01
🎯 Level 1
০১. র্যাডক্লিফ লাইন’ কোন দুইটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা? (বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক: ১৭; কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২২; খাদ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা: ২৩; জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উচ্চমান সহকারী: ২৩)
✅ সঠিক উত্তর:খ. ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে নবগঠিত দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণকারী রেখা হলো র্যাডক্লিফ লাইন। বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ও পূর্বভাগ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
◈ সঠিক উত্তর: ভারত-পাকিস্তান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ র্যাডক্লিফ লাইন (Radcliffe Line) হলো ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির সময় পাঞ্জাব ও বাংলা ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার নতুন সীমানা নির্ধারণে তৈরি সীমারেখা। দুটি Boundary Commission-এরই চেয়ারম্যান ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ (Sir Cyril Radcliffe)। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১৯৪৭ সালের নথিতেও Bengal ও Punjab ভাগের জন্য পৃথক Boundary Commission এবং উভয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে Radcliffe-এর নাম পাওয়া যায়।
❖ ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১৫ আগস্ট ও ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীন হলেও চূড়ান্ত সীমানা বা Radcliffe Award জনসমক্ষে ঘোষণা করা হয় ১৭ আগস্ট ১৯৪৭। ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভসও জানায়, নতুন সীমানা পাঞ্জাব ও বাংলার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল।
➤ পশ্চিমাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি হয়।
➤ পূর্বাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি ছিল; ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই অংশ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অংশে পরিণত হয়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে” ⇒ ঐতিহাসিকভাবে অধিক নির্ভুল শব্দ হলো পাঞ্জাব ও বাংলা (Bengal) প্রদেশ। ‘Bengal Presidency’ ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি পুরোনো ও বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামোর নাম; ১৯৪৭-এর Partition পরিকল্পনা ও সরকারি নথিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনটির নাম ছিল Bengal Boundary Commission।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জার্মানি-ফ্রান্স ⇒ র্যাডক্লিফ লাইন নয়। জার্মানি-ফ্রান্স অঞ্চলের সঙ্গে সিগফ্রিড লাইন ও ম্যাজিনো লাইন-এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
❖ খ. ভারত-পাকিস্তান ⇒ সঠিক। ১৯৪৭ সালের মূল প্রেক্ষাপটে র্যাডক্লিফ লাইন ভারত-পাকিস্তানের নতুন সীমানা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
❖ গ. ভারত-জার্মানি ⇒ দেশ দুটির কোনো অভিন্ন স্থলসীমান্তই নেই।
❖ ঘ. জার্মানি-পাকিস্তান ⇒ দেশ দুটিরও অভিন্ন সীমান্ত নেই; তাই র্যাডক্লিফ লাইনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।"
ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে নবগঠিত দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণকারী রেখা হলো র্যাডক্লিফ লাইন। বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ও পূর্বভাগ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
◈ সঠিক উত্তর: ভারত-পাকিস্তান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ র্যাডক্লিফ লাইন (Radcliffe Line) হলো ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির সময় পাঞ্জাব ও বাংলা ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার নতুন সীমানা নির্ধারণে তৈরি সীমারেখা। দুটি Boundary Commission-এরই চেয়ারম্যান ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ (Sir Cyril Radcliffe)। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১৯৪৭ সালের নথিতেও Bengal ও Punjab ভাগের জন্য পৃথক Boundary Commission এবং উভয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে Radcliffe-এর নাম পাওয়া যায়।
❖ ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১৫ আগস্ট ও ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীন হলেও চূড়ান্ত সীমানা বা Radcliffe Award জনসমক্ষে ঘোষণা করা হয় ১৭ আগস্ট ১৯৪৭। ব্রিটিশ ন্যাশনাল আর্কাইভসও জানায়, নতুন সীমানা পাঞ্জাব ও বাংলার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল।
➤ পশ্চিমাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি হয়।
➤ পূর্বাংশে এটি ভারত ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সীমানার ভিত্তি ছিল; ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই অংশ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অংশে পরিণত হয়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে” ⇒ ঐতিহাসিকভাবে অধিক নির্ভুল শব্দ হলো পাঞ্জাব ও বাংলা (Bengal) প্রদেশ। ‘Bengal Presidency’ ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি পুরোনো ও বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামোর নাম; ১৯৪৭-এর Partition পরিকল্পনা ও সরকারি নথিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনটির নাম ছিল Bengal Boundary Commission।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জার্মানি-ফ্রান্স ⇒ র্যাডক্লিফ লাইন নয়। জার্মানি-ফ্রান্স অঞ্চলের সঙ্গে সিগফ্রিড লাইন ও ম্যাজিনো লাইন-এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
❖ খ. ভারত-পাকিস্তান ⇒ সঠিক। ১৯৪৭ সালের মূল প্রেক্ষাপটে র্যাডক্লিফ লাইন ভারত-পাকিস্তানের নতুন সীমানা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
❖ গ. ভারত-জার্মানি ⇒ দেশ দুটির কোনো অভিন্ন স্থলসীমান্তই নেই।
❖ ঘ. জার্মানি-পাকিস্তান ⇒ দেশ দুটিরও অভিন্ন সীমান্ত নেই; তাই র্যাডক্লিফ লাইনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।"