01
🎯 Level 1
০১. আয়নিক যৌগ কোনটি? (কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর: ২৩)
✅ সঠিক উত্তর:ক. CH₄
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: যে আকর্ষণ বলের দ্বারা অণুতে বা কোনো পদার্থে পরমাণু বা আয়নগুলো যুক্ত থাকে তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে। রাসায়নিক বন্ধন দুই প্রকার। যথা- আয়নিক বন্ধন ও সমযোজী বন্ধন। দুটি বিপরীতধর্মী আধানের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে যে বন্ধনের সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। ধনাত্মক আধানযুক্ত পরমাণুর আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক আধানযুক্ত পরমাণুর আয়নকে অ্যানায়ন বলে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর (He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn) আয়নীকরণ শক্তি বেশি হয়। আয়নিক বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে আয়নিক যৌগ বলে। যেমন- NaCl। সর্ববহিঃ শক্তিস্তরের স্থায়ী বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের জন্য দুই বা ততোধিক মৌলের পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে সমযোজী বন্ধন বলে। সমযোজী বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে সমযোজী বন্ধন বলে। যেমন- CO, NH₃, H₂O, CH₄ ইত্যাদি।
◈ সঠিক উত্তর: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আয়নিক যৌগ হলো এমন যৌগ, যেখানে বিপরীত আধানযুক্ত ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে তড়িৎস্থির আকর্ষণ বলের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন সৃষ্টি হয়।
❖ Na-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,1। এটি একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na⁺ আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে Cl-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,7; এটি একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl⁻ আয়নে পরিণত হয়।
➤ Na → Na⁺ + e⁻
➤ Cl + e⁻ → Cl⁻
➤ Na⁺ + Cl⁻ → NaCl
❖ কঠিন NaCl-এ আলাদা NaCl অণু নয়, বরং Na⁺ ও Cl⁻ আয়নের একটি বিস্তৃত ionic crystal lattice থাকে।
❖ আয়নিক যৌগ সাধারণত উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কবিশিষ্ট; গলিত অবস্থায় বা জলীয় দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে, কারণ তখন আয়নগুলো চলাচল করতে পারে।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “রাসায়নিক বন্ধন দুই প্রকার—আয়নিক ও সমযোজী” ⇒ মৌলিক পাঠ্যপর্যায়ে এভাবে শ্রেণিবিভাগ করা হলেও বিস্তৃত রসায়নে ধাতব বন্ধন, সমন্বয় সমযোজী বন্ধনসহ আরও শ্রেণি ব্যবহৃত হয়।
❖ “সমযোজী বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে সমযোজী বন্ধন বলে” ⇒ এখানে সঠিক শব্দ হবে সমযোজী যৌগ।
❖ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের আয়নীকরণ শক্তি সাধারণত খুব বেশি হলেও “সবচেয়ে বেশি” কোন মৌলের তা পর্যায়ভেদে নির্ধারিত হয়; প্রথম আয়নীকরণ শক্তির সর্বোচ্চ মান He-এর।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ CH₄ ⇒ মিথেন একটি সমযোজী যৌগ। C ও H ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে চারটি C–H বন্ধন গঠন করে।
❖ CH₃Cl ⇒ ক্লোরোমিথেন; C–H ও C–Cl উভয়ই সমযোজী বন্ধন। C–Cl বন্ধনটি মেরু সমযোজী।
❖ NaCl ⇒ Na ধাতু ও Cl অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের ফলে Na⁺ ও Cl⁻ সৃষ্টি হয়; তাই এটি আয়নিক যৌগ।
❖ PCl₃ ⇒ ফসফরাস ট্রাইক্লোরাইড একটি আণবিক সমযোজী যৌগ।"
ব্যাখ্যা: যে আকর্ষণ বলের দ্বারা অণুতে বা কোনো পদার্থে পরমাণু বা আয়নগুলো যুক্ত থাকে তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে। রাসায়নিক বন্ধন দুই প্রকার। যথা- আয়নিক বন্ধন ও সমযোজী বন্ধন। দুটি বিপরীতধর্মী আধানের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে যে বন্ধনের সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। ধনাত্মক আধানযুক্ত পরমাণুর আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক আধানযুক্ত পরমাণুর আয়নকে অ্যানায়ন বলে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর (He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn) আয়নীকরণ শক্তি বেশি হয়। আয়নিক বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে আয়নিক যৌগ বলে। যেমন- NaCl। সর্ববহিঃ শক্তিস্তরের স্থায়ী বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের জন্য দুই বা ততোধিক মৌলের পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে সমযোজী বন্ধন বলে। সমযোজী বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে সমযোজী বন্ধন বলে। যেমন- CO, NH₃, H₂O, CH₄ ইত্যাদি।
◈ সঠিক উত্তর: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আয়নিক যৌগ হলো এমন যৌগ, যেখানে বিপরীত আধানযুক্ত ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে তড়িৎস্থির আকর্ষণ বলের মাধ্যমে আয়নিক বন্ধন সৃষ্টি হয়।
❖ Na-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,1। এটি একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na⁺ আয়নে পরিণত হয়। অপরদিকে Cl-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,7; এটি একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl⁻ আয়নে পরিণত হয়।
➤ Na → Na⁺ + e⁻
➤ Cl + e⁻ → Cl⁻
➤ Na⁺ + Cl⁻ → NaCl
❖ কঠিন NaCl-এ আলাদা NaCl অণু নয়, বরং Na⁺ ও Cl⁻ আয়নের একটি বিস্তৃত ionic crystal lattice থাকে।
❖ আয়নিক যৌগ সাধারণত উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কবিশিষ্ট; গলিত অবস্থায় বা জলীয় দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবহন করে, কারণ তখন আয়নগুলো চলাচল করতে পারে।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “রাসায়নিক বন্ধন দুই প্রকার—আয়নিক ও সমযোজী” ⇒ মৌলিক পাঠ্যপর্যায়ে এভাবে শ্রেণিবিভাগ করা হলেও বিস্তৃত রসায়নে ধাতব বন্ধন, সমন্বয় সমযোজী বন্ধনসহ আরও শ্রেণি ব্যবহৃত হয়।
❖ “সমযোজী বন্ধনের ফলে গঠিত যৌগকে সমযোজী বন্ধন বলে” ⇒ এখানে সঠিক শব্দ হবে সমযোজী যৌগ।
❖ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের আয়নীকরণ শক্তি সাধারণত খুব বেশি হলেও “সবচেয়ে বেশি” কোন মৌলের তা পর্যায়ভেদে নির্ধারিত হয়; প্রথম আয়নীকরণ শক্তির সর্বোচ্চ মান He-এর।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ CH₄ ⇒ মিথেন একটি সমযোজী যৌগ। C ও H ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে চারটি C–H বন্ধন গঠন করে।
❖ CH₃Cl ⇒ ক্লোরোমিথেন; C–H ও C–Cl উভয়ই সমযোজী বন্ধন। C–Cl বন্ধনটি মেরু সমযোজী।
❖ NaCl ⇒ Na ধাতু ও Cl অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের ফলে Na⁺ ও Cl⁻ সৃষ্টি হয়; তাই এটি আয়নিক যৌগ।
❖ PCl₃ ⇒ ফসফরাস ট্রাইক্লোরাইড একটি আণবিক সমযোজী যৌগ।"