01
🎯 Level 1
০২. Disease that spreads by means of germs carried in the atmosphere is called - / যে সব রোগ এক দেহ থেকে অন্য দেহে যেতে পারে তাকে কী রোগ বলে? / যেসব রোগের জীবাণু রোগীর কফ, থুতু, হাঁচি, কাশি ইত্যাদি বা বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায় তাকে কী বলে? (পিকেএসএফ’র সহকারী ব্যবস্থাপক: ১৪)
✅ সঠিক উত্তর:ঘ. Infectious / সংক্রামক
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সংক্রামক রোগ (Infectious Disease) হলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী বা অন্যান্য রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এসব রোগের অনেকগুলো মানুষ, প্রাণী, খাদ্য, পানি, বাতাস কিংবা বাহকের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করতে পারে।
❖ সংক্রামক রোগের প্রধান কারণ: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
❖ প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষাগত পার্থক্য: ইংরেজি প্রশ্নে বাতাসের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অধিক নির্দিষ্ট শব্দ Airborne Disease। তবে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে Infectious-ই সঠিক।
❖ Infectious ও Communicable-এর পার্থক্য: Infectious বলতে জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ বোঝায়। Communicable বলতে এমন রোগ বোঝায়, যা কোনো মাধ্যমে এক পোষক থেকে অন্য পোষকে ছড়াতে পারে।
❖ সব সংক্রামক রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না: উদাহরণস্বরূপ টিটেনাস (Tetanus) ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, কিন্তু সাধারণত একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সরাসরি ছড়ায় না।
❖ টিটেনাসের জীবাণু: Clostridium tetani। মাটি বা পরিবেশে থাকা জীবাণুর স্পোর ক্ষতের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ ছোঁয়াচে রোগ (Contagious Disease): যেসব সংক্রামক রোগ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে তুলনামূলক সহজে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে সাধারণভাবে ছোঁয়াচে রোগ বলা হয়।
❖ বায়ুবাহিত সংক্রমণ (Airborne Transmission): আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস, কাশি, হাঁচি বা কথাবার্তার সময় নির্গত সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণা বাতাসের মাধ্যমে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ বায়ুবাহিত রোগের উদাহরণ: যক্ষ্মা, হাম ও কোভিড-১৯। ইনফ্লুয়েঞ্জাও সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণার মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ যক্ষ্মা (Tuberculosis): প্রধান জীবাণু Mycobacterium tuberculosis। সংক্রামক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগীর নির্গত ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে রোগটি ছড়াতে পারে।
❖ হাম (Measles): অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস নেওয়া, কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারেন।
❖ পানিবাহিত সংক্রমণ (Waterborne Transmission): জীবাণুদূষিত পানি গ্রহণের মাধ্যমে রোগ ছড়ানো। উদাহরণ কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
❖ খাদ্যবাহিত সংক্রমণ (Foodborne Transmission): দূষিত খাবারের মাধ্যমে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করা।
❖ কলেরা: Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়। এটি তীব্র পানিশূন্যতা ঘটাতে পারে।
❖ টাইফয়েড: Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ ভেক্টরবাহিত রোগ (Vector-borne Disease): মশা, বালুমাছি, উকুন, পিসু বা টিকের মতো জীবন্ত বাহকের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমিত হয়।
❖ মশাবাহিত রোগ: ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও পীতজ্বর।
❖ বালুমাছিবাহিত রোগ: কালাজ্বর বা Visceral Leishmaniasis।
❖ পিসুবাহিত রোগ: প্লেগের অনেক সংক্রমণ সংক্রমিত পিসুর কামড়ের মাধ্যমে ঘটে।
❖ রক্তবাহিত সংক্রমণ: সংক্রমিত রক্ত বা রক্তদূষিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ছড়ায়। উদাহরণ HIV, হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি।
❖ যৌন সংস্পর্শে সংক্রমণ: HIV, সিফিলিস, গনোরিয়া ও কিছু অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণ।
❖ মা থেকে শিশুর সংক্রমণ: গর্ভাবস্থা, প্রসব বা মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে কিছু জীবাণু শিশুর দেহে প্রবেশ করতে পারে। একে Vertical Transmission বলে।
❖ জুনোটিক রোগ (Zoonotic Disease): প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত হতে পারে এমন রোগ। উদাহরণ জলাতঙ্ক, নিপাহ এবং কিছু ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা।
