🧠 🔖
👑 Premium Topic

সীমারেখা ও বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও অঞ্চল

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক›সীমারেখা ও বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও অঞ্চল

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚68মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. র‌্যাডক্লিফ লাইন’ কোন দুইটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা? (বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক: ১৭; কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২২; খাদ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা: ২৩; জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উচ্চমান সহকারী: ২৩)

ক

জার্মানি-ফ্রান্স

খ

ভারত-পাকিস্তান

গ

ভারত-জার্মানি

ঘ

জার্মানি-পাকিস্তান

✅ সঠিক উত্তর:খ. ভারত-পাকিস্তান

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে নবগঠিত দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণকারী রেখা হলো র‍্যাডক্লিফ লাইন। বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ও পূর্বভাগ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
◈ সঠিক উত্তর: ভারত-পাকিস্তান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ র‍্যাডক্লিফ লাইন (Radcliffe Line) হলো ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির সময় পাঞ্জাব ও বাংলা ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার নতুন সীমানা নির্ধারণে তৈরি সীমারেখা। দুটি Boundary Commission-এরই চেয়ারম্যান ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ (Sir Cyril Radcliffe)। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১৯৪৭ সালের নথিতেও Bengal ও Punjab ভাগের জন্য পৃথক Boundary Commission এবং উভয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে Radcliffe-এর নাম পাওয়া যায়।
❖ ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১৫ আগস্ট ও ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীন হলেও চূড়ান্ত সীমানা বা Radcliffe Award জনসমক্ষে ঘোষণা করা হয় ১৭ আগস্ট ১৯৪৭। ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভসও জানায়, নতুন সীমানা পাঞ্জাব ও বাংলার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল।
➤ পশ্চিমাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি হয়।
➤ পূর্বাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি ছিল; ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই অংশ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অংশে পরিণত হয়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে” ⇒ ঐতিহাসিকভাবে অধিক নির্ভুল শব্দ হলো পাঞ্জাব ও বাংলা (Bengal) প্রদেশ। ‘Bengal Presidency’ ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি পুরোনো ও বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামোর নাম; ১৯৪৭-এর Partition পরিকল্পনা ও সরকারি নথিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনটির নাম ছিল Bengal Boundary Commission।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জার্মানি-ফ্রান্স ⇒ র‍্যাডক্লিফ লাইন নয়। জার্মানি-ফ্রান্স অঞ্চলের সঙ্গে সিগফ্রিড লাইন ও ম্যাজিনো লাইন-এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
❖ খ. ভারত-পাকিস্তান ⇒ সঠিক। ১৯৪৭ সালের মূল প্রেক্ষাপটে র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত-পাকিস্তানের নতুন সীমানা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
❖ গ. ভারত-জার্মানি ⇒ দেশ দুটির কোনো অভিন্ন স্থলসীমান্তই নেই।
❖ ঘ. জার্মানি-পাকিস্তান ⇒ দেশ দুটিরও অভিন্ন সীমান্ত নেই; তাই র‍্যাডক্লিফ লাইনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।"
02
🎯 Level 1

৫৩. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা? / ‘২৪° অক্ষরেখা’ কোন দুইটি দেশের সীমানা বিভক্তকারী রেখা? (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক: ২২; জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ২৩; পরিবার পরিকল্পনা সহকারী: ২৩; বেজা’র হিসাব সহকারী: ২৪; আইন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২৪; ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের স্টোর কিপার: ২৪; ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কম্পিউটার অপারেটর: ২৫; স্থাপত্য অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২৫; বাংলাদেশ পুলিশের কম্পিউটার অপারেটর: ২৫; বিবিএস’র জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী: ২৫)

ক

চীন ও ভারত

খ

পাকিস্তান ও ইরান

গ

ভারত ও পাকিস্তান

ঘ

ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া

✅ সঠিক উত্তর:গ. ভারত ও পাকিস্তান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ভারত ও পাকিস্তান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Line of Control (LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মধ্যবর্তী সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা। এটি স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সীমান্তের সমার্থক নয়। ২ জুলাই ১৯৭২-এর Simla Agreement-এ ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর যুদ্ধবিরতি থেকে উদ্ভূত এই Line of Control সম্মান করার কথা ভারত ও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে।
❖ প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশের ২৪° উত্তর অক্ষরেখা ভারত-পাকিস্তানের Rann of Kutch সীমান্তবিরোধে পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা-দাবির সঙ্গে যুক্ত ছিল। জাতিসংঘের প্রকাশিত ১৯৬৮ সালের Indo-Pakistan Western Boundary arbitration-এ ২৪তম উত্তর অক্ষাংশকে কচ্ছ ও সিন্ধের সীমা হিসেবে উভয় পক্ষের ঐতিহাসিক দাবি-প্রমাণের আলোচনায় বিশেষভাবে স্থান দেওয়া হয়েছে।
➤ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
LoC → ভারত-পাকিস্তান → কাশ্মীর।
➤ তবে ২৪° উত্তর অক্ষরেখাকে পুরো ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত বলা সঠিক নয়; এটি বিশেষত Rann of Kutch সীমান্তবিরোধের ঐতিহাসিক দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. চীন ও ভারত ⇒ এ দুই দেশের সামরিক বাস্তব নিয়ন্ত্রণরেখা হলো Line of Actual Control (LAC), LoC নয়।
❖ খ. পাকিস্তান ও ইরান ⇒ তাদের স্বাভাবিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে; LoC বা ২৪° অক্ষরেখা এ জুটির পরিচিত সীমারেখা নয়।
❖ গ. ভারত ও পাকিস্তান ⇒ সঠিক। LoC কাশ্মীর অঞ্চলে দুই দেশের নিয়ন্ত্রিত অংশকে পৃথক করে।
❖ ঘ. ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া ⇒ এ দুটি দেশ ভৌগোলিকভাবে সংলগ্ন নয়।
Advertisement
03
🎯 Level 1

৫৭. জার্মানি কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সীমানা রেখার নাম কী? (সিজিডিএফ কার্যালয়ের অডিটর: ১৯; স্থাপত্য অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২৩)

ক

ওডের-নিস লাইন

খ

সিগফ্রিড লাইন

গ

সনোরা লাইন

ঘ

ম্যাকনামারা লাইন

✅ সঠিক উত্তর:খ. সিগফ্রিড লাইন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সিগফ্রিড লাইন
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সিগফ্রিড লাইন (Siegfried Line), জার্মান ভাষায় Westwall, ছিল নাৎসি জার্মানির পশ্চিম সীমান্তে নির্মিত সুবিস্তৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রধান নির্মাণকাজ ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগে হয়।
❖ জার্মানির পশ্চিমে এটি ফ্রান্সের Maginot Line-এর বিপরীত দিকে গড়ে তোলা হয়। জার্মান ঐতিহাসিক জাদুঘরের তথ্যে ১৯৩৬ সালে হিটলারের সিদ্ধান্তে পশ্চিম সীমান্তে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্যাংক ও পদাতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণের কথা উল্লেখ রয়েছে।
➤ এতে হাজার হাজার বাংকার, কংক্রিট প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ট্যাংকবিরোধী বাধা ইত্যাদি ছিল।
➤ এটি একটি সামরিক প্রতিরক্ষা রেখা, রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সীমারেখা নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ওডের-নিস লাইন ⇒ বর্তমান জার্মানি-পোল্যান্ড সীমান্তের প্রধান ভিত্তি; পশ্চিম জার্মান প্রতিরক্ষা লাইন নয়।
❖ খ. সিগফ্রিড লাইন ⇒ সঠিক। জার্মানির পশ্চিম সীমান্তবর্তী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
❖ গ. সনোরা লাইন ⇒ যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত জরিপের একটি অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ ঘ. ম্যাকনামারা লাইন ⇒ ভিয়েতনাম যুদ্ধকালে উত্তর ভিয়েতনাম থেকে অনুপ্রবেশ রোধের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক বাধা/নজরদারি ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
04
🎯 Level 1

৬১. কোন দুইটি দেশের মধ্যে পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমানা রয়েছে? (বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ): ২৩; রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারী পরিচালক: ২৩; পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির জুনিয়র প্রশাসনিক সহকারী: ২৫)

ক

ভারত ও পাকিস্তান

খ

আমেরিকা ও কানাডা

গ

আমেরিকা ও মেক্সিকো

ঘ

দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া

✅ সঠিক উত্তর:খ. আমেরিকা ও কানাডা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: আমেরিকা ও কানাডা
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পৃথিবীর দুই সংলগ্ন দেশের মধ্যকার দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত হিসেবে স্বীকৃত।
❖ International Boundary Commission-এর হিসাবে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮,৮৯১ কিলোমিটার বা ৫,৫২৫ মাইল। সংস্থাটি একে দুই সংলগ্ন দেশের মধ্যে বিশ্বের দীর্ঘতম land border হিসেবে বর্ণনা করেছে।
➤ এই সীমান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি অঙ্গরাজ্য, কানাডার ৭টি প্রদেশ ও ১টি টেরিটরি-র সঙ্গে সংযুক্ত।
➤ সীমান্তটি Great Lakes-এরও কয়েকটির মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে; অর্থাৎ মোট আন্তর্জাতিক সীমান্তের কিছু অংশ জলভাগে রয়েছে। তবুও প্রচলিত আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে Canada–US border-ই বিশ্বের দীর্ঘতম হিসেবে গণ্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ভারত ও পাকিস্তান ⇒ দীর্ঘ সীমান্ত থাকলেও বিশ্বের দীর্ঘতম নয়।
❖ খ. আমেরিকা ও কানাডা ⇒ সঠিক।
❖ গ. আমেরিকা ও মেক্সিকো ⇒ প্রায় ৩,০০০ কিমি-র বেশি দীর্ঘ হলেও কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট।
❖ ঘ. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া ⇒ Korean DMZ/MDL দ্বারা পৃথক; সীমার দৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
05
🎯 Level 1

৬৪. ‘ওয়ালেস লাইন’ কোন কোন অঞ্চলের মধ্যকার কাল্পনিক সীমারেখা? (তুলা উন্নয়ন বোর্ডের তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা: ১৯)

ক

এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া

খ

আফ্রিকা ও মাদাগাস্কার

গ

ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলিয়া

ঘ

আফ্রিকা ও আমেরিকা

✅ সঠিক উত্তর:ক. এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলীয় প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল (Oriental and Australian Zoogeographical Regions)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ওয়ালেস লাইন (Wallace Line বা Wallace's Line) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলীয় অঞ্চলের প্রাণীদের ভৌগোলিক বিস্তৃতির পার্থক্য নির্দেশকারী একটি কাল্পনিক সীমারেখা। এটি প্রধানত ওরিয়েন্টাল (Oriental/Indomalayan) এবং অস্ট্রেলীয় (Australian/Australasian) প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যকার প্রাণিজগতের বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
❖ ব্রিটিশ প্রকৃতিবিদ আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জে গবেষণা করে দেখেন, কাছাকাছি অবস্থিত দ্বীপগুলোর প্রাণিজগতেও বিস্ময়কর পার্থক্য রয়েছে। তাঁর গবেষণা থেকে এই প্রাণিভৌগোলিক সীমারেখার ধারণা বিকশিত হয়।
❖ ওয়ালেস লাইনের প্রচলিত সংজ্ঞা হলো—ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলীয় প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যবর্তী কাল্পনিক সীমারেখা। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে গ. ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলিয়া সবচেয়ে নির্ভুল উত্তর।
❖ ওয়ালেস লাইনের ভৌগোলিক অবস্থান: রেখাটি ইন্দোনেশীয় দ্বীপপুঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। বিশেষভাবে—
বালি (Bali) ও লম্বক (Lombok) দ্বীপের মাঝখানের লম্বক প্রণালি (Lombok Strait)।
বোর্নিও (Borneo) ও সুলাওয়েসি (Sulawesi) দ্বীপের মাঝখানের মাকাসার প্রণালি (Makassar Strait)।
আরও উত্তরে ফিলিপাইন ও আশপাশের দ্বীপাঞ্চলের প্রাণিভৌগোলিক সীমানা বরাবর এর বিভিন্ন ঐতিহাসিক রূপ দেখানো হয়েছে।
+1
❖ ওরিয়েন্টাল বা ইন্দোমালয় প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বৃহৎ প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল। এর অন্তর্ভুক্ত এলাকায় ভারতীয় উপমহাদেশ, ইন্দোচীন, মালয় উপদ্বীপ, সুমাত্রা, জাভা ও বোর্নিওর মতো অঞ্চল রয়েছে।
◉ এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য প্রাণী হলো এশীয় হাতি, বাঘ, গণ্ডার, ওরাংওটাং এবং বিভিন্ন প্রজাতির বানর ও উষ্ণমণ্ডলীয় পাখি।
❖ অস্ট্রেলীয় বা অস্ট্রেলেশীয় প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল: অস্ট্রেলিয়া, নিউগিনি ও আশপাশের দ্বীপাঞ্চলের স্বতন্ত্র প্রাণিজগতের জন্য পরিচিত।
◉ এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য প্রাণী হলো ক্যাঙ্গারু, কোয়ালা, ওমব্যাট, ক্যাসোয়ারি, বার্ডস অব প্যারাডাইস এবং বিভিন্ন থলিবিশিষ্ট স্তন্যপায়ী প্রাণী।
❖ ওয়ালেস লাইনের গুরুত্ব: কাছাকাছি অবস্থিত দ্বীপের প্রাণিজগতে কেন এত পার্থক্য দেখা যায়, তার ব্যাখ্যায় এই সীমারেখা গুরুত্বপূর্ণ। দ্বীপগুলোর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস, সমুদ্রের গভীরতা, অতীতের স্থলসংযোগ এবং দীর্ঘকালীন প্রাকৃতিক বিচ্ছিন্নতা প্রাণীদের বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করেছে।
❖ লম্বক প্রণালির বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বালি ও লম্বক দ্বীপ ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি হলেও তাদের মাঝখানে গভীর সমুদ্রপ্রণালি রয়েছে। বরফযুগে সমুদ্রপৃষ্ঠ অনেক নিচে নেমে গেলেও এই গভীর জলপথ প্রাণীদের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে।
আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের জীবন ও বৈজ্ঞানিক অবদান
❖ পূর্ণ নাম: আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace)।
❖ জন্ম: ৮ জানুয়ারি ১৮২৩।
❖ মৃত্যু: ৭ নভেম্বর ১৯১৩।
❖ জন্মস্থান: আস্ক (Usk), মনমাউথশায়ার, বর্তমান ওয়েলস, যুক্তরাজ্য।
❖ মৃত্যুস্থান: ব্রডস্টোন (Broadstone), ডরসেট, ইংল্যান্ড।
❖ পেশা: প্রকৃতিবিদ, জীবভূগোলবিদ, অভিযাত্রী, প্রাণিবিজ্ঞানী ও বিবর্তনবাদী চিন্তাবিদ।
❖ বিশেষ পরিচিতি: জীবভূগোলের জনক (Father of Biogeography) হিসেবে পরিচিত এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন তত্ত্বের অন্যতম স্বাধীন উদ্ভাবক।
❖ বৈজ্ঞানিক গবেষণা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত মালয় দ্বীপপুঞ্জে গবেষণা করেন। এ সময় বিভিন্ন দ্বীপের স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীবের বিস্তৃতি পর্যবেক্ষণ করেন।
❖ ওয়ালেস লাইনের ধারণা: ১৮৫৯ সালে উপস্থাপিত এবং ১৮৬০ সালে প্রকাশিত গবেষণায় তিনি মালয় দ্বীপপুঞ্জের প্রাণিজগতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাজন ব্যাখ্যা করেন। ১৮৬৩ সালের গবেষণায় এ সীমারেখার আরও বিস্তারিত রূপ প্রকাশিত হয়।
❖ নামকরণ: ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী টমাস হেনরি হাক্সলি (Thomas Henry Huxley) ১৮৬৮ সালে সীমারেখাটির জন্য Wallace's Line নাম ব্যবহার করেন।
❖ ডারউইনের সঙ্গে সম্পর্ক: চার্লস ডারউইনের পাশাপাশি ওয়ালেসও স্বাধীনভাবে প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) প্রক্রিয়ার ধারণা বিকাশ করেন। ১ জুলাই ১৮৫৮ সালে লন্ডনের লিনিয়ান সোসাইটিতে তাঁদের বিবর্তনসংক্রান্ত গবেষণা যৌথভাবে উপস্থাপিত হয়।
❖ উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
The Malay Archipelago — ১৮৬৯; মালয় দ্বীপপুঞ্জে তাঁর গবেষণা ও ভ্রমণের বিবরণ।
The Geographical Distribution of Animals — ১৮৭৬; প্রাণীদের ভৌগোলিক বিস্তৃতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ।
Island Life — ১৮৮০; দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ও প্রাণীদের বিস্তার নিয়ে রচিত।
Darwinism — ১৮৮৯; প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন নিয়ে আলোচনা।
My Life — ১৯০৫; আত্মজীবনী।
❖ পুরস্কার ও সম্মাননা: তিনি রয়্যাল সোসাইটির রয়্যাল মেডেল (১৮৬৮), ডারউইন মেডেল (১৮৯০), লিনিয়ান মেডেল (১৮৯২) এবং কপলি মেডেল (১৯০৮) লাভ করেন।
ওয়ালেসিয়া (Wallacea) কী?
❖ ওয়ালেসিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এমন একটি প্রাণিভৌগোলিক মধ্যবর্তী অঞ্চল, যেখানে এশীয় ও অস্ট্রেলীয় প্রাণিজগতের বৈশিষ্ট্য মিশ্রভাবে দেখা যায়।
❖ অঞ্চলটি মূলত ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি, লম্বক, ফ্লোরেস, তিমুর ও মালুকু দ্বীপপুঞ্জের মতো বিভিন্ন দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
❖ ওয়ালেসিয়ার পশ্চিম সীমা: ওয়ালেস লাইন।
❖ ওয়ালেসিয়ার পূর্ব সীমা: লিডেকার লাইন (Lydekker's Line)।
❖ ওয়েবার লাইন (Weber Line): ওয়ালেসিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে এশীয় ও অস্ট্রেলীয় প্রাণীদের বিস্তারের তুলনামূলক ভারসাম্য বোঝাতে প্রস্তাবিত প্রাণিভৌগোলিক সীমারেখা।
❖ ভূতাত্ত্বিক ভিত্তি: পশ্চিমে সুন্দা মহীসোপান (Sunda Shelf) এবং পূর্বে সাহুল মহীসোপান (Sahul Shelf) অবস্থিত। মধ্যবর্তী দ্বীপগুলো দীর্ঘদিন গভীর সমুদ্র দ্বারা বিচ্ছিন্ন থাকায় স্বতন্ত্র প্রাণিজগতের বিকাশ ঘটেছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া: সাধারণ ভাষায় ওয়ালেস লাইনকে এশীয় ও অস্ট্রেলীয় প্রাণিজগতের বিভাজনরেখা বলা হয়। তাই বিকল্পটির মূল ধারণা সম্পর্কিত ও আংশিকভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে এটি এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের রাজনৈতিক বা সাধারণ ভৌগোলিক সীমানা নয়। নির্দিষ্ট প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল দুটি হলো ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলীয় অঞ্চল। ফলে গ বিকল্পটি অধিক সুনির্দিষ্ট।
❖ খ. আফ্রিকা ও মাদাগাস্কার: আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড ও মাদাগাস্কার দ্বীপের মাঝখানে মোজাম্বিক প্রণালি (Mozambique Channel) অবস্থিত। মাদাগাস্কার ভারত মহাসাগরের একটি বৃহৎ দ্বীপরাষ্ট্র, যার রাজধানী আন্তানানারিভো (Antananarivo)। দীর্ঘ ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে সেখানে লেমুরসহ বহু স্বতন্ত্র প্রাণীর বিবর্তন ঘটেছে। তবে আফ্রিকা ও মাদাগাস্কারের মধ্যবর্তী সীমারেখাকে ওয়ালেস লাইন বলা হয় না।
❖ ঘ. আফ্রিকা ও আমেরিকা: আফ্রিকা ও আমেরিকা মহাদেশের মাঝখানে আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean) অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা প্রাচীন গন্ডোয়ানা মহামহাদেশের অংশ ছিল। মহাদেশীয় সঞ্চরণের ফলে এগুলো পৃথক হয়। এই দুটি মহাদেশের বিচ্ছেদ প্লেট টেকটনিকসের সঙ্গে সম্পর্কিত; ওয়ালেস লাইন এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ওয়ালেস লাইন — ওরিয়েন্টাল ও অস্ট্রেলীয় প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চলের সীমারেখা।
➤ ওয়ালেস লাইনের নামকরণ হয়েছে — আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের নামে।
➤ ওয়ালেস লাইনের ধারণা প্রদান করেন — আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস।
➤ ওয়ালেস লাইন নামটি ব্যবহার করেন — টমাস হেনরি হাক্সলি, ১৮৬৮ সালে।
➤ ওয়ালেস লাইনের প্রধান অবস্থান — দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয় দ্বীপপুঞ্জ।
➤ রেখাটি অতিক্রম করে — লম্বক ও মাকাসার প্রণালি।
➤ লম্বক প্রণালির দুই পাশের দ্বীপ — বালি ও লম্বক।
➤ মাকাসার প্রণালির দুই পাশের দ্বীপ — বোর্নিও ও সুলাওয়েসি।
➤ ওয়ালেস লাইনের পশ্চিম পাশ — এশীয় বা ওরিয়েন্টাল প্রাণিজগতের অঞ্চল।
➤ ওয়ালেস লাইনের পূর্ব পাশ — ওয়ালেসিয়া নামের মধ্যবর্তী প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল।
➤ ওয়ালেসিয়ার পূর্ব সীমা — লিডেকার লাইন।
➤ ওয়ালেসিয়ার মধ্যবর্তী প্রাণিজগতের ভারসাম্য নির্দেশক রেখা — ওয়েবার লাইন।
➤ সুন্দা মহীসোপান — এশীয় মহাদেশীয় ভূখণ্ডের সম্প্রসারিত অংশ।
➤ সাহুল মহীসোপান — অস্ট্রেলিয়া ও নিউগিনির সঙ্গে সম্পর্কিত মহীসোপান।
➤ ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য প্রাণী — বাঘ, এশীয় হাতি, গণ্ডার ও ওরাংওটাং।
➤ অস্ট্রেলীয় অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য প্রাণী — ক্যাঙ্গারু, কোয়ালা, ক্যাসোয়ারি ও বার্ডস অব প্যারাডাইস।
➤ জীবভূগোলের জনক হিসেবে পরিচিত — আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস।
➤ আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের জন্ম — ৮ জানুয়ারি ১৮২৩।
➤ আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের মৃত্যু — ৭ নভেম্বর ১৯১৩।
➤ ওয়ালেসের জন্মস্থান — আস্ক, ওয়েলস।
➤ ওয়ালেসের গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল — আমাজন অববাহিকা ও মালয় দ্বীপপুঞ্জ।
➤ মালয় দ্বীপপুঞ্জে তাঁর গবেষণার সময়কাল — ১৮৫৪–১৮৬২।
➤ The Malay Archipelago গ্রন্থের রচয়িতা — আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস।
➤ The Malay Archipelago প্রকাশিত — ১৮৬৯ সালে।
➤ The Geographical Distribution of Animals — ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত।
➤ Island Life — ১৮৮০ সালে প্রকাশিত।
➤ Darwinism — ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত।
➤ ডারউইন ও ওয়ালেসের প্রাকৃতিক নির্বাচনসংক্রান্ত গবেষণা যৌথভাবে উপস্থাপিত — ১ জুলাই ১৮৫৮।
➤ বিবর্তন তত্ত্বে প্রাকৃতিক নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ প্রবক্তা — চার্লস ডারউইন ও আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস।
➤ ডারউইনের বিখ্যাত গ্রন্থ — On the Origin of Species (১৮৫৯)।
➤ আফ্রিকা ও মাদাগাস্কারের মধ্যবর্তী জলপথ — মোজাম্বিক প্রণালি।
➤ আফ্রিকা ও আমেরিকার মধ্যবর্তী মহাসাগর — আটলান্টিক মহাসাগর।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৬৭. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি? (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: ২২; ডাক বিভাগের মেইল অপারেটর: ২৩; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২৩)

ক

১৭° উত্তর অক্ষরেখা

খ

১৮° উত্তর অক্ষরেখা

গ

৩০° উত্তর অক্ষরেখা

ঘ

৩৮° উত্তর অক্ষরেখা

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা (38th Parallel North)—উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহাসিক বিভাজনরেখা।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা (38th Parallel North) হলো নিরক্ষরেখা থেকে ৩৮ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত একটি কাল্পনিক ভৌগোলিক অক্ষরেখা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে ১৯৪৫ সালে কোরীয় উপদ্বীপকে সাময়িকভাবে দুটি সামরিক প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার জন্য এই রেখা ব্যবহার করা হয়।
❖ ১৯১০–১৯৪৫ সাল পর্যন্ত কোরিয়া জাপানের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের পর কোরীয় উপদ্বীপে জাপানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ গ্রহণ ও সামরিক প্রশাসন পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন অঞ্চল ভাগ করে নেয়।
১. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজনের ইতিহাস
◉ ১৯১০ সাল — জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন শুরু
❖ ১৯১০ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে কোরিয়াকে নিজেদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত কোরিয়া জাপানি শাসনের অধীনে থাকে।
◉ ১৯৪৫ সাল — ৩৮° উত্তর অক্ষরেখায় বিভাজন
❖ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর কোরীয় উপদ্বীপে দুটি সামরিক প্রশাসনিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয়।
✧ উত্তরাঞ্চল — সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে।
✧ দক্ষিণাঞ্চল — যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে।
❖ প্রথমদিকে বিভাজনটি সাময়িক হিসেবে বিবেচিত হলেও স্নায়ুযুদ্ধের রাজনৈতিক বিরোধের কারণে একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সফল হয়নি।
◉ ১৯৪৮ সাল — দুটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
❖ ১৫ আগস্ট ১৯৪৮ দক্ষিণ কোরিয়ায় Republic of Korea (ROK) সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ উত্তর কোরিয়ায় Democratic People's Republic of Korea (DPRK) প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন সিংম্যান রি (Syngman Rhee)। উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা ছিলেন কিম ইল-সুং (Kim Il-sung)।
২. কোরীয় যুদ্ধ (Korean War), ১৯৫০–১৯৫৩
❖ ২৫ জুন ১৯৫০ উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ চালায়। এর মাধ্যমে কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে জাতিসংঘের সামরিক জোট দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেয়। অন্যদিকে চীন উত্তর কোরিয়ার পক্ষে সামরিকভাবে অংশগ্রহণ করে; সোভিয়েত ইউনিয়নও উত্তর কোরিয়াকে সহায়তা করে।
❖ প্রায় তিন বছর যুদ্ধ চলার পর ২৭ জুলাই ১৯৫৩ পানমুনজমে (Panmunjom) কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে বড় ধরনের যুদ্ধ বন্ধ হয়, কিন্তু স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
৩. বর্তমান বিভাজনরেখা—Military Demarcation Line (MDL)
❖ ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে Military Demarcation Line (MDL) নির্ধারিত হয়।
❖ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষের সামরিক অবস্থানের ভিত্তিতে এই রেখা নির্ধারিত হয়েছিল। তাই এটি ১৯৪৫ সালের ৩৮° উত্তর অক্ষরেখার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় না।
❖ MDL-এর দুই পাশে একটি বেসামরিকীকৃত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার নাম Korean Demilitarized Zone (DMZ)।
❖ DMZ-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি:
পূর্ণ নাম: Korean Demilitarized Zone।
বাংলা অর্থ: কোরীয় বেসামরিকীকৃত অঞ্চল।
প্রতিষ্ঠা: ২৭ জুলাই ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে।
প্রধান বিভাজনরেখা: Military Demarcation Line (MDL)।
মোট নির্ধারিত প্রস্থ: ৪ কিলোমিটার।
MDL-এর উত্তর দিকে: ২ কিলোমিটার।
MDL-এর দক্ষিণ দিকে: ২ কিলোমিটার।
দৈর্ঘ্য: প্রায় ২৪১–২৫০ কিলোমিটার; পরিমাপের পদ্ধতিভেদে প্রকাশিত সংখ্যা কিছুটা ভিন্ন।
উদ্দেশ্য: বিরোধী সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে নিরাপত্তামূলক ব্যবধান বজায় রাখা এবং নতুন সংঘর্ষের ঝুঁকি কমানো।
গুরুত্বপূর্ণ স্থান: পানমুনজম ও Joint Security Area (JSA)।
❖ যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে MDL-এর উভয় পাশে দুই কিলোমিটার করে সেনা প্রত্যাহার করে চার কিলোমিটার প্রশস্ত অঞ্চল গঠনের বিধান রয়েছে।
৪. পানমুনজম (Panmunjom) ও Joint Security Area
❖ পানমুনজম কোরীয় যুদ্ধবিরতি আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক স্থান।
❖ এর নিকটবর্তী Joint Security Area (JSA) উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক যোগাযোগ, আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের জন্য পরিচিত।
❖ কোরীয় যুদ্ধবিরতির ইতিহাস এবং দুই কোরিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝতে পানমুনজম ও JSA বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
৫. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি
◉ উত্তর কোরিয়া (North Korea)
❖ সরকারি নাম: Democratic People's Republic of Korea (DPRK)।
❖ রাজধানী: পিয়ংইয়ং (Pyongyang)।
❖ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮।
❖ প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা: কিম ইল-সুং।
❖ মুদ্রা: উত্তর কোরীয় ওন (KPW)।
❖ সরকারি ভাষা: কোরীয়।
❖ ভৌগোলিক অবস্থান: কোরীয় উপদ্বীপের উত্তরাঞ্চল।
❖ সীমান্তবর্তী রাষ্ট্র: চীন, রাশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
◉ দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea)
❖ সরকারি নাম: Republic of Korea (ROK)।
❖ রাজধানী: সিউল (Seoul)।
❖ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: ১৫ আগস্ট ১৯৪৮।
❖ প্রথম প্রেসিডেন্ট: সিংম্যান রি।
❖ মুদ্রা: দক্ষিণ কোরীয় ওন (KRW)।
❖ সরকারি ভাষা: কোরীয়।
❖ ভৌগোলিক অবস্থান: কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চল।
❖ গুরুত্বপূর্ণ শহর: সিউল, বুসান, ইনচন ও দেগু।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহাসিক বিভাজনরেখা — ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা।
➤ কোরীয় উপদ্বীপ ৩৮° অক্ষরেখা বরাবর সামরিক প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত — ১৯৪৫ সালে।
➤ বিভাজনের আগে কোরিয়া জাপানের শাসনাধীন ছিল — ১৯১০–১৯৪৫।
➤ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর কোরীয় অঞ্চলে সামরিক প্রশাসন পরিচালনা করে — সোভিয়েত ইউনিয়ন।
➤ দক্ষিণ কোরীয় অঞ্চলে সামরিক প্রশাসন পরিচালনা করে — যুক্তরাষ্ট্র।
➤ দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিষ্ঠিত — ১৫ আগস্ট ১৯৪৮।
➤ উত্তর কোরিয়া প্রতিষ্ঠিত — ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮।
➤ উত্তর কোরিয়ার রাজধানী — পিয়ংইয়ং।
➤ দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী — সিউল।
➤ উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম — Democratic People's Republic of Korea।
➤ দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি নাম — Republic of Korea।
➤ উত্তর কোরিয়ার প্রথম নেতা — কিম ইল-সুং।
➤ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট — সিংম্যান রি।
➤ কোরীয় যুদ্ধ শুরু — ২৫ জুন ১৯৫০।
➤ কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয় — উত্তর কোরিয়ার দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণের মাধ্যমে।
➤ কোরীয় যুদ্ধের প্রধান যুদ্ধবিরতি চুক্তি — Korean Armistice Agreement।
➤ কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত — ২৭ জুলাই ১৯৫৩।
➤ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান — পানমুনজম (Panmunjom)।
➤ কোরীয় যুদ্ধবিরতির পর সামরিক বিভাজনরেখা — Military Demarcation Line (MDL)।
➤ MDL-এর পূর্ণরূপ — Military Demarcation Line।
➤ DMZ-এর পূর্ণরূপ — Demilitarized Zone।
➤ কোরীয় DMZ প্রতিষ্ঠিত — ১৯৫৩ সালে।
➤ কোরীয় DMZ-এর নির্ধারিত প্রস্থ — ৪ কিলোমিটার।
➤ DMZ-এর কেন্দ্রীয় সামরিক বিভাজনরেখা — MDL।
➤ MDL-এর উভয় পাশে DMZ-এর নির্ধারিত বিস্তৃতি — ২ কিলোমিটার করে।
➤ DMZ-এর উদ্দেশ্য — দুই পক্ষের সামরিক বাহিনীর মধ্যে নিরাপত্তামূলক ব্যবধান বজায় রাখা।
➤ কোরীয় যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থান — পানমুনজম।
➤ দুই কোরিয়ার যোগাযোগ ও আলোচনা-সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক এলাকা — Joint Security Area (JSA)।
➤ কোরীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্থায়ী শান্তিচুক্তির সমতুল্য নয়।
➤ উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের ঐতিহাসিক সামরিক বিভাজনরেখা — ১৭° উত্তর অক্ষরেখার কাছাকাছি।
➤ ভিয়েতনামের ঐতিহাসিক বিভাজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্মেলন — জেনেভা সম্মেলন, ১৯৫৪।
➤ ভিয়েতনামের সাময়িক বিভাজনরেখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নদী — বেন হাই নদী।
➤ উত্তর ভিয়েতনামের রাজধানী ছিল — হ্যানয়।
➤ দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী ছিল — সায়গন।
➤ সায়গনের বর্তমান নাম — হো চি মিন সিটি।
➤ ভিয়েতনাম আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত — ২ জুলাই ১৯৭৬।
➤ অক্ষরেখা (Latitude) — নিরক্ষরেখার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা।
➤ নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ — ০°।
➤ উত্তর মেরুর অক্ষাংশ — ৯০° উত্তর।
➤ দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশ — ৯০° দক্ষিণ।
07
🎯 Level 1

০১. কুরিল দ্বীপপুঞ্জ কোথায় অবস্থিত? (সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১০)

ক

উত্তর কোরিয়া

খ

রাশিয়া

গ

জাপান

ঘ

চীন

✅ সঠিক উত্তর:খ. রাশিয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: রাশিয়া
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ (Kuril Islands) উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ থেকে জাপানের হোক্কাইডো পর্যন্ত প্রসারিত আগ্নেয় দ্বীপমালা। বর্তমানে পুরো কুরিল দ্বীপমালা রাশিয়ার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
❖ তবে এর দক্ষিণাংশের কয়েকটি দ্বীপ—বিশেষত ইতুরুপ/এতোরোফু, কুনাশির/কুনাশিরি, শিকোতান ও হাবোমাই দ্বীপপুঞ্জ—নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্ব-বিরোধ রয়েছে। জাপান এগুলোকে Northern Territories নামে দাবি করে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই চার দ্বীপকে কেন্দ্র করেই বর্তমান ভূখণ্ডগত বিরোধের কথা উল্লেখ করে।
➤ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত বাহিনী দক্ষিণ কুরিল অঞ্চলের দ্বীপগুলো দখল করে।
➤ এই বিরোধের কারণে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত রয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. উত্তর কোরিয়া ⇒ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ উত্তর কোরিয়ার অংশ নয়।
❖ খ. রাশিয়া ⇒ সঠিক। বর্তমান প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার।
❖ গ. জাপান ⇒ জাপান দক্ষিণের চারটি দ্বীপ দাবি করে, কিন্তু বর্তমানে সেগুলোও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।
❖ ঘ. চীন ⇒ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ চীনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
08
🎯 Level 1

০৪. কোন দুইটি দেশের মধ্যে আবু মুসা দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ বিদ্যমান? (বাউবি: ১১-১২)

ক

ইরান ও ইরাক

খ

সিরিয়া ও মিশর

গ

জর্ডান ও সিরিয়া

ঘ

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আবু মুসা দ্বীপের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরোধ দীর্ঘদিনের। ইরান ১৯৭১ সাল থেকে দ্বীপটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
❖ UAE-এর দাবি ঐতিহাসিকভাবে শারজাহ আমিরাতের দাবির উত্তরাধিকার। একই সঙ্গে Greater Tunb ও Lesser Tunb নিয়ে রাস আল-খাইমাহর দাবিও UAE রাষ্ট্রের দাবির অংশ।
➤ এই দ্বীপগুলো হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি হওয়ায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
➤ প্রশ্নটি “কার দখলে?” নয়; “কার মধ্যে মালিকানা বিরোধ?”—এই পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ইরান ও ইরাক ⇒ দুদেশের ঐতিহাসিক বিরোধ Shatt al-Arab-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে; Abu Musa নয়।
❖ খ. সিরিয়া ও মিশর ⇒ Abu Musa-র দাবিদার নয়।
❖ গ. জর্ডান ও সিরিয়া ⇒ সম্পর্কহীন।
❖ ঘ. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান ⇒ সঠিক।
Advertisement
09
🎯 Level 1

০৭. কত সালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ফকল্যান্ড নিয়ে যুদ্ধ হয়? (পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৭)

ক

১৯৮০ সালে

খ

১৯৮১ সালে

গ

১৯৮২ সালে

ঘ

১৯৮৩ সালে

✅ সঠিক উত্তর:গ. ১৯৮২ সালে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ১৯৮২ সালে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Falklands War সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে।
❖ আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তা দ্বীপগুলো দখল করার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সরকার একটি বড় naval task force পাঠায়। যুদ্ধ শেষে ব্রিটেন দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।
➤ যুদ্ধটি এপ্রিল থেকে জুন ১৯৮২ পর্যন্ত চলে।
➤ সার্বভৌমত্ব-বিরোধ যুদ্ধ শেষ হলেও রাজনৈতিকভাবে মীমাংসিত হয়নি; আর্জেন্টিনা আজও দাবি বজায় রেখেছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯৮০, ১৯৮১ ও ১৯৮৩ ⇒ যুদ্ধের প্রকৃত বছর নয়।
❖ ১৯৮২ ⇒ সঠিক।
10
🎯 Level 1

১০. পেরেজিল দ্বীপ নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে? (অর্থ মন্ত্রণালয়ের বেঞ্চ সহকারী: ২৩)

ক

মরক্কো ও স্পেন

খ

সিরিয়া ও স্পেন

গ

জর্ডান ও মিশর

ঘ

মিশর ও ইরান

✅ সঠিক উত্তর:ক. মরক্কো ও স্পেন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: মরক্কো ও স্পেন
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Perejil Island বা Parsley Island জিব্রাল্টার প্রণালির কাছে মরক্কোর উপকূলের খুব কাছাকাছি অবস্থিত ক্ষুদ্র জনশূন্য দ্বীপ।
❖ ২০০২ সালে মরক্কোর সদস্যরা দ্বীপটিতে অবস্থান নিলে স্পেন সামরিক অভিযান চালিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়। পরে উভয় পক্ষ পূর্বাবস্থায় ফেরার ব্যবস্থা করে।
➤ মরক্কো দ্বীপটিকে Leila/Tura নামেও উল্লেখ করে।
➤ ঘটনাটি স্পেন-মরক্কো ভূখণ্ডগত উত্তেজনার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মরক্কো ও স্পেন ⇒ সঠিক।
❖ খ. সিরিয়া ও স্পেন ⇒ সম্পর্কহীন।
❖ গ. জর্ডান ও মিশর ⇒ সম্পর্কহীন।
❖ ঘ. মিশর ও ইরান ⇒ সম্পর্কহীন।
কাশ্মীর ও সংশ্লিষ্ট বিরোধ
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন