🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাংলাদেশের দ্বীপ, চর, বিল, হাওর, ঝর্ণা ও জলপ্রপাত

◉ ভূগোল›বাংলাদেশের দ্বীপ, চর, বিল, হাওর, ঝর্ণা ও জলপ্রপাত

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚82মোট প্রশ্ন
🎯5মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? (বিএমইটি’র অফিস সহায়ক: ২৩)

ক

নীল ব-দ্বীপ

খ

সিন্ধু ব-দ্বীপ

গ

গ্রীন ব-দ্বীপ

ঘ

গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ

◈ সঠিক উত্তর: ঘ. গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

❖ আরও নির্ভুল আধুনিক নাম হলো গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনা বদ্বীপ (Ganges-Brahmaputra-Meghna Delta) বা বঙ্গীয় বদ্বীপ (Bengal Delta)।

❖ বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র—এই দুই বৃহৎ হিমালয়ী নদী মেঘনার সহযোগে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপ সৃষ্টি করেছে। একে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ বা বঙ্গীয় বদ্বীপ বলা হয়।

❖ বাংলাদেশ মূলত এই বিশাল বদ্বীপের ওপর গড়ে উঠেছে। UNESCO-ও সুন্দরবনকে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলি দ্বারা গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপের অংশ হিসেবে বর্ণনা করে।

✦ বদ্বীপের সংজ্ঞা:

নদী মোহনায় নদীর বহন করা পলি, বালি ও কাদা জমে যে সাধারণত ত্রিকোণাকার বা শাখাবিভক্ত ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় তাকে বদ্বীপ বা Delta বলে।

◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:

❖ নীল বদ্বীপ ⇒ নীল নদ মিশরে বিখ্যাত বদ্বীপ সৃষ্টি করেছে; বিশ্বের বৃহত্তম নয়।

❖ সিন্ধু বদ্বীপ ⇒ পাকিস্তানের দক্ষিণে আরব সাগরের কাছে অবস্থিত।

❖ গ্রীন বদ্বীপ ⇒ বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপের মানক ভৌগোলিক নাম নয়।

❖ গাঙ্গেয় বদ্বীপ ⇒ পরীক্ষামুখী উত্তর; পূর্ণাঙ্গভাবে GBM/Bengal Delta বলা উত্তম।"
02
🎯 Level 1

০৫. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ব-দ্বীপ অবস্থিত? (বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর: ২০)

ক

উত্তর-পূর্ব

খ

উত্তর-পশ্চিম

গ

দক্ষিণ-পূর্ব

ঘ

দক্ষিণ-পশ্চিম

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. দক্ষিণ-পশ্চিম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. দক্ষিণ-পশ্চিম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলাদেশের গাঙ্গেয় বদ্বীপের পুরোনো ও নিষ্ক্রিয় অংশ প্রধানত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত।
Banglapedia অনুযায়ী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে গঙ্গার দক্ষিণাংশে মৃতপ্রায় বা Moribund Delta অবস্থান করছে। যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ বিস্তৃত অঞ্চল এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ সুন্দরবনও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম বদ্বীপীয় উপকূল অঞ্চলে অবস্থিত।
✦ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-সংশোধনী:
“বাংলাদেশের বদ্বীপ শুধু দক্ষিণ-পশ্চিমে”—এভাবে বলা ঠিক নয়।
বাংলাদেশের বৃহত্তর Bengal/GBM Delta দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-মধ্য ও পূর্বের মেঘনা মোহনা পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাপিডিয়া পশ্চিমের অংশকে inactive delta এবং পূর্বের মেঘনা বদ্বীপীয় সমভূমিকে active delta হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
অতএব প্রশ্নটি মূলত গাঙ্গেয়/পুরোনো বদ্বীপ অঞ্চল বোঝালে ঘ. দক্ষিণ-পশ্চিম যথার্থ।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ উত্তর-পূর্ব ⇒ সিলেট অববাহিকা ও হাওর অঞ্চল প্রধান।
❖ উত্তর-পশ্চিম ⇒ বরেন্দ্রভূমি ও তিস্তা প্লাবনভূমি গুরুত্বপূর্ণ।
❖ দক্ষিণ-পূর্ব ⇒ চট্টগ্রাম-পার্বত্য অঞ্চল ও উপকূলীয় সমভূমি; প্রধান গাঙ্গেয় বদ্বীপ নয়।
❖ দক্ষিণ-পশ্চিম ⇒ গাঙ্গেয় পুরোনো/নিষ্ক্রিয় বদ্বীপ অঞ্চলের প্রধান অবস্থান।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৯. পর্যটন শিল্পের প্রচারার্থে ভোলা জেলার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য কোন নামটি চূড়ান্ত করা হয়েছে? (যবিপ্রবি: ১৫–১৬)

ক

দ্বীপের স্বর্গ

খ

দ্বীপের রানী

গ

দধি ভূমি

ঘ

দ্বীপ ভূমি

✅ সঠিক উত্তর:খ. দ্বীপের রানী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: দ্বীপের রানী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পর্যটন শিল্পের প্রচার ও বিপণনের উদ্দেশ্যে ভোলা জেলার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য “Queen Island of Bangladesh”, বাংলায় “বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী” নামটি চূড়ান্ত করা হয়।
❖ নাম নির্বাচনের সময় দধির ভূমি, ইলিশ রাজ্য, ইলিশ ভূমি, সুপারি ভূমি, নারকেল ভূমি, পাখির দ্বীপ, স্বর্গের দ্বীপ ইত্যাদি বিভিন্ন প্রস্তাব এসেছিল। শেষ পর্যন্ত ভোলার দ্বীপ-পরিচিতিকে কেন্দ্র করে “কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ” গৃহীত হয়।
❖ এই নামকরণের পেছনে ভোলার কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে—
➤ দেশের বৃহত্তম দ্বীপ।
➤ বৃহৎ মেঘনা মোহনায় অবস্থান।
➤ মনপুরা, চর কুকরি-মুকরি, ঢালচরসহ বহু আকর্ষণীয় চর ও দ্বীপাঞ্চল।
➤ ইলিশ, মহিষের দধি ও উপকূলীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ দ্বীপের স্বর্গ ⇒ প্রস্তাবিত ধরনের পর্যটন-নাম হলেও চূড়ান্ত জেলা-ব্র্যান্ডিং নয়।
❖ দধি ভূমি ⇒ ভোলার মহিষের দধি বিখ্যাত; কিন্তু এটি চূড়ান্ত ব্র্যান্ডিং নাম হয়নি।
❖ দ্বীপ ভূমি ⇒ ভোলার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানানসই হলেও সরকারি ব্র্যান্ডিংয়ের নির্বাচিত নাম নয়।
04
🎯 Level 1

১৪. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে কোনটি অবস্থিত? / বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ কোনটি? / বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি? (সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী: ১৬ / বিআইডব্লিউটিএ’র টেকনিক্যাল অ্যাটেনডেন্ট: ২৩ / পিএসসির কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: ২৪)

ক

চর কুকরি মুকরি

খ

নিঝুম দ্বীপ

গ

চর নিজাম

ঘ

সেন্টমার্টিন

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সেন্টমার্টিন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সেন্টমার্টিন।
◈ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু: ছেঁড়া দ্বীপ (ছেঁড়াদিয়া)।
◈ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন: সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা: সেন্টমার্টিন (Saint Martin's Island) বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ সামুদ্রিক দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এটি নাফ নদীর মোহনার কাছে, টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের রাখাইন উপকূলের পশ্চিমে অবস্থিত।
দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। নারিকেলগাছের প্রাচুর্য থেকে এই নামের উৎপত্তি। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রবালসমৃদ্ধ উপকূল, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পর্যটনের জন্য দ্বীপটি বিখ্যাত।
বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সরকারি বিবরণে সেন্টমার্টিনকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং একমাত্র প্রবালদ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত ছেঁড়া দ্বীপ বা ছেঁড়াদিয়া বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলভাগ। জোয়ারের সময় এটি মূল সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইটেও ছেঁড়া দ্বীপকে সেন্টমার্টিনের সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রশাসনিকভাবে সেন্টমার্টিন টেকনাফ উপজেলার ৬ নম্বর ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন হিসেবেও পরিচিত।
সুতরাং, প্রদত্ত তিন ধরনের প্রশ্নের প্রত্যাশিত উত্তর ঘ. সেন্টমার্টিন। তবে সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড বা স্থলবিন্দু জানতে চাইলে উত্তর হবে ছেঁড়া দ্বীপ।
✦ সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান
8
সেন্টমার্টিনের প্রবালসমৃদ্ধ উপকূল এবং এর দক্ষিণাংশে অবস্থিত ছেঁড়া দ্বীপ।
✦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান
❖ প্রথম পর্যায়—প্রশাসনিক অবস্থান:
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত। প্রশাসনিকভাবে এটি ৬ নম্বর সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন।
❖ দ্বিতীয় পর্যায়—ভৌগোলিক অবস্থান:
দ্বীপটি টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সামুদ্রিক দ্বীপ।
❖ তৃতীয় পর্যায়—মিয়ানমারের সঙ্গে অবস্থানগত সম্পর্ক:
সেন্টমার্টিনের পূর্বদিকে মিয়ানমারের রাখাইন উপকূল অবস্থিত। নাফ নদীর মোহনার কাছাকাছি হওয়ায় বাংলাদেশ–মিয়ানমার উপকূলীয় ভূগোলেও দ্বীপটির গুরুত্ব রয়েছে।
❖ চতুর্থ পর্যায়—ছেঁড়া দ্বীপ:
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে ছেঁড়া দ্বীপ অবস্থিত। জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি বেড়ে গেলে এটি মূল দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ পঞ্চম পর্যায়—বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড:
ছেঁড়া দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত বাংলাদেশের স্থলভাগের সর্বদক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত। তাই সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের মধ্যে পার্থক্য জানা গুরুত্বপূর্ণ।
✦ সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের অবস্থানগত সম্পর্ক
কক্সবাজার জেলা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
টেকনাফ উপজেলা
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা
শাহপরীর দ্বীপ
মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্ত
সেন্টমার্টিন দ্বীপ
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রধান দ্বীপ
ছেঁড়া দ্বীপ
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু
এটি উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে প্রধান স্থানগুলোর সরলীকৃত অবস্থানচিত্র, দূরত্বনির্ভর মানচিত্র নয়।
✦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি
সেন্টমার্টিনের আয়তনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য পাওয়া যায়। স্থায়ী ভূমি, জোয়ার-ভাটায় উন্মুক্ত হওয়া অঞ্চল এবং প্রশাসনিক সীমানা আলাদাভাবে বিবেচিত হতে পারে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্যে ১৯৮৩ সালে দ্বীপটিকে ইউনিয়ন হিসেবে উন্নীত করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
✦ ছেঁড়া দ্বীপ কেন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান?
academia.edu
ছেঁড়া দ্বীপ (Chhera Dwip) বা ছেঁড়াদিয়া সেন্টমার্টিনের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি বিচ্ছিন্ন প্রবালসমৃদ্ধ ভূখণ্ড।
❖ এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের সম্প্রসারিত অংশ।
❖ জোয়ারের সময় সংযোগস্থল পানিতে তলিয়ে গেলে এটি মূল দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ ভাটার সময় পানির উচ্চতা কম থাকলে সংযোগস্থলের কিছু অংশ উন্মুক্ত হতে পারে।
❖ এখানে প্রবাল, প্রাকৃতিক শিলা, সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্য রয়েছে।
❖ বাংলাদেশের মানচিত্রে ছেঁড়া দ্বীপকে সর্বদক্ষিণের স্থলভাগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইটে ছেঁড়া দ্বীপকে সেন্টমার্টিনের অংশ এবং জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হওয়া দ্বীপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
✦ সর্বদক্ষিণের দ্বীপ, ভূখণ্ড ও ইউনিয়নের পার্থক্য
টেকনাফ উপজেলার সরকারি পরিচিতিতে শাহপরীর দ্বীপকে মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্ত এবং সেন্টমার্টিনকে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
✦ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন পরিষদ
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ৬ নম্বর ইউনিয়ন।
টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের সরকারি ইউনিয়ন তালিকায় ছয়টি ইউনিয়নের নাম রয়েছে—
1. হোয়াইক্যং
2. হ্নীলা
3. টেকনাফ সদর
4. সাবরাং
5. বাহারছড়া
6. সেন্টমার্টিন
এই ইউনিয়নগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত।
বিশেষ সতর্কতা: সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন এবং ছেঁড়া দ্বীপ আলাদা প্রশাসনিক ইউনিয়ন নয়। ছেঁড়া দ্বীপ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের অন্তর্গত ভূখণ্ড।
✦ চারটি দ্বীপের তুলনামূলক পরিচিতি
ভোলা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী চর কুকরি মুকরি ও চর নিজাম ভোলার দক্ষিণাঞ্চলের চরগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. চর কুকরি মুকরি ⇒ ভুল। চর কুকরি মুকরি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ ও ইউনিয়ন। এটি মেঘনা–তেঁতুলিয়া নদীব্যবস্থার মোহনা অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার ম্যানগ্রোভ বন, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য চরটি পরিচিত। তবে এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়।
❖ খ. নিঝুম দ্বীপ ⇒ ভুল। নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এই দ্বীপটি হরিণ, ম্যানগ্রোভ বন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। পূর্বে এটি চর ওসমানী নামেও পরিচিত ছিল। তবে নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়।
❖ গ. চর নিজাম ⇒ ভুল। চর নিজাম ভোলা জেলার দক্ষিণাঞ্চলের একটি উপকূলীয় চর। ভোলা জেলা প্রশাসনের ভৌগোলিক বিবরণে চর কুকরি মুকরি, ঢালচর ও চর নিজামের উল্লেখ রয়েছে। ২০১৯ সালের সরকারি গেজেটে চর নিজামের প্রশাসনিক সীমানা পুনর্বিন্যাসের তথ্যও পাওয়া যায়। তবে চর নিজাম বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড নয়।
❖ ঘ. সেন্টমার্টিন ⇒ সঠিক। সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত এবং দেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন হিসেবেও পরিচিত। দ্বীপটির দক্ষিণ প্রান্তের ছেঁড়া দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর সেন্টমার্টিন।
✦ সেন্টমার্টিনের পরিবেশগত গুরুত্ব
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
❖ প্রবাল: দ্বীপটির উপকূলীয় সমুদ্রের অগভীর অংশে প্রবাল ও প্রবালসংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রয়েছে।
❖ সামুদ্রিক কচ্ছপ: সেন্টমার্টিনের সৈকত ও আশপাশের পরিবেশ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
❖ মৎস্যসম্পদ: দ্বীপের আশপাশের সামুদ্রিক পরিবেশ স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ সামুদ্রিক উদ্ভিদ: দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক শৈবালসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
❖ পরিবেশগত ঝুঁকি: প্লাস্টিক দূষণ, অপরিকল্পিত পর্যটন, প্রবালের ক্ষতি এবং সামুদ্রিক সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহারে দ্বীপটির পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ও সরকারি পর্যটন তথ্যব্যবস্থায় দ্বীপটির প্রবালসমৃদ্ধ পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রধান দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান—ছেঁড়া দ্বীপ।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু—ছেঁড়াদিয়া।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা—টেকনাফ।
❖ বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত—শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন টেকনাফ উপদ্বীপ।
❖ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় নাম—নারিকেল জিঞ্জিরা।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইংরেজি নাম—Saint Martin's Island।
❖ সেন্টমার্টিন যে জেলায় অবস্থিত—কক্সবাজার।
❖ সেন্টমার্টিন যে উপজেলার অন্তর্গত—টেকনাফ।
❖ সেন্টমার্টিন যে বিভাগের অন্তর্গত—চট্টগ্রাম।
❖ সেন্টমার্টিনের ইউনিয়ন নম্বর—৬।
❖ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে উন্নীত হয়—১৯৮৩ সালে।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রচলিত আয়তন—প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার।
❖ সেন্টমার্টিন যে সাগরে অবস্থিত—বঙ্গোপসাগর।
❖ সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরের যে অংশে অবস্থিত—উত্তর-পূর্বাংশ।
❖ সেন্টমার্টিনের পূর্বদিকে অবস্থিত দেশ—মিয়ানমার।
❖ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে অবস্থিত ভূখণ্ড—ছেঁড়া দ্বীপ।
❖ ছেঁড়া দ্বীপের অপর নাম—ছেঁড়াদিয়া বা সিরাদিয়া।
❖ ছেঁড়া দ্বীপ যে দ্বীপের অংশ—সেন্টমার্টিন।
❖ ছেঁড়া দ্বীপ জোয়ারের সময় মূল দ্বীপ থেকে—বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ ছেঁড়া দ্বীপের ইংরেজি নাম—Chhera Dwip।
❖ নাফ নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী—নাফ।
❖ শাহপরীর দ্বীপ যে উপজেলায় অবস্থিত—টেকনাফ।
❖ শাহপরীর দ্বীপ যে ইউনিয়নের অন্তর্গত—সাবরাং।
❖ বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ—ভোলা।
❖ বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা—ভোলা।
❖ চর কুকরি মুকরি যে জেলায় অবস্থিত—ভোলা।
❖ চর কুকরি মুকরি যে উপজেলার অন্তর্গত—চরফ্যাশন।
❖ চর কুকরি মুকরির গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ—ম্যানগ্রোভ বন।
❖ নিঝুম দ্বীপ যে জেলায় অবস্থিত—নোয়াখালী।
❖ নিঝুম দ্বীপ যে উপজেলার অন্তর্গত—হাতিয়া।
❖ নিঝুম দ্বীপের পূর্ববর্তী পরিচিত নাম—চর ওসমানী।
❖ নিঝুম দ্বীপের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী—চিত্রা হরিণ।
❖ চর নিজাম যে জেলার উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত—ভোলা।
❖ বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত মহাসাগরীয় জলভাগ—বঙ্গোপসাগর।
❖ বাংলাদেশের সর্বউত্তরের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তস্থান—বাংলাবান্ধা, পঞ্চগড়।
❖ বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের সীমান্ত ইউনিয়ন—মনাকষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
❖ বাংলাদেশের সর্বপূর্বের ভূখণ্ডের পরিচিতি—আখাইনঠং, বান্দরবান।
05
🎯 Level 1

২৩. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ কোনটি? (২৬তম বিসিএস / রেশম উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পদ: ১৯ / পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডেসপাস রাইডার: ২২ / বিআরটিসি’র কাউন্টারম্যান: ২২ / মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক: ২৩ / পার্বত্য জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য সহকারী: ২৩ / মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার অপারেটর: ২৩ / ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন / বেবিচকের সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী: ২৪ / ভূমি রেকর্ড অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক: ২৪ / দুর্যোগ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২৫ / ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২৫ / সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সহকারী: ২৫ / নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা প্রহরী: ২৫ / অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক: ২৫)

ক

সেন্টমার্টিন

খ

মহেশখালী

গ

ছেড়া দ্বীপ

ঘ

নিঝুম দ্বীপ

✅ সঠিক উত্তর:খ. মহেশখালী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: মহেশখালী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের Beautiful Bangladesh ওয়েবসাইটেও এটিকে সরাসরি “the only hilly island in Bangladesh” বলা হয়েছে।
❖ মহেশখালী কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। দ্বীপটির পূর্ব অংশ দিয়ে উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব অভিমুখে পাহাড়শ্রেণি বিস্তৃত।
❖ বাংলাপিডিয়ার Geological Structure নিবন্ধ অনুযায়ী মহেশখালী পাহাড়শ্রেণির সর্বোচ্চ উচ্চতা প্রায় ৮৬.২৬ মিটার এবং এটি Bengal Foredeep-এর folded flank-এর পশ্চিমাংশের একটি asymmetrical anticline।
❖ দ্বীপটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য—
➤ বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির এখানে অবস্থিত।
➤ পান, লবণ ও শুঁটকি উৎপাদনে পরিচিত।
➤ পাহাড় ও ম্যানগ্রোভ—দুই ধরনের ভূপ্রকৃতি একই দ্বীপে দেখা যায়।
➤ আধুনিক জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষেত্রেও মহেশখালী গুরুত্বপূর্ণ।
❖ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি নথিতেও মহেশখালীকে বাংলাদেশের একমাত্র hilly island বলা হয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সেন্টমার্টিন ⇒ প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ; পাহাড়ি দ্বীপ নয় এবং প্রায় সমতল।
❖ ছেড়া দ্বীপ ⇒ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের ক্ষুদ্র প্রবাল-শিলাময় ভূভাগ।
❖ নিঝুম দ্বীপ ⇒ মেঘনা মোহনার পললজাত নিচু দ্বীপ; ম্যানগ্রোভ বন ও চিত্রা হরিণের জন্য বিখ্যাত।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২৮. সোনাদিয়া দ্বীপ কোথায়? (ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক: ০৬)

ক

লক্ষ্মীপুর

খ

কক্সবাজার

গ

নোয়াখালী

ঘ

চট্টগ্রাম

✅ সঠিক উত্তর:খ. কক্সবাজার

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. কক্সবাজার
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সোনাদিয়া দ্বীপ কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। কক্সবাজার শহর থেকে এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এবং মহেশখালীর খুব কাছাকাছি।
❖ সোনাদিয়া ও মহেশখালী এলাকার মাঝখানে জলপথ/খাল রয়েছে। জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক কচ্ছপ, পরিযায়ী পাখি, লাল কাঁকড়া ও শুঁটকি উৎপাদনের জন্য দ্বীপটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ লক্ষ্মীপুর ⇒ মেঘনার নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত জেলা; সোনাদিয়া নয়।
❖ নোয়াখালী ⇒ নিঝুম দ্বীপ ও হাতিয়া এ জেলার অন্তর্গত।
❖ চট্টগ্রাম ⇒ সন্দ্বীপসহ বহু উপকূলীয় দ্বীপ/চর থাকলেও সোনাদিয়া প্রশাসনিকভাবে কক্সবাজারে।
07
🎯 Level 1

৩৩. নিঝুম দ্বীপের পূর্বনাম কী? (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিপাই: ২২ / বিএসসি’র অফিসার (ক্যাশ): ২৩)

ক

চর ওসমান

খ

চর কদম

গ

ভাসান চর

ঘ

সী আইল্যান্ড

✅ সঠিক উত্তর:ক. চর ওসমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ক. চর ওসমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ নিঝুম দ্বীপের পরিচিত পূর্বনামগুলোর একটি এবং পরীক্ষায় সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত নাম চর ওসমান/চর ওসমানী। সরকারি নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন ওয়েবসাইটেও “Char Osmani” নামটি উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ ছবির বইয়ের ব্যাখ্যায়ও বলা হয়েছে—নিঝুম দ্বীপ চর ওসমান, ইছামতির চর, বাউলার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড ইত্যাদি নামে পরিচিত ছিল।
✦ ৩০ ও ৩৩ নম্বরের মধ্যে আপাত পার্থক্যের ব্যাখ্যা:
৩০ নম্বরে “অন্য নাম” জিজ্ঞাসা করায় একাধিক নামই গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু ৩৩ নম্বরে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র স্বীকৃত পুরোনো নাম চর ওসমান, তাই উত্তর ক।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চর কদম ⇒ নিঝুম দ্বীপের স্বীকৃত পূর্বনাম নয়।
❖ ভাসান চর ⇒ সম্পূর্ণ আলাদা একটি দ্বীপ।
❖ সী আইল্যান্ড ⇒ নিঝুম দ্বীপের ঐতিহাসিক নাম নয়।
08
🎯 Level 1

৪১. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? / পূর্বাশা বা নিউমুর দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? (অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১৫)

ক

হাতিয়ায়

খ

সাতক্ষীরায়

গ

কক্সবাজারে

ঘ

সন্দ্বীপে

✅ সঠিক উত্তর:খ. সাতক্ষীরায়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: খ. সাতক্ষীরায় —
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ Banglapedia দক্ষিণ তালপট্টিকে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণের উপকূলসংলগ্ন হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা এলাকায় অবস্থানকারী দ্বীপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
❖ তবে এটি জেলা ভূখণ্ডের স্থায়ী বসতিপূর্ণ দ্বীপ ছিল না; বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন একটি offshore চর ছিল।
✦ বর্তমান অবস্থা:
❖ ২০১০ সালের মধ্যে দ্বীপটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে বলে স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণে নিশ্চিত করা হয়। তাই “সাতক্ষীরায় অবস্থিত” কথাটি মূলত এর ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হাতিয়া ⇒ নিঝুম দ্বীপের অঞ্চল।
❖ কক্সবাজার ⇒ মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া ইত্যাদি দ্বীপের জেলা।
❖ সন্দ্বীপ ⇒ চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা।
চর
Advertisement
09
🎯 Level 1

৪৩. নির্মল চর কোথায় অবস্থিত? (উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা: ০৬ / স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী: ১৭)

ক

ফেনী

খ

ভোলা

গ

রাজশাহী

ঘ

হাতিয়া

✅ সঠিক উত্তর:গ. রাজশাহী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: গ. রাজশাহী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রচলিত পরীক্ষামুখী তথ্য অনুযায়ী নির্মল চর রাজশাহী অঞ্চলে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তসংলগ্ন পদ্মার চর এলাকায় অবস্থিত।
❖ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রাজশাহী জেলার Community Report-এ “Dakshin Nirmal Char” নামের বসতির উল্লেখ পাওয়া যায়, যা রাজশাহী জেলায় নির্মল চর নামটির সরকারি নথিভুক্ত উপস্থিতিকে সমর্থন করে।
✦ তথ্য-সতর্কতা:
❖ বিভিন্ন অনলাইন প্রশ্নব্যাংকে নির্মল চর সম্পর্কে অতিরিক্ত দৈর্ঘ্য-প্রস্থ বা উপজেলা-সংক্রান্ত পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া যায়। নির্ভরযোগ্য সরকারি উৎসে সব অতিরিক্ত তথ্য একভাবে পাওয়া যায় না। তাই পরীক্ষার জন্য জেলা = রাজশাহী তথ্যটিই নিরাপদ।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ফেনী ⇒ মুহুরীর চর গুরুত্বপূর্ণ।
❖ ভোলা ⇒ অসংখ্য উপকূলীয় চর রয়েছে।
❖ হাতিয়া ⇒ নিঝুম দ্বীপ ও বহু নবগঠিত চর রয়েছে।
10
🎯 Level 1

৪৭. ভাসান চর দ্বীপ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? / ভাসানচর কোন জেলায় অবস্থিত? (বাংলাদেশ বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক: ২০ / টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর: ২১ / বন অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২৩ / রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রটোকল অফিসার: ২৪ / সাইবার ট্রাইব্যুনালের তারিখকারক: ২৪ / চবি: ২৪–২৫ / বন অধিদপ্তরের বন প্রহরী: ২৫ / যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রদর্শক: ২৫)

ক

নোয়াখালী

খ

কুমিল্লা

গ

ফেনী

ঘ

চাঁদপুর

✅ সঠিক উত্তর:ক. নোয়াখালী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা: ভাসানচর (Bhasan Char) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মেঘনা নদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে জেগে ওঠা একটি পললদ্বীপ। দ্বীপটি আগে ঠেঙ্গারচর বা ঠ্যাঙ্গারচর নামেও পরিচিত ছিল।
২০২০ থেকে ২০২৫ সালের বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় ভাসানচরের জেলা হিসেবে নোয়াখালী সঠিক উত্তর ছিল।
২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী: চট্টগ্রাম জেলা, সন্দ্বীপ উপজেলা।
১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সালের সংবাদ অনুযায়ী, ভূমি মন্ত্রণালয় ভাসানচরের ছয়টি মৌজাকে নোয়াখালীর হাতিয়ার পরিবর্তে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৩ জানুয়ারি জারি করা মন্ত্রণালয়ের চিঠির ভিত্তিতে ১৫ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরোনো পরীক্ষার উত্তর নোয়াখালী, কিন্তু ২০২৬ সালের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভাসানচর চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের অন্তর্গত।
✦ ২০২৬ সালের প্রশাসনিক পরিবর্তন ও আদালতের গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী
আরও যাচাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। জানুয়ারি ২০২৬-এর ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে বর্তমানে চূড়ান্তভাবে কার্যকর বলা যথাযথ নয়।
২০ এপ্রিল ২০২৬ সালে হাইকোর্ট ভাসানচরকে সন্দ্বীপে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেন। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট আদেশের কার্যকারিতাও স্থগিত করা হয়।
এমনকি নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের মে ২০২৬-এ হালনাগাদ করা পরিচিতিতেও ভাসানচরকে চরঈশ্বর ইউনিয়নের অংশ হিসেবে পৃথকভাবে দেখানো হয়েছে।
পরীক্ষার জন্য সিদ্ধান্ত: উল্লিখিত ২০২০–২০২৫ সালের পরীক্ষাগুলোর উত্তর নোয়াখালী অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন পরীক্ষায় প্রশ্ন এলে প্রশাসনিক অবস্থার সর্বশেষ সরকারি প্রজ্ঞাপন ও আদালতের আদেশ বিবেচনা করতে হবে।
✦ ভাসানচর দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান
ভাসানচরের আবাসন অবকাঠামো ও পরিকল্পিত গুচ্ছগ্রামের আকাশ থেকে তোলা দৃশ্য।
❖ প্রথম বৈশিষ্ট্য—অবস্থান:
ভাসানচর মেঘনা নদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এটি হাতিয়া ও সন্দ্বীপ দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের কাছাকাছি একটি বিচ্ছিন্ন পললদ্বীপ।
❖ দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য—নোয়াখালীর সঙ্গে সম্পর্ক:
দীর্ঘদিন দ্বীপটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল। রোহিঙ্গা পুনর্বাসন কার্যক্রমও নোয়াখালীর প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে শুরু হয়।
❖ তৃতীয় বৈশিষ্ট্য—সন্দ্বীপের সঙ্গে সম্পর্ক:
ভাসানচর চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। সন্দ্বীপের ন্যায়ামস্তি ইউনিয়নের বিলুপ্ত ভূমির সঙ্গে ভাসানচরের সম্পর্ক রয়েছে—এমন দাবি থেকে প্রশাসনিক সীমানা বিরোধের সৃষ্টি হয়।
❖ চতুর্থ বৈশিষ্ট্য—দূরত্ব:
প্রথম আলোয় ২০২০ সালে প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী ভাসানচর হাতিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং সন্দ্বীপের পশ্চিম প্রান্ত থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
❖ পঞ্চম বৈশিষ্ট্য—দ্বীপের প্রকৃতি:
ভাসানচর নদীবাহিত পলি জমে সৃষ্টি হয়েছে। এটি গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনা নদীব্যবস্থার ব-দ্বীপীয় অঞ্চলে গঠিত একটি অপেক্ষাকৃত নবীন চর।
✦ ভাসানচর দ্বীপের সৃষ্টি ও ইতিহাস
❖ প্রথম পর্যায়—নদীবাহিত পলি সঞ্চয়:
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীব্যবস্থা বিপুল পরিমাণ পলি বঙ্গোপসাগরে বহন করে। নদীমোহনায় এসব পলি জমে নতুন চর ও দ্বীপ সৃষ্টি হয়।
❖ দ্বিতীয় পর্যায়—ভাসানচরের উদ্ভব:
১৯৯০-এর দশকে কিংবা তারও আগে ভাসানচর এলাকায় নতুন ভূমি জেগে উঠতে শুরু করে। প্রাথমিকভাবে দ্বীপটির বিভিন্ন অংশ ঠেঙ্গারচর ও জালিয়ারচর নামে পরিচিত ছিল।
❖ তৃতীয় পর্যায়—বনায়ন কার্যক্রম:
প্রথম আলোর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৮ সাল থেকে নোয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগ ওই এলাকায় বনায়ন কার্যক্রম শুরু করে।
❖ চতুর্থ পর্যায়—ভাসানচর নামকরণ:
রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের পরিকল্পনার সময় ঠেঙ্গারচর ও জালিয়ারচর-সংক্রান্ত নামের পরিবর্তে ভাসানচর নামটি সরকারি ব্যবহারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ পঞ্চম পর্যায়—রোহিঙ্গা পুনর্বাসন:
২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরগুলোর ওপর চাপ কমাতে ভাসানচরে আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।
❖ ষষ্ঠ পর্যায়—প্রথম স্থানান্তর:
৪ ডিসেম্বর ২০২০ সালে কক্সবাজার থেকে প্রথম দফায় ১,৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়।
✦ ভাসানচরের গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি
✦ ভাসানচরের আয়তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ভাসানচরের আয়তন নিয়ে বিভিন্ন প্রকাশনায় পৃথক সংখ্যা পাওয়া যায়।
এই সংখ্যাগুলো বিভিন্ন সময়, জরিপের সীমানা এবং দ্বীপের পৃথক অংশের হিসাবে প্রকাশিত। তাই সবগুলোকে একই পরিমাপের বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
✦ ভাসানচরের রোহিঙ্গা পুনর্বাসন প্রকল্প
ভাসানচরের পরিকল্পিত আবাসন, বহুতল আশ্রয়কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো।
ভাসানচর আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্প বাংলাদেশের একটি বৃহৎ মানবিক আবাসন উদ্যোগ। এটি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
প্রকল্পটির প্রধান বৈশিষ্ট্য—
❖ রোহিঙ্গাদের জন্য পরিকল্পিত আবাসন।
❖ প্রায় এক লাখ মানুষের জন্য অবকাঠামোগত সক্ষমতা।
❖ ১২০টি গুচ্ছগ্রাম।
❖ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র।
❖ উপকূলীয় সুরক্ষাবাঁধ।
❖ চিকিৎসা, পানি, স্যানিটেশন ও শিক্ষা-সংক্রান্ত অবকাঠামো।
❖ অভ্যন্তরীণ সড়ক, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা।
প্রথম আলোর প্রকল্পসংক্রান্ত প্রতিবেদনে প্রায় ৩,০৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
✦ ভাসানচর থানা প্রতিষ্ঠা
১৯ জানুয়ারি ২০২১ সালে ভাসানচর থানা উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান নোয়াখালী জেলার নবগঠিত ভাসানচর থানা উদ্বোধন করেন।
থানা প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বীপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রশাসনিক পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করা।
Bangladesh Police
✦ ভাসানচর, হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও নিঝুম দ্বীপের পার্থক্য
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
❖ ২০২০–২০২৫ সালের প্রশ্নসমাধানে ভাসানচর যে জেলায় অবস্থিত—নোয়াখালী।
❖ ভাসানচর আগে যে উপজেলার অন্তর্গত ছিল—হাতিয়া।
❖ ভাসানচর আগে যে ইউনিয়নের অংশ হিসেবে পরিচিত—চরঈশ্বর।
❖ ভাসানচর যে বিভাগের অঞ্চলে অবস্থিত—চট্টগ্রাম।
❖ ভাসানচর যে নদীর মোহনায় অবস্থিত—মেঘনা।
❖ ভাসানচরের সঙ্গে সংযুক্ত সাগর—বঙ্গোপসাগর।
❖ ভাসানচরের পূর্বের নাম—ঠেঙ্গারচর।
❖ ভাসানচরের সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি চর—জালিয়ারচর।
❖ ভাসানচর যে ধরনের দ্বীপ—পললদ্বীপ।
❖ ভাসানচরের উদ্ভব—মূলত ১৯৯০-এর দশকে।
❖ ভাসানচরে বনায়ন কার্যক্রম শুরু—১৯৯৮ সালের দিকে।
❖ ভাসানচরের গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বাসন প্রকল্প—আশ্রয়ণ-৩।
❖ ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে—বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
❖ ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিকল্পিত ধারণক্ষমতা—প্রায় এক লাখ মানুষ।
❖ ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের গুচ্ছগ্রাম—১২০টি।
❖ প্রথম রোহিঙ্গা স্থানান্তর হয়—৪ ডিসেম্বর ২০২০।
❖ প্রথম দফায় স্থানান্তর করা হয়—১,৬৪২ জনকে।
❖ ভাসানচর থানা উদ্বোধন করা হয়—১৯ জানুয়ারি ২০২১।
❖ হাতিয়া উপজেলা অবস্থিত—নোয়াখালী জেলায়।
❖ সন্দ্বীপ উপজেলা অবস্থিত—চট্টগ্রাম জেলায়।
❖ নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত—নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায়।
❖ ভাসানচর নিয়ে প্রশাসনিক সীমানা বিরোধ—হাতিয়া ও সন্দ্বীপ।
❖ ভাসানচরকে সন্দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত—১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
❖ ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল—২০ এপ্রিল ২০২৬।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন