01
🎯 Level 1
০২. কোনটি মৌলিক বল নয়? (কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর: ২১)
✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘর্ষণ — এটি মৌলিক বল নয়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ঘর্ষণ বল (Frictional Force) একটি মৌলিক বল নয়। এটি দুটি সংস্পর্শে থাকা পৃষ্ঠের মধ্যে আপেক্ষিক গতি বা গতির প্রবণতাকে প্রতিরোধকারী বল।
❖ ঘর্ষণ বলের সংজ্ঞা: পরস্পর সংস্পর্শে থাকা দুটি বস্তুর মধ্যে আপেক্ষিক গতি বা আপেক্ষিক গতির প্রবণতার বিপরীতে যে বল কাজ করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে।
❖ ঘর্ষণ বল মৌলিক নয় কেন: ঘর্ষণের মূল কারণ হলো সংস্পর্শে থাকা পদার্থের পরমাণু-অণুর তড়িৎচৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়া, পৃষ্ঠের সূক্ষ্ম গঠন এবং যান্ত্রিক সংস্পর্শজনিত প্রভাব।
❖ মৌলিক বলের সংখ্যা: প্রকৃতিতে চারটি মৌলিক বল রয়েছে—মহাকর্ষ, তড়িৎচৌম্বক, সবল নিউক্লীয় ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
❖ স্থির ঘর্ষণ (Static Friction): কোনো বস্তু স্থির অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও তার চলার প্রবণতাকে যে ঘর্ষণ প্রতিরোধ করে, তাকে স্থির ঘর্ষণ বলে।
❖ গতীয় ঘর্ষণ (Kinetic Friction): সংস্পর্শে থাকা দুটি পৃষ্ঠ একে অপরের তুলনায় পিছলে চললে যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, তাকে গতীয় ঘর্ষণ বলে।
❖ গড়ানো ঘর্ষণ (Rolling Resistance): কোনো চাকা বা গোলাকার বস্তু গড়িয়ে চলার সময় যে প্রতিরোধ সৃষ্টি হয়, তাকে গড়ানো প্রতিরোধ বলে।
❖ তরল ঘর্ষণ (Fluid Friction): তরল বা গ্যাসের মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু চলার সময় যে প্রতিরোধ অনুভব করে, তাকে তরল ঘর্ষণ বা প্রবাহী প্রতিরোধ বলা হয়।
❖ ঘর্ষণের ব্যবহার: হাঁটাচলা, যানবাহনের ব্রেক, টায়ারের রাস্তা আঁকড়ে ধরা, লেখালেখি এবং বস্তু ধরে রাখা—এসব কাজে ঘর্ষণ প্রয়োজন।
❖ ঘর্ষণের ক্ষতিকর প্রভাব: ঘর্ষণের কারণে যন্ত্রের ক্ষয়, তাপ উৎপাদন, শক্তির অপচয় এবং গতির বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
❖ ঘর্ষণ কমানোর উপায়: লুব্রিকেন্ট, বিয়ারিং, মসৃণ পৃষ্ঠ ও উপযুক্ত যান্ত্রিক নকশা ব্যবহার করে ঘর্ষণজনিত প্রতিরোধ কমানো যায়।
❖ ঘর্ষণ বলের প্রচলিত সূত্র: আদর্শ শুষ্ক ঘর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্থির ঘর্ষণ fₛ,max = μₛN এবং গতীয় ঘর্ষণ প্রায় fₖ = μₖN।
❖ সূত্রের রাশি: এখানে μₛ = স্থির ঘর্ষণ সহগ, μₖ = গতীয় ঘর্ষণ সহগ এবং N = অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া বল।
❖ ঘর্ষণ সহগ: ঘর্ষণ সহগ একটি মাত্রাহীন রাশি। এটি পৃষ্ঠদ্বয়ের প্রকৃতি ও অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ঘর্ষণ — মৌলিক বল নয়।
➤ ঘর্ষণের মূল কারণ — তড়িৎচৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়া ও পৃষ্ঠের সংস্পর্শ।
➤ ঘর্ষণ — আপেক্ষিক গতি বা গতির প্রবণতাকে প্রতিরোধ করে।
➤ ঘর্ষণ বল — সংস্পর্শজনিত বল।
➤ ঘর্ষণের প্রধান ধরন — স্থির, গতীয় ও গড়ানো ঘর্ষণ।
➤ স্থির ঘর্ষণ — গতি শুরুর প্রবণতাকে বাধা দেয়।
➤ গতীয় ঘর্ষণ — পিছলে চলার সময় কাজ করে।
➤ তরল ঘর্ষণ — তরল বা গ্যাসে চলার প্রতিরোধ।
➤ গতীয় ঘর্ষণের সূত্র — fₖ = μₖN।
➤ সর্বোচ্চ স্থির ঘর্ষণ — fₛ,max = μₛN।
➤ ঘর্ষণ সহগ — মাত্রাহীন।
➤ ঘর্ষণ বলের SI একক — নিউটন (N)।
➤ হাঁটতে সাহায্য করে — ঘর্ষণ বল।
➤ যানবাহনের ব্রেকে গুরুত্বপূর্ণ — ঘর্ষণ।
➤ ঘর্ষণে শক্তি তাপে রূপান্তরিত হতে পারে।
➤ মৌলিক বল — মহাকর্ষ, তড়িৎচৌম্বক, সবল নিউক্লীয় ও দুর্বল নিউক্লীয়।
◈ সঠিক উত্তর: ঘর্ষণ — এটি মৌলিক বল নয়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ঘর্ষণ বল (Frictional Force) একটি মৌলিক বল নয়। এটি দুটি সংস্পর্শে থাকা পৃষ্ঠের মধ্যে আপেক্ষিক গতি বা গতির প্রবণতাকে প্রতিরোধকারী বল।
❖ ঘর্ষণ বলের সংজ্ঞা: পরস্পর সংস্পর্শে থাকা দুটি বস্তুর মধ্যে আপেক্ষিক গতি বা আপেক্ষিক গতির প্রবণতার বিপরীতে যে বল কাজ করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে।
❖ ঘর্ষণ বল মৌলিক নয় কেন: ঘর্ষণের মূল কারণ হলো সংস্পর্শে থাকা পদার্থের পরমাণু-অণুর তড়িৎচৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়া, পৃষ্ঠের সূক্ষ্ম গঠন এবং যান্ত্রিক সংস্পর্শজনিত প্রভাব।
❖ মৌলিক বলের সংখ্যা: প্রকৃতিতে চারটি মৌলিক বল রয়েছে—মহাকর্ষ, তড়িৎচৌম্বক, সবল নিউক্লীয় ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
❖ স্থির ঘর্ষণ (Static Friction): কোনো বস্তু স্থির অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও তার চলার প্রবণতাকে যে ঘর্ষণ প্রতিরোধ করে, তাকে স্থির ঘর্ষণ বলে।
❖ গতীয় ঘর্ষণ (Kinetic Friction): সংস্পর্শে থাকা দুটি পৃষ্ঠ একে অপরের তুলনায় পিছলে চললে যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, তাকে গতীয় ঘর্ষণ বলে।
❖ গড়ানো ঘর্ষণ (Rolling Resistance): কোনো চাকা বা গোলাকার বস্তু গড়িয়ে চলার সময় যে প্রতিরোধ সৃষ্টি হয়, তাকে গড়ানো প্রতিরোধ বলে।
❖ তরল ঘর্ষণ (Fluid Friction): তরল বা গ্যাসের মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু চলার সময় যে প্রতিরোধ অনুভব করে, তাকে তরল ঘর্ষণ বা প্রবাহী প্রতিরোধ বলা হয়।
❖ ঘর্ষণের ব্যবহার: হাঁটাচলা, যানবাহনের ব্রেক, টায়ারের রাস্তা আঁকড়ে ধরা, লেখালেখি এবং বস্তু ধরে রাখা—এসব কাজে ঘর্ষণ প্রয়োজন।
❖ ঘর্ষণের ক্ষতিকর প্রভাব: ঘর্ষণের কারণে যন্ত্রের ক্ষয়, তাপ উৎপাদন, শক্তির অপচয় এবং গতির বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
❖ ঘর্ষণ কমানোর উপায়: লুব্রিকেন্ট, বিয়ারিং, মসৃণ পৃষ্ঠ ও উপযুক্ত যান্ত্রিক নকশা ব্যবহার করে ঘর্ষণজনিত প্রতিরোধ কমানো যায়।
❖ ঘর্ষণ বলের প্রচলিত সূত্র: আদর্শ শুষ্ক ঘর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্থির ঘর্ষণ fₛ,max = μₛN এবং গতীয় ঘর্ষণ প্রায় fₖ = μₖN।
❖ সূত্রের রাশি: এখানে μₛ = স্থির ঘর্ষণ সহগ, μₖ = গতীয় ঘর্ষণ সহগ এবং N = অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া বল।
❖ ঘর্ষণ সহগ: ঘর্ষণ সহগ একটি মাত্রাহীন রাশি। এটি পৃষ্ঠদ্বয়ের প্রকৃতি ও অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ঘর্ষণ — মৌলিক বল নয়।
➤ ঘর্ষণের মূল কারণ — তড়িৎচৌম্বকীয় মিথস্ক্রিয়া ও পৃষ্ঠের সংস্পর্শ।
➤ ঘর্ষণ — আপেক্ষিক গতি বা গতির প্রবণতাকে প্রতিরোধ করে।
➤ ঘর্ষণ বল — সংস্পর্শজনিত বল।
➤ ঘর্ষণের প্রধান ধরন — স্থির, গতীয় ও গড়ানো ঘর্ষণ।
➤ স্থির ঘর্ষণ — গতি শুরুর প্রবণতাকে বাধা দেয়।
➤ গতীয় ঘর্ষণ — পিছলে চলার সময় কাজ করে।
➤ তরল ঘর্ষণ — তরল বা গ্যাসে চলার প্রতিরোধ।
➤ গতীয় ঘর্ষণের সূত্র — fₖ = μₖN।
➤ সর্বোচ্চ স্থির ঘর্ষণ — fₛ,max = μₛN।
➤ ঘর্ষণ সহগ — মাত্রাহীন।
➤ ঘর্ষণ বলের SI একক — নিউটন (N)।
➤ হাঁটতে সাহায্য করে — ঘর্ষণ বল।
➤ যানবাহনের ব্রেকে গুরুত্বপূর্ণ — ঘর্ষণ।
➤ ঘর্ষণে শক্তি তাপে রূপান্তরিত হতে পারে।
➤ মৌলিক বল — মহাকর্ষ, তড়িৎচৌম্বক, সবল নিউক্লীয় ও দুর্বল নিউক্লীয়।