❖ জলাতঙ্কের জীবাণু: Rabies Virus। সাধারণত সংক্রমিত স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা লালার মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে।
❖ নিপাহ ভাইরাস: এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংক্রমিত প্রাণী, দূষিত খাদ্য এবং ঘনিষ্ঠ পরিচর্যার মাধ্যমে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে।
❖ অসংক্রামক রোগ: সাধারণত রোগজীবাণুর ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়ায় না। উদাহরণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, স্ট্রোক ও অ্যাজমা।
❖ জন্ডিস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জন্ডিস নিজে নির্দিষ্ট সংক্রামক রোগ নয়; এটি ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়ার একটি লক্ষণ। হেপাটাইটিস এ বা ই-র কারণে হলে সংশ্লিষ্ট সংক্রমণ দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
❖ রোগ প্রতিরোধ: টিকাদান, বিশুদ্ধ পানি, নিরাপদ খাদ্য, হাত পরিষ্কার রাখা, উপযুক্ত বায়ুচলাচল, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ চিকিৎসাসামগ্রী ব্যবহার সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
➤ Airborne Disease — বায়ুবাহিত রোগ।
➤ Waterborne Disease — পানিবাহিত রোগ।
➤ Vector-borne Disease — বাহকবাহিত রোগ।
➤ Zoonotic Disease — প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণযোগ্য রোগ।
➤ সংক্রামক রোগের কারণ — রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু।
➤ রোগজীবাণুর প্রধান শ্রেণি — ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
➤ বায়ুবাহিত রোগ — হাম ও যক্ষ্মা।
➤ পানিবাহিত রোগ — কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
➤ মশাবাহিত রোগ — ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়া।
➤ বালুমাছিবাহিত রোগ — কালাজ্বর।
➤ রক্তবাহিত সংক্রমণ — HIV, হেপাটাইটিস বি ও সি।
➤ জলাতঙ্ক — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ নিপাহ — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ টিটেনাস — সংক্রামক হলেও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায় না।
➤ টিটেনাসের জীবাণু — Clostridium tetani।
➤ Vertical Transmission — মা থেকে শিশুর সংক্রমণ।
➤ Non-Communicable Disease — অসংক্রামক রোগ।
➤ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যান্সার — অসংক্রামক রোগ।
➤ সংক্রামক ও ছোঁয়াচে শব্দের অর্থ পুরোপুরি অভিন্ন নয়।"
◈ সঠিক উত্তর: Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সংক্রামক রোগ (Infectious Disease) হলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী বা অন্যান্য রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এসব রোগের অনেকগুলো মানুষ, প্রাণী, খাদ্য, পানি, বাতাস কিংবা বাহকের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করতে পারে।
❖ সংক্রামক রোগের প্রধান কারণ: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
❖ প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষাগত পার্থক্য: ইংরেজি প্রশ্নে বাতাসের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অধিক নির্দিষ্ট শব্দ Airborne Disease। তবে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে Infectious-ই সঠিক।
❖ Infectious ও Communicable-এর পার্থক্য: Infectious বলতে জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ বোঝায়। Communicable বলতে এমন রোগ বোঝায়, যা কোনো মাধ্যমে এক পোষক থেকে অন্য পোষকে ছড়াতে পারে।
❖ সব সংক্রামক রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না: উদাহরণস্বরূপ টিটেনাস (Tetanus) ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, কিন্তু সাধারণত একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সরাসরি ছড়ায় না।
❖ টিটেনাসের জীবাণু: Clostridium tetani। মাটি বা পরিবেশে থাকা জীবাণুর স্পোর ক্ষতের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ ছোঁয়াচে রোগ (Contagious Disease): যেসব সংক্রামক রোগ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে তুলনামূলক সহজে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে সাধারণভাবে ছোঁয়াচে রোগ বলা হয়।
❖ বায়ুবাহিত সংক্রমণ (Airborne Transmission): আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস, কাশি, হাঁচি বা কথাবার্তার সময় নির্গত সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণা বাতাসের মাধ্যমে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ বায়ুবাহিত রোগের উদাহরণ: যক্ষ্মা, হাম ও কোভিড-১৯। ইনফ্লুয়েঞ্জাও সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণার মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ যক্ষ্মা (Tuberculosis): প্রধান জীবাণু Mycobacterium tuberculosis। সংক্রামক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগীর নির্গত ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে রোগটি ছড়াতে পারে।
❖ হাম (Measles): অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস নেওয়া, কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারেন।
❖ পানিবাহিত সংক্রমণ (Waterborne Transmission): জীবাণুদূষিত পানি গ্রহণের মাধ্যমে রোগ ছড়ানো। উদাহরণ কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
❖ খাদ্যবাহিত সংক্রমণ (Foodborne Transmission): দূষিত খাবারের মাধ্যমে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করা।
❖ কলেরা: Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়। এটি তীব্র পানিশূন্যতা ঘটাতে পারে।
❖ টাইফয়েড: Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ ভেক্টরবাহিত রোগ (Vector-borne Disease): মশা, বালুমাছি, উকুন, পিসু বা টিকের মতো জীবন্ত বাহকের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমিত হয়।
❖ মশাবাহিত রোগ: ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও পীতজ্বর।
❖ বালুমাছিবাহিত রোগ: কালাজ্বর বা Visceral Leishmaniasis।
❖ পিসুবাহিত রোগ: প্লেগের অনেক সংক্রমণ সংক্রমিত পিসুর কামড়ের মাধ্যমে ঘটে।
❖ রক্তবাহিত সংক্রমণ: সংক্রমিত রক্ত বা রক্তদূষিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ছড়ায়। উদাহরণ HIV, হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি।
❖ যৌন সংস্পর্শে সংক্রমণ: HIV, সিফিলিস, গনোরিয়া ও কিছু অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণ।
❖ মা থেকে শিশুর সংক্রমণ: গর্ভাবস্থা, প্রসব বা মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে কিছু জীবাণু শিশুর দেহে প্রবেশ করতে পারে। একে Vertical Transmission বলে।
❖ জুনোটিক রোগ (Zoonotic Disease): প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত হতে পারে এমন রোগ। উদাহরণ জলাতঙ্ক, নিপাহ এবং কিছু ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা।
❖ জলাতঙ্কের জীবাণু: Rabies Virus। সাধারণত সংক্রমিত স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা লালার মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে।
❖ নিপাহ ভাইরাস: এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংক্রমিত প্রাণী, দূষিত খাদ্য এবং ঘনিষ্ঠ পরিচর্যার মাধ্যমে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে।
❖ অসংক্রামক রোগ: সাধারণত রোগজীবাণুর ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়ায় না। উদাহরণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, স্ট্রোক ও অ্যাজমা।
❖ জন্ডিস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জন্ডিস নিজে নির্দিষ্ট সংক্রামক রোগ নয়; এটি ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়ার একটি লক্ষণ। হেপাটাইটিস এ বা ই-র কারণে হলে সংশ্লিষ্ট সংক্রমণ দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
❖ রোগ প্রতিরোধ: টিকাদান, বিশুদ্ধ পানি, নিরাপদ খাদ্য, হাত পরিষ্কার রাখা, উপযুক্ত বায়ুচলাচল, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ চিকিৎসাসামগ্রী ব্যবহার সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
➤ Airborne Disease — বায়ুবাহিত রোগ।
➤ Waterborne Disease — পানিবাহিত রোগ।
➤ Vector-borne Disease — বাহকবাহিত রোগ।
➤ Zoonotic Disease — প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণযোগ্য রোগ।
➤ সংক্রামক রোগের কারণ — রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু।
➤ রোগজীবাণুর প্রধান শ্রেণি — ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
➤ বায়ুবাহিত রোগ — হাম ও যক্ষ্মা।
➤ পানিবাহিত রোগ — কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
➤ মশাবাহিত রোগ — ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়া।
➤ বালুমাছিবাহিত রোগ — কালাজ্বর।
➤ রক্তবাহিত সংক্রমণ — HIV, হেপাটাইটিস বি ও সি।
➤ জলাতঙ্ক — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ নিপাহ — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ টিটেনাস — সংক্রামক হলেও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায় না।
➤ টিটেনাসের জীবাণু — Clostridium tetani।
➤ Vertical Transmission — মা থেকে শিশুর সংক্রমণ।
➤ Non-Communicable Disease — অসংক্রামক রোগ।
➤ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যান্সার — অসংক্রামক রোগ।
➤ সংক্রামক ও ছোঁয়াচে শব্দের অর্থ পুরোপুরি অভিন্ন নয়।"