🧠 🔖
👑 Premium Topic

প্লান্ট ডাইভারসিটি-ফুল ও ফল, পরাগায়ন ও অন্মকুরোদম

◉ সাধারণ বিজ্ঞান›প্লান্ট ডাইভারসিটি-ফুল ও ফল, পরাগায়ন ও অন্মকুরোদম

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚59মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় গোল আলুকে কী বলে? (গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় অফিসার: ০৩)

ক

ফল

খ

ফুল

গ

কাণ্ড

ঘ

মূল

✅ সঠিক উত্তর:গ. কাণ্ড

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: কাণ্ড — বিশেষভাবে রূপান্তরিত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড বা স্টেম টিউবার (Stem Tuber)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গোল আলু (Potato) উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি রূপান্তরিত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড (Modified Underground Stem)। এটি মাটির নিচে জন্মালেও প্রকৃত মূল নয়। আলুর স্ফীত অংশটি খাদ্য সঞ্চয় করে এবং এর গায়ে থাকা চোখ (Eye) থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।
❖ আলুর বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum tuberosum।
❖ গোত্র: Solanaceae।
❖ আলুর গণ: Solanum।
❖ আলুর আদি উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চল। বর্তমানে পেরু ও বলিভিয়ার অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলে আলুর প্রাচীন চাষের ইতিহাস রয়েছে।
❖ আলুর উদ্ভিদগত পরিচয়: এটি একটি সপুষ্পক, দ্বিবীজপত্রী ও সাধারণত বীরুৎ প্রকৃতির উদ্ভিদ।
❖ স্টেম টিউবার (Stem Tuber): ভূগর্ভস্থ কাণ্ডের কোনো অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের মতো গঠন তৈরি করলে তাকে স্টেম টিউবার বলে।
❖ আলু কাণ্ড হওয়ার প্রধান প্রমাণ: আলুর গায়ে পর্ব (Node), পর্বমধ্য (Internode) এবং কুঁড়ি (Bud)-র পরিচয় পাওয়া যায়। আলুর চোখগুলো কাণ্ডের কুঁড়ির প্রতিনিধিত্ব করে।
❖ আলুর চোখ (Potato Eye): আলুর গায়ের ক্ষুদ্র গর্তসদৃশ স্থানে এক বা একাধিক কুঁড়ি থাকতে পারে। উপযুক্ত পরিবেশে এসব কুঁড়ি থেকে নতুন অঙ্কুর বের হয়।
❖ আলুতে সঞ্চিত প্রধান খাদ্য: স্টার্চ (Starch)। এটি এক ধরনের জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড।
❖ স্টার্চের গঠন: প্রধানত অ্যামাইলোজ (Amylose) ও অ্যামাইলোপেকটিন (Amylopectin) দ্বারা গঠিত।
❖ স্টার্চ শনাক্তকরণ: আয়োডিন দ্রবণ প্রয়োগ করলে স্টার্চ উপস্থিত থাকলে সাধারণত নীলচে-কালো বর্ণ দেখা যায়।
❖ আলুর অঙ্গজ প্রজনন: বীজ ছাড়াও আলুর কন্দ অথবা চোখযুক্ত কন্দের অংশ রোপণের মাধ্যমে নতুন আলুগাছ উৎপন্ন করা যায়।
❖ আলুর প্রকৃত ফল: আলুগাছ ফুল ফোটাতে পারে এবং নিষেকের পর ছোট বেরি (Berry) জাতীয় ফল উৎপন্ন করতে পারে। খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত গোল আলু সেই ফল নয়।
❖ আলুর কন্দ বনাম মিষ্টি আলু: গোল আলু হলো রূপান্তরিত কাণ্ড, কিন্তু মিষ্টি আলুর খাদ্যসঞ্চয়ী অংশ হলো রূপান্তরিত মূল।
❖ মিষ্টি আলুর বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea batatas।
❖ মিষ্টি আলুর গোত্র: Convolvulaceae।
❖ রূপান্তরিত কাণ্ডের অন্যান্য উদাহরণ: আদা, হলুদ, পেঁয়াজ, রসুন, ওলকচু, কচু ও আলু। তবে এগুলোর ভূগর্ভস্থ গঠন এক ধরনের নয়।
❖ রূপান্তরিত মূলের উদাহরণ: মিষ্টি আলু, গাজর, মুলা, শালগম, বিট ও কাসাভা।
❖ মাটির নিচে থাকলেই মূল নয়: কোনো অঙ্গ মাটির নিচে জন্মালেই তাকে মূল বলা যায় না। তার পর্ব, কুঁড়ি, অঙ্গের উৎপত্তি ও গঠন দেখে নির্ণয় করতে হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ গোল আলু — রূপান্তরিত কাণ্ড।
➤ আলুর রূপান্তরিত কাণ্ড — Stem Tuber।
➤ আলুর বৈজ্ঞানিক নাম — Solanum tuberosum।
➤ আলুর গোত্র — Solanaceae।
➤ আলুর আদি উৎপত্তিস্থল — দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চল।
➤ আলুর চোখ — কুঁড়ি বা Bud ধারণ করে।
➤ আলুর প্রধান সঞ্চিত খাদ্য — স্টার্চ।
➤ স্টার্চের উপাদান — Amylose ও Amylopectin।
➤ স্টার্চ শনাক্তকারী দ্রবণ — আয়োডিন।
➤ স্টার্চ ও আয়োডিনের বিক্রিয়ায় — নীলচে-কালো বর্ণ।
➤ আলুর অঙ্গজ প্রজনন — চোখযুক্ত কন্দের মাধ্যমে।
➤ আলুগাছের প্রকৃত ফল — Berry।
➤ মিষ্টি আলু — রূপান্তরিত মূল।
➤ মিষ্টি আলু — Ipomoea batatas।
➤ আদা — Rhizome।
➤ পেঁয়াজ — Bulb।
➤ কচু — Corm।
➤ ভূগর্ভস্থ অঙ্গ সব সময় মূল নয়।"
02
🎯 Level 1

০১. উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় গোল আলুকে কী বলে? (গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় অফিসার: ০৩)

ক

ফল

খ

ফুল

গ

কাণ্ড

ঘ

মূল

✅ সঠিক উত্তর:গ. কাণ্ড

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: কাণ্ড — বিশেষভাবে রূপান্তরিত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড বা স্টেম টিউবার (Stem Tuber)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গোল আলু (Potato) উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি রূপান্তরিত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড (Modified Underground Stem)। এটি মাটির নিচে জন্মালেও প্রকৃত মূল নয়। আলুর স্ফীত অংশটি খাদ্য সঞ্চয় করে এবং এর গায়ে থাকা চোখ (Eye) থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।
❖ আলুর বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum tuberosum।
❖ গোত্র: Solanaceae।
❖ আলুর গণ: Solanum।
❖ আলুর আদি উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চল। বর্তমানে পেরু ও বলিভিয়ার অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলে আলুর প্রাচীন চাষের ইতিহাস রয়েছে।
❖ আলুর উদ্ভিদগত পরিচয়: এটি একটি সপুষ্পক, দ্বিবীজপত্রী ও সাধারণত বীরুৎ প্রকৃতির উদ্ভিদ।
❖ স্টেম টিউবার (Stem Tuber): ভূগর্ভস্থ কাণ্ডের কোনো অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের মতো গঠন তৈরি করলে তাকে স্টেম টিউবার বলে।
❖ আলু কাণ্ড হওয়ার প্রধান প্রমাণ: আলুর গায়ে পর্ব (Node), পর্বমধ্য (Internode) এবং কুঁড়ি (Bud)-র পরিচয় পাওয়া যায়। আলুর চোখগুলো কাণ্ডের কুঁড়ির প্রতিনিধিত্ব করে।
❖ আলুর চোখ (Potato Eye): আলুর গায়ের ক্ষুদ্র গর্তসদৃশ স্থানে এক বা একাধিক কুঁড়ি থাকতে পারে। উপযুক্ত পরিবেশে এসব কুঁড়ি থেকে নতুন অঙ্কুর বের হয়।
❖ আলুতে সঞ্চিত প্রধান খাদ্য: স্টার্চ (Starch)। এটি এক ধরনের জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড।
❖ স্টার্চের গঠন: প্রধানত অ্যামাইলোজ (Amylose) ও অ্যামাইলোপেকটিন (Amylopectin) দ্বারা গঠিত।
❖ স্টার্চ শনাক্তকরণ: আয়োডিন দ্রবণ প্রয়োগ করলে স্টার্চ উপস্থিত থাকলে সাধারণত নীলচে-কালো বর্ণ দেখা যায়।
❖ আলুর অঙ্গজ প্রজনন: বীজ ছাড়াও আলুর কন্দ অথবা চোখযুক্ত কন্দের অংশ রোপণের মাধ্যমে নতুন আলুগাছ উৎপন্ন করা যায়।
❖ আলুর প্রকৃত ফল: আলুগাছ ফুল ফোটাতে পারে এবং নিষেকের পর ছোট বেরি (Berry) জাতীয় ফল উৎপন্ন করতে পারে। খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত গোল আলু সেই ফল নয়।
❖ আলুর কন্দ বনাম মিষ্টি আলু: গোল আলু হলো রূপান্তরিত কাণ্ড, কিন্তু মিষ্টি আলুর খাদ্যসঞ্চয়ী অংশ হলো রূপান্তরিত মূল।
❖ মিষ্টি আলুর বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea batatas।
❖ মিষ্টি আলুর গোত্র: Convolvulaceae।
❖ রূপান্তরিত কাণ্ডের অন্যান্য উদাহরণ: আদা, হলুদ, পেঁয়াজ, রসুন, ওলকচু, কচু ও আলু। তবে এগুলোর ভূগর্ভস্থ গঠন এক ধরনের নয়।
❖ রূপান্তরিত মূলের উদাহরণ: মিষ্টি আলু, গাজর, মুলা, শালগম, বিট ও কাসাভা।
❖ মাটির নিচে থাকলেই মূল নয়: কোনো অঙ্গ মাটির নিচে জন্মালেই তাকে মূল বলা যায় না। তার পর্ব, কুঁড়ি, অঙ্গের উৎপত্তি ও গঠন দেখে নির্ণয় করতে হয়।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ গোল আলু — রূপান্তরিত কাণ্ড।
➤ আলুর রূপান্তরিত কাণ্ড — Stem Tuber।
➤ আলুর বৈজ্ঞানিক নাম — Solanum tuberosum।
➤ আলুর গোত্র — Solanaceae।
➤ আলুর আদি উৎপত্তিস্থল — দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চল।
➤ আলুর চোখ — কুঁড়ি বা Bud ধারণ করে।
➤ আলুর প্রধান সঞ্চিত খাদ্য — স্টার্চ।
➤ স্টার্চের উপাদান — Amylose ও Amylopectin।
➤ স্টার্চ শনাক্তকারী দ্রবণ — আয়োডিন।
➤ স্টার্চ ও আয়োডিনের বিক্রিয়ায় — নীলচে-কালো বর্ণ।
➤ আলুর অঙ্গজ প্রজনন — চোখযুক্ত কন্দের মাধ্যমে।
➤ আলুগাছের প্রকৃত ফল — Berry।
➤ মিষ্টি আলু — রূপান্তরিত মূল।
➤ মিষ্টি আলু — Ipomoea batatas।
➤ আদা — Rhizome।
➤ পেঁয়াজ — Bulb।
➤ কচু — Corm।
➤ ভূগর্ভস্থ অঙ্গ সব সময় মূল নয়।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৪. কোনটি গাজর, পেঁয়াজ ও মূলার মতো? (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিবার পরিকল্পনা সহকারী: ০৩)

ক

বেগুন

খ

শিম

গ

লেবু

ঘ

আলু

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. আলু

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: আলু (Potato)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আলু, গাজর, পেঁয়াজ ও মুলা—এসব উদ্ভিদের খাদ্যযোগ্য অংশ সাধারণত মাটির নিচে গঠিত হয়। এ কারণে প্রচলিত সাধারণ বিজ্ঞান প্রশ্নে এদের একই ধরনের ভূগর্ভস্থ খাদ্যসঞ্চয়ী অঙ্গের উদাহরণ হিসেবে আলোচনা করা হয়।
❖ গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পার্থক্য: এ চারটি খাদ্যশস্য মাটির নিচে জন্মালেও সবগুলো একই উদ্ভিদীয় অঙ্গ নয়।
❖ আলু: রূপান্তরিত কাণ্ড বা Stem Tuber।
❖ গাজর: রূপান্তরিত প্রধানমূল বা Conical Storage Root।
❖ পেঁয়াজ: Bulb, যা সংক্ষিপ্ত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড ও মাংসল শল্কপত্র নিয়ে গঠিত।
❖ মুলা: রূপান্তরিত খাদ্যসঞ্চয়ী প্রধানমূল, সাধারণ উদাহরণে Fusiform Root।
❖ এগুলোর প্রধান মিল: খাদ্যসঞ্চয়ের জন্য মাটির নিচের অংশ বিশেষভাবে স্ফীত বা রূপান্তরিত হয়েছে।
❖ আলুর প্রধান সঞ্চিত খাদ্য: স্টার্চ।
❖ গাজরের গুরুত্বপূর্ণ রঞ্জক: বিটা-ক্যারোটিন (β-Carotene), যা দেহে ভিটামিন এ তৈরির পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করতে পারে।
❖ পেঁয়াজের ঝাঁজ: পেঁয়াজ কাটা হলে সালফারযুক্ত রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ায় চোখে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
❖ মুলার বৈশিষ্ট্য: মুলা Brassicaceae গোত্রের উদ্ভিদ। এতে গ্লুকোসিনোলেটজাত উপাদান ও সংশ্লিষ্ট রাসায়নিক যৌগ থাকে।
❖ বেগুন: Solanum melongena; খাদ্যযোগ্য অংশ ফল।
❖ শিম: Lablab purpureus; খাদ্যযোগ্য অংশ শুঁটি ও বীজ।
❖ লেবু: Citrus × limon; খাদ্যযোগ্য অংশ ফল।
❖ আলুর চোখ থেকে প্রজনন: আলু মাটির নিচে জন্মালেও এর চোখ থেকে অঙ্কুর উৎপন্ন হয়, যা প্রমাণ করে এটি কাণ্ড।
❖ গাজর ও মুলায় প্রজনন: সাধারণভাবে এ উদ্ভিদগুলো বীজের মাধ্যমে চাষ করা হয়। খাদ্যসঞ্চয়ী মূল আলুর চোখযুক্ত কন্দের মতো অঙ্গজ প্রজননের অঙ্গ নয়।
❖ পেঁয়াজে প্রজনন: বীজের পাশাপাশি বাল্ব ও অফসেটের মাধ্যমেও নতুন উদ্ভিদ তৈরি হতে পারে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সঠিক উত্তর — আলু।
➤ আলু — ভূগর্ভস্থ কাণ্ড।
➤ গাজর — ভূগর্ভস্থ খাদ্যসঞ্চয়ী মূল।
➤ মুলা — ভূগর্ভস্থ খাদ্যসঞ্চয়ী মূল।
➤ পেঁয়াজ — Bulb।
➤ আলু — Stem Tuber।
➤ গাজর — Conical Root।
➤ মুলা — Fusiform Root।
➤ পেঁয়াজের কাণ্ড — Basal Plate।
➤ আলুর খাদ্যসঞ্চয় — স্টার্চ।
➤ গাজরের রঞ্জক — β-Carotene।
➤ গাজরের গোত্র — Apiaceae।
➤ মুলার গোত্র — Brassicaceae।
➤ পেঁয়াজের গোত্র — Amaryllidaceae।
➤ মাটির নিচে জন্মালেই সব অঙ্গ মূল নয়।
04
🎯 Level 1

০৬. কোনটি ভূ-গর্ভস্থ কাণ্ড? (প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৩)

ক

শালগম

খ

গাজর

গ

আদা

ঘ

মুলা

✅ সঠিক উত্তর:গ. আদা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: আদা (Ginger)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আদা (Ginger) একটি রূপান্তরিত ভূগর্ভস্থ কাণ্ড। এর কাণ্ড মাটির নিচে সাধারণত অনুভূমিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য সঞ্চয় করে। এ ধরনের কাণ্ডকে রাইজোম (Rhizome) বলে।
❖ আদার বৈজ্ঞানিক নাম: Zingiber officinale।
❖ আদার গোত্র: Zingiberaceae।
❖ আদার উদ্ভিদগত পরিচয়: এটি একটি একবীজপত্রী, বহুবর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ।
❖ রাইজোমের গঠন: রাইজোমে পর্ব, পর্বমধ্য, শল্কপত্র, কুঁড়ি ও অস্থানিক মূল থাকে।
❖ রাইজোম কেন কাণ্ড: রাইজোমের পর্ব থেকে কুঁড়ি ও অস্থানিক মূল উৎপন্ন হতে পারে। প্রকৃত মূলের মতো নয়, এতে কাণ্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।
❖ আদার খাদ্যসঞ্চয়: রাইজোমে শর্করা ও অন্যান্য জৈব উপাদান সঞ্চিত থাকে।
❖ আদার ঝাঁজের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান: Gingerol ও সংশ্লিষ্ট যৌগ।
❖ শুকনা আদার রাসায়নিক পরিবর্তন: প্রক্রিয়াজাতকরণে কিছু Gingerol থেকে Shogaol-জাতীয় যৌগ তৈরি হতে পারে।
❖ আদার অঙ্গজ প্রজনন: জীবিত কুঁড়িযুক্ত রাইজোমের অংশ রোপণ করলে নতুন উদ্ভিদ জন্মায়।
❖ আদার ব্যবহার: রান্না, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিভিন্ন সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
❖ শালগম: Brassica rapa subsp. rapa। এটি খাদ্যসঞ্চয়ী প্রধানমূলের উদাহরণ।
❖ গাজর: Daucus carota; শঙ্কু আকৃতির খাদ্যসঞ্চয়ী প্রধানমূল।
❖ মুলা: Raphanus sativus; সাধারণত মাকু আকৃতির রূপান্তরিত প্রধানমূল হিসেবে পড়ানো হয়।
❖ আদা ও হলুদের মিল: উভয় উদ্ভিদই Zingiberaceae গোত্রের এবং উভয়ের খাদ্যযোগ্য অংশ Rhizome।
❖ হলুদের বৈজ্ঞানিক নাম: Curcuma longa।
❖ রাইজোম বনাম টিউবার: আদা হলো Rhizome, আলু হলো Stem Tuber। উভয়ই রূপান্তরিত কাণ্ড হলেও গঠনে পৃথক।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ভূগর্ভস্থ কাণ্ড — আদা।
➤ আদার বৈজ্ঞানিক নাম — Zingiber officinale।
➤ আদার গোত্র — Zingiberaceae।
➤ আদা — একবীজপত্রী।
➤ আদার রূপান্তরিত কাণ্ড — Rhizome।
➤ Rhizome — অনুভূমিক ভূগর্ভস্থ কাণ্ড।
➤ আদার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান — Gingerol।
➤ আদা রাইজোমের কুঁড়ি থেকে নতুন গাছ হয়।
➤ হলুদ — Curcuma longa।
➤ হলুদও — Rhizome।
➤ গাজর — Conical Root।
➤ মুলা — Fusiform Root।
➤ শালগম — Napiform Root।
➤ আলু — Stem Tuber।
➤ ভূগর্ভস্থ কাণ্ডে পর্ব ও কুঁড়ি থাকে।
05
🎯 Level 1

০৯. শালগম কোন প্রকার রূপান্তরিত মূল? / মূলা কোন ধরনের মূল? (ডিএই’র উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা: ১৪ / বারি’র বৈজ্ঞানিক সহকারী: ২৪)

ক

কন্দাকৃতি মূল

খ

রূপান্তরিত প্রধান মূল

গ

অস্থানিক মূল

ঘ

শাখা মূল

✅ সঠিক উত্তর:খ. রূপান্তরিত প্রধান মূল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: রূপান্তরিত প্রধানমূল (Modified Tap Root)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ শালগম ও মুলা উভয়ই রূপান্তরিত প্রধানমূলের উদাহরণ। খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য প্রধানমূলের নির্দিষ্ট অংশ স্ফীত হয়ে বিশেষ আকৃতি ধারণ করে।
❖ প্রধানমূল (Tap Root): বীজের ভ্রূণমূল বা Radicle থেকে যে প্রধান মূল উৎপন্ন হয় এবং যার পার্শ্বে শাখামূল জন্মায়, তাকে প্রধানমূল বলে।
❖ শালগমের বৈজ্ঞানিক নাম: Brassica rapa subsp. rapa।
❖ শালগমের রূপান্তর: Napiform Root।
❖ মুলার বৈজ্ঞানিক নাম: Raphanus sativus।
❖ মুলার রূপান্তর: Fusiform Root।
❖ গাজরের বৈজ্ঞানিক নাম: Daucus carota।
❖ গাজরের রূপান্তর: Conical Root।
❖ রূপান্তরিত প্রধানমূলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আকৃতি:
➤ Conical — গাজর।
➤ Fusiform — মুলা।
➤ Napiform — শালগম ও বিট।
❖ Conical Root: ওপরের অংশ মোটা এবং নিচের দিকে ক্রমে সরু। দেখতে শঙ্কুর মতো।
❖ Fusiform Root: মাঝখানে মোটা এবং দুই প্রান্তের দিকে সরু। দেখতে মাকুর মতো।
❖ Napiform Root: ওপরের অংশ গোলাকার ও অত্যন্ত স্ফীত, নিচের দিকে হঠাৎ সরু।
❖ খাদ্যসঞ্চয়ী মূলের টিস্যু: বিভিন্ন মূলের সঞ্চয়ী অংশে প্যারেনকাইমা (Parenchyma) টিস্যু খাদ্য ও পানি সঞ্চয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
❖ প্রধানমূলের উৎপত্তি: বীজের ভ্রূণমূল Radicle থেকে।
❖ অস্থানিক মূলের উৎপত্তি: প্রধানমূলের পরিবর্তে কাণ্ড বা অন্য অঙ্গ থেকে জন্মায়।
❖ অস্থানিক খাদ্যসঞ্চয়ী মূলের উদাহরণ: মিষ্টি আলু ও ডালিয়া।
❖ শাখামূল (Lateral Root): প্রধানমূল বা অন্য মূল থেকে পার্শ্বীয়ভাবে জন্মানো মূল।
❖ শালগমের কন্দাকৃতি চেহারা: দেখতে কন্দের মতো হলেও এটি আলুর Stem Tuber নয়। এর খাদ্যসঞ্চয়ী অঙ্গ মূল-উৎপত্তির।
❖ শালগম ও মুলার শ্রেণিগত মিল: উভয় উদ্ভিদ Brassicaceae গোত্রভুক্ত।
❖ গাজরের গোত্র: Apiaceae।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ শালগম — রূপান্তরিত প্রধানমূল।
➤ মুলা — রূপান্তরিত প্রধানমূল।
➤ Modified Tap Root — রূপান্তরিত প্রধানমূল।
➤ শালগম — Napiform।
➤ মুলা — Fusiform।
➤ গাজর — Conical।
➤ বিট — Napiform।
➤ শালগম — Brassica rapa।
➤ মুলা — Raphanus sativus।
➤ গাজর — Daucus carota।
➤ বিট — Beta vulgaris।
➤ Radicle — ভ্রূণমূল।
➤ Tap Root — প্রধানমূল।
➤ Adventitious Root — অস্থানিক মূল।
➤ Lateral Root — শাখামূল।
➤ মিষ্টি আলু — অস্থানিক খাদ্যসঞ্চয়ী মূল।
➤ শালগম ও মুলা — Brassicaceae গোত্রভুক্ত।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১১. পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম জলজ উদ্ভিদ কোনটি? / কোনটি ক্ষুদ্রতম জলজ উদ্ভিদ? (এনএসআই’র ফিল্ড স্টাফ: ২৩)

ক

Pistia Stratiotes

খ

Azolla Pinnat

গ

Salvinia Natans

ঘ

Wolffia Arrhiza (উড়িপানা)

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. Wolffia Arrhiza (উড়িপানা)

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: উড়িপানা — Wolffia arrhiza।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Wolffia arrhiza হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র আকারের একটি জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি Wolffia গণের অন্তর্ভুক্ত এবং পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক উদ্ভিদগুলোর অন্যতম।
❖ বৈজ্ঞানিক নাম: Wolffia arrhiza।
❖ গোত্র: Araceae। পুরোনো শ্রেণিবিন্যাসে একে Lemnaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
❖ বর্গ: Alismatales।
❖ গণ: Wolffia।
❖ ইংরেজি নাম: Rootless Duckweed বা Watermeal।
❖ আকার: Wolffia arrhiza সাধারণত প্রায় ০.৫–১.২ মিলিমিটার আকারের হতে পারে।
❖ চোখে দেখার অবস্থা: এত ক্ষুদ্র যে পানির ওপর ছোট ছোট সবুজ দানার মতো দেখা যায়।
❖ উদ্ভিদের গঠন: সাধারণত ক্ষুদ্র গোলাকার বা ডিম্বাকার Frond থাকে।
❖ মূলের উপস্থিতি: Wolffia arrhiza-তে প্রকৃত মূল থাকে না। এই বৈশিষ্ট্য থেকেই Rootless Duckweed নামটি এসেছে।
❖ পাতা ও কাণ্ড: প্রচলিত উচ্চতর উদ্ভিদের মতো সুস্পষ্ট পৃথক পাতা ও কাণ্ড থাকে না; ক্ষুদ্র উদ্ভিদদেহে অঙ্গগুলোর পার্থক্য খুব কম।
❖ ভাসমান প্রকৃতি: পানির পৃষ্ঠে স্বাধীনভাবে ভেসে থাকে।
❖ বাসস্থান: পুকুর, ডোবা, হ্রদ, ধীরগতির খাল এবং স্থির মিঠাপানির জলাশয়।
❖ সপুষ্পক উদ্ভিদ: আকার অত্যন্ত ছোট হলেও Wolffia একটি আবৃতবীজী উদ্ভিদ এবং ফুল তৈরি করার ক্ষমতা রাখে।
❖ Wolffia-এর ফুল: খুব ক্ষুদ্র ও সরল; অনেক প্রজাতিতে ফুল ফোটা বিরল। এতে একটি পুংকেশর ও একটি গর্ভকেশর থাকতে পারে।
❖ বংশবৃদ্ধি: সাধারণত অঙ্গজ প্রজনন বা Budding-এর মাধ্যমে দ্রুত নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে।
❖ বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ফুলের উদ্ভিদ: Wolffia গণকে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
❖ Pistia stratiotes: সাধারণভাবে টোপাপানা বা Water Lettuce। এটি জলজ ভাসমান সপুষ্পক উদ্ভিদ, কিন্তু Wolffia-এর তুলনায় অনেক বড়।
❖ Azolla pinnata: একটি ছোট ভাসমান জলজ ফার্ন।
❖ Azolla-এর বিশেষত্ব: এটি নাইট্রোজেন স্থিরীকরণকারী সায়ানোব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিথোজীবী সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
❖ Salvinia natans: একটি ভাসমান জলজ ফার্ন। এটি প্রকৃত ফুল ও বীজ উৎপন্ন করে না; স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
❖ Wolffia ও Azolla-এর পার্থক্য: Wolffia হলো সপুষ্পক আবৃতবীজী, আর Azolla হলো অপুষ্পক ফার্ন।
❖ বানানের বৈজ্ঞানিক শুদ্ধতা: ছবির বিকল্পে দেওয়া নামগুলোর স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক বানান হলো Pistia stratiotes, Azolla pinnata, Salvinia natans ও Wolffia arrhiza।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ক্ষুদ্রতম জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদের উদাহরণ — Wolffia arrhiza।
➤ Wolffia — পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ।
➤ Wolffia arrhiza — Rootless Duckweed।
➤ অপর ইংরেজি নাম — Watermeal।
➤ Wolffia-এর গোত্র — Araceae।
➤ পুরোনো গোত্র — Lemnaceae।
➤ Wolffia-এর বর্গ — Alismatales।
➤ আকার — প্রায় ০.৫–১.২ মিমি।
➤ Wolffia-তে প্রকৃত মূল নেই।
➤ Wolffia — সপুষ্পক উদ্ভিদ।
➤ Wolffia — পানিতে স্বাধীনভাবে ভাসে।
➤ Pistia stratiotes — টোপাপানা।
➤ Azolla pinnata — জলজ ফার্ন।
➤ Salvinia natans — জলজ ফার্ন।
➤ Azolla — নাইট্রোজেন স্থিরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ মিথোজীবী সম্পর্ক তৈরি করে।
➤ Wolffia-এর প্রধান বংশবৃদ্ধি — অঙ্গজ প্রজনন।
07
🎯 Level 1

১৫. কোন উদ্ভিদের কাণ্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে? (প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০১ / বন অধিদপ্তরের বন প্রহরী: ২৫)

ক

ফার্ণ

খ

ফণিমনসা

গ

আদা

ঘ

পাথরকুচি

✅ সঠিক উত্তর:খ. ফণিমনসা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ফণিমনসা (Opuntia)।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ফণিমনসা (Opuntia) হলো ক্যাকটাস গোত্রের একটি উদ্ভিদ, যার সবুজ, চ্যাপ্টা ও মাংসল কাণ্ড পাতার মতো সালোকসংশ্লেষণ করে।
❖ ফণিমনসার বৈজ্ঞানিক গণ: Opuntia।
❖ গোত্র: Cactaceae।
❖ ইংরেজি নাম: Prickly Pear Cactus।
❖ ফণিমনসার কাণ্ডের বিশেষ রূপ: Phylloclade বা Cladode।
❖ Phylloclade: কাণ্ড বা শাখা চ্যাপ্টা, সবুজ ও পাতাসদৃশ হয়ে সালোকসংশ্লেষণের কাজ করলে তাকে Phylloclade বলা হয়।
❖ ফণিমনসার কাণ্ড: সাধারণত পুরু, রসাল, সবুজ এবং চ্যাপ্টা প্যাডের মতো দেখতে।
❖ কাণ্ড পাতার কাজ করে কেন: মরু বা শুষ্ক পরিবেশে অনেক ক্যাকটাস উদ্ভিদের সাধারণ পাতা অত্যন্ত ছোট বা কাঁটাসদৃশ হয়ে যায়। তখন সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের প্রধান ভূমিকা পালন করে।
❖ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): সবুজ উদ্ভিদ আলোকশক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে জৈব খাদ্য তৈরি করে।
❖ ক্লোরোফিল: ফণিমনসার সবুজ কাণ্ডে ক্লোরোফিল থাকে। এ কারণে কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে।
❖ ফণিমনসার কাঁটা: অনেক ক্যাকটাসের কাঁটা রূপান্তরিত পাতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ কাঁটার কাজ: তৃণভোজী প্রাণীর আক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং পরিবেশগত অভিযোজনে সহায়তা করা।
❖ ফণিমনসার বিশেষ অংশ: Areole। ক্যাকটাসে কাঁটা, ক্ষুদ্র লোম ও নতুন বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ কাঠামো।
❖ Glochid: Opuntia-এর কিছু প্রজাতিতে ছোট, সহজে বিচ্ছিন্ন হওয়া কাঁটাসদৃশ গঠন, যা ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
❖ পানি সংরক্ষণ: ফণিমনসার মাংসল কাণ্ডে প্রচুর পানি সঞ্চিত থাকতে পারে।
❖ CAM Photosynthesis: অনেক ক্যাকটাসে Crassulacean Acid Metabolism (CAM) ধরনের সালোকসংশ্লেষণগত অভিযোজন দেখা যায়।
❖ CAM-এর বিশেষত্ব: অনেক CAM উদ্ভিদ রাতে পত্ররন্ধ্র খুলে CO₂ গ্রহণ করে এবং দিনের তীব্র গরমে পানি ক্ষয় কমাতে পত্ররন্ধ্র বন্ধ রাখতে পারে।
❖ শুষ্ক পরিবেশে অভিযোজন: মাংসল কাণ্ড, কাঁটা, পুরু কিউটিকল এবং বিশেষ গ্যাস বিনিময় পদ্ধতি পানি সংরক্ষণে সাহায্য করে।
❖ ফার্ন (Fern): অপুষ্পক, বীজবিহীন পরিবহন কলাযুক্ত উদ্ভিদ। এর পাতাকে Frond বলা হয়।
❖ আদা: Zingiber officinale; ভূগর্ভস্থ Rhizome তৈরি করে, কিন্তু ফণিমনসার মতো চ্যাপ্টা সবুজ কাণ্ড পাতার প্রধান কাজ করে না।
❖ পাথরকুচি: Kalanchoe pinnata; পাতার কিনারা থেকে অঙ্গজ প্রজনন করতে পারে।
❖ ফণিমনসা ও পাথরকুচির পার্থক্য: ফণিমনসার কাণ্ড পাতার কাজ করে, আর পাথরকুচির পাতা নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করতে পারে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কাণ্ড পাতার কাজ করে — ফণিমনসা।
➤ ফণিমনসা — Opuntia।
➤ ফণিমনসার গোত্র — Cactaceae।
➤ ইংরেজি নাম — Prickly Pear Cactus।
➤ পাতার মতো রূপান্তরিত সবুজ কাণ্ড — Phylloclade।
➤ Cladode — পাতাসদৃশ রূপান্তরিত কাণ্ড।
➤ ফণিমনসার কাণ্ড — চ্যাপ্টা, মাংসল ও সবুজ।
➤ ফণিমনসার কাণ্ডে — সালোকসংশ্লেষণ হয়।
➤ ফণিমনসার কাঁটা — রূপান্তরিত পাতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
➤ Areole — ক্যাকটাসের বিশেষ কাঠামো।
➤ Glochid — ক্ষুদ্র কাঁটাসদৃশ গঠন।
➤ CAM — Crassulacean Acid Metabolism।
➤ CAM সালোকসংশ্লেষণ — শুষ্ক পরিবেশে পানি সংরক্ষণে সহায়ক।
➤ ফার্নের পাতা — Frond।
➤ আদা — Rhizome।
➤ পাথরকুচি — পাতার মাধ্যমে অঙ্গজ প্রজনন।
08
🎯 Level 1

১৭. পাথরকুচির চারা কীসের সাহায্যে উৎপন্ন হয়? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০১)

ক

জোড় কলমের সাহায্যে

খ

প্রকন্দের সাহায্যে

গ

পাতার সাহায্যে

ঘ

মৌল কাণ্ডের সাহায্যে

✅ সঠিক উত্তর:গ. পাতার সাহায্যে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: পাতার সাহায্যে — পাথরকুচি পাতার কিনারা থেকে নতুন চারা উৎপন্ন করে।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পাথরকুচি (Bryophyllum/Kalanchoe) একটি পরিচিত রসালো উদ্ভিদ, যা প্রধানত পাতার কিনারা বা প্রান্তে ক্ষুদ্র চারা উৎপাদনের মাধ্যমে অঙ্গজ বংশবিস্তার করতে পারে।
❖ পাথরকুচির বৈজ্ঞানিক পরিচয়: বাংলাদেশের পরিচিত পাথরকুচির একটি প্রজাতি Kalanchoe pinnata, যার প্রচলিত বৈজ্ঞানিক নাম Bryophyllum pinnatum।
❖ উদ্ভিদ পরিবার: Crassulaceae। এ পরিবারের অনেক উদ্ভিদের পাতা ও কাণ্ড রসালো এবং পানি সংরক্ষণে সক্ষম।
❖ অঙ্গজ প্রজনন (Vegetative Reproduction): উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা বা এসব অঙ্গের অংশ থেকে বীজের সাহায্য ছাড়াই নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া।
❖ পাথরকুচির পাতার প্রান্ত: পাতার কিনারার নির্দিষ্ট স্থানে অস্থানিক মুকুল (Adventitious Bud) বা ক্ষুদ্র চারার সূচনা হতে পারে।
❖ অস্থানিক মুকুল: উদ্ভিদের স্বাভাবিক কাণ্ডের অগ্রভাগ বা পাতার কক্ষ ছাড়া অন্য কোনো স্থানে উৎপন্ন মুকুলকে অস্থানিক মুকুল বলা হয়।
❖ নতুন চারা গঠনের ধাপ: পাতার প্রান্তে প্রথমে ক্ষুদ্র উদ্ভিদিকা (Plantlet) তৈরি হয়। পরে এতে ছোট পাতা ও অস্থানিক মূলের বিকাশ ঘটে।
❖ উদ্ভিদিকা (Plantlet): মাতৃউদ্ভিদের কোনো অঙ্গ থেকে তৈরি ক্ষুদ্র নতুন উদ্ভিদ, যা উপযুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
❖ মাটিতে নতুন উদ্ভিদ: পরিণত উদ্ভিদিকা মাতৃপাতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়লে উপযুক্ত আর্দ্রতা ও পরিবেশে নতুন পাথরকুচি গাছে পরিণত হতে পারে।
❖ Bryophyllum নামের তাৎপর্য: উদ্ভিদের পাতার প্রান্ত থেকে নতুন চারা তৈরি হওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি অঙ্গজ প্রজননের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
❖ Kalanchoe daigremontiana: আরেকটি পরিচিত প্রজাতি, যার পাতার কিনারায় অসংখ্য ছোট উদ্ভিদিকা তৈরি হতে পারে। ইংরেজিতে একে Mother of Thousands বলা হয়।
❖ অযৌন প্রজনন (Asexual Reproduction): সাধারণত দুটি গ্যামেটের মিলন ছাড়াই নতুন জীব উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া। অঙ্গজ প্রজনন অযৌন প্রজননের একটি ধরন।
❖ জিনগত বৈশিষ্ট্য: অঙ্গজ প্রজননে উৎপন্ন নতুন উদ্ভিদ সাধারণত মাতৃউদ্ভিদের সঙ্গে জিনগতভাবে অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। তবে মিউটেশন বা অন্যান্য কারণে পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
❖ প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন: প্রকৃতিতে কোনো উদ্ভিদের পাতা, মূল, কাণ্ড, কন্দ, প্রকন্দ বা বাল্বের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটতে পারে।
❖ পাতার মাধ্যমে অঙ্গজ প্রজননের উদাহরণ: পাথরকুচি এবং উপযুক্ত পরিবেশে পাতার কাটিং থেকে নতুন উদ্ভিদ তৈরিতে সক্ষম কিছু শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ।
❖ কাণ্ডের মাধ্যমে অঙ্গজ প্রজননের উদাহরণ: আখ, আদা, আলু ও হলুদ—যদিও এদের ব্যবহৃত কাণ্ডের ধরন এক নয়।
❖ প্রকন্দ (Rhizome): মাটির নিচে অনুভূমিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া রূপান্তরিত কাণ্ড। যেমন—আদা ও হলুদ।
❖ জোড় কলম (Grafting): দুটি উপযুক্ত উদ্ভিদের অংশ রুটস্টক ও সায়ন যুক্ত করে নতুন গাছ তৈরির কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তার পদ্ধতি।
❖ অঙ্গজ প্রজননের সুবিধা: দ্রুত চারা উৎপাদন, নির্বাচিত জাতের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ এবং বীজ উৎপাদন অনিয়মিত এমন উদ্ভিদের বংশবিস্তারে এই পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পাথরকুচির প্রজনন — পাতার সাহায্যে।
➤ পাথরকুচির পরিচিত বৈজ্ঞানিক নাম — Kalanchoe pinnata।
➤ পুরোনো নাম — Bryophyllum pinnatum।
➤ পাথরকুচির পরিবার — Crassulaceae।
➤ পাতার প্রান্তে উৎপন্ন হয় — ক্ষুদ্র উদ্ভিদিকা।
➤ উদ্ভিদিকা — Plantlet।
➤ অস্থানিক মুকুল — Adventitious Bud।
➤ উদ্ভিদের অঙ্গ থেকে নতুন গাছ উৎপন্ন — Vegetative Reproduction।
➤ অযৌন প্রজনন — Asexual Reproduction।
➤ Mother of Thousands — Kalanchoe daigremontiana-এর পরিচিত নাম।
➤ প্রকন্দ — Rhizome।
➤ প্রকন্দের উদাহরণ — আদা ও হলুদ।
➤ জোড় কলম — Grafting।
➤ জোড় কলমের দুটি অংশ — Rootstock ও Scion।
➤ অঙ্গজ প্রজননে সন্তান সাধারণত মাতৃউদ্ভিদের জিনগত বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করে।
Advertisement
09
🎯 Level 1

২০. শাখা কলমের মাধ্যমে প্রজনন করে কোনটি? (বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার: ১৫)

ক

আখ / ইক্ষু

খ

ভুট্টা

গ

হলুদ

ঘ

কলা

✅ সঠিক উত্তর:ক. আখ / ইক্ষু

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: আখ বা ইক্ষু (Sugarcane) — কাণ্ডের খণ্ড বা Stem Cutting দ্বারা বংশবিস্তার করে।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আখ বা ইক্ষু (Sugarcane) একটি গুরুত্বপূর্ণ একবীজপত্রী ফসল, যা বাণিজ্যিকভাবে প্রধানত কাণ্ডের মুকুলযুক্ত খণ্ড বা Stem Cutting-এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
❖ আখের বৈজ্ঞানিক পরিচয়: চাষকৃত আখ Saccharum গণের অন্তর্ভুক্ত। Saccharum officinarum একটি পরিচিত প্রজাতি; আধুনিক বাণিজ্যিক জাতগুলোর অনেকগুলো সংকর।
❖ আখের পরিবার: Poaceae বা Gramineae।
❖ আখের প্রধান অর্থনৈতিক অংশ: কাণ্ড, যেখানে শর্করা সঞ্চিত হয়।
❖ আখের প্রধান সঞ্চিত শর্করা: সুক্রোজ (Sucrose)।
❖ সুক্রোজের রাসায়নিক সংকেত: C₁₂H₂₂O₁₁।
❖ আখের কাণ্ডের গঠন: কাণ্ডে পর্ব (Node) ও পর্বমধ্য (Internode) থাকে।
❖ পর্ব বা Node: কাণ্ডের যে স্থানে পাতা ও মুকুলের মতো গঠন যুক্ত থাকে।
❖ পর্বমধ্য বা Internode: পরপর দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশ।
❖ আখের মুকুল: প্রতিটি উপযুক্ত কাণ্ডখণ্ডে জীবন্ত Bud বা Eye থাকলে তা থেকে নতুন অঙ্কুর উৎপন্ন হতে পারে।
❖ সেট (Sett): রোপণের জন্য ব্যবহৃত মুকুলযুক্ত আখের কাণ্ডখণ্ড।
❖ রোপণপদ্ধতি: সুস্থ আখের কাণ্ড থেকে উপযুক্ত খণ্ড নির্বাচন করে মাটিতে রোপণ করলে অনুকূল পরিবেশে মুকুল থেকে নতুন কাণ্ড এবং অস্থানিক মূল তৈরি হয়।
❖ অঙ্গজ প্রজনন: এ প্রক্রিয়ায় বীজের মাধ্যমে নিষেক ঘটিয়ে নতুন উদ্ভিদ তৈরির প্রয়োজন হয় না।
❖ আখের বীজ: আখের যৌন প্রজননের সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু বাণিজ্যিক কৃষিতে সাধারণত বীজের পরিবর্তে কাণ্ডের খণ্ড ব্যবহার করা হয়।
❖ হলুদ (Turmeric): বৈজ্ঞানিক নাম Curcuma longa। এটি প্রধানত প্রকন্দ বা Rhizome-এর মাধ্যমে অঙ্গজ বংশবিস্তার করে।
❖ কলা (Banana): প্রচলিত চাষকৃত কলার বংশবিস্তারে Sucker, কন্দসদৃশ ভূগর্ভস্থ কাণ্ড এবং টিস্যু কালচার গুরুত্বপূর্ণ।
❖ Sucker: মাতৃগাছের গোড়ার ভূগর্ভস্থ অংশ থেকে উৎপন্ন নতুন অঙ্কুর বা চারা।
❖ ভুট্টা (Maize): বৈজ্ঞানিক নাম Zea mays। এটি সাধারণত বীজের মাধ্যমে চাষ করা হয়।
❖ আখ ও ভুট্টার মিল: উভয়ই Poaceae পরিবারের একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
❖ প্রধান পার্থক্য: আখের বাণিজ্যিক রোপণে প্রধানত কাণ্ডখণ্ড, ভুট্টায় প্রধানত বীজ ব্যবহার করা হয়।
❖ আখের শিল্পগত ব্যবহার: আখ থেকে চিনি, গুড়, মোলাসেস ও বাগাস উৎপন্ন হয়।
❖ বাগাস (Bagasse): আখ থেকে রস বের করার পরে অবশিষ্ট আঁশযুক্ত অংশ।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ শাখা কলমের মাধ্যমে প্রজনন — আখ।
➤ আখের ইংরেজি — Sugarcane।
➤ আখের গণ — Saccharum।
➤ আখের পরিবার — Poaceae।
➤ আখের রোপণ অংশ — Stem Cutting বা Sett।
➤ Sett — মুকুলযুক্ত কাণ্ডখণ্ড।
➤ আখের কাণ্ডে থাকে — Node ও Internode।
➤ Bud বা Eye — নতুন অঙ্কুর তৈরির গঠন।
➤ আখের প্রধান সঞ্চিত শর্করা — Sucrose।
➤ সুক্রোজের সংকেত — C₁₂H₂₂O₁₁।
➤ হলুদের বৈজ্ঞানিক নাম — Curcuma longa।
➤ হলুদের প্রজনন — Rhizome।
➤ কলার অঙ্গজ প্রজনন — Sucker।
➤ ভুট্টার প্রজনন — প্রধানত বীজ।
➤ আখ ও ভুট্টা — একবীজপত্রী।
➤ আখের রস নিষ্কাশনের অবশিষ্ট আঁশ — Bagasse।
10
🎯 Level 1

২২. নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ? (মাউশি অধিদপ্তরের প্রদর্শক: ০৪)

ক

শশা

খ

সূর্যমুখী

গ

আউশ ধান

ঘ

সবগুলোই

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সবগুলোই

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সবগুলোই — বইয়ের প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী শশা, সূর্যমুখী ও আউশ ধান।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ (Day-neutral Plant) হলো এমন উদ্ভিদ, যার পুষ্পায়ন শুরু হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট দিন বা রাতের দৈর্ঘ্য অপরিহার্য নয়।
❖ দিননিরপেক্ষতা: দিন ছোট বা বড়—উভয় পরিবেশেই উপযুক্ত বয়স ও অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে উদ্ভিদে ফুল ফোটার সক্ষমতা থাকে।
❖ শশা (Cucumber): বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis sativus। এটি Cucurbitaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
❖ শশার পুষ্পায়ন: অনেক চাষকৃত শশাজাতকে দিননিরপেক্ষ উদ্ভিদের উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়। তবে আলোর দৈর্ঘ্য ও তাপমাত্রা স্ত্রী ও পুরুষ ফুলের অনুপাতকে প্রভাবিত করতে পারে।
❖ শশার অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সবজি ফসল। এর ফল খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
❖ সূর্যমুখী (Sunflower): বৈজ্ঞানিক নাম Helianthus annuus।
❖ সূর্যমুখীর পরিবার: Asteraceae।
❖ সূর্যমুখীর আলোকপর্যায়: অনেক চাষকৃত সূর্যমুখীজাত দিননিরপেক্ষ বা অপেক্ষাকৃত কম সংবেদনশীল।
❖ সূর্যমুখীর বৈজ্ঞানিক ব্যতিক্রম: গবেষণায় দিননিরপেক্ষ, ছোট দিনের প্রতিক্রিয়াশীল ও বড় দিনের প্রতিক্রিয়াশীল—তিন ধরনের সূর্যমুখীজাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
❖ আউশ ধান (Aus Rice): বাংলাদেশের ধান উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি ফসলগোষ্ঠী।
❖ আউশ ধানের আলোকপর্যায়: আউশ ধানের অনেক ঐতিহ্যবাহী ও উন্নত জাত আলোকপর্যায়-অসংবেদনশীল বা তুলনামূলক দিননিরপেক্ষ।
❖ আউশ ধানের বৃদ্ধি: সাধারণভাবে আউশ মৌসুমের ধান তুলনামূলক কম সময়ের মধ্যে পরিপক্ব হতে পারে, তবে জাত ও পরিবেশভেদে সময় আলাদা।
❖ আউশ ধানের মৌসুম: বাংলাদেশে সাধারণভাবে গ্রীষ্ম ও বর্ষার প্রাথমিক পর্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ ধানের বৈজ্ঞানিক নাম: Oryza sativa।
❖ ধানের পরিবার: Poaceae।
❖ আলোকপর্যায় অনুযায়ী উদ্ভিদের প্রধান তিন ভাগ: ছোট দিনের উদ্ভিদ, বড় দিনের উদ্ভিদ ও নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।
❖ Short-day Plant: দীর্ঘ অবিচ্ছিন্ন রাত পুষ্পায়ন উদ্দীপিত করে।
❖ Long-day Plant: তুলনামূলক ছোট রাত বা দীর্ঘ দিনের পরিবেশ পুষ্পায়ন উদ্দীপিত করে।
❖ Day-neutral Plant: পুষ্পায়নের জন্য নির্দিষ্ট আলোকপর্যায় বাধ্যতামূলক নয়।
❖ ফটোপিরিয়ডিজম ও সালোকসংশ্লেষণ এক নয়: Photoperiodism আলো-অন্ধকারের দৈর্ঘ্যের প্রতি বিকাশগত প্রতিক্রিয়া; Photosynthesis আলোকশক্তি ব্যবহার করে জৈব পদার্থ তৈরির প্রক্রিয়া।
❖ উদ্ভিদের বয়সের গুরুত্ব: দিননিরপেক্ষ উদ্ভিদেও পরিণত বয়স, পুষ্টি, পানি, তাপমাত্রা ও হরমোন পুষ্পায়নে প্রভাব ফেলতে পারে।
❖ পরীক্ষার সীমাবদ্ধতা: ‘শশা ও সূর্যমুখী সব জাতেই সম্পূর্ণ দিননিরপেক্ষ’—এমন বক্তব্য সর্বজনীন নয়। প্রশ্নের সবগুলোই উত্তরটি প্রচলিত সাধারণ শ্রেণিবিন্যাসে গ্রহণযোগ্য।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ — Day-neutral Plant।
➤ এই প্রশ্নের উত্তর — সবগুলোই।
➤ শশা — Cucumis sativus।
➤ শশার পরিবার — Cucurbitaceae।
➤ সূর্যমুখী — Helianthus annuus।
➤ সূর্যমুখীর পরিবার — Asteraceae।
➤ আউশ ধান — Aus Rice।
➤ ধান — Oryza sativa।
➤ ধানের পরিবার — Poaceae।
➤ আউশের বহু জাত — Photoperiod-insensitive।
➤ Day-neutral Plant — পুষ্পায়নে নির্দিষ্ট আলোকপর্যায় বাধ্যতামূলক নয়।
➤ Short-day Plant — দীর্ঘ রাত প্রয়োজন।
➤ Long-day Plant — তুলনামূলক ছোট রাত প্রয়োজন।
➤ ফটোপিরিয়ডিজমের প্রধান তিন শ্রেণি — Short-day, Long-day ও Day-neutral।
➤ সূর্যমুখীর আলোকপর্যায় সংবেদনশীলতা — জাতভেদে ভিন্ন।
➤ পুষ্পায়নে তাপমাত্রা ও উদ্ভিদের বয়সও গুরুত্বপূর্ণ।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন