🧠 🔖
👑 Premium Topic

জাতিপুঞ্জ এবং জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক›জাতিপুঞ্জ এবং জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚63মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

55. মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বিখ্যাত হয়েছিলেন কেন? (চবি: ১৫–১৬)

ক

স্ট্যাচু অব লিবার্টি বক্তৃতা

খ

১৪ দফা ঘোষণা

গ

অ-হস্তক্ষেপ তত্ত্ব

ঘ

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:খ. ১৪ দফা ঘোষণা

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ১৪ দফা ঘোষণা।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি কংগ্রেসে পেশ করা চৌদ্দ দফার শেষ দফায় সাধারণ রাষ্ট্রসমিতি গড়ার প্রস্তাব ছিল।
❖ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) শেষ হওয়ার সময় ভবিষ্যতে অনুরূপ যুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা তৈরির প্রয়োজনীয়তা প্রবল হয়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ৮ জানুয়ারি ১৯১৮ কংগ্রেসে Fourteen Points উত্থাপন করেন। যুদ্ধোত্তর স্বচ্ছ কূটনীতি, সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতা, বাণিজ্য ও নিরস্ত্রীকরণের কথা এতে ছিল।
❖ চৌদ্দ দফার শেষ দফা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি সাধারণ সংঘ (general association of nations) গঠনের প্রস্তাব দেয়; এই ধারণা থেকেই লীগ অব নেশনসের সনদ প্রণয়নের রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়।
❖ ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনে উইলসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং লীগের সনদ ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশে স্থান পায়।
❖ যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট ভার্সাই চুক্তি অনুসমর্থন না করায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেই লীগ অব নেশনসের সদস্য হতে পারেনি; পরিকল্পনাকারী ও সদস্য হওয়া এক বিষয় নয়।
❖ উড্রো উইলসন ১৯১৯ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তাঁর আন্তর্জাতিকতাবাদ ও জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ ধারণা সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিল।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ১৪ দফা ঘোষণা।
➤ উড্রো উইলসন — যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
➤ উইলসনের চৌদ্দ দফা ঘোষণার তারিখ — ৮ জানুয়ারি ১৯১৮।
➤ চৌদ্দ দফার শেষ দফায় — আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমিতি গঠনের প্রস্তাব।
➤ লীগ অব নেশনসের রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক — উড্রো উইলসন।
➤ প্যারিস শান্তি সম্মেলন — ১৯১৯।
➤ ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষর — ২৮ জুন ১৯১৯।
➤ লীগ অব নেশনসের সনদ — ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশ।
➤ লীগ প্রতিষ্ঠিত — ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
➤ লীগের প্রধান কার্যালয় — জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
➤ যুক্তরাষ্ট্র লীগ অব নেশনসের সদস্য হয়নি।
➤ উড্রো উইলসনের নোবেল শান্তি পুরস্কার — ১৯১৯।
➤ চৌদ্দ দফা যুদ্ধোত্তর উদার আন্তর্জাতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ১৪ দফা ঘোষণা।"
02
🎯 Level 1

58. কত সালে ‘লীগ অব নেশনস’-এর জন্ম হয়? / কত সালে ‘জাতিপুঞ্জ’-এর জন্ম হয়? (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৯)

