🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাংলাদেশের নদ-নদী

◉ ভূগোল›বাংলাদেশের নদ-নদী

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚88মোট প্রশ্ন
🎯5মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. বাংলাদেশে মোট নদ-নদীর সংখ্যা কত? (কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান সহকারী: ২৫)

ক

৭১০ টি

খ

৯৪৫ টি

গ

১১১৫ টি

ঘ

১৪১৫ টি

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ১৪১৫ টি

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. ১৪১৫ টি
✦ ছবির ব্যাখ্যা:
২০১৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের National River Protection Commission (NRPC) গঠিত হয়। ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বাংলাদেশের নদ-নদীর তালিকা প্রকাশ করে। তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ১৪১৫ টি।
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন উৎসে প্রায় ৭০০, ৪০৫, ১,০০৮ ইত্যাদি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ “নদী” শনাক্তকরণের সংজ্ঞা, একই নদীর বিভিন্ন নাম, মৃত/মৌসুমি নদী এবং শাখা-প্রশাখা গণনার পদ্ধতিতে ভিন্নতা ছিল।
❖ সর্বশেষ সমন্বিত সরকারি তালিকা ১৪ এপ্রিল ২০২৫ প্রকাশিত হয়। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সরকারি প্রকাশনা পাতায় ওই তারিখে “বাংলাদেশের নদ-নদীর তালিকা—১লা বৈশাখ ১৪৩২” প্রকাশের তথ্য রয়েছে।
❖ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্ণ তালিকায় সর্বশেষ ক্রমিক নম্বর ১৪১৫—অর্থাৎ সরকারি সমন্বিত তালিকায় মোট নদ-নদী ১,৪১৫টি।
❖ ২০২৬ সালেও সরকারি তালিকাভিত্তিক এই ১,৪১৫ সংখ্যাই জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহৃত হচ্ছে।
❖ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন নিজস্ব ইতিহাসে জানিয়েছে, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন, ২০১৩-এর অধীনে কমিশনটি ৫ আগস্ট ২০১৪ প্রতিষ্ঠিত হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৭১০ ⇒ বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা সম্পর্কে পুরোনো “প্রায় ৭০০” ধারণার কাছাকাছি, কিন্তু বর্তমান সরকারি তালিকার সংখ্যা নয়।
❖ ৯৪৫ ⇒ বর্তমান সরকারি সমন্বিত তালিকার সঙ্গে মেলে না।
❖ ১১১৫ ⇒ এটিও বর্তমান তালিকার সংখ্যা নয়।
❖ ১৪১৫ ⇒ ২০২৫ সালের সরকারি সমন্বিত তালিকাভিত্তিক সঠিক উত্তর।"
02
🎯 Level 1

০১. বাংলাদেশে মোট নদ-নদীর সংখ্যা কত? (কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান সহকারী: ২৫)

ক

৭১০ টি

খ

৯৪৫ টি

গ

১১১৫ টি

ঘ

১৪১৫ টি

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ১৪১৫ টি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. ১৪১৫ টি
✦ ছবির ব্যাখ্যা:
২০১৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের National River Protection Commission (NRPC) গঠিত হয়। ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বাংলাদেশের নদ-নদীর তালিকা প্রকাশ করে। তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ১৪১৫ টি।
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন উৎসে প্রায় ৭০০, ৪০৫, ১,০০৮ ইত্যাদি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ “নদী” শনাক্তকরণের সংজ্ঞা, একই নদীর বিভিন্ন নাম, মৃত/মৌসুমি নদী এবং শাখা-প্রশাখা গণনার পদ্ধতিতে ভিন্নতা ছিল।
❖ সর্বশেষ সমন্বিত সরকারি তালিকা ১৪ এপ্রিল ২০২৫ প্রকাশিত হয়। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সরকারি প্রকাশনা পাতায় ওই তারিখে “বাংলাদেশের নদ-নদীর তালিকা—১লা বৈশাখ ১৪৩২” প্রকাশের তথ্য রয়েছে।
❖ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্ণ তালিকায় সর্বশেষ ক্রমিক নম্বর ১৪১৫—অর্থাৎ সরকারি সমন্বিত তালিকায় মোট নদ-নদী ১,৪১৫টি।
❖ ২০২৬ সালেও সরকারি তালিকাভিত্তিক এই ১,৪১৫ সংখ্যাই জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহৃত হচ্ছে।
❖ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন নিজস্ব ইতিহাসে জানিয়েছে, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন, ২০১৩-এর অধীনে কমিশনটি ৫ আগস্ট ২০১৪ প্রতিষ্ঠিত হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৭১০ ⇒ বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা সম্পর্কে পুরোনো “প্রায় ৭০০” ধারণার কাছাকাছি, কিন্তু বর্তমান সরকারি তালিকার সংখ্যা নয়।
❖ ৯৪৫ ⇒ বর্তমান সরকারি সমন্বিত তালিকার সঙ্গে মেলে না।
❖ ১১১৫ ⇒ এটিও বর্তমান তালিকার সংখ্যা নয়।
❖ ১৪১৫ ⇒ ২০২৫ সালের সরকারি সমন্বিত তালিকাভিত্তিক সঠিক উত্তর।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৪. ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কোনটি? (ববিপ্রবি: ১৯-২০ / কারা অধিদপ্তরের শিক্ষক: ২৫)

ক

গঙ্গা

খ

মাতামুহুরী

গ

ব্রহ্মপুত্র

ঘ

দুধকুমার

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. দুধকুমার

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. দুধকুমার
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দুধকুমার নদী বৃহত্তর Raidak–Sankosh নদীব্যবস্থার অংশ। এর উজানের জলধারা ভুটানের হিমালয় অঞ্চল থেকে নেমে ভারত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বিশ্বব্যাংকের একটি নদী-বিষয়ক গবেষণায় Dudhkumar/Raidak ব্যবস্থার উৎসজল পশ্চিম ভুটানের হিমবাহপূর্ণ উপত্যকা ও তিব্বতীয় মালভূমিসংলগ্ন অঞ্চল থেকে আসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ Banglapedia অনুযায়ী, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রায়ডাক বা সংকোশ নদী পাটেশ্বরীর কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর দুধকুমার নাম ধারণ করে। এরপর প্রায় ৫২ কিমি পথ অতিক্রম করে কুড়িগ্রাম অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়।
প্রবাহের সাধারণ ধারা:
ভুটান → ভারত → বাংলাদেশ → ব্রহ্মপুত্র
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ গঙ্গা ⇒ ভারতের হিমালয় অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারত ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত; মূল গঙ্গা ভুটান দিয়ে প্রবাহিত নয়।
❖ মাতামুহুরী ⇒ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী; ভুটান–ভারত–বাংলাদেশ এই তিন দেশের ধারাবাহিক নদী নয়।
❖ ব্রহ্মপুত্র ⇒ তিব্বত/চীন → ভারত → বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত; মূলধারা ভুটান দিয়ে প্রবাহিত নয়, যদিও ভুটানের বহু নদী ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় পড়ে।
❖ দুধকুমার ⇒ ভুটানীয় উজান → ভারত → বাংলাদেশ প্রবাহধারার কারণে সঠিক।
04
🎯 Level 1

০৭. কোন জেলার মধ্যে দিয়ে আত্রাই নদী প্রবাহিত হয়? (বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার: ১৮)

ক

ঢাকা

খ

সিলেট

গ

বগুড়া

ঘ

দিনাজপুর

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. দিনাজপুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Banglapedia অনুযায়ী, আত্রাই নদী দিনাজপুর শহরের পূর্বাংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর ভূষিরবন্দর ও সমঝিয়া ঘাট অতিক্রম করে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরে প্রবেশ করে।
❖ আত্রাইয়ের সঙ্গে খানসামা, চিরিরবন্দর ও দিনাজপুর অঞ্চল ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। নদীটির একটি অংশ চিরিরবন্দরের উত্তর-পশ্চিমে বিভক্ত হয়ে আবার দক্ষিণ-পশ্চিমে একত্র হয়; পশ্চিম অংশকে গাবুরা এবং পূর্ব অংশকে কাঁকড়া/কংক্রা বলা হয়।
❖ তবে মনে রাখতে হবে, আত্রাই শুধু দিনাজপুরেই সীমাবদ্ধ নয়। পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের পর এটি নওগাঁ, বরেন্দ্রভূমি, চলনবিল অঞ্চলসহ আরও বিস্তৃত এলাকায় প্রবাহিত হয়। প্রশ্নে দেওয়া চারটি বিকল্পের মধ্যে তাই দিনাজপুর সঠিক।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ঢাকা ⇒ আত্রাই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহপথে পড়ে না।
❖ সিলেট ⇒ সুরমা-কুশিয়ারা, পিয়াইন, সারি-গোয়াইন প্রভৃতি নদীব্যবস্থার অঞ্চল; আত্রাই নয়।
❖ বগুড়া ⇒ করতোয়া ও অন্যান্য উত্তরাঞ্চলীয় নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও প্রশ্নে চাওয়া আত্রাইয়ের প্রত্যক্ষ উল্লেখের জেলা দিনাজপুর।
❖ দিনাজপুর ⇒ Banglapedia-তে সরাসরি আত্রাইয়ের প্রবাহপথ হিসেবে উল্লেখিত—সঠিক উত্তর।
05
🎯 Level 1

১১. কোন নদীটি ভারত, চীন ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে? (চবি: ১৬–১৭; জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ক্যাশিয়ার: ১৯)

ক

যমুনা

খ

ব্রহ্মপুত্র

গ

মাতামুহুরী

ঘ

নাফ

✅ সঠিক উত্তর:খ. ব্রহ্মপুত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. ব্রহ্মপুত্র
✦ অতিরিক্ত বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ নদটির সাধারণ প্রবাহক্রম—
তিব্বত/চীন → অরুণাচল প্রদেশ → আসাম → বাংলাদেশ → গঙ্গা-পদ্মার সঙ্গে মিলন → মেঘনা → বঙ্গোপসাগর।
বাংলাদেশ JRC অনুযায়ী ব্রহ্মপুত্রের মোট প্রধান প্রবাহপথ প্রায় ২,৮৮০ কিমি এবং নদটি চীন, ভারত ও বাংলাদেশ অতিক্রম করে।
❖ তিব্বতে প্রচলিত নাম Yarlung Tsangpo। সরকারি ভারতীয় নথিতেও “Yarlung Tsangpo/Brahmaputra” একই নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ ঐতিহাসিকভাবে নদটির তিব্বতি ও ভারতীয় অংশ একই নদী কি না—এ নিয়ে ইউরোপীয়দের দীর্ঘদিন সংশয় ছিল; ১৯শ শতকে অনুসন্ধানের মাধ্যমে সংযোগটি নিশ্চিত হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ যমুনা ⇒ বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্রের বর্তমান প্রধান নিম্নধারার নাম।
❖ মাতামুহুরী ⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী।
❖ নাফ ⇒ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন নদী।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৭. বাংলাদেশের কোন নদীর উৎপত্তিস্থল তিব্বতে? (এক্সিম ব্যাংকের অফিসার: ১৫)

ক

ব্রহ্মপুত্র

খ

তিস্তা

গ

সুরমা

ঘ

পদ্মা

✅ সঠিক উত্তর:ক. ব্রহ্মপুত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ক. ব্রহ্মপুত্র
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ব্রহ্মপুত্রের হেডওয়াটার দক্ষিণ-পশ্চিম তিব্বতে। বাংলাদেশ JRC ঐতিহ্যগতভাবে Chema-Yung-Dung glacier, Kailas Range-কে উৎস হিসেবে উল্লেখ করে।
❖ এরপর Yarlung Tsangpo নামে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে নামচা বারওয়া অঞ্চলে বাঁক নিয়ে অরুণাচলে প্রবেশ করে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ তিস্তা ⇒ পূর্ব হিমালয়, সিকিম অঞ্চলের হিমবাহজাত নদী।
❖ সুরমা ⇒ বরাক নদীর ধারাবাহিকতার অংশ; উৎসভূমি ভারতীয় পাহাড়ি অঞ্চল।
❖ পদ্মা ⇒ বাংলাদেশে গঙ্গার নিম্নধারার নাম; এর প্রধান উৎস গঙ্গোত্রী হিমবাহব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
07
🎯 Level 1

২২. প্রায় সাড়ে তেরো কোটি বছর আগেও বাংলাদেশে কোন নদী প্রবাহমান ছিল? (জবি: ১৪–১৫)

ক

ব্রহ্মপুত্র

খ

লুসাই

গ

সুরমা

ঘ

তিস্তা

✅ সঠিক উত্তর:ক. ব্রহ্মপুত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক উত্তর: ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)।
তবে এই প্রশ্নের সময়কাল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অসংগতি রয়েছে। ১৩ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে বর্তমান ব্রহ্মপুত্র নদ একই পরিচয়ে ও গতিপথে বাংলাদেশে প্রবাহিত ছিল—এমন দাবির নির্ভরযোগ্য ভূতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায় না। আধুনিক ব্রহ্মপুত্র–যমুনা নদীব্যবস্থার বিকাশ পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের তুলনামূলক অনেক পরবর্তী ঘটনা।
✦ ব্রহ্মপুত্র নদের পরিচিতি
বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ব্রহ্মপুত্র চীনের তিব্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ
✦ সাড়ে তেরো কোটি বছর আগের দাবিটি কেন প্রশ্নবিদ্ধ?
সাড়ে তেরো কোটি বছর অর্থ—
➤ ১৩.৫ কোটি বছর।
➤ ১৩৫ মিলিয়ন বছর।
➤ এটি ভূতাত্ত্বিক সময়বিভাগে ক্রিটেশিয়াস যুগের (Cretaceous Period) প্রথম দিকের সময়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) অনুযায়ী, ভারতীয় ও ইউরেশীয় ভূত্বকীয় পাতের সংঘর্ষের ফলে প্রায় ৪–৫ কোটি বছর আগে হিমালয় পর্বতমালার উত্থান শুরু হয়।
অন্যদিকে ২০২৬ সালে Frontiers in Earth Science-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় বর্তমান ইয়ারলুং সাংপো–ব্রহ্মপুত্র নদীব্যবস্থার সংযুক্ত প্রবাহ গঠনের সময় প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ বছর আগের মধ্যে বিভিন্ন গবেষণায় নির্ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে।
অতএব, ১৩.৫ কোটি বছর আগেই বর্তমান ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবাহিত ছিল—এ বক্তব্য আধুনিক ভূতাত্ত্বিক গবেষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
✦ ব্রহ্মপুত্রের প্রধান প্রবাহপথ
তিব্বত, চীন
ইয়ারলুং সাংপো
অরুণাচল প্রদেশ, ভারত
সিয়াং / দিহাং
আসাম, ভারত
ব্রহ্মপুত্র
বাংলাদেশ
ব্রহ্মপুত্র–যমুনা → পদ্মা → মেঘনা
বঙ্গোপসাগর
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. ব্রহ্মপুত্র ⇒ পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪–১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রশ্নসমাধানে ব্রহ্মপুত্রকে উত্তর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ১৩.৫ কোটি বছরের সময়কালটি বিজ্ঞানসম্মত নয়।
❖ খ. লুসাই ⇒ ভুল। লুসাই নামে সাধারণত ভারতের মিজোরাম অঞ্চলের ঐতিহাসিক লুসাই পাহাড়কে বোঝানো হয়। এটি প্রশ্নের প্রত্যাশিত নদীর নাম নয়।
❖ গ. সুরমা ⇒ ভুল। সুরমা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী। ভারতের বরাক নদী বিভক্ত হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়েছে। আলোচিত প্রশ্নের প্রত্যাশিত উত্তর সুরমা নয়।
Banglapedia
❖ ঘ. তিস্তা ⇒ ভুল। তিস্তা হিমালয়ের সিকিম অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি আন্তর্জাতিক নদী। এটি ব্রহ্মপুত্র–যমুনা নদীব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উপনদী।
MoEFCC
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
সাড়ে তেরো কোটি বছর আগে প্রবাহমান নদী হিসেবে প্রশ্নব্যাংকে উল্লেখিত—ব্রহ্মপুত্র।
সাড়ে তেরো কোটি বছর—১৩৫ মিলিয়ন বছর।
১৩৫ মিলিয়ন বছর আগের ভূতাত্ত্বিক যুগ—ক্রিটেশিয়াস।
হিমালয়ের উত্থান শুরু—আনুমানিক ৪–৫ কোটি বছর আগে।
ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তিস্থল—তিব্বতের কৈলাস পর্বতশ্রেণির হিমবাহ অঞ্চল।
ব্রহ্মপুত্রের তিব্বতি নাম—ইয়ারলুং সাংপো।
ব্রহ্মপুত্রের প্রাচীন নাম—লৌহিত্য।
ব্রহ্মপুত্র প্রবাহিত হয়—চীন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে।
ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করে—কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী দিয়ে।
ব্রহ্মপুত্রের বাংলাদেশের প্রধান প্রবাহ—যমুনা।
ব্রহ্মপুত্র–যমুনা—একটি বিনুনী আকৃতির (Braided) নদীব্যবস্থা।
ব্রহ্মপুত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপনদী—তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার।
যমুনা ও পদ্মার মিলনস্থল—গোয়ালন্দের কাছে।
পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল—চাঁদপুর অঞ্চলে।
সুরমা ও কুশিয়ারার মূল উৎসনদী—বরাক।
লুসাই পাহাড় অবস্থিত—ভারতের মিজোরাম অঞ্চলে।
08
🎯 Level 1

২৬. কোনটি নদ? / নিচের কোনটি নদী নয়? (বিবিএস’র উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা: ১০; রাবি: ১৭–১৮)

ক

পদ্মা

খ

মেঘনা

গ

যমুনা

ঘ

ব্রহ্মপুত্র

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ব্রহ্মপুত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. ব্রহ্মপুত্র
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলায় প্রচলিত নামরূপ হলো—
ব্রহ্মপুত্র নদ
কিন্তু
পদ্মা নদী, মেঘনা নদী, যমুনা নদী।
❖ “নদ” ও “নদী”-এর এ পার্থক্য জলবিজ্ঞানের কোনো male river/female river শ্রেণিবিন্যাস নয়; এটি মূলত বাংলা-সংস্কৃত শব্দপ্রয়োগ ও ঐতিহ্যগত নামকরণের বিষয়।
❖ ব্রহ্মপুত্র নামের ব্যুৎপত্তি সংস্কৃত Brahma + putra, অর্থাৎ “ব্রহ্মার পুত্র”; এ কারণে ঐতিহ্যগতভাবে “ব্রহ্মপুত্র নদ” রূপটি বহুল ব্যবহৃত।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পদ্মা ⇒ পদ্মা নদী
❖ মেঘনা ⇒ মেঘনা নদী
❖ যমুনা ⇒ যমুনা নদী
❖ ব্রহ্মপুত্র ⇒ ব্রহ্মপুত্র নদ
Advertisement
09
🎯 Level 1

২৯. শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে— (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১২; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৪)

ক

যমুনা নদী হতে

খ

মেঘনা নদী হতে

গ

পদ্মা নদী হতে

ঘ

ব্রহ্মপুত্র নদ হতে

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ব্রহ্মপুত্র নদ হতে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. ব্রহ্মপুত্র নদ হতে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আরও নির্ভুলভাবে বললে শীতলক্ষ্যা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীপ্রণালী থেকে উৎপন্ন।
Banglapedia-র Shitalakshya River নিবন্ধ অনুযায়ী নদীটি Old Brahmaputra থেকে উৎপন্ন হয়ে টোক এলাকায় দুটি ধারায় বিভক্ত হয়; একটি ধারা বানার নামে প্রবাহিত হয়ে পরে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে।
❖ নদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১১০ কিমি বলে বাংলাপিডিয়া উল্লেখ করেছে।
❖ এটি নারায়ণগঞ্জের পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে ধলেশ্বরীর সঙ্গে মিলিত হয়।
❖ ঐতিহাসিকভাবে শীতলক্ষ্যা তীরবর্তী অঞ্চল বাংলাদেশের মসলিন শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ যমুনা ⇒ সরাসরি শীতলক্ষ্যার উৎস নয়। তবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র বর্তমানে Brahmaputra-Jamuna ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত—তাই বৃহত্তর নদীপ্রণালীতে পরোক্ষ সম্পর্ক আছে।
❖ মেঘনা ⇒ শীতলক্ষ্যার ভাটির গ্রহণকারী নদীপ্রণালীর অংশ; উৎস নয়।
❖ পদ্মা ⇒ গঙ্গা-যমুনার মিলিত নিম্নধারা; শীতলক্ষ্যার উৎস নয়।
❖ ব্রহ্মপুত্র ⇒ অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক; আরও নির্দিষ্টভাবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
10
🎯 Level 1

৩৫. ধলেশ্বরী কোন নদীর শাখা নদী? (বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিরাপত্তা প্রহরী: ২৩)

ক

পদ্মা

খ

বুড়িগঙ্গা

গ

যমুনা

ঘ

মেঘনা

✅ সঠিক উত্তর:গ. যমুনা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: যমুনা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ধলেশ্বরী যমুনার একটি প্রধান শাখা বা distributary নদী।
❖ বাংলাপিডিয়া অনুসারে, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও ধলেশ্বরী যমুনার গুরুত্বপূর্ণ বামতীরের distributary। ধলেশ্বরী যমুনা থেকে বের হয়ে মানিকগঞ্জ-ঢাকা অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
❖ ধলেশ্বরীর সঙ্গে ঢাকার নদীব্যবস্থার গভীর সম্পর্ক আছে—কালীগঙ্গা ও বুড়িগঙ্গা এর গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পদ্মা ⇒ ধলেশ্বরী পদ্মা থেকে সরাসরি উৎপন্ন নয়।
❖ বুড়িগঙ্গা ⇒ সম্পর্কটি উল্টো—বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরীর শাখা।
❖ মেঘনা ⇒ ধলেশ্বরী শেষ পর্যন্ত শীতলক্ষ্যার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা ব্যবস্থায় পানি সরবরাহ করে, কিন্তু মেঘনার শাখা নয়।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন