত্তর।
◆পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
  • পেঁচার চোখে যে আলোকগ্রাহী কোষের আধিক্য থাকে—রড কোষ।
  • পেঁচার চোখে তুলনামূলক কম থাকে—কোন কোষ।
  • পেঁচার উন্নত রাতের দৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ—রড কোষের আধিক্য।
  • রড কোষের ইংরেজি—Rod Cell।
  • কোন কোষের ইংরেজি—Cone Cell।
  • রড ও কোন কোষ অবস্থান করে—রেটিনায়।
  • রেটিনার বাংলা—অক্ষিপট।
  • রেটিনার ইংরেজি—Retina।
  • স্বল্প আলোতে দেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ—রড কোষ।
  • রঙিন দৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ—কোন কোষ।
  • রড কোষে অবস্থিত আলোকসংবেদনশীল রঞ্জক—রোডপসিন।
  • রোডপসিনের অপর নাম—Visual Purple।
  • রোডপসিনের সঙ্গে সম্পর্কিত ভিটামিন—ভিটামিন A।
  • ভিটামিন A-এর অভাবে দেখা দিতে পারে—রাতকানা।
  • রাতকানার ইংরেজি—Night Blindness বা Nyctalopia।
  • রাতকানা রোগে প্রধান সমস্যা—কম আলোতে দেখতে অসুবিধা হওয়া।
  • উজ্জ্বল আলোতে রঙিন দৃষ্টির প্রধান কোষ—কোন কোষ।
  • অল্প আলোতে দৃষ্টির বৈজ্ঞানিক নাম—Scotopic Vision।
  • উজ্জ্বল আলোতে দৃষ্টির বৈজ্ঞানিক নাম—Photopic Vision।
  • মধ্যবর্তী আলোর অবস্থায় দৃষ্টির নাম—Mesopic Vision।
  • স্বল্প আলোতে প্রধানত কার্যকর দৃষ্টিব্যবস্থা—Scotopic Vision।
  • মানুষের চোখে তিন ধরনের কোন কোষ—L-Cone, M-Cone ও S-Cone।
  • বর্ণান্ধতার সবচেয়ে প্রচলিত ধরন—লাল-সবুজ বর্ণদৃষ্টি ত্রুটি।
  • বর্ণান্ধতা শনাক্তের পরিচিত পরীক্ষা—ইশিহারা টেস্ট।
  • চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশ—কর্নিয়া।
  • চোখের রঙিন অংশ—আইরিস।
  • আইরিসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ছিদ্র—তারারন্ধ্র বা Pupil।
  • চোখে প্রবেশকারী আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে—আইরিস।
  • কম আলোতে তারারন্ধ্র সাধারণত—প্রসারিত হয়।
  • উজ্জ্বল আলোতে তারারন্ধ্র সাধারণত—সংকুচিত হয়।
  • রেটিনা থেকে মস্তিষ্কে দৃষ্টিসংকেত বহন করে—অপটিক নার্ভ।
  • নিশাচর প্রাণীর ইংরেজি—Nocturnal Animal।
  • দিবাচর প্রাণীর ইংরেজি—Diurnal Animal।
  • পেঁচার সব প্রজাতি দিনে অন্ধ—এ ধারণা ভুল।
  • পেঁচার চোখের পাশাপাশি রাতের শিকারে গুরুত্বপূর্ণ—উন্নত শ্রবণশক্তি।
Advertisement

✎ আপনার উত্তর দিন

Answer বা Reply করতে BCS Job Solution App-এ login প্রয়োজন। Like website থেকেই দিতে পারবেন।