01
🎯 Level 1
০১. আলো কী? (পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৭)
✅ সঠিক উত্তর:খ. শক্তি
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ। যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। পরমাণুতে কোনো শক্তি সরবরাহ করলে ইলেকট্রন এক খোলক থেকে লাফিয়ে অন্য খোলকে চলে যায়। পরে আবার ওরা যখন নিজ খোলকে ফিরে আসে তখন আলোক শক্তি পাওয়া যায়। ১৬৭৬ সালে রোমার সর্বপ্রথম আলোর গতিবেগ নির্ণয় করেন। বায়ুতে বা শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩×১০⁸ মিটার। শূন্যস্থানের মধ্যে কোনো বস্তুই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারে না। এই গতিতে চলে আলো এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। এক আলোক বর্ষ হলো প্রায় 9.46×10¹⁵ মিটার বা 9.46×10¹² কিলোমিটার। আলোক বর্ষের মাধ্যমে মহাকাশে গ্রহ ও নক্ষত্রের দূরত্ব মাপা হয়। দূরত্বের সবচেয়ে বড় একক হলো পারসেক। ১ পারসেক = ৩.২ আলোক বর্ষ।
◈ সঠিক উত্তর: শক্তি
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে আলোকে তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ (electromagnetic radiation) হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এটি শক্তি ও ভরবেগ বহন করে এবং কোয়ান্টাম বর্ণনায় আলোর শক্তির ক্ষুদ্র প্যাকেটকে ফোটন বলা হয়।
❖ শূন্যস্থানে আলোর বেগের সঠিক মান 299,792,458 m/s, অর্থাৎ প্রায় 3×10⁸ m/s; এটি SI পদ্ধতিতে একটি সংজ্ঞায়িত সঠিক মান।
❖ ড্যানিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী Ole Rømer ১৬৭৬ সালে বৃহস্পতির উপগ্রহ Io-এর গ্রহণের সময়ের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে প্রথম দেখান যে আলোর বেগ সসীম এবং তার একটি পরিমাপযোগ্য মান আছে।
➤ ১ আলোকবর্ষ হলো শূন্যস্থানে আলো এক বছরে যত দূরত্ব অতিক্রম করে; এর মান প্রায় 9.461×10¹² km।
➤ ১ parsec ≈ 3.2616 light-years; parsec মূলত stellar parallax-এর ভিত্তিতে সংজ্ঞায়িত একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক দূরত্বের একক।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বায়ুতে বা শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩×১০⁸ মিটার” ⇒ শূন্যস্থানে মানটি প্রায় 3×10⁸ m/s; বায়ুতে প্রতিসরাঙ্ক ১-এর সামান্য বেশি হওয়ায় আলোর বেগ শূন্যস্থানের তুলনায় অল্প কম।
❖ “দূরত্বের সবচেয়ে বড় একক হলো পারসেক” ⇒ এটি নির্ভুল নয়। পারসেক জ্যোতির্বিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত বড় একক; কিন্তু kiloparsec, megaparsec, gigaparsec ইত্যাদি আরও বড় একক রয়েছে।
❖ “১ পারসেক = ৩.২ আলোকবর্ষ” ⇒ পরীক্ষাভিত্তিক আনুমানিক মান; অধিক নির্ভুলভাবে ১ pc ≈ ৩.২৬ light-years।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. পদার্থ ⇒ আলো সাধারণ পদার্থ নয়; ফোটনের স্থির ভর শূন্য।
❖ খ. শক্তি ⇒ পরীক্ষার ভাষায় সঠিক; আলো শক্তি বহন করে।
❖ গ. বস্তু ⇒ আলোকে বস্তু বা matter হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় না।
❖ ঘ. বল ⇒ আলো নিজে কোনো বল নয়; তবে ফোটনের ভরবেগের কারণে radiation pressure সৃষ্টি হতে পারে।"
ব্যাখ্যা: আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ। যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। পরমাণুতে কোনো শক্তি সরবরাহ করলে ইলেকট্রন এক খোলক থেকে লাফিয়ে অন্য খোলকে চলে যায়। পরে আবার ওরা যখন নিজ খোলকে ফিরে আসে তখন আলোক শক্তি পাওয়া যায়। ১৬৭৬ সালে রোমার সর্বপ্রথম আলোর গতিবেগ নির্ণয় করেন। বায়ুতে বা শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩×১০⁸ মিটার। শূন্যস্থানের মধ্যে কোনো বস্তুই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারে না। এই গতিতে চলে আলো এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। এক আলোক বর্ষ হলো প্রায় 9.46×10¹⁵ মিটার বা 9.46×10¹² কিলোমিটার। আলোক বর্ষের মাধ্যমে মহাকাশে গ্রহ ও নক্ষত্রের দূরত্ব মাপা হয়। দূরত্বের সবচেয়ে বড় একক হলো পারসেক। ১ পারসেক = ৩.২ আলোক বর্ষ।
◈ সঠিক উত্তর: শক্তি
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে আলোকে তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ (electromagnetic radiation) হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এটি শক্তি ও ভরবেগ বহন করে এবং কোয়ান্টাম বর্ণনায় আলোর শক্তির ক্ষুদ্র প্যাকেটকে ফোটন বলা হয়।
❖ শূন্যস্থানে আলোর বেগের সঠিক মান 299,792,458 m/s, অর্থাৎ প্রায় 3×10⁸ m/s; এটি SI পদ্ধতিতে একটি সংজ্ঞায়িত সঠিক মান।
❖ ড্যানিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী Ole Rømer ১৬৭৬ সালে বৃহস্পতির উপগ্রহ Io-এর গ্রহণের সময়ের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে প্রথম দেখান যে আলোর বেগ সসীম এবং তার একটি পরিমাপযোগ্য মান আছে।
➤ ১ আলোকবর্ষ হলো শূন্যস্থানে আলো এক বছরে যত দূরত্ব অতিক্রম করে; এর মান প্রায় 9.461×10¹² km।
➤ ১ parsec ≈ 3.2616 light-years; parsec মূলত stellar parallax-এর ভিত্তিতে সংজ্ঞায়িত একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক দূরত্বের একক।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বায়ুতে বা শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩×১০⁸ মিটার” ⇒ শূন্যস্থানে মানটি প্রায় 3×10⁸ m/s; বায়ুতে প্রতিসরাঙ্ক ১-এর সামান্য বেশি হওয়ায় আলোর বেগ শূন্যস্থানের তুলনায় অল্প কম।
❖ “দূরত্বের সবচেয়ে বড় একক হলো পারসেক” ⇒ এটি নির্ভুল নয়। পারসেক জ্যোতির্বিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত বড় একক; কিন্তু kiloparsec, megaparsec, gigaparsec ইত্যাদি আরও বড় একক রয়েছে।
❖ “১ পারসেক = ৩.২ আলোকবর্ষ” ⇒ পরীক্ষাভিত্তিক আনুমানিক মান; অধিক নির্ভুলভাবে ১ pc ≈ ৩.২৬ light-years।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. পদার্থ ⇒ আলো সাধারণ পদার্থ নয়; ফোটনের স্থির ভর শূন্য।
❖ খ. শক্তি ⇒ পরীক্ষার ভাষায় সঠিক; আলো শক্তি বহন করে।
❖ গ. বস্তু ⇒ আলোকে বস্তু বা matter হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় না।
❖ ঘ. বল ⇒ আলো নিজে কোনো বল নয়; তবে ফোটনের ভরবেগের কারণে radiation pressure সৃষ্টি হতে পারে।"