01
🎯 Level 1
০১. ডমিনো তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল? (৩৫তম বিসিএস)
✅ সঠিক উত্তর:গ. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: জেনে রাখা ভালো: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো হলো মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুর।
◈ সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory) ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি ভূরাজনৈতিক ধারণা। এর মূল বক্তব্য—কোনো অঞ্চলের একটি দেশ সাম্যবাদী শাসনের অধীনে গেলে পাশের দেশগুলোও পরপর পড়ে যাওয়া ডমিনোর মতো সাম্যবাদের অধীনে চলে যেতে পারে।
❖ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালে ইন্দোচীন প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ‘falling domino’ উপমাটি ব্যবহার করেন। ফরাসি উপনিবেশিক শক্তির দিয়েন বিয়েন ফুতে পরাজয় এবং ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট শক্তির উত্থানের প্রেক্ষাপটে ধারণাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
➤ এই তত্ত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাম্যবাদের বিস্তার ঠেকাতে ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করে।
➤ তত্ত্বটি প্রধানত ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ নিকট প্রাচ্য ⇒ মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রচলিত ঐতিহাসিক নাম; ডমিনো তত্ত্বের প্রধান প্রয়োগক্ষেত্র ছিল না।
❖ পূর্ব আফ্রিকা ⇒ কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা প্রভৃতি দেশ নিয়ে গঠিত অঞ্চল; প্রশ্নটির তত্ত্বের মূল প্রেক্ষাপট নয়।
❖ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ⇒ সঠিক; বিশেষভাবে ইন্দোচীন ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষেত্রে তত্ত্বটি প্রয়োগ করা হয়েছিল।
❖ পূর্ব ইউরোপ ⇒ সোভিয়েত প্রভাবাধীন কমিউনিস্ট রাষ্ট্রগুলো এখানে ছিল; তবে ‘ডমিনো তত্ত্ব’ প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কমিউনিজম-প্রতিরোধ নীতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।"
ব্যাখ্যা: জেনে রাখা ভালো: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো হলো মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুর।
◈ সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory) ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি ভূরাজনৈতিক ধারণা। এর মূল বক্তব্য—কোনো অঞ্চলের একটি দেশ সাম্যবাদী শাসনের অধীনে গেলে পাশের দেশগুলোও পরপর পড়ে যাওয়া ডমিনোর মতো সাম্যবাদের অধীনে চলে যেতে পারে।
❖ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালে ইন্দোচীন প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ‘falling domino’ উপমাটি ব্যবহার করেন। ফরাসি উপনিবেশিক শক্তির দিয়েন বিয়েন ফুতে পরাজয় এবং ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট শক্তির উত্থানের প্রেক্ষাপটে ধারণাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
➤ এই তত্ত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাম্যবাদের বিস্তার ঠেকাতে ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে সামরিক ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করে।
➤ তত্ত্বটি প্রধানত ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ নিকট প্রাচ্য ⇒ মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রচলিত ঐতিহাসিক নাম; ডমিনো তত্ত্বের প্রধান প্রয়োগক্ষেত্র ছিল না।
❖ পূর্ব আফ্রিকা ⇒ কেনিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা প্রভৃতি দেশ নিয়ে গঠিত অঞ্চল; প্রশ্নটির তত্ত্বের মূল প্রেক্ষাপট নয়।
❖ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ⇒ সঠিক; বিশেষভাবে ইন্দোচীন ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষেত্রে তত্ত্বটি প্রয়োগ করা হয়েছিল।
❖ পূর্ব ইউরোপ ⇒ সোভিয়েত প্রভাবাধীন কমিউনিস্ট রাষ্ট্রগুলো এখানে ছিল; তবে ‘ডমিনো তত্ত্ব’ প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কমিউনিজম-প্রতিরোধ নীতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।"