ক

১৯২০ সালে

খ

১৯২১ সালে

গ

১৯২২ সালে

ঘ

১৯২৪ সালে

✅ সঠিক উত্তর:ক. ১৯২০ সালে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ১৯২০ সালে।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ভার্সাই চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিনে ১০ জানুয়ারি ১৯২০ লীগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ লীগ অব নেশনস প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, যুদ্ধ রোধ, নিরস্ত্রীকরণ ও বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ লীগের সনদ (Covenant) ছিল ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তির অংশ; সনদ কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
❖ লীগের রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল জেনেভা। প্রধান কাঠামোতে Assembly, Council ও Secretariat ছিল; স্থায়ী আন্তর্জাতিক বিচার আদালত তার সহযোগী বিচারব্যবস্থা হিসেবে কাজ করত।
❖ লীগ পরিষদের শুরুতে স্থায়ী সদস্য ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান। পরে সদস্যপদ ও পরিষদ-কাঠামো পরিবর্তিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র কখনো সদস্যপদ গ্রহণ করেনি।
❖ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা গণনায় পার্থক্য আছে: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ কার্যকারিতা লাভের মুহূর্তে ২৩টি দেশ ছিল বলে সমসাময়িক আইন-গবেষণায় পাওয়া যায়; ১৫ নভেম্বর প্রথম অধিবেশনের সময় ৪২টি সদস্য ছিল। পরীক্ষায় প্রচলিত সংখ্যা ৪২।
❖ জাপানের মাঞ্চুরিয়া দখল ও ইতালির ইথিওপিয়া আক্রমণের মতো সংকটে লীগের নিষেধাজ্ঞা এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা অকার্যকর প্রমাণিত হয়।
❖ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে ব্যর্থ হলেও আন্তর্জাতিক শ্রম, স্বাস্থ্য, শরণার্থী এবং মাদক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে লীগের কাজ পরবর্তীকালের জাতিসংঘ ব্যবস্থা গঠনে ভিত্তি রাখে।
❖ লীগের বিলুপ্তির কার্যকর তারিখ ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬; সেসময় তার অনেক কাজ ও সম্পদ নবগঠিত জাতিসংঘে স্থানান্তর হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ১৯২০ সালে।
➤ লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠা — ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
➤ লীগের সদর দপ্তর — জেনেভা।
➤ প্রধান উদ্যোগী — উড্রো উইলসন।
➤ লীগের প্রথম সাধারণ পরিষদ বসে — ১৫ নভেম্বর ১৯২০।
➤ প্রথম সাধারণ পরিষদের সময় সদস্য — ৪২টি রাষ্ট্র।
➤ ১৯২০ সালের শুরুতে সদস্যসংখ্যা ও পরের গণনা আলাদা।
➤ লীগ পরিষদের মূল স্থায়ী সদস্য — ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান।
➤ যুক্তরাষ্ট্র লীগে যোগ দেয়নি।
➤ Permanent Court of International Justice (PCIJ) কার্যক্রম শুরু — ১৯২২।
➤ PCIJ-র উত্তরসূরি বিচার প্রতিষ্ঠান — International Court of Justice (ICJ)।
➤ লীগের শেষ কার্যক্রম সমাপ্তি — ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬।
➤ লীগ ব্যর্থ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে।
➤ লীগের প্রথম মহাসচিব — স্যার এরিক ড্রামন্ড।
➤ ১৯৩৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন লীগে যোগ দেয়; ১৯৩৯ সালে বহিষ্কৃত হয়।
➤ লীগ ও জাতিসংঘ এক সংস্থা নয়; জাতিসংঘ লীগের আনুষ্ঠানিক উত্তরসূরি রাজনৈতিক উদ্যোগ।
➤ লীগের সনদের নাম — Covenant of the League of Nations।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. ১৯২০ সালে।
Advertisement
03
🎯 Level 1

61. স্থায়ী আন্তর্জাতিক বিচারালয় কোন সংস্থার অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? (চবি: ১৬–১৭)

ক

লীগ অব নেশনস

খ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন

গ

বিশ্বব্যাংক

ঘ

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:ক. লীগ অব নেশনস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: লীগ অব নেশনস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Permanent Court of International Justice বা PCIJ-র পরিকল্পনা লীগ সনদের ১৪ অনুচ্ছেদে ছিল; আদালত ১৯২২ সালে কাজ শুরু করে।
❖ লীগ অব নেশনস প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, যুদ্ধ রোধ, নিরস্ত্রীকরণ ও বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ লীগের সনদ (Covenant) ছিল ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তির অংশ; সনদ কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
❖ লীগের রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল জেনেভা। প্রধান কাঠামোতে Assembly, Council ও Secretariat ছিল; স্থায়ী আন্তর্জাতিক বিচার আদালত তার সহযোগী বিচারব্যবস্থা হিসেবে কাজ করত।
❖ লীগ পরিষদের শুরুতে স্থায়ী সদস্য ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান। পরে সদস্যপদ ও পরিষদ-কাঠামো পরিবর্তিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র কখনো সদস্যপদ গ্রহণ করেনি।
❖ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা গণনায় পার্থক্য আছে: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ কার্যকারিতা লাভের মুহূর্তে ২৩টি দেশ ছিল বলে সমসাময়িক আইন-গবেষণায় পাওয়া যায়; ১৫ নভেম্বর প্রথম অধিবেশনের সময় ৪২টি সদস্য ছিল। পরীক্ষায় প্রচলিত সংখ্যা ৪২।
❖ জাপানের মাঞ্চুরিয়া দখল ও ইতালির ইথিওপিয়া আক্রমণের মতো সংকটে লীগের নিষেধাজ্ঞা এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা অকার্যকর প্রমাণিত হয়।
❖ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে ব্যর্থ হলেও আন্তর্জাতিক শ্রম, স্বাস্থ্য, শরণার্থী এবং মাদক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে লীগের কাজ পরবর্তীকালের জাতিসংঘ ব্যবস্থা গঠনে ভিত্তি রাখে।
❖ লীগের বিলুপ্তির কার্যকর তারিখ ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬; সেসময় তার অনেক কাজ ও সম্পদ নবগঠিত জাতিসংঘে স্থানান্তর হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — লীগ অব নেশনস।
➤ লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠা — ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
➤ লীগের সদর দপ্তর — জেনেভা।
➤ প্রধান উদ্যোগী — উড্রো উইলসন।
➤ লীগের প্রথম সাধারণ পরিষদ বসে — ১৫ নভেম্বর ১৯২০।
➤ প্রথম সাধারণ পরিষদের সময় সদস্য — ৪২টি রাষ্ট্র।
➤ ১৯২০ সালের শুরুতে সদস্যসংখ্যা ও পরের গণনা আলাদা।
➤ লীগ পরিষদের মূল স্থায়ী সদস্য — ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান।
➤ যুক্তরাষ্ট্র লীগে যোগ দেয়নি।
➤ Permanent Court of International Justice (PCIJ) কার্যক্রম শুরু — ১৯২২।
➤ PCIJ-র উত্তরসূরি বিচার প্রতিষ্ঠান — International Court of Justice (ICJ)।
➤ লীগের শেষ কার্যক্রম সমাপ্তি — ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬।
➤ লীগ ব্যর্থ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে।
➤ লীগের প্রথম মহাসচিব — স্যার এরিক ড্রামন্ড।
➤ ১৯৩৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন লীগে যোগ দেয়; ১৯৩৯ সালে বহিষ্কৃত হয়।
➤ লীগ ও জাতিসংঘ এক সংস্থা নয়; জাতিসংঘ লীগের আনুষ্ঠানিক উত্তরসূরি রাজনৈতিক উদ্যোগ।
➤ লীগের সনদের নাম — Covenant of the League of Nations।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. লীগ অব নেশনস।
04
🎯 Level 1

01. UNO বলতে কী বোঝায়? (গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৭)

ক

University of New Orleans

খ

Union of New Organisation

গ

United Nations Organisation

ঘ

Universal Network Organisation

✅ সঠিক উত্তর:গ. United Nations Organisation

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: United Nations Organisation।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় UNO-র প্রচলিত সম্প্রসারণ United Nations Organisation; সংস্থার প্রামাণ্য ইংরেজি নাম United Nations (UN)।
❖ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯–১৯৪৫) চলাকালে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য নতুন, অধিক কার্যকর ও বিশ্বব্যাপী সংগঠন তৈরির উদ্যোগ গতি পায়।
❖ ১২ জুন ১৯৪১ সালে লন্ডনের সেন্ট জেমস প্যালেসে মিত্রদেশগুলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ঘোষণা দেয়। এর পরে ১৪ আগস্ট ১৯৪১ আটলান্টিক সনদ এবং ১ জানুয়ারি ১৯৪২ Declaration by United Nations প্রকাশিত হয়।
❖ ১৪ আগস্ট ১৯৪১ আটলান্টিক সনদে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আত্মনিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার নীতিগুলো উত্থাপিত হয়।
❖ “United Nations” নামটি ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট প্রস্তাব করেন; ১৯৪২ সালের ঘোষণায় ২৬টি দেশ অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে একযোগে সংগ্রামের প্রতিশ্রুতি দেয়।
❖ ১৯৪৩ সালে মস্কো ঘোষণা এবং ১৯৪৪ সালের ডাম্বারটন ওকস আলোচনা ভবিষ্যৎ সংগঠনের প্রতিষ্ঠানগত কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
❖ ১৯৪৫ সালের ইয়াল্টা সম্মেলন ও সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠনতন্ত্রের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়।
❖ জাতিসংঘের নাম ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যায় ‘উদ্যোক্তা’, ‘নামকরণকারী’, ‘প্রথম ঘোষণা’ ও ‘সনদ রচনাকারী’ পদগুলো একই অর্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ United Nations (UN) হলো সংস্থার আনুষ্ঠানিক ইংরেজি নাম। UNO বা United Nations Organisation প্রচলিত পাঠ্যবইয়ের রূপ, প্রামাণ্য নাম নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — United Nations Organisation।
➤ সেন্ট জেমস প্যালেস ঘোষণা — ১২ জুন ১৯৪১।
➤ আটলান্টিক সনদ — ১৪ আগস্ট ১৯৪১।
➤ Declaration by United Nations — ১ জানুয়ারি ১৯৪২।
➤ জাতিসংঘ নাম প্রস্তাব করেন — ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
➤ ১৯৪২ সালের ঘোষণায় অংশগ্রহণকারী — ২৬টি দেশ।
➤ মস্কো ঘোষণা — ১৯৪৩।
➤ ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন — ১৯৪৪।
➤ ইয়াল্টা সম্মেলন — ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫।
➤ সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন — ২৫ এপ্রিল–২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ সনদে স্বাক্ষর — ২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা/সনদ কার্যকর — ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য — ৫১টি।
➤ জাতিসংঘ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. United Nations Organisation।
05
🎯 Level 1

05. ‘প্রিন্সেস অব ওয়েলস’ কী? (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১১)

ক

ব্রিটিশ নৌ তরী

খ

চুক্তি

গ

ব্রিটেনের রানি

ঘ

রাজকীয় প্রাসাদ

✅ সঠিক উত্তর:ক. ব্রিটিশ নৌ তরী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ব্রিটিশ নৌ তরী।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আটলান্টিক সনদের ইতিহাসে HMS Prince of Wales একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ; ১৯৪১ সালে রুজভেল্ট–চার্চিলের নৌ বৈঠকের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত।
❖ আটলান্টিক সনদ ১৪ আগস্ট ১৯৪১ প্রকাশিত একটি ব্রিটিশ–মার্কিন যৌথ নীতিঘোষণা; এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আটটি নীতি তুলে ধরা হয়।
❖ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলের কাছে নৌবৈঠকে মিলিত হন।
❖ ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ HMS Prince of Wales-এ চার্চিল ও প্রতিনিধিরা ছিলেন এবং মার্কিন পক্ষের বৈঠক USS Augusta-র সঙ্গেও সম্পর্কিত।
❖ ঘোষণায় ভূখণ্ডগত দখলদারিত্বের বিরোধিতা, জনগণের ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা, বাণিজ্য ও সমুদ্র চলাচলের সহযোগিতা এবং আগ্রাসনমুক্ত নিরাপত্তা সম্পর্কে অঙ্গীকার ছিল।
❖ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ করেনি; পার্ল হারবার আক্রমণের পরে ডিসেম্বর ১৯৪১-এ যুদ্ধে প্রবেশ করে।
❖ আটলান্টিক সনদ সরাসরি জাতিসংঘ সনদ নয়; এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছিল।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ব্রিটিশ নৌ তরী।
➤ আটলান্টিক সনদ — ১৪ আগস্ট ১৯৪১।
➤ প্রধান দুই নেতা — রুজভেল্ট ও চার্চিল।
➤ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
➤ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী — উইনস্টন চার্চিল।
➤ সম্মেলনস্থল — উত্তর আটলান্টিকে নিউফাউন্ডল্যান্ডের কাছে।
➤ HMS Prince of Wales — ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ।
➤ USS Augusta — মার্কিন যুদ্ধজাহাজ।
➤ আটলান্টিক সনদের নীতি — আটটি।
➤ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ করে — ডিসেম্বর ১৯৪১।
➤ আটলান্টিক সনদ ছিল নীতিঘোষণা; আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি নয়।
➤ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আদর্শিক ভিত্তি — আটলান্টিক সনদসহ মিত্রশক্তির ঘোষণাগুলো।
➤ আটলান্টিক সনদ ও জাতিসংঘ সনদের মধ্যে চার বছর ব্যবধান।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. ব্রিটিশ নৌ তরী।
Advertisement
06
🎯 Level 1

10. জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা কে? (সড়ক অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ০৩ / পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ২৫)

ক

আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ

খ

প্যাট্রিসিয়া ডুরাই

গ

হ্যারিসন

ঘ

অ্যালেন গিন্সবার্গ

✅ সঠিক উত্তর:ক. আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জাতিসংঘ সনদ বহু দেশের প্রতিনিধিদের যৌথ আলোচনায় রচিত আন্তর্জাতিক দলিল; কেবল একজন ব্যক্তিকে এর একক রচয়িতা বলা ঐতিহাসিকভাবে যথার্থ নয়। আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ খসড়া ভাষা ও প্রস্তাবনায় অবদান রাখেন।
❖ জাতিসংঘ সনদ হলো সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকালীন বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি; এতে সংস্থার উদ্দেশ্য, মূলনীতি, সদস্যপদ ও প্রধান অঙ্গগুলোর ক্ষমতা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
❖ সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন চলে ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন ১৯৪৫; মূল দলিল ২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।
❖ পোল্যান্ড সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না; ১৫ অক্টোবর ১৯৪৫ সনদে স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রের সংখ্যা হয় ৫১টি।
❖ সনদের কার্যকারিতা শুরু ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রগুলোর অনুসমর্থনের পর। এ দিনটিই জাতিসংঘ দিবস।
❖ সনদের ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সংবিধি (Statute of the ICJ) যুক্ত।
❖ চার্টারের মূল প্রামাণ্য পাঠের ভাষা ১৯৪৫ সালে পাঁচটি ছিল—চীনা, ফরাসি, রুশ, ইংরেজি ও স্প্যানিশ; আরবি পরবর্তীতে জাতিসংঘের ষষ্ঠ দাপ্তরিক ভাষা হয়েছে।
❖ জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, কিন্তু প্রতিষ্ঠাকালীন সনদ স্বাক্ষরের শহর সান ফ্রান্সিসকো—এই দুটো আলাদা।
✧ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ জাতিসংঘ সনদ একজন ব্যক্তির একক রচনা নয়; বহু দেশের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে প্রণয়ন করেন। আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশের অবদান উল্লেখযোগ্য হলেও তাঁকে একমাত্র সনদ-রচয়িতা বলা সঠিক নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ।
➤ সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন — ২৫ এপ্রিল–২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর — ২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ সেদিন সনদে স্বাক্ষর — ৫০টি দেশ।
➤ পোল্যান্ডের স্বাক্ষর — ১৫ অক্টোবর ১৯৪৫।
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য — ৫১টি।
➤ সনদ কার্যকর — ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
➤ জাতিসংঘ দিবস — ২৪ অক্টোবর।
➤ সনদের অধ্যায় — ১৯টি।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ — ১১১টি।
➤ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সংবিধি সনদের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
➤ জাতিসংঘের সদর দপ্তর — নিউইয়র্ক।
➤ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আসন — দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।
➤ জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গ আছে।
➤ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব — ট্রিগভে লি (Trygve Lie)।
➤ সনদে সব দেশের সমান সার্বভৌম মর্যাদা স্বীকৃত।
➤ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রের সংখ্যা আর বর্তমান সদস্যের সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবেন না।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ।
07
🎯 Level 1

12. ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনের দিন জাতিসংঘ সনদ কতটি দেশ স্বাক্ষর করেছিল? (ইসলামী ব্যাংকের অফিসার: ২১)

ক

২৫

খ

৫০

গ

৬০

ঘ

৭৫

✅ সঠিক উত্তর:খ. ৫০

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ৫০।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ২৬ জুন সনদে ৫০টি দেশ স্বাক্ষর করে; পোল্যান্ড পরে ১৫ অক্টোবর স্বাক্ষর করে মোট মূল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয় ৫১টি।
❖ জাতিসংঘ সনদ হলো সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকালীন বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি; এতে সংস্থার উদ্দেশ্য, মূলনীতি, সদস্যপদ ও প্রধান অঙ্গগুলোর ক্ষমতা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
❖ সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন চলে ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন ১৯৪৫; মূল দলিল ২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।
❖ পোল্যান্ড সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না; ১৫ অক্টোবর ১৯৪৫ সনদে স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রের সংখ্যা হয় ৫১টি।
❖ সনদের কার্যকারিতা শুরু ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রগুলোর অনুসমর্থনের পর। এ দিনটিই জাতিসংঘ দিবস।
❖ সনদের ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সংবিধি (Statute of the ICJ) যুক্ত।
❖ চার্টারের মূল প্রামাণ্য পাঠের ভাষা ১৯৪৫ সালে পাঁচটি ছিল—চীনা, ফরাসি, রুশ, ইংরেজি ও স্প্যানিশ; আরবি পরবর্তীতে জাতিসংঘের ষষ্ঠ দাপ্তরিক ভাষা হয়েছে।
❖ জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, কিন্তু প্রতিষ্ঠাকালীন সনদ স্বাক্ষরের শহর সান ফ্রান্সিসকো—এই দুটো আলাদা।
✧ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরকারী দেশ ৫০টি; মোট মূল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫১টি—পোল্যান্ড পরে স্বাক্ষর করে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — ৫০।
➤ সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন — ২৫ এপ্রিল–২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর — ২৬ জুন ১৯৪৫।
➤ সেদিন সনদে স্বাক্ষর — ৫০টি দেশ।
➤ পোল্যান্ডের স্বাক্ষর — ১৫ অক্টোবর ১৯৪৫।
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য — ৫১টি।
➤ সনদ কার্যকর — ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
➤ জাতিসংঘ দিবস — ২৪ অক্টোবর।
➤ সনদের অধ্যায় — ১৯টি।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ — ১১১টি।
➤ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সংবিধি সনদের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
➤ জাতিসংঘের সদর দপ্তর — নিউইয়র্ক।
➤ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আসন — দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।
➤ জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গ আছে।
➤ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব — ট্রিগভে লি (Trygve Lie)।
➤ সনদে সব দেশের সমান সার্বভৌম মর্যাদা স্বীকৃত।
➤ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রের সংখ্যা আর বর্তমান সদস্যের সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবেন না।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ৫০।
08
🎯 Level 1

18. জাতিসংঘের মূলমন্ত্র হলো— / জাতিসংঘের মোটো কী? (খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারী খাদ্য পরিদর্শক: ২১)

ক

এ পৃথিবী আপনার

খ

সকলের জন্য জীবন

গ

শান্তি

ঘ

সমান অধিকার

✅ সঠিক উত্তর:ক. এ পৃথিবী আপনার

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: এ পৃথিবী আপনার।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘It’s Your World’ জাতিসংঘের প্রচারমূলক স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত; জাতিসংঘ সনদে এটিকে বাধ্যতামূলক বা আনুষ্ঠানিক মূলমন্ত্র হিসেবে নির্ধারিত করা হয়নি।
❖ জাতিসংঘ সনদের প্রথম অনুচ্ছেদে চারটি মৌলিক উদ্দেশ্য আছে: শান্তি-নিরাপত্তা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের কেন্দ্র হিসেবে কাজ।
❖ সনদের প্রস্তাবনায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে রক্ষার সংকল্প প্রকাশ করা হয়েছে; একই সঙ্গে মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসনের অঙ্গীকার রয়েছে।
❖ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের; সাধারণ পরিষদ আলোচনামূলক সুপারিশ ও বাজেটসংক্রান্ত ভূমিকা পালন করে।
❖ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা এবং ২(৩) অনুচ্ছেদে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির নীতি আছে।
❖ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন, মধ্যস্থতা, মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়ন কর্মসূচি জাতিসংঘের কাজের উদাহরণ, তবে সব কাজ সমানভাবে বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চলে না।
❖ সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের সমতা জাতিসংঘের একটি নীতি; এটি কোনো একক বিশ্বসরকার বা সব রাষ্ট্রের ওপর অভিন্ন সরকার প্রতিষ্ঠার প্রকল্প নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ ‘এ পৃথিবী আপনার’/It’s Your World একটি প্রচারমূলক স্লোগান; জাতিসংঘ সনদে কোনো আনুষ্ঠানিক মোটো নির্দিষ্ট নেই।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — এ পৃথিবী আপনার।
➤ জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ১ — চারটি উদ্দেশ্য।
➤ উদ্দেশ্য ১ — আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা।
➤ উদ্দেশ্য ২ — জাতিসমূহের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন।
➤ উদ্দেশ্য ৩ — আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সহযোগিতা।
➤ উদ্দেশ্য ৪ — রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের কেন্দ্র হওয়া।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ ২(৪) — বলপ্রয়োগের হুমকি বা ব্যবহার নিষিদ্ধ।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ ২(৩) — বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি।
➤ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্ব — শান্তি ও নিরাপত্তা।
➤ UN Peacekeeping — সংঘাতপরবর্তী শান্তি ও বেসামরিক সুরক্ষায় কাজ করে।
➤ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা — ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮।
➤ জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) — ১৭টি।
➤ SDGs-এর লক্ষ্যবছর — ২০৩০।
➤ জাতিসংঘ বিশ্বসরকার নয়।
➤ জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ — International Court of Justice।
➤ জাতিসংঘের বিশ্বজনীন সদস্যপদ ≠ বিশ্বসরকার।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. এ পৃথিবী আপনার।
Advertisement
09
🎯 Level 1

20. জাতিসংঘ কোন প্রধান উদ্দেশ্যে স্থাপিত হয়? (সিভিডিফেন্স কার্যালয়ের অধীক্ষক: ১৮)

ক

বিশ্ব খেলাধুলার ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য

খ

বিশ্বব্যাপী সরকার গঠনের জন্য

গ

যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য

ঘ

আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্য

✅ সঠিক উত্তর:গ. যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জাতিসংঘ সনদের প্রস্তাবনায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে রক্ষার সংকল্প প্রকাশ করা হয়েছে; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা এর পটভূমি।
❖ জাতিসংঘ সনদের প্রথম অনুচ্ছেদে চারটি মৌলিক উদ্দেশ্য আছে: শান্তি-নিরাপত্তা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের কেন্দ্র হিসেবে কাজ।
❖ সনদের প্রস্তাবনায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে রক্ষার সংকল্প প্রকাশ করা হয়েছে; একই সঙ্গে মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসনের অঙ্গীকার রয়েছে।
❖ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের; সাধারণ পরিষদ আলোচনামূলক সুপারিশ ও বাজেটসংক্রান্ত ভূমিকা পালন করে।
❖ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা এবং ২(৩) অনুচ্ছেদে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির নীতি আছে।
❖ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন, মধ্যস্থতা, মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়ন কর্মসূচি জাতিসংঘের কাজের উদাহরণ, তবে সব কাজ সমানভাবে বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চলে না।
❖ সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের সমতা জাতিসংঘের একটি নীতি; এটি কোনো একক বিশ্বসরকার বা সব রাষ্ট্রের ওপর অভিন্ন সরকার প্রতিষ্ঠার প্রকল্প নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য।
➤ জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ১ — চারটি উদ্দেশ্য।
➤ উদ্দেশ্য ১ — আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা।
➤ উদ্দেশ্য ২ — জাতিসমূহের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন।
➤ উদ্দেশ্য ৩ — আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সহযোগিতা।
➤ উদ্দেশ্য ৪ — রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের কেন্দ্র হওয়া।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ ২(৪) — বলপ্রয়োগের হুমকি বা ব্যবহার নিষিদ্ধ।
➤ সনদের অনুচ্ছেদ ২(৩) — বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি।
➤ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্ব — শান্তি ও নিরাপত্তা।
➤ UN Peacekeeping — সংঘাতপরবর্তী শান্তি ও বেসামরিক সুরক্ষায় কাজ করে।
➤ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা — ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮।
➤ জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) — ১৭টি।
➤ SDGs-এর লক্ষ্যবছর — ২০৩০।
➤ জাতিসংঘ বিশ্বসরকার নয়।
➤ জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ — International Court of Justice।
➤ জাতিসংঘের বিশ্বজনীন সদস্যপদ ≠ বিশ্বসরকার।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য।
10
🎯 Level 1

22. জাতিসংঘের পতাকার রং— (বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব কর্মকর্তা: ১৫ / পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডেপুটি রাইটার: ২২)

ক

সাদা

খ

হালকা বেগুনি

গ

হালকা নীল

ঘ

হালকা সবুজ

✅ সঠিক উত্তর:গ. হালকা নীল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: হালকা নীল।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জাতিসংঘের পতাকার পটভূমি হালকা নীল; এর ওপর বিশ্বমানচিত্র ও জলপাই শাখার সাদা প্রতীক অঙ্কিত।
❖ জাতিসংঘের প্রতীক কেন্দ্রীভূত পৃথিবীর মানচিত্রকে দুটি জলপাই শাখায় ঘিরে দেখায়; এটি শান্তি, সহযোগিতা ও বিশ্বব্যাপী দায়িত্বের প্রতীক।
❖ বিশ্বমানচিত্রে উত্তর মেরুকেন্দ্রিক আজিমুথাল ইকুইডিস্ট্যান্ট অভিক্ষেপ ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে পৃথিবীর অঞ্চলসমূহকে একটি বৈশ্বিক দৃশ্যে প্রকাশ করা যায়।
❖ জাতিসংঘের মূল প্রতীক সাধারণ পরিষদ ৭ ডিসেম্বর ১৯৪৬ অনুমোদন করে (প্রস্তাব ৯২(I)); পতাকা অনুমোদিত হয় ২০ অক্টোবর ১৯৪৭ (প্রস্তাব ১৬৭(II))।
❖ পতাকায় হালকা নীল পটভূমির ওপর সাদা প্রতীক থাকে। নীল সাধারণভাবে শান্তির রঙ হিসেবে ব্যবহৃত; কোনো সদস্যরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকার অনুকরণ নয়।
❖ জলপাই শাখা প্রাচীন গ্রিক ও ভূমধ্যসাগরীয় ঐতিহ্যে শান্তির প্রতীক। জাতিসংঘে এটি সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংঘাত নিরসনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
❖ জাতিসংঘের প্রতীক ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আছে; অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান এর প্রতীককে নিজের অনুমোদনচিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর — হালকা নীল।
➤ জাতিসংঘ পতাকার রং — হালকা নীল ও সাদা।
➤ জাতিসংঘের প্রতীকে — বিশ্বমানচিত্র ও দুটি জলপাই শাখা।
➤ জলপাই শাখা — শান্তির প্রতীক।
➤ বিশ্বমানচিত্র — বিশ্বব্যাপী দায়িত্বের নির্দেশক।
➤ জাতিসংঘের প্রতীক অনুমোদন — ৭ ডিসেম্বর ১৯৪৬।
➤ জাতিসংঘের পতাকা অনুমোদন — ২০ অক্টোবর ১৯৪৭।
➤ প্রতীকের অনুমোদন প্রস্তাব — ৯২(I)।
➤ পতাকার অনুমোদন প্রস্তাব — ১৬৭(II)।
➤ মানচিত্রের অভিক্ষেপ — উত্তর মেরুকেন্দ্রিক Azimuthal Equidistant।
➤ সাদা চিহ্নের পটভূমি — হালকা নীল।
➤ UN Blue শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিচায়ক।
➤ আন্তর্জাতিক রেডক্রসের প্রতীক — সাদা পটে লাল ক্রস; জাতিসংঘ পতাকার থেকে ভিন্ন।
➤ জলপাই শাখার প্রতীকী অর্থ শান্তি ও ঐক্য।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. হালকা নীল।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন