🏆Model Test
🏆 Model Test Upcoming

Model Test 1 (September)

◉ Exam ZoneModel Test

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

200মোট প্রশ্ন
⏱️90মিনিট
🎯200পূর্ণমান
🪙10Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

০১. ‘পৌরাণিক’ ও ‘পাঠক’ শব্দদ্বয়ের প্রত্যয়গত পার্থক্য কোনটি?

উভয় শব্দেই কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

‘পৌরাণিক’-এ তদ্ধিত এবং ‘পাঠক’-এ কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

‘পৌরাণিক’-এ কৃৎ এবং ‘পাঠক’-এ তদ্ধিত-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

উভয় শব্দেই তদ্ধিত-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

✅ সঠিক উত্তর:খ. ‘পৌরাণিক’-এ তদ্ধিত এবং ‘পাঠক’-এ কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ‘পৌরাণিক’-এ তদ্ধিত এবং ‘পাঠক’-এ কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ তদ্ধিত-প্রত্যয় নামশব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন নাম বা বিশেষণ গঠন করে। ‘পুরাণ + ইক = পৌরাণিক’; তাই এটি তদ্ধিত-প্রত্যয়জাত।
❖ কৃৎ-প্রত্যয় ধাতুর পরে যুক্ত হয়। ‘পঠ্ + অক = পাঠক’—যিনি পাঠ করেন; তাই ‘পাঠক’-এ কৃৎ-প্রত্যয়।
➤ ধাতু + প্রত্যয় = কৃদন্ত শব্দ; নাম/বিশেষণ + প্রত্যয় = তদ্ধিতান্ত শব্দ—এটি পরীক্ষায় কার্যকর পার্থক্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. উভয় শব্দেই কৃৎ-প্রত্যয় ⇒ ‘পৌরাণিক’-এর ভিত্তি ‘পুরাণ’, ধাতু নয়; তাই এটি কৃৎ নয়।
❖ গ. প্রত্যয় দুটির অবস্থান উল্টো ⇒ ‘পাঠক’ ধাতু ‘পঠ্’ থেকে গঠিত; সুতরাং এটি কৃৎ-প্রত্যয়জাত।
❖ ঘ. উভয় শব্দেই তদ্ধিত-প্রত্যয় ⇒ ‘পাঠক’-এ কর্মসম্পাদনকারী বোঝাতে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ ধাতু দেখলে কৃৎ, নামশব্দ দেখলে তদ্ধিত ভাবুন।
02
🎯 1 Mark

০২. ‘মহর্ষি’ শব্দটি কোন সন্ধির ফল?

ব্যঞ্জনসন্ধি।

বিসর্গসন্ধি।

স্বরসন্ধি।

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।

✅ সঠিক উত্তর:গ. স্বরসন্ধি।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: স্বরসন্ধি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘মহা + ঋষি’ মিলিত হয়ে মহর্ষি হয়েছে। এখানে ‘আ’ ও ‘ঋ’—দুই স্বরধ্বনির মিলন ঘটেছে; তাই এটি স্বরসন্ধি।
❖ সন্ধি হলো পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনে ধ্বনিগত পরিবর্তন। সংস্কৃত ব্যাকরণে স্বর, ব্যঞ্জন ও বিসর্গ—এই তিন প্রধান ধরনের সন্ধি স্বীকৃত।
➤ ‘বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়’ এবং ‘হিম + আলয় = হিমালয়’ও স্বরসন্ধির পরিচিত উদাহরণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ব্যঞ্জনসন্ধি ⇒ ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জন বা স্বরের মিলনে ব্যঞ্জনের পরিবর্তন হলে ব্যঞ্জনসন্ধি হয়; এখানে তা হয়নি।
❖ খ. বিসর্গসন্ধি ⇒ বিসর্গচিহ্ন (ঃ) যুক্ত ধ্বনির পরিবর্তন এখানে নেই।
❖ ঘ. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি ⇒ ব্যাকরণের সাধারণ সূত্রে ব্যাখ্যাত নয় এমন রূপকে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়; ‘মহর্ষি’ সূত্রসিদ্ধ।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ সন্ধির সন্ধিক্ষণে দুই পাশে স্বর থাকলে আগে স্বরসন্ধি যাচাই করুন।
03
🎯 1 Mark

০৩. নিচের কোন সমাসবদ্ধ পদটি বহুব্রীহি সমাসের যথার্থ উদাহরণ?

নীলকমল।

রাজপুত্র।

পীতাম্বর।

যথাশক্তি।

✅ সঠিক উত্তর:গ. পীতাম্বর।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: পীতাম্বর।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বহুব্রীহি সমাসে সমাসবদ্ধ পদের অর্থ পূর্বপদের বা উত্তরপদের অর্থে সীমিত থাকে না; অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়। ‘পীত অম্বর যাঁর’—অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণ; তাই ‘পীতাম্বর’ বহুব্রীহি।
❖ বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যে প্রায়ই ‘যাঁর/যার/যাহার’ জাতীয় পদ থাকে এবং সমাসপদটি সাধারণত বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হয়।
➤ ‘দশানন’ (দশ আনন যাঁর) ও ‘চক্রপাণি’ (চক্র পাণিতে যাঁর) একই ধরনের উদাহরণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. নীলকমল ⇒ নীল যে কমল—কর্মধারয় সমাস; কমলকেই বোঝায়।
❖ খ. রাজপুত্র ⇒ রাজার পুত্র—ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
❖ ঘ. যথাশক্তি ⇒ শক্তি অনুসারে—অব্যয়ীভাব সমাস; পূর্বপদ অব্যয়রূপে প্রাধান্য পায়।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ ‘যাঁর’ বসালে এবং অন্য কাউকে বোঝালে বহুব্রীহি।
04
🎯 1 Mark

০৪. ‘লোকহিতকর’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য ও সমাস কী?

লোকের হিত করে—উপপদ তৎপুরুষ।

লোক ও হিত করে—দ্বন্দ্ব সমাস।

হিতকর লোক—কর্মধারয় সমাস।

লোকের জন্য হিতকর—অব্যয়ীভাব সমাস।

✅ সঠিক উত্তর:ক. লোকের হিত করে—উপপদ তৎপুরুষ।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: লোকের হিত করে—উপপদ তৎপুরুষ।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘লোকহিতকর’ অর্থ যা লোকের হিত করে। এখানে ‘হিত’ কর্মের সঙ্গে ‘কর’ ধাতুজাত অংশ যুক্ত; পূর্বপদটি ক্রিয়ার অর্থ পূর্ণ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি উপপদ তৎপুরুষ।
❖ উপপদ তৎপুরুষে পূর্বপদটি প্রত্যক্ষভাবে ক্রিয়াজাত উত্তরপদের সঙ্গে যুক্ত থাকে; যেমন—জলদ, কুম্ভকার, গৃহস্থ।
➤ শুধু কারক-সম্পর্ক দেখলেই সব তৎপুরুষকে সাধারণ তৎপুরুষ বলা ঠিক নয়; ক্রিয়াজাত উত্তরপদ থাকলে উপপদ তৎপুরুষ হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. দ্বন্দ্ব ⇒ দ্বন্দ্বে উভয় পদের সমান প্রাধান্য থাকে; ‘লোক’ ও ‘হিত’ এখানে সমমানের দুটি বস্তু নয়।
❖ গ. কর্মধারয় ⇒ কর্মধারয়ে বিশেষণ-বিশেষ্য বা উপমান-উপমেয় সম্পর্ক থাকে; এ ব্যাসবাক্যে তা নেই।
❖ ঘ. অব্যয়ীভাব ⇒ অব্যয়ীভাবে পূর্বপদ অব্যয় হয়; ‘লোক’ অব্যয় নয়।
✧ মনে রাখুন: ‘যা/যিনি ... করে’ ধরনের ক্রিয়াশীল অর্থ উপপদ তৎপুরুষের ইঙ্গিত হতে পারে।
05
🎯 1 Mark

০৫. ‘সুপাঠ্য’ শব্দে ‘সু-’ কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?

অনুসর্গ।

উপসর্গ।

অব্যয়।

বিভক্তি।

✅ সঠিক উত্তর:খ. উপসর্গ।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: উপসর্গ।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ উপসর্গ হলো এমন অব্যয়সদৃশ অংশ, যা ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে অর্থের পরিবর্তন বা বিশেষত্ব আনে। ‘সু + পাঠ্য = সুপাঠ্য’; ‘সু’ ভালো বা সহজ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
❖ বাংলা ও সংস্কৃত উভয় উৎসের উপসর্গ বাংলা শব্দগঠনে ব্যবহৃত হয়। যেমন—প্র-, পরা-, অনু-, নির-, বি-, সু-।
➤ উপসর্গ স্বাধীনভাবে বাক্যে কারক-সম্পর্ক স্থাপন করে না; এটি শব্দের অংশ হিসেবে অর্থবৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অনুসর্গ ⇒ অনুসর্গ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে—যেমন ‘জন্য’, ‘দিয়ে’, ‘থেকে’।
❖ গ. অব্যয় ⇒ অব্যয় স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে; ‘সু-’ এখানে স্বাধীন পদ নয়।
❖ ঘ. বিভক্তি ⇒ বিভক্তি শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে কারক বা বচন প্রকাশ করে; ‘সু-’ শব্দের শুরুতে আছে।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ আগে বসে অর্থ বদলালে উপসর্গ, পরে বসে সম্পর্ক গড়লে অনুসর্গ।
06
🎯 1 Mark

০৬. ‘অকালকুষ্মাণ্ড’ বাগধারাটির প্রাসঙ্গিক অর্থ কোনটি?

অপ্রত্যাশিত সাফল্য।

অপদার্থ ব্যক্তি।

অকালপ্রসূত ঘটনা।

অত্যন্ত কৃপণ ব্যক্তি।

✅ সঠিক উত্তর:খ. অপদার্থ ব্যক্তি।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: অপদার্থ ব্যক্তি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘অকালকুষ্মাণ্ড’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যার কোনো উপযোগিতা বা যোগ্যতা নেই—অর্থাৎ অপদার্থ ব্যক্তি। বাগধারার অর্থ আক্ষরিক শব্দার্থে স্থির হয় না; ব্যবহারগত বিশেষ অর্থ গ্রহণ করতে হয়।
❖ ‘কুষ্মাণ্ড’ অর্থ কুমড়া; ‘অকাল’ যুক্ত হয়ে এমন অনুপযুক্ত বা অপ্রয়োজনীয় কিছুর রূপক তৈরি করেছে।
➤ বাগধারা মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগ করলে অর্থস্থায়িত্ব বাড়ে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অপ্রত্যাশিত সাফল্য ⇒ এটি বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ নয়।
❖ গ. অকালপ্রসূত ঘটনা ⇒ শব্দে ‘অকাল’ থাকলেও এখানে সময়ের আগে ঘটা বোঝানো হয়নি।
❖ ঘ. অত্যন্ত কৃপণ ব্যক্তি ⇒ কৃপণ বোঝাতে ‘হাড়কিপটে’ বা ‘মাছির ডানা ভাঙা’ জাতীয় ভিন্ন অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়।
✧ মনে রাখুন: বাগধারায় আক্ষরিক অর্থে নয়, প্রচলিত অর্থে উত্তর দিতে হয়।
07
🎯 1 Mark

০৭. কোন বাক্যটি প্রমিত চলিত রীতির দৃষ্টিতে শুদ্ধ?

তিনি তাহার সিদ্ধান্ত জানাইয়াছেন।

সে বইখানি পড়িতেছে।

আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি।

তোমরা করিয়াছ কি?

✅ সঠিক উত্তর:গ. আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রমিত চলিত রীতিতে ক্রিয়ার রূপ হয় ‘করেছি, পড়ছে, জানিয়েছে’; ‘করিয়াছি, পড়িতেছে, জানাইয়াছেন’ ইত্যাদি সাধু রীতির রূপ। তাই ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি’ শুদ্ধ চলিত বাক্য।
❖ বাংলা গদ্যে প্রমিত চলিত রীতি বর্তমানে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য; একই বাক্যে সাধু ও চলিত ক্রিয়ার মিশ্রণ রীতিগত অসংগতি সৃষ্টি করে।
➤ চলিত রূপ: করেছে, হবে, গিয়েছিল। সাধু রূপ: করিয়াছে, হইবে, গিয়াছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জানাইয়াছেন ⇒ ‘তাহার’ ও ‘জানাইয়াছেন’ সাধু রীতির; চলিত হলে ‘তার ... জানিয়েছেন’।
❖ খ. পড়িতেছে ⇒ চলিত রূপ হবে ‘পড়ছে’।
❖ ঘ. করিয়াছ ⇒ চলিত রূপ হবে ‘করেছ’।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ ‘ইয়াছ/ইতেছে’ দেখলে সাধু রীতির সম্ভাবনা বেশি।
08
🎯 1 Mark

০৮. ‘সে অসুস্থ বলে বিদ্যালয়ে যায়নি’—বাক্যটিতে ‘বলে’ কোন ধরনের অব্যয়?

অনন্বয়ী অব্যয়।

সমুচ্চয়ী অব্যয়।

অনুকার অব্যয়।

প্রশ্নবোধক অব্যয়।

✅ সঠিক উত্তর:খ. সমুচ্চয়ী অব্যয়।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সমুচ্চয়ী অব্যয়।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘বলে’ এখানে ‘কারণ এই যে’ অর্থে দুই অংশ—অসুস্থতা ও বিদ্যালয়ে না যাওয়া—সংযুক্ত করেছে। তাই এটি সমুচ্চয়ী অব্যয়।
❖ যে অব্যয় দুটি শব্দ, পদগুচ্ছ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়; যেমন—এবং, কিন্তু, অথবা, কারণ, তাই, বলে।
➤ একই শব্দ ভিন্ন প্রেক্ষিতে ভিন্ন পদশ্রেণির কাজ করতে পারে; তাই শুধু শব্দ দেখে নয়, বাক্যে তার ভূমিকা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অনন্বয়ী অব্যয় ⇒ আবেগ, সম্মতি বা সম্বোধন প্রকাশ করে—যেমন আহা, হায়, বাঃ।
❖ গ. অনুকার অব্যয় ⇒ ধ্বনির অনুকরণ করে—যেমন ঝমঝম, টুংটাং।
❖ ঘ. প্রশ্নবোধক অব্যয় ⇒ প্রশ্ন গঠনে ব্যবহৃত হয়—যেমন কি, কেন, কোথায়।
✧ মনে রাখুন: ‘বলে’ যদি কারণ বা সংযোগ ঘটায়, সেটি সমুচ্চয়ী অব্যয়।
09
🎯 1 Mark

০৯. ‘রহিমকে ডাকো’ বাক্যে ‘রহিমকে’ কোন কারক?

কর্তৃকারক।

কর্মকারক।

অপাদান কারক।

অধিকরণ কারক।

✅ সঠিক উত্তর:খ. কর্মকারক।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কর্মকারক।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্রিয়ার কর্ম যাকে বা যেটিকে সরাসরি প্রভাবিত করে, তা কর্মকারক। ‘ডাকো’ ক্রিয়ার কর্ম ‘রহিমকে’; তাই এটি কর্মকারক।
❖ ‘কে’ বিভক্তি কর্তৃ ও কর্ম উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যেতে পারে, কিন্তু কারক নির্ধারণে বিভক্তির চেয়ে ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক মুখ্য।
➤ ‘রহিম ডাকল’ বাক্যে রহিম কর্তৃকারক; ‘রহিমকে ডাকো’ বাক্যে একই নাম কর্মকারক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. কর্তৃকারক ⇒ যে ক্রিয়া সম্পাদন করে সে কর্তৃ; এখানে ডাকবার কাজটি ‘তুমি’ করছ।
❖ গ. অপাদান কারক ⇒ বিচ্ছেদ বা উৎস বোঝায়—যেমন গাছ থেকে ফল পড়ে।
❖ ঘ. অধিকরণ কারক ⇒ স্থান বা কালের আধার বোঝায়—যেমন ঘরে বসি, সকালে যাই।
#শর্টকাট/মনে রাখার কৌশলঃ ক্রিয়াকে ‘কাকে/কীকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর আসে, তা সাধারণত কর্ম।
10
🎯 1 Mark

১০. ‘নির্ভীক’ শব্দে ‘নির্-’ উপসর্গের অর্থ কী?

অভাব বা বর্জন।

সাদৃশ্য।

সীমা অতিক্রম।

পুনরাবৃত্তি।

✅ সঠিক উত্তর:ক. অভাব বা বর্জন।

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: অভাব বা বর্জন।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘নির্ + ভীক = নির্ভীক’ অর্থ ভয়হীন। এখানে নির্- উপসর্গ ভয় বা ভীতির অভাব প্রকাশ করেছে।
❖ উপসর্গের অর্থ স্থির নয়; একই উপসর্গ ভিন্ন শব্দে ভিন্ন সূক্ষ্ম অর্থ দিতে পারে। তবে ‘নির্-’ প্রায়ই বর্জন, অভাব, মুক্তি বা বাহির অর্থে ব্যবহৃত হয়।
➤ নির্দোষ = দোষহীন, নিরাশা = আশাহীন, নির্বিকার = বিকারহীন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. সাদৃশ্য ⇒ সাদৃশ্য সাধারণত ‘প্রায়’, ‘সম’, ‘তুল্য’ জাতীয় অর্থে প্রকাশিত হয়।
❖ গ. সীমা অতিক্রম ⇒ ‘অতি-’ উপসর্গে অতিরিক্ততা বা অতিক্রমের অর্থ বেশি দেখা যায়।
❖ ঘ. পুনরাবৃত্তি ⇒ ‘পুনঃ/প্রতি-’ জাতীয় উপসর্গে পুনরাবৃত্তির ভাব থাকে।
✧ মনে রাখুন: নির্ভয়, নির্দোষ, নির্ঝঞ্ঝাট—সবখানে ‘নির্’ মানে মুক্ত/হীন।