🧠 🔖
👑 Premium Topic

বিভিন্ন দেশের জাতীয় প্রতীক, স্থাপত্য ও ঐতিহ্যবাহী স্থান

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক›বিভিন্ন দেশের জাতীয় প্রতীক, স্থাপত্য ও ঐতিহ্যবাহী স্থান

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚49মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. কোন দেশে প্রথম জাতীয় পতাকার প্রচলন শুরু হয়? / বিশ্বে সর্বপ্রথম কোন দেশে জাতীয় পতাকার প্রচলন শুরু হয়? / কোন দেশের পতাকা বিশ্বের প্রাচীনতম পতাকা? (জবি: ১৫-১৬)

ক

ডেনমার্ক

খ

যুক্তরাজ্য

গ

স্পেন

ঘ

ফ্রান্স

✅ সঠিক উত্তর:ক. ডেনমার্ক

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ডেনমার্ক
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ডেনমার্কের জাতীয় পতাকার নাম Dannebrog (ড্যানেব্রোগ)। এটি লাল পটভূমির ওপর সাদা Scandinavian/Nordic Cross-যুক্ত পতাকা।
❖ Guinness World Records ডেনমার্কের পতাকাকে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত জাতীয় পতাকা (oldest continuously used national flag) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমান নকশার ব্যবহার বহু শতাব্দী পুরোনো; ১৬২৫ সালে এর ব্যবহারের প্রথম পরিচিত সরকারি বিধিবিধান পাওয়া যায়।
➤ ডেনিশ কিংবদন্তি অনুযায়ী ১৫ জুন ১২১৯ সালে বর্তমান এস্তোনিয়ার Lindanise-এর যুদ্ধে পতাকাটি আকাশ থেকে নেমে এসেছিল। তবে এটিকে ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত ঘটনা নয়, জাতীয় কিংবদন্তি হিসেবে দেখা উচিত।
➤ নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণে Dannebrog-কে অন্তত ১৪শ শতকের মাঝামাঝি থেকে ডেনিশ পতাকা হিসেবে পাওয়া যায়। ডেনমার্কের সরকারি তথ্যও একে বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিক জাতীয় পতাকাগুলোর একটি বলে।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বিশ্বে সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকার প্রচলন ডেনমার্কে” ⇒ একে আক্ষরিক অর্থে “মানব ইতিহাসের প্রথম জাতীয় পতাকা” বলা কঠিন, কারণ প্রাচীন রাষ্ট্রগুলোতেও নানা ধরনের পতাকা ও সামরিক banner ছিল। পরীক্ষাভিত্তিক অধিক নির্ভুল বক্তব্য হলো—ডেনমার্কের Dannebrog বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত জাতীয় পতাকা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ডেনমার্ক ⇒ সঠিক উত্তর; Dannebrog-এর ধারাবাহিক ব্যবহার সবচেয়ে পুরোনো বলে স্বীকৃত।
❖ যুক্তরাজ্য ⇒ বর্তমান Union Flag-এর মূল রূপ ১৬০৬ সালে সৃষ্টি এবং বর্তমান নকশা ১৮০১ সালে গৃহীত।
❖ স্পেন ⇒ বর্তমান লাল-হলুদ পতাকার ঐতিহাসিক রূপ ১৮শ শতকের শেষভাগের।
❖ ফ্রান্স ⇒ বর্তমান Tricolour মূলত ফরাসি বিপ্লব-পরবর্তী, অর্থাৎ ১৮শ শতকের শেষের সৃষ্টি।"
02
🎯 Level 1

০১. কোন দেশে প্রথম জাতীয় পতাকার প্রচলন শুরু হয়? / বিশ্বে সর্বপ্রথম কোন দেশে জাতীয় পতাকার প্রচলন শুরু হয়? / কোন দেশের পতাকা বিশ্বের প্রাচীনতম পতাকা? (জবি: ১৫-১৬)

ক

ডেনমার্ক

খ

যুক্তরাজ্য

গ

স্পেন

ঘ

ফ্রান্স

✅ সঠিক উত্তর:ক. ডেনমার্ক

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ডেনমার্ক
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ডেনমার্কের জাতীয় পতাকার নাম Dannebrog (ড্যানেব্রোগ)। এটি লাল পটভূমির ওপর সাদা Scandinavian/Nordic Cross-যুক্ত পতাকা।
❖ Guinness World Records ডেনমার্কের পতাকাকে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত জাতীয় পতাকা (oldest continuously used national flag) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমান নকশার ব্যবহার বহু শতাব্দী পুরোনো; ১৬২৫ সালে এর ব্যবহারের প্রথম পরিচিত সরকারি বিধিবিধান পাওয়া যায়।
➤ ডেনিশ কিংবদন্তি অনুযায়ী ১৫ জুন ১২১৯ সালে বর্তমান এস্তোনিয়ার Lindanise-এর যুদ্ধে পতাকাটি আকাশ থেকে নেমে এসেছিল। তবে এটিকে ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত ঘটনা নয়, জাতীয় কিংবদন্তি হিসেবে দেখা উচিত।
➤ নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণে Dannebrog-কে অন্তত ১৪শ শতকের মাঝামাঝি থেকে ডেনিশ পতাকা হিসেবে পাওয়া যায়। ডেনমার্কের সরকারি তথ্যও একে বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিক জাতীয় পতাকাগুলোর একটি বলে।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বিশ্বে সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকার প্রচলন ডেনমার্কে” ⇒ একে আক্ষরিক অর্থে “মানব ইতিহাসের প্রথম জাতীয় পতাকা” বলা কঠিন, কারণ প্রাচীন রাষ্ট্রগুলোতেও নানা ধরনের পতাকা ও সামরিক banner ছিল। পরীক্ষাভিত্তিক অধিক নির্ভুল বক্তব্য হলো—ডেনমার্কের Dannebrog বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত জাতীয় পতাকা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ডেনমার্ক ⇒ সঠিক উত্তর; Dannebrog-এর ধারাবাহিক ব্যবহার সবচেয়ে পুরোনো বলে স্বীকৃত।
❖ যুক্তরাজ্য ⇒ বর্তমান Union Flag-এর মূল রূপ ১৬০৬ সালে সৃষ্টি এবং বর্তমান নকশা ১৮০১ সালে গৃহীত।
❖ স্পেন ⇒ বর্তমান লাল-হলুদ পতাকার ঐতিহাসিক রূপ ১৮শ শতকের শেষভাগের।
❖ ফ্রান্স ⇒ বর্তমান Tricolour মূলত ফরাসি বিপ্লব-পরবর্তী, অর্থাৎ ১৮শ শতকের শেষের সৃষ্টি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৪. কোন দেশের জাতীয় পতাকা কখনোই অর্ধনমিত করা হয় না? (বিসিকের প্রমোশন অফিসার: ২৩)

ক

সৌদি আরব ও ইরান

খ

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

গ

ফ্রান্স ও ভ্যাটিকান

ঘ

ব্রাজিল ও ইতালি

✅ সঠিক উত্তর:ক. সৌদি আরব ও ইরান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: সৌদি আরব—দেশটির জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ।
◈ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা কখনোই অর্ধনমিত করা হয় না। দেশটির পতাকায় ইসলাম ধর্মের পবিত্র কালেমা বা শাহাদাহ লেখা থাকায় পতাকাটিকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়। সৌদি আরবের Basic Law of Governance-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত না করার বিধান রয়েছে। দেশটির জাতীয় পতাকা আইনেও একই নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ তবে ইরানের জাতীয় পতাকা কখনোই অর্ধনমিত করা হয় না—এ তথ্য সঠিক নয়। ইরানে রাষ্ট্রীয় শোকের সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। যেমন, ২০২৪ সালের ২১ মে আজারবাইজানের বাকুতে ইরানি দূতাবাসে ইরানের পতাকা অর্ধনমিত দেখা যায়। ২০২৬ সালের ১ মার্চ নয়াদিল্লির ইরানি দূতাবাস এবং ইস্তাম্বুলের ইরানি কনস্যুলেটেও পতাকা অর্ধনমিত করার ঘটনা রয়টার্সের আলোকচিত্রে নথিবদ্ধ হয়েছে।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ (Half-mast বা Half-staff) হলো রাষ্ট্রীয় শোক, জাতীয় বিপর্যয়, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু বা বিশেষ শোকদিবসে জাতীয় পতাকাকে পতাকাদণ্ডের শীর্ষের কিছুটা নিচে উত্তোলন করার প্রথা।
❖ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পতাকা অর্ধনমিত করার নিজস্ব আইন ও রাষ্ট্রীয় প্রটোকল রয়েছে। তবে সৌদি আরবে জাতীয় পতাকার ধর্মীয় তাৎপর্য ও মর্যাদার কারণে এ প্রথা অনুসরণ করা হয় না।
সৌদি আরবের জাতীয় পতাকার গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি
❖ দেশের নাম: সৌদি আরব (Saudi Arabia)।
❖ সরকারি নাম: Kingdom of Saudi Arabia।
❖ রাজধানী: রিয়াদ (Riyadh)।
❖ পতাকার প্রধান রং: সবুজ।
❖ লেখা ও প্রতীকের রং: সাদা।
❖ পতাকার কেন্দ্রীয় লেখা: কালেমা শাহাদাহ।
❖ কালেমার নিচে: একটি সাদা রঙের তরবারি।
❖ পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ৩:২।
❖ বর্তমান জাতীয় পতাকার মূল নকশা অনুমোদন: ১১ মার্চ ১৯৩৭।
❖ জাতীয় পতাকা আইন: ১৯৭৩ সাল।
❖ জাতীয় পতাকা দিবস: ১১ মার্চ।
❖ জাতীয় পতাকা দিবস ঘোষণার সাল: ২০২৩।
❖ পতাকা অর্ধনমিতকরণ: নিষিদ্ধ।
❖ পতাকা উল্টো করে উত্তোলন: নিষিদ্ধ।
❖ পতাকাকে মাটি বা পানির সংস্পর্শে আনা: নিষিদ্ধ।
সৌদি আরবের পতাকা অর্ধনমিত না করার কারণ
❖ ১. পবিত্র কালেমার উপস্থিতি: সৌদি আরবের জাতীয় পতাকার মাঝখানে সাদা অক্ষরে লেখা রয়েছে—
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।
এর অর্থ—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল।
এই ধর্মীয় বাক্যটির বিশেষ মর্যাদা রক্ষার জন্য সৌদি আরব জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে না।
❖ ২. সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা: সৌদি আরবের Basic Law of Governance-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকার বর্ণনা এবং অর্ধনমিত না করার বিধান রয়েছে।
❖ ৩. জাতীয় পতাকা আইন: ১৯৭৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জারি করা সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা আইনের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা, রাজার বিশেষ পতাকা এবং শাহাদাহ বা কোরআনের আয়াতসংবলিত সৌদি পতাকা অর্ধনমিত করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
❖ ৪. তরবারির প্রতীক: পতাকার কালেমার নিচে একটি সাদা তরবারি রয়েছে। সৌদি আরবের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি ন্যায়বিচার, শক্তি ও নিরাপত্তার প্রতীক।
❖ ৫. শোক প্রকাশের ভিন্ন রীতি: রাষ্ট্রীয় শোক বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যুতে অন্যান্য দেশের মতো জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয় না। সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা দিবসের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, মৃত রাজা বা নেতার মরদেহের ওপরও জাতীয় পতাকা জড়িয়ে দেওয়া হয় না।
সৌদি আরবের জাতীয় পতাকার ঐতিহাসিক বিবর্তন
❖ ১১ মার্চ ১৯৩৭: সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা রাজা আবদুল আজিজ বর্তমান পতাকার মূল নকশা অনুমোদন করেন।
❖ ১৯৭৩ সাল: জাতীয় পতাকার আকৃতি, ব্যবহারবিধি, সম্মান প্রদর্শন ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আইন প্রণয়ন করা হয়।
❖ ১ মার্চ ২০২৩: রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে প্রতিবছর ১১ মার্চকে Saudi Flag Day বা সৌদি জাতীয় পতাকা দিবস ঘোষণা করা হয়।
❖ ১১ মার্চ: সৌদি আরবের জাতীয় পতাকা দিবস পালিত হয়। এটি দেশটির জাতীয় দিবস (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে পৃথক।
ইরানের জাতীয় পতাকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য
❖ ইরানের জাতীয় পতাকা তিনটি সমান অনুভূমিক রঙের অংশ নিয়ে গঠিত—সবুজ, সাদা ও লাল।
❖ পতাকার মাঝের সাদা অংশে লাল রঙের বিশেষ প্রতীক রয়েছে, যা আরবি ‘আল্লাহ’ শব্দের প্রতীকী রূপ হিসেবে পরিচিত।
❖ সবুজ ও লাল অংশের সীমানায় সাদা কুফি লিপিতে ‘আল্লাহু আকবার’ মোট ২২ বার লেখা রয়েছে—প্রতিটি সীমানায় ১১ বার করে।
❖ ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ১৯৮০ সালে বর্তমান নকশা গ্রহণ করা হয়।
❖ ইরানের পতাকায় ধর্মীয় শব্দ থাকলেও সৌদি আরবের মতো জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা সর্বাবস্থায় নিষিদ্ধ—এমন নিয়ম নেই। রাষ্ট্রীয় শোকের সময় দেশটির পতাকা অর্ধনমিত করার আলোকচিত্রভিত্তিক প্রমাণ রয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা:
যুক্তরাষ্ট্র (United States of America):
যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার সুস্পষ্ট সরকারি বিধান রয়েছে। দেশটির United States Flag Code-এর 4 U.S.C. § 7(m) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তা বা নির্দিষ্ট জাতীয় শোকের ঘটনায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়।
রাজধানী: ওয়াশিংটন ডিসি।
পতাকার পরিচিত নাম: Stars and Stripes।
পতাকার তারকা: ৫০টি—৫০টি অঙ্গরাজ্যের প্রতীক।
পতাকার ডোরা: ১৩টি—প্রাথমিক ১৩টি উপনিবেশের প্রতীক।
জাতীয় পতাকা দিবস: ১৪ জুন।
স্বাধীনতার ঘোষণা: ৪ জুলাই ১৭৭৬।
যুক্তরাষ্ট্রে Memorial Day-তে জাতীয় পতাকা দুপুর পর্যন্ত অর্ধনমিত এবং এরপর পূর্ণ উচ্চতায় উত্তোলনের বিধান রয়েছে।
কানাডা (Canada):
কানাডার জাতীয় পতাকায় লাল ও সাদা রঙের সঙ্গে একটি ১১ অগ্রবিশিষ্ট ম্যাপল পাতার প্রতীক রয়েছে।
রাজধানী: অটোয়া।
জাতীয় পতাকা: Maple Leaf Flag।
বর্তমান জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন: ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫।
জাতীয় পতাকা দিবস: ১৫ ফেব্রুয়ারি।
জাতীয় পতাকার রং: লাল ও সাদা।
প্রধান প্রতীক: ম্যাপল পাতা (Maple Leaf)।
কানাডার সরকারি বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধান, গভর্নর জেনারেল, প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মৃত্যু এবং বিভিন্ন জাতীয় স্মরণদিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়।
বিশেষভাবে ১১ নভেম্বর Remembrance Day-তেও কানাডার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়।
অতএব যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা—উভয় দেশেই জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার প্রচলন রয়েছে।
❖ গ. ফ্রান্স ও ভ্যাটিকান:
ফ্রান্স (France):
ফ্রান্সের জাতীয় পতাকা তিনটি উল্লম্ব রঙের সমন্বয়ে গঠিত—নীল, সাদা ও লাল। এটি French Tricolour নামে পরিচিত।
রাজধানী: প্যারিস।
জাতীয় পতাকা: Tricolour।
পতাকার রং: নীল, সাদা ও লাল।
জাতীয় দিবস: ১৪ জুলাই।
রাষ্ট্রব্যবস্থা: প্রজাতন্ত্র।
ফ্রান্সে জাতীয় শোকের সময় সরকারি ভবনে পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষে ফরাসি সরকারি ভবনগুলোতে পতাকা অর্ধনমিত করার নির্দেশ
ভ্যাটিকান সিটি (Vatican City):
ভ্যাটিকান সিটি ইতালির রোম শহরের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি স্বাধীন ক্ষুদ্র রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রের নাম: Vatican City State।
রাজধানী: ভ্যাটিকান সিটি।
স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৯ সালের Lateran Treaty-এর মাধ্যমে।
জাতীয় পতাকার রং: হলুদ ও সাদা।
পতাকার প্রতীক: পোপীয় টিয়ারা ও দুটি চাবি।
বিশেষ পরিচিতি: আয়তনের বিচারে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
❖ ঘ. ব্রাজিল ও ইতালি:
ব্রাজিল (Brazil):
ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম রাষ্ট্র। এর জাতীয় পতাকায় সবুজ পটভূমির ওপর হলুদ রঙের রম্বস এবং মাঝখানে নীল বৃত্ত রয়েছে।
রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
জাতীয় পতাকার প্রধান রং: সবুজ, হলুদ, নীল ও সাদা।
পতাকার মূলমন্ত্র: Ordem e Progresso।
মূলমন্ত্রের অর্থ: শৃঙ্খলা ও অগ্রগতি।
পতাকার তারকা: ২৭টি।
জাতীয় পতাকা দিবস: ১৯ নভেম্বর।
স্বাধীনতা: ৭ সেপ্টেম্বর ১৮২২।
ব্রাজিলের জাতীয় প্রতীকসংক্রান্ত আইন নং ৫৭০০/১৯৭১-এর ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে শোকের সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার বিধান রয়েছে।
ইতালি (Italy):
ইতালির জাতীয় পতাকা তিনটি সমান উল্লম্ব রঙের সমন্বয়ে গঠিত।
রাজধানী: রোম।
জাতীয় পতাকার রং: সবুজ, সাদা ও লাল।
পরিচিত নাম: Il Tricolore।
প্রজাতন্ত্র দিবস: ২ জুন।
গণভোটের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৬ সালে।
ইতালির সরকারি রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী জাতীয় শোকের সময় সরকারি ভবনের পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানসংক্রান্ত নির্দেশনায় বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে
04
🎯 Level 1

০৭. কোন দেশের পতাকায় ‘ম্যাপল পাতা’ এর ছবি আছে? (ডাক বিভাগের মেইল অপারেটর: ১৫)

ক

আমেরিকা

খ

ইতালি

গ

ঘানা

ঘ

কানাডা

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. কানাডা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: কানাডা
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ কানাডার জাতীয় পতাকার কেন্দ্রে রয়েছে একটি স্টাইলাইজড ১১-কোণা লাল Maple Leaf।
❖ Maple Leaf ১৯শ শতক থেকেই Canadian identity-এর অন্যতম পরিচিত প্রতীক। কানাডার সরকারি পতাকা-বিবরণে এটিকে কানাডার সবচেয়ে পরিচিত প্রতীকগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
➤ বর্তমান লাল-সাদা Maple Leaf Flag আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫ থেকে ব্যবহৃত হয়।
➤ কানাডার জাতীয় রং লাল ও সাদা।
➤ ১৫ ফেব্রুয়ারি কানাডায় National Flag of Canada Day পালিত হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ আমেরিকা ⇒ যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় stars and stripes আছে।
❖ ইতালি ⇒ সবুজ-সাদা-লাল তিনটি উল্লম্ব band; maple leaf নেই।
❖ ঘানা ⇒ লাল-হলুদ-সবুজ পতাকার কেন্দ্রে কালো তারা রয়েছে।
❖ কানাডা ⇒ সঠিক উত্তর।
05
🎯 Level 1

১০. অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রতীক কী? (ঢাবি: ১৯-২০)

ক

ঈগল

খ

গোলাপ

গ

পদ্মফুল

ঘ

ক্যাঙ্গারু

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক্যাঙ্গারু

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: পরীক্ষাভিত্তিকভাবে—ক্যাঙ্গারু
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্যাঙ্গারু (Kangaroo) অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে পরিচিত জাতীয় বন্যপ্রাণী প্রতীকগুলোর একটি।
❖ অস্ট্রেলিয়ার সরকারি Commonwealth Coat of Arms-এ ক্যাঙ্গারুর পাশাপাশি Emu-ও shield-এর supporter হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Australian Government দুটিকেই দেশের “best known wildlife symbols”-এর মধ্যে উল্লেখ করে।
➤ একটি জনপ্রিয় ব্যাখ্যা হলো—ক্যাঙ্গারু ও emu সহজে পিছনের দিকে চলতে পারে না; তাই তারা অস্ট্রেলিয়ার সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক। সরকারি সূত্র এটিকে প্রচলিত ব্যাখ্যা হিসেবে উল্লেখ করে, নিশ্চিত জীববৈজ্ঞানিক কারণ হিসেবে নয়।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র জাতীয় প্রতীক = ক্যাঙ্গারু” ⇒ অতিরিক্ত সরলীকরণ। অস্ট্রেলিয়ার একাধিক জাতীয় প্রতীক রয়েছে—National Flag, Commonwealth Coat of Arms, Golden Wattle, Kangaroo ও Emu ইত্যাদি। পরীক্ষায় প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী ক্যাঙ্গারু সঠিক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ঈগল ⇒ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান জাতীয় wildlife symbol নয়।
❖ গোলাপ ⇒ England-এর ঐতিহ্যগত floral emblem-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ পদ্মফুল ⇒ ভারতের জাতীয় ফুল।
❖ ক্যাঙ্গারু ⇒ সঠিক পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৩. কিউই কোন দেশের জাতীয় প্রতীক? (রাবি: ১৩-১৪)

ক

চীন

খ

কোরিয়া

গ

জাপান

ঘ

নিউজিল্যান্ড

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. নিউজিল্যান্ড

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: নিউজিল্যান্ড
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Kiwi হলো নিউজিল্যান্ডের স্থানীয়, উড়তে অক্ষম (flightless) পাখির একটি বিশেষ গোষ্ঠী এবং দেশটির সবচেয়ে বিখ্যাত জাতীয় প্রতীক।
❖ New Zealand Department of Conservation kiwi-কে national icon এবং “unofficial national emblem” হিসেবে বর্ণনা করে।
➤ Kiwi-এর ডানা খুব ছোট, লেজ প্রায় নেই এবং অন্যান্য পাখির তুলনায় এর nostril ঠোঁটের একেবারে প্রান্তের দিকে থাকে।
➤ New Zealand-এর জনগণকেও কথ্যভাবে “Kiwis” বলা হয়।
➤ Māori জনগণের কাছে kiwi একটি taonga বা মূল্যবান সাংস্কৃতিক সম্পদ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চীন ⇒ Kiwi চীনের জাতীয় প্রতীক নয়।
❖ কোরিয়া ⇒ নয়।
❖ জাপান ⇒ নয়।
❖ নিউজিল্যান্ড ⇒ সঠিক উত্তর।
07
🎯 Level 1

১৬. ‘ওক’ কোন দেশের জাতীয় বৃক্ষ? (ইবি: ১২-১৩)

ক

ইংল্যান্ড / যুক্তরাজ্য

খ

আমেরিকা

গ

নিউজিল্যান্ড

ঘ

চীন

✅ সঠিক উত্তর:ক. ইংল্যান্ড / যুক্তরাজ্য

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ইংল্যান্ড
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ English Oak (Quercus robur) ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যগত জাতীয় বৃক্ষ ও জাতীয় শক্তির প্রতীক।
❖ UKRI-এর সরকারি গবেষণা-সম্পর্কিত প্রকাশনায় Oak-কে সরাসরি “national tree of England” বলা হয়েছে।
➤ Oak দীর্ঘায়ু, শক্ত কাঠ এবং বিশাল আকারের কারণে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ব্রিটিশ সংস্কৃতি, রাজতন্ত্র ও folklore-এর সঙ্গে যুক্ত।
➤ Woodland Trust-ও English Oak-কে Britain-এর অন্যতম iconic tree এবং England-এ national symbol of strength হিসেবে উল্লেখ করে।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “ইংল্যান্ড / যুক্তরাজ্য” ⇒ অধিক নির্ভুল উত্তর ইংল্যান্ড। United Kingdom-এর চার constituent country-এর প্রতীক আলাদা হতে পারে; তাই England ও UK-কে পুরোপুরি সমার্থক ধরে নেওয়া উচিত নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ইংল্যান্ড/যুক্তরাজ্য ⇒ বইয়ের উত্তর; নির্ভুলভাবে England।
❖ আমেরিকা ⇒ যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৪ সালে oak-কে National Tree হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে—এ কারণে অপশনটি নিজেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তবে প্রশ্নের ঐতিহ্যগত GK উত্তর England।
❖ নিউজিল্যান্ড ⇒ Oak নিউজিল্যান্ডের জাতীয় বৃক্ষ নয়।
❖ চীন ⇒ নয়।
08
🎯 Level 1

১৯. ভারতের জাতীয় পাখি - (রাকাব'র অফিসার: ১১)

ক

রাজহাঁস

খ

ঈগল

গ

ময়ূর

ঘ

গরু

✅ সঠিক উত্তর:গ. ময়ূর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ভারতীয় ময়ূর (Indian Peacock)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ভারতের জাতীয় পাখি হলো Indian Peacock বা ভারতীয় ময়ূর; বৈজ্ঞানিক নাম Pavo cristatus।
❖ ভারত সরকারের সরকারি তথ্যেও Indian Peacock-কে National Bird of India বলা হয়েছে।
➤ পুরুষ ময়ূরের উজ্জ্বল নীল-সবুজ পালক এবং দীর্ঘ ornamental train তাকে সহজে শনাক্তযোগ্য করে।
➤ ভারতীয় শিল্প, পুরাণ, ধর্মীয় প্রতীক ও লোকসংস্কৃতিতে ময়ূরের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে।
➤ ১৯৬৩ সালে ময়ূরকে ভারতের জাতীয় পাখি হিসেবে নির্বাচন করা হয় বলে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষামূলক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ রাজহাঁস ⇒ ভারতীয় দর্শন ও পুরাণে হংস গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক; জাতীয় পাখি নয়।
❖ ঈগল ⇒ বিভিন্ন দেশের coat of arms-এ ব্যবহৃত হলেও ভারতের জাতীয় পাখি নয়।
❖ ময়ূর ⇒ সঠিক উত্তর।
❖ গরু ⇒ পাখি নয়; প্রশ্নের সঙ্গে সামঞ্জস্যই নেই।
Advertisement
09
🎯 Level 1

০২. ভারতে স্থাপিত সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাস্কর্যটির রাষ্ট্রীয় নাম কী? (ঢাবি: ১৮-১৯; আইএফআইসি ব্যাংকের অফিসার: ১৯)

ক

স্ট্যাচু অব ইউনিটি

খ

স্ট্যাচু অব ফ্রিডম

গ

স্ট্যাচু অব লিবার্টি

ঘ

স্ট্যাচু অব ডেমোক্রেসি

✅ সঠিক উত্তর:ক. স্ট্যাচু অব ইউনিটি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভাস্কর্য হলো স্ট্যাচু অব ইউনিটি। এটি ভারতের গুজরাট রাজ্যের রাজপিপলার নর্মদা নদীর দ্বীপ সাধু বেটে অবস্থিত। ২০১৮ সালে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। এটি নির্মাণের পূর্বে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভাস্কর্য ছিল গৌতম বুদ্ধের সম্মানে তৈরি চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ।
◈ সঠিক উত্তর: স্ট্যাচু অব ইউনিটি (Statue of Unity)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Statue of Unity ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (১৮৭৫–১৯৫০)-এর স্মরণে নির্মিত। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেশীয় রাজ্যগুলোর রাজনৈতিক সংযুক্তিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল; এজন্য তিনি “Iron Man of India” নামে পরিচিত।
❖ ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৮২ মিটার। Guinness World Records অনুযায়ী এটিই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু statue। এটি Gujarat-এর Narmada District-এর Kevadiya/Ekta Nagar অঞ্চলে Narmada নদীর Sadhu Bet দ্বীপে অবস্থিত।
➤ ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi ৩১ অক্টোবর ২০১৮, Patel-এর জন্মবার্ষিকীতে ভাস্কর্যটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন।
➤ ভাস্কর্যটির নকশাকার ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় sculptor Ram V. Sutar।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “রাজপিপলার নর্মদা নদীর দ্বীপ সাধু বেটে অবস্থিত” ⇒ মূল বক্তব্যের স্থানগত ধারণা মোটামুটি ঠিক হলেও অধিক নির্ভুলভাবে বলা উচিত—ভাস্কর্যটি Narmada District-এর Kevadiya/Ekta Nagar-এর কাছে Sadhu Bet দ্বীপে, Sardar Sarovar Dam থেকে প্রায় ৩.৫ কিমি downstream-এ। Rajpipla কাছাকাছি শহর; সরকারি জেলা তথ্য অনুযায়ী Statue of Unity Rajpipla থেকে প্রায় ২৪.৯ কিমি দূরে।
❖ “২০১৮ সালে ... নির্মাণ করা হয়” ⇒ ভাস্কর্যটির construction কয়েক বছর ধরে চলে; ২০১৮ সালে এটি সম্পন্ন ও উদ্বোধন/জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়—এভাবে বলা অধিক নির্ভুল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. স্ট্যাচু অব ইউনিটি ⇒ Sardar Vallabhbhai Patel-এর ১৮২ মিটার উচ্চ ভাস্কর্য; সঠিক।
❖ খ. স্ট্যাচু অব ফ্রিডম ⇒ Patel-এর ভাস্কর্যের সরকারি নাম নয়। বিভিন্ন দেশে “Freedom” নামের স্মারক থাকতে পারে।
❖ গ. স্ট্যাচু অব লিবার্টি ⇒ যুক্তরাষ্ট্রের New York Harbor-এ অবস্থিত বিখ্যাত স্বাধীনতার প্রতীক; France-এর জনগণ যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দিয়েছিল।
❖ ঘ. স্ট্যাচু অব ডেমোক্রেসি ⇒ Patel-এর ভাস্কর্যের নাম নয়।
10
🎯 Level 1

০৫. বিশ্বের সর্বাপেক্ষা উঁচু ভবনের নাম কী? (জবি: ১০-১১; গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১১; সিএজি কার্যালয়ের অডিটর: ২১)

ক

বুর্জ খলিফা

খ

টুইন টাওয়ার

গ

পেট্রোনাস টাওয়ার

ঘ

তাইপে ১০১

✅ সঠিক উত্তর:ক. বুর্জ খলিফা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: বিশ্বের সর্বাপেক্ষা উঁচু ভবনের নাম হলো বুর্জ খলিফা। ২০১০ সালে নির্মিত এই ভবনের উচ্চতা ৮২৮ মিটার বা ২৭১৭ ফুট। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী দুবাইয়ে অবস্থিত।
◈ সঠিক উত্তর: বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Burj Khalifa বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পূর্ণ নির্মিত building। এর architectural height ৮২৮ মিটার বা ২,৭১৭ ফুট। Council on Tall Buildings and Urban Habitat (CTBUH) ২০১০ সালে এই উচ্চতা এবং “World’s Tallest Building” মর্যাদা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে; Burj Khalifa-র নিজস্ব সাম্প্রতিক তথ্যেও এটি বিশ্বের tallest building হিসেবে উল্লেখিত।
❖ ভবনটির construction ২০০৪ সালে শুরু হয় এবং ৪ জানুয়ারি ২০১০ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
➤ এর architect/design team ছিল Skidmore, Owings & Merrill (SOM); design partner হিসেবে Adrian Smith গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
➤ ভবনের floor plan Y-আকৃতির এবং design regional Hymenocallis flower থেকে অনুপ্রাণিত।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “ইউএই-এর রাজধানী দুবাই” ⇒ এটি ভুল। Dubai UAE-এর একটি emirate ও প্রধান শহর, কিন্তু United Arab Emirates-এর রাজধানী হলো Abu Dhabi। UAE সরকারের সরকারি fact sheet-এ Abu Dhabi city-কে রাজধানী বলা হয়েছে।
❖ সঠিক বাক্য হবে: “Burj Khalifa সংযুক্ত আরব আমিরাতের Dubai শহরে অবস্থিত।”
❖ “২০১০ সালে নির্মিত” ⇒ ২০১০ সালে completed/opened বলা অধিক যথার্থ; নির্মাণকাজ কয়েক বছর আগে শুরু হয়েছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বুর্জ খলিফা ⇒ ৮২৮ মিটার; বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ building—সঠিক।
❖ খ. টুইন টাওয়ার ⇒ সাধারণ নাম; যদি Petronas Twin Towers বোঝানো হয়, এগুলো ৪৫২ মিটার এবং Kuala Lumpur-এ অবস্থিত।
❖ গ. পেট্রোনাস টাওয়ার ⇒ ১৯৯৮–২০০৪ সময়কালে বিশ্বের tallest buildings হিসেবে স্বীকৃত ছিল; বর্তমানে tallest twin towers হলেও overall tallest নয়।
❖ ঘ. তাইপে ১০১ ⇒ Taiwan-এর Taipei-তে অবস্থিত ৫০৮ মিটার উচ্চ skyscraper; Burj Khalifa চালু হওয়ার আগে বিশ্বের tallest building ছিল।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন