ব্যাখ্যা:
উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সেন্টমার্টিন।
◈ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু: ছেঁড়া দ্বীপ (ছেঁড়াদিয়া)।
◈ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন: সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা: সেন্টমার্টিন (Saint Martin's Island) বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ সামুদ্রিক দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এটি নাফ নদীর মোহনার কাছে, টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের রাখাইন উপকূলের পশ্চিমে অবস্থিত।
দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। নারিকেলগাছের প্রাচুর্য থেকে এই নামের উৎপত্তি। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রবালসমৃদ্ধ উপকূল, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পর্যটনের জন্য দ্বীপটি বিখ্যাত।
বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সরকারি বিবরণে সেন্টমার্টিনকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং একমাত্র প্রবালদ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত ছেঁড়া দ্বীপ বা ছেঁড়াদিয়া বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলভাগ। জোয়ারের সময় এটি মূল সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইটেও ছেঁড়া দ্বীপকে সেন্টমার্টিনের সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রশাসনিকভাবে সেন্টমার্টিন টেকনাফ উপজেলার ৬ নম্বর ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন হিসেবেও পরিচিত।
সুতরাং, প্রদত্ত তিন ধরনের প্রশ্নের প্রত্যাশিত উত্তর ঘ. সেন্টমার্টিন। তবে সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড বা স্থলবিন্দু জানতে চাইলে উত্তর হবে ছেঁড়া দ্বীপ।
✦ সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান
8
সেন্টমার্টিনের প্রবালসমৃদ্ধ উপকূল এবং এর দক্ষিণাংশে অবস্থিত ছেঁড়া দ্বীপ।
✦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান
❖ প্রথম পর্যায়—প্রশাসনিক অবস্থান:
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত। প্রশাসনিকভাবে এটি ৬ নম্বর সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন।
❖ দ্বিতীয় পর্যায়—ভৌগোলিক অবস্থান:
দ্বীপটি টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সামুদ্রিক দ্বীপ।
❖ তৃতীয় পর্যায়—মিয়ানমারের সঙ্গে অবস্থানগত সম্পর্ক:
সেন্টমার্টিনের পূর্বদিকে মিয়ানমারের রাখাইন উপকূল অবস্থিত। নাফ নদীর মোহনার কাছাকাছি হওয়ায় বাংলাদেশ–মিয়ানমার উপকূলীয় ভূগোলেও দ্বীপটির গুরুত্ব রয়েছে।
❖ চতুর্থ পর্যায়—ছেঁড়া দ্বীপ:
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে ছেঁড়া দ্বীপ অবস্থিত। জোয়ারের সময় সমুদ্রের পানি বেড়ে গেলে এটি মূল দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ পঞ্চম পর্যায়—বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড:
ছেঁড়া দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত বাংলাদেশের স্থলভাগের সর্বদক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত। তাই সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের মধ্যে পার্থক্য জানা গুরুত্বপূর্ণ।
✦ সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়া দ্বীপের অবস্থানগত সম্পর্ক
কক্সবাজার জেলা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
টেকনাফ উপজেলা
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা
শাহপরীর দ্বীপ
মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্ত
সেন্টমার্টিন দ্বীপ
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রধান দ্বীপ
ছেঁড়া দ্বীপ
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু
এটি উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে প্রধান স্থানগুলোর সরলীকৃত অবস্থানচিত্র, দূরত্বনির্ভর মানচিত্র নয়।
✦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি
সেন্টমার্টিনের আয়তনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য পাওয়া যায়। স্থায়ী ভূমি, জোয়ার-ভাটায় উন্মুক্ত হওয়া অঞ্চল এবং প্রশাসনিক সীমানা আলাদাভাবে বিবেচিত হতে পারে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্যে ১৯৮৩ সালে দ্বীপটিকে ইউনিয়ন হিসেবে উন্নীত করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
✦ ছেঁড়া দ্বীপ কেন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান?
academia.edu
ছেঁড়া দ্বীপ (Chhera Dwip) বা ছেঁড়াদিয়া সেন্টমার্টিনের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি বিচ্ছিন্ন প্রবালসমৃদ্ধ ভূখণ্ড।
❖ এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের সম্প্রসারিত অংশ।
❖ জোয়ারের সময় সংযোগস্থল পানিতে তলিয়ে গেলে এটি মূল দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ ভাটার সময় পানির উচ্চতা কম থাকলে সংযোগস্থলের কিছু অংশ উন্মুক্ত হতে পারে।
❖ এখানে প্রবাল, প্রাকৃতিক শিলা, সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্য রয়েছে।
❖ বাংলাদেশের মানচিত্রে ছেঁড়া দ্বীপকে সর্বদক্ষিণের স্থলভাগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইটে ছেঁড়া দ্বীপকে সেন্টমার্টিনের অংশ এবং জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হওয়া দ্বীপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
✦ সর্বদক্ষিণের দ্বীপ, ভূখণ্ড ও ইউনিয়নের পার্থক্য
টেকনাফ উপজেলার সরকারি পরিচিতিতে শাহপরীর দ্বীপকে মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্ত এবং সেন্টমার্টিনকে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
✦ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন পরিষদ
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ৬ নম্বর ইউনিয়ন।
টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের সরকারি ইউনিয়ন তালিকায় ছয়টি ইউনিয়নের নাম রয়েছে—
1. হোয়াইক্যং
2. হ্নীলা
3. টেকনাফ সদর
4. সাবরাং
5. বাহারছড়া
6. সেন্টমার্টিন
এই ইউনিয়নগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত।
বিশেষ সতর্কতা: সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন এবং ছেঁড়া দ্বীপ আলাদা প্রশাসনিক ইউনিয়ন নয়। ছেঁড়া দ্বীপ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের অন্তর্গত ভূখণ্ড।
✦ চারটি দ্বীপের তুলনামূলক পরিচিতি
ভোলা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী চর কুকরি মুকরি ও চর নিজাম ভোলার দক্ষিণাঞ্চলের চরগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. চর কুকরি মুকরি ⇒ ভুল। চর কুকরি মুকরি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ ও ইউনিয়ন। এটি মেঘনা–তেঁতুলিয়া নদীব্যবস্থার মোহনা অঞ্চলে অবস্থিত। এখানকার ম্যানগ্রোভ বন, বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য চরটি পরিচিত। তবে এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়।
❖ খ. নিঝুম দ্বীপ ⇒ ভুল। নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এই দ্বীপটি হরিণ, ম্যানগ্রোভ বন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। পূর্বে এটি চর ওসমানী নামেও পরিচিত ছিল। তবে নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ নয়।
❖ গ. চর নিজাম ⇒ ভুল। চর নিজাম ভোলা জেলার দক্ষিণাঞ্চলের একটি উপকূলীয় চর। ভোলা জেলা প্রশাসনের ভৌগোলিক বিবরণে চর কুকরি মুকরি, ঢালচর ও চর নিজামের উল্লেখ রয়েছে। ২০১৯ সালের সরকারি গেজেটে চর নিজামের প্রশাসনিক সীমানা পুনর্বিন্যাসের তথ্যও পাওয়া যায়। তবে চর নিজাম বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড নয়।
❖ ঘ. সেন্টমার্টিন ⇒ সঠিক। সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত এবং দেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন হিসেবেও পরিচিত। দ্বীপটির দক্ষিণ প্রান্তের ছেঁড়া দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর সেন্টমার্টিন।
✦ সেন্টমার্টিনের পরিবেশগত গুরুত্ব
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
❖ প্রবাল: দ্বীপটির উপকূলীয় সমুদ্রের অগভীর অংশে প্রবাল ও প্রবালসংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রয়েছে।
❖ সামুদ্রিক কচ্ছপ: সেন্টমার্টিনের সৈকত ও আশপাশের পরিবেশ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
❖ মৎস্যসম্পদ: দ্বীপের আশপাশের সামুদ্রিক পরিবেশ স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ সামুদ্রিক উদ্ভিদ: দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক শৈবালসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
❖ পরিবেশগত ঝুঁকি: প্লাস্টিক দূষণ, অপরিকল্পিত পর্যটন, প্রবালের ক্ষতি এবং সামুদ্রিক সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহারে দ্বীপটির পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড ও সরকারি পর্যটন তথ্যব্যবস্থায় দ্বীপটির প্রবালসমৃদ্ধ পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রধান দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান—ছেঁড়া দ্বীপ।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলবিন্দু—ছেঁড়াদিয়া।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা—টেকনাফ।
❖ বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত—শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন টেকনাফ উপদ্বীপ।
❖ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় নাম—নারিকেল জিঞ্জিরা।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইংরেজি নাম—Saint Martin's Island।
❖ সেন্টমার্টিন যে জেলায় অবস্থিত—কক্সবাজার।
❖ সেন্টমার্টিন যে উপজেলার অন্তর্গত—টেকনাফ।
❖ সেন্টমার্টিন যে বিভাগের অন্তর্গত—চট্টগ্রাম।
❖ সেন্টমার্টিনের ইউনিয়ন নম্বর—৬।
❖ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে উন্নীত হয়—১৯৮৩ সালে।
❖ সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রচলিত আয়তন—প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার।
❖ সেন্টমার্টিন যে সাগরে অবস্থিত—বঙ্গোপসাগর।
❖ সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরের যে অংশে অবস্থিত—উত্তর-পূর্বাংশ।
❖ সেন্টমার্টিনের পূর্বদিকে অবস্থিত দেশ—মিয়ানমার।
❖ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে অবস্থিত ভূখণ্ড—ছেঁড়া দ্বীপ।
❖ ছেঁড়া দ্বীপের অপর নাম—ছেঁড়াদিয়া বা সিরাদিয়া।
❖ ছেঁড়া দ্বীপ যে দ্বীপের অংশ—সেন্টমার্টিন।
❖ ছেঁড়া দ্বীপ জোয়ারের সময় মূল দ্বীপ থেকে—বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
❖ ছেঁড়া দ্বীপের ইংরেজি নাম—Chhera Dwip।
❖ নাফ নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ—সেন্টমার্টিন।
❖ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী—নাফ।
❖ শাহপরীর দ্বীপ যে উপজেলায় অবস্থিত—টেকনাফ।
❖ শাহপরীর দ্বীপ যে ইউনিয়নের অন্তর্গত—সাবরাং।
❖ বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ—ভোলা।
❖ বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা—ভোলা।
❖ চর কুকরি মুকরি যে জেলায় অবস্থিত—ভোলা।
❖ চর কুকরি মুকরি যে উপজেলার অন্তর্গত—চরফ্যাশন।
❖ চর কুকরি মুকরির গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ—ম্যানগ্রোভ বন।
❖ নিঝুম দ্বীপ যে জেলায় অবস্থিত—নোয়াখালী।
❖ নিঝুম দ্বীপ যে উপজেলার অন্তর্গত—হাতিয়া।
❖ নিঝুম দ্বীপের পূর্ববর্তী পরিচিত নাম—চর ওসমানী।
❖ নিঝুম দ্বীপের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী—চিত্রা হরিণ।
❖ চর নিজাম যে জেলার উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত—ভোলা।
❖ বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত মহাসাগরীয় জলভাগ—বঙ্গোপসাগর।
❖ বাংলাদেশের সর্বউত্তরের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তস্থান—বাংলাবান্ধা, পঞ্চগড়।
❖ বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের সীমান্ত ইউনিয়ন—মনাকষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
❖ বাংলাদেশের সর্বপূর্বের ভূখণ্ডের পরিচিতি—আখাইনঠং, বান্দরবান।