🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাংলাদেশের নদ-নদীর মিলনস্থল, নদী তীরবর্তী শহর এবং নদী ভাঙ্গন

◉ ভূগোল›বাংলাদেশের নদ-নদীর মিলনস্থল, নদী তীরবর্তী শহর এবং নদী ভাঙ্গন

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚59মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

৪১. দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে? (পিজিসিবি’র সহকারী প্রকৌশলী: ২৪)

ক

মোহনা

খ

দ্বীপ

গ

দোয়াব

ঘ

বদ্বীপ

✅ সঠিক উত্তর:গ. দোয়াব

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ

◈ সঠিক উত্তর: দোয়াব

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

❖ দোয়াব (Doab) হলো দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। বাংলাপিডিয়া অনুসারে, প্রায় একই দিকে প্রবাহিত পাশাপাশি দুটি নদীর উপত্যকার মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব বলা হয়।

❖ শব্দটি ফারসি:
➤ দো = দুই
➤ আব = পানি/জল
অর্থাৎ, “দুই পানির মধ্যবর্তী অঞ্চল”।

❖ ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত উদাহরণ হলো গঙ্গা-যমুনা দোয়াব।

◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:

❖ মোহনা ⇒ নদী অন্য নদী, হ্রদ বা সমুদ্রে মিলিত হওয়ার শেষপ্রান্ত/মুখ।

❖ দ্বীপ ⇒ চারদিকে পানি দ্বারা বেষ্টিত ভূমি।

❖ বদ্বীপ ⇒ নদীর মোহনায় পলি সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্ট ত্রিকোণ বা পাখার মতো ভূভাগ; ইংরেজিতে Delta।"
02
🎯 Level 1

৪১. দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে? (পিজিসিবি’র সহকারী প্রকৌশলী: ২৪)

ক

মোহনা

খ

দ্বীপ

গ

দোয়াব

ঘ

বদ্বীপ

✅ সঠিক উত্তর:গ. দোয়াব

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: দোয়াব
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দোয়াব (Doab) হলো দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। বাংলাপিডিয়া অনুসারে, প্রায় একই দিকে প্রবাহিত পাশাপাশি দুটি নদীর উপত্যকার মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব বলা হয়।
❖ শব্দটি ফারসি:
➤ দো = দুই
➤ আব = পানি/জল
অর্থাৎ, “দুই পানির মধ্যবর্তী অঞ্চল”।
❖ ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত উদাহরণ হলো গঙ্গা-যমুনা দোয়াব।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মোহনা ⇒ নদী অন্য নদী, হ্রদ বা সমুদ্রে মিলিত হওয়ার শেষপ্রান্ত/মুখ।
❖ দ্বীপ ⇒ চারদিকে পানি দ্বারা বেষ্টিত ভূমি।
❖ বদ্বীপ ⇒ নদীর মোহনায় পলি সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্ট ত্রিকোণ বা পাখার মতো ভূভাগ; ইংরেজিতে Delta।
Advertisement
03
🎯 Level 1

৪৪. কোন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বিভক্ত হয়েছে? (উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার: ১৫)

ক

জামালপুর

খ

কুড়িগ্রাম

গ

দেওয়ানগঞ্জ

ঘ

সিরাজগঞ্জ

✅ সঠিক উত্তর:গ. দেওয়ানগঞ্জ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: দেওয়ানগঞ্জ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ অঞ্চলের কাছাকাছি ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বিভাজন ঘটে।
❖ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র বাহাদুরাবাদ (দেওয়ানগঞ্জ) থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হিসেবে অগ্রসর হয়; আর বাহাদুরাবাদ থেকে আরিচা পর্যন্ত প্রধান বৃহৎ ধারা যমুনা নামে পরিচিত।
❖ আঠারো শতকের শেষভাগে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান প্রবাহে বিরাট পরিবর্তন ঘটে। আগে এর মূলধারা বর্তমান পুরাতন ব্রহ্মপুত্র পথ দিয়ে ময়মনসিংহের দিকে যেত; পরে যমুনা প্রধান প্রবাহে পরিণত হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ জামালপুর ⇒ দেওয়ানগঞ্জ জামালপুর জেলারই উপজেলা; কিন্তু প্রশ্নে নির্দিষ্ট স্থান চাওয়ায় “দেওয়ানগঞ্জ” সঠিক।
❖ কুড়িগ্রাম ⇒ ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে উত্তরাংশ দিয়ে প্রবেশ করে; তবে উল্লিখিত বিভাজনস্থল নয়।
❖ সিরাজগঞ্জ ⇒ যমুনা নদীর তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা, কিন্তু পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের বিভাজন এখানে ঘটে না।
04
🎯 Level 1

৫১. পদ্মা ও যমুনা নদী কোন স্থানে মিলিত হয়েছে? (নার্সিং অধিদপ্তরের মিডওয়াইফ: ২১)

ক

দৌলতদিয়া ঘাট

খ

চাঁদপুর

গ

ভৈরব বাজার

ঘ

নারায়ণগঞ্জ

✅ সঠিক উত্তর:ক. দৌলতদিয়া ঘাট

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: দৌলতদিয়া ঘাট
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দৌলতদিয়া ঘাট গোয়ালন্দ উপজেলার অন্তর্গত, রাজবাড়ী জেলায়। সরকারি গোয়ালন্দ উপজেলা তথ্যেও দৌলতদিয়া ঘাটকে গোয়ালন্দের মধ্যে দেখানো হয়েছে।
❖ তাই “পদ্মা-যমুনা কোথায় মিলেছে?” প্রশ্নে কখনও গোয়ালন্দ, আবার আরও নির্দিষ্ট স্থানভিত্তিক অপশনে দৌলতদিয়া ঘাট দেওয়া হয়। মূলত একই বৃহৎ সঙ্গমাঞ্চল বোঝানো হয়।
❖ হাইড্রোগ্রাফিকভাবে গঙ্গা-যমুনার মিলিত স্রোত এখান থেকে পদ্মা নামে চাঁদপুরের দিকে প্রবাহিত হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চাঁদপুর ⇒ পদ্মা-মেঘনার মিলন।
❖ ভৈরব বাজার ⇒ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার মিলন।
❖ নারায়ণগঞ্জ ⇒ শীতলক্ষ্যা-ধলেশ্বরী অববাহিকার গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর।
05
🎯 Level 1

৫৪. পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদী কোথায় একত্রে মিলিত হয়? / বাংলাদেশের তিন নদীর মোহনা কোন জেলায় অবস্থিত? (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নাজির: ২৩ / বিআইডব্লিউটিএ’র শুল্ক আদায়কারী: ২৫)

ক

বরিশাল

খ

চাঁদপুর

গ

শরীয়তপুর

ঘ

পটুয়াখালী

✅ সঠিক উত্তর:খ. চাঁদপুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. চাঁদপুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ চাঁদপুর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী-সঙ্গমস্থল। গোয়ালন্দে গঙ্গা ও যমুনার সম্মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে চাঁদপুরের দিকে আসে এবং চাঁদপুরে মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়। এরপর সম্মিলিত প্রবাহ নিম্ন মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। বাংলাপিডিয়ার Ganges-Padma River System-এও পদ্মা চাঁদপুরে মেঘনার সঙ্গে মিলিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ ডাকাতিয়া কুমিল্লা-চাঁদপুর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এ কারণে সাধারণ জ্ঞান ও পরীক্ষাভিত্তিক ভূগোলে চাঁদপুরকে পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়ার মিলনস্থল হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
❖ চাঁদপুরের নদীসংযোগের কারণে এটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর, মৎস্যকেন্দ্র ও নৌযোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।
✦ বরাক–সুরমা–কুশিয়ারা সম্পর্ক:
❖ বইয়ে জকিগঞ্জে বরাক, সুরমা ও কুশিয়ারার “মোহনা” বলা হয়েছে। জকিগঞ্জ উপজেলার সরকারি তথ্যেও অমলসীদকে সুরমা-কুশিয়ারা-বরাকের ত্রিনদীর সঙ্গমস্থল বলা হয়েছে।
❖ তবে নদীবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আরও নির্ভুলভাবে বলা যায়—বরাক নদী অমলসীদ অঞ্চলে এসে দুই ধারায় বিভক্ত হয়; উত্তর-পশ্চিমের ধারা সুরমা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমের ধারা কুশিয়ারা। অর্থাৎ এটি কেবল তিনটি স্বাধীন নদীর এসে মিলন নয়; বরং বরাকের বিভাজনস্থলও। বাংলাপিডিয়ার কুশিয়ারা নিবন্ধেও অমলসীদে বরাকের দুই ধারায় বিভক্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বরিশাল ⇒ কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত; পদ্মা-মেঘনার প্রধান সঙ্গমস্থল নয়।
❖ শরীয়তপুর ⇒ পদ্মা ও মেঘনা নদী জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও উল্লিখিত তিন নদীর বিখ্যাত মোহনা এখানে নয়।
❖ পটুয়াখালী ⇒ দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলা; পায়রা, লোহালিয়া প্রভৃতি নদীর জন্য পরিচিত।
Advertisement
06
🎯 Level 1

০১. ঢাকা কোন নদীর তীরে অবস্থিত? (খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক: ০৯ / পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ক্যাশ সহকারী: ১৪ / বাংলা একাডেমির এমএলএসএস: ২৩)

ক

ইছামতী

খ

বুড়িগঙ্গা

গ

শীতলক্ষ্যা

ঘ

ব্রহ্মপুত্র

✅ সঠিক উত্তর:খ. বুড়িগঙ্গা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. বুড়িগঙ্গা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর বা বাম তীরে বিকশিত হয়েছে। বাংলাপিডিয়ায় বুড়িগঙ্গাকে ঢাকা শহরের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ বাংলাপিডিয়ার ঢাকা নিবন্ধে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, প্রাক্-মুগল ঢাকা বুড়িগঙ্গার বাম তীরে (উত্তর তীরে) গড়ে উঠেছিল।
❖ বুড়িগঙ্গার সঙ্গে ঢাকার ইতিহাস ও অর্থনীতি গভীরভাবে সম্পর্কিত। মুঘল যুগে নদীপথ ছিল ঢাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের অন্যতম ভিত্তি।
❖ পুরান ঢাকার সদরঘাট, আহসান মঞ্জিল, বাকল্যান্ড বাঁধ, বড় কাটরা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
❖ বর্তমানে বুড়িগঙ্গার প্রধান জলপ্রবাহে তুরাগ নদীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে; কামরাঙ্গীরচরের কাছে তুরাগ বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ইছামতী ⇒ বাংলাদেশে একাধিক ইছামতী নদী রয়েছে; ঢাকা শহরের পরিচিত তীরবর্তী নদী নয়।
❖ শীতলক্ষ্যা ⇒ নারায়ণগঞ্জ শহরের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
❖ ব্রহ্মপুত্র ⇒ ময়মনসিংহ শহরের সঙ্গে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
07
🎯 Level 1

০৪. কুমিল্লা জেলা কোন নদীর তীরে অবস্থিত? / কোন নদীকে কুমিল্লার দুঃখ বলা হয়? (সিজিডিএফ কার্যালয়ের জুনিয়র অডিটর: ১৪)

ক

পশুর

খ

মাতামুহুরী

গ

গোমতী

ঘ

সুরমা

✅ সঠিক উত্তর:গ. গোমতী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: গ. গোমতী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গোমতী নদী কুমিল্লা অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী। অতীতে ঘন ঘন বন্যা ও প্লাবনের কারণে একে “কুমিল্লার দুঃখ” (Sorrow of Comilla) বলা হতো। বাংলাপিডিয়ায় এই উপাধিটি সরাসরি উল্লেখ রয়েছে।
❖ নদীটি ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং কুমিল্লার বিভিন্ন অঞ্চল অতিক্রম করে বৃহত্তর মেঘনা নদীব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে।
❖ কুমিল্লা, ময়নামতি, বুড়িচং, মুরাদনগর ও দাউদকান্দি গোমতী নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য স্থান।
❖ বন্যা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড গোমতীর দুই তীরে বাঁধ, লুপ-কাটসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পশুর ⇒ খুলনা-বাগেরহাট-সুন্দরবন অঞ্চলের নদী।
❖ মাতামুহুরী ⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী।
❖ সুরমা ⇒ সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান নদী।
08
🎯 Level 1

০৭. পিয়াইন নদী কোন জেলায় অবস্থিত? (ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রবেশনারী অফিসার: ১৪)

ক

রংপুর

খ

সিলেট

গ

কক্সবাজার

ঘ

বরিশাল

✅ সঠিক উত্তর:খ. সিলেট

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. সিলেট
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পিয়াইন নদী সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি নদী। বাংলাপিডিয়ার সিলেট জেলার প্রধান নদীর তালিকাতেও পিয়াইনের নাম রয়েছে।
❖ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী উজানে উমগট (Umgot) নামে পরিচিত প্রবাহ বাংলাদেশে প্রবেশের পর প্রধান শাখাটি পিয়াইন নামে প্রবাহিত হয়। পিয়াইন পরে সুরমা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়।
❖ জাফলং-পিয়াইন অঞ্চল পাহাড়ি পাথর, নুড়ি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।
❖ পাহাড়ি নদী হওয়ায় বর্ষাকালে এতে দ্রুত পাহাড়ি ঢল সৃষ্টি হতে পারে এবং উজান থেকে প্রচুর পাথর ও পলি নেমে আসে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ রংপুর ⇒ তিস্তা, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী ইত্যাদি নদীর জন্য পরিচিত।
❖ কক্সবাজার ⇒ মাতামুহুরী, বাঁকখালী, নাফ ইত্যাদি নদী গুরুত্বপূর্ণ।
❖ বরিশাল ⇒ কীর্তনখোলা, আড়িয়াল খাঁ, তেঁতুলিয়া প্রভৃতি নদীর অঞ্চল।
Advertisement
09
🎯 Level 1

১০. মাদারীপুর শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত? (অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ০৪)

ক

মধুমতি

খ

আড়িয়াল খাঁ

গ

পদ্মা

ঘ

কুমার

✅ সঠিক উত্তর:খ. আড়িয়াল খাঁ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. আড়িয়াল খাঁ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মাদারীপুর শহর আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
❖ আড়িয়াল খাঁ পদ্মা নদীর একটি শাখা নদী এবং মধ্য-দক্ষিণ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী।
❖ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী সুফি সাধক বদরুদ্দিন শাহ মাদার আড়িয়াল খাঁর দক্ষিণ তীরে একটি আস্তানা স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেখানে বাজার ও বসতি গড়ে ওঠে এবং তাঁর নাম থেকেই মাদারীপুর নামটির উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মধুমতি ⇒ গোপালগঞ্জ, নড়াইল ও বাগেরহাট অঞ্চলের প্রধান নদী।
❖ পদ্মা ⇒ মাদারীপুর জেলার উত্তরাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু শহরের সরাসরি তীরবর্তী নদী নয়।
❖ কুমার ⇒ মাদারীপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও শহরটির পরিচিত তীরবর্তী নদী আড়িয়াল খাঁ।
10
🎯 Level 1

১৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোন নদী অবস্থিত? (নিবন্ধন অধিদপ্তরের সাব-রেজিস্ট্রার: ১৬)

ক

গোমতী

খ

তিতাস

গ

যমুনা

ঘ

পদ্মা

✅ সঠিক উত্তর:খ. তিতাস

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. তিতাস
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ তিতাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম প্রধান নদী। বাংলাপিডিয়ার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নিবন্ধে প্রধান নদী হিসেবে মেঘনা, তিতাস, বুড়ি ও কুলকুলিয়া উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ তিতাস ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে আখাউড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং আশুগঞ্জের দক্ষিণে মেঘনায় পতিত হয়।
❖ বাংলা সাহিত্যে তিতাস নদী বিশেষভাবে বিখ্যাত অদ্বৈত মল্লবর্মণের “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের কারণে। উপন্যাসটিতে নদী ও মালো সম্প্রদায়ের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ গোমতী ⇒ কুমিল্লার সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
❖ যমুনা ⇒ বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বৃহৎ নদী।
❖ পদ্মা ⇒ দেশের মধ্য-পশ্চিম ও দক্ষিণ-মধ্য অঞ্চলের প্রধান নদী।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন