🧠 🔖
Free Topic

জাতি, উপজাতি, নৃগোষ্ঠী এবং নাগরিকত্ব

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক জাতি, উপজাতি, নৃগোষ্ঠী এবং নাগরিকত্ব

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚77মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. মানব প্রজাতিকে কয়টি নরগোষ্ঠীতে বিভক্ত করা হয়? (জাবি: ১৯–২০)

২টি

৪টি

৩টি

৫টি

✅ সঠিক উত্তর:খ. ৪টি

ব্যাখ্যা:

"◈ সঠিক উত্তর: পুরোনো পরীক্ষাভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসে ৪টি
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ উনিশ ও বিশ শতকের পুরোনো শারীরিক নৃতত্ত্বে ত্বকের রং, চুল, নাক ও করোটির আকৃতির মতো বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে মানুষকে ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, নিগ্রোয়েড ও অস্ট্রালয়েড—এই চার ভাগে বিভক্ত করা হতো।
❖ আধুনিক জিনতত্ত্বে দেখা যায়, মানুষের বৈশিষ্ট্য ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়; কথিত ‘জাতিগত’ সীমানায় এগুলো হঠাৎ আলাদা হয়ে যায় না। একই জনগোষ্ঠীর অভ্যন্তরেও ব্যাপক জিনগত বৈচিত্র্য থাকে।
❖ American Association of Biological Anthropologists বলছে, ‘race’ মানুষের জৈবিক বৈচিত্র্যের যথার্থ প্রতিফলন নয় এবং মানুষ পৃথক মহাদেশীয় জিনগত গুচ্ছে বিভক্ত নয়। AABA-এর Race and Racism Statement
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “মানব প্রজাতিকে ৪টি নরগোষ্ঠীতে বিভক্ত করা হয়” ⇒ এটি পুরোনো পরীক্ষাভিত্তিক ও ঔপনিবেশিক যুগের শ্রেণিবিন্যাস। বর্তমান বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে সব আধুনিক মানুষ একই প্রজাতি—Homo sapiens—এবং চারটি কঠোর জৈবিক ‘race’-এ বিভাজন করা যায় না। UNESCO-ও বলেছে, সব মানুষ একই প্রজাতির সদস্য ও অভিন্ন পূর্বসূত্র থেকে উদ্ভূত। UNESCO/OHCHR Declaration on Race and Racial Prejudice
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ২টি ⇒ প্রচলিত চার-নরগোষ্ঠী তত্ত্বের সংখ্যা নয়।
❖ গ. ৩টি ⇒ কোনো কোনো পুরোনো গ্রন্থে Caucasoid, Mongoloid ও Negroid—তিন ভাগের শ্রেণিবিন্যাস ছিল; কিন্তু ইমেজের বইটি Australoid-সহ চার ভাগ অনুসরণ করেছে।
❖ ঘ. ৫টি ⇒ পাঁচ-ভাগেরও কিছু ঐতিহাসিক শ্রেণিবিন্যাস ছিল; তবে সেগুলোও আধুনিক বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নয়।"
02
🎯 Level 1

০২. ‘ককেশয়েড’ কীসের নাম? (ঢাবি: ৯৮–৯৯)

জাতি

ধর্ম

শ্রেণি

নৃ-গোষ্ঠী

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. নৃ-গোষ্ঠী

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: নৃ-গোষ্ঠী—পুরোনো নৃতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাসে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘ককেশয়েড’ বা Caucasoid ছিল পুরোনো শারীরিক নৃতত্ত্বে ব্যবহৃত একটি তথাকথিত মানব-নরগোষ্ঠীর নাম। ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বহু জনগোষ্ঠীকে একসময় এর অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
❖ শব্দটি জার্মান নৃতত্ত্ববিদ Johann Friedrich Blumenbach-এর শ্রেণিবিন্যাসের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত। তিনি ককেশাস অঞ্চলের মানুষের করোটিকে একটি আদর্শ নমুনা ধরে এই নাম ব্যবহার করেছিলেন।
✦ মূল উত্তরের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “ককেশয়েড একটি বৈজ্ঞানিক নৃ-গোষ্ঠী” ⇒ পরীক্ষার পরিভাষায় ঘ সঠিক হলেও আধুনিক নৃতত্ত্বে ‘Caucasoid’ বৈধ জৈবিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গৃহীত নয়; এটি একটি পুরোনো ও অতিরিক্ত সরলীকৃত racial category।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জাতি ⇒ কথ্য অর্থে ‘জাতি’ বলা হলেও এটি কোনো আধুনিক জাতি বা nationality-এর নাম নয়।
❖ খ. ধর্ম ⇒ ককেশয়েড নামে কোনো ধর্ম নেই।
❖ গ. শ্রেণি ⇒ এটি অর্থনৈতিক বা সামাজিক শ্রেণি নয়।
❖ ঘ. নৃ-গোষ্ঠী ⇒ পুরোনো পরীক্ষাভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসে প্রত্যাশিত উত্তর।
03
🎯 Level 1

০৪. পৃথিবীর নানা জাতি সৃষ্টির কারণ কী? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক: ০৮)

প্রাকৃতিক

সামাজিক

রাজনৈতিক

ভৌগোলিক

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ভৌগোলিক

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর—ভৌগোলিক
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দীর্ঘকাল ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাসের ফলে মানুষের ভাষা, জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে পুরোনো সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে ‘ভৌগোলিক’ কারণকে প্রধান উত্তর ধরা হয়।
❖ তবে আধুনিক সমাজবিজ্ঞানে জাতি বা nation গঠনে অভিন্ন ইতিহাস, রাজনৈতিক চেতনা, সংস্কৃতি, ভাষা, স্মৃতি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং আত্মপরিচয়—সবই ভূমিকা রাখে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. প্রাকৃতিক ⇒ পরিবেশ ও জলবায়ু মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে; কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়।
❖ খ. সামাজিক ⇒ অভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্কৃতি জাতিগত পরিচয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
❖ গ. রাজনৈতিক ⇒ রাষ্ট্র, জাতীয়তাবাদ ও রাজনৈতিক ঐক্য আধুনিক জাতি গঠনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।
❖ ঘ. ভৌগোলিক ⇒ বইয়ের প্রত্যাশিত উত্তর; তবে একক ও চূড়ান্ত কারণ নয়।
04
🎯 Level 1

০৭. ‘আর্য’ কীসের নাম? (জাবি: ১৯–২০)

ভাষার নাম

জাতিগোষ্ঠীর নাম

গ্রহপুঞ্জের নাম

স্থানের নাম

✅ সঠিক উত্তর:খ. জাতিগোষ্ঠীর নাম

ব্যাখ্যা:

বইয়ের উত্তর/পরীক্ষার উত্তর: খ—জাতিগোষ্ঠীর নাম
ঐতিহাসিকভাবে সঠিক বা অধিক নির্ভুল উত্তর: ‘আর্য’ মূলত প্রাচীন ইন্দো-ইরানীয় জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়বাচক ভাষিক-সাংস্কৃতিক শব্দ; এটি কোনো শুদ্ধ জৈবিক race-এর নাম নয়।
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সংস্কৃত ārya, আবেস্তীয় airya ও পুরোনো ফারসি ariya শব্দ প্রাচীন ভারতীয় ও ইরানীয় ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত।
❖ শব্দটির অর্থ প্রসঙ্গভেদে ‘সম্মানিত’, ‘মহৎ’ বা নির্দিষ্ট ভাষিক-সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের সদস্য। আধুনিক গবেষণায় ‘Indo-Iranian’ বা ‘Indo-Aryan’ পরিভাষা অধিক নির্ভুল। Encyclopaedia Iranica—Aryans
✦ মূল উত্তরের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “আর্য একটি স্বতন্ত্র জৈবিক জাতি” ⇒ উনিশ শতকে শব্দটিকে ভুলভাবে racial অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রাচীন উৎসে এটি প্রধানত ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় আচার ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ভাষার নাম ⇒ ‘আর্য’ নিজে নির্দিষ্ট ভাষার নাম নয়; তবে ‘ইন্দো-আর্য ভাষা’ একটি স্বীকৃত ভাষাশাখা।
❖ গ. গ্রহপুঞ্জের নাম ⇒ সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
❖ ঘ. স্থানের নাম ⇒ ‘আর্যাবর্ত’ একটি ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক অঞ্চলের নাম; কিন্তু ‘আর্য’ নিজে স্থানের নাম নয়।
05
🎯 Level 1

০৯. আর্য জাতি কোন দেশ থেকে এসেছিল? (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল অফিসার: ০৩; চবি: ২৪–২৫)

বাহরাইন

ইরাক

মেক্সিকো

ইরান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ইরান

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর—ইরান; গবেষণাভিত্তিক উত্তর—কোনো বিকল্পই পূর্ণ নির্ভুল নয়
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘ইরান’ নামটির ব্যুৎপত্তি প্রাচীন ইরানীয় aryānām বা ‘আর্যদের’ ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে পুরোনো সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে আর্যদের ইরান থেকে আগত বলা হয়।
❖ কিন্তু ইন্দো-ইরানীয় জনগোষ্ঠী প্রথমে বিভক্ত হয়ে একটি শাখা ইরানীয় মালভূমিতে এবং অন্যটি মধ্য এশিয়া হয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে—এমন ভাষাতাত্ত্বিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও জিনগত মডেল বেশি গ্রহণযোগ্য।
❖ ফলে ভারতের ইন্দো-আর্য ভাষাভাষীরা সরাসরি আধুনিক ‘ইরান দেশ’ থেকে এসেছে—এ বক্তব্য অতিরিক্ত সরলীকৃত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বাহরাইন ⇒ পারস্য উপসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র; আর্য-উৎপত্তির প্রধান তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
❖ খ. ইরাক ⇒ প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্র; ইন্দো-আর্যদের স্বীকৃত উৎসভূমি নয়।
❖ গ. মেক্সিকো ⇒ আমেরিকা মহাদেশের রাষ্ট্র; সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
06
🎯 Level 1

১২. বহুস্বামী বিবাহভিত্তিক পরিবার কোন সমাজে দেখা যায়?/দক্ষিণ ভারতের কোন জাতিতে বহুস্হামী বিবাহভিত্তিক পরিবার দেখা যায়? (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০১)

মাতৃগোষ্ঠীয়

ভারতীয়

গারো

টোডা উপজাতি

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. টোডা উপজাতি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: টোডা উপজাতি—ঐতিহাসিকভাবে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বহুস্বামী বিবাহ বা polyandry হলো এমন বিবাহব্যবস্থা, যেখানে একজন নারীর একই সময়ে একাধিক স্বামী থাকে।
❖ নীলগিরির টোডাদের মধ্যে অতীতে ভ্রাতৃভিত্তিক বহুস্বামীত্ব (fraternal polyandry) প্রচলিত ছিল—এক নারী একই পরিবারের একাধিক ভাইয়ের স্ত্রী হতেন।
❖ বর্তমান টোডা সমাজে এ ব্যবস্থা কার্যত পরিত্যক্ত বা অত্যন্ত বিরল। তাই প্রশ্নটিকে ঐতিহাসিক প্রথা হিসেবে পড়তে হবে। SOAS-এ প্রকাশিত টোডা বিবাহবিষয়ক আলোচনা
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মাতৃগোষ্ঠীয় ⇒ এটি মাতৃসূত্রে বংশপরিচয় নির্ধারণের ব্যবস্থা; বহুস্হামী বিবাহের সমার্থক নয়।
❖ খ. ভারতীয় ⇒ অত্যন্ত বিস্তৃত জাতীয় পরিচয়; নির্দিষ্ট বিবাহপ্রথা নির্দেশ করে না।
❖ গ. গারো ⇒ গারো সমাজ মাতৃসূত্রীয়; কিন্তু বহুস্হামী বিবাহ তাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়।
❖ ঘ. টোডা উপজাতি ⇒ ঐতিহাসিক ভ্রাতৃভিত্তিক বহুস্হামীত্বের জন্য পরিচিত।
07
🎯 Level 1

১৪. ‘গোর্খা’ কোন দেশের আদি অধিবাসী? (পূবালী ব্যাংকের অফিসার: ১২)

ভুটান

ভারত

নেপাল

মিয়ানমার

✅ সঠিক উত্তর:গ. নেপাল

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: নেপাল
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘গোর্খা’ বা ‘গুর্খা’ পরিচয়ের উৎপত্তি নেপালের ঐতিহাসিক গোর্খা রাজ্য ও বর্তমান গোর্খা জেলা থেকে।
❖ গোর্খা রাজ্যের রাজা পৃথ্বী নারায়ণ শাহ অষ্টাদশ শতকে বিভিন্ন রাজ্য একীভূত করে আধুনিক নেপালের ভিত্তি স্থাপন করেন।
❖ পরে ব্রিটিশ ও ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নেপালি সৈন্যদের ‘Gurkha’ নামে নিয়োগ দেওয়ার ফলে পরিচয়টি বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ভুটান ⇒ ভুটানি জনগোষ্ঠীর পৃথক ঐতিহাসিক পরিচয় রয়েছে।
❖ খ. ভারত ⇒ ভারতে ভারতীয় নাগরিক গোর্খা জনগোষ্ঠী আছে; কিন্তু পরিচয়টির মূল ঐতিহাসিক উৎস নেপাল।
❖ গ. নেপাল ⇒ গোর্খা রাজ্য ও গোর্খালি পরিচয়ের উৎস হওয়ায় সঠিক।
❖ ঘ. মিয়ানমার ⇒ নেপালি বংশোদ্ভূত কিছু জনগোষ্ঠী থাকলেও গোর্খাদের আদি উৎস নয়।
08
🎯 Level 1

১৭. রোহিঙ্গা কারা? (কুবি: ১২–১৩; বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২২; প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২৫)

থাইল্যান্ডের জাতিগোষ্ঠী

চীনের জাতিগোষ্ঠী

মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠী

দক্ষিণ আমেরিকার জাতিগোষ্ঠী

✅ সঠিক উত্তর:গ. মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠী

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠী
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য—বিশেষত উত্তর রাখাইনের মংডু, বুথিডং ও রাথেডং অঞ্চলের একটি জাতিগত, ভাষিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী।
❖ তারা প্রধানত মুসলিম এবং রোহিঙ্গা ভাষায় কথা বলে। ভাষাটি ইন্দো-আর্য ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক বাংলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ, তবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
❖ UNHCR রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের উত্তর রাখাইনের সংখ্যালঘু মুসলিম জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বর্ণনা করেছে। UNHCR
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. থাইল্যান্ডের জাতিগোষ্ঠী ⇒ থাইল্যান্ডে শরণার্থী বা অভিবাসী থাকতে পারেন; আদি ভূখণ্ড নয়।
❖ খ. চীনের জাতিগোষ্ঠী ⇒ চীনের স্বীকৃত জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়।
❖ গ. মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠী ⇒ ঐতিহাসিক আবাস ও জাতিগত পরিচয় অনুযায়ী সঠিক।
❖ ঘ. দক্ষিণ আমেরিকার জাতিগোষ্ঠী ⇒ সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
09
🎯 Level 1

১৯. রোহিঙ্গাদের আদি বাসভূমির নাম কোনটি? (রাজউকের ইমারত পরিদর্শক: ১৪)

থাইল্যান্ড

আরাকান

ত্রিপুরা

আফগানিস্তান

✅ সঠিক উত্তর:খ. আরাকান

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: আরাকান
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আরাকান বর্তমান রাখাইন রাজ্যের ঐতিহাসিক নাম। বঙ্গোপসাগর, নাফ নদী ও আরাকান পর্বতমালাবেষ্টিত এই অঞ্চল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
❖ রোহিঙ্গাদের ইতিহাস নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও বহু প্রজন্ম ধরে উত্তর আরাকানে তাদের বসবাস নথিবদ্ধ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. থাইল্যান্ড ⇒ রোহিঙ্গা নৌ-শরণার্থীদের গন্তব্য বা যাত্রাপথ; আদি ভূমি নয়।
❖ খ. আরাকান ⇒ ঐতিহাসিক বাসভূমি।
❖ গ. ত্রিপুরা ⇒ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য; রোহিঙ্গাদের আদি অঞ্চল নয়।
❖ ঘ. আফগানিস্তান ⇒ কোনো প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
10
🎯 Level 1

২৩. রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষার জন্য গঠিত কমিশনের নাম কী? (চবি: ১৭–১৮; আইডিআরএ’র সহকারী পরিচালক: ২২)

নাথান কমিশন

চিলকট কমিশন

দি অ্যাডভাইজারি কমিশন অন রাখাইন স্টেট (আনান কমিশন)

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:গ. দি অ্যাডভাইজারি কমিশন অন রাখাইন স্টেট (আনান কমিশন)

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: দি অ্যাডভাইজারি কমিশন অন রাখাইন স্টেট বা আনান কমিশন
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির অনুরোধে ২০১৬ সালে Advisory Commission on Rakhine State গঠিত হয়।
❖ কমিশনের দায়িত্ব কেবল রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নয়; রাখাইন রাজ্যের নাগরিকত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা, উন্নয়ন, আন্তসম্প্রদায় সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও শান্তি বিষয়ে সুপারিশ প্রদানও এর আওতাভুক্ত ছিল।
❖ ২০১৭ সালের আগস্টে কমিশন Towards a Peaceful, Fair and Prosperous Future for the People of Rakhine শীর্ষক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. নাথান কমিশন ⇒ রাখাইন সংকটবিষয়ক স্বীকৃত কমিশন নয়।
❖ খ. চিলকট কমিশন ⇒ যুক্তরাজ্যের ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত তদন্তকারী কমিশন।
❖ গ. আনান কমিশন ⇒ রাখাইন পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গঠিত কমিশন।
❖ ঘ. কোনোটিই নয় ⇒ গ বিকল্প উপস্থিত থাকায় ভুল।
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন