01
🎯 Level 1
০১. ‘Microbiology’ এর অর্থ কী? (কারা অধিদপ্তরের কারা তত্ত্বাবধায়ক: ১০; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সহকারী: ১০)
✅ সঠিক উত্তর:খ. অণুজীব বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: জীববিজ্ঞানের যে শাখায় অণুজীব নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অণুজীব বিজ্ঞান (Microbiology) বলে। ১৬৭৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন সর্বপ্রথম অণুজীব আবিষ্কার করেন। তাকে অণুজীব বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। ভাইরাস, রিকেটসিয়া, ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। যে সব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথোজেনিক (Pathogenic) বলে।
◈ সঠিক উত্তর: অণুজীব বিজ্ঞান (Microbiology)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Microbiology বা অণুজীববিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে খালি চোখে সাধারণত দেখা যায় না—এমন অতি ক্ষুদ্র জৈব সত্তা ও জীব, যেমন ব্যাকটেরিয়া, আর্কিয়া, প্রোটোজোয়া, অণুবীক্ষণিক ছত্রাক ও শৈবাল এবং ভাইরাসের গঠন, বংশবিস্তার, শারীরবৃত্ত, রোগসৃষ্টির ক্ষমতা ও পরিবেশগত ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
❖ ডাচ অণুবীক্ষণবিদ Antonie van Leeuwenhoek (১৬৩২–১৭২৩) নিজস্ব একলেন্সবিশিষ্ট অণুবীক্ষণযন্ত্র ব্যবহার করে জীবন্ত অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেন। ৯ অক্টোবর ১৬৭৬ তারিখে Royal Society-কে লেখা তাঁর চিঠিতে জল ও মরিচ-ভেজানো দ্রবণে বিভিন্ন “animalcules” বা ক্ষুদ্র জীব পর্যবেক্ষণের বিবরণ রয়েছে; আধুনিক গবেষণাতেও তাঁকে “Father of Microbiology” বলা হয়।
➤ Micro = ক্ষুদ্র, bios = জীবন এবং logos = অধ্যয়ন/জ্ঞান—এই গ্রিক উৎস থেকেই microbiology শব্দটির ধারণাগত অর্থ “ক্ষুদ্র জীবের অধ্যয়ন”।
➤ চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, পরিবেশবিজ্ঞান, ওষুধ উৎপাদন ও রোগনির্ণয়ে মাইক্রোবায়োলজির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “১৬৭৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন…” ⇒ Antonie van Leeuwenhoek ব্রিটিশ নন; তিনি ডাচ বা ওলন্দাজ বিজ্ঞানী/অণুবীক্ষণবিদ ছিলেন। Royal Society-র সংরক্ষিত ১৬৭৬ সালের মূল চিঠিও Delft, Netherlands থেকে পাঠানো।
❖ “ভাইরাস … অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত” ⇒ মাইক্রোবায়োলজির পাঠ্যক্ষেত্রে ভাইরাসকে অবশ্যই অধ্যয়ন করা হয়; তবে আধুনিক জীববিজ্ঞানে ভাইরাসকে কোষীয় অণুজীব নয়, বরং অকোষীয় সংক্রামক সত্তা হিসেবে বর্ণনা করা অধিক নির্ভুল।
❖ “রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে প্যাথোজেনিক বলে” ⇒ Pathogenic একটি বিশেষণ, অর্থ “রোগসৃষ্টিকারী”; রোগসৃষ্টিকারী জীব বা সত্তাকে বিশেষ্য হিসেবে pathogen (প্যাথোজেন) বলা অধিক শুদ্ধ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অণুপ্রাণ বিজ্ঞান ⇒ এটি Microbiology-এর প্রমিত বাংলা প্রতিশব্দ নয়।
❖ খ. অণুজীব বিজ্ঞান ⇒ সঠিক; Microbiology-এর প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দ অণুজীববিজ্ঞান।
❖ গ. জীবাণুবিজ্ঞান ⇒ কথ্য বা সীমিত অর্থে ব্যবহার হতে পারে, কিন্তু “জীবাণু” সাধারণত রোগজীবাণুকে বোঝায়; Microbiology-এর পরিসর তার চেয়ে অনেক বড়।
❖ ঘ. জীববিজ্ঞান ⇒ Biology সমগ্র জীবজগতের অধ্যয়ন; Microbiology তার একটি বিশেষায়িত শাখা।"
ব্যাখ্যা: জীববিজ্ঞানের যে শাখায় অণুজীব নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অণুজীব বিজ্ঞান (Microbiology) বলে। ১৬৭৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন সর্বপ্রথম অণুজীব আবিষ্কার করেন। তাকে অণুজীব বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। ভাইরাস, রিকেটসিয়া, ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। যে সব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথোজেনিক (Pathogenic) বলে।
◈ সঠিক উত্তর: অণুজীব বিজ্ঞান (Microbiology)
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Microbiology বা অণুজীববিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে খালি চোখে সাধারণত দেখা যায় না—এমন অতি ক্ষুদ্র জৈব সত্তা ও জীব, যেমন ব্যাকটেরিয়া, আর্কিয়া, প্রোটোজোয়া, অণুবীক্ষণিক ছত্রাক ও শৈবাল এবং ভাইরাসের গঠন, বংশবিস্তার, শারীরবৃত্ত, রোগসৃষ্টির ক্ষমতা ও পরিবেশগত ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
❖ ডাচ অণুবীক্ষণবিদ Antonie van Leeuwenhoek (১৬৩২–১৭২৩) নিজস্ব একলেন্সবিশিষ্ট অণুবীক্ষণযন্ত্র ব্যবহার করে জীবন্ত অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেন। ৯ অক্টোবর ১৬৭৬ তারিখে Royal Society-কে লেখা তাঁর চিঠিতে জল ও মরিচ-ভেজানো দ্রবণে বিভিন্ন “animalcules” বা ক্ষুদ্র জীব পর্যবেক্ষণের বিবরণ রয়েছে; আধুনিক গবেষণাতেও তাঁকে “Father of Microbiology” বলা হয়।
➤ Micro = ক্ষুদ্র, bios = জীবন এবং logos = অধ্যয়ন/জ্ঞান—এই গ্রিক উৎস থেকেই microbiology শব্দটির ধারণাগত অর্থ “ক্ষুদ্র জীবের অধ্যয়ন”।
➤ চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, পরিবেশবিজ্ঞান, ওষুধ উৎপাদন ও রোগনির্ণয়ে মাইক্রোবায়োলজির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “১৬৭৬ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন…” ⇒ Antonie van Leeuwenhoek ব্রিটিশ নন; তিনি ডাচ বা ওলন্দাজ বিজ্ঞানী/অণুবীক্ষণবিদ ছিলেন। Royal Society-র সংরক্ষিত ১৬৭৬ সালের মূল চিঠিও Delft, Netherlands থেকে পাঠানো।
❖ “ভাইরাস … অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত” ⇒ মাইক্রোবায়োলজির পাঠ্যক্ষেত্রে ভাইরাসকে অবশ্যই অধ্যয়ন করা হয়; তবে আধুনিক জীববিজ্ঞানে ভাইরাসকে কোষীয় অণুজীব নয়, বরং অকোষীয় সংক্রামক সত্তা হিসেবে বর্ণনা করা অধিক নির্ভুল।
❖ “রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে প্যাথোজেনিক বলে” ⇒ Pathogenic একটি বিশেষণ, অর্থ “রোগসৃষ্টিকারী”; রোগসৃষ্টিকারী জীব বা সত্তাকে বিশেষ্য হিসেবে pathogen (প্যাথোজেন) বলা অধিক শুদ্ধ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অণুপ্রাণ বিজ্ঞান ⇒ এটি Microbiology-এর প্রমিত বাংলা প্রতিশব্দ নয়।
❖ খ. অণুজীব বিজ্ঞান ⇒ সঠিক; Microbiology-এর প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দ অণুজীববিজ্ঞান।
❖ গ. জীবাণুবিজ্ঞান ⇒ কথ্য বা সীমিত অর্থে ব্যবহার হতে পারে, কিন্তু “জীবাণু” সাধারণত রোগজীবাণুকে বোঝায়; Microbiology-এর পরিসর তার চেয়ে অনেক বড়।
❖ ঘ. জীববিজ্ঞান ⇒ Biology সমগ্র জীবজগতের অধ্যয়ন; Microbiology তার একটি বিশেষায়িত শাখা।"