🧠 🔖
👑 Premium Topic

ব্যাকরণ ও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়

◉ বাংলা ব্যাকরণ›ব্যাকরণ ও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚92মোট প্রশ্ন
🎯5মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০৯. ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ’ প্রথম রচনা করেন কে? (জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহকারী: ২৬)

ক

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

খ

ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড

গ

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ঘ

রাজা রামমোহন রায়

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. রাজা রামমোহন রায়

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: রাজা রামমোহন রায় — প্রশ্নের উদ্দেশ্য অনুযায়ী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এ প্রশ্নের wording কিছুটা অস্পষ্ট। বাংলা ভাষার একেবারে প্রথম ব্যাকরণ বলতে গেলে আসুম্পসাঁও; ইংরেজি ভাষায় প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হ্যালহেড; আর বাঙালি কর্তৃক বাংলা ভাষায় পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হলো রামমোহনের গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
❖ প্রদত্ত বিকল্প ও পরীক্ষার প্রচলিত অর্থে উত্তর তাই রাজা রামমোহন রায়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বাংলা ভাষার সর্বপ্রথম ব্যাকরণ” কথাটি একা ব্যবহার করলে উত্তর হবে মানোএল দা আসুম্পসাঁও।
❖ “বাংলা ভাষায় বাঙালির রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ” হলে উত্তর রামমোহন রায়।"
02
🎯 Level 1

০৯. ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ’ প্রথম রচনা করেন কে? (জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহকারী: ২৬)

ক

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

খ

ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড

গ

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ঘ

রাজা রামমোহন রায়

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. রাজা রামমোহন রায়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: রাজা রামমোহন রায় — প্রশ্নের উদ্দেশ্য অনুযায়ী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এ প্রশ্নের wording কিছুটা অস্পষ্ট। বাংলা ভাষার একেবারে প্রথম ব্যাকরণ বলতে গেলে আসুম্পসাঁও; ইংরেজি ভাষায় প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হ্যালহেড; আর বাঙালি কর্তৃক বাংলা ভাষায় পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হলো রামমোহনের গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
❖ প্রদত্ত বিকল্প ও পরীক্ষার প্রচলিত অর্থে উত্তর তাই রাজা রামমোহন রায়।
✦ মূল ব্যাখ্যার তথ্য-সংশোধনী:
❖ “বাংলা ভাষার সর্বপ্রথম ব্যাকরণ” কথাটি একা ব্যবহার করলে উত্তর হবে মানোএল দা আসুম্পসাঁও।
❖ “বাংলা ভাষায় বাঙালির রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ” হলে উত্তর রামমোহন রায়।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১৩. ভাষার সংবিধান কোনটি? (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব: ২৬)

ক

বর্ণমালা

খ

ধ্বনি

গ

সমাস

ঘ

ব্যাকরণ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ব্যাকরণ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ব্যাকরণ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “সংবিধান” এখানে রূপক অর্থে ব্যবহৃত। একটি ভাষার ধ্বনি, শব্দ, পদ ও বাক্য কোন নিয়মে সংগঠিত ও ব্যবহৃত হয়—সেসব নিয়মের সুসংবদ্ধ বর্ণনা হলো ব্যাকরণ।
❖ তাই ব্যাকরণকে প্রায়ই ভাষার “সংবিধান” বলা হয়।
❖ তবে মনে রাখতে হবে, বাস্তব ভাষা প্রথমে সৃষ্টি ও বিবর্তিত হয়; ব্যাকরণ পরে সেই ভাষার নিয়ম বিশ্লেষণ ও বিধিবদ্ধ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
➤ বর্ণমালা: লিখিত প্রতীকের সমষ্টি।
➤ ধ্বনি: ভাষার মৌলিক শ্রুত উপাদান।
➤ সমাস: শব্দগঠনের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া; সম্পূর্ণ ভাষাব্যবস্থার নিয়ম নয়।
দ্বিতীয় ইমেজের প্রশ্নসমূহ
04
🎯 Level 1

১৭. ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’-এর রচয়িতা কে? (নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিভিন্ন পদ: ২৫; জাবি (C1): ১৮–১৯; রাবি B: ১৭–১৮; রাবি (F): ১৪–১৫)

ক

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

খ

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

গ

উইলিয়াম কেরী

ঘ

রাজা রামমোহন রায়

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. রাজা রামমোহন রায়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: রাজা রামমোহন রায়
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রামমোহন রায়ের রচনা।
❖ বাংলা ভাষার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যকে ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
❖ বাংলা ভাষায় বাঙালির লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হিসেবে গ্রন্থটি বহুল স্বীকৃত।
❖ “গৌড়ীয়” শব্দটি এখানে বঙ্গ/গৌড় অঞ্চলের ভাষা অর্থাৎ বাংলা ভাষাকে নির্দেশ করে।
05
🎯 Level 1

২১. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম কখন প্রকাশিত হয়? (বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ২৩)

ক

১৭৪৩

খ

১৮৩৪

গ

১৭৩৪

ঘ

১৮৪৩

✅ সঠিক উত্তর:ক. ১৭৪৩

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ১৭৪৩ সাল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মানোএল দা আসুম্পসাঁওয়ের গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবনে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটির প্রকৃত মুদ্রিত কপি ও গ্রন্থপঞ্জিতেও প্রকাশসাল 1743 উল্লেখ আছে।
❖ ১৭৩৪ হলো তাঁর বাংলা ভাষা নিয়ে কাজ শুরুর কাছাকাছি সময়; প্রকাশকাল নয়।
❖ এজন্য ১৭৩৪ ও ১৭৪৩ সাল প্রায়ই পরীক্ষায় বিভ্রান্তির জন্য পাশাপাশি দেওয়া হয়।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২৫. “যে শাস্ত্র জানিলে বাঙ্গালা ভাষা শুদ্ধরূপে লিখিতে, পড়িতে ও বলিতে পারা যায়, তাহার নাম বাঙ্গালা ব্যাকরণ।” সংজ্ঞাটি কার? (যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ০৬)

ক

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

খ

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

গ

ড. এনামুল হক

ঘ

ড. সুকুমার সেন

✅ সঠিক উত্তর:খ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ উল্লিখিত সংজ্ঞাটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-র নামে সুপ্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাসামগ্রীতেও একই সংজ্ঞা তাঁর নামে উদ্ধৃত হয়েছে।
❖ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫–১৯৬৯) ছিলেন বিশিষ্ট ভাষাবিদ, শিক্ষাবিদ, বহুভাষাবিদ ও বাংলা ভাষা-সাহিত্যের গবেষক।
❖ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্রের মধ্যে বাংলা ভাষার উৎপত্তি, চর্যাপদ, উপভাষা ও তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
➤ সুনীতিকুমারও ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর সংজ্ঞার ভাষা ভিন্ন।
➤ এনামুল হকের সংজ্ঞায় ভাষার বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক সম্বন্ধ নির্ণয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
➤ সুকুমার সেনের সংজ্ঞাও বিশ্লেষণকেন্দ্রিক, কিন্তু প্রশ্নের উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়।
07
🎯 Level 1

২৯. ব্যাকরণ ভাষাকে কী নির্দেশ করে? (সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা: ১৫)

ক

ভাষাকে চলিতে

খ

ভাষাকে শাসন করে

গ

ভাষাকে বলিতে

ঘ

ভাষাকে বর্ণনা করে

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ভাষাকে বর্ণনা করে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ভাষাকে বর্ণনা করে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আধুনিক ব্যাকরণ মূলত descriptive—অর্থাৎ ভাষায় বাস্তবে কীভাবে ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য ব্যবহৃত হয় তা বর্ণনা ও বিশ্লেষণ করে।
❖ ব্যাকরণকে কেবল “ভাষার শাসক” ভাবা পুরোনো prescriptive ধারণা।
❖ প্রমিত ভাষাশিক্ষায় কিছু বিধিনিষেধ থাকলেও ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক দৃষ্টিতে ভাষাই প্রাথমিক, ব্যাকরণ তার বর্ণনা।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
➤ “শাসন করে” পুরোপুরি সঠিক নয়।
➤ “চলিতে” বা “বলিতে” ব্যাকরণের পূর্ণ কাজ প্রকাশ করে না।
08
🎯 Level 1

৩৩. কোন প্রখ্যাত পণ্ডিত ইংরেজিতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন? (জনতা ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার: ১৯)

ক

ব্রাসি হ্যালহেড

খ

পি আচার্য

গ

পি জে হাটজ

ঘ

ডরিউড প্রেস

✅ সঠিক উত্তর:ক. ব্রাসি হ্যালহেড

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ব্রাসি হ্যালহেড
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ইংরেজিতে A Grammar of the Bengal Language রচনা করেন।
❖ গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত এবং বাংলা ভাষা, বাংলা টাইপ ও বাংলা মুদ্রণের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। British Library-এর নথিতেও হ্যালহেডকে এই গ্রন্থের লেখক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ ইংরেজিভাষী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারীদের বাংলা শেখানোর ব্যবহারিক প্রয়োজনও এই ধরনের ব্যাকরণ রচনার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৩৭. ‘ব্যাকরণ’ কোন ভাষার শব্দ? (জবি (D): ২৪–২৫; জাককানইবি (ক): ১৬–১৭; যবিপ্রবি E: ১৬–১৭)

ক

সংস্কৃত

খ

বাংলা

গ

পর্তুগিজ

ঘ

হিন্দি

✅ সঠিক উত্তর:ক. সংস্কৃত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: সংস্কৃত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলা ‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত व्याकरण (vyākaraṇa) থেকে এসেছে।
❖ সংস্কৃতে এটি ব্যাকরণ, বিশ্লেষণ, পৃথকীকরণ, ব্যাখ্যা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
❖ শব্দটি বি/vi + আ/ā + √কৃ/kṛ + অন/ana উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
❖ সংস্কৃত ঐতিহ্যে Vyākaraṇa ছয়টি বেদাঙ্গের একটি।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
➤ বাংলা ভাষায় শব্দটি ব্যবহৃত হলেও উৎস বাংলা নয়।
➤ পর্তুগিজ ও হিন্দিও এর উৎস নয়।
10
🎯 Level 1

৪১. নিচের কোনটি ব্যাকরণের পাণিনি ধারা? (যবিপ্রবি (D): ১৪–১৫)

ক

শাকতায়নী

খ

কালাপিক

গ

সৌপদ্ম

ঘ

লঘু কৌমুদী

✅ সঠিক উত্তর:ক. শাকতায়নী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ঘ. লঘু কৌমুদী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইমেজ/বইয়ে “উত্তর: ক. শাকতায়নী” দেওয়া থাকলেও প্রশ্নটি যদি সত্যিই “ব্যাকরণের পাণিনি ধারা” জানতে চায়, তাহলে ঐতিহাসিক ও ব্যাকরণশাস্ত্রীয় তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর ঘ. লঘু কৌমুদী।
❖ লঘু কৌমুদী, পূর্ণ নাম লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী (Laghu-Siddhānta-Kaumudī), বৈয়াকরণ বরদরাজ (Varadarāja) রচিত। এটি তাঁর গুরু ভট্টোজি দীক্ষিতের সিদ্ধান্তকৌমুদী (Siddhānta-Kaumudī)-র সংক্ষিপ্ত রূপ। সিদ্ধান্তকৌমুদী আবার পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী-এর সূত্রগুলোকে বিষয়ভিত্তিকভাবে নতুনভাবে সাজিয়ে ব্যাখ্যা করে। ফলে লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী সরাসরি পাণিনীয় ব্যাকরণ-পরম্পরার অন্তর্গত।
❖ পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী-এর মূল সূত্রক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ জটিল। ভট্টোজি দীক্ষিত সেই সূত্রগুলোকে প্রক্রিয়াভিত্তিক বা বিষয়ভিত্তিক ক্রমে সাজিয়ে সিদ্ধান্তকৌমুদী রচনা করেন। পরে বরদরাজ শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সেটিকে সংক্ষিপ্ত করে লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী রচনা করেন। একটি প্রামাণ্য সংস্করণের ভূমিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে বরদরাজের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের পাণিনীয় ব্যাকরণে সহজে প্রবেশ করানো।
❖ তাই ধারাটি সহজভাবে মনে রাখা যায়—
➤ পাণিনি → অষ্টাধ্যায়ী
⇒ কাত্যায়ন → বার্তিক
⇒ পতঞ্জলি → মহাভাষ্য
⇒ পরবর্তী পাণিনীয় পরম্পরা
⇒ ভট্টোজি দীক্ষিত → সিদ্ধান্তকৌমুদী
⇒ বরদরাজ → লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী
❖ পাণিনি, কাত্যায়ন ও পতঞ্জলিকে পাণিনীয় ব্যাকরণ-পরম্পরার মুনিত্রয় বলা হয়। পরবর্তী যুগে সিদ্ধান্তকৌমুদী ও লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী পাণিনীয় সূত্র শেখার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য হয়ে ওঠে।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. শাকতায়নী — সঠিক নয়
➤ “শাকতায়নী” নামটি শাকটায়ন (Śākaṭāyana)-সম্পর্কিত ব্যাকরণধারাকে বোঝায়।
➤ সংস্কৃত ব্যাকরণের ইতিহাসে শাকটায়নের নাম পাণিনির পূর্ববর্তী একজন ব্যাকরণবিদ হিসেবেও পাওয়া যায়; আবার পরবর্তী মধ্যযুগীয় Śākaṭāyana-Śabdānuśāsana নামে স্বতন্ত্র একটি ব্যাকরণ-পরম্পরাও রয়েছে।
➤ আধুনিক গবেষণায় শাকটায়নী ধারাকে non-Pāṇinian বা অপাণিনীয় ব্যাকরণ-পরম্পরা হিসেবে আলোচনা করা হয়। University of Chicago-র গবেষণাতেও পরবর্তী Śākaṭāyana-র Śabdānuśāsana-কে “Later Non-Pāṇinians” অংশে রাখা হয়েছে।
➤ IIT Kanpur-এর Indian Grammatical Traditions কোর্স কাঠামোতেও Śākaṭāyana-কে non-Pāṇinian grammars-এর আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
❖ খ. কালাপিক — সঠিক নয়
➤ কালাপ/কালাপিক ব্যাকরণ মূলত কাতন্ত্র (Kātantra) ব্যাকরণ নামেও পরিচিত। এর রচয়িতা হিসেবে সর্ববর্মা (Śarvavarman)-এর নাম পাওয়া যায়।
➤ বাংলাপিডিয়া জানায়, কালাপব্যাকরণে পাণিনির প্রায় ৪০০০ সূত্রের পরিবর্তে অনেক সংক্ষিপ্ত সূত্রব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়েছে। এটি পাণিনীয় ব্যবস্থার বিকল্প একটি স্বতন্ত্র ব্যাকরণপদ্ধতি।
➤ গবেষণায় কাতন্ত্র/কালাপকে সুস্পষ্টভাবে non-Pāṇinian grammar বলা হয়েছে।
❖ গ. সৌপদ্ম — সঠিক নয়
➤ সৌপদ্ম বা সুপদ্ম ব্যাকরণ (Supadma-vyākaraṇa)-এর রচয়িতা পদ্মনাভদত্ত (Padmanābhadatta)।
➤ এটি পাণিনির বহু সূত্র ও পরিভাষা গ্রহণ করলেও নিজস্বভাবে সূত্র পুনর্গঠন ও বিন্যাস করেছে; ফলে এটি স্বতন্ত্র সৌপদ্ম ব্যাকরণধারা।
➤ গবেষণায় সুপদ্ম ব্যাকরণকে পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী-এর ওপর নির্ভরশীল হলেও পাণিনীয় ব্যাকরণ থেকে পৃথক ব্যাকরণব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
❖ ঘ. লঘু কৌমুদী — সঠিক
➤ বরদরাজের লঘুসিদ্ধান্তকৌমুদী হলো সিদ্ধান্তকৌমুদীর সংক্ষিপ্ত রূপ।
➤ সিদ্ধান্তকৌমুদীতে পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী-এর সূত্রগুলো পুনর্বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং লঘুকৌমুদীতেও সেই পাণিনীয় সূত্রভিত্তিক ব্যাকরণব্যবস্থা অনুসৃত।
➤ তাই চারটি বিকল্পের মধ্যে এটিই পাণিনি ধারার নিঃসন্দেহে সঠিক উদাহরণ।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন