01
🎯 Level 1
"০২. ১৮৮৫ সালে কোন রাজনৈতিক দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটে? (রবি: ১৬–১৭)"
✅ সঠিক উত্তর:ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আত্মপ্রকাশ ব্রিটিশ ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের রাজনৈতিক নেতারা প্রথমবারের মতো একটি দীর্ঘস্থায়ী সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠনের অধীনে নিয়মিতভাবে মিলিত হওয়ার সুযোগ পান।
❖ প্রতিষ্ঠার তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫।
❖ প্রতিষ্ঠার স্থান: বোম্বে শহরের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ।
❖ প্রধান উদ্যোক্তা: এ. ও. হিউম।
❖ প্রথম সভাপতি: উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
❖ প্রথম অধিবেশনের প্রতিনিধিসংখ্যা: ৭২ জন।
❖ অধিবেশনের স্থান পরিবর্তনের ঘটনা: প্রথমে কংগ্রেসের সভা পুনে (Poona) শহরে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাবের কারণে সভাস্থল পরিবর্তন করে বোম্বেতে নেওয়া হয়।
❖ প্রথম অধিবেশনের নেতৃত্ব: উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধি ব্রিটিশ শাসনের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে আলোচনা করেন।
❖ প্রথম অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ দাবি:
• ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা পর্যালোচনায় কমিশন গঠন।
• আইন পরিষদে ভারতীয় প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি।
• ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভারতীয়দের সমান সুযোগ।
• ভারতে ও ইংল্যান্ডে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা একই সময়ে আয়োজন।
• সামরিক ব্যয় হ্রাস।
• প্রশাসনিক জবাবদিহি ও আইনগত সংস্কার।
❖ ১৮৮৬ সালের দ্বিতীয় অধিবেশন: কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়। দাদাভাই নওরোজি সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রতিনিধিসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪৩৪ জন হয়।
❖ ১৮৮৭ সালের তৃতীয় অধিবেশন: মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন বদরুদ্দিন তৈয়বজি, যিনি কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি।
❖ ১৮৮৮ সালের চতুর্থ অধিবেশন: এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন জর্জ ইউল, যিনি কংগ্রেসের প্রথম ইংরেজ সভাপতি।
❖ ১৮৯৬ সালের অধিবেশন: কলকাতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেস অধিবেশনে রহিমতুল্লাহ সায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এই অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বন্দে মাতরম্ সংগীত পরিবেশন করেন বলে ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখ রয়েছে।
❖ ১৯০৬ সালের অধিবেশন: কলকাতায় দাদাভাই নওরোজির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বরাজ, স্বদেশী, বয়কট ও জাতীয় শিক্ষা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
❖ ১৯০৭ সালের সুরাট অধিবেশন: নরমপন্থী ও চরমপন্থী নেতাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে এবং কংগ্রেসে বিভক্তি ঘটে।
❖ ১৯১৬ সালের লক্ষ্ণৌ অধিবেশন: কংগ্রেসের নরমপন্থী ও চরমপন্থী ধারার পুনর্মিলন ঘটে। একই সময়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদিত হয়।
❖ ১৯২০ সালের নাগপুর অধিবেশন: কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং অসহযোগ আন্দোলনকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
❖ ১৯২৯ সালের লাহোর অধিবেশন: জওহরলাল নেহরুর সভাপতিত্বে কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ (Purna Swaraj)-এর লক্ষ্য গ্রহণ করে।
❖ ১৯৩১ সালের করাচি অধিবেশন: মৌলিক অধিকার ও জাতীয় অর্থনৈতিক কর্মসূচিসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভাপতি ছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।
❖ ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলন: মহাত্মা গান্ধী ও কংগ্রেসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসন অবসানের দাবিতে ব্যাপক গণআন্দোলন শুরু হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল — ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
➤ প্রতিষ্ঠা — ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫।
➤ প্রথম সভাস্থল হিসেবে পরিকল্পিত শহর — পুনে।
➤ স্থান পরিবর্তনের কারণ — কলেরার প্রাদুর্ভাব।
➤ প্রকৃত প্রথম অধিবেশন — বোম্বে।
➤ প্রথম সভাপতি — উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
➤ প্রথম সাধারণ সম্পাদক — এ. ও. হিউম।
➤ প্রথম অধিবেশনে প্রতিনিধি — ৭২ জন।
➤ দ্বিতীয় অধিবেশন — কলকাতা, ১৮৮৬।
➤ দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতি — দাদাভাই নওরোজি।
➤ তৃতীয় অধিবেশন — মাদ্রাজ, ১৮৮৭।
➤ তৃতীয় অধিবেশনের সভাপতি — বদরুদ্দিন তৈয়বজি।
➤ চতুর্থ অধিবেশন — এলাহাবাদ, ১৮৮৮।
➤ প্রথম ইংরেজ সভাপতি — জর্জ ইউল।
➤ কংগ্রেসের প্রথম নারী সভাপতি — অ্যানি বেসান্ত।
➤ অ্যানি বেসান্তের সভাপতিত্ব — ১৯১৭, কলকাতা।
➤ প্রথম ভারতীয় নারী সভাপতি — সরোজিনী নাইডু।
➤ সরোজিনী নাইডুর সভাপতিত্ব — ১৯২৫, কানপুর।
➤ কংগ্রেসের সুরাট বিভক্তি — ১৯০৭।
➤ কংগ্রেস-মুসলিম লীগ লক্ষ্ণৌ চুক্তি — ১৯১৬।
➤ পূর্ণ স্বরাজ প্রস্তাব — ১৯২৯ সালের লাহোর অধিবেশন।
➤ লাহোর অধিবেশনের সভাপতি — জওহরলাল নেহরু।
➤ ১৯৩১ সালের করাচি অধিবেশনের সভাপতি — বল্লভভাই প্যাটেল।
➤ ভারত ছাড়ো আন্দোলন — ১৯৪২।
➤ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস—১৮৮৫; নিখিল ভারত মুসলিম লীগ—১৯০৬; বিজেপি—১৯৮০; সিপিআই (এম)—১৯৬৪।"
◈ সঠিক উত্তর: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আত্মপ্রকাশ ব্রিটিশ ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের রাজনৈতিক নেতারা প্রথমবারের মতো একটি দীর্ঘস্থায়ী সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠনের অধীনে নিয়মিতভাবে মিলিত হওয়ার সুযোগ পান।
❖ প্রতিষ্ঠার তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫।
❖ প্রতিষ্ঠার স্থান: বোম্বে শহরের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ।
❖ প্রধান উদ্যোক্তা: এ. ও. হিউম।
❖ প্রথম সভাপতি: উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
❖ প্রথম অধিবেশনের প্রতিনিধিসংখ্যা: ৭২ জন।
❖ অধিবেশনের স্থান পরিবর্তনের ঘটনা: প্রথমে কংগ্রেসের সভা পুনে (Poona) শহরে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাবের কারণে সভাস্থল পরিবর্তন করে বোম্বেতে নেওয়া হয়।
❖ প্রথম অধিবেশনের নেতৃত্ব: উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধি ব্রিটিশ শাসনের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে আলোচনা করেন।
❖ প্রথম অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ দাবি:
• ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থা পর্যালোচনায় কমিশন গঠন।
• আইন পরিষদে ভারতীয় প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি।
• ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভারতীয়দের সমান সুযোগ।
• ভারতে ও ইংল্যান্ডে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা একই সময়ে আয়োজন।
• সামরিক ব্যয় হ্রাস।
• প্রশাসনিক জবাবদিহি ও আইনগত সংস্কার।
❖ ১৮৮৬ সালের দ্বিতীয় অধিবেশন: কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়। দাদাভাই নওরোজি সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রতিনিধিসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪৩৪ জন হয়।
❖ ১৮৮৭ সালের তৃতীয় অধিবেশন: মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন বদরুদ্দিন তৈয়বজি, যিনি কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি।
❖ ১৮৮৮ সালের চতুর্থ অধিবেশন: এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন জর্জ ইউল, যিনি কংগ্রেসের প্রথম ইংরেজ সভাপতি।
❖ ১৮৯৬ সালের অধিবেশন: কলকাতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেস অধিবেশনে রহিমতুল্লাহ সায়ানি সভাপতিত্ব করেন। এই অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বন্দে মাতরম্ সংগীত পরিবেশন করেন বলে ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখ রয়েছে।
❖ ১৯০৬ সালের অধিবেশন: কলকাতায় দাদাভাই নওরোজির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বরাজ, স্বদেশী, বয়কট ও জাতীয় শিক্ষা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
❖ ১৯০৭ সালের সুরাট অধিবেশন: নরমপন্থী ও চরমপন্থী নেতাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে এবং কংগ্রেসে বিভক্তি ঘটে।
❖ ১৯১৬ সালের লক্ষ্ণৌ অধিবেশন: কংগ্রেসের নরমপন্থী ও চরমপন্থী ধারার পুনর্মিলন ঘটে। একই সময়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদিত হয়।
❖ ১৯২০ সালের নাগপুর অধিবেশন: কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং অসহযোগ আন্দোলনকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
❖ ১৯২৯ সালের লাহোর অধিবেশন: জওহরলাল নেহরুর সভাপতিত্বে কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ (Purna Swaraj)-এর লক্ষ্য গ্রহণ করে।
❖ ১৯৩১ সালের করাচি অধিবেশন: মৌলিক অধিকার ও জাতীয় অর্থনৈতিক কর্মসূচিসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভাপতি ছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।
❖ ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলন: মহাত্মা গান্ধী ও কংগ্রেসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসন অবসানের দাবিতে ব্যাপক গণআন্দোলন শুরু হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল — ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
➤ প্রতিষ্ঠা — ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫।
➤ প্রথম সভাস্থল হিসেবে পরিকল্পিত শহর — পুনে।
➤ স্থান পরিবর্তনের কারণ — কলেরার প্রাদুর্ভাব।
➤ প্রকৃত প্রথম অধিবেশন — বোম্বে।
➤ প্রথম সভাপতি — উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
➤ প্রথম সাধারণ সম্পাদক — এ. ও. হিউম।
➤ প্রথম অধিবেশনে প্রতিনিধি — ৭২ জন।
➤ দ্বিতীয় অধিবেশন — কলকাতা, ১৮৮৬।
➤ দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতি — দাদাভাই নওরোজি।
➤ তৃতীয় অধিবেশন — মাদ্রাজ, ১৮৮৭।
➤ তৃতীয় অধিবেশনের সভাপতি — বদরুদ্দিন তৈয়বজি।
➤ চতুর্থ অধিবেশন — এলাহাবাদ, ১৮৮৮।
➤ প্রথম ইংরেজ সভাপতি — জর্জ ইউল।
➤ কংগ্রেসের প্রথম নারী সভাপতি — অ্যানি বেসান্ত।
➤ অ্যানি বেসান্তের সভাপতিত্ব — ১৯১৭, কলকাতা।
➤ প্রথম ভারতীয় নারী সভাপতি — সরোজিনী নাইডু।
➤ সরোজিনী নাইডুর সভাপতিত্ব — ১৯২৫, কানপুর।
➤ কংগ্রেসের সুরাট বিভক্তি — ১৯০৭।
➤ কংগ্রেস-মুসলিম লীগ লক্ষ্ণৌ চুক্তি — ১৯১৬।
➤ পূর্ণ স্বরাজ প্রস্তাব — ১৯২৯ সালের লাহোর অধিবেশন।
➤ লাহোর অধিবেশনের সভাপতি — জওহরলাল নেহরু।
➤ ১৯৩১ সালের করাচি অধিবেশনের সভাপতি — বল্লভভাই প্যাটেল।
➤ ভারত ছাড়ো আন্দোলন — ১৯৪২।
➤ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস—১৮৮৫; নিখিল ভারত মুসলিম লীগ—১৯০৬; বিজেপি—১৯৮০; সিপিআই (এম)—১৯৬৪।"