🧠 🔖
👑 Premium Topic

ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ

◉ সাধারণ বিজ্ঞান›ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚131মোট প্রশ্ন
🎯7মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০২. Disease that spreads by means of germs carried in the atmosphere is called - / যে সব রোগ এক দেহ থেকে অন্য দেহে যেতে পারে তাকে কী রোগ বলে? / যেসব রোগের জীবাণু রোগীর কফ, থুতু, হাঁচি, কাশি ইত্যাদি বা বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায় তাকে কী বলে? (পিকেএসএফ’র সহকারী ব্যবস্থাপক: ১৪)

ক

Limited

খ

Harmless

গ

Hygienic

ঘ

Infectious / সংক্রামক

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. Infectious / সংক্রামক

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সংক্রামক রোগ (Infectious Disease) হলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী বা অন্যান্য রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এসব রোগের অনেকগুলো মানুষ, প্রাণী, খাদ্য, পানি, বাতাস কিংবা বাহকের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করতে পারে।
❖ সংক্রামক রোগের প্রধান কারণ: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
❖ প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষাগত পার্থক্য: ইংরেজি প্রশ্নে বাতাসের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অধিক নির্দিষ্ট শব্দ Airborne Disease। তবে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে Infectious-ই সঠিক।
❖ Infectious ও Communicable-এর পার্থক্য: Infectious বলতে জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট রোগ বোঝায়। Communicable বলতে এমন রোগ বোঝায়, যা কোনো মাধ্যমে এক পোষক থেকে অন্য পোষকে ছড়াতে পারে।
❖ সব সংক্রামক রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না: উদাহরণস্বরূপ টিটেনাস (Tetanus) ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, কিন্তু সাধারণত একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সরাসরি ছড়ায় না।
❖ টিটেনাসের জীবাণু: Clostridium tetani। মাটি বা পরিবেশে থাকা জীবাণুর স্পোর ক্ষতের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ ছোঁয়াচে রোগ (Contagious Disease): যেসব সংক্রামক রোগ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে তুলনামূলক সহজে ছড়িয়ে পড়ে, সেগুলোকে সাধারণভাবে ছোঁয়াচে রোগ বলা হয়।
❖ বায়ুবাহিত সংক্রমণ (Airborne Transmission): আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস, কাশি, হাঁচি বা কথাবার্তার সময় নির্গত সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণা বাতাসের মাধ্যমে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ বায়ুবাহিত রোগের উদাহরণ: যক্ষ্মা, হাম ও কোভিড-১৯। ইনফ্লুয়েঞ্জাও সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণার মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ যক্ষ্মা (Tuberculosis): প্রধান জীবাণু Mycobacterium tuberculosis। সংক্রামক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগীর নির্গত ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে রোগটি ছড়াতে পারে।
❖ হাম (Measles): অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস নেওয়া, কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারেন।
❖ পানিবাহিত সংক্রমণ (Waterborne Transmission): জীবাণুদূষিত পানি গ্রহণের মাধ্যমে রোগ ছড়ানো। উদাহরণ কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
❖ খাদ্যবাহিত সংক্রমণ (Foodborne Transmission): দূষিত খাবারের মাধ্যমে রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করা।
❖ কলেরা: Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়। এটি তীব্র পানিশূন্যতা ঘটাতে পারে।
❖ টাইফয়েড: Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ ভেক্টরবাহিত রোগ (Vector-borne Disease): মশা, বালুমাছি, উকুন, পিসু বা টিকের মতো জীবন্ত বাহকের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমিত হয়।
❖ মশাবাহিত রোগ: ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও পীতজ্বর।
❖ বালুমাছিবাহিত রোগ: কালাজ্বর বা Visceral Leishmaniasis।
❖ পিসুবাহিত রোগ: প্লেগের অনেক সংক্রমণ সংক্রমিত পিসুর কামড়ের মাধ্যমে ঘটে।
❖ রক্তবাহিত সংক্রমণ: সংক্রমিত রক্ত বা রক্তদূষিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ছড়ায়। উদাহরণ HIV, হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি।
❖ যৌন সংস্পর্শে সংক্রমণ: HIV, সিফিলিস, গনোরিয়া ও কিছু অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণ।
❖ মা থেকে শিশুর সংক্রমণ: গর্ভাবস্থা, প্রসব বা মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে কিছু জীবাণু শিশুর দেহে প্রবেশ করতে পারে। একে Vertical Transmission বলে।
❖ জুনোটিক রোগ (Zoonotic Disease): প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত হতে পারে এমন রোগ। উদাহরণ জলাতঙ্ক, নিপাহ এবং কিছু ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা।
❖ জলাতঙ্কের জীবাণু: Rabies Virus। সাধারণত সংক্রমিত স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা লালার মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে।
❖ নিপাহ ভাইরাস: এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংক্রমিত প্রাণী, দূষিত খাদ্য এবং ঘনিষ্ঠ পরিচর্যার মাধ্যমে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে।
❖ অসংক্রামক রোগ: সাধারণত রোগজীবাণুর ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়ায় না। উদাহরণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, স্ট্রোক ও অ্যাজমা।
❖ জন্ডিস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জন্ডিস নিজে নির্দিষ্ট সংক্রামক রোগ নয়; এটি ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়ার একটি লক্ষণ। হেপাটাইটিস এ বা ই-র কারণে হলে সংশ্লিষ্ট সংক্রমণ দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
❖ রোগ প্রতিরোধ: টিকাদান, বিশুদ্ধ পানি, নিরাপদ খাদ্য, হাত পরিষ্কার রাখা, উপযুক্ত বায়ুচলাচল, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ চিকিৎসাসামগ্রী ব্যবহার সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Infectious Disease — সংক্রামক রোগ।
➤ Airborne Disease — বায়ুবাহিত রোগ।
➤ Waterborne Disease — পানিবাহিত রোগ।
➤ Vector-borne Disease — বাহকবাহিত রোগ।
➤ Zoonotic Disease — প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণযোগ্য রোগ।
➤ সংক্রামক রোগের কারণ — রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু।
➤ রোগজীবাণুর প্রধান শ্রেণি — ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবী।
➤ বায়ুবাহিত রোগ — হাম ও যক্ষ্মা।
➤ পানিবাহিত রোগ — কলেরা, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস এ।
➤ মশাবাহিত রোগ — ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়া।
➤ বালুমাছিবাহিত রোগ — কালাজ্বর।
➤ রক্তবাহিত সংক্রমণ — HIV, হেপাটাইটিস বি ও সি।
➤ জলাতঙ্ক — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ নিপাহ — ভাইরাসজনিত জুনোটিক রোগ।
➤ টিটেনাস — সংক্রামক হলেও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায় না।
➤ টিটেনাসের জীবাণু — Clostridium tetani।
➤ Vertical Transmission — মা থেকে শিশুর সংক্রমণ।
➤ Non-Communicable Disease — অসংক্রামক রোগ।
➤ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যান্সার — অসংক্রামক রোগ।
➤ সংক্রামক ও ছোঁয়াচে শব্দের অর্থ পুরোপুরি অভিন্ন নয়।"
02
🎯 Level 1

০৮. কোনটি ছোঁয়াচে রোগ নয়? (সিএজি কার্যালয়ের অডিটর: ১৮)

ক

এইডস

খ

যক্ষ্মা

গ

বসন্ত

ঘ

প্লেগ

✅ সঠিক উত্তর:ক. এইডস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: এইডস — সাধারণ স্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় না।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এইডস (AIDS) হলো HIV সংক্রমণের অগ্রসর পর্যায়। HIV একটি সংক্রামক ভাইরাস হলেও এটি হাত মেলানো, আলিঙ্গন, একই পাত্রে খাবার খাওয়া বা সাধারণ সামাজিক স্পর্শে ছড়ায় না।
❖ প্রশ্নের মূল পার্থক্য: এখানে 'ছোঁয়াচে' বলতে সাধারণ স্পর্শ বা দৈনন্দিন সামাজিক সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বোঝানো হয়েছে। এই অর্থে উত্তর এইডস।
❖ HIV ও AIDS: HIV হলো সংক্রমণকারী ভাইরাস, আর AIDS হলো এর অগ্রসর রোগাবস্থা।
❖ HIV সংক্রমণের মাধ্যম: নির্দিষ্ট সংক্রমণযোগ্য দেহতরল, বিশেষত রক্ত, বীর্য, যোনি বা পায়ুপথের নির্দিষ্ট নিঃসরণ এবং মাতৃদুগ্ধ।
❖ যৌন সংস্পর্শ: যথাযথ প্রতিরোধব্যবস্থা ছাড়া যৌন সংস্পর্শে HIV ছড়াতে পারে।
❖ দূষিত সুচ: HIV-দূষিত সুচ বা ইনজেকশন সরঞ্জাম ভাগ করে ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
❖ মা থেকে শিশুতে: গর্ভাবস্থা, প্রসব বা মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে HIV সংক্রমিত হতে পারে।
❖ HIV ছড়ায় না: মশার কামড়, হাত মেলানো, আলিঙ্গন, কাশি-হাঁচি, খাবার ভাগ করে খাওয়া বা একই টয়লেট ব্যবহার করার মাধ্যমে।
❖ যক্ষ্মা: সংক্রামক ফুসফুসীয় যক্ষ্মার জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করতে পারে।
❖ বসন্ত: প্রশ্নে বসন্ত বলতে সাধারণত গুটি বসন্ত (Smallpox) বোঝানো হয়েছে। এটি Variola Virus দ্বারা সৃষ্ট অত্যন্ত সংক্রামক রোগ ছিল।
❖ গুটি বসন্তের নির্মূল: ১৯৮০ সালে WHO রোগটি বিশ্বব্যাপী নির্মূল ঘোষণা করে।
❖ প্লেগ (Plague): Yersinia pestis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক রোগ।
❖ প্লেগের প্রধান ধরন: Bubonic Plague, Septicemic Plague ও Pneumonic Plague।
❖ বিউবোনিক প্লেগ: সাধারণত সংক্রমিত পিসু (Flea)-র কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
❖ নিউমোনিক প্লেগ: আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রীয় কণার মাধ্যমে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হতে পারে।
❖ সংক্রামক ও ছোঁয়াচে শব্দের পার্থক্য: HIV সংক্রামক হলেও সাধারণ স্পর্শে ছোঁয়াচে নয়। আবার প্লেগের সব ধরনের সংক্রমণ একইভাবে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি ছড়ায় না।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সাধারণ স্পর্শে ছোঁয়াচে নয় — এইডস।
➤ AIDS-এর কারণ — HIV।
➤ HIV — Human Immunodeficiency Virus।
➤ AIDS — Acquired Immunodeficiency Syndrome।
➤ HIV সাধারণ স্পর্শে ছড়ায় না।
➤ HIV মশার কামড়ে ছড়ায় না।
➤ HIV-এর প্রধান সংক্রমণ — নির্দিষ্ট দেহতরলের মাধ্যমে।
➤ যক্ষ্মা — বাতাসে ছড়াতে পারে।
➤ গুটি বসন্ত — Variola Virus-জনিত।
➤ গুটি বসন্ত নির্মূল — ১৯৮০।
➤ প্লেগের জীবাণু — Yersinia pestis।
➤ Bubonic Plague — প্রধানত পিসুবাহিত।
➤ Pneumonic Plague — শ্বাসতন্ত্রীয় কণায় মানুষে-মানুষে ছড়াতে পারে।
➤ সংক্রামক এবং সাধারণ স্পর্শে ছোঁয়াচে — একই অর্থ নয়।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১৪. বায়ুর মাধ্যমে সংক্রামিত হয় কোনটি? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ৯০)

ক

ইনফ্লুয়েঞ্জা

খ

আমাশয়

গ

টাইফয়েড

ঘ

কলেরা

✅ সঠিক উত্তর:ক. ইনফ্লুয়েঞ্জা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো একটি ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামক রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির নির্গত সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রীয় কণার মাধ্যমে অন্য ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবাণু: Influenza Virus।
❖ সংক্রমণের মাধ্যম: শ্বাসপ্রশ্বাস, কথা বলা, কাশি ও হাঁচির সময় নির্গত Respiratory Droplets ও Aerosols।
❖ Droplet ও Aerosol: উভয়ই শ্বাসতন্ত্র থেকে নির্গত তরল কণা। ছোট কণা বাতাসে দীর্ঘসময় স্থির থাকতে পারে, বিশেষত বদ্ধ ও অপর্যাপ্ত বায়ুচলাচলযুক্ত পরিবেশে।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার সাধারণ লক্ষণ: হঠাৎ জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা, কাশি, পেশিব্যথা ও ক্লান্তি।
❖ Incubation Period: ইনফ্লুয়েঞ্জার উপসর্গ সাধারণত সংক্রমণের প্রায় ১–৪ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা A: বিভিন্ন মানুষের ও প্রাণীর মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং কিছু বৈশ্বিক মহামারির সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা B: মানুষের মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
❖ H ও N-এর অর্থ: Influenza A ভাইরাসের উপধরনে H = Hemagglutinin এবং N = Neuraminidase।
❖ H1N1 ও H3N2: মানবদেহে প্রচলিত Influenza A-এর দুটি পরিচিত উপধরন।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধ: টিকা, ভালো বায়ুচলাচল, অসুস্থ অবস্থায় অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ কমানো এবং হাতের পরিচ্ছন্নতা।
❖ আমাশয়: সাধারণত মল-মুখ পথ (Faecal-Oral Route) দিয়ে ছড়ানো জীবাণুর সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ ব্যাসিলারি আমাশয়: প্রধানত Shigella ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট।
❖ অ্যামিবিক আমাশয়: Entamoeba histolytica পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট।
❖ টাইফয়েড: Salmonella Typhi-জনিত খাদ্য-পানিবাহিত রোগ।
❖ কলেরা: Vibrio cholerae-জনিত খাদ্য-পানিবাহিত রোগ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বায়ুর মাধ্যমে সংক্রমিত — ইনফ্লুয়েঞ্জা।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবাণু — Influenza Virus।
➤ Influenza Virus — Orthomyxoviridae পরিবারের।
➤ H1N1 — Influenza A-এর উপধরন।
➤ H3N2 — Influenza A-এর উপধরন।
➤ H — Hemagglutinin।
➤ N — Neuraminidase।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জার সাধারণ Incubation Period — ১–৪ দিন।
➤ আমাশয় — সাধারণত মল-মুখ পথে ছড়ায়।
➤ ব্যাসিলারি আমাশয় — Shigella।
➤ অ্যামিবিক আমাশয় — Entamoeba histolytica।
➤ টাইফয়েড — Salmonella Typhi।
➤ কলেরা — Vibrio cholerae।
04
🎯 Level 1

২০. পানিবাহিত রোগ কোনটি নয়? (নার্সিং অধিদপ্তরের মিডওয়াইফ: ১৭)

ক

ডায়রিয়া

খ

টাইফয়েড

গ

ম্যালেরিয়া

ঘ

আমাশয়

✅ সঠিক উত্তর:গ. ম্যালেরিয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়া (Malaria) — মশাবাহিত পরজীবীজনিত রোগ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ম্যালেরিয়া (Malaria) হলো Plasmodium গণের পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি প্রধানত সংক্রমিত স্ত্রী Anopheles মশার কামড়ে ছড়ায়।
❖ ম্যালেরিয়া পানিবাহিত নয়: দূষিত পানি পান করার মাধ্যমে সাধারণত ম্যালেরিয়া হয় না।
❖ ম্যালেরিয়ার জীবাণু: Plasmodium গণের এককোষী পরজীবী।
❖ মানুষের ম্যালেরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি:
➤ Plasmodium falciparum।
➤ Plasmodium vivax।
➤ Plasmodium malariae।
➤ Plasmodium ovale।
➤ Plasmodium knowlesi।
❖ P. falciparum: গুরুতর ও জীবনঝুঁকিপূর্ণ ম্যালেরিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।
❖ P. vivax: বিভিন্ন অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এটি যকৃতে সুপ্ত পর্যায় তৈরি করে পরবর্তীতে আবার রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।
❖ ম্যালেরিয়ার বাহক: স্ত্রী Anopheles মশা।
❖ স্ত্রী মশাই কেন গুরুত্বপূর্ণ: স্ত্রী মশা ডিম উৎপাদনের জন্য রক্ত গ্রহণ করে এবং এ সময় সংক্রমিত হলে পরজীবী স্থানান্তর করতে পারে।
❖ ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ধাপ: সংক্রমিত মশার লালার সঙ্গে Sporozoite মানবদেহে প্রবেশ করে।
❖ প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়: পরজীবী প্রথমে যকৃতের কোষে বিকাশ লাভ করে।
❖ পরবর্তী পর্যায়: পরজীবী লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) আক্রমণ করে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
❖ ম্যালেরিয়ার লক্ষণ: জ্বর, কাঁপুনি, ঘাম, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, বমিভাব এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তশূন্যতা বা অঙ্গের জটিলতা।
❖ ম্যালেরিয়ার জীবনচক্র: মানুষ ও Anopheles মশা—উভয়ের দেহে পরজীবীর জীবনচক্রের ভিন্ন অংশ সম্পন্ন হয়।
❖ চূড়ান্ত পোষক (Definitive Host): Plasmodium-এর যৌন প্রজনন মশার দেহে সম্পন্ন হয় বলে স্ত্রী Anopheles মশা চূড়ান্ত পোষক।
❖ মধ্যবর্তী পোষক (Intermediate Host): মানুষের দেহে অযৌন বৃদ্ধি ঘটে বলে পরীক্ষাভিত্তিক জীবনচক্রের আলোচনায় মানুষ মধ্যবর্তী পোষক।
❖ ম্যালেরিয়া শনাক্তকরণ: রক্তের মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা এবং Rapid Diagnostic Test (RDT) গুরুত্বপূর্ণ।
❖ প্রতিরোধ: কীটনাশকযুক্ত মশারি, মশার কামড় প্রতিরোধ, প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ওষুধ ও কার্যকর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা।
❖ ডায়রিয়া: বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক ডায়রিয়া দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে হতে পারে।
❖ টাইফয়েড: Salmonella Typhi-জনিত খাদ্য-পানিবাহিত রোগ।
❖ আমাশয়: সাধারণত Shigella অথবা Entamoeba histolytica-সংক্রান্ত অন্ত্রের রোগ, যা দূষিত খাদ্য-পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পানিবাহিত নয় — ম্যালেরিয়া।
➤ ম্যালেরিয়া — মশাবাহিত রোগ।
➤ ম্যালেরিয়ার জীবাণু — Plasmodium।
➤ ম্যালেরিয়ার বাহক — স্ত্রী Anopheles মশা।
➤ প্রধান গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি — P. falciparum ও P. vivax।
➤ গুরুতর ম্যালেরিয়ার প্রধান কারণগুলোর একটি — P. falciparum।
➤ মানুষের দেহে প্রবেশকারী পর্যায় — Sporozoite।
➤ ম্যালেরিয়া প্রথমে আক্রমণ করে — যকৃতের কোষ।
➤ পরবর্তীতে আক্রমণ করে — লোহিত রক্তকণিকা।
➤ Plasmodium-এর চূড়ান্ত পোষক — স্ত্রী Anopheles।
➤ Plasmodium-এর মধ্যবর্তী পোষক — মানুষ।
➤ ম্যালেরিয়া পরীক্ষায় — Blood Smear ও RDT।
➤ ডায়রিয়া — সংক্রমণজনিত হলে পানিবাহিত হতে পারে।
➤ টাইফয়েড — পানিবাহিত।
➤ আমাশয় — মল-মুখ পথে ছড়ায়।
05
🎯 Level 1

২৬. কোনটি জীবাণুবাহিত রোগ নয়? (জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ০৬)

ক

হাঁপানি

খ

হাম

গ

যক্ষ্মা

ঘ

ইনফ্লুয়েঞ্জা

✅ সঠিক উত্তর:ক. হাঁপানি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: হাঁপানি (Asthma) — এটি জীবাণুঘটিত সংক্রামক রোগ নয়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ হাঁপানি (Asthma) হলো শ্বাসনালির একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ (Chronic Inflammatory Airway Disease)। এতে শ্বাসনালি অতিসংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন উদ্দীপকের প্রভাবে শ্বাসনালি সাময়িকভাবে সংকুচিত হতে পারে। এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক বা পরজীবীর সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট রোগ নয়।
❖ অসংক্রামক রোগ (Non-communicable Disease বা NCD): যেসব রোগ সাধারণভাবে জীবাণুর মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় না, সেগুলোকে অসংক্রামক রোগ বলা হয়। হাঁপানি এ ধরনের রোগের অন্তর্ভুক্ত।
❖ হাঁপানির প্রধান লক্ষণ: শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ অনুভব, কাশি এবং শ্বাস নেওয়ার সময় সাঁই সাঁই শব্দ (Wheezing)।
❖ শ্বাসনালির পরিবর্তন: হাঁপানির সময় শ্বাসনালির পেশি সংকুচিত হয়, অভ্যন্তরীণ আবরণে প্রদাহ দেখা দেয় এবং শ্লেষ্মা উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে বাতাস চলাচলের পথ সংকীর্ণ হয়।
❖ হাঁপানির সম্ভাব্য উদ্দীপক: ধুলাবালি, ফুলের পরাগরেণু, ধোঁয়া, বায়ুদূষণ, ঠান্ডা বাতাস, শারীরিক পরিশ্রম এবং শ্বাসতন্ত্রের কিছু ভাইরাসজনিত সংক্রমণ হাঁপানির উপসর্গ বাড়াতে পারে।
❖ ভাইরাস ও হাঁপানির সম্পর্ক: ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হাঁপানির তীব্রতা বাড়াতে পারে, কিন্তু তাই বলে হাঁপানি নিজে ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ হয়ে যায় না।
❖ অ্যালার্জির ভূমিকা: অনেক হাঁপানি রোগীর ক্ষেত্রে ধুলা, পরাগরেণু বা প্রাণীর লোমের অ্যালার্জেন শ্বাসনালির প্রদাহ ও সংকোচন বাড়িয়ে দিতে পারে।
❖ হাঁপানির নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত ইনহেলড কর্টিকোস্টেরয়েডসহ প্রদাহনিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী শ্বাসনালি প্রসারণকারী ওষুধও ব্যবহৃত হয়।
❖ হাম (Measles): এটি Measles Virus দ্বারা সৃষ্ট অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সংক্রমণের ফলে জ্বর, কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।
❖ হামের জীবাণু: Measles Morbillivirus, যা Paramyxoviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
❖ যক্ষ্মা (Tuberculosis বা TB): এটি সাধারণত Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। প্রধানত ফুসফুস আক্রান্ত হলেও দেহের অন্যান্য অঙ্গেও যক্ষ্মা হতে পারে।
❖ যক্ষ্মার প্রধান লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, জ্বর, রাতের বেলায় ঘাম, ওজন হ্রাস এবং দুর্বলতা। সংক্রামক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগীর শ্বাস থেকে নির্গত ক্ষুদ্র বায়ুবাহিত কণার মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza): এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক শ্বাসতন্ত্রের রোগ। সাধারণ লক্ষণ হলো জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, পেশিব্যথা ও ক্লান্তি।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার বিস্তার: আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস, কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে নির্গত ভাইরাসবাহী কণা দিয়ে অন্য ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারেন।
❖ জীবাণুঘটিত রোগ ও অসংক্রামক রোগের পার্থক্য: হাম, যক্ষ্মা ও ইনফ্লুয়েঞ্জার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংক্রমণকারী জীবাণু রয়েছে। কিন্তু হাঁপানির মূল রোগপ্রক্রিয়া শ্বাসনালির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ও অতিসংবেদনশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ জীবাণুঘটিত রোগ নয় — হাঁপানি।
➤ হাঁপানির ইংরেজি — Asthma।
➤ হাঁপানি — অসংক্রামক দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালির রোগ।
➤ NCD-এর পূর্ণরূপ — Non-communicable Disease।
➤ হাঁপানির প্রধান লক্ষণ — শ্বাসকষ্ট, কাশি ও Wheezing।
➤ Wheezing — শ্বাসের সময় সাঁই সাঁই শব্দ।
➤ হাঁপানির উদ্দীপক — ধুলাবালি, ধোঁয়া, অ্যালার্জেন ও ঠান্ডা বাতাস।
➤ হাম — ভাইরাসজনিত।
➤ হামের জীবাণু — Measles Virus।
➤ যক্ষ্মা — ব্যাকটেরিয়াজনিত।
➤ যক্ষ্মার জীবাণু — Mycobacterium tuberculosis।
➤ যক্ষ্মার সংক্ষিপ্ত নাম — TB।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জা — ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবাণু — Influenza Virus।
➤ হাঁপানি একজন থেকে অন্যজনের শরীরে সংক্রমিত হয় না।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৩৪. কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়? (প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৩)

ক

টিটেনাস

খ

ইনফ্লুয়েঞ্জা

গ

চিকেন পক্স

ঘ

হাম

✅ সঠিক উত্তর:ক. টিটেনাস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: টিটেনাস (Tetanus) — ব্যাকটেরিয়ার বিষক্রিয়াজনিত রোগ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ টিটেনাস (Tetanus) বা ধনুষ্টংকার হলো Clostridium tetani ব্যাকটেরিয়ার উৎপন্ন বিষাক্ত পদার্থের কারণে সৃষ্ট মারাত্মক রোগ। এটি ভাইরাসজনিত নয়।
❖ টিটেনাসের জীবাণু: Clostridium tetani—একটি স্পোর গঠনক্ষম, অবাত ব্যাকটেরিয়া।
❖ টিটেনাসের টক্সিন: Tetanospasmin নামের শক্তিশালী স্নায়ুবিষ টিটেনাসের প্রধান লক্ষণ সৃষ্টি করে।
❖ ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশপথ: ক্ষতস্থান, পেরেক বা ধারালো বস্তুতে সৃষ্ট ক্ষত এবং দূষিত মাটি বা পরিবেশের সংস্পর্শে আসা আঘাতের মাধ্যমে টিটেনাসের স্পোর শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
❖ মরিচা ও টিটেনাস: মরিচা নিজে টিটেনাস সৃষ্টি করে না। তবে মাটি বা ময়লায় দূষিত ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত লাগলে স্পোর ক্ষতে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
❖ টিটেনাসের প্রধান লক্ষণ: পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, চোয়াল আটকে যাওয়া, গিলতে অসুবিধা এবং তীব্র পেশিখিঁচুনি।
❖ লকজ (Lockjaw): চোয়ালের পেশি শক্ত হয়ে মুখ খুলতে অসুবিধা হওয়ার অবস্থাকে Lockjaw বলা হয়।
❖ টিটেনাস সংক্রামক কি না: এটি সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে সাধারণভাবে অন্য ব্যক্তির শরীরে ছড়ায় না।
❖ টিটেনাস প্রতিরোধ: নিয়মিত টিটেনাস টক্সয়েডসমৃদ্ধ টিকা এবং ক্ষতস্থানের যথাযথ চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
❖ টিটেনাসে রোগপ্রতিরোধ: একবার টিটেনাস হয়ে সেরে উঠলেও পর্যাপ্ত স্থায়ী রোগপ্রতিরোধ তৈরি নাও হতে পারে; তাই চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী টিকা প্রয়োজন।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জা: Influenza Virus দ্বারা সৃষ্ট শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
❖ চিকেন পক্স (Chickenpox): Varicella-zoster Virus (VZV) দ্বারা সৃষ্ট জলবসন্ত।
❖ হাম (Measles): Measles Virus দ্বারা সৃষ্ট অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
❖ টিটেনাস ও জলাতঙ্কের পার্থক্য: টিটেনাস ব্যাকটেরিয়ার Tetanospasmin Toxin দ্বারা সৃষ্ট; জলাতঙ্ক Rabies Virus দ্বারা সৃষ্ট।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ভাইরাসজনিত নয় — টিটেনাস।
➤ টিটেনাসের বাংলা — ধনুষ্টংকার।
➤ টিটেনাসের জীবাণু — Clostridium tetani।
➤ টিটেনাস — ব্যাকটেরিয়াজনিত।
➤ টিটেনাসের প্রধান টক্সিন — Tetanospasmin।
➤ Clostridium tetani — স্পোর গঠনক্ষম ব্যাকটেরিয়া।
➤ টিটেনাসে চোয়াল আটকে যাওয়া — Lockjaw।
➤ টিটেনাস ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায় না।
➤ টিটেনাস প্রতিরোধ — টিটেনাস টক্সয়েডসমৃদ্ধ টিকা।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জা — Influenza Virus।
➤ চিকেন পক্স — Varicella-zoster Virus।
➤ হাম — Measles Virus।
➤ Clostridium tetani ও Rabies Virus — ভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু।
07
🎯 Level 1

৪০. কোন সংক্রামক ব্যাধিটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড সবচেয়ে কম? (বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী সার্জন: ০৫)

ক

ইনফ্লুয়েঞ্জা

খ

হেপাটাইটিস

গ

জলাতঙ্ক

ঘ

লেপ্রোসি

✅ সঠিক উত্তর:ক. ইনফ্লুয়েঞ্জা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ইনফ্লুয়েঞ্জা — সাধারণত ১–৪ দিন।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইনকিউবেশন পিরিয়ড (Incubation Period) হলো কোনো সংক্রামক জীবাণু শরীরে প্রবেশ বা সংক্রমণের সময় থেকে প্রথম রোগলক্ষণ প্রকাশ পাওয়া পর্যন্ত সময়।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার সুপ্তিকাল: সাধারণত ১–৪ দিন, গড়ে প্রায় ২ দিন। প্রদত্ত চারটি রোগের প্রচলিত সুপ্তিকালের তুলনায় এটি সবচেয়ে কম।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবাণু: Influenza Virus।
❖ প্রধান আক্রান্ত অঙ্গ: শ্বাসতন্ত্র, বিশেষত নাক, গলা ও কখনো ফুসফুস।
❖ ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণ: হঠাৎ জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, পেশিব্যথা এবং ক্লান্তি।
❖ ইনকিউবেশন পিরিয়ড ও সংক্রমণক্ষমতা এক নয়: রোগের লক্ষণ শুরু হওয়ার আগেও কিছু সংক্রমিত ব্যক্তি অন্যকে জীবাণু ছড়াতে পারেন।
❖ হেপাটাইটিস (Hepatitis): যকৃতের প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলে। এটি ভাইরাস, ওষুধ, অ্যালকোহল, অটোইমিউন রোগসহ বিভিন্ন কারণে হতে পারে।
❖ ভাইরাল হেপাটাইটিসের ধরন: Hepatitis A, B, C, D ও E ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিসের পরিচিত ধরন।
❖ হেপাটাইটিস A-এর সুপ্তিকাল: WHO অনুযায়ী সাধারণত ১৪–২৮ দিন।
❖ হেপাটাইটিস B-এর সুপ্তিকাল: সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস হতে পারে।
❖ জলাতঙ্কের সুপ্তিকাল: সাধারণত ২–৩ মাস, তবে কামড়ের স্থান, ভাইরাসের পরিমাণ ও অন্যান্য বিষয়ের ওপর সময়ের পরিবর্তন হতে পারে।
❖ জলাতঙ্কের জীবাণু: Rabies Virus।
❖ জলাতঙ্কের প্রধান সংক্রমণপথ: আক্রান্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা লালার মাধ্যমে।
❖ লেপ্রোসি (Leprosy): একে কুষ্ঠরোগ বা Hansen's Disease বলা হয়।
❖ কুষ্ঠরোগের প্রধান জীবাণু: Mycobacterium leprae।
❖ কুষ্ঠরোগের সুপ্তিকাল: WHO-এর তথ্য অনুযায়ী গড়ে প্রায় ৫ বছর বা তার বেশি। কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে লক্ষণ প্রকাশ পেতে আরও দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
❖ কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত অঙ্গ: প্রধানত ত্বক, প্রান্তীয় স্নায়ু, চোখ ও ওপরের শ্বাসপথের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি।
❖ চার রোগের তুলনা: ইনফ্লুয়েঞ্জার সুপ্তিকাল সাধারণত দিনের হিসাবে, হেপাটাইটিসের অনেক ধরনে সপ্তাহ থেকে মাস, জলাতঙ্কে সাধারণত মাস, এবং কুষ্ঠরোগে প্রায়ই বছরের হিসাবে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সবচেয়ে কম সুপ্তিকাল — ইনফ্লুয়েঞ্জা।
➤ Incubation Period — সংক্রমণ থেকে প্রথম লক্ষণ প্রকাশ পর্যন্ত সময়।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জার সুপ্তিকাল — ১–৪ দিন।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জার গড় সুপ্তিকাল — প্রায় ২ দিন।
➤ ইনফ্লুয়েঞ্জা — ভাইরাসজনিত।
➤ হেপাটাইটিস — যকৃতের প্রদাহ।
➤ হেপাটাইটিস A-এর সুপ্তিকাল — সাধারণত ১৪–২৮ দিন।
➤ জলাতঙ্কের সুপ্তিকাল — সাধারণত ২–৩ মাস।
➤ কুষ্ঠরোগের সুপ্তিকাল — গড়ে প্রায় ৫ বছর বা বেশি।
➤ কুষ্ঠরোগের অন্য নাম — Hansen's Disease।
➤ কুষ্ঠরোগের প্রধান জীবাণু — Mycobacterium leprae।
➤ জলাতঙ্কের জীবাণু — Rabies Virus।
➤ সব হেপাটাইটিস ভাইরাসজনিত নয়।
08
🎯 Level 1

৪৬. কোন প্রাণী কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে? (সিএজি কার্যালয়ের অডিটর: ৯৮)

ক

কুকুর

খ

শিয়াল

গ

বিড়াল

ঘ

সবগুলোই

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সবগুলোই

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সবগুলোই — কুকুর, শিয়াল ও বিড়াল সংক্রমিত হলে জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জলাতঙ্ক (Rabies) হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। কুকুর, শিয়াল ও বিড়াল—তিন ধরনের প্রাণীই র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।
❖ সংক্রমণের শর্ত: কোনো প্রাণীর কামড় হলেই জলাতঙ্ক হবে—এমন নয়। প্রাণীটি সংক্রমিত হলে এবং তার লালা ক্ষতস্থানে বা উপযুক্ত সংস্পর্শস্থলে প্রবেশ করলে ঝুঁকি তৈরি হয়।
❖ কুকুর (Dog): মানুষের জলাতঙ্ক সংক্রমণে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সংক্রমিত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
❖ শিয়াল (Fox/Jackal): বিভিন্ন বন্য ক্যানিড প্রাণী র‍্যাবিস ভাইরাসের বাহক বা সংক্রমিত প্রাণী হতে পারে। শিয়ালজাতীয় প্রাণীর কামড়ও ঝুঁকিপূর্ণ।
❖ বিড়াল (Cat): বিড়ালও স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
❖ অন্যান্য সম্ভাব্য প্রাণী: কিছু অঞ্চলে বাদুড়, র‍্যাকুন, স্কাঙ্ক ও অন্যান্য বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণী র‍্যাবিসের সংক্রমণচক্রে গুরুত্বপূর্ণ।
❖ র‍্যাবিসের জীবাণু: Rabies Virus।
❖ সংক্রমণের প্রধান উপাদান: সংক্রমিত প্রাণীর লালা (Saliva)।
❖ ভাইরাস প্রবেশ: কামড়ের ক্ষত, আঁচড় এবং সংক্রমিত লালার সঙ্গে চোখ, মুখ বা ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের সংস্পর্শে ঝুঁকি হতে পারে।
❖ অক্ষত ত্বক: সাধারণভাবে সংক্রমিত প্রাণীর লালা সম্পূর্ণ অক্ষত ত্বকে লাগা র‍্যাবিস সংক্রমণের স্বীকৃত সাধারণ পথ নয়।
❖ সংক্রমণের পর করণীয়: ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও প্রবাহমান পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধুতে হবে এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে।
❖ প্রাণী শনাক্তকরণ: কামড়ানো প্রাণীর পরিচয় ও টিকাদানের অবস্থা চিকিৎসককে জানানো গুরুত্বপূর্ণ; তবে চিকিৎসা নেওয়া দেরি করা যাবে না।
❖ প্রতিরোধে প্রাণীর টিকা: কুকুর ও বিড়ালের যথাযথ টিকাদান মানুষ ও প্রাণী উভয়ের র‍্যাবিস ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
❖ One Health ধারণা: মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্য পরস্পর সম্পর্কিত। র‍্যাবিস প্রতিরোধে মানুষের চিকিৎসা ও প্রাণীর টিকাদানের সমন্বিত ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কুকুর, শিয়াল ও বিড়াল — সবগুলো থেকেই জলাতঙ্ক হতে পারে।
➤ শর্ত — প্রাণীটি র‍্যাবিসে সংক্রমিত হতে হবে।
➤ জলাতঙ্ক — স্তন্যপায়ী প্রাণীর সংক্রমণযোগ্য রোগ।
➤ প্রধান বৈশ্বিক উৎস — সংক্রমিত কুকুর।
➤ র‍্যাবিসের জীবাণু — Rabies Virus।
➤ সংক্রমণের প্রধান উপাদান — লালা।
➤ র‍্যাবিসের প্রধান আক্রান্ত অঙ্গ — স্নায়ুতন্ত্র।
➤ প্রথম করণীয় — ক্ষতস্থান অন্তত ১৫ মিনিট ধোয়া।
➤ পরবর্তী করণীয় — দ্রুত চিকিৎসা ও PEP মূল্যায়ন।
➤ র‍্যাবিস প্রতিরোধে — কুকুরের টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
➤ মানুষ-প্রাণী-পরিবেশের সমন্বিত স্বাস্থ্যধারণা — One Health।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৫২. ইবোলা কী? (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণার্থী: ১৮)

ক

রোগ

খ

ভাইরাস

গ

ব্যাকটেরিয়া

ঘ

ফসলের জাত

✅ সঠিক উত্তর:খ. ভাইরাস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ভাইরাস (Virus)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইবোলা (Ebola) একটি মারাত্মক রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম। বিশেষভাবে Ebola virus (EBOV) মানুষের শরীরে Ebola Virus Disease (EVD) সৃষ্টি করে।
❖ Ebola Virus Disease: ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট গুরুতর রোগকে Ebola Virus Disease বলা হয়। অতীতে এটি Ebola Hemorrhagic Fever নামেও পরিচিত ছিল।
❖ ভাইরাসের শ্রেণিবিন্যাস: ইবোলা ভাইরাস Filoviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে এর গণ Orthoebolavirus এবং Ebola virus-এর প্রজাতি Orthoebolavirus zairense।
❖ ভাইরাসের গঠন: ইবোলা একটি আবরণযুক্ত, একসূত্রক ঋণাত্মক-অর্থবোধক RNA ভাইরাস (Enveloped, negative-sense single-stranded RNA virus)।
❖ আকৃতি: ইলেকট্রন অণুবীক্ষণযন্ত্রে ইবোলা ভাইরাসকে দীর্ঘ সূতাসদৃশ (Filamentous) আকৃতির দেখা যায়। কখনো এটি U-আকৃতি বা বাঁকানো রূপ ধারণ করতে পারে।
❖ প্রথম শনাক্তকরণ: ১৯৭৬ সালে আফ্রিকায় ইবোলা-সম্পর্কিত রোগের প্রথম দুটি স্বীকৃত প্রাদুর্ভাব ঘটে। একটি বর্তমান দক্ষিণ সুদানের নজারায়, অন্যটি বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর ইয়ামবুকুতে।
❖ নামকরণ: কঙ্গোর ইবোলা নদীর (Ebola River) নামানুসারে ভাইরাসটির নামকরণ করা হয়।
❖ প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ: ইবোলা একটি জুনোটিক (Zoonotic) সংক্রমণ। অর্থাৎ সংক্রমিত প্রাণী থেকে মানুষের দেহে ছড়াতে পারে।
❖ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক আধার: বিভিন্ন প্রজাতির ফলখেকো বাদুড়কে (Fruit Bat) ইবোলা ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক আধার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সব ইবোলা ভাইরাসের নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক আধার সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।
❖ মানুষে সংক্রমণের পথ: আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, বমি, মল, অন্যান্য দেহতরল বা সংক্রমিত সামগ্রীর সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।
❖ প্রধান লক্ষণ: আকস্মিক জ্বর, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, পেশিব্যথা, গলাব্যথা, বমি, ডায়রিয়া ও পেটব্যথা ইবোলা রোগের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
❖ রক্তক্ষরণ: কিছু রোগীর শরীরে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক রক্তক্ষরণ দেখা দিতে পারে। তবে ইবোলা আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীর রক্তক্ষরণ হয় না।
❖ ইনকিউবেশন পিরিয়ড (Incubation Period): সংক্রমণ থেকে লক্ষণ প্রকাশের সময় সাধারণত ২–২১ দিন।
❖ রোগের জটিলতা: গুরুতর অবস্থায় পানিশূন্যতা, রক্তচাপ হ্রাস, শক, রক্তক্ষরণ ও একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।
❖ প্রতিরোধ: সংক্রমিত ব্যক্তির দেহতরলের সংস্পর্শ এড়ানো, সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার, নিরাপদ রোগী পরিচর্যা, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ।
❖ টিকা: Ervebo হলো নির্দিষ্ট Ebola virus-জনিত রোগ প্রতিরোধের অনুমোদিত টিকা।
❖ চিকিৎসা: ইবোলা ভাইরাসের নির্দিষ্ট প্রজাতিজনিত রোগের চিকিৎসায় Inmazeb ও Ebanga-র মতো অনুমোদিত মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডিভিত্তিক ওষুধ রয়েছে। পাশাপাশি তরল, ইলেকট্রোলাইট ও অন্যান্য সহায়ক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ইবোলা — একটি ভাইরাস।
➤ রোগের নাম — Ebola Virus Disease (EVD)।
➤ পুরোনো নাম — Ebola Hemorrhagic Fever।
➤ ভাইরাসের পরিবার — Filoviridae।
➤ গণ — Orthoebolavirus।
➤ Ebola virus-এর প্রজাতি — Orthoebolavirus zairense।
➤ জিনগত উপাদান — RNA।
➤ ভাইরাসের আকৃতি — সূতাসদৃশ।
➤ প্রথম স্বীকৃত প্রাদুর্ভাব — ১৯৭৬।
➤ প্রথম প্রাদুর্ভাবের দুটি অঞ্চল — তৎকালীন জাইর ও সুদান।
➤ নামকরণের উৎস — ইবোলা নদী।
➤ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক আধার — ফলখেকো বাদুড়।
➤ সংক্রমণের প্রধান মাধ্যম — আক্রান্ত ব্যক্তির দেহতরলের সরাসরি সংস্পর্শ।
➤ ইনকিউবেশন পিরিয়ড — ২–২১ দিন।
➤ ইবোলা প্রতিরোধের টিকা — Ervebo।
➤ নির্দিষ্ট ইবোলা রোগের অনুমোদিত চিকিৎসা — Inmazeb ও Ebanga।
10
🎯 Level 1

৫৮. Ervebo কী? / What is Ervebo? (বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ): ২৩)

ক

হাম ভ্যাকসিন

খ

পোলিও ভ্যাকসিন

গ

ইবোলা ভ্যাকসিন

ঘ

গুটিবসন্ত ভ্যাকসিন

✅ সঠিক উত্তর:গ. ইবোলা ভ্যাকসিন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ইবোলা ভ্যাকসিন (Ebola Vaccine)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Ervebo হলো Ebola virus (EBOV)-জনিত Ebola Virus Disease প্রতিরোধের একটি অনুমোদিত টিকা।
❖ টিকার পরিচিতি: Ervebo একটি জীবিত, দুর্বলীকৃত রিকম্বিন্যান্ট ভেসিকুলার স্টোমাটাইটিস ভাইরাসভিত্তিক টিকা।
❖ পরিচিত গবেষণাগত নাম: rVSV-ZEBOV। এই নামটি টিকার প্রযুক্তিগত ভিত্তি ও লক্ষ্যবস্তু Ebola virus নির্দেশ করে।
❖ প্রযুক্তিগত নাম: rVSVΔG-ZEBOV-GP নামেও এর প্রযুক্তিগত গঠন উল্লেখ করা হয়।
❖ কীভাবে কাজ করে: টিকায় সংশোধিত Vesicular Stomatitis Virus (VSV) ব্যবহার করা হয়, যা Ebola virus-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ Glycoprotein (GP)-এর বিরুদ্ধে রোগপ্রতিরোধী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।
❖ Ebola virus-এর সম্পূর্ণ সংক্রমণক্ষম ভাইরাস থাকে না: Ervebo-তে Ebola virus-এর সম্পূর্ণ জীবাণু ব্যবহার করা হয় না; তাই এটি নিজে Ebola virus disease সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে তৈরি নয়।
❖ অনুমোদন: ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের FDA Ervebo অনুমোদন দেয়।
❖ WHO-এর স্বীকৃতি: এটি WHO-prequalified ইবোলা টিকা হিসেবে স্বীকৃত।
❖ প্রস্তুতকারক: Merck & Co.।
❖ লক্ষ্যবস্তু: Ervebo বিশেষভাবে Ebola virus (Orthoebolavirus zairense)-জনিত রোগের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।
❖ গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা: Ervebo Sudan virus, Bundibugyo virus বা অন্যান্য সব ধরনের orthoebolavirus-এর বিরুদ্ধে অনুমোদিত সর্বজনীন টিকা নয়।
❖ টিকার ব্যবহার: নির্দিষ্ট সংক্রমণঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ও প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনায় Ervebo ব্যবহার করা হয়।
❖ Ring Vaccination: কোনো আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা এবং সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে টিকাদানের কৌশলকে Ring Vaccination বলা হয়।
❖ টিকা ও চিকিৎসার পার্থক্য: টিকা সংক্রমণজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। অন্যদিকে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুযায়ী Inmazeb, Ebanga ও সহায়ক চিকিৎসা ব্যবহৃত হতে পারে।
❖ হামের টিকা: হাম প্রতিরোধে Measles Vaccine বা MMR-এর মতো টিকা ব্যবহৃত হয়; Ervebo নয়।
❖ পোলিওর টিকা: পোলিও প্রতিরোধে OPV ও IPV ব্যবহৃত হয়।
❖ গুটিবসন্তের টিকা: গুটিবসন্ত প্রতিরোধে ঐতিহাসিকভাবে Vaccinia-ভিত্তিক টিকা ব্যবহৃত হয়েছে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ Ervebo — ইবোলা ভ্যাকসিন।
➤ গবেষণাগত নাম — rVSV-ZEBOV।
➤ প্রযুক্তিগত রূপ — rVSVΔG-ZEBOV-GP।
➤ টিকার ধরন — Recombinant VSV-based vaccine।
➤ লক্ষ্যবস্তু — Ebola virus (EBOV)।
➤ প্রজাতি — Orthoebolavirus zairense।
➤ FDA অনুমোদন — ২০১৯।
➤ প্রস্তুতকারক — Merck।
➤ WHO-prequalified — Ervebo।
➤ Ring Vaccination — সংস্পর্শে আসা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বলয়ভিত্তিক টিকাদান।
➤ Ervebo সব Ebola-related virus-এর বিরুদ্ধে অনুমোদিত নয়।
➤ ইবোলা চিকিৎসার মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি — Inmazeb ও Ebanga।
➤ পোলিও টিকা — OPV ও IPV।
➤ হামের টিকা — Measles Vaccine।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন