01
🎯 Level 1
০২. প্রোটোজোয়া পর্বের প্রাণী কোনটি? (গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় অফিসার: ০৩)
✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ক ও খ উভয়ই — অ্যামিবা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণু।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রোটোজোয়া (Protozoa) হলো প্রাণীসদৃশ এককোষী ইউক্যারিওটিক জীবদের বোঝাতে ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী শ্রেণিবিন্যাসগত পরিভাষা। পুরোনো জীববিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে অ্যামিবা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণু উভয়কেই প্রোটোজোয়া হিসেবে আলোচনা করা হয়।
❖ অ্যামিবা (Amoeba) একটি এককোষী ইউক্যারিওটিক জীব, যার দেহ সাধারণত অনিয়তাকার এবং চলন ও খাদ্য গ্রহণে ছদ্মপদ (Pseudopodia) ব্যবহার করে।
❖ অ্যামিবার বৈজ্ঞানিক উদাহরণ: Amoeba proteus।
❖ অ্যামিবার বাসস্থান: সাধারণত স্বাদুপানির জলাশয়, পুকুর এবং উপযুক্ত আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়।
❖ অ্যামিবার দেহগঠন: কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, খাদ্যগহ্বর এবং সংকোচনশীল গহ্বরসহ বিভিন্ন কোষীয় গঠন থাকে।
❖ ছদ্মপদ (Pseudopodium): অ্যামিবার সাইটোপ্লাজমের সাময়িক প্রসারণ, যার সাহায্যে চলন ও খাদ্য গ্রহণ করা হয়।
❖ ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis): কোষঝিল্লির সাহায্যে কঠিন খাদ্যকণা ঘিরে কোষের ভেতরে গ্রহণ করার প্রক্রিয়া।
❖ ম্যালেরিয়ার জীবাণু: ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী পরজীবী হলো Plasmodium গণের জীব।
❖ Plasmodium-এর শ্রেণিগত পরিচয়: আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে এটি Apicomplexa গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
❖ ম্যালেরিয়ার প্রধান মানব-রোগসৃষ্টিকারী প্রজাতি: Plasmodium falciparum, P. vivax, P. malariae, P. ovale এবং P. knowlesi।
❖ ম্যালেরিয়ার বাহক: সাধারণত সংক্রমিত স্ত্রী Anopheles মশা মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়ার পরজীবী প্রবেশ করায়।
❖ ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ পর্যায়: সংক্রমিত মশা রক্ত গ্রহণের সময় মানুষের শরীরে Sporozoite প্রবেশ করাতে পারে।
❖ Plasmodium-এর জীবনচক্র: মানুষের যকৃৎ ও লোহিত রক্তকণিকায় পরজীবীর বিভিন্ন পর্যায় থাকে। যৌন প্রজননসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় মশার দেহে ঘটে।
❖ ম্যালেরিয়ার লক্ষণ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথাব্যথা, দুর্বলতা ও রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ম্যালেরিয়ায় বিভিন্ন অঙ্গের জটিলতা তৈরি হতে পারে।
❖ জোঁক (Leech): জোঁক প্রোটোজোয়া নয়; এটি Annelida পর্বের বহুকোষী প্রাণী।
❖ জোঁকের দেহ: খণ্ডিত দেহ, পেশিবহুল গঠন এবং অনেক প্রজাতিতে দেহের দুই প্রান্তে চোষক থাকে।
❖ প্রোটোজোয়ার প্রজনন: বিভিন্ন এককোষী জীব দ্বিবিভাজন, বহু-বিভাজন বা জটিল জীবনচক্রের মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে।
❖ দ্বিবিভাজন (Binary Fission): একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি নতুন কোষ তৈরি করার প্রক্রিয়া।
❖ বহুবিভাজন (Multiple Fission): একটি কোষের অভ্যন্তরে একাধিক নিউক্লিয়াস বিভাজন ও পরবর্তী কোষবিভাগের মাধ্যমে অনেক নতুন কোষ তৈরি হতে পারে।
❖ আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসগত গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন: Protozoa আধুনিক বিবর্তনভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসে একটি একক স্বীকৃত প্রাকৃতিক পর্ব নয়। Amoeba ও Plasmodium ভিন্ন বিবর্তনীয় গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তবে পরীক্ষার প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী উভয়ই প্রোটোজোয়া।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রোটোজোয়ার প্রচলিত উদাহরণ — অ্যামিবা ও প্লাজমোডিয়াম।
➤ Amoeba proteus — অ্যামিবার পরিচিত প্রজাতি।
➤ অ্যামিবার চলন অঙ্গ — Pseudopodia।
➤ Pseudopodia — ছদ্মপদ।
➤ অ্যামিবার খাদ্য গ্রহণ — Phagocytosis।
➤ অ্যামিবার অযৌন প্রজনন — Binary Fission।
➤ ম্যালেরিয়ার জীবাণু — Plasmodium।
➤ Plasmodium-এর আধুনিক গোষ্ঠী — Apicomplexa।
➤ ম্যালেরিয়ার বাহক — স্ত্রী Anopheles মশা।
➤ ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ পর্যায় — Sporozoite।
➤ Plasmodium falciparum — গুরুতর ম্যালেরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
➤ জোঁকের পর্ব — Annelida।
➤ জোঁক — বহুকোষী প্রাণী।
➤ Protozoa — পুরোনো শ্রেণিবিন্যাসের প্রচলিত পরিভাষা।"
◈ সঠিক উত্তর: ক ও খ উভয়ই — অ্যামিবা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণু।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রোটোজোয়া (Protozoa) হলো প্রাণীসদৃশ এককোষী ইউক্যারিওটিক জীবদের বোঝাতে ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী শ্রেণিবিন্যাসগত পরিভাষা। পুরোনো জীববিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে অ্যামিবা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণু উভয়কেই প্রোটোজোয়া হিসেবে আলোচনা করা হয়।
❖ অ্যামিবা (Amoeba) একটি এককোষী ইউক্যারিওটিক জীব, যার দেহ সাধারণত অনিয়তাকার এবং চলন ও খাদ্য গ্রহণে ছদ্মপদ (Pseudopodia) ব্যবহার করে।
❖ অ্যামিবার বৈজ্ঞানিক উদাহরণ: Amoeba proteus।
❖ অ্যামিবার বাসস্থান: সাধারণত স্বাদুপানির জলাশয়, পুকুর এবং উপযুক্ত আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়।
❖ অ্যামিবার দেহগঠন: কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, খাদ্যগহ্বর এবং সংকোচনশীল গহ্বরসহ বিভিন্ন কোষীয় গঠন থাকে।
❖ ছদ্মপদ (Pseudopodium): অ্যামিবার সাইটোপ্লাজমের সাময়িক প্রসারণ, যার সাহায্যে চলন ও খাদ্য গ্রহণ করা হয়।
❖ ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis): কোষঝিল্লির সাহায্যে কঠিন খাদ্যকণা ঘিরে কোষের ভেতরে গ্রহণ করার প্রক্রিয়া।
❖ ম্যালেরিয়ার জীবাণু: ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী পরজীবী হলো Plasmodium গণের জীব।
❖ Plasmodium-এর শ্রেণিগত পরিচয়: আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে এটি Apicomplexa গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
❖ ম্যালেরিয়ার প্রধান মানব-রোগসৃষ্টিকারী প্রজাতি: Plasmodium falciparum, P. vivax, P. malariae, P. ovale এবং P. knowlesi।
❖ ম্যালেরিয়ার বাহক: সাধারণত সংক্রমিত স্ত্রী Anopheles মশা মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়ার পরজীবী প্রবেশ করায়।
❖ ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ পর্যায়: সংক্রমিত মশা রক্ত গ্রহণের সময় মানুষের শরীরে Sporozoite প্রবেশ করাতে পারে।
❖ Plasmodium-এর জীবনচক্র: মানুষের যকৃৎ ও লোহিত রক্তকণিকায় পরজীবীর বিভিন্ন পর্যায় থাকে। যৌন প্রজননসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় মশার দেহে ঘটে।
❖ ম্যালেরিয়ার লক্ষণ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথাব্যথা, দুর্বলতা ও রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ম্যালেরিয়ায় বিভিন্ন অঙ্গের জটিলতা তৈরি হতে পারে।
❖ জোঁক (Leech): জোঁক প্রোটোজোয়া নয়; এটি Annelida পর্বের বহুকোষী প্রাণী।
❖ জোঁকের দেহ: খণ্ডিত দেহ, পেশিবহুল গঠন এবং অনেক প্রজাতিতে দেহের দুই প্রান্তে চোষক থাকে।
❖ প্রোটোজোয়ার প্রজনন: বিভিন্ন এককোষী জীব দ্বিবিভাজন, বহু-বিভাজন বা জটিল জীবনচক্রের মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে।
❖ দ্বিবিভাজন (Binary Fission): একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি নতুন কোষ তৈরি করার প্রক্রিয়া।
❖ বহুবিভাজন (Multiple Fission): একটি কোষের অভ্যন্তরে একাধিক নিউক্লিয়াস বিভাজন ও পরবর্তী কোষবিভাগের মাধ্যমে অনেক নতুন কোষ তৈরি হতে পারে।
❖ আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসগত গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন: Protozoa আধুনিক বিবর্তনভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসে একটি একক স্বীকৃত প্রাকৃতিক পর্ব নয়। Amoeba ও Plasmodium ভিন্ন বিবর্তনীয় গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তবে পরীক্ষার প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী উভয়ই প্রোটোজোয়া।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রোটোজোয়ার প্রচলিত উদাহরণ — অ্যামিবা ও প্লাজমোডিয়াম।
➤ Amoeba proteus — অ্যামিবার পরিচিত প্রজাতি।
➤ অ্যামিবার চলন অঙ্গ — Pseudopodia।
➤ Pseudopodia — ছদ্মপদ।
➤ অ্যামিবার খাদ্য গ্রহণ — Phagocytosis।
➤ অ্যামিবার অযৌন প্রজনন — Binary Fission।
➤ ম্যালেরিয়ার জীবাণু — Plasmodium।
➤ Plasmodium-এর আধুনিক গোষ্ঠী — Apicomplexa।
➤ ম্যালেরিয়ার বাহক — স্ত্রী Anopheles মশা।
➤ ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ পর্যায় — Sporozoite।
➤ Plasmodium falciparum — গুরুতর ম্যালেরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
➤ জোঁকের পর্ব — Annelida।
➤ জোঁক — বহুকোষী প্রাণী।
➤ Protozoa — পুরোনো শ্রেণিবিন্যাসের প্রচলিত পরিভাষা।"