🧠 🔖
👑 Premium Topic

সন্ধি

◉ বাংলা ব্যাকরণ›সন্ধি

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚110মোট প্রশ্ন
🎯6মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০৭. ‘মনীষা’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কী? (পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সহকারী স্টোর কিপার: ২৬ / প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ক্যাশিয়ার: ২৫)

ক

মন+ঈষা

খ

মনঃ+ঈষা

গ

মনস্+ঈষা

ঘ

মনো+ঈষা

✅ সঠিক উত্তর:গ. মনস্+ঈষা

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: মনস্+ঈষা।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘মনীষা’ একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
মনস্+ঈষা = মনীষা।
❖ এখানে ‘মনস্’ ও ‘ঈষা’ সংযুক্ত হয়ে ‘মনীষা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
❖ সাধারণ সন্ধিসূত্রে মনস্+ঈষা যুক্ত হয়ে প্রত্যাশিত নিয়মিত রূপ সৃষ্টি না হয়ে বিশেষভাবে ‘মনীষা’ হয়েছে।
❖ তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
❖ ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ গভীর বুদ্ধিমত্তা, প্রজ্ঞা, চিন্তাশক্তি বা বিচারবোধ।
❖ ‘মনীষী’ শব্দের অর্থ প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী বা গভীর চিন্তাশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি।
❖ মনীষা ও মনীষী শব্দ দুটি অর্থগতভাবে সম্পর্কযুক্ত হলেও এদের ব্যাকরণগত ব্যবহার ভিন্ন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মন+ঈষা — ভুল। ‘মনস্’ পদের অন্তিম ‘স্’ বাদ দেওয়া হয়েছে।
❖ খ. মনঃ+ঈষা — ভুল। এই প্রশ্নের স্বীকৃত সন্ধি-বিচ্ছেদে ‘মনস্’ ব্যবহৃত হয়।
❖ গ. মনস্+ঈষা — সঠিক। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
❖ ঘ. মনো+ঈষা — ভুল। এটি শব্দটির মূল সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ মনীষা = মনস্+ঈষা। ❖ সন্ধির ধরন = নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। ❖ মনীষা অর্থ প্রজ্ঞা বা গভীর বুদ্ধিমত্তা। ❖ মনীষী অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. মনস্+ঈষা।"
02
🎯 Level 1

০৭. ‘মনীষা’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কী? (পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সহকারী স্টোর কিপার: ২৬ / প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ক্যাশিয়ার: ২৫)

ক

মন+ঈষা

খ

মনঃ+ঈষা

গ

মনস্+ঈষা

ঘ

মনো+ঈষা

✅ সঠিক উত্তর:গ. মনস্+ঈষা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: মনস্+ঈষা।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘মনীষা’ একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
মনস্+ঈষা = মনীষা।
❖ এখানে ‘মনস্’ ও ‘ঈষা’ সংযুক্ত হয়ে ‘মনীষা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
❖ সাধারণ সন্ধিসূত্রে মনস্+ঈষা যুক্ত হয়ে প্রত্যাশিত নিয়মিত রূপ সৃষ্টি না হয়ে বিশেষভাবে ‘মনীষা’ হয়েছে।
❖ তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
❖ ‘মনীষা’ শব্দের অর্থ গভীর বুদ্ধিমত্তা, প্রজ্ঞা, চিন্তাশক্তি বা বিচারবোধ।
❖ ‘মনীষী’ শব্দের অর্থ প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী বা গভীর চিন্তাশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি।
❖ মনীষা ও মনীষী শব্দ দুটি অর্থগতভাবে সম্পর্কযুক্ত হলেও এদের ব্যাকরণগত ব্যবহার ভিন্ন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মন+ঈষা — ভুল। ‘মনস্’ পদের অন্তিম ‘স্’ বাদ দেওয়া হয়েছে।
❖ খ. মনঃ+ঈষা — ভুল। এই প্রশ্নের স্বীকৃত সন্ধি-বিচ্ছেদে ‘মনস্’ ব্যবহৃত হয়।
❖ গ. মনস্+ঈষা — সঠিক। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
❖ ঘ. মনো+ঈষা — ভুল। এটি শব্দটির মূল সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ মনীষা = মনস্+ঈষা। ❖ সন্ধির ধরন = নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। ❖ মনীষা অর্থ প্রজ্ঞা বা গভীর বুদ্ধিমত্তা। ❖ মনীষী অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. মনস্+ঈষা।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১২. নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি কোনটি? (রেলওয়ের ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস: ২৬ / সমন্বিত ৯টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র অফিসার: ২৫)

ক

কিন্তু

খ

একাদশ

গ

কুলটা

ঘ

নিশ্চয়

✅ সঠিক উত্তর:খ. একাদশ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: একাদশ।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘একাদশ’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
এক+দশ = একাদশ।
❖ এখানে ‘এক’ অর্থ ১ এবং ‘দশ’ অর্থ ১০।
❖ দুটি সংখ্যা যুক্ত হয়ে এগারো সংখ্যাবাচক শব্দটি তৈরি হয়েছে।
❖ সাধারণ সন্ধিসূত্রে ‘এক’ ও ‘দশ’ যুক্ত হয়ে ‘একাদশ’ রূপটি ব্যাখ্যা করা যায় না।
❖ তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি।
❖ ‘একাদশ’ শব্দের অর্থ এগারো বা ক্রমানুসারে এগারোতম।
❖ যেমন—একাদশ শ্রেণি, একাদশ অধ্যায়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. কিন্তু — ভুল। এটি প্রদত্ত প্রশ্নে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির স্বীকৃত উদাহরণ নয়।
❖ খ. একাদশ — সঠিক। এক+দশ = একাদশ একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি।
❖ গ. কুলটা — ভুল। এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ, ব্যঞ্জনসন্ধি নয়। কুল+অটা = কুলটা।
❖ ঘ. নিশ্চয় — ভুল। এর সন্ধি-বিচ্ছেদ নিঃ+চয়; এটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ।
✦ গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য:
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ একাদশ = এক+দশ। ❖ কুলটা = কুল+অটা। ❖ নিশ্চয় = নিঃ+চয়। ❖ প্রশ্নে ‘নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি’ বলা থাকলে উত্তর হবে একাদশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. একাদশ।
04
🎯 Level 1

১৭. ‘কটাক্ষ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করুন। (পিএসসি’র মেডিকেল অফিসার: ২৫ / বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এরোড্রাম সহকারী: ২৩)

ক

কটু+অক্ষ

খ

কটা+অক্ষ

গ

কটা+অক্ষ

ঘ

কট্+অক্ষ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. কট্+অক্ষ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ প্রচলিত উত্তর: কট্+অক্ষ। তবে প্রশ্নটির বিকল্প ও ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণে অসংগতি রয়েছে।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘কটাক্ষ’ একটি সংস্কৃতমূলক তৎসম শব্দ।
❖ শব্দটির অর্থ বাঁকা দৃষ্টি, আড়চোখে তাকানো, তির্যক চাহনি বা পরোক্ষ বিদ্রূপ।
❖ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংকে ‘কটাক্ষ’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ হিসেবে কট্+অক্ষ উল্লেখ করা হয়েছে।
❖ তবে সংস্কৃত ব্যুৎপত্তি বিবেচনায় শব্দটির গঠন আরও নির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।
❖ সংসদ বাংলা অভিধান অনুযায়ী, ‘কটাক্ষ’ শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো কট+অক্ষি (সমাসান্ত)।
❖ এখানে ‘কট’ অংশটি বাঁকা বা তির্যক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ‘অক্ষি’ অর্থ চোখ।
❖ সমাসান্ত রূপে ‘কটাক্ষ’ শব্দটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
❖ সুতরাং অভিধানসম্মত ব্যুৎপত্তি এবং প্রচলিত পরীক্ষাভিত্তিক সন্ধি-বিচ্ছেদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. কটু+অক্ষ — শব্দটির অভিধানসম্মত ব্যুৎপত্তি নয়।
❖ খ. কটা+অক্ষ — প্রদত্ত পরীক্ষাভিত্তিক সমাধানের সঙ্গে মেলে না।
❖ গ. কটা+অক্ষ — খ বিকল্পের পুনরাবৃত্তি; প্রশ্নে মুদ্রণগত ত্রুটি রয়েছে।
❖ ঘ. কট্+অক্ষ — প্রচলিত প্রশ্নব্যাংকের উত্তর, কিন্তু অভিধানসম্মত ব্যুৎপত্তি হিসেবে নির্ভুল নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ কটাক্ষ অর্থ বাঁকা দৃষ্টি বা পরোক্ষ বিদ্রূপ।
❖ সংসদ বাংলা অভিধান অনুযায়ী ব্যুৎপত্তি = কট+অক্ষি (সমাসান্ত)।
❖ প্রচলিত কিছু পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর = কট্+অক্ষ।
❖ প্রশ্নটির অপশন সংশোধন প্রয়োজন।
05
🎯 Level 1

২২. ‘উচ্চারণ’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স: ২৫)

ক

উৎ+চারণ

খ

উদ্+চরণ

গ

উচ্+চারণ

ঘ

উৎ+চরণ

✅ সঠিক উত্তর:ক. উৎ+চারণ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: উৎ+চারণ।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘উচ্চারণ’ শব্দটি ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে সন্ধির উদাহরণ।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
উৎ+চারণ = উচ্চারণ।
❖ এখানে ‘উৎ’ পদের শেষ ব্যঞ্জন ত্ এবং ‘চারণ’ পদের প্রথম ব্যঞ্জন চ্।
❖ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে চ্ এলে পূর্ববর্তী ত্ বা দ্ পরিবর্তিত হয়ে চ্ হয়।
❖ ফলে ত্+চ্ → চ্চ।
❖ তাই উৎ+চারণ → উচ্চারণ।
❖ ‘উৎ’ একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
❖ ‘উচ্চারণ’ শব্দের অর্থ মুখের সাহায্যে ধ্বনি বা শব্দ প্রকাশ করা।
❖ ভাষাবিজ্ঞানে উচ্চারণ বলতে বাক্‌যন্ত্রের সাহায্যে ভাষার ধ্বনি উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
✦ একই নিয়মের উদাহরণ:
❖ উৎ+চারণ = উচ্চারণ। ❖ সৎ+চিন্তা = সচ্চিন্তা। ❖ উৎ+ছেদ = উচ্ছেদ। ❖ শরৎ+চন্দ্র = শরচ্চন্দ্র।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. উৎ+চারণ — সঠিক। ত্+চ্ → চ্চ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
❖ খ. উদ্+চরণ — ভুল। মূল উপসর্গ ‘উৎ’ এবং দ্বিতীয় পদ ‘চারণ’।
❖ গ. উচ্+চারণ — ভুল। ‘উচ্’ এখানে মূল উপসর্গ নয়।
❖ ঘ. উৎ+চরণ — ভুল। দ্বিতীয় পদের সঠিক রূপ ‘চারণ’, ‘চরণ’ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ উচ্চারণ = উৎ+চারণ। ❖ সন্ধির প্রকার = ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে সন্ধি। ❖ ত্+চ্ → চ্চ। ❖ উচ্ছেদ = উৎ+ছেদ। ❖ সচ্চিন্তা = সৎ+চিন্তা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. উৎ+চারণ।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২৭. নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়? (এনএসআই-এর সহকারী পরিচালক: ২৫)

ক

দ্যুলোক

খ

গবাক্ষ

গ

একাদশ

ঘ

সংস্কার

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সংস্কার

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সংস্কার।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো এমন সন্ধি, যার গঠন প্রচলিত সাধারণ সন্ধিসূত্রে ব্যাখ্যা করা যায় না এবং বিশেষভাবে সিদ্ধ রূপ হিসেবে স্বীকৃত।
❖ প্রদত্ত চারটি শব্দের মধ্যে ‘সংস্কার’ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়।
❖ শব্দটির প্রচলিত সন্ধি-বিচ্ছেদ—
সম্+কার = সংস্কার।
❖ এখানে ‘সম্’ উপসর্গের পরে ‘কৃ’ ধাতু থেকে গঠিত ‘কার’ পদ যুক্ত হয়েছে।
❖ বিশেষ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের গঠনে ম্-এর অনুস্বার রূপ এবং মধ্যবর্তী স্-এর আগম ঘটে।
❖ ফলে সম্+কার → সংস্কার।
❖ এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি; নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ নয়।
❖ ‘সংস্কার’ শব্দের অর্থ সংশোধন, পরিশোধন, উন্নয়ন, শুদ্ধিকরণ বা সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত রীতিনীতি।
✦ নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির পার্থক্য:
❖ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিতে শব্দটি ব্যতিক্রমীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিতে নির্দিষ্ট শব্দ বা ধাতুগুচ্ছের জন্য একটি ব্যাকরণগত নিয়ম প্রয়োগ করা হয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. দ্যুলোক — নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। প্রচলিত বিচ্ছেদ দিব্+লোক = দ্যুলোক।
❖ খ. গবাক্ষ — নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। গো+অক্ষ = গবাক্ষ। এখানে সাধারণ স্বরসন্ধির প্রত্যাশিত রূপের পরিবর্তে বিশেষ রূপ হয়েছে।
❖ গ. একাদশ — নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। এক+দশ = একাদশ।
❖ ঘ. সংস্কার — সঠিক উত্তর। এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ সংস্কার = সম্+কার। ❖ সংস্কৃত = সম্+কৃত। ❖ সংস্কৃতি = সম্+কৃতি। ❖ গবাক্ষ = গো+অক্ষ। ❖ একাদশ = এক+দশ। ❖ সংস্কার বিশেষ নিয়মে সাধিত; গবাক্ষ ও একাদশ নিপাতনে সিদ্ধ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. সংস্কার।
07
🎯 Level 1

৩২. ‘মৃদঙ্গ’ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? (ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের বেঞ্চ সহকারী: ২৫)

ক

মৃৎ+অঙ্গ

খ

মৃদং+গ

গ

মৃদ+অঙ্গ

ঘ

মৃদঙ+অঙ্গ

✅ সঠিক উত্তর:ক. মৃৎ+অঙ্গ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: মৃৎ+অঙ্গ।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘মৃদঙ্গ’ শব্দটি ব্যঞ্জনে-স্বরে সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
মৃৎ+অঙ্গ = মৃদঙ্গ।
❖ এখানে প্রথম পদের শেষ ব্যঞ্জন ত্ এবং দ্বিতীয় পদের প্রথম ধ্বনি অ।
❖ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্-এর পরে স্বরধ্বনি এলে ত্ ঘোষধ্বনি দ্-এ পরিবর্তিত হয়।
❖ ফলে ত্ → দ্ হয়ে মৃৎ+অঙ্গ → মৃদঙ্গ।
❖ ‘মৃৎ’ শব্দের অর্থ মাটি।
❖ ‘অঙ্গ’ শব্দের অর্থ অংশ, দেহ বা অঙ্গবিশেষ।
❖ ‘মৃদঙ্গ’ একটি প্রাচীন ভারতীয় দ্বিমুখী বাদ্যযন্ত্র, যা সাধারণত দুই প্রান্তে আঘাত করে বাজানো হয়।
❖ ঐতিহ্যগতভাবে মৃদঙ্গ তৈরিতে মাটি, কাঠ ও চামড়াসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে।
✦ একই নিয়মের উদাহরণ:
❖ মৃৎ+অঙ্গ = মৃদঙ্গ। ❖ সৎ+আশয় = সদাশয়। ❖ জগৎ+ঈশ = জগদীশ। ❖ সৎ+উপায় = সদুপায়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মৃৎ+অঙ্গ — সঠিক। ত্ → দ্ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
❖ খ. মৃদং+গ — ভুল। এটি শব্দটির মূল পদের বিভাজন নয়।
❖ গ. মৃদ+অঙ্গ — ভুল। মূল পদ ‘মৃৎ’; ‘মৃদ’ সন্ধির ফলে পাওয়া পরিবর্তিত অংশ।
❖ ঘ. মৃদঙ+অঙ্গ — ভুল। এটি স্বীকৃত সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ মৃদঙ্গ = মৃৎ+অঙ্গ। ❖ সন্ধির প্রকার = ব্যঞ্জনে-স্বরে সন্ধি। ❖ ত্+স্বরধ্বনি → দ্। ❖ মৃৎ অর্থ মাটি। ❖ মৃদঙ্গ একটি দ্বিমুখী বাদ্যযন্ত্র।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. মৃৎ+অঙ্গ।
08
🎯 Level 1

৩৭. কোনটি ‘মীমাংসা’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ? (নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার: ২৪)

ক

মিমাঃ+সা

খ

মিমা+অসা

গ

মীমান্+সা

ঘ

মিমা+সা

✅ সঠিক উত্তর:গ. মীমান্+সা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: মীমান্+সা।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘মীমাংসা’ একটি সংস্কৃতমূলক তৎসম শব্দ।
❖ প্রদত্ত প্রশ্নের প্রচলিত সন্ধি-বিচ্ছেদ—
মীমান্+সা = মীমাংসা।
❖ এখানে প্রথম অংশের শেষে ন্ এবং দ্বিতীয় অংশের শুরুতে স্ রয়েছে।
❖ সংস্কৃত ধ্বনিগত পরিবর্তনে ন্-এর পরে স্ থাকলে নাসিক্য ধ্বনি অনুস্বারযুক্ত রূপে প্রকাশিত হতে পারে।
❖ ফলে ন্+স্ → ংস রূপান্তরের মাধ্যমে মীমাংসা রূপটি ব্যাখ্যা করা হয়।
❖ ‘মীমাংসা’ শব্দের অর্থ বিচার-বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান, কোনো বিষয়ের ব্যাখ্যা বা বিবাদের নিষ্পত্তি।
❖ ভারতীয় দর্শনের অন্যতম প্রাচীন দর্শনশাখার নামও ‘মীমাংসা’।
❖ মীমাংসা দর্শনে বৈদিক কর্ম, ধর্মীয় কর্তব্য এবং শাস্ত্রবাক্যের ব্যাখ্যার গুরুত্ব রয়েছে।
✦ ব্যাকরণগত সতর্কতা
❖ পরীক্ষাভিত্তিক প্রশ্নব্যাংকে মীমান্+সা উত্তরটি ব্যবহৃত হলেও ‘মীমাংসা’ শব্দের সংস্কৃত ব্যুৎপত্তি আরও জটিল।
❖ সংস্কৃত ব্যাকরণে শব্দটি চিন্তা বা বিচার করার অর্থবোধক ধাতুর পুনরুক্তিমূলক ও প্রত্যয়গত গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ তাই মীমান্+সা রূপটিকে পরীক্ষামুখী সন্ধি-বিশ্লেষণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়; কিন্তু এটিই সম্পূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যুৎপত্তি—এমন দাবি করা যথাযথ নয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মিমাঃ+সা — ভুল। এটি প্রচলিত পরীক্ষাভিত্তিক বিচ্ছেদ নয়।
❖ খ. মিমা+অসা — ভুল। এই বিভাজনে শব্দটির গঠন প্রকাশ পায় না।
❖ গ. মীমান্+সা — সঠিক। প্রশ্নটির পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর।
❖ ঘ. মিমা+সা — ভুল। এতে মূল পদের স্বীকৃত রূপ পাওয়া যায় না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ মীমাংসা = মীমান্+সা (প্রচলিত পরীক্ষাভিত্তিক বিশ্লেষণ)। ❖ মীমাংসা অর্থ বিচার-বিশ্লেষণ বা নিষ্পত্তি। ❖ এটি সংস্কৃতমূলক তৎসম শব্দ। ❖ মীমাংসা ভারতীয় দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. মীমান্+সা।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৪২. ‘সদাশয়’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ— (সমন্বিত ১০ ব্যাংকের অফিসার: ২৪)

ক

সদ+আশয়

খ

সৎ+আশয়

গ

সদা+শয়

ঘ

সৎ+শয়

✅ সঠিক উত্তর:খ. সৎ+আশয়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সৎ+আশয়।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘সদাশয়’ শব্দটি ব্যঞ্জনে-স্বরে সন্ধির উদাহরণ।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
সৎ+আশয় = সদাশয়।
❖ এখানে প্রথম পদের শেষ ব্যঞ্জন ত্ এবং দ্বিতীয় পদের প্রথম ধ্বনি আ।
❖ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্-এর পরে স্বরধ্বনি এলে ত্ ঘোষধ্বনি দ্-এ পরিবর্তিত হয়।
❖ ফলে ত্ → দ্ হয়ে সৎ+আশয় → সদাশয়।
❖ ‘সৎ’ শব্দের অর্থ ভালো, ন্যায়পরায়ণ বা নীতিবান।
❖ ‘আশয়’ শব্দের অর্থ উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় বা মনের ভাব।
❖ ‘সদাশয়’ শব্দের অর্থ সৎ উদ্দেশ্যসম্পন্ন, উদারমনা, শুভাকাঙ্ক্ষী বা কল্যাণকামী ব্যক্তি।
❖ উদাহরণ: সদাশয় ব্যক্তিরা অন্যের কল্যাণে কাজ করেন।
✦ একই নিয়মের উদাহরণ:
❖ সৎ+আশয় = সদাশয়। ❖ সৎ+উপায় = সদুপায়। ❖ জগৎ+ঈশ = জগদীশ। ❖ মৃৎ+অঙ্গ = মৃদঙ্গ।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. সদ+আশয় — ভুল। মূল পদ ‘সৎ’; ‘সদ’ সন্ধির ফলে প্রাপ্ত পরিবর্তিত রূপ।
❖ খ. সৎ+আশয় — সঠিক। ত্ → দ্ হয়ে ‘সদাশয়’ গঠিত হয়েছে।
❖ গ. সদা+শয় — ভুল। এটি শব্দটির স্বীকৃত সন্ধি-বিচ্ছেদ নয়।
❖ ঘ. সৎ+শয় — ভুল। দ্বিতীয় পদ ‘আশয়’, ‘শয়’ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ সদাশয় = সৎ+আশয়। ❖ সন্ধির প্রকার = ব্যঞ্জনে-স্বরে সন্ধি। ❖ ত্+স্বরধ্বনি → দ্। ❖ সদাশয় অর্থ সৎ উদ্দেশ্যসম্পন্ন। ❖ সদুপায় = সৎ+উপায়।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. সৎ+আশয়।
10
🎯 Level 1

৪৭. ‘উত্তীর্ণ’-এর সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? (সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সহকারি ব্যাবস্থাপক: ২৩)

ক

উৎ+তীর্ণ

খ

উত+তীর্ণ

গ

উদ্+তীর্ণ

ঘ

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:ক. উৎ+তীর্ণ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: উৎ+তীর্ণ।
❖ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
‘উত্তীর্ণ’ শব্দটি ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
❖ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ—
উৎ+তীর্ণ = উত্তীর্ণ।
❖ এখানে প্রথম পদের শেষে ত্ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে ত্ রয়েছে।
❖ দুটি সমজাতীয় ত্ ব্যঞ্জন একত্রে যুক্ত হয়ে ত্ত যুক্তব্যঞ্জন গঠন করেছে।
❖ অর্থাৎ—
ত্+ত্ = ত্ত।
❖ ফলে উৎ+তীর্ণ → উত্তীর্ণ।
❖ ‘উৎ’ সংস্কৃত উপসর্গ, যা ঊর্ধ্বগমন, উৎকর্ষ বা অতিক্রমের ধারণা প্রকাশ করে।
❖ ‘উত্তীর্ণ’ শব্দের অর্থ অতিক্রম করেছে, সফল হয়েছে বা কোনো বাধা পেরিয়েছে।
❖ উদাহরণ: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
✦ একই ধরনের সন্ধির উদাহরণ:
❖ উৎ+তীর্ণ = উত্তীর্ণ। ❖ উৎ+তাপ = উত্তাপ। ❖ উৎ+তর = উত্তর।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. উৎ+তীর্ণ — সঠিক। ত্+ত্ → ত্ত হয়েছে।
❖ খ. উত+তীর্ণ — ভুল। ‘উত’ নয়, হসন্তযুক্ত ‘উৎ’ মূল উপসর্গ।
❖ গ. উদ্+তীর্ণ — ভুল। প্রদত্ত সন্ধি-বিচ্ছেদে প্রথম পদ ‘উৎ’।
❖ ঘ. কোনোটিই নয় — ভুল। ক বিকল্পে সঠিক উত্তর রয়েছে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
❖ উত্তীর্ণ = উৎ+তীর্ণ। ❖ সন্ধির প্রকার = ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে সন্ধি। ❖ ত্+ত্ → ত্ত। ❖ উত্তীর্ণ অর্থ সফলভাবে অতিক্রম করেছে। ❖ উত্তীর্ণের বিপরীতার্থক ধারণা = অনুত্তীর্ণ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. উৎ+তীর্ণ।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন