🧠 🔖
Free Topic

বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚190মোট প্রশ্ন
🎯7মোট লেভেল
0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. মানব সভ্যতার বিবর্তন ধারাকে কয়টি যুগে ভাগ করা হয়েছে? (জাবি: ২০১৬–১৭)

২টি

৩টি

৪টি

৫টি

✅ সঠিক উত্তর:খ. ৩টি

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: খ. ৩টি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ব্যবহৃত প্রধান উপকরণের ভিত্তিতে মানবসভ্যতার প্রাগৈতিহাসিক বিবর্তনধারাকে সাধারণত তিনটি প্রধান যুগে ভাগ করা হয়—
➤ প্রস্তর যুগ (Stone Age): পাথর ছিল অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরির প্রধান উপকরণ।
➤ ব্রোঞ্জ যুগ (Bronze Age): তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি ও ব্যবহার শুরু হয়।
➤ লৌহ যুগ (Iron Age): লোহা গলিয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, কৃষিযন্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম নির্মাণ শুরু হয়।
❖ এই শ্রেণিবিন্যাসকে Three-Age System বলা হয়। ডেনমার্কের প্রত্নতত্ত্ববিদ ক্রিশ্চিয়ান ইয়ুর্গেনসেন থমসেন উনিশ শতকে প্রত্নবস্তু বিন্যাসে এ পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রয়োগ করেন।
❖ প্রস্তর যুগ আবার তিন ভাগে বিভক্ত—
➤ প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা পুরাপ্রস্তর যুগ
➤ মধ্য প্রস্তর যুগ
➤ নবপ্রস্তর যুগ
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ২টি ⇒ সঠিক নয়; প্রস্তর ও ধাতব—এভাবে বৃহৎ দুই পর্যায় করা গেলেও প্রচলিত প্রত্নতাত্ত্বিক Three-Age System-এ তিনটি যুগ রয়েছে।
❖ ৪টি ⇒ তাম্র যুগকে পৃথক ধরলে কোনো কোনো আঞ্চলিক কালবিভাজনে চারটি পর্যায় দেখা যায়; কিন্তু প্রচলিত মূল শ্রেণিবিভাগে উত্তর তিনটি।
❖ ৫টি ⇒ প্রস্তর যুগের উপবিভাগ ও তাম্র যুগসহ বিস্তৃত শ্রেণিবিন্যাসে বেশি পর্যায় পাওয়া গেলেও প্রশ্নের স্বীকৃত উত্তর নয়।
02
🎯 Level 1

০৭. আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি কোনটি? (কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির নার্স: ২০১৯)

স্বর্ণ

ব্রোঞ্জ

তামা

লোহা

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. লোহা

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: ঘ. লোহা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রদত্ত ধাতুগুলোর মধ্যে লোহা আধুনিক সভ্যতা ও শিল্পায়নের প্রধান বস্তুগত ভিত্তি। লোহা থেকে উৎপাদিত ইস্পাত ব্যবহৃত হয়—
➤ ভবন, সেতু ও রেলপথ নির্মাণে;
➤ কলকারখানা ও ভারী যন্ত্রপাতিতে;
➤ মোটরযান, জাহাজ ও কৃষিযন্ত্রে;
➤ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্প অবকাঠামোয়;
➤ অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে।
❖ শিল্পবিপ্লবের সময় লোহা ও পরে ইস্পাতের ব্যাপক উৎপাদন পরিবহন, নগরায়ণ, যন্ত্রশিল্প ও বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।
❖ ইস্পাত মূলত লোহা ও নিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বনের সংমিশ্রণে তৈরি। বিশুদ্ধ লোহার তুলনায় ইস্পাত অধিক শক্তিশালী ও বহুমুখী।
❖ প্রশ্নটি মূলত সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক। আধুনিক সভ্যতা শুধু একটি ধাতুর ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়; বিদ্যুৎ, জীবাশ্ম জ্বালানি, সিলিকন, কংক্রিটসহ বহু উপাদান গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে লোহাই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ স্বর্ণ ⇒ মূল্যবান ধাতু এবং মুদ্রা, অলংকার ও ইলেকট্রনিকসে ব্যবহৃত হলেও ভারী অবকাঠামোর ভিত্তি নয়।
❖ ব্রোঞ্জ ⇒ প্রাচীনকালে অস্ত্র ও সরঞ্জাম নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল; লোহার বিস্তারের পরে এর প্রাধান্য কমে।
❖ তামা ⇒ বিদ্যুৎ পরিবাহী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তবে নির্মাণ ও ভারী যন্ত্রশিল্পে লোহা/ইস্পাতের মতো ব্যাপক নয়।
03
🎯 Level 1

১৪. সেচনির্ভর প্রাচীন সভ্যতা কোনটি? (বাংলাদেশ বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস অ্যাসিস্ট্যান্ট: ২০২৩)

সিন্ধু

গ্রিক

রোমান

মেসোপটেমীয়

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. মেসোপটেমীয়

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: ঘ. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা প্রধানত সেচনির্ভর ছিল। টাইগ্রিস বা দজলা এবং ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
❖ “মেসোপটেমিয়া” একটি গ্রিক শব্দ। এর অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি—
➤ Meso = মধ্যবর্তী
➤ Potamos = নদী
❖ বর্তমান ইরাকের দক্ষিণাঞ্চল ছিল শুষ্ক ও বৃষ্টিস্বল্প। শুধু প্রাকৃতিক বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে সেখানে নিয়মিত কৃষিকাজ করা সম্ভব ছিল না। তাই নদীর পানি কৃষিজমিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অধিবাসীরা কৃত্রিম সেচব্যবস্থা নির্মাণ করে।
❖ মেসোপটেমীয়রা সেচের জন্য—
➤ নদী থেকে খাল খনন করত;
➤ পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার নির্মাণ করত;
➤ বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাঁধ ও প্রতিরোধক তৈরি করত;
➤ ছোট নালা দিয়ে জমিতে পানি সরবরাহ করত;
➤ পানি বণ্টন ও সেচব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংগঠিত প্রশাসন গড়ে তুলেছিল।
❖ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিসের বন্যা নীল নদের মতো নিয়মিত ও পূর্বানুমানযোগ্য ছিল না। কখনো ভয়াবহ বন্যা হতো, আবার কখনো পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যেত না। এ কারণে নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ করা মেসোপটেমীয়দের জীবন ও কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
❖ পরিকল্পিত সেচব্যবস্থার ফলে শুষ্ক ভূমিতে গম, যব, খেজুর ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়। কৃষিতে উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদিত হওয়ায়—
➤ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়;
➤ উর, উরুক, লাগাশ ও কিশের মতো নগর গড়ে ওঠে;
➤ কৃষির বাইরে কারিগর, ব্যবসায়ী, পুরোহিত ও লেখকের মতো পেশাজীবী শ্রেণির সৃষ্টি হয়;
➤ বাণিজ্য, প্রশাসন ও লিখনপদ্ধতির বিকাশ ঘটে। মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায়
Ø সুমেরীয় সভ্যতা: সর্বপ্রথম বৃহৎ খাল ও সেচব্যবস্থা নির্মাণ করে কৃষিনির্ভর নগররাষ্ট্র গড়ে তোলে।
Ø আক্কাদীয় সভ্যতা: সুমেরীয়দের সেচ ও কৃষিপদ্ধতি গ্রহণ করে বৃহত্তর সাম্রাজ্য পরিচালনা করে।
Ø ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: খাল, বাঁধ ও জমির পানি বণ্টনসংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করে। হাম্মুরাবির আইনসংহিতাতেও সেচখাল রক্ষণাবেক্ষণ এবং অবহেলার কারণে অন্যের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শাস্তির বিধান ছিল।
Ø অ্যাসিরীয় সভ্যতা: উত্তর মেসোপটেমিয়ায় খাল, জলাধার ও পানি পরিবহনের উন্নত ব্যবস্থা তৈরি করে।
v সেচনির্ভর সভ্যতা হিসেবে পরিচিতির কারণ: মেসোপটেমিয়ার কৃষি ও নগরজীবন প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের পরিবর্তে মূলত টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিসের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং কৃত্রিম খালের মাধ্যমে জমিতে সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
v সভ্যতা বিকাশে সেচের প্রভাব: বৃহৎ সেচব্যবস্থা নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য সম্মিলিত শ্রম, কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব, পানি বণ্টনের নিয়ম এবং হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। এগুলো মেসোপটেমিয়ায় প্রশাসন, আইন ও লিখনপদ্ধতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সিন্ধু সভ্যতা ⇒ সিন্ধু নদ ও এর উপনদীকেন্দ্রিক কৃষিভিত্তিক সভ্যতা ছিল। এখানে কূপ, জলাধার, স্নানাগার ও উন্নত পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা পাওয়া গেছে। তবে প্রদত্ত প্রশ্নে সেচনির্ভর প্রাচীন সভ্যতার প্রচলিত উত্তর মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
❖ গ্রিক সভ্যতা ⇒ গ্রিসের ভূপ্রকৃতি ছিল পাহাড়ি এবং কৃষিজমি সীমিত। জলপাই ও আঙুর চাষ গুরুত্বপূর্ণ হলেও গ্রিক সভ্যতার সামগ্রিক অর্থনীতি কৃষির পাশাপাশি সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌযোগাযোগের ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল ছিল।
❖ রোমান সভ্যতা ⇒ রোমানরা জলসেতু বা aqueduct, খাল ও উন্নত পানি সরবরাহব্যবস্থা নির্মাণ করেছিল। কিন্তু রোমান সভ্যতাকে সাধারণত প্রাচীন সেচনির্ভর নদী-উপত্যকা সভ্যতা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় না।
04
🎯 Level 1

১৪. দজলা ও ফোরাত নদীর অববাহিকায় কোন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল? (জাবি: ২০১৬–১৭)

মিশরীয় সভ্যতা

সিন্ধু সভ্যতা

ইনকা সভ্যতা

মেসোপটেমীয় সভ্যতা

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. মেসোপটেমীয় সভ্যতা

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: ঘ. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দজলা হলো Tigris এবং ফোরাত হলো Euphrates নদীর বাংলা-আরবি নাম। এই দুই নদীর অববাহিকাই মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র।
❖ দজলা তুলনামূলক দ্রুত প্রবাহিত; ফোরাত অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ ও ধীরপ্রবাহী। দুই নদীর পানি ব্যবহার করে সুমেরীয়রা খাল ও সেচব্যবস্থা নির্মাণ করেছিল।
❖ উর, উরুক, লাগাশ, ব্যাবিলন, আশুর ও নিনেভেহ এই বৃহত্তর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর ছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মিশরীয় সভ্যতা ⇒ নীল নদকেন্দ্রিক।
❖ সিন্ধু সভ্যতা ⇒ সিন্ধু নদ ও এর উপনদীকেন্দ্রিক।
❖ ইনকা সভ্যতা ⇒ দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চলে গড়ে ওঠে।
05
🎯 Level 1

২০. কিউনিফর্ম কী? (জাককানইবি: ২০১৯–২০/এনবিআরের কম্পিউটার অপারেটর: ২০২৫)

মিশরীয় লিপি

ফিনিশীয় লিপি

সুমেরীয় লিপি

গ্রিক লিপি

✅ সঠিক উত্তর:গ. সুমেরীয় লিপি

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: গ. সুমেরীয় লিপি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ কিউনিফর্মের প্রাথমিক রূপ সুমেরীয়রা দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ায় উদ্ভাবন করে। তাই পরীক্ষায় একে সুমেরীয় লিপি বলা হয়।
❖ প্রাথমিকভাবে শস্য, পশু, শ্রম ও করের হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনে এর উদ্ভব ঘটে। পরে আইন, প্রশাসন, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যা ও সাহিত্য রচনায় ব্যবহৃত হয়।
❖ কিউনিফর্ম কোনো একক ভাষা নয়; এটি একটি লিখনপদ্ধতি, যার সাহায্যে একাধিক ভাষা লেখা হয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মিশরীয় লিপি ⇒ মিশরীয়দের চিত্রভিত্তিক লিপি হলো হায়ারোগ্লিফিক।
❖ ফিনিশীয় লিপি ⇒ ব্যঞ্জনবর্ণভিত্তিক বর্ণমালা; গ্রিক ও পরবর্তী বহু বর্ণমালার বিকাশে প্রভাব রেখেছে।
❖ গ্রিক লিপি ⇒ ফিনিশীয় বর্ণমালার প্রভাবে গড়ে ওঠে এবং স্বরবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার চালু করে।
06
🎯 Level 1

২৬. ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি কে? (ইবি: ২০০১–০২)

এরিস্টটল

সম্রাট আলেকজান্ডার

হাম্মুরাবি

জুলিয়াস সিজার

✅ সঠিক উত্তর:গ. হাম্মুরাবি

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: গ. হাম্মুরাবি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের প্রধান সংগঠক বা “স্থপতি” হিসেবে রাজা হাম্মুরাবি পরিচিত।
❖ তিনি ব্যাবিলনের প্রথম রাজবংশের ষষ্ঠ রাজা ছিলেন এবং আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৭৯২–১৭৫০ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন—যদিও কালপঞ্জিভেদে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
❖ তিনি দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার বিভিন্ন নগররাষ্ট্র জয় করে ব্যাবিলনকেন্দ্রিক বৃহৎ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত অবদান হাম্মুরাবির আইনসংহিতা—প্রায় ২৮২টি বিধানসংবলিত একটি সুসংগঠিত আইনসংগ্রহ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ এরিস্টটল ⇒ প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক।
❖ আলেকজান্ডার ⇒ ম্যাসিডোনীয় বিজেতা; হাম্মুরাবির প্রায় দেড় হাজার বছর পরের ব্যক্তি।
❖ জুলিয়াস সিজার ⇒ রোমান সেনানায়ক ও রাষ্ট্রনায়ক।
07
🎯 Level 1

৩২. কোন জাতি বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করেন? (গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহকারী তথ্য অফিসার: ২০১৩)

ক্যালডীয়রা

অ্যাসিরীয়রা

গ্রিকরা

ব্যাবিলনীয়রা

✅ সঠিক উত্তর:খ. অ্যাসিরীয়রা

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: খ. অ্যাসিরীয়রা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
· ◈ বইয়ে প্রদত্ত উত্তর: খ. অ্যাসিরীয়রা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ছবির উত্তরসূচিতে অ্যাসিরীয়রা দেওয়া হয়েছে; সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার উত্তর হিসেবে খ অনুসরণ করতে হবে।
❖ তবে ইতিহাস ও গণিতবিষয়ক অধিকাংশ আধুনিক আলোচনায় ৩৬০ ডিগ্রির ধারণাকে বৃহত্তর ব্যাবিলনীয় ষাটভিত্তিক গণনাপদ্ধতি ও জ্যোতির্বিদ্যার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
❖ ব্যাবিলনীয়রা ৬০-ভিত্তিক বা sexagesimal পদ্ধতি ব্যবহার করত। ৩৬০ সংখ্যা ৬০ দ্বারা বিভাজ্য এবং এর অনেক গুণনীয়ক রয়েছে; ফলে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যামিতিক গণনায় এটি সুবিধাজনক।
❖ একটি বছরকে প্রায় ৩৬০ দিন ধরে সূর্যের দৈনিক কৌণিক গতির ধারণাও পরবর্তী ৩৬০ ডিগ্রি ব্যবস্থায় ভূমিকা রেখেছে বলে ব্যাখ্যা করা হয়। ৩৬০ ডিগ্রির ব্যাবিলনীয় পটভূমি
v পরীক্ষার্থীদের জন্য সতর্কতা:
➤ এই ছবির প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর: অ্যাসিরীয়রা।
➤ সাধারণ ইতিহাস/গণিতের বহুল স্বীকৃত উত্তর: ব্যাবিলনীয়রা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক্যালডীয়রা ⇒ জ্যোতির্বিদ্যায় অত্যন্ত দক্ষ ছিল; ব্যাবিলনীয় জ্ঞানকে উন্নত করে।
❖ গ্রিকরা ⇒ বৃত্ত ও জ্যামিতির তাত্ত্বিক বিকাশে বড় অবদান রাখে; তবে ৬০-ভিত্তিক ঐতিহ্য মেসোপটেমিয়া থেকে গ্রহণ করে।
❖ ব্যাবিলনীয়রা ⇒ আধুনিক গবেষণায় সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত উত্তর; বইয়ের উত্তরসূচির সঙ্গে এখানে অসামঞ্জস্য রয়েছে।
08
🎯 Level 1

৩৮. প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্ম কোনটি? (ডাক বিভাগের মেইল অপারেটর: ২০০৮)

প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম

হিন্দু ধর্ম

ইসলাম ধর্ম

খ্রিষ্টধর্ম

✅ সঠিক উত্তর:ক. প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: ক. প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
· ◈ পরীক্ষায় স্বীকৃত উত্তর: ক. প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ব্যাখ্যা অনুযায়ী প্রাচীন মিশরীয় ধর্মকে প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বক্তব্যের সঙ্গে প্রাচীন মিশরের বিশেষ একটি ধর্মীয় সংস্কারের পার্থক্য বোঝা প্রয়োজন।
❖ সাধারণভাবে প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম ছিল বহুঈশ্বরবাদী। মিশরীয়রা সূর্য, আকাশ, নীল নদ, মৃত্যু, পুনর্জন্ম ও প্রকৃতির বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বহু দেব-দেবীর পূজা করত।
v প্রাচীন মিশরের প্রধান দেব-দেবী:
➤ রা/রে: সূর্যদেবতা
➤ আমুন: সৃষ্টিকর্তা ও রাষ্ট্রীয় দেবতা
➤ ওসিরিস: মৃত্যু ও পরকালের দেবতা
➤ আইসিস: মাতৃত্ব ও জাদুবিদ্যার দেবী
➤ হোরাস: আকাশ ও রাজক্ষমতার দেবতা
➤ আনুবিস: মৃতদেহ সংরক্ষণ ও মমিকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত দেবতা
❖ প্রাচীন মিশরের অষ্টাদশ রাজবংশের ফারাও চতুর্থ আমেনহোটেপ, যিনি পরে নিজের নাম পরিবর্তন করে আখেনাতেন রাখেন, সূর্যচক্র আতেনের উপাসনাকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
❖ আখেনাতেন অন্য দেবতাদের উপাসনা সীমিত করে আতেনকে সর্বোচ্চ বা একমাত্র উপাস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এ কারণে তাঁর ধর্মীয় ব্যবস্থাকে প্রায়ই ইতিহাসের প্রাচীনতম একেশ্বরবাদসদৃশ ধর্মীয় সংস্কারগুলোর একটি বলা হয়।
❖ তবে গবেষকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে—আখেনাতেনের ধর্ম প্রকৃত একেশ্বরবাদ, নাকি একদেবোপাসনা বা Monolatry, যেখানে একটি দেবতার উপাসনাকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও অন্য দেবতার অস্তিত্ব পুরোপুরি অস্বীকার করা হয় না। মিশরীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান
Ø হায়ারোগ্লিফিক লিখনপদ্ধতি: চিত্র, ধ্বনি ও ভাবসূচক চিহ্নের সমন্বয়ে গঠিত প্রাচীন মিশরীয় লিপি।
Ø প্যাপিরাস: নলখাগড়াসদৃশ প্যাপিরাস উদ্ভিদ থেকে লেখার উপকরণ তৈরি।
Ø মৃতের বই: পরকালে মৃত ব্যক্তিকে পথনির্দেশ করার মন্ত্র, স্তোত্র ও নির্দেশনার সংকলন।
Ø পিরামিড: ফারাওদের সমাধি হিসেবে নির্মিত সুবৃহৎ স্থাপত্য।
Ø মমিকরণ: মৃতদেহ দীর্ঘদিন সংরক্ষণের উন্নত পদ্ধতি।
Ø পঞ্জিকা: ৩০ দিনে এক মাস, ১২ মাসে ৩৬০ দিন এবং অতিরিক্ত ৫ দিনসহ ৩৬৫ দিনের সৌরবর্ষ গণনা।
Ø চিকিৎসাবিদ্যা: শল্যচিকিৎসা, ক্ষত নিরাময়, ওষুধ ও শারীরবিদ্যাসংক্রান্ত জ্ঞান।
Ø প্রথম ধর্মঘট: রামেসিস তৃতীয়ের আমলে দেইর এল-মেদিনার শ্রমিকদের কর্মবিরতিকে ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ ধর্মঘট বলা হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হিন্দু ধর্ম ⇒ অত্যন্ত প্রাচীন ধর্মীয় ঐতিহ্য; এর মধ্যে একেশ্বরবাদ, বহুঈশ্বরবাদ ও অদ্বৈতবাদসহ বিভিন্ন দার্শনিক ধারা রয়েছে।
❖ ইসলাম ধর্ম ⇒ সপ্তম শতাব্দীতে আরবে প্রবর্তিত সুস্পষ্ট একেশ্বরবাদী ধর্ম; আল্লাহর একত্ব ইসলামের কেন্দ্রীয় বিশ্বাস।
❖ খ্রিষ্টধর্ম ⇒ প্রথম শতাব্দীতে উদ্ভূত একেশ্বরবাদী আব্রাহামীয় ধর্ম; ত্রিত্ববাদ এর প্রধান ধর্মতাত্ত্বিক ধারণা।
09
🎯 Level 1

৪৩. ‘প্যাপিরাস’ কী? (উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার: ১৯৯৯)

চিত্র

লেখনী

নলখাগড়া

গুপ্তসংকেত

✅ সঠিক উত্তর:গ. নলখাগড়া

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: গ. নলখাগড়া
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্যাপিরাস হলো নীল নদের জলাভূমিতে জন্মানো নলখাগড়াসদৃশ একটি উদ্ভিদ।
❖ এর কাণ্ড থেকে প্রাচীন মিশরীয়রা লেখার পাত তৈরি করত। উদ্ভিদ ও সেই উদ্ভিদ থেকে প্রস্তুত লেখার উপকরণ—উভয়কেই প্যাপিরাস বলা হয়।
❖ প্যাপিরাস শুধু লেখার উপকরণ নয়; এর সাহায্যে আরও তৈরি হতো—
➤ নৌকা;
➤ দড়ি;
➤ মাদুর;
➤ ঝুড়ি;
➤ জুতা ও অন্যান্য দৈনন্দিন সামগ্রী।
❖ ইংরেজি paper শব্দটি প্যাপিরাস নামের সঙ্গে ভাষাগতভাবে সম্পর্কিত হলেও আধুনিক কাগজ তৈরির প্রক্রিয়া প্যাপিরাসের চেয়ে ভিন্ন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চিত্র ⇒ প্যাপিরাসের ওপর চিত্র আঁকা হতো; কিন্তু প্যাপিরাস নিজে চিত্র নয়।
❖ লেখনী ⇒ প্যাপিরাস লেখার পৃষ্ঠ; কলম বা stylus অর্থে লেখনী নয়।
❖ গুপ্তসংকেত ⇒ প্যাপিরাস কোনো সাংকেতিক ভাষা নয়।
10
🎯 Level 1

৫৩. কাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হয়? (শ্রম অধিদপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা: ২০০২)

ভারতীয়দের

মিশরীয়দের

ব্যাবিলনীয়দের

সুমেরীয়দের

✅ সঠিক উত্তর:খ. মিশরীয়দের

ব্যাখ্যা:

· ◈ সঠিক উত্তর: খ. মিশরীয়দের
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রাচীন মিশরীয়দের সুবিশাল পিরামিড, মন্দির, সমাধি, স্তম্ভ ও ভাস্কর্যের কারণে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হয়।
❖ তাদের স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন—
➤ গিজার পিরামিডসমূহ;
➤ সাক্কারার ধাপ-পিরামিড;
➤ কারনাক ও লুক্সর মন্দির;
➤ আবু সিম্বেলের মন্দির;
➤ রাজাদের উপত্যকার সমাধি;
➤ গিজার মহাস্ফিংক্স।
❖ মিশরীয় নির্মাতারা জ্যামিতি, ভূমি জরিপ, পাথর কাটা, পরিবহন ও বিপুল শ্রমশক্তি সংগঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ ছিল।
❖ পিরামিড নির্মাণে ক্রীতদাসদেরই শুধু ব্যবহার করা হয়েছিল—এ প্রচলিত ধারণা অতিরঞ্জিত। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণে দক্ষ কারিগর ও মৌসুমি শ্রমিকদের সংগঠিত কর্মীবাহিনীর উপস্থিতি পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ভারতীয়রা ⇒ মন্দির, স্তূপ ও দুর্গ নির্মাণে বিখ্যাত; তবে প্রশ্নের উপাধিটি মিশরীয়দের নির্দেশ করে।
❖ ব্যাবিলনীয়রা ⇒ জিগুরাত, প্রাচীর ও নগর নির্মাণে উন্নত ছিল।
❖ সুমেরীয়রা ⇒ জিগুরাত ও প্রাচীন নগর-স্থাপত্যের পথিকৃৎ।
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন