🧠 🔖
👑 Premium Topic

আঞ্চলিক জোট ও সংস্থা- কমনওয়েলথ, European Union, OIC, আরবলীগ, SAARC, ASEAN, CIRDAP,AU,GCC,I2U2

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক›আঞ্চলিক জোট ও সংস্থা- কমনওয়েলথ, European Union, OIC, আরবলীগ, SAARC, ASEAN, CIRDAP,AU,GCC,I2U2

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚143মোট প্রশ্ন
🎯7মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

"2. কমনওয়েলথের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়— (পূর্ত উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ১৯)"

ক

সংখ্যাগরিষ্ঠের মাধ্যমে

খ

সদস্যের মাধ্যমে

গ

ভোটের মাধ্যমে

ঘ

সর্বসম্মতিক্রমে

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সর্বসম্মতিক্রমে

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সর্বসম্মতিক্রমে
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আধুনিক Commonwealth of Nations একটি স্বেচ্ছামূলক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা। ১৯৪৯ সালের লন্ডন ঘোষণায় আধুনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়। সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বহু দেশ সাবেক ব্রিটিশ শাসনের অন্তর্গত ছিল, তবে সকল দেশ নয়।
❖ বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য ৫৬টি রাষ্ট্র। সংস্থার প্রতীকী প্রধান হলেন রাজা তৃতীয় চার্লস, কিন্তু প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ শাসন স্বাধীন। কমনওয়েলথ সচিবালয় লন্ডনের Marlborough House-এ অবস্থিত।
❖ কমনওয়েলথের সিদ্ধান্ত প্রথাগতভাবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত হয়। শিক্ষা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের সমস্যা, পরিবেশ ও বাণিজ্য সহযোগিতা এর কাজের অংশ।
❖ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম কানাডা, জনসংখ্যায় বৃহত্তম ভারত। নাউরু আয়তনে সর্বক্ষুদ্র; ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর তুলনা করলে টুভালু ও নাউরুর জনসংখ্যার হালনাগাদ হিসাব ব্যবহার করা উচিত।
❖ পূর্বতন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ছাড়াও মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগোর মতো রাষ্ট্র সদস্যপদ পেয়েছে। তাই কমনওয়েলথকে শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশের সাবেক দেশগুলোর একক সমষ্টি বলা অযথার্থ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Commonwealth — স্বাধীন ও সমান রাষ্ট্রের স্বেচ্ছামূলক জোট
➤ আধুনিক ভিত্তি — London Declaration (১৯৪৯)
➤ বর্তমান সদস্যসংখ্যা — ৫৬
➤ প্রতীকী প্রধান — রাজা তৃতীয় চার্লস
➤ Head of the Commonwealth — মূলত প্রতীকী পদ
➤ সচিবালয়ের শহর — লন্ডন
➤ সচিবালয় ভবন — Marlborough House
➤ সিদ্ধান্ত গ্রহণ — ঐকমত্যে
➤ আয়তনে বৃহত্তম সদস্য — কানাডা
➤ জনসংখ্যায় বৃহত্তম সদস্য — ভারত
➤ আয়তনে ক্ষুদ্রতম সদস্য — নাউরু
➤ ব্রিটিশ উপনিবেশ না থাকা সদস্য — মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন, টোগো
➤ জিম্বাবুয়ে ত্যাগ করে — ২০০৩
➤ মিয়ানমার — কমনওয়েলথ সদস্য নয়
➤ কমনওয়েলথ সচিবালয়ের প্রধান — Secretary-General
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. সর্বসম্মতিক্রমে"
02
🎯 Level 1

8. জনসংখ্যায় কমনওয়েলথের বৃহত্তম দেশ কোনটি? (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পিটিআই ইন্সট্রাক্টর: ১৯)

ক

কেনিয়া

খ

ভারত

গ

রাশিয়া

ঘ

চীন

✅ সঠিক উত্তর:খ. ভারত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ভারত
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আধুনিক Commonwealth of Nations একটি স্বেচ্ছামূলক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা। ১৯৪৯ সালের লন্ডন ঘোষণায় আধুনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়। সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বহু দেশ সাবেক ব্রিটিশ শাসনের অন্তর্গত ছিল, তবে সকল দেশ নয়।
❖ বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য ৫৬টি রাষ্ট্র। সংস্থার প্রতীকী প্রধান হলেন রাজা তৃতীয় চার্লস, কিন্তু প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ শাসন স্বাধীন। কমনওয়েলথ সচিবালয় লন্ডনের Marlborough House-এ অবস্থিত।
❖ কমনওয়েলথের সিদ্ধান্ত প্রথাগতভাবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত হয়। শিক্ষা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের সমস্যা, পরিবেশ ও বাণিজ্য সহযোগিতা এর কাজের অংশ।
❖ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম কানাডা, জনসংখ্যায় বৃহত্তম ভারত। নাউরু আয়তনে সর্বক্ষুদ্র; ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর তুলনা করলে টুভালু ও নাউরুর জনসংখ্যার হালনাগাদ হিসাব ব্যবহার করা উচিত।
❖ পূর্বতন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ছাড়াও মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগোর মতো রাষ্ট্র সদস্যপদ পেয়েছে। তাই কমনওয়েলথকে শুধু ব্রিটিশ উপনিবেশের সাবেক দেশগুলোর একক সমষ্টি বলা অযথার্থ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Commonwealth — স্বাধীন ও সমান রাষ্ট্রের স্বেচ্ছামূলক জোট
➤ আধুনিক ভিত্তি — London Declaration (১৯৪৯)
➤ বর্তমান সদস্যসংখ্যা — ৫৬
➤ প্রতীকী প্রধান — রাজা তৃতীয় চার্লস
➤ Head of the Commonwealth — মূলত প্রতীকী পদ
➤ সচিবালয়ের শহর — লন্ডন
➤ সচিবালয় ভবন — Marlborough House
➤ সিদ্ধান্ত গ্রহণ — ঐকমত্যে
➤ আয়তনে বৃহত্তম সদস্য — কানাডা
➤ জনসংখ্যায় বৃহত্তম সদস্য — ভারত
➤ আয়তনে ক্ষুদ্রতম সদস্য — নাউরু
➤ ব্রিটিশ উপনিবেশ না থাকা সদস্য — মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন, টোগো
➤ জিম্বাবুয়ে ত্যাগ করে — ২০০৩
➤ মিয়ানমার — কমনওয়েলথ সদস্য নয়
➤ কমনওয়েলথ সচিবালয়ের প্রধান — Secretary-General
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ভারত
Advertisement
03
🎯 Level 1

14. কত সালে রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? / কত তারিখে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (ইইসি) সৃষ্টি হয়? (রাবি: ০৩-০৪ / বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের অফিসার: ১১ / বাংলাদেশ বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিস অ্যাসিস্ট্যান্ট: ২৪)

ক

১৫ মার্চ, ১৯৪৯

খ

২৫ মার্চ, ১৯৫৭

গ

২৫ জুলাই, ১৯৫৯

ঘ

২০ আগস্ট, ১৯৫০

✅ সঠিক উত্তর:খ. ২৫ মার্চ, ১৯৫৭

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ২৫ মার্চ, ১৯৫৭
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐতিহাসিক গোড়াপত্তনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি বা EEC গড়ে তোলে।
❖ রোম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ছয় রাষ্ট্র ছিল ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ। যুক্তরাজ্য এই ছয় প্রতিষ্ঠাতার একটি নয়। চুক্তিটি ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
❖ মাসট্রিখট চুক্তি নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখট শহরে ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ স্বাক্ষরিত হয়; কার্যকর হয় ১ নভেম্বর ১৯৯৩। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। ইউরো মুদ্রার প্রবর্তন ও অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক একীকরণের কাঠামো এতে গুরুত্ব পায়।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউরোজোন, শেনজেন এলাকা এবং NATO—চারটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান/ব্যবস্থা; কোনো একটি রাষ্ট্র একটির সদস্য হলেও অন্যটির সদস্য নাও হতে পারে। EU-এর সদস্য বর্তমানে ২৭টি, যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের পরে সদস্য নয়।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকায় ১২টি তারকা সদস্যদেশের সংখ্যা নির্দেশ করে না; এটি ঐক্যের প্রতীক। EU সম্প্রসারণে প্রার্থী রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ যোগদানের নিশ্চয়তা এক বিষয় নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ইইসি — European Economic Community
➤ রোম চুক্তি স্বাক্ষর — ২৫ মার্চ ১৯৫৭
➤ রোম চুক্তি কার্যকর — ১ জানুয়ারি ১৯৫৮
➤ EEC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য — ৬টি দেশ
➤ ছয় প্রতিষ্ঠাতা — বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস
➤ মাসট্রিখট — নেদারল্যান্ডসের শহর
➤ মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষর — ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
➤ মাসট্রিখট চুক্তি কার্যকর — ১ নভেম্বর ১৯৯৩
➤ ইউরোপীয় ইউনিয়ন নাম শুরু — ১৯৯৩
➤ EU-এর পূর্ণরূপ — European Union
➤ বর্তমান সদস্য — ২৭
➤ EU পতাকায় তারকা — ১২
➤ ব্রেক্সিট গণভোট — ২৩ জুন ২০১৬
➤ ব্রেক্সিট কার্যকর — ৩১ জানুয়ারি ২০২০
➤ যুক্তরাজ্য — EEC-এর ১৯৫৭ সালের প্রতিষ্ঠাতা নয়
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ২৫ মার্চ, ১৯৫৭
04
🎯 Level 1

24. কোন রাষ্ট্র ন্যাটোর সদস্য কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়? (আবাসন পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৬)

ক

জার্মানি

খ

যুক্তরাষ্ট্র

গ

যুক্তরাজ্য

ঘ

খ ও গ উভয়ই

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. খ ও গ উভয়ই

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: খ ও গ উভয়ই
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐতিহাসিক গোড়াপত্তনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি বা EEC গড়ে তোলে।
❖ রোম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ছয় রাষ্ট্র ছিল ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ। যুক্তরাজ্য এই ছয় প্রতিষ্ঠাতার একটি নয়। চুক্তিটি ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
❖ মাসট্রিখট চুক্তি নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখট শহরে ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ স্বাক্ষরিত হয়; কার্যকর হয় ১ নভেম্বর ১৯৯৩। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। ইউরো মুদ্রার প্রবর্তন ও অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক একীকরণের কাঠামো এতে গুরুত্ব পায়।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউরোজোন, শেনজেন এলাকা এবং NATO—চারটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান/ব্যবস্থা; কোনো একটি রাষ্ট্র একটির সদস্য হলেও অন্যটির সদস্য নাও হতে পারে। EU-এর সদস্য বর্তমানে ২৭টি, যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের পরে সদস্য নয়।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকায় ১২টি তারকা সদস্যদেশের সংখ্যা নির্দেশ করে না; এটি ঐক্যের প্রতীক। EU সম্প্রসারণে প্রার্থী রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ যোগদানের নিশ্চয়তা এক বিষয় নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ইইসি — European Economic Community
➤ রোম চুক্তি স্বাক্ষর — ২৫ মার্চ ১৯৫৭
➤ রোম চুক্তি কার্যকর — ১ জানুয়ারি ১৯৫৮
➤ EEC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য — ৬টি দেশ
➤ ছয় প্রতিষ্ঠাতা — বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস
➤ মাসট্রিখট — নেদারল্যান্ডসের শহর
➤ মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষর — ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
➤ মাসট্রিখট চুক্তি কার্যকর — ১ নভেম্বর ১৯৯৩
➤ ইউরোপীয় ইউনিয়ন নাম শুরু — ১৯৯৩
➤ EU-এর পূর্ণরূপ — European Union
➤ বর্তমান সদস্য — ২৭
➤ EU পতাকায় তারকা — ১২
➤ ব্রেক্সিট গণভোট — ২৩ জুন ২০১৬
➤ ব্রেক্সিট কার্যকর — ৩১ জানুয়ারি ২০২০
➤ যুক্তরাজ্য — EEC-এর ১৯৫৭ সালের প্রতিষ্ঠাতা নয়
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. খ ও গ উভয়ই
05
🎯 Level 1

30. ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কোথায় অবস্থিত? / ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদর দপ্তর কোথায়? / ইউরোপীয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস কোথায় অবস্থিত? (চবি: ১৩-১৪ / মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রবেশনারী অফিসার: ১৫ / বেবিচকের নিরাপত্তা অপারেটর: ২১ / কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের কম্পিউটার অপারেটর: ২১)

ক

স্ট্রাসবার্গ, ফ্রান্স

খ

হামবুর্গ, জার্মানি

গ

লিওঁ, ফ্রান্স

ঘ

রোম, ইতালি

✅ সঠিক উত্তর:ক. স্ট্রাসবার্গ, ফ্রান্স

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: স্ট্রাসবার্গ, ফ্রান্স
✧ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনী:
❖ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন স্ট্রাসবার্গে; অধিকাংশ কমিটি/অতিরিক্ত বৈঠক ব্রাসেলসে, সচিবালয় লুক্সেমবার্গে। ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত EU প্রতিষ্ঠান নয়; এটি Council of Europe-এর অধীন।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত ও EU Court of Justice পৃথক আদালত।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union বা EU) একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক জোট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে শান্তি, অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরতা ও অভিন্ন বাজার তৈরির উদ্যোগ থেকে এর বিকাশ। বর্তমানে এর সদস্য ২৭টি রাষ্ট্র।
❖ ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC) গড়ে ওঠে ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির ভিত্তিতে; চুক্তি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ১৯৫৮। মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ এবং কার্যকর হয় ১ নভেম্বর ১৯৯৩—ইউরোপীয় ইউনিয়ন এভাবেই নতুন রূপ পায়।
❖ ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান কার্যস্থল ব্রাসেলস, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফ্রাঙ্কফুর্টে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচার আদালত ও অডিটরস লুক্সেমবার্গে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট স্ট্রাসবার্গ, ব্রাসেলস ও লুক্সেমবার্গে বিভিন্ন কাজ করে।
❖ ১৯৮৫ সালের শেনজেন চুক্তির প্রধান লক্ষ্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ সীমান্তে নিয়মিত ব্যক্তিগত সীমান্তপরীক্ষা প্রত্যাহার; এর সদস্যপদ EU সদস্যপদের সমান নয়। ব্রেক্সিট গণভোট ২৩ জুন ২০১৬ এবং যুক্তরাজ্যের আনুষ্ঠানিক প্রস্থান ৩১ জানুয়ারি ২০২০।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকায় নীল পটভূমিতে ১২টি সোনালি তারা ঐক্য, সংহতি ও পূর্ণতার প্রতীক; তারা সদস্যদেশের সংখ্যা বোঝায় না। একক ইউরো মুদ্রা চালু হয় হিসাবনিকাশে ১৯৯৯ সালে, আর নোট ও কয়েন ২০০২ সালে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ EU-এর সদস্যসংখ্যা — ২৭ (অক্টোবর ২০২৬)
➤ EEC-এর প্রতিষ্ঠার ভিত্তি — রোম চুক্তি, ১৯৫৭
➤ রোম চুক্তি কার্যকর — ১ জানুয়ারি ১৯৫৮
➤ ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি — মাসট্রিখট চুক্তি
➤ মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষর — ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
➤ মাসট্রিখট চুক্তি কার্যকর — ১ নভেম্বর ১৯৯৩
➤ EU কমিশনের প্রধান কার্যস্থল — ব্রাসেলস
➤ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক — ফ্রাঙ্কফুর্ট
➤ ECB প্রেসিডেন্ট (অক্টোবর ২০২৬) — ক্রিস্টিন লাগার্ড
➤ EU আদালত (CJEU) — লুক্সেমবার্গ
➤ EU পতাকায় তারা — ১২টি
➤ ইউরো হিসাবমুদ্রা — ১৯৯৯
➤ ইউরোর নোট-কয়েন — ২০০২
➤ ব্রেক্সিট গণভোট — ২৩ জুন ২০১৬
➤ ব্রেক্সিট কার্যকর — ৩১ জানুয়ারি ২০২০
➤ শেনজেন চুক্তি — ১৯৮৫
➤ শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরস্থল — লুক্সেমবার্গের শেনজেন
➤ Global Gateway চালু — ২০২১
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. স্ট্রাসবার্গ, ফ্রান্স
Advertisement
06
🎯 Level 1

38. শেনজেন কোন দেশের অংশ? (ডিএমএফির সহকারী শিক্ষক: ২৩ / বিআরইবি’র লাইন্সম্যান: ২৩)

ক

ফ্রান্স

খ

লুক্সেমবার্গ

গ

বেলজিয়াম

ঘ

নেদারল্যান্ডস

✅ সঠিক উত্তর:খ. লুক্সেমবার্গ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: লুক্সেমবার্গ
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union বা EU) একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক জোট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে শান্তি, অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরতা ও অভিন্ন বাজার তৈরির উদ্যোগ থেকে এর বিকাশ। বর্তমানে এর সদস্য ২৭টি রাষ্ট্র।
❖ ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC) গড়ে ওঠে ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির ভিত্তিতে; চুক্তি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ১৯৫৮। মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ এবং কার্যকর হয় ১ নভেম্বর ১৯৯৩—ইউরোপীয় ইউনিয়ন এভাবেই নতুন রূপ পায়।
❖ ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান কার্যস্থল ব্রাসেলস, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফ্রাঙ্কফুর্টে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচার আদালত ও অডিটরস লুক্সেমবার্গে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট স্ট্রাসবার্গ, ব্রাসেলস ও লুক্সেমবার্গে বিভিন্ন কাজ করে।
❖ ১৯৮৫ সালের শেনজেন চুক্তির প্রধান লক্ষ্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ সীমান্তে নিয়মিত ব্যক্তিগত সীমান্তপরীক্ষা প্রত্যাহার; এর সদস্যপদ EU সদস্যপদের সমান নয়। ব্রেক্সিট গণভোট ২৩ জুন ২০১৬ এবং যুক্তরাজ্যের আনুষ্ঠানিক প্রস্থান ৩১ জানুয়ারি ২০২০।
❖ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকায় নীল পটভূমিতে ১২টি সোনালি তারা ঐক্য, সংহতি ও পূর্ণতার প্রতীক; তারা সদস্যদেশের সংখ্যা বোঝায় না। একক ইউরো মুদ্রা চালু হয় হিসাবনিকাশে ১৯৯৯ সালে, আর নোট ও কয়েন ২০০২ সালে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ EU-এর সদস্যসংখ্যা — ২৭ (অক্টোবর ২০২৬)
➤ EEC-এর প্রতিষ্ঠার ভিত্তি — রোম চুক্তি, ১৯৫৭
➤ রোম চুক্তি কার্যকর — ১ জানুয়ারি ১৯৫৮
➤ ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি — মাসট্রিখট চুক্তি
➤ মাসট্রিখট চুক্তি স্বাক্ষর — ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
➤ মাসট্রিখট চুক্তি কার্যকর — ১ নভেম্বর ১৯৯৩
➤ EU কমিশনের প্রধান কার্যস্থল — ব্রাসেলস
➤ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক — ফ্রাঙ্কফুর্ট
➤ ECB প্রেসিডেন্ট (অক্টোবর ২০২৬) — ক্রিস্টিন লাগার্ড
➤ EU আদালত (CJEU) — লুক্সেমবার্গ
➤ EU পতাকায় তারা — ১২টি
➤ ইউরো হিসাবমুদ্রা — ১৯৯৯
➤ ইউরোর নোট-কয়েন — ২০০২
➤ ব্রেক্সিট গণভোট — ২৩ জুন ২০১৬
➤ ব্রেক্সিট কার্যকর — ৩১ জানুয়ারি ২০২০
➤ শেনজেন চুক্তি — ১৯৮৫
➤ শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরস্থল — লুক্সেমবার্গের শেনজেন
➤ Global Gateway চালু — ২০২১
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. লুক্সেমবার্গ
07
🎯 Level 1

51. মুসলমান প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ওআইসির সদস্য? (উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কম্পিউটার অপারেটর: ২৫)

ক

টোগো

খ

মালি

গ

লেবানন

ঘ

নাইজার

✅ সঠিক উত্তর:ক. টোগো

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: টোগো
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ OIC-এর বর্তমান পূর্ণ নাম Organisation of Islamic Cooperation। ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে প্রথম ইসলামি শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠা। এর পটভূমিতে ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ছিল।
❖ প্রথমে Organization of the Islamic Conference নাম ব্যবহৃত হতো। ২০১১ সালে কাজাখস্তানের আস্তানায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে নাম পরিবর্তন করে Organisation of Islamic Cooperation করা হয়। সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫৭, সদর দপ্তর জেদ্দা, সৌদি আরব।
❖ OIC-এর দাপ্তরিক ভাষা তিনটি—আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি। প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Islamic Summit, Council of Foreign Ministers ও General Secretariat গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) জেদ্দাকেন্দ্রিক একটি OIC-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
❖ সংস্থাটি সদস্যদেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, শিক্ষা, বিজ্ঞান, সাংস্কৃতিক, মানবিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করে। ওআইসির প্রথম মহাসচিব ছিলেন মালয়েশিয়ার টেংকু আব্দুর রহমান; দায়িত্বকাল ১৯৭১–১৯৭৩।
❖ ইসলামি বিশ্বে সহযোগিতার পাশাপাশি সংঘাত নিরসন, মানবিক সহায়তা এবং ফিলিস্তিনের প্রশ্নে অবস্থান ওআইসির আলোচিত কাজ। সংস্থার সদস্য, পর্যবেক্ষক ও সহযোগী অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পৃথক ধারণা।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ OIC-এর পূর্ণরূপ — Organisation of Islamic Cooperation
➤ প্রতিষ্ঠার তারিখ — ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯
➤ প্রতিষ্ঠাস্থল — রাবাত, মরক্কো
➤ প্রতিষ্ঠার পটভূমি — আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ
➤ প্রথম নাম — Organization of the Islamic Conference
➤ নাম পরিবর্তন — ২০১১
➤ সদর দপ্তর — জেদ্দা, সৌদি আরব
➤ সদস্যসংখ্যা — ৫৭
➤ দাপ্তরিক ভাষা — আরবি, ইংরেজি, ফরাসি
➤ প্রথম মহাসচিব — টেংকু আব্দুর রহমান (মালয়েশিয়া)
➤ প্রথম মহাসচিবের মেয়াদ — ১৯৭১–১৯৭৩
➤ SESRIC গবেষণা কেন্দ্র — আঙ্কারা, তুরস্ক
➤ Islamic Development Bank — জেদ্দা
➤ সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সম্মেলন — Islamic Summit
➤ বাংলাদেশ — OIC সদস্য রাষ্ট্র
➤ OIC-এর একটি প্রধান লক্ষ্য — মুসলিম বিশ্বের সহযোগিতা
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. টোগো
08
🎯 Level 1

62. সার্কের রূপকার কে ছিলেন? (বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের সহকারী ব্যবস্থাপক: ০৬ / ইসলামী ব্যাংকের মেঘনা শাখা: ২৫)

ক

ইন্দিরা গান্ধী

খ

মেজর জিয়াউর রহমান

গ

জুলফিকার আলী ভুট্টো

ঘ

রাজা বীরেন্দ্র

✅ সঠিক উত্তর:খ. মেজর জিয়াউর রহমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: মেজর জিয়াউর রহমান
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ SAARC-এর পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation। ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় এবং ৮ ডিসেম্বর সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ঘটে। উদ্যোগের সূচনা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতা-প্রস্তাব থেকে।
❖ সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সাত দেশ ছিল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। আফগানিস্তান ২০০৭ সালে অষ্টম সদস্য হয়। সার্কের সচিবালয় ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ সার্ক সনদের বৈশিষ্ট্য—সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং দ্বিপাক্ষিক ও বিতর্কিত বিষয় আলোচ্যসূচির বাইরে রাখা হয়। কৃষি, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, আঞ্চলিক বাণিজ্য, পরিবেশ ও দারিদ্র্য বিমোচন সহযোগিতার ক্ষেত্র।
❖ প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান (Abul Ahsan)। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ঢাকায় মোট তিনবার শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে—১৯৮৫, ১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত পূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন ছিল কাঠমান্ডুতে ২০১৪ সালে (১৮তম)।
❖ সার্কের ভৌগোলিক সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম ভারত; আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম মালদ্বীপ। “পর্যবেক্ষক দেশ” ও সদস্যরাষ্ট্রের পার্থক্য প্রশ্নের নির্ভুল উত্তরে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ SAARC-এর পূর্ণরূপ — South Asian Association for Regional Cooperation
➤ প্রতিষ্ঠা — ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলন — ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের স্থান — ঢাকা
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র — ৭
➤ বর্তমান সদস্য — ৮
➤ অষ্টম সদস্য — আফগানিস্তান (২০০৭)
➤ সচিবালয় — কাঠমান্ডু, নেপাল
➤ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা — ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭
➤ প্রথম মহাসচিব — আবুল আহসান (বাংলাদেশ)
➤ সিদ্ধান্ত গ্রহণ — সর্বসম্মতিক্রমে
➤ দ্বিপাক্ষিক বিরোধ — আলোচনার বাইরে
➤ ঢাকায় সম্মেলন — ১৯৮৫, ১৯৯৩, ২০০৫
➤ সর্বশেষ অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন — ১৮তম, কাঠমান্ডু (২০১৪)
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম — ভারত
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম — মালদ্বীপ
➤ প্রথম সম্মেলনের চেয়ারম্যান — হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. মেজর জিয়াউর রহমান
Advertisement
09
🎯 Level 1

64. কোন তারিখে সার্কের জন্ম হয়? (জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৭ / কর অঞ্চলের উচ্চমান সহকারী: ১৯ / নার্সিং অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স: ২৩)

ক

৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫

খ

৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৬

গ

৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৮

ঘ

৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৯

✅ সঠিক উত্তর:ক. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ SAARC-এর পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation। ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় এবং ৮ ডিসেম্বর সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ঘটে। উদ্যোগের সূচনা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতা-প্রস্তাব থেকে।
❖ সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সাত দেশ ছিল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। আফগানিস্তান ২০০৭ সালে অষ্টম সদস্য হয়। সার্কের সচিবালয় ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ সার্ক সনদের বৈশিষ্ট্য—সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং দ্বিপাক্ষিক ও বিতর্কিত বিষয় আলোচ্যসূচির বাইরে রাখা হয়। কৃষি, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, আঞ্চলিক বাণিজ্য, পরিবেশ ও দারিদ্র্য বিমোচন সহযোগিতার ক্ষেত্র।
❖ প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান (Abul Ahsan)। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ঢাকায় মোট তিনবার শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে—১৯৮৫, ১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত পূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন ছিল কাঠমান্ডুতে ২০১৪ সালে (১৮তম)।
❖ সার্কের ভৌগোলিক সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম ভারত; আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম মালদ্বীপ। “পর্যবেক্ষক দেশ” ও সদস্যরাষ্ট্রের পার্থক্য প্রশ্নের নির্ভুল উত্তরে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ SAARC-এর পূর্ণরূপ — South Asian Association for Regional Cooperation
➤ প্রতিষ্ঠা — ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলন — ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের স্থান — ঢাকা
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র — ৭
➤ বর্তমান সদস্য — ৮
➤ অষ্টম সদস্য — আফগানিস্তান (২০০৭)
➤ সচিবালয় — কাঠমান্ডু, নেপাল
➤ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা — ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭
➤ প্রথম মহাসচিব — আবুল আহসান (বাংলাদেশ)
➤ সিদ্ধান্ত গ্রহণ — সর্বসম্মতিক্রমে
➤ দ্বিপাক্ষিক বিরোধ — আলোচনার বাইরে
➤ ঢাকায় সম্মেলন — ১৯৮৫, ১৯৯৩, ২০০৫
➤ সর্বশেষ অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন — ১৮তম, কাঠমান্ডু (২০১৪)
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম — ভারত
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম — মালদ্বীপ
➤ প্রথম সম্মেলনের চেয়ারম্যান — হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫
10
🎯 Level 1

72. সার্ক সচিবালয় কোথায় অবস্থিত? / সার্কের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? (বিআরডিবি’র উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা: ২১ / সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপারভাইজার: ২১ / স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ২২ / পানি উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা কর্মকর্তা: ২৩ / পিডিবিএফ’র উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা: ২৫)

ক

ঢাকা, বাংলাদেশ

খ

নয়াদিল্লি, ভারত

গ

কলম্বো, শ্রীলঙ্কা

ঘ

কাঠমান্ডু, নেপাল

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. কাঠমান্ডু, নেপাল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ SAARC-এর পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation। ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় এবং ৮ ডিসেম্বর সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ঘটে। উদ্যোগের সূচনা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতা-প্রস্তাব থেকে।
❖ সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সাত দেশ ছিল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ। আফগানিস্তান ২০০৭ সালে অষ্টম সদস্য হয়। সার্কের সচিবালয় ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ সার্ক সনদের বৈশিষ্ট্য—সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং দ্বিপাক্ষিক ও বিতর্কিত বিষয় আলোচ্যসূচির বাইরে রাখা হয়। কৃষি, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, আঞ্চলিক বাণিজ্য, পরিবেশ ও দারিদ্র্য বিমোচন সহযোগিতার ক্ষেত্র।
❖ প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান (Abul Ahsan)। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ঢাকায় মোট তিনবার শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে—১৯৮৫, ১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত পূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন ছিল কাঠমান্ডুতে ২০১৪ সালে (১৮তম)।
❖ সার্কের ভৌগোলিক সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম ভারত; আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম মালদ্বীপ। “পর্যবেক্ষক দেশ” ও সদস্যরাষ্ট্রের পার্থক্য প্রশ্নের নির্ভুল উত্তরে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ SAARC-এর পূর্ণরূপ — South Asian Association for Regional Cooperation
➤ প্রতিষ্ঠা — ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলন — ৭–৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
➤ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের স্থান — ঢাকা
➤ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র — ৭
➤ বর্তমান সদস্য — ৮
➤ অষ্টম সদস্য — আফগানিস্তান (২০০৭)
➤ সচিবালয় — কাঠমান্ডু, নেপাল
➤ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা — ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭
➤ প্রথম মহাসচিব — আবুল আহসান (বাংলাদেশ)
➤ সিদ্ধান্ত গ্রহণ — সর্বসম্মতিক্রমে
➤ দ্বিপাক্ষিক বিরোধ — আলোচনার বাইরে
➤ ঢাকায় সম্মেলন — ১৯৮৫, ১৯৯৩, ২০০৫
➤ সর্বশেষ অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন — ১৮তম, কাঠমান্ডু (২০১৪)
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় বৃহত্তম — ভারত
➤ আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম — মালদ্বীপ
➤ প্রথম সম্মেলনের চেয়ারম্যান — হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. কাঠমান্ডু, নেপাল
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন