🧠 🔖
👑 Premium Topic

উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ

◉ সাধারণ বিজ্ঞান›উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚55মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০২. কোনটি বীরুৎ বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ? (প্রিমিয়ার ব্যাংকের অফিসার: ০৯)

ক

ধান

খ

গোলাপ

গ

জবা

ঘ

লেবু

✅ সঠিক উত্তর:ক. ধান

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ধান (Rice Plant)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ধান (Rice) একটি তৃণজাতীয় ও বীরুৎ প্রকৃতির উদ্ভিদ। এটি Poaceae বা Gramineae (ঘাস গোত্র)-এর অন্তর্ভুক্ত। ধানগাছের কাণ্ড সাধারণত কোমল, তুলনামূলক দুর্বল ও অল্প আয়ুষ্কালবিশিষ্ট হওয়ায় একে বীরুৎজাতীয় উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
❖ বীরুৎ (Herb) হলো এমন উদ্ভিদ, যার কাণ্ড সাধারণত নরম, সবুজ, অকাষ্ঠল ও কোমল এবং যা বৃক্ষ বা গুল্মের মতো শক্ত কাষ্ঠল প্রধান কাণ্ড তৈরি করে না।
❖ ধানের বৈজ্ঞানিক নাম: Oryza sativa।
❖ ধানের ইংরেজি নাম: Rice; মাঠে চাষকৃত ধানকে Paddy বলা হয়।
❖ ধানের গোত্র: Poaceae (Gramineae)।
❖ ধানের বর্গ: Poales।
❖ ধানের শ্রেণিগত পরিচয়: এটি একটি একবীজপত্রী (Monocotyledonous) আবৃতবীজী উদ্ভিদ।
❖ ধানের কাণ্ড: ধানগাছের কাণ্ডকে Culm বলা হয়। এতে সুস্পষ্ট পর্ব (Node) ও পর্বমধ্য (Internode) থাকে। অধিকাংশ পর্বমধ্য ফাঁপা এবং পর্বস্থান অপেক্ষাকৃত কঠিন বা নিরেট।
❖ ধানের পাতা: সাধারণত সরু, লম্বা এবং সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত।
❖ ধানের মূল: গুচ্ছমূল (Fibrous Root System)। একবীজপত্রী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
❖ ধানের পুষ্পবিন্যাস: ধানগাছে Panicle বা মঞ্জরি ধরনের পুষ্পবিন্যাস দেখা যায়। এতে অসংখ্য ছোট ছোট Spikelet থাকে।
❖ ধানের ফল: Caryopsis, অর্থাৎ একবীজী শুষ্ক ফল, যেখানে ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকে।
❖ ধানের অর্থনৈতিক গুরুত্ব: ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। ধান থেকে চাল এবং চাল থেকে ভাত তৈরি করা হয়। চালের প্রধান পুষ্টি উপাদান শর্করা, বিশেষত স্টার্চ।
❖ বাংলাদেশে ধানের প্রধান মৌসুম: আউশ, আমন ও বোরো।
❖ গোলাপ (Rose): গোলাপ সাধারণত কাষ্ঠল গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক গণ Rosa এবং গোত্র Rosaceae।
❖ জবা (Hibiscus): জবা সাধারণত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। প্রচলিত জবার বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus rosa-sinensis এবং গোত্র Malvaceae।
❖ লেবু (Lemon): লেবু সাধারণত কাষ্ঠল গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ হিসেবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এর বৈজ্ঞানিক নামের একটি প্রচলিত রূপ Citrus × limon এবং গোত্র Rutaceae।
❖ বীরুৎ ও ঘাসের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: সব ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত বীরুৎ প্রকৃতির হলেও সব বীরুৎ ঘাস গোত্রের নয়। যেমন ধান ও গম ঘাস গোত্রের, কিন্তু টমেটো ও ধনেপাতা বীরুৎ প্রকৃতির হলেও Poaceae গোত্রভুক্ত নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বীরুৎ বা তৃণজাতীয় উদ্ভিদ — ধান।
➤ ধানের বৈজ্ঞানিক নাম — Oryza sativa।
➤ ধানের গোত্র — Poaceae/Gramineae।
➤ ধানের বর্গ — Poales।
➤ ধান — একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
➤ ধানের মূল — গুচ্ছমূল।
➤ ধানের পাতার শিরাবিন্যাস — সমান্তরাল।
➤ ধানের কাণ্ড — Culm।
➤ ধানের পুষ্পবিন্যাস — Panicle।
➤ ধানের ফল — Caryopsis।
➤ বাংলাদেশে ধানের মৌসুম — আউশ, আমন ও বোরো।
➤ গোলাপ — গুল্ম; গোত্র Rosaceae।
➤ জবা — গুল্ম; গোত্র Malvaceae।
➤ লেবু — গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ; গোত্র Rutaceae।"
02
🎯 Level 1

০২. কোনটি বীরুৎ বা তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ? (প্রিমিয়ার ব্যাংকের অফিসার: ০৯)

ক

ধান

খ

গোলাপ

গ

জবা

ঘ

লেবু

✅ সঠিক উত্তর:ক. ধান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ধান (Rice Plant)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ধান (Rice) একটি তৃণজাতীয় ও বীরুৎ প্রকৃতির উদ্ভিদ। এটি Poaceae বা Gramineae (ঘাস গোত্র)-এর অন্তর্ভুক্ত। ধানগাছের কাণ্ড সাধারণত কোমল, তুলনামূলক দুর্বল ও অল্প আয়ুষ্কালবিশিষ্ট হওয়ায় একে বীরুৎজাতীয় উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
❖ বীরুৎ (Herb) হলো এমন উদ্ভিদ, যার কাণ্ড সাধারণত নরম, সবুজ, অকাষ্ঠল ও কোমল এবং যা বৃক্ষ বা গুল্মের মতো শক্ত কাষ্ঠল প্রধান কাণ্ড তৈরি করে না।
❖ ধানের বৈজ্ঞানিক নাম: Oryza sativa।
❖ ধানের ইংরেজি নাম: Rice; মাঠে চাষকৃত ধানকে Paddy বলা হয়।
❖ ধানের গোত্র: Poaceae (Gramineae)।
❖ ধানের বর্গ: Poales।
❖ ধানের শ্রেণিগত পরিচয়: এটি একটি একবীজপত্রী (Monocotyledonous) আবৃতবীজী উদ্ভিদ।
❖ ধানের কাণ্ড: ধানগাছের কাণ্ডকে Culm বলা হয়। এতে সুস্পষ্ট পর্ব (Node) ও পর্বমধ্য (Internode) থাকে। অধিকাংশ পর্বমধ্য ফাঁপা এবং পর্বস্থান অপেক্ষাকৃত কঠিন বা নিরেট।
❖ ধানের পাতা: সাধারণত সরু, লম্বা এবং সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত।
❖ ধানের মূল: গুচ্ছমূল (Fibrous Root System)। একবীজপত্রী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
❖ ধানের পুষ্পবিন্যাস: ধানগাছে Panicle বা মঞ্জরি ধরনের পুষ্পবিন্যাস দেখা যায়। এতে অসংখ্য ছোট ছোট Spikelet থাকে।
❖ ধানের ফল: Caryopsis, অর্থাৎ একবীজী শুষ্ক ফল, যেখানে ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকে।
❖ ধানের অর্থনৈতিক গুরুত্ব: ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। ধান থেকে চাল এবং চাল থেকে ভাত তৈরি করা হয়। চালের প্রধান পুষ্টি উপাদান শর্করা, বিশেষত স্টার্চ।
❖ বাংলাদেশে ধানের প্রধান মৌসুম: আউশ, আমন ও বোরো।
❖ গোলাপ (Rose): গোলাপ সাধারণত কাষ্ঠল গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক গণ Rosa এবং গোত্র Rosaceae।
❖ জবা (Hibiscus): জবা সাধারণত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। প্রচলিত জবার বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus rosa-sinensis এবং গোত্র Malvaceae।
❖ লেবু (Lemon): লেবু সাধারণত কাষ্ঠল গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ হিসেবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এর বৈজ্ঞানিক নামের একটি প্রচলিত রূপ Citrus × limon এবং গোত্র Rutaceae।
❖ বীরুৎ ও ঘাসের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: সব ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত বীরুৎ প্রকৃতির হলেও সব বীরুৎ ঘাস গোত্রের নয়। যেমন ধান ও গম ঘাস গোত্রের, কিন্তু টমেটো ও ধনেপাতা বীরুৎ প্রকৃতির হলেও Poaceae গোত্রভুক্ত নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বীরুৎ বা তৃণজাতীয় উদ্ভিদ — ধান।
➤ ধানের বৈজ্ঞানিক নাম — Oryza sativa।
➤ ধানের গোত্র — Poaceae/Gramineae।
➤ ধানের বর্গ — Poales।
➤ ধান — একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
➤ ধানের মূল — গুচ্ছমূল।
➤ ধানের পাতার শিরাবিন্যাস — সমান্তরাল।
➤ ধানের কাণ্ড — Culm।
➤ ধানের পুষ্পবিন্যাস — Panicle।
➤ ধানের ফল — Caryopsis।
➤ বাংলাদেশে ধানের মৌসুম — আউশ, আমন ও বোরো।
➤ গোলাপ — গুল্ম; গোত্র Rosaceae।
➤ জবা — গুল্ম; গোত্র Malvaceae।
➤ লেবু — গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ; গোত্র Rutaceae।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৪. সবচেয়ে বড় ঘাস — (জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ০৬)

ক

শিম গাছ

খ

লাউ গাছ

গ

বট গাছ

ঘ

বাঁশ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. বাঁশ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: বাঁশ (Bamboo)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাঁশ (Bamboo) ঘাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত একটি লম্বা ও কাষ্ঠল উদ্ভিদ। সাধারণ ঘাসের তুলনায় বাঁশের উচ্চতা, কাণ্ডের ব্যাস এবং কাঠামোগত দৃঢ়তা অনেক বেশি হওয়ায় একে সবচেয়ে বড় ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
❖ বাঁশের গোত্র: Poaceae বা Gramineae।
❖ বাঁশের উপগোত্র: Bambusoideae।
❖ বাঁশের কাণ্ড: সাধারণত লম্বা, গোলাকার, পর্বযুক্ত এবং অনেক প্রজাতিতে ফাঁপা পর্বমধ্যবিশিষ্ট।
❖ বাঁশের বিশেষত্ব: কাণ্ডে লিগনিনসহ কাঠামোগত উপাদান জমা হওয়ায় বাঁশ সাধারণ তৃণজাতীয় উদ্ভিদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়।
❖ বাঁশ বৃক্ষ নয় কেন: বাঁশ দেখতে অনেকটা বৃক্ষের মতো হলেও এর বিবর্তনীয় ও শ্রেণিবিন্যাসগত পরিচয় ঘাস গোত্রের। অধিকাংশ কাষ্ঠল বৃক্ষের মতো বাঁশে প্রচলিত দ্বিতীয়ক কাষ্ঠ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া নেই।
❖ বাঁশের বৃদ্ধি: বাঁশের অনেক প্রজাতি খুব দ্রুত লম্বা হতে পারে। উপযুক্ত পরিবেশে কিছু প্রজাতির বৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত ঘটে।
❖ দ্রুততম বর্ধনশীল উদ্ভিদ: Guinness World Records-এর তথ্যমতে, নির্দিষ্ট বাঁশের প্রজাতির দৈনিক বৃদ্ধি ৯১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পর্যবেক্ষিত হয়েছে।
❖ বাঁশের সর্বোচ্চ উচ্চতা: বৃহৎ উষ্ণমণ্ডলীয় বাঁশের কিছু প্রজাতি অনুকূল পরিবেশে প্রায় ৩০–৪০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
❖ বৃহৎ বাঁশের উদাহরণ: Dendrocalamus giganteus—সাধারণভাবে Giant Bamboo নামে পরিচিত।
❖ বাংলাদেশের পরিচিত বাঁশ: বিভিন্ন স্থানীয় ও চাষকৃত বাঁশের মধ্যে মুলি বাঁশ, বোরাক বাঁশ, তল্লা বাঁশ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
❖ বাঁশের মূল: ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের উপযোগী অস্থানিক মূল ও ভূগর্ভস্থ রাইজোমভিত্তিক বিস্তার দেখা যায়।
❖ রাইজোম (Rhizome): ভূগর্ভস্থ পরিবর্তিত কাণ্ড, যা নতুন অঙ্কুর ও শিকড় উৎপন্ন করে।
❖ বাঁশের ফুল: বাঁশ একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। তবে বহু বাঁশের প্রজাতিতে ফুল ফোটার বিরতি দীর্ঘ হতে পারে।
❖ একযোগে ফুল ফোটা: কিছু বাঁশের প্রজাতিতে বহু বছর পর একই সময়ে বিস্তৃত এলাকায় ফুল ফোটে। একে Gregarious Flowering বলা হয়।
❖ বাঁশের ব্যবহার: ঘরবাড়ি নির্মাণ, আসবাবপত্র, কাগজ, হস্তশিল্প, বেড়া, সেতু এবং বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জাম তৈরিতে বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
❖ শিম গাছ: শিম একটি আরোহী বা লতানো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, যা Fabaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
❖ লাউ গাছ: লাউ একটি লতানো উদ্ভিদ, যা Cucurbitaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
❖ বট গাছ: বট একটি বৃহৎ বৃক্ষ, যার বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis। এটি Moraceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, ঘাস গোত্রের নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সবচেয়ে বড় ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের উদাহরণ — বাঁশ।
➤ বাঁশের ইংরেজি নাম — Bamboo।
➤ বাঁশের গোত্র — Poaceae।
➤ বাঁশের উপগোত্র — Bambusoideae।
➤ বাঁশ — একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
➤ বাঁশ — কাষ্ঠল ঘাস।
➤ বাঁশের কাণ্ড — পর্বযুক্ত ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফাঁপা।
➤ দ্রুততম বর্ধনশীল উদ্ভিদের রেকর্ড — বাঁশের নির্দিষ্ট প্রজাতি।
➤ বাঁশের পর্যবেক্ষিত সর্বোচ্চ দৈনিক বৃদ্ধি — ৯১ সেমি পর্যন্ত।
➤ Giant Bamboo — Dendrocalamus giganteus।
➤ বাঁশের ভূগর্ভস্থ কাণ্ড — Rhizome।
➤ বাঁশের একযোগে ফুল ফোটা — Gregarious Flowering।
➤ বট — Ficus benghalensis।
➤ বটের গোত্র — Moraceae।
➤ লাউয়ের গোত্র — Cucurbitaceae।
➤ শিমের গোত্র — Fabaceae।
04
🎯 Level 1

০৭. লেবু গাছ কোন জাতীয় উদ্ভিদ? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০৯)

ক

বৃক্ষ

খ

গুল্ম

গ

বিরুৎ

ঘ

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:খ. গুল্ম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: গুল্ম (Shrub)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ লেবু গাছকে প্রচলিত উদ্ভিদবিদ্যায় গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এর কাণ্ড কাষ্ঠল, শাখা-প্রশাখাযুক্ত এবং সাধারণত তুলনামূলক কম উচ্চতার হয়।
❖ লেবুর বৈজ্ঞানিক নাম: Citrus × limon। অনেক পাঠ্যবইয়ে Citrus limon নামটিও ব্যবহৃত হয়।
❖ লেবুর গোত্র: Rutaceae।
❖ লেবুর গণ: Citrus।
❖ লেবুর ইংরেজি নাম: Lemon।
❖ গুল্ম (Shrub): যেসব কাষ্ঠল উদ্ভিদ সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতাবিশিষ্ট এবং গোড়া বা নিচের অংশ থেকে একাধিক শাখা-প্রশাখা তৈরি করে, তাদের গুল্ম বলে।
❖ লেবুর বৃদ্ধির ধরন: বিভিন্ন জাত ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে লেবু গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ হিসেবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
❖ Royal Horticultural Society-এর বর্ণনা: লেবুকে Shrub or Small Tree হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাই লেবুকে সব অবস্থায় কেবল গুল্ম বলা একটি পরীক্ষাভিত্তিক সাধারণীকরণ।
❖ লেবুর পাতা: সাধারণত সবুজ, চকচকে এবং সুগন্ধিযুক্ত। পাতায় বিভিন্ন সুগন্ধি তেলজাতীয় উপাদান থাকে।
❖ লেবুর ফুল: সাধারণত সাদা বা হালকা গোলাপি আভাযুক্ত ও সুগন্ধি।
❖ লেবুর ফল: উদ্ভিদবিদ্যায় সাইট্রাসজাতীয় ফলকে Hesperidium বলা হয়। এটি বিশেষ ধরনের রসাল বেরি।
❖ লেবুর পুষ্টিগুণ: লেবুতে ভিটামিন সি (Ascorbic Acid) উল্লেখযোগ্য।
❖ ভিটামিন সি-এর কাজ: কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যক্রম এবং স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ও ক্ষত নিরাময়ে ভূমিকা।
❖ ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ: স্কার্ভি (Scurvy)।
❖ বৃক্ষ (Tree): সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী কাষ্ঠল উদ্ভিদ, যার একটি প্রধান কাণ্ড অপেক্ষাকৃত বেশি উচ্চতায় উঠে শাখা-প্রশাখা তৈরি করে।
❖ বৃক্ষের উদাহরণ: আম, কাঁঠাল, বট, শিমুল, নিম ও মেহগনি।
❖ গুল্মের উদাহরণ: গোলাপ, জবা, টগর, রঙ্গন ও কিছু জাতের লেবু।
❖ বীরুৎ বা বিরুৎ (Herb): সাধারণত কোমল ও অকাষ্ঠল কাণ্ডবিশিষ্ট উদ্ভিদ।
❖ বীরুৎ উদ্ভিদের উদাহরণ: ধান, গম, ধনেপাতা, পালংশাক ও সরিষার চাষকৃত গাছ।
❖ গাছের শ্রেণিবিভাগের ভিত্তি: বৃক্ষ, গুল্ম ও বীরুৎ বিভাজন মূলত কাণ্ডের প্রকৃতি, উচ্চতা এবং শাখা-প্রশাখা বিস্তারের ধরন অনুসারে করা হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ লেবু গাছ — গুল্মজাতীয় (পরীক্ষার উত্তর)।
➤ লেবু — গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ হতে পারে।
➤ লেবুর বৈজ্ঞানিক নাম — Citrus × limon।
➤ লেবুর গণ — Citrus।
➤ লেবুর গোত্র — Rutaceae।
➤ লেবুর ফলের ধরন — Hesperidium।
➤ লেবুতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন — ভিটামিন সি।
➤ Vitamin C — Ascorbic Acid।
➤ ভিটামিন সি-এর অভাবে — Scurvy।
➤ Shrub — গুল্ম।
➤ Herb — বীরুৎ।
➤ Tree — বৃক্ষ।
➤ গুল্ম — সাধারণত গোড়া থেকে শাখাবিশিষ্ট কাষ্ঠল উদ্ভিদ।
➤ বৃক্ষ — সাধারণত প্রধান কাণ্ডবিশিষ্ট বৃহৎ কাষ্ঠল উদ্ভিদ।
➤ বীরুৎ — কোমল কাণ্ডবিশিষ্ট উদ্ভিদ।
05
🎯 Level 1

০৯. দ্রুত বৃদ্ধি সম্পন্ন গাছ কোনটি? (সিএজি কার্যালয়ের সহকারী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা: ৯৮)

ক

ইপিল ইপিল

খ

ইউক্যালিপটাস

গ

রেডউড

ঘ

ওয়েলিংটনিয়া

✅ সঠিক উত্তর:খ. ইউক্যালিপটাস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ইউক্যালিপটাস (Eucalyptus) — প্রদত্ত পরীক্ষার উত্তর।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইউক্যালিপটাস (Eucalyptus) হলো দ্রুতবর্ধনশীল বৃক্ষের একটি পরিচিত গণ। অনুকূল আবহাওয়া ও মাটিতে কিছু ইউক্যালিপটাস প্রজাতি দ্রুত উচ্চতা এবং কাঠের জৈবভর বৃদ্ধি করতে পারে।
❖ বৈজ্ঞানিক গণ: Eucalyptus।
❖ গোত্র: Myrtaceae।
❖ উৎস: ইউক্যালিপটাসের অধিকাংশ প্রজাতির স্বাভাবিক বিস্তার অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে।
❖ ইউক্যালিপটাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি:
➤ Eucalyptus camaldulensis।
➤ Eucalyptus globulus।
➤ Eucalyptus grandis।
➤ Eucalyptus regnans।
❖ দ্রুতবর্ধনশীল বৈশিষ্ট্য: বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে দ্রুত উচ্চতা বৃদ্ধি, দীর্ঘ কাণ্ড গঠন এবং তুলনামূলক কম সময়ে ব্যবহারযোগ্য কাঠ উৎপাদনের সক্ষমতা দেখা যায়।
❖ কাঠের ব্যবহার: কাগজের মণ্ড, জ্বালানি, কাঠজাত দ্রব্য ও কিছু শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়।
❖ ইউক্যালিপটাস তেল: কিছু ইউক্যালিপটাস প্রজাতির পাতায় সুগন্ধি তেল (Essential Oil) থাকে। এর মধ্যে Eucalyptol বা 1,8-Cineole উল্লেখযোগ্য।
❖ Eucalyptol: ইউক্যালিপটাস তেলের একটি পরিচিত জৈব যৌগ, যা সুগন্ধি ও বিভিন্ন শিল্পপণ্যে ব্যবহৃত হয়।
❖ ইউক্যালিপটাসের পরিবেশগত প্রভাব: অঞ্চল, প্রজাতি, লাগানোর ঘনত্ব ও জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে ইউক্যালিপটাস চাষ মাটির আর্দ্রতা, জলসম্পদ ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
❖ বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত: ১৫ মে ২০২৫ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের চারা রোপণ, উত্তোলন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
❖ সরকারি গেজেট: সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞার প্রজ্ঞাপন ১৬ জুন ২০২৫ প্রকাশিত সরকারি গেজেটের তালিকায় পাওয়া যায়।
❖ নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য: স্থানীয় প্রতিবেশ রক্ষা, জলসম্পদের ওপর চাপ কমানো এবং দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি উদ্ভিদ রোপণে উৎসাহ দেওয়া।
❖ আকাশমণি গাছ: সাধারণভাবে Acacia auriculiformis নামে পরিচিত। এটি দ্রুতবর্ধনশীল কাষ্ঠল উদ্ভিদ।
❖ ইপিল ইপিল: Leucaena leucocephala; একটি দ্রুতবর্ধনশীল ডালজাতীয় উদ্ভিদ। তাই ইপিল ইপিলও দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে প্রশ্নের বইভিত্তিক উত্তর ইউক্যালিপটাস।
❖ রেডউড (Redwood): বিশেষত Sequoia sempervirens পৃথিবীর অত্যন্ত উঁচু বৃক্ষগুলোর মধ্যে অন্যতম।
❖ রেডউডের গোত্র: Cupressaceae।
❖ ওয়েলিংটনিয়া (Wellingtonia): সাধারণভাবে Giant Sequoia, যার বৈজ্ঞানিক নাম Sequoiadendron giganteum।
❖ Giant Sequoia-এর বিশেষত্ব: আয়তন বা কাণ্ডের মোট কাঠের পরিমাণের বিচারে পৃথিবীর বৃহত্তম জীবিত বৃক্ষগুলোর মধ্যে অন্যতম।
❖ দ্রুততম বৃদ্ধি বনাম দীর্ঘতম উচ্চতা: সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া উদ্ভিদ, সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ এবং সবচেয়ে বৃহৎ বৃক্ষ—এই তিনটি পৃথক ধারণা।
❖ দ্রুততম বৃদ্ধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: নির্দিষ্ট বাঁশের প্রজাতি দৈনিক প্রায় ৯১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই ইউক্যালিপটাসকে পৃথিবীর সব উদ্ভিদের মধ্যে নিঃশর্ত দ্রুততম বর্ধনশীল উদ্ভিদ বলা সঠিক নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ দ্রুতবর্ধনশীল বৃক্ষ — ইউক্যালিপটাস।
➤ Eucalyptus — ইউক্যালিপটাস।
➤ গোত্র — Myrtaceae।
➤ ইউক্যালিপটাসের প্রধান উৎস — অস্ট্রেলিয়া।
➤ ইউক্যালিপটাসের একটি প্রজাতি — Eucalyptus camaldulensis।
➤ আরেকটি প্রজাতি — Eucalyptus globulus।
➤ ইউক্যালিপটাস তেলের উপাদান — Eucalyptol।
➤ Eucalyptol-এর অপর নাম — 1,8-Cineole।
➤ ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণির চারা রোপণ-উত্তোলন-বিক্রয় নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন — ১৫ মে ২০২৫।
➤ সংশ্লিষ্ট সরকারি গেজেটের তালিকায় প্রকাশ — ১৬ জুন ২০২৫।
➤ আকাশমণি — Acacia auriculiformis।
➤ ইপিল ইপিল — Leucaena leucocephala।
➤ Redwood — Sequoia sempervirens।
➤ Giant Sequoia — Sequoiadendron giganteum।
➤ Wellingtonia — Giant Sequoia-এর প্রচলিত নাম।
➤ Redwood ও Giant Sequoia — Cupressaceae গোত্রের।
➤ দ্রুততম বর্ধনশীল উদ্ভিদের রেকর্ড — নির্দিষ্ট বাঁশের প্রজাতি।
➤ দ্রুতবর্ধনশীল ও সবচেয়ে উঁচু — আলাদা বৈশিষ্ট্য।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১২. কোনটি সপুষ্পক উদ্ভিদ? (স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সুপারিনটেনডেন্ট: ২৪)

ক

শাপলা

খ

অ্যাগারিকাস

গ

মস

ঘ

ফার্ন

✅ সঠিক উত্তর:ক. শাপলা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: শাপলা (Water Lily)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ শাপলা (Water Lily) একটি সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদ। এতে প্রকৃত ফুল, পুংকেশর, গর্ভকেশর, বীজ ও ফল গঠিত হয়। তাই এটি Angiosperm বা আবৃতবীজী উদ্ভিদ।
❖ শাপলার বৈজ্ঞানিক গণ: Nymphaea।
❖ বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের সঙ্গে যুক্ত বৈজ্ঞানিক নাম: Nymphaea nouchali।
❖ শাপলার গোত্র: Nymphaeaceae।
❖ শাপলার বর্গ: Nymphaeales।
❖ উদ্ভিদের ধরন: বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ।
❖ বাংলাদেশের জাতীয় ফুল: শাপলা।
❖ জাতীয় প্রতীকে শাপলা: বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে শাপলা, ধানের শীষ ও পাটপাতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
❖ শাপলার বাসস্থান: পুকুর, বিল, হাওর, জলাশয় এবং অন্যান্য স্থির বা ধীরগতির মিঠাপানির পরিবেশ।
❖ শাপলার পাতা: সাধারণত প্রশস্ত ও পানির ওপর ভাসমান। পাতার বোঁটা দীর্ঘ হয়।
❖ শাপলার কাণ্ড: জলাশয়ের তলদেশে রাইজোমজাতীয় ভূগর্ভস্থ কাণ্ড থাকে।
❖ শাপলার ফুল: প্রকৃত ফুলে পাপড়ি, বৃতি, পুংকেশর ও গর্ভকেশর থাকে।
❖ শাপলার প্রজনন: যৌন প্রজননে ফুলের মাধ্যমে বীজ উৎপন্ন হয়। পাশাপাশি কিছু প্রজাতি রাইজোমের মাধ্যমে অঙ্গজ বিস্তার ঘটাতে পারে।
❖ শাপলা ও পদ্মের পার্থক্য: শাপলা সাধারণত Nymphaeaceae গোত্রের, আর পদ্ম (Nelumbo nucifera) Nelumbonaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
❖ অ্যাগারিকাস (Agaricus): একটি ছত্রাকের গণ, যার পরিচিত সদস্য মাশরুম বা ব্যাঙের ছাতা হিসেবে পরিচিত।
❖ অ্যাগারিকাসের রাজ্য: Fungi।
❖ Agaricus bisporus: পরিচিত চাষকৃত মাশরুমের একটি প্রজাতি।
❖ মস (Moss): ব্রায়োফাইট গোষ্ঠীর একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি প্রকৃত ফুল ও বীজ উৎপন্ন করে না।
❖ ফার্ন (Fern): একটি অপুষ্পক কিন্তু পরিবহন কলাযুক্ত বীজবিহীন উদ্ভিদ।
❖ ফার্নের বংশবৃদ্ধি: সাধারণত স্পোর (Spore) দ্বারা।
❖ মস ও ফার্নের পার্থক্য: মসে প্রকৃত জাইলেম-ফ্লোয়েম সাধারণত থাকে না, কিন্তু ফার্নে জাইলেম ও ফ্লোয়েম থাকে।
❖ আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: ফুলের মাধ্যমে প্রজনন, ডিম্বকের গর্ভাশয়ে অবস্থান, নিষেকের পর বীজ ও ফল সৃষ্টি এবং সাধারণত দ্বিনিষেক।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সপুষ্পক উদ্ভিদ — শাপলা।
➤ শাপলা — Water Lily।
➤ শাপলার গণ — Nymphaea।
➤ বাংলাদেশের জাতীয় ফুল — শাপলা।
➤ জাতীয় ফুলের সঙ্গে যুক্ত বৈজ্ঞানিক নাম — Nymphaea nouchali।
➤ শাপলার গোত্র — Nymphaeaceae।
➤ শাপলার বর্গ — Nymphaeales।
➤ শাপলা — জলজ আবৃতবীজী উদ্ভিদ।
➤ শাপলার পাতা — সাধারণত পানিতে ভাসে।
➤ শাপলার ভূগর্ভস্থ কাণ্ড — Rhizome।
➤ অ্যাগারিকাস — ছত্রাক।
➤ Agaricus bisporus — চাষকৃত মাশরুম।
➤ মস — Bryophyte।
➤ ফার্ন — Seedless Vascular Plant।
➤ ফার্ন বংশবৃদ্ধি করে — স্পোর দ্বারা।
➤ শাপলা ও পদ্ম — পৃথক গোত্রের উদ্ভিদ।
07
🎯 Level 1

১৪. যে উদ্ভিদে কখনও ফুল হয় না তাকে কী বলে? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১০)

ক

অপুষ্পক উদ্ভিদ

খ

সপুষ্পক উদ্ভিদ

গ

মিথোজীবী উদ্ভিদ

ঘ

স্বভোজী উদ্ভিদ

✅ সঠিক উত্তর:ক. অপুষ্পক উদ্ভিদ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: অপুষ্পক উদ্ভিদ (Non-flowering Plant)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ অপুষ্পক উদ্ভিদ (Non-flowering Plant) হলো এমন উদ্ভিদ, যা তার স্বাভাবিক জীবনচক্রে প্রকৃত ফুল উৎপন্ন করে না।
❖ প্রচলিত উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাস: ফুলের উপস্থিতির ভিত্তিতে উদ্ভিদকে সাধারণ শিক্ষাগত শ্রেণিবিন্যাসে সপুষ্পক ও অপুষ্পক—এই দুই ভাগে আলোচনা করা হয়।
❖ সপুষ্পক উদ্ভিদ: যে উদ্ভিদে প্রকৃত ফুল উৎপন্ন হয়। উদাহরণ আম, শাপলা, ধান, গোলাপ, শিমুল ও পেয়ারা।
❖ অপুষ্পক উদ্ভিদের উদাহরণ: মস, ফার্ন, লিভারওয়ার্ট ও হর্নওয়ার্ট।
❖ অপুষ্পক উদ্ভিদের সবগুলো বীজহীন নয়: নগ্নবীজী (Gymnosperm) উদ্ভিদে প্রকৃত ফুল না থাকলেও বীজ উৎপন্ন হয়।
❖ নগ্নবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperm): যে বীজযুক্ত উদ্ভিদে ডিম্বক সাধারণত গর্ভাশয়ের ভেতরে আবৃত থাকে না এবং বীজ ফলের ভেতরে আবদ্ধ হয় না।
❖ নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ: পাইন, সাইকাস, জিঙ্কগো ও গনেটাম।
❖ পাইন (Pinus): একটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ, যা সাধারণত শঙ্কু (Cone) উৎপন্ন করে।
❖ শঙ্কু ও ফুলের পার্থক্য: নগ্নবীজী উদ্ভিদের শঙ্কুকে আবৃতবীজী উদ্ভিদের প্রকৃত ফুলের সমার্থক ধরা যায় না।
❖ অবীজী অপুষ্পক উদ্ভিদ: যেসব অপুষ্পক উদ্ভিদ বীজ তৈরি করে না এবং সাধারণত স্পোর উৎপন্ন করে বংশবৃদ্ধি করে।
❖ মস (Moss): ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ; সাধারণত প্রকৃত পরিবহন কলাহীন।
❖ ফার্ন (Fern): পরিবহন কলাযুক্ত কিন্তু বীজবিহীন উদ্ভিদ।
❖ স্পোর (Spore): বিশেষ ধরনের প্রজনন একক, যা অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে জীবনচক্রের নতুন পর্যায় শুরু করতে পারে।
❖ মসের জীবনচক্র: মসে সাধারণত Gametophyte পর্যায়টি সবুজ ও দৃশ্যমান প্রধান পর্যায়।
❖ ফার্নের জীবনচক্র: ফার্নে সাধারণত Sporophyte পর্যায়টি প্রধান ও সুস্পষ্ট।
❖ অপুষ্পক উদ্ভিদে প্রজনন: উদ্ভিদগোষ্ঠীভেদে স্পোর অথবা নগ্ন বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি হতে পারে।
❖ মিথোজীবী উদ্ভিদ: মিথোজীবিতা জীবদের পুষ্টিগত বা সহাবস্থানমূলক সম্পর্ক নির্দেশ করে; এটি ফুলের উপস্থিতিভিত্তিক শ্রেণি নয়।
❖ স্বভোজী উদ্ভিদ: সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে এমন উদ্ভিদ। এটি পুষ্টিগত বৈশিষ্ট্য, ফুলের উপস্থিতি নয়।
❖ গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: একটি উদ্ভিদ অপুষ্পক এবং স্বভোজী—উভয়ই হতে পারে। যেমন সবুজ মস ও ফার্ন।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ যে উদ্ভিদে প্রকৃত ফুল হয় না — অপুষ্পক উদ্ভিদ।
➤ Non-flowering Plant — অপুষ্পক উদ্ভিদ।
➤ Flowering Plant — সপুষ্পক উদ্ভিদ।
➤ সপুষ্পক উদ্ভিদ — Angiosperm।
➤ অপুষ্পক উদ্ভিদের উদাহরণ — মস ও ফার্ন।
➤ মস — Bryophyte।
➤ ফার্ন — Seedless Vascular Plant।
➤ অপুষ্পক কিন্তু বীজযুক্ত — Gymnosperm।
➤ Gymnosperm — নগ্নবীজী উদ্ভিদ।
➤ নগ্নবীজীর উদাহরণ — পাইন ও সাইকাস।
➤ পাইনে প্রজনন কাঠামো — Cone।
➤ মস ও ফার্ন — স্পোর উৎপন্ন করে।
➤ মসে প্রধান পর্যায় — Gametophyte।
➤ ফার্নে প্রধান পর্যায় — Sporophyte।
➤ Autotroph — স্বভোজী।
➤ Symbiosis — মিথোজীবিতা বা সহাবস্থান।
➤ সব অপুষ্পক উদ্ভিদ বীজহীন নয়।
08
🎯 Level 1

১৭. কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১১)

ক

ক্লোরেলা

খ

শিমুল

গ

নস্টক

ঘ

ব্যাঙের ছাতা

✅ সঠিক উত্তর:খ. শিমুল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: শিমুল (Silk Cotton Tree) — সপুষ্পক উদ্ভিদ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ শিমুল (Silk Cotton Tree) একটি সপুষ্পক ও আবৃতবীজী বৃক্ষ। এতে প্রকৃত ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে শিমুল অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়।
❖ শিমুলের বৈজ্ঞানিক নাম: Bombax ceiba।
❖ শিমুলের গোত্র: Malvaceae।
❖ শিমুলের গণ: Bombax।
❖ শিমুলের ইংরেজি পরিচয়: Red Silk Cotton Tree।
❖ শিমুলের প্রকৃতি: এটি সাধারণত বৃহৎ, পর্ণমোচী ও কাষ্ঠল বৃক্ষ।
❖ শিমুলের ফুল: শিমুল গাছে সাধারণত বড়, আকর্ষণীয়, উজ্জ্বল লাল বা লালচে কমলা ফুল ফোটে।
❖ শিমুলের ফুল ফোটার সময়: বাংলাদেশের পরিবেশে সাধারণত শীতের শেষ ও বসন্তকালে শিমুলের ফুল দেখা যায়।
❖ শিমুলের পরাগায়ন: বিভিন্ন পাখি ও অন্য প্রাণী ফুলের মধু গ্রহণের সময় পরাগায়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
❖ শিমুলের ফল: সাধারণত Capsule ধরনের ফল হয়।
❖ শিমুলের বীজ: ফলের ভেতরে বীজের চারপাশে নরম তুলাসদৃশ আঁশ থাকে।
❖ শিমুলের তুলা: শিমুলের ফলের আঁশ বালিশ, গদি ও অন্যান্য সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়।
❖ শিমুলের তুলা ও কৃষিজ তুলার পার্থক্য: শিমুলের তুলা Bombax ceiba গাছের ফলের আঁশ, আর বস্ত্রশিল্পের সাধারণ তুলা Gossypium গণের উদ্ভিদের বীজের লোম।
❖ ক্লোরেলা (Chlorella): এক ধরনের এককোষী সবুজ শৈবাল (Green Alga)।
❖ ক্লোরেলার বৈজ্ঞানিক গণ: Chlorella।
❖ ক্লোরেলার বৈশিষ্ট্য: এতে ক্লোরোফিল থাকে এবং এটি সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে।
❖ ক্লোরেলার কোষ: সাধারণত ক্ষুদ্র, প্রায় গোলাকার ও এককোষী।
❖ ক্লোরেলার বংশবৃদ্ধি: সাধারণত কোষের অভ্যন্তরে Autospores তৈরি করে অযৌন বংশবৃদ্ধি করে।
❖ ক্লোরেলার ব্যবহার: সালোকসংশ্লেষণ, শৈবালজীববিজ্ঞান, জৈবপ্রযুক্তি এবং সম্ভাব্য পুষ্টি ও শিল্পপ্রয়োগ-সংক্রান্ত গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
❖ নস্টক (Nostoc): এক ধরনের সায়ানোব্যাকটেরিয়া (Cyanobacterium)।
❖ পুরোনো পরিচয়: নস্টককে অনেক পুরোনো বইয়ে নীলাভ-সবুজ শৈবাল (Blue-green Algae) বলা হয়েছে।
❖ আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস: নস্টক প্রোক্যারিওটিক ব্যাকটেরিয়া, প্রকৃত ইউক্যারিওটিক উদ্ভিদ বা শৈবাল নয়।
❖ নস্টকের বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত সূত্রাকার বা কলোনিবদ্ধ অবস্থায় থাকতে পারে।
❖ নস্টকের বিশেষ কোষ: Heterocyst। অনেক নস্টক প্রজাতিতে এ বিশেষ কোষ বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন স্থিরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ।
❖ নাইট্রোজেন স্থিরীকরণ (Nitrogen Fixation): বায়ুমণ্ডলীয় N₂-কে জীবের ব্যবহারযোগ্য নাইট্রোজেন যৌগে রূপান্তরের জৈবিক প্রক্রিয়া।
❖ নস্টকের আরেকটি বিশেষ কোষ: Akinete, যা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ ব্যাঙের ছাতা (Mushroom): ছত্রাকের ফলধারী গঠন। এটি প্রকৃত ফুল ও বীজ তৈরি করে না।
❖ ব্যাঙের ছাতার রাজ্য: Fungi।
❖ ছত্রাকের প্রজনন: অনেক ছত্রাক স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
❖ প্রধান বৈজ্ঞানিক পার্থক্য: ক্লোরেলা হলো সবুজ শৈবাল, নস্টক হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ব্যাঙের ছাতা হলো ছত্রাক—অর্থাৎ তিনটি আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে একই উদ্ভিদগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়।
❖ প্রশ্নের উদ্দেশ্য: পুরোনো শিক্ষাগত শ্রেণিবিন্যাসে ক্লোরেলা, নস্টক ও ব্যাঙের ছাতাকে অপুষ্পক জীব হিসেবে আলোচনায় রাখা হয়েছে। প্রদত্ত বিকল্পে প্রকৃত ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদ হলো শিমুল।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ অপুষ্পক নয় — শিমুল।
➤ শিমুল — সপুষ্পক উদ্ভিদ।
➤ শিমুলের বৈজ্ঞানিক নাম — Bombax ceiba।
➤ শিমুলের গণ — Bombax।
➤ শিমুলের গোত্র — Malvaceae।
➤ ইংরেজি নাম — Red Silk Cotton Tree।
➤ শিমুল — পর্ণমোচী বৃক্ষ।
➤ শিমুলের ফুল — সাধারণত লাল বা লালচে কমলা।
➤ শিমুলের ফল — Capsule।
➤ শিমুলের ফলের আঁশ — তুলাসদৃশ।
➤ বস্ত্রশিল্পের তুলা — Gossypium।
➤ ক্লোরেলা — এককোষী সবুজ শৈবাল।
➤ Chlorella — সালোকসংশ্লেষণকারী।
➤ ক্লোরেলায় — ক্লোরোফিল থাকে।
➤ ক্লোরেলার অযৌন প্রজনন — Autospores।
➤ নস্টক — Nostoc।
➤ নস্টক — Cyanobacterium।
➤ নস্টক — প্রোক্যারিওটিক।
➤ নস্টকের বিশেষ কোষ — Heterocyst।
➤ Heterocyst — নাইট্রোজেন স্থিরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ।
➤ Akinete — প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার বিশেষ কোষ।
➤ ব্যাঙের ছাতা — Fungi।
➤ ছত্রাকের কোষপ্রাচীর — কাইটিনসমৃদ্ধ।
➤ ক্লোরেলা, নস্টক ও ব্যাঙের ছাতা — আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে এক গোষ্ঠীর জীব নয়।
➤ প্রদত্ত চারটির মধ্যে প্রকৃত সপুষ্পক উদ্ভিদ — শিমুল।
Advertisement
09
🎯 Level 1

২০. কোন উদ্ভিদে অণুবীজের মাধ্যমে প্রজনন হয়? (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০১)

ক

সরিষা

খ

পাট

গ

ফার্ন

ঘ

গম

✅ সঠিক উত্তর:গ. ফার্ন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ফার্ন (Fern) — স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে বংশবিস্তারকারী উদ্ভিদ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ফার্ন (Fern) একটি বীজবিহীন সংবহনতন্ত্রবিশিষ্ট উদ্ভিদ, যা স্পোর (Spore) বা রেণুর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর গ. ফার্ন।
❖ অণুবীজ শব্দের অর্থ: পুরোনো কিছু বাংলা জীববিজ্ঞান গ্রন্থে স্পোর বা রেণু বোঝাতে অণুবীজ শব্দ ব্যবহার করা হয়। তবে স্পোর প্রকৃত বীজের সমতুল্য নয়।
❖ ফার্নের শ্রেণিগত পরিচয়: প্রচলিত পাঠ্যবইয়ে ফার্নকে টেরিডোফাইটা (Pteridophyta) গোষ্ঠীর উদ্ভিদ বলা হয়। আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে প্রকৃত ফার্ন Polypodiopsida শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
❖ ফার্নের দেহগঠন: ফার্নের প্রকৃত মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে।
❖ সংবহনতন্ত্র: ফার্নের দেহে জাইলেম ও ফ্লোয়েম থাকে। তাই এটি মস বা Riccia-এর তুলনায় উন্নত গঠনবিশিষ্ট।
❖ ফার্নের কাণ্ড: অনেক ফার্নে রাইজোম (Rhizome) নামে ভূগর্ভস্থ বা মাটির সমান্তরাল কাণ্ড থাকে।
❖ ফার্নের পাতা: ফার্নের বড় ও সাধারণত বিভক্ত পাতাকে ফ্রন্ড (Frond) বলা হয়।
❖ কচি ফার্ন পাতার গঠন: অনেক ফার্নে কচি পাতা কুণ্ডলিত থাকে। এই কুণ্ডলিত গঠনকে Fiddlehead বা Crozier বলা হয়।
❖ স্পোরাঞ্জিয়াম (Sporangium): স্পোর উৎপাদনকারী বিশেষ গঠন।
❖ সোরাস (Sorus): ফার্ন পাতার নিচে থাকা স্পোরাঞ্জিয়ামের গুচ্ছ।
❖ সোরাই (Sori): Sorus-এর বহুবচন। পরিণত ফার্ন পাতার নিচে ছোট ছোট বাদামি দাগ বা গুচ্ছ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
❖ স্পোর উৎপাদন: সাধারণ ফার্নে স্পোরাঞ্জিয়ামের স্পোর-মাতৃকোষে মিয়োসিসের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড স্পোর তৈরি হয়।
❖ স্পোরের অঙ্কুরোদ্গম: অনুকূল পরিবেশে স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে গ্যামেটোফাইট তৈরি করে।
❖ প্রোথ্যালাস (Prothallus): অধিকাংশ পরিচিত ফার্নের ছোট, সবুজ, প্রায় হৃদয়াকৃতির গ্যামেটোফাইট।
❖ ফার্নের প্রধান জীবনপর্যায়: স্পোরোফাইট (Sporophyte)।
❖ নিষেকে পানির প্রয়োজন: ফার্নের চলনক্ষম শুক্রাণুর ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছানোর জন্য সাধারণত জলীয় পরিবেশ প্রয়োজন।
❖ সরিষা (Mustard): সরিষা একটি আবৃতবীজী সপুষ্পক উদ্ভিদ, যা বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
❖ পাট (Jute): পাটের ফুল ও ফল হয় এবং বীজ উৎপন্ন হয়।
❖ গম (Wheat): গম একটি একবীজপত্রী আবৃতবীজী উদ্ভিদ। এর প্রজনন বীজের মাধ্যমে ঘটে।
❖ ফার্ন ও মসের পার্থক্য: উভয়ই স্পোর উৎপন্ন করে; কিন্তু ফার্নে প্রকৃত মূল-কাণ্ড-পাতা ও সংবহনতন্ত্র থাকে, মসে এগুলো সুগঠিত নয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ স্পোরের মাধ্যমে প্রজননকারী উদ্ভিদ — ফার্ন।
➤ ফার্নের ইংরেজি — Fern।
➤ স্পোরের ইংরেজি — Spore।
➤ স্পোর উৎপাদনকারী অঙ্গ — Sporangium।
➤ স্পোরাঞ্জিয়ামের গুচ্ছ — Sorus।
➤ Sorus-এর বহুবচন — Sori।
➤ ফার্নের পাতা — Frond।
➤ ফার্নের কচি কুণ্ডলিত পাতা — Fiddlehead।
➤ ফার্নের ভূগর্ভস্থ কাণ্ড — Rhizome।
➤ ফার্নের প্রধান জীবনপর্যায় — Sporophyte।
➤ ফার্নের গ্যামেটোফাইট — Prothallus।
➤ ফার্নে প্রকৃত মূল-কাণ্ড-পাতা — আছে।
➤ ফার্নে জাইলেম-ফ্লোয়েম — আছে।
➤ ফার্নে ফুল-ফল-বীজ — নেই।
➤ সরিষা, পাট ও গম — বীজ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ।
10
🎯 Level 1

২২. কোনটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ? (গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: ২১-২২)

ক

বাঁশ

খ

ধান

গ

গম

ঘ

সাইকাস

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সাইকাস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সাইকাস (Cycas) — নগ্নবীজী উদ্ভিদ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সাইকাস (Cycas) একটি পরিচিত নগ্নবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperm)। এর বীজ ডিম্বাশয় থেকে গঠিত ফলের ভেতরে আবদ্ধ থাকে না। তাই সঠিক উত্তর ঘ. সাইকাস।
❖ নগ্নবীজী (Gymnosperm): যে বীজধারী উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতরে আবদ্ধ নয়, তাকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়।
❖ শব্দের উৎপত্তি: গ্রিক Gymnos অর্থ নগ্ন এবং Sperma অর্থ বীজ।
❖ সাইকাসের শ্রেণিগত পরিচয়: Cycas হলো Cycadaceae পরিবারের একটি গণ।
❖ সাইকাসের দেহগঠন: সাধারণত একটি কাণ্ডের মাথায় বড়, পালকের মতো যৌগিক পাতা থাকে।
❖ সাইকাসের মূল: সাইকাসে সাধারণ মূল ছাড়াও কোরালয়েড মূল (Coralloid Root) থাকতে পারে।
❖ কোরালয়েড মূল: প্রবালসদৃশ বিশেষ ধরনের মূল, যেখানে নির্দিষ্ট সায়ানোব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে সহাবস্থান দেখা যায়।
❖ সায়ানোব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা: কোরালয়েড মূলের কিছু সহযোগী সায়ানোব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে।
❖ সাইকাসের প্রজনন: সাইকাস সাধারণত পৃথক পুরুষ ও স্ত্রী উদ্ভিদ (Dioecious) হিসেবে দেখা যায়।
❖ পুরুষ সাইকাস: সাধারণত পুং শঙ্কু বা Male Cone তৈরি করে।
❖ স্ত্রী সাইকাস: স্ত্রী জনন গঠন বহন করে; Cycas-এ স্ত্রী মেগাস্পোরোফিলগুলো সাধারণ শঙ্কুযুক্ত অনেক নগ্নবীজীর মতো ঘন বন্ধ শঙ্কু তৈরি করে না।
❖ সাইকাসের বীজ: পরিণত বীজ ফলের মধ্যে আবদ্ধ নয়।
❖ নগ্নবীজীর উদাহরণ: Cycas, Pinus, Ginkgo ও Gnetum।
❖ পাইনাস (Pinus): পরিচিত নগ্নবীজী বৃক্ষ, যা সাধারণত পাইন শঙ্কু তৈরি করে।
❖ Ginkgo biloba: আধুনিক পৃথিবীতে একটি স্বতন্ত্র প্রাচীন উদ্ভিদবংশের পরিচিত জীবিত প্রজাতি।
❖ বাঁশ (Bamboo): বাঁশ Poaceae পরিবারের আবৃতবীজী একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
❖ ধান (Rice): ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa। এটি আবৃতবীজী একবীজপত্রী।
❖ গম (Wheat): সাধারণ গমের বৈজ্ঞানিক নাম Triticum aestivum। এটি আবৃতবীজী একবীজপত্রী।
❖ নগ্নবীজী ও আবৃতবীজীর প্রধান পার্থক্য: নগ্নবীজীর বীজ ফলের ভেতরে আবদ্ধ নয়; আবৃতবীজীর ডিম্বাশয় ফল হিসেবে বিকশিত হয়ে বীজকে আবৃত করে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ নগ্নবীজী উদ্ভিদ — সাইকাস।
➤ সাইকাসের ইংরেজি — Cycas।
➤ Gymnosperm — নগ্নবীজী উদ্ভিদ।
➤ Gymnos — নগ্ন।
➤ Sperma — বীজ।
➤ Cycas-এর পরিবার — Cycadaceae।
➤ সাইকাসের বিশেষ মূল — Coralloid Root।
➤ Coralloid Root-এ — সায়ানোব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
➤ সাইকাস — সাধারণত Dioecious।
➤ Dioecious — পুরুষ ও স্ত্রী জনন গঠন পৃথক উদ্ভিদে।
➤ নগ্নবীজীর উদাহরণ — Cycas, Pinus, Ginkgo, Gnetum।
➤ পাইন — Pinus।
➤ বাঁশের পরিবার — Poaceae।
➤ ধান — Oryza sativa।
➤ গম — Triticum aestivum।
➤ আবৃতবীজী উদ্ভিদ — Angiosperm।
➤ নগ্নবীজীতে প্রকৃত ফল — তৈরি হয় না।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন