01
🎯 Level 1
55. মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বিখ্যাত হয়েছিলেন কেন? (চবি: ১৫–১৬)
✅ সঠিক উত্তর:খ. ১৪ দফা ঘোষণা
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ১৪ দফা ঘোষণা।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি কংগ্রেসে পেশ করা চৌদ্দ দফার শেষ দফায় সাধারণ রাষ্ট্রসমিতি গড়ার প্রস্তাব ছিল।
❖ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) শেষ হওয়ার সময় ভবিষ্যতে অনুরূপ যুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা তৈরির প্রয়োজনীয়তা প্রবল হয়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ৮ জানুয়ারি ১৯১৮ কংগ্রেসে Fourteen Points উত্থাপন করেন। যুদ্ধোত্তর স্বচ্ছ কূটনীতি, সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতা, বাণিজ্য ও নিরস্ত্রীকরণের কথা এতে ছিল।
❖ চৌদ্দ দফার শেষ দফা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি সাধারণ সংঘ (general association of nations) গঠনের প্রস্তাব দেয়; এই ধারণা থেকেই লীগ অব নেশনসের সনদ প্রণয়নের রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়।
❖ ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনে উইলসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং লীগের সনদ ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশে স্থান পায়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট ভার্সাই চুক্তি অনুসমর্থন না করায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেই লীগ অব নেশনসের সদস্য হতে পারেনি; পরিকল্পনাকারী ও সদস্য হওয়া এক বিষয় নয়।
❖ উড্রো উইলসন ১৯১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তাঁর আন্তর্জাতিকতাবাদ ও জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ ধারণা সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিল।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ১৪ দফা ঘোষণা।
➤ উড্রো উইলসন — যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
➤ উইলসনের চৌদ্দ দফা ঘোষণার তারিখ — ৮ জানুয়ারি ১৯১৮।
➤ চৌদ্দ দফার শেষ দফায় — আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমিতি গঠনের প্রস্তাব।
➤ লীগ অব নেশনসের রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক — উড্রো উইলসন।
➤ প্যারিস শান্তি সম্মেলন — ১৯১৯।
➤ ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষর — ২৮ জুন ১৯১৯।
➤ লীগ অব নেশনসের সনদ — ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশ।
➤ লীগ প্রতিষ্ঠিত — ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
➤ লীগের প্রধান কার্যালয় — জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
➤ যুক্তরাষ্ট্র লীগ অব নেশনসের সদস্য হয়নি।
➤ উড্রো উইলসনের নোবেল শান্তি পুরস্কার — ১৯১৯।
➤ চৌদ্দ দফা যুদ্ধোত্তর উদার আন্তর্জাতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ১৪ দফা ঘোষণা।"
◈ সঠিক উত্তর: ১৪ দফা ঘোষণা।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি কংগ্রেসে পেশ করা চৌদ্দ দফার শেষ দফায় সাধারণ রাষ্ট্রসমিতি গড়ার প্রস্তাব ছিল।
❖ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) শেষ হওয়ার সময় ভবিষ্যতে অনুরূপ যুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা তৈরির প্রয়োজনীয়তা প্রবল হয়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ৮ জানুয়ারি ১৯১৮ কংগ্রেসে Fourteen Points উত্থাপন করেন। যুদ্ধোত্তর স্বচ্ছ কূটনীতি, সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতা, বাণিজ্য ও নিরস্ত্রীকরণের কথা এতে ছিল।
❖ চৌদ্দ দফার শেষ দফা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি সাধারণ সংঘ (general association of nations) গঠনের প্রস্তাব দেয়; এই ধারণা থেকেই লীগ অব নেশনসের সনদ প্রণয়নের রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়।
❖ ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনে উইলসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং লীগের সনদ ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশে স্থান পায়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট ভার্সাই চুক্তি অনুসমর্থন না করায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেই লীগ অব নেশনসের সদস্য হতে পারেনি; পরিকল্পনাকারী ও সদস্য হওয়া এক বিষয় নয়।
❖ উড্রো উইলসন ১৯১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তাঁর আন্তর্জাতিকতাবাদ ও জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ ধারণা সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিল।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ১৪ দফা ঘোষণা।
➤ উড্রো উইলসন — যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
➤ উইলসনের চৌদ্দ দফা ঘোষণার তারিখ — ৮ জানুয়ারি ১৯১৮।
➤ চৌদ্দ দফার শেষ দফায় — আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমিতি গঠনের প্রস্তাব।
➤ লীগ অব নেশনসের রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক — উড্রো উইলসন।
➤ প্যারিস শান্তি সম্মেলন — ১৯১৯।
➤ ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষর — ২৮ জুন ১৯১৯।
➤ লীগ অব নেশনসের সনদ — ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশ।
➤ লীগ প্রতিষ্ঠিত — ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
➤ লীগের প্রধান কার্যালয় — জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
➤ যুক্তরাষ্ট্র লীগ অব নেশনসের সদস্য হয়নি।
➤ উড্রো উইলসনের নোবেল শান্তি পুরস্কার — ১৯১৯।
➤ চৌদ্দ দফা যুদ্ধোত্তর উদার আন্তর্জাতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ১৪ দফা ঘোষণা।"