🧠 🔖
👑 Premium Topic

দক্ষিন পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়া

◉ সাধারণ জ্ঞান- আন্তর্জাতিক দক্ষিন পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়া

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚63মোট প্রশ্ন
🎯3মোট লেভেল
0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. ডমিনো তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল? (৩৫তম বিসিএস)

নিকট প্রাচ্য

পূর্ব আফ্রিকা

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

পূর্ব ইউরোপ

✅ সঠিক উত্তর:গ. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: জেনে রাখা ভালো: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো হলো মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুর।
◈ সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory) ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি ভূরাজনৈতিক ধারণা। এর মূল বক্তব্য—কোনো অঞ্চলের একটি দেশ সাম্যবাদী শাসনের অধীনে গেলে পাশের দেশগুলোও পরপর পড়ে যাওয়া ডমিনোর মতো সাম্যবাদের অধীনে চলে যেতে পারে।
❖ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালে ইন্দোচীন প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ‘falling domino’ উপমাটি ব্যবহার করেন। ফরাসি উপনিবেশিক শক্তির দিয়েন বিয়েন ফুতে পরাজয় এবং ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট শক্তির উত্থানের প্রেক্ষাপটে ধারণাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
➤ এই তত্ত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাম্যবাদের বিস্তার ঠেকাতে ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করে।
➤ তত্ত্বটি প্রধানত ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ নিকট প্রাচ্য ⇒ মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রচলিত ঐতিহাসিক নাম; ডমিনো তত্ত্বের প্রধান প্রয়োগক্ষেত্র ছিল না।
❖ পূর্ব আফ্রিকা ⇒ কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা প্রভৃতি দেশ নিয়ে গঠিত অঞ্চল; প্রশ্নটির তত্ত্বের মূল প্রেক্ষাপট নয়।
❖ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ⇒ সঠিক; বিশেষভাবে ইন্দোচীন ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষেত্রে তত্ত্বটি প্রয়োগ করা হয়েছিল।
❖ পূর্ব ইউরোপ ⇒ সোভিয়েত প্রভাবাধীন কমিউনিস্ট রাষ্ট্রগুলো এখানে ছিল; তবে ‘ডমিনো তত্ত্ব’ প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কমিউনিজম-প্রতিরোধ নীতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।"
02
🎯 Level 1

০২. পূর্ব তিমুর কোন মহাদেশে অবস্থিত? (এনএসআই’র জুনিয়র ফিল্ড অফিসার: ২১)

আফ্রিকা

এশিয়া

ইউরোপ

ওশেনিয়া

✅ সঠিক উত্তর:খ. এশিয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ. এশিয়া
◈ অধিক নির্ভুল উত্তর: এশিয়া—দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পূর্ব তিমুর বা তিমুর-লেস্তে (Timor-Leste) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। এটি তিমুর দ্বীপের পূর্বাংশ, দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিমের ওকুসি ছিটমহল এবং আতাউরো ও জ্যাকো দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
❖ জাতিসংঘের পরিসংখ্যান বিভাগের M49 ভৌগোলিক শ্রেণিবিন্যাসে তিমুর-লেস্তেকে South-eastern Asia তথা এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
❖ দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিমে এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের খুব কাছে অবস্থিত। এ কারণে কোনো কোনো পুরোনো সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে এটিকে ওশেনিয়া বা এশিয়া–ওশেনিয়ার সংযোগস্থলের দেশ বলা হয়।
➤ রাজধানী: দিলি
➤ সরকারি ভাষা: তেতুম ও পর্তুগিজ
➤ স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার: ২০ মে ২০০২
➤ পশ্চিম অংশ: ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ পূর্ব তিমুর এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি দেশ।
পূর্ব তিমুর সম্পর্কে কিছু তথ্য
পূর্ণ নাম: ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ তিমোর-লেস্ট
রাজধানী: দিলি
অবস্থান: তিমুর দ্বীপের পূর্ব অর্ধেক এবং এর আশেপাশের ছোট দ্বীপ নিয়ে এটি গঠিত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ আফ্রিকা ⇒ পূর্ব তিমুর আফ্রিকা মহাদেশে নয়।
❖ এশিয়া ⇒ ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সঠিক উত্তর।
❖ ইউরোপ ⇒ পর্তুগালের সাবেক উপনিবেশ হলেও দেশটি ইউরোপে নয়।
❖ ওশেনিয়া ⇒ বইয়ের উত্তর; নৈকট্য ও সাংস্কৃতিক সংযোগের কারণে এমন শ্রেণিবিন্যাস পাওয়া যায়, কিন্তু এটি অধিক নির্ভুল মহাদেশীয় অবস্থান নয়।
03
🎯 Level 1

০৪. কোন দেশে চক্রী বংশ শাসন করেছে? (অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১৫)

থাইল্যান্ড

নেপাল

ভুটান

মালয়েশিয়া

✅ সঠিক উত্তর:ক. থাইল্যান্ড

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: থাইল্যান্ড
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ চক্রী রাজবংশ (Chakri dynasty) ১৭৮২ সাল থেকে থাইল্যান্ড—তৎকালীন সিয়াম—শাসন করছে। রাজবংশটির প্রতিষ্ঠাতা রাজা প্রথম রাম বা বুদ্ধ ইয়োদফা চুলালোক।
❖ তিনি থনবুরি থেকে রাজধানী চাও ফ্রায়া নদীর পূর্ব তীরে বর্তমান ব্যাংককে স্থানান্তর করেন। এর মাধ্যমে রাত্তানাকোসিন যুগের সূচনা হয়।
➤ প্রতিষ্ঠাবর্ষ: ১৭৮২
➤ রাজাদের উপাধি: রাম (Rama)
➤ রাজা ভূমিবল আদুলিয়াদেজ: রাম নবম
➤ বর্তমান রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন: রাম দশম
❖ ১৯৩২ সালের বিপ্লবের পর থাইল্যান্ডের নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র সাংবিধানিক রাজতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়; তবে চক্রী রাজবংশের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ থাইল্যান্ড ⇒ সঠিক; ১৭৮২ সাল থেকে চক্রী রাজবংশ শাসন করছে।
❖ নেপাল ⇒ প্রধানত শাহ রাজবংশ ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করে।
❖ ভুটান ⇒ ১৯০৭ সাল থেকে ওয়াংচুক রাজবংশ শাসন করছে।
❖ মালয়েশিয়া ⇒ নয়টি মালয় রাজ্যের বংশানুক্রমিক শাসকদের মধ্য থেকে পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় রাজা নির্বাচিত হন; চক্রী রাজবংশ নয়।
04
🎯 Level 1

০৭. কোন দেশে লাল শার্ট ও হলুদ শার্ট সমর্থকরা আন্দোলন করেছে? (বেরোবি: ১৩–১৪)

থাইল্যান্ড

মিয়ানমার

লাটভিয়া

ভিয়েতনাম

✅ সঠিক উত্তর:ক. থাইল্যান্ড

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: থাইল্যান্ড
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ থাইল্যান্ডের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংঘাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন হলো Red Shirts ও Yellow Shirts।
➤ লাল শার্ট: আনুষ্ঠানিকভাবে United Front for Democracy Against Dictatorship—UDD। এরা সাধারণত থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং তাঁর রাজনৈতিক ধারার সমর্থক; গ্রামীণ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী।
➤ হলুদ শার্ট: People’s Alliance for Democracy—PAD। রাজতন্ত্রপন্থী, থাকসিনবিরোধী এবং শহুরে মধ্যবিত্ত ও রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট ছিল।
❖ থাই রাজপরিবারের সঙ্গে হলুদ রঙের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকায় PAD সমর্থকেরা হলুদ পোশাক ব্যবহার করত। লাল শার্ট আন্দোলন নির্বাচিত সরকার উৎখাতে সামরিক ও বিচারিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ থাইল্যান্ড ⇒ সঠিক; দুই রাজনৈতিক শিবিরই থাই রাজনীতির অংশ।
❖ মিয়ানমার ⇒ এখানে ২০০৭ সালের গেরুয়া বিপ্লব ও ২০২১ সালের বসন্ত বিপ্লব উল্লেখযোগ্য।
❖ লাটভিয়া ⇒ বাল্টিক অঞ্চলের ইউরোপীয় রাষ্ট্র; লাল–হলুদ শার্ট আন্দোলনের দেশ নয়।
❖ ভিয়েতনাম ⇒ একদলীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র; উল্লিখিত আন্দোলন সেখানে হয়নি।
05
🎯 Level 1

০৯. মিয়ানমার কত সালে ব্রিটিশ শাসন হতে স্বাধীনতা লাভ করে? (রাবি: ১৭–১৮; ঢাবি: ১৮–১৯)

১৯৪২

১৯৩৬

১৯৪৮

১৯৪৭

✅ সঠিক উত্তর:গ. ১৯৪৮

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ১৯৪৮ সালে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ তৎকালীন বার্মা ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮ ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীন রাষ্ট্রটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উ নু এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন সাও শোয়ে থাইক।
❖ আধুনিক মিয়ানমারের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতা অং সান ব্রিটিশদের সঙ্গে স্বাধীনতার কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু স্বাধীনতার কয়েক মাস আগে, ১৯ জুলাই ১৯৪৭, তিনি ও তাঁর কয়েকজন সহকর্মী হত্যাকাণ্ডে নিহত হন।
➤ ব্রিটিশদের বার্মা দখল সম্পন্ন: ১৮৮৫–১৮৮৬
➤ ব্রিটিশ ভারত থেকে পৃথক প্রশাসন: ১৯৩৭
➤ স্বাধীনতা: ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯৪২ ⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান বার্মা দখল করে; প্রকৃত স্বাধীনতা নয়।
❖ ১৯৩৬ ⇒ তখনো ব্রিটিশ শাসন বজায় ছিল।
❖ ১৯৪৮ ⇒ সঠিক; ৪ জানুয়ারি স্বাধীনতা লাভ করে।
❖ ১৯৪৭ ⇒ অং সান–অ্যাটলি চুক্তি ও পাংলং চুক্তির বছর; আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা পরের বছর।
06
🎯 Level 1

১২. অং সান সু চি কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন? (তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিসার: ০৫)

১৯৮৯ সালে

১৯৯০ সালে

১৯৯১ সালে

১৯৯২ সালে

✅ সঠিক উত্তর:গ. ১৯৯১ সালে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ১৯৯১ সালে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ অং সান সু চি মিয়ানমারে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য অহিংস সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
❖ তখন তিনি গৃহবন্দি থাকায় নরওয়ের অসলোতে পুরস্কার গ্রহণ করতে যেতে পারেননি। তাঁর পক্ষে ছেলে আলেকজান্ডার অ্যারিস পুরস্কার গ্রহণ করেন।
❖ তিনি মুক্ত হওয়ার পর ২০১২ সালে অসলোতে গিয়ে নোবেল বক্তৃতা দেন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯৮৯ ⇒ তিনি তখন গৃহবন্দি হন; নোবেল পাননি।
❖ ১৯৯০ ⇒ NLD নির্বাচনে জয়লাভ করে; সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি।
❖ ১৯৯১ ⇒ সঠিক; নোবেল শান্তি পুরস্কারের বছর।
❖ ১৯৯২ ⇒ পুরস্কার ঘোষণার পরবর্তী বছর।
07
🎯 Level 1

১৪. ‘নাসাকা’ কোন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী? (ঢাবি: ০১–০২; ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক: ১৭; পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক: ২৩)

জাপান

নেপাল

মিয়ানমার

চীন

✅ সঠিক উত্তর:গ. মিয়ানমার

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক উত্তর: মিয়ানমার
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ নাসাকা (NaSaKa) ছিল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য—বিশেষত বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত—নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত একটি যৌথ সীমান্ত প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী।
❖ এতে পুলিশ, সামরিক গোয়েন্দা, অভিবাসন, কাস্টমস ও সীমান্ত নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সদস্য কাজ করত।
❖ রোহিঙ্গাদের চলাচল, বিবাহ, জন্মনিবন্ধন ও জীবিকার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বহু অভিযোগ নাসাকার বিরুদ্ধে ছিল।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “নাসাকা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী” ⇒ ঐতিহাসিকভাবে সঠিক; তবে এটি বর্তমান বাহিনী নয়। প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন ১২ জুলাই ২০১৩ নাসাকা বিলুপ্ত করেন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ জাপান ⇒ জাপানের সীমান্ত ও অভিবাসন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সংস্থা নাসাকা নয়।
❖ নেপাল ⇒ নেপালের সীমান্ত নিরাপত্তায় Armed Police Force গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
❖ মিয়ানমার ⇒ সঠিক ঐতিহাসিক উত্তর।
❖ চীন ⇒ চীনের সীমান্তরক্ষী ব্যবস্থার নাম নাসাকা নয়।
08
🎯 Level 1

১৭. মালয়েশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল? (গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৮)

ব্রিটেন

পর্তুগাল

ফ্রান্স

যুক্তরাষ্ট্র

✅ সঠিক উত্তর:ক. ব্রিটেন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ব্রিটেন
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বর্তমান মালয়েশিয়ার অধিকাংশ ভূখণ্ড বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ, প্রটেক্টরেট অথবা ব্রিটিশ-নিয়ন্ত্রিত মালয় রাজ্য হিসেবে পরিচালিত হয়েছিল।
❖ পেনাং, মালাক্কা ও সিঙ্গাপুর নিয়ে ব্রিটিশরা Straits Settlements গঠন করে। মালয় উপদ্বীপের অন্যান্য রাজ্যে ব্রিটিশ রেসিডেন্ট ও উপদেষ্টাদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান অঞ্চলটি দখল করলেও যুদ্ধের পর আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসে।
✦ মূল প্রশ্নের তথ্য-সংশোধনী:
❖ “মালয়েশিয়া ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল” ⇒ পরীক্ষাভিত্তিকভাবে সঠিক; তবে আধুনিক মালয়েশিয়া তখন একক রাষ্ট্র ছিল না। মালয় উপদ্বীপ, সাবাহ ও সারাওয়াক বিভিন্ন প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে ছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ব্রিটেন ⇒ সঠিক; আধুনিক মালয়েশিয়ার অধিকাংশ ভূখণ্ড ব্রিটিশ-নিয়ন্ত্রিত ছিল।
❖ পর্তুগাল ⇒ ১৫১১ সালে মালাক্কা দখল করে; কিন্তু সমগ্র বর্তমান মালয়েশিয়ার প্রধান ঔপনিবেশিক শক্তি ছিল না।
❖ ফ্রান্স ⇒ ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়ায় উপনিবেশ স্থাপন করেছিল।
❖ যুক্তরাষ্ট্র ⇒ ফিলিপাইনে ঔপনিবেশিক শাসন করেছিল; মালয়েশিয়ায় নয়।
09
🎯 Level 1

১৯. কবে মালয়েশিয়া ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র গঠন হয়েছিল? (তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিসার: ০৫)

১৯৬১ সালে

১৯৬৩ সালে

১৯৬৪ সালে

১৯৬৫ সালে

✅ সঠিক উত্তর:খ. ১৯৬৩ সালে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ১৯৬৩ সালে
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩ মালয়া ফেডারেশন, উত্তর বোর্নিও—বর্তমান সাবাহ, সারাওয়াক এবং সিঙ্গাপুরকে নিয়ে Federation of Malaysia গঠিত হয়।
❖ দিনটি বর্তমানে Malaysia Day হিসেবে পালিত হয়। ব্রুনেই প্রাথমিক আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফেডারেশনে যোগ দেয়নি।
❖ রাজনৈতিক, জাতিগত ও অর্থনৈতিক বিরোধের কারণে সিঙ্গাপুর ৯ আগস্ট ১৯৬৫ মালয়েশিয়া থেকে পৃথক হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯৬১ ⇒ টেংকু আবদুল রহমান বৃহত্তর মালয়েশিয়া গঠনের প্রস্তাব দেন; রাষ্ট্র গঠিত হয়নি।
❖ ১৯৬৩ ⇒ সঠিক; ১৬ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন কার্যকর হয়।
❖ ১৯৬৪ ⇒ গঠনের পরের বছর; সিঙ্গাপুরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে।
❖ ১৯৬৫ ⇒ সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া থেকে পৃথক হয়।
10
🎯 Level 1

২১. মালয়েশিয়া একটি— (গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক: ০৩)

প্রজাতন্ত্র

ইসলামী প্রজাতন্ত্র

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র

রাজতন্ত্র

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. রাজতন্ত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: রাজতন্ত্র
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মালয়েশিয়া একটি ফেডারেল নির্বাচিত সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও সংসদীয় গণতন্ত্র। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রপ্রধান হলেন Yang di-Pertuan Agong এবং সরকারপ্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
❖ দেশটি ১৩টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত। নয়টি রাজ্যে বংশানুক্রমিক মালয় শাসক এবং চারটি রাজ্যে নিযুক্ত গভর্নর রয়েছেন।
❖ মালয়েশিয়ার সংবিধানে ইসলামকে ফেডারেশনের ধর্ম বলা হলেও দেশটির সাংবিধানিক নাম বা রাষ্ট্রব্যবস্থা ইসলামী প্রজাতন্ত্র নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ প্রজাতন্ত্র ⇒ রাষ্ট্রপ্রধান রাজা হওয়ায় মালয়েশিয়া প্রজাতন্ত্র নয়।
❖ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ⇒ ইরান ও পাকিস্তানের মতো আনুষ্ঠানিক পরিচয়; মালয়েশিয়ার নয়।
❖ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ⇒ দেশটিতে নির্বাচন হয়, কিন্তু রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রজাতন্ত্র নয়।
❖ রাজতন্ত্র ⇒ সঠিক; অধিক নির্ভুলভাবে নির্বাচিত ফেডারেল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন