01
০১. কোনটি পদার্থ? (এমআরএ’র সহকারী পরিচালক: ২৩)
✅ সঠিক উত্তর:ক. বাতাস
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: যার ভর ও আয়তন আছে, যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে কিছু না কিছু পরিমাণ প্রতিরোধ সৃষ্টি করে তাকে কঠিন পদার্থ বলে। পদার্থ মূলত তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে। যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থা। কঠিন পদার্থের উদাহরণ হলো পাথর, লবণ, চিনি, লোহা, ইস্পাত, ব্রোঞ্জ, তামা, রূপা, সোনা, বালু, নিকেল, মার্বেল, কাঠ প্রভৃতি। তরল পদার্থের উদাহরণ হলো পানি, পারদ, দুধ, তেল প্রভৃতি। বায়বীয় পদার্থের উদাহরণ হলো বাতাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, মিথেন প্রভৃতি। তবে এই তিন অবস্থা ছাড়াও পদার্থকে প্লাজমা অবস্থা ও তরল কেলাস অবস্থায় দেখা যায়।
◈ সঠিক উত্তর: বাতাস
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পদার্থ (Matter) হলো এমন কিছু যার ভর আছে এবং যা স্থান দখল করে। আধুনিক রসায়নের এই সংজ্ঞা অনুযায়ী বাতাস অবশ্যই পদার্থ; কারণ বাতাস বিভিন্ন গ্যাসের সমষ্টি, এর ভর ও আয়তন দুটিই আছে।
❖ পৃথিবীর শুষ্ক বাতাসে আয়তন অনুসারে প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন এবং সামান্য আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্যাস থাকে। অর্থাৎ বাতাস নিজেই একটি গ্যাসীয় মিশ্র পদার্থ।
➤ কঠিন, তরল ও গ্যাস—এগুলো পদার্থের পরিচিত তিনটি ধ্রুপদি অবস্থা। প্লাজমাকে সাধারণত চতুর্থ অবস্থা বলা হয়; অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় Bose–Einstein condensate (BEC)-এর মতো আরও বিশেষ অবস্থা সৃষ্টি করা যায়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “যার ভর ও আয়তন আছে ... তাকে কঠিন পদার্থ বলে” ⇒ এখানে “কঠিন পদার্থ” নয়, “পদার্থ” হবে। কঠিন হলো পদার্থের একটি বিশেষ অবস্থা।
❖ “তরল কেলাস” ⇒ আধুনিক পরিভাষায় একে তরল স্ফটিক (Liquid crystal) বলা হয়। এটি কঠিন স্ফটিক ও সাধারণ তরলের মধ্যবর্তী বিশেষ mesophase; একে প্লাজমার মতো সর্বজনীন “মৌলিক চতুর্থ/পঞ্চম অবস্থা” হিসেবে গণ্য করা হয় না।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বাতাস ⇒ সঠিক। এর ভর ও আয়তন আছে এবং এটি স্থান দখল করে।
❖ খ. বিদ্যুৎ ⇒ বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক চার্জের প্রবাহ বা বৈদ্যুতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনা; নিজে পদার্থ নয়।
❖ গ. তাপ ⇒ তাপ হলো তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে শক্তি স্থানান্তর; পদার্থ নয়।
❖ ঘ. আলো ⇒ আলো তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ; স্কুল-স্তরের পদার্থের সংজ্ঞায় এটি পদার্থ নয়।"
ব্যাখ্যা: যার ভর ও আয়তন আছে, যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে কিছু না কিছু পরিমাণ প্রতিরোধ সৃষ্টি করে তাকে কঠিন পদার্থ বলে। পদার্থ মূলত তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে। যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থা। কঠিন পদার্থের উদাহরণ হলো পাথর, লবণ, চিনি, লোহা, ইস্পাত, ব্রোঞ্জ, তামা, রূপা, সোনা, বালু, নিকেল, মার্বেল, কাঠ প্রভৃতি। তরল পদার্থের উদাহরণ হলো পানি, পারদ, দুধ, তেল প্রভৃতি। বায়বীয় পদার্থের উদাহরণ হলো বাতাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, মিথেন প্রভৃতি। তবে এই তিন অবস্থা ছাড়াও পদার্থকে প্লাজমা অবস্থা ও তরল কেলাস অবস্থায় দেখা যায়।
◈ সঠিক উত্তর: বাতাস
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পদার্থ (Matter) হলো এমন কিছু যার ভর আছে এবং যা স্থান দখল করে। আধুনিক রসায়নের এই সংজ্ঞা অনুযায়ী বাতাস অবশ্যই পদার্থ; কারণ বাতাস বিভিন্ন গ্যাসের সমষ্টি, এর ভর ও আয়তন দুটিই আছে।
❖ পৃথিবীর শুষ্ক বাতাসে আয়তন অনুসারে প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন এবং সামান্য আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্যাস থাকে। অর্থাৎ বাতাস নিজেই একটি গ্যাসীয় মিশ্র পদার্থ।
➤ কঠিন, তরল ও গ্যাস—এগুলো পদার্থের পরিচিত তিনটি ধ্রুপদি অবস্থা। প্লাজমাকে সাধারণত চতুর্থ অবস্থা বলা হয়; অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় Bose–Einstein condensate (BEC)-এর মতো আরও বিশেষ অবস্থা সৃষ্টি করা যায়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “যার ভর ও আয়তন আছে ... তাকে কঠিন পদার্থ বলে” ⇒ এখানে “কঠিন পদার্থ” নয়, “পদার্থ” হবে। কঠিন হলো পদার্থের একটি বিশেষ অবস্থা।
❖ “তরল কেলাস” ⇒ আধুনিক পরিভাষায় একে তরল স্ফটিক (Liquid crystal) বলা হয়। এটি কঠিন স্ফটিক ও সাধারণ তরলের মধ্যবর্তী বিশেষ mesophase; একে প্লাজমার মতো সর্বজনীন “মৌলিক চতুর্থ/পঞ্চম অবস্থা” হিসেবে গণ্য করা হয় না।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বাতাস ⇒ সঠিক। এর ভর ও আয়তন আছে এবং এটি স্থান দখল করে।
❖ খ. বিদ্যুৎ ⇒ বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক চার্জের প্রবাহ বা বৈদ্যুতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনা; নিজে পদার্থ নয়।
❖ গ. তাপ ⇒ তাপ হলো তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে শক্তি স্থানান্তর; পদার্থ নয়।
❖ ঘ. আলো ⇒ আলো তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ; স্কুল-স্তরের পদার্থের সংজ্ঞায় এটি পদার্থ নয়।"