📅Monthly Exam
📅 Monthly Exam Upcoming

Montly Exam-1

◉ Exam ZoneMonthly Exam

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

100মোট প্রশ্ন
⏱️50মিনিট
🎯100পূর্ণমান
🪙10Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

‘নিরুপায়’ শব্দটি কোন ধরনের সন্ধির উদাহরণ?

স্বরসন্ধি

ব্যঞ্জনসন্ধি

বিসর্গসন্ধি

ণত্বসন্ধি

✅ সঠিক উত্তর:গ. বিসর্গসন্ধি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
বিসর্গসন্ধি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘নিরুপায়’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘নিঃ + উপায়’ থেকে। এখানে ‘নিঃ’-এর বিসর্গ (ঃ)-এর পর স্বরধ্বনি ‘উ’ এসেছে এবং প্রচলিত সন্ধির নিয়মে বিসর্গের স্থলে ‘র্’ হয়ে ‘নিরুপায়’ হয়েছে। অতএব এটি বিসর্গসন্ধি।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ স্বরসন্ধি ⇒ দুটি স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে; যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে বিসর্গের পরিবর্তন ঘটেছে, তাই এটি স্বরসন্ধি নয়।
❖ ব্যঞ্জনসন্ধি ⇒ ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ব্যঞ্জনবর্ণ বা স্বরবর্ণের মিলনে ব্যঞ্জনের রূপান্তর হলে ব্যঞ্জনসন্ধি হয়। ‘নিরুপায়’-এ মূল পরিবর্তন বিসর্গে ঘটেছে।
❖ ণত্বসন্ধি ⇒ ণত্ববিধি মূলত ‘ন’-এর ‘ণ’ হওয়ার নিয়মসংক্রান্ত; এটি সন্ধির স্বতন্ত্র প্রকার নয় এবং এখানে ‘ন’ থেকে ‘ণ’ হয়নি।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘নিঃ, দুঃ, বহিঃ, মনঃ’ ইত্যাদি শব্দে বিসর্গ থাকলে পরের বর্ণের কারণে কী পরিবর্তন হচ্ছে তা দেখুন। বিসর্গ বদলালে সাধারণত সেটি বিসর্গসন্ধি।
02
🎯 1 Mark

Choose the grammatically correct completion: “If I ___ you, I would not overlook the procedural error.”

am

was

were

had been

✅ সঠিক উত্তর:গ. were

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
were

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাক্যটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালের অবাস্তব/কাল্পনিক পরিস্থিতি প্রকাশ করছে: “If I were you, I would...”। এ ধরনের conditional sentence-এ ‘be’ ক্রিয়ার ক্ষেত্রে সব পুরুষের সঙ্গে প্রচলিত ও শুদ্ধ subjunctive রূপ হলো ‘were’। তাই সঠিক বাক্য: “If I were you, I would not overlook the procedural error.”

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ am ⇒ ‘If I am you’ অর্থগত ও ব্যাকরণগতভাবে এখানে গ্রহণযোগ্য নয়; বক্তা বাস্তবে শ্রোতা নন।
❖ was ⇒ কথ্য ইংরেজিতে কখনও শোনা গেলেও কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে আনুষ্ঠানিক ও পরীক্ষায় গ্রহণযোগ্য রূপ ‘were’।
❖ had been ⇒ এটি past perfect conditional-এর অংশ হতে পারে; যেমন: “If I had been you, I would have...”। কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে ফলাফল ‘would not overlook’, যা বর্তমানের কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“If I were you...” একটি স্থির পরীক্ষাভিত্তিক কাঠামো। কাল্পনিক শর্তে I/he/she/it—সব ক্ষেত্রেই ‘were’ মনে রাখুন।
03
🎯 1 Mark

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের জন্য সংশোধনী বিলের পক্ষে সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার ন্যূনতম কত অংশের ভোট প্রয়োজন?

সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা

মোট সদস্যসংখ্যার তিন-পঞ্চমাংশ

মোট সদস্যসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের কম নয়

উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ

✅ সঠিক উত্তর:গ. মোট সদস্যসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের কম নয়

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মোট সদস্যসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের কম নয়

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের বিল সংসদে পাস করতে হলে সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোট প্রয়োজন। এখানে ‘মোট সদস্যসংখ্যা’ গুরুত্বপূর্ণ; কেবল উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ যথেষ্ট নয়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ⇒ সাধারণ আইন পাসের ক্ষেত্রে সাধারণত উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রযোজ্য হতে পারে; সংবিধান সংশোধনে নয়।
❖ মোট সদস্যসংখ্যার তিন-পঞ্চমাংশ ⇒ এটি কিছু দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের নির্ধারিত হার নয়।
❖ উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ⇒ সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে ভিত্তি হলো সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা, উপস্থিত সদস্যসংখ্যা নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
সংবিধান সংশোধন = ‘মোট সদস্যের ২/৩’। প্রশ্নে ‘উপস্থিত সদস্য’ থাকলে সতর্ক হোন।
04
🎯 1 Mark

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর কাছে পরামর্শমূলক মতামত চাওয়ার ক্ষমতা নিচের কার নেই?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

জাতিসংঘের অনুমোদিত বিশেষায়িত সংস্থা

জাতিসংঘের কোনো সদস্যরাষ্ট্র

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. জাতিসংঘের কোনো সদস্যরাষ্ট্র

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘের কোনো সদস্যরাষ্ট্র

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত পরামর্শমূলক মতামত প্রদান করে জাতিসংঘের অনুমোদিত অঙ্গ বা বিশেষায়িত সংস্থার অনুরোধে। সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ সরাসরি এমন মতামত চাইতে পারে। অন্যান্য জাতিসংঘ অঙ্গ ও বিশেষায়িত সংস্থা তাদের কার্যপরিধির আইনগত প্রশ্নে অনুমোদনসাপেক্ষে মতামত চাইতে পারে। কোনো সদস্যরাষ্ট্র সরাসরি ICJ-এর কাছে advisory opinion চাইতে পারে না।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ⇒ সাধারণ পরিষদ পরামর্শমূলক মতামত চাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন প্রধান অঙ্গ।
❖ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ⇒ নিরাপত্তা পরিষদও সরাসরি ICJ-এর কাছে advisory opinion চাইতে পারে।
❖ জাতিসংঘের অনুমোদিত বিশেষায়িত সংস্থা ⇒ সংশ্লিষ্ট কার্যপরিধির আইনগত প্রশ্নে যথাযথ অনুমোদন পেলে বিশেষায়িত সংস্থাও মতামত চাইতে পারে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
ICJ-এ রাষ্ট্রের সরাসরি ভূমিকা মূলত contentious case বা বিরোধপূর্ণ মামলায়। Advisory opinion চায় জাতিসংঘের অঙ্গ বা অনুমোদিত সংস্থা।
05
🎯 1 Mark

নিরক্ষীয় মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে যে জলবায়ু ঘটনা দেখা যায় তা হলো—

লা নিনা

এল নিনো

মৌসুমি বায়ু

পশ্চিমা ঝঞ্ঝা

✅ সঠিক উত্তর:খ. এল নিনো

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
এল নিনো

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নিরক্ষীয় মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলে এল নিনো অবস্থা সৃষ্টি হয়। এটি বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ, বৃষ্টিপাত, খরা, ঘূর্ণিঝড়ের ধরন এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এল নিনো দক্ষিণী দোলন বা ENSO ব্যবস্থার উষ্ণ পর্যায়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ লা নিনা ⇒ লা নিনা হলো ENSO-এর শীতল পর্যায়; এতে নিরক্ষীয় মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ঠান্ডা হয়।
❖ মৌসুমি বায়ু ⇒ ঋতুভেদে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনকে মৌসুমি বায়ু বলে; এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রশান্ত মহাসাগরীয় উষ্ণায়ন-ঘটনা নয়।
❖ পশ্চিমা ঝঞ্ঝা ⇒ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব ফেলা শীতকালীন নিম্নচাপীয় ব্যবস্থা; এর সঙ্গে এল নিনোর সরাসরি পরিচয়গত সম্পর্ক নেই।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
El Niño অর্থ ‘উষ্ণ প্রশান্ত’; La Niña অর্থ ‘শীতল প্রশান্ত’—উষ্ণতা বাড়লে এল নিনো, কমলে লা নিনা।
06
🎯 1 Mark

একটি গ্যালভানিক কোষে মানক কোষ বিভব, E°cell, ধনাত্মক হলে কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক?

মানক অবস্থায় বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত

মানক গিবস মুক্তশক্তি পরিবর্তন ধনাত্মক

কোষটি বাহ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়া চলবে না

জারণ ও বিজারণ—উভয়ই ক্যাথোডে ঘটে

✅ সঠিক উত্তর:ক. মানক অবস্থায় বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মানক অবস্থায় বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গ্যালভানিক কোষে মানক কোষ বিভব ধনাত্মক হলে মানক অবস্থায় বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত হয়। কারণ সম্পর্কটি হলো: ΔG° = −nFE°cell। এখানে n এবং F ধনাত্মক; তাই E°cell ধনাত্মক হলে ΔG° ঋণাত্মক হয়, যা স্বতঃস্ফূর্ত বিক্রিয়ার নির্দেশক। গ্যালভানিক কোষ রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মানক গিবস মুক্তশক্তি পরিবর্তন ধনাত্মক ⇒ E°cell ধনাত্মক হলে ΔG° ঋণাত্মক হয়, ধনাত্মক নয়।
❖ কোষটি বাহ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়া চলবে না ⇒ এটি ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষের বৈশিষ্ট্য; গ্যালভানিক কোষ স্বতঃস্ফূর্ত বিক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
❖ জারণ ও বিজারণ—উভয়ই ক্যাথোডে ঘটে ⇒ জারণ ঘটে অ্যানোডে এবং বিজারণ ঘটে ক্যাথোডে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘Positive E, Negative G, Spontaneous’—E° ধনাত্মক মানেই ΔG° ঋণাত্মক, তাই বিক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্ত।
07
🎯 1 Mark

ডেটাবেসের ACID বৈশিষ্ট্যের কোনটি নিশ্চিত করে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পরও সফলভাবে সম্পন্ন (committed) transaction-এর তথ্য স্থায়ী থাকবে?

Atomicity

Consistency

Isolation

Durability

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. Durability

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
Durability

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
Durability নিশ্চিত করে যে একটি transaction সফলভাবে commit হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, সফটওয়্যার ত্রুটি বা সিস্টেম পুনরায় চালুর পরও committed data হারিয়ে যাবে না। লগ, write-ahead logging এবং recovery mechanism এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ Atomicity ⇒ একটি transaction-এর সব কাজ সম্পূর্ণ হবে, নতুবা কোনো কাজই কার্যকর হবে না—এটি all-or-nothing নীতি।
❖ Consistency ⇒ transaction-এর আগে ও পরে ডেটাবেসের integrity constraint ও নিয়ম বজায় থাকার নিশ্চয়তা দেয়।
❖ Isolation ⇒ একাধিক সমসাময়িক transaction যেন পরস্পরের অসম্পূর্ণ কাজকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রভাবিত না করে, তা নিশ্চিত করে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
ACID-এ ‘D = Data survives disaster’—commit হওয়া তথ্য বিপর্যয়ের পরও থাকলে সেটি Durability।
08
🎯 1 Mark

A একটি কাজ ১২ দিনে এবং B কাজটি ১৮ দিনে করতে পারে। তারা একসঙ্গে ৪ দিন কাজ করার পর B চলে গেল। অবশিষ্ট কাজ A একা কত দিনে শেষ করবে?

৪ দিন

৪ ২/৩ দিন

৫ ১/৩ দিন

৬ দিন

✅ সঠিক উত্তর:গ. ৫ ১/৩ দিন

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
৫ ১/৩ দিন

✦ বিস্তারিত সমাধান:

❖ প্রদত্ত তথ্য:
A-এর এক দিনে কাজের পরিমাণ = ১/১২
B-এর এক দিনে কাজের পরিমাণ = ১/১৮
তারা একসঙ্গে কাজ করেছে = ৪ দিন

❖ প্রয়োজনীয় সূত্র/নীতি:
একসঙ্গে কাজের হার = পৃথক কাজের হারের যোগফল।
সময় = অবশিষ্ট কাজ ÷ কাজের হার।

❖ ধাপে ধাপে সমাধান:
➤ Step 1: A ও B-এর একদিনের যৌথ কাজের হার
= ১/১২ + ১/১৮
= ৩/৩৬ + ২/৩৬
= ৫/৩৬।

➤ Step 2: ৪ দিনে সম্পন্ন কাজ
= ৪ × ৫/৩৬
= ২০/৩৬
= ৫/৯।

➤ Step 3: অবশিষ্ট কাজ
= ১ − ৫/৯
= ৪/৯।

➤ Step 4: A একা ১ দিনে করে ১/১২ কাজ।
অতএব ৪/৯ কাজ করতে সময়
= (৪/৯) ÷ (১/১২)
= ৪/৯ × ১২
= ১৬/৩ দিন
= ৫ ১/৩ দিন।

❖ চূড়ান্ত ফল:
A অবশিষ্ট কাজ শেষ করবে ৫ ১/৩ দিনে।

✦ শর্টকাট পদ্ধতি:
১২ ও ১৮-এর ল.সা.গু ৩৬ একক কাজ ধরুন। A করে ৩ একক/দিন, B করে ২ একক/দিন। ৪ দিনে যৌথ কাজ = ৫ × ৪ = ২০ একক। অবশিষ্ট = ১৬ একক। A প্রতিদিন ৩ একক করলে সময় = ১৬/৩ = ৫ ১/৩ দিন।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৪ দিন ⇒ এটি অবশিষ্ট সময় নয়; প্রশ্নে ৪ দিন হলো A ও B-এর একসঙ্গে কাজ করার সময়।
❖ ৪ ২/৩ দিন ⇒ যৌথ কাজের হার বা অবশিষ্ট কাজ নির্ণয়ে ভুল করলে এ ফল আসতে পারে।
❖ ৬ দিন ⇒ A-এর কাজের হারকে ভুলভাবে ১/১৩ বা কাছাকাছি ধরে নিলে এমন ভুল হতে পারে।
09
🎯 1 Mark

পাঁচজন A, B, C, D ও E একটি সারিতে উত্তরমুখী হয়ে বসেছে। B বসেছে A-এর ঠিক ডানে এবং D বসেছে E-এর ঠিক বামে। C কোনো প্রান্তে বসেনি। নিচের কোনটি অবশ্যই সত্য?

A প্রথম স্থানে বসেছে

B পঞ্চম স্থানে বসেছে

C তৃতীয় স্থানে বসেছে

D দ্বিতীয় স্থানে বসেছে

✅ সঠিক উত্তর:গ. C তৃতীয় স্থানে বসেছে

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
C তৃতীয় স্থানে বসেছে

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
A-B একটি পাশাপাশি জোড়া এবং E-D আরেকটি পাশাপাশি জোড়া। পাঁচটি স্থানের মধ্যে এই দুটি জোড়া চারটি স্থান দখল করবে। C কোনো প্রান্তে বসতে পারবে না। যদি C দ্বিতীয় বা চতুর্থ স্থানে বসে, তাহলে বাকি চারটি স্থানে দুটি পাশাপাশি জোড়া বসানোর জন্য পর্যাপ্ত ধারাবাহিক স্থান পাওয়া যায় না। তাই C অবশ্যই মাঝের অর্থাৎ তৃতীয় স্থানে বসবে।

সম্ভাব্য বিন্যাস দুটি: A B C E D অথবা E D C A B। উভয় ক্ষেত্রেই C তৃতীয় স্থানে থাকে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ A প্রথম স্থানে বসেছে ⇒ A প্রথম স্থানে বসতে পারে, কিন্তু E D C A B বিন্যাসে A চতুর্থ স্থানে; তাই এটি অবশ্যই সত্য নয়।
❖ B পঞ্চম স্থানে বসেছে ⇒ E D C A B বিন্যাসে B পঞ্চমে থাকে, কিন্তু A B C E D বিন্যাসে B দ্বিতীয় স্থানে থাকে।
❖ D দ্বিতীয় স্থানে বসেছে ⇒ E D C A B বিন্যাসে D দ্বিতীয়, কিন্তু A B C E D বিন্যাসে D পঞ্চম স্থানে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
দুটি ‘ব্লক’ AB ও ED এবং একজন একক C। C প্রান্তে নয়—তাই দুই ব্লকের মাঝখানের একমাত্র স্থান, অর্থাৎ তৃতীয় স্থান, C-এর জন্য বাধ্যতামূলক।
10
🎯 1 Mark

একজন সরকারি কর্মকর্তা এমন একটি ক্রয়প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন কমিটিতে আছেন, যেখানে তাঁর নিকটাত্মীয়ের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান দরপত্র দিয়েছে। সুশাসন ও জনসেবা নৈতিকতার দৃষ্টিতে কর্মকর্তার সর্বোত্তম পদক্ষেপ কী?

আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে কম দর দিলে সমর্থন করা

সম্পর্কটি গোপন রেখে নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করা

স্বার্থের সংঘাত প্রকাশ করে মূল্যায়নপ্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো

অন্য সদস্যদের মৌখিকভাবে জানিয়ে ভোটদানে অংশ নেওয়া

✅ সঠিক উত্তর:গ. স্বার্থের সংঘাত প্রকাশ করে মূল্যায়নপ্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
স্বার্থের সংঘাত প্রকাশ করে মূল্যায়নপ্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সম্পর্ক তাঁর সরকারি সিদ্ধান্তকে বাস্তবে বা দৃশ্যত প্রভাবিত করতে পারে। এটি স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest)। নৈতিক ও সুশাসনসম্মত পদক্ষেপ হলো সম্পর্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা এবং সিদ্ধান্ত বা মূল্যায়নপ্রক্রিয়া থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করা। এতে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনআস্থা রক্ষা হয়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে কম দর দিলে সমর্থন করা ⇒ কম দর একমাত্র মূল্যায়ন মানদণ্ড নাও হতে পারে; উপরন্তু কর্মকর্তার অংশগ্রহণ স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করবে।
❖ সম্পর্কটি গোপন রেখে নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করা ⇒ গোপনীয়তা নিজেই স্বচ্ছতার পরিপন্থী এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে জনসন্দেহ তৈরি করে।
❖ অন্য সদস্যদের মৌখিকভাবে জানিয়ে ভোটদানে অংশ নেওয়া ⇒ কেবল মৌখিক অবহিতকরণ যথেষ্ট নয়; প্রত্যাহার না করলে সিদ্ধান্তে প্রভাব বা প্রভাবের ধারণা থেকেই যায়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
স্বার্থের সংঘাত দেখলেই তিনটি ধাপ মনে রাখুন: ‘ঘোষণা—প্রত্যাহার—নথিভুক্তকরণ’।