🧠 🔖
Free Topic

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের পূর্বনাম-উপনাম ও ছিটমহল সমাধান

◉ ভূগোল›বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের পূর্বনাম-উপনাম ও ছিটমহল সমাধান

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚53মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল? (আইইআর’র উপজেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর: ২০ / তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহায়ক: ২১)

ক

মানিক নগর

খ

বৈদ্যনাথতলা

গ

বুড়িপোতা

ঘ

আমঝুপি

✅ সঠিক উত্তর:খ. বৈদ্যনাথতলা

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: খ

◈ সঠিক উত্তর: বৈদ্যনাথতলা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

❖ মুজিবনগরের পূর্বনাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। বর্তমানে এটি মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলায় অবস্থিত।

❖ মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্যে সরাসরি বলা হয়েছে—“মুজিবনগর এর পূর্ব নাম বৈদ্যনাথতলা।”

❖ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বৈদ্যনাথতলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার ঐতিহাসিক আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম অনুসারে স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর।

❖ গুরুত্বপূর্ণ ধারাবাহিকতা—

➤ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত/স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণীত হয়।
➤ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
➤ স্থানটির নতুন নাম হয় মুজিবনগর।

❖ অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব—

➤ রাষ্ট্রপতি — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
➤ উপরাষ্ট্রপতি ও কার্যনির্বাহী রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম
➤ প্রধানমন্ত্রী — তাজউদ্দীন আহমদ

◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:

❖ মানিক নগর ⇒ মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।

❖ বুড়িপোতা ⇒ মেহেরপুর অঞ্চলের একটি স্থানের নাম হলেও ঐতিহাসিক মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।

❖ আমঝুপি ⇒ মেহেরপুরের ঐতিহাসিক স্থান; আমঝুপি নীলকুঠি-র জন্য পরিচিত, কিন্তু মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।"
02
🎯 Level 1

০১. মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল? (আইইআর’র উপজেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর: ২০ / তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহায়ক: ২১)

ক

মানিক নগর

খ

বৈদ্যনাথতলা

গ

বুড়িপোতা

ঘ

আমঝুপি

✅ সঠিক উত্তর:খ. বৈদ্যনাথতলা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: বৈদ্যনাথতলা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মুজিবনগরের পূর্বনাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। বর্তমানে এটি মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলায় অবস্থিত।
❖ মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্যে সরাসরি বলা হয়েছে—“মুজিবনগর এর পূর্ব নাম বৈদ্যনাথতলা।”
❖ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বৈদ্যনাথতলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার ঐতিহাসিক আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম অনুসারে স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর।
❖ গুরুত্বপূর্ণ ধারাবাহিকতা—
➤ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত/স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণীত হয়।
➤ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
➤ স্থানটির নতুন নাম হয় মুজিবনগর।
❖ অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব—
➤ রাষ্ট্রপতি — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
➤ উপরাষ্ট্রপতি ও কার্যনির্বাহী রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম
➤ প্রধানমন্ত্রী — তাজউদ্দীন আহমদ
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মানিক নগর ⇒ মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।
❖ বুড়িপোতা ⇒ মেহেরপুর অঞ্চলের একটি স্থানের নাম হলেও ঐতিহাসিক মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।
❖ আমঝুপি ⇒ মেহেরপুরের ঐতিহাসিক স্থান; আমঝুপি নীলকুঠি-র জন্য পরিচিত, কিন্তু মুজিবনগরের পূর্বনাম নয়।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৪. সোনারগাঁওয়ের পূর্বনাম ছিল— (ট্যাকসেস আপীলাত ট্রাইব্যুনালের অফিস সহকারী: ২২ / বিআরইবি’র লাইন ক্রু: ২৩ / রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সাঁটলিপিকার: ২৩)

ক

চন্দ্রদ্বীপ

খ

সুবর্ণগ্রাম

গ

গৌড়

ঘ

শুভারাম

✅ সঠিক উত্তর:খ. সুবর্ণগ্রাম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সুবর্ণগ্রাম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও মধ্যযুগীয় বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
❖ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের সরকারি ইতিহাসে সোনারগাঁওয়ের প্রাচীন নাম হিসেবে “সুবর্ণবীথি” বা “সুবর্ণগ্রাম” উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ভাষাগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে “সোনারগাঁও” নামটি প্রচলিত হয়।
❖ সোনারগাঁও বিভিন্ন সময়ে বাংলার স্বাধীন সুলতান ও অন্যান্য শাসকদের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী/প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
❖ এখানকার ঐতিহাসিক স্থানের মধ্যে—
➤ পানাম নগর
➤ গোয়ালদি মসজিদ
➤ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর
➤ বড় সর্দারবাড়ি
বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চন্দ্রদ্বীপ ⇒ বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম।
❖ গৌড় ⇒ প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার বিখ্যাত নগর ও জনপদ; বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ–মালদহ অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ শুভারাম ⇒ সোনারগাঁওয়ের পূর্বনাম নয়।
04
🎯 Level 1

০৭. সিলেটের অপর নাম কী? (তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিসার: ০৮)

ক

হোসনাবাদ

খ

ইসলামাবাদ

গ

আহমেদাবাদ

ঘ

জালালাবাদ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. জালালাবাদ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: জালালাবাদ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সিলেটের সুলতানি আমলের নাম ছিল জালালাবাদ। সিলেট জেলা প্রশাসনের সরকারি ইতিহাসেও এই তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
❖ “জালালাবাদ” নামটি হযরত শাহজালাল (র.)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ সিলেটের আরও প্রাচীন পরিচিত নাম শ্রীহট্ট। সপ্তম শতাব্দীর চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং অঞ্চলটির একটি রূপান্তরিত নাম উল্লেখ করেছিলেন; আল-বিরুনির লেখাতেও সিলেট অঞ্চলের উল্লেখ পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ইসলামাবাদ ⇒ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক নামগুলোর একটি।
❖ হোসনাবাদ/আহমেদাবাদ ⇒ সিলেটের স্বীকৃত ঐতিহাসিক অপর নাম নয়।
05
🎯 Level 1

১০. কোনটি বরিশালের পূর্বনাম নয়? (বিপিডিবি’র অফিস সহকারী: ১২)

ক

বাকলা

খ

চন্দ্রদ্বীপ

গ

ইসলামপুর

ঘ

সুধারাম

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সুধারাম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সুধারাম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বরিশালের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাকলা ও চন্দ্রদ্বীপ নাম দুটি সুপ্রতিষ্ঠিতভাবে যুক্ত। সরকারি বরিশাল ইতিহাসে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের উল্লেখ রয়েছে।
❖ সুধারাম বরিশালের নয়; এটি নোয়াখালী শহর/সদরের পুরোনো নাম। নোয়াখালী সদর উপজেলার সরকারি ইতিহাসেও পুরোনো শহরটিকে সুধারাম বলা হয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বাকলা ⇒ বরিশালের সুপ্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক নাম।
❖ চন্দ্রদ্বীপ ⇒ বরিশাল অঞ্চলের ঐতিহাসিক রাজ্য/নাম।
❖ ইসলামপুর ⇒ কিছু সাধারণ জ্ঞান বইয়ে বরিশালের ঐতিহাসিক নামের তালিকায় পাওয়া গেলেও “বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ”-এর মতো শক্ত সরকারি ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
❖ সুধারাম ⇒ নোয়াখালীর সঙ্গে যুক্ত; তাই নিশ্চিতভাবে সঠিক উত্তর।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৩. ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম— (জারাবো’র সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা: ১৫)

ক

জালালাবাদ

খ

ইসলামাবাদ

গ

নাসিরাবাদ

ঘ

সিংহগ্রাম

✅ সঠিক উত্তর:গ. নাসিরাবাদ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: নাসিরাবাদ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ময়মনসিংহের পূর্বনাম নাসিরাবাদ—ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সরকারি ইতিহাসে এটি সরাসরি উল্লেখ আছে।
❖ ১৭৮৭ সালে “নাসিরাবাদ” নামে জেলা-প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার তথ্যও সরকারি সূত্রে পাওয়া যায়।
❖ পরে নাসিরাবাদ নাম পরিবর্তিত হয়ে ময়মনসিংহ হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ জালালাবাদ ⇒ সিলেটের সুলতানি আমলের নাম।
❖ ইসলামাবাদ ⇒ চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক নাম।
❖ সিংহগ্রাম ⇒ ময়মনসিংহের স্বীকৃত পূর্বনাম নয়।
07
🎯 Level 1

১৬. ‘গন্ডোয়ানাল্যান্ড’ কোন স্থানের পূর্ব নাম? (পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ০৬)

ক

দিনাজপুর

খ

বাগেরহাট

গ

কক্সবাজার

ঘ

নোয়াখালী

✅ সঠিক উত্তর:ক. দিনাজপুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক উত্তর: দিনাজপুর।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের একটি ঐতিহাসিক জেলা হলো দিনাজপুর। প্রচলিত সাধারণ জ্ঞান ও চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংকে দিনাজপুরের পূর্বনাম হিসেবে গন্ডোয়ানাল্যান্ড (Gondwanaland) উল্লেখ করা হয়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক সংশোধন প্রয়োজন।
গন্ডোয়ানাল্যান্ড প্রকৃতপক্ষে দিনাজপুর জেলার কোনো প্রমাণিত প্রাচীন প্রশাসনিক নাম নয়। এটি পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের একটি প্রাচীন অতিমহাদেশের নাম। দিনাজপুর অঞ্চলে গন্ডোয়ানা যুগের ভূতাত্ত্বিক শিলাস্তর ও কয়লার উপস্থিতির কারণে সাধারণ জ্ঞানের কিছু বইয়ে এই নামটিকে দিনাজপুরের পূর্বনাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অতএব, চাকরির পরীক্ষায় উত্তর দিনাজপুর হলেও ভূতাত্ত্বিক অর্থে গন্ডোয়ানাল্যান্ড একটি অতিমহাদেশের নাম।
✦ গন্ডোয়ানাল্যান্ড (Gondwanaland) কী?
গন্ডোয়ানাল্যান্ড বা গন্ডোয়ানা ছিল পৃথিবীর একটি প্রাচীন বিশাল ভূখণ্ড বা অতিমহাদেশ (Supercontinent)।
এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান—
আফ্রিকা
দক্ষিণ আমেরিকা
অ্যান্টার্কটিকা
অস্ট্রেলিয়া
ভারতীয় উপমহাদেশ
মাদাগাস্কার ও আরব অঞ্চলের ভূখণ্ড
পরবর্তী সময়ে ভূত্বকীয় পাতের সঞ্চালনের ফলে এই বিশাল ভূখণ্ড বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হয়ে যায়।
✦ দিনাজপুরের সঙ্গে গন্ডোয়ানাল্যান্ডের সম্পর্ক
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রে প্রাচীন গন্ডোয়ানা ভূতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর কয়লাবাহী শিলাস্তর পাওয়া যায়।
২০০৮ সালে International Journal of Coal Geology-তে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা শিলাস্তর এবং ছয়টি কয়লাস্তর শনাক্ত করা হয়েছে।
দিনাজপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ:
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের প্রকাশিত গবেষণাতালিকায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ার ভূতত্ত্ব ও কয়লাসম্পদবিষয়ক গবেষণার উল্লেখ রয়েছে।
✦ দিনাজপুর নামের প্রকৃত ঐতিহাসিক উৎস
দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের বিবরণ অনুযায়ী, লোকশ্রুতি অনুসারে দিনাজ বা দিনারাজ নামে এক ব্যক্তির নামানুসারে দিনাজপুরের নামকরণ হয়।
ব্রিটিশ শাসনামলে ঘোড়াঘাটের পূর্ববর্তী প্রশাসনিক গুরুত্ব কমে যায় এবং দিনাজপুরে নতুন জেলা প্রশাসনের কেন্দ্র গড়ে ওঠে। ১৭৮৬ সালে নতুন জেলা গঠন এবং ১৭৯৩ সালে দিনাজপুরে জেলার দপ্তর স্থাপনের বিবরণ সরকারি ইতিহাসে পাওয়া যায়।
সুতরাং, দিনাজপুরের নামকরণের ঐতিহাসিক বিবরণ এবং গন্ডোয়ানাল্যান্ডের ভূতাত্ত্বিক পরিচয় সম্পূর্ণ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. দিনাজপুর ⇒ পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক।
চাকরির পরীক্ষার প্রচলিত প্রশ্নব্যাংকে গন্ডোয়ানাল্যান্ডকে দিনাজপুরের পূর্বনাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে ঐতিহাসিকভাবে এটি জেলার প্রমাণিত পূর্বনাম নয়; দিনাজপুরের গন্ডোয়ানা যুগের ভূতাত্ত্বিক গঠনের সঙ্গে নামটির সম্পর্ক রয়েছে।
❖ খ. বাগেরহাট ⇒ ভুল।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক নগরের নাম ছিল খলিফাতাবাদ। পঞ্চদশ শতাব্দীতে খান জাহান আলী এই নগর গড়ে তোলেন। এটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
❖ গ. কক্সবাজার ⇒ ভুল।
কক্সবাজারের প্রাচীন নাম হিসেবে পালংকি ও প্যানোয়া পরিচিত। ব্রিটিশ কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সের নামানুসারে পরবর্তী সময়ে কক্সবাজার নামের প্রচলন ঘটে।
❖ ঘ. নোয়াখালী ⇒ ভুল।
নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। অন্যদিকে নোয়াখালী শহর ও সদর থানার পুরোনো নাম ছিল সুধারাম।
✦ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
08
🎯 Level 1

১৯. মহাস্থানগড়ের পুরাতন নাম কী? (পরিবেশ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২০ / বিআরটিসি’র হিসাবরক্ষক: ২৩ / বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চমান সহকারী: ২৩)

ক

সিংহজানী

খ

সুবর্ণগ্রাম

গ

পুণ্ড্রবর্ধন

ঘ

চন্দ্রদ্বীপ

✅ সঠিক উত্তর:গ. পুণ্ড্রবর্ধন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: পুণ্ড্রবর্ধন / পুণ্ড্রনগর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগর-প্রত্নস্থল মহাস্থানগড় বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়, করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
❖ বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বগুড়া জেলা প্রশাসনের সরকারি সূত্রে মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর বলা হয়েছে।
❖ প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর।
❖ এখানে পাওয়া মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিখিত প্রত্ননিদর্শনগুলোর একটি।
❖ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তথ্যে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে মহাস্থানগড়কে প্রাচীন পুণ্ড্রনগর হিসেবে শনাক্ত করার কথা উল্লেখ আছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সিংহজানী ⇒ জামালপুরের ঐতিহাসিক নামের সঙ্গে যুক্ত।
❖ সুবর্ণগ্রাম ⇒ সোনারগাঁওয়ের পূর্বনাম।
❖ চন্দ্রদ্বীপ ⇒ বরিশাল অঞ্চলের ঐতিহাসিক নাম।
Advertisement
09
🎯 Level 1

২২. ‘মসজিদের শহর’ কোনটি? / কোন শহরকে ‘রিকশার নগরী’ বলা হয়? (বিআরডিবি’র সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা: ০৩ / মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেসের স্টোরম্যান: ১৮)

ক

ঢাকা

খ

খুলনা

গ

চট্টগ্রাম

ঘ

সিলেট

✅ সঠিক উত্তর:ক. ঢাকা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ঢাকা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে “City of Mosques” বা “মসজিদের শহর” নামে পরিচিত।
❖ মুঘল আমল থেকে ঢাকায় বিপুলসংখ্যক মসজিদ নির্মিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য—
➤ তারা মসজিদ
➤ সাত গম্বুজ মসজিদ
➤ খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ
➤ কারতলব খান মসজিদ
➤ চকবাজার শাহী মসজিদ।
❖ ঢাকাকে “রিকশার নগরী” বলাও বহুল প্রচলিত। সরকারি তথ্যবাতায়নের শিক্ষামূলক তালিকাতেও “মসজিদের শহর ঢাকা” এবং “রিক্সার নগরী ঢাকা” উল্লেখ আছে।
❖ ২০২৩ সালে UNESCO ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity-এর Representative List-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে—ঢাকার রিকশা সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চট্টগ্রাম ⇒ বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও প্রবেশদ্বার।
❖ সিলেট ⇒ ৩৬০ আউলিয়ার শহর/আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত।
❖ খুলনা ⇒ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পনগর ও সুন্দরবনের প্রবেশপথ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
10
🎯 Level 1

২৭. কোন জেলাকে শস্যভাণ্ডার বলা হয়? / কোন শহরকে বাংলার ভেনিস বলা হয়? (বিসিআইসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক: ১১ / ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন / দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক: ১৬ / জাককানইবি: ১৬–১৭ / পরিবেশ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২০ / প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার অপারেটর: ২২ / পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২২ / এমআরএ’র সহকারী পরিচালক: ২৩ / প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক: ২৪)

ক

পটুয়াখালী

খ

ভোলা

গ

খুলনা

ঘ

বরিশাল

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. বরিশাল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: বরিশাল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বরিশালকে ঐতিহাসিকভাবে ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ এবং ‘বাংলার ভেনিস’—উভয় নামেই অভিহিত করা হয়।
❖ বরিশাল জেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, জোয়ার-ভাটার পানির ওপর নির্ভর করে এ অঞ্চলে ব্যাপক ফসল উৎপন্ন হতো এবং সে কারণে বরিশাল “বাংলার শস্য ভান্ডার” নামে পরিচিত ছিল। এখানকার বালাম চাল একসময় উপমহাদেশজুড়ে বিখ্যাত ছিল।
❖ একই সরকারি সূত্র বরিশালকে “বাংলার ভেনিস” বলেও উল্লেখ করে। অসংখ্য নদী, খাল ও জলপথের কারণে ইতালির জলনগরী Venice-এর সঙ্গে তুলনা করে এ উপনাম দেওয়া হয়েছে।
❖ বরিশাল শহর কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত।
✦ অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
❖ বরিশালের ঐতিহাসিক নামের সঙ্গে চন্দ্রদ্বীপ নামটির সম্পর্ক রয়েছে।
❖ দক্ষিণাঞ্চলের ধান, মাছ, নারকেল, সুপারি এবং বিভিন্ন কৃষিপণ্যের কারণে এ অঞ্চল দীর্ঘদিন অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পটুয়াখালী ⇒ কুয়াকাটার জন্য বিখ্যাত; “সাগরকন্যা” কুয়াকাটা এখানে।
❖ ভোলা ⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ-জেলা।
❖ খুলনা ⇒ সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন