🗓️Weekly Exam
🗓️ Weekly Exam Previous

সাপ্তাহিক পরীক্ষা-১(বাংলা, ইংরেজি,সাধারণ জ্ঞান)

◉ Exam ZoneWeekly Exam

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

50মোট প্রশ্ন
⏱️25মিনিট
🎯50পূর্ণমান
🪙10Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের কালসীমা সাধারণভাবে কত ধরা হয়?

৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ

১২০১–১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ

১৮০১–১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ

১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:ক. ৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগে সাধারণভাবে ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে প্রাচীন যুগ বলা হয়। এ যুগের প্রধান ও একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাহিত্যনিদর্শন হলো চর্যাপদ। পাল রাজবংশের শাসনকাল এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত চর্যাগীতি এই যুগের সাহিত্যিক ও ধর্মীয় পটভূমি নির্দেশ করে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১২০১–১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ ⇒ এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রচলিত কালসীমা। এ যুগে মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, অনুবাদ সাহিত্য ও মুসলিম কবিদের সাহিত্য বিকশিত হয়।
❖ ১৮০১–১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ ⇒ এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রারম্ভিক ও ঔপনিবেশিক পর্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত সময়।
❖ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান ⇒ এটি সমকালীন বা উত্তর-ঔপনিবেশিক বাংলা সাহিত্যচর্চার সময়কে বোঝাতে পারে; প্রাচীন যুগ নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: চর্যাপদের যুগ = প্রাচীন যুগ = ৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ। ১২০১ সাল থেকে শুরু মধ্যযুগ।
02
🎯 1 Mark

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা কে?

বড়ু চণ্ডীদাস

বিদ্যাপতি

জ্ঞানদাস

গোবিন্দদাস

✅ সঠিক উত্তর:ক. বড়ু চণ্ডীদাস

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
বড়ু চণ্ডীদাস

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। কাব্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা মানবিক আবেগ, বিরহ ও সংলাপনির্ভর নাটকীয় ভঙ্গিতে উপস্থাপিত হয়েছে। কাব্যটি মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত বলে প্রচলিত এবং এটি বাংলা বৈষ্ণব সাহিত্যধারার পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ রচনা।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বিদ্যাপতি ⇒ তিনি মৈথিলি ভাষার বিখ্যাত কবি এবং রাধা-কৃষ্ণবিষয়ক পদরচনার জন্য পরিচিত; ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা নন।
❖ জ্ঞানদাস ⇒ তিনি বৈষ্ণব পদাবলির একজন উল্লেখযোগ্য কবি; তাঁর রচনায় রাধাকৃষ্ণের প্রেম ও বিরহের প্রকাশ আছে।
❖ গোবিন্দদাস ⇒ তিনি বৈষ্ণব পদাবলির বিখ্যাত কবি; তাঁর পদে ভক্তি ও শৃঙ্গাররসের সমন্বয় দেখা যায়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ = বড়ু চণ্ডীদাস; আর বৈষ্ণব পদাবলিতে বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস গুরুত্বপূর্ণ নাম।
03
🎯 1 Mark

কোন বাক্যে ‘fast’ শব্দটি Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?

He runs fast.

He bought a fast car.

The fast train arrived late.

Fast food is popular.

✅ সঠিক উত্তর:ক. He runs fast.

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
He runs fast.

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাক্যটিতে ‘fast’ শব্দটি verb ‘runs’-কে বিশেষিত করেছে এবং সে কীভাবে দৌড়ায় তা বোঝাচ্ছে। তাই এখানে ‘fast’ হলো Adverb। অনেক Adverb-এর শেষে -ly থাকলেও fast, hard, late, early ইত্যাদি শব্দ বাক্যভেদে Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ He bought a fast car. ⇒ এখানে ‘fast’ শব্দটি noun ‘car’-কে বিশেষিত করেছে; তাই এটি Adjective।
❖ The fast train arrived late. ⇒ এখানে ‘fast’ শব্দটি noun ‘train’-এর গুণ বোঝাচ্ছে; তাই এটি Adjective।
❖ Fast food is popular. ⇒ এখানে ‘fast’ শব্দটি noun ‘food’-কে বিশেষিত করে একটি যৌগিক বিশেষণধর্মী অর্থ তৈরি করেছে; এটি Adjective।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
Verb-কে প্রশ্ন করুন—‘কীভাবে?’ উত্তর হলে Adverb। He runs কীভাবে? fast। তাই fast এখানে Adverb।
04
🎯 1 Mark

নিচের কোন বাক্যে ‘committee’ শব্দটি Collective Noun?

The committee has made its decision.

The committee room is large.

He joined the committee yesterday.

Committee members attended the meeting.

✅ সঠিক উত্তর:ক. The committee has made its decision.

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
The committee has made its decision.

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
Collective Noun এমন noun যা ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর একটি দলকে একক সত্তা হিসেবে বোঝায়। ‘The committee has made its decision’ বাক্যে committee সদস্যদের সমষ্টিকে একক প্রতিষ্ঠান বা দল হিসেবে বোঝাচ্ছে। এজন্য singular verb ‘has’ এবং singular possessive ‘its’ ব্যবহৃত হয়েছে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ The committee room is large. ⇒ এখানে ‘committee’ শব্দটি room-এর ধরন বা উদ্দেশ্য বোঝাতে attributive noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; দল হিসেবে বাক্যের মূল subject নয়।
❖ He joined the committee yesterday. ⇒ এখানে committee অবশ্যই একটি দলকে বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নে collective noun-এর একক সত্তা হিসেবে verb agreement-এর ব্যবহার যাচাই করা হয়েছে; প্রদত্ত বাক্যে সেই বৈশিষ্ট্যটি স্পষ্ট নয়।
❖ Committee members attended the meeting. ⇒ এখানে মূল noun হলো ‘members’; committee শব্দটি members-কে বিশেষিত করছে, দলকে একক noun হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
Team, committee, jury, family, crowd—এগুলো দল বোঝালে Collective Noun। দলকে একক ভাবলে singular verb ব্যবহৃত হয়।
05
🎯 1 Mark

নিচের কোনটি Abstract Noun?

Honesty

Table

Teacher

River

✅ সঠিক উত্তর:ক. Honesty

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
Honesty

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
Abstract Noun এমন নামবাচক শব্দ যা কোনো গুণ, অবস্থা, অনুভূতি, ধারণা বা কার্যকে বোঝায়; যা দেখা বা স্পর্শ করা যায় না। ‘Honesty’ অর্থ সততা—এটি মানুষের একটি গুণ, তাই এটি Abstract Noun। সাধারণত adjective বা noun থেকে suffix যোগে অনেক abstract noun গঠিত হয়; যেমন honest + -y = honesty।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ Table ⇒ এটি একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য বস্তু; তাই এটি Common Noun।
❖ Teacher ⇒ এটি কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবীকে বোঝায়; তাই এটি Common Noun।
❖ River ⇒ এটি একটি প্রাকৃতিক ভৌগোলিক বস্তু; দেখা যায় বলে এটি Common Noun।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না কিন্তু অনুভব বা উপলব্ধি করা যায়—যেমন honesty, beauty, freedom—সেগুলো Abstract Noun।
06
🎯 1 Mark

প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী পুণ্ড্রনগরের প্রত্নস্থল বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?

মহাস্থানগড়, বগুড়া

ময়নামতি, কুমিল্লা

পাহাড়পুর, নওগাঁ

সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ

✅ সঠিক উত্তর:ক. মহাস্থানগড়, বগুড়া

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়, বগুড়া

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। এর প্রত্নস্থল বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগরসভ্যতার নিদর্শন। মৌর্য যুগ থেকে শুরু করে গুপ্ত, পাল ও সেন যুগ পর্যন্ত এ অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ময়নামতি, কুমিল্লা ⇒ এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধবিহার ও প্রত্ননিদর্শনের জন্য বিখ্যাত; পুণ্ড্রনগর নয়।
❖ পাহাড়পুর, নওগাঁ ⇒ এখানে সোমপুর মহাবিহার অবস্থিত, যা পাল যুগের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধবিহার।
❖ সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ⇒ এটি মধ্যযুগে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক নগর ছিল; পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘পুণ্ড্রবর্ধন–পুণ্ড্রনগর–মহাস্থানগড়’—তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখুন। মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়ায়।
07
🎯 1 Mark

প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ মূলত কোন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল?

দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা

উত্তর-পশ্চিম বাংলা

উত্তর-পূর্ব বাংলা

পশ্চিম বাংলা

✅ সঠিক উত্তর:ক. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
হরিকেল ছিল প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, যা মূলত বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচিত। বিভিন্ন প্রাচীন লিপি ও মুদ্রায় হরিকেল নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। বঙ্গ, পুণ্ড্র, রাঢ়, সমতট ও হরিকেল ছিল প্রাচীন বাংলার উল্লেখযোগ্য জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ উত্তর-পশ্চিম বাংলা ⇒ এ অঞ্চলের সঙ্গে প্রধানত পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের সম্পর্ক বেশি।
❖ উত্তর-পূর্ব বাংলা ⇒ এ অঞ্চল প্রাচীন কামরূপ ও শ্রীহট্ট অঞ্চলের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত; হরিকেলের মূল অবস্থান নয়।
❖ পশ্চিম বাংলা ⇒ পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাঢ় জনপদের সম্পর্ক বেশি ছিল।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘হরিকেল = হিল-সমুদ্রঘেঁষা দক্ষিণ-পূর্ব’—চট্টগ্রামকেন্দ্রিক দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে।
08
🎯 1 Mark

মেসোপটেমীয় সভ্যতা কোন দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?

টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস

নীল ও আমাজন

সিন্ধু ও গঙ্গা

হুয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং

✅ সঠিক উত্তর:ক. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি’। এই সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উর্বর অঞ্চলে গড়ে ওঠে, যা প্রধানত বর্তমান ইরাক অঞ্চলে অবস্থিত। সুমেরীয়, আক্কাদীয়, ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয় সভ্যতা এই অঞ্চলে বিকশিত হয়েছিল। কিউনিফর্ম লিপি এবং নগররাষ্ট্র মেসোপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ নীল ও আমাজন ⇒ নীল নদ মিশরীয় সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র; আমাজন দক্ষিণ আমেরিকার বৃহৎ নদী এবং মেসোপটেমিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
❖ সিন্ধু ও গঙ্গা ⇒ সিন্ধু নদকে কেন্দ্র করে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে ওঠে; গঙ্গা নদী ভারতীয় উপমহাদেশের অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ হুয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং ⇒ এ দুটি নদী চীনা সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
Mesopotamia = ‘মাঝে দুই নদী’; এই দুই নদী হলো Tigris ও Euphrates।
09
🎯 1 Mark

সিন্ধু সভ্যতার কোন নগরে বিখ্যাত ‘Great Bath’ আবিষ্কৃত হয়েছে?

মহেঞ্জোদারো

হরপ্পা

লোথাল

কালীবঙ্গান

✅ সঠিক উত্তর:ক. মহেঞ্জোদারো

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মহেঞ্জোদারো

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সিন্ধু সভ্যতার মহেঞ্জোদারো নগরে বিখ্যাত Great Bath বা বৃহৎ স্নানাগার আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি পোড়া ইট, জলরোধী নির্মাণসামগ্রী এবং উন্নত পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার নিদর্শন বহন করে। ধারণা করা হয়, এটি ধর্মীয় আচার বা সামষ্টিক স্নানের কাজে ব্যবহৃত হতো। মহেঞ্জোদারো সিন্ধু সভ্যতার নগর পরিকল্পনা ও উন্নত পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হরপ্পা ⇒ এটি সিন্ধু সভ্যতার আরেকটি প্রধান নগর; এখানে বৃহৎ শস্যাগারসহ নানা প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে, কিন্তু Great Bath-এর জন্য বিখ্যাত নয়।
❖ লোথাল ⇒ এটি সিন্ধু সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগর; এখানে ডকইয়ার্ডের নিদর্শন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
❖ কালীবঙ্গান ⇒ এটি সিন্ধু সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল, যেখানে কৃষিজমির চিহ্ন ও অগ্নিবেদির নিদর্শন পাওয়া গেছে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘মহেঞ্জোদারোতে মহান স্নান’—মহেঞ্জোদারো শব্দের সঙ্গে Great Bath মিলিয়ে মনে রাখুন।
10
🎯 1 Mark

মঙ্গলকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার

রাজদরবারের যুদ্ধবৃত্তান্ত বর্ণনা

বৈষ্ণবদের রাধাকৃষ্ণপ্রেমের পদ রচনা

বৌদ্ধ সহজিয়াদের গূঢ় সাধনতত্ত্ব প্রকাশ

✅ সঠিক উত্তর:ক. দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাব্যধারা, যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল নির্দিষ্ট দেবদেবীর মাহাত্ম্য, পূজার প্রচলন এবং ভক্তের প্রতি দেবতার কৃপা প্রচার করা। মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল ও অন্নদামঙ্গল এ ধারার উল্লেখযোগ্য শাখা। এসব কাব্যে দেবতার মাহাত্ম্যের সঙ্গে তৎকালীন সমাজজীবন, অর্থনীতি ও লোকবিশ্বাসের চিত্রও প্রতিফলিত হয়েছে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ রাজদরবারের যুদ্ধবৃত্তান্ত বর্ণনা ⇒ এটি সাধারণত ইতিহাস, রাজপ্রশস্তি বা যুদ্ধকাব্যের বৈশিষ্ট্য; মঙ্গলকাব্যের মুখ্য লক্ষ্য নয়।
❖ বৈষ্ণবদের রাধাকৃষ্ণপ্রেমের পদ রচনা ⇒ এটি বৈষ্ণব পদাবলির প্রধান বিষয়, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহ প্রকাশিত হয়।
❖ বৌদ্ধ সহজিয়াদের গূঢ় সাধনতত্ত্ব প্রকাশ ⇒ এটি চর্যাপদের বৈশিষ্ট্য; চর্যাপদে সন্ধ্যাভাষায় সহজিয়া সাধনার কথা বলা হয়েছে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘মঙ্গলকাব্য’ নামেই মঙ্গল বা কল্যাণের ধারণা আছে—দেবতার মাহাত্ম্য প্রচার করে ভক্তের মঙ্গল কামনাই এর মূল কথা।