🧠 🔖
👑 Premium Topic

ক্রিয়ার কাল ও ভাব

◉ বাংলা ব্যাকরণ›ক্রিয়ার কাল ও ভাব

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚50মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. ক্রিয়া সম্পাদনের সময়কে কী বলে? [কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক: ২১]

ক

কারক

খ

কাল

গ

মহাকাল

ঘ

প্রাতিপদিক

✅ সঠিক উত্তর:খ. কাল

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কাল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্রিয়া সংঘটনের সময়কে কাল বলে। ক্রিয়ার কাজটি এখন ঘটে, আগে ঘটেছে, নাকি পরে ঘটবে—ক্রিয়াপদের রূপ দিয়ে সেই সময় বোঝানো হয়।
❖ বাংলা ব্যাকরণে কাল প্রধানত বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ—তিন প্রকার। যেমন: ‘পড়ি’, ‘পড়লাম’, ‘পড়ব’।
❖ ক্রিয়ার ধাতু মূলত কাজের ধারণা দেয়; কালের পরিবর্তন প্রকাশ পায় ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি বা রূপে।
❖ ক্রিয়া হলো এমন পদ যার দ্বারা কোনো কাজ করা, ঘটা বা অবস্থার প্রকাশ ঘটে; যেমন খাই, বৃষ্টি হচ্ছে, আছি। কেবল সময়ের নাম দিয়ে নয়, ক্রিয়াপদ পরীক্ষা করে কাল নির্ধারণ করতে হয়।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়ার মৌলিক অর্থবাহী অংশ; যেমন পড়্, কর্, যা-। একই ধাতু থেকে ‘পড়ি–পড়লাম–পড়ব’ তৈরি হওয়ায় কাল পরিবর্তনের নিয়ম স্পষ্ট হয়।
❖ ক্রিয়াবিভক্তি বা কালচিহ্ন হলো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রূপগত উপাদান, যা কাল ও পুরুষ বোঝাতে সাহায্য করে; যেমন পড়ব-এর -ব ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
✧ তিন কালের তুলনা: ‘সে গান গায়’—বর্তমান; ‘সে গান গাইল’—অতীত; ‘সে গান গাইবে’—ভবিষ্যৎ। এখানে কর্তা ও কাজ একই থাকলেও সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
❖ কাল এবং ভাব পৃথক ধারণা: ‘তুমি যাও’ বাক্যে ক্রিয়াটি অনুজ্ঞা বা আদেশ প্রকাশ করছে, আর ‘তুমি যাচ্ছ’ বাক্যে কাজটি বর্তমানে চলছে। একটি কাজের সময় ও বক্তার মনোভাব পৃথকভাবে বুঝতে হয়।
❖ পরীক্ষায় কাল শব্দের সঙ্গে কারক বা প্রাতিপদিক গুলিয়ে ফেলবে না। কারক হলো বাক্যে নামপদের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ক, আর প্রাতিপদিক হলো বিভক্তি গ্রহণের আগে নামপদের মূল রূপ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কারক ⇒ ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক
❖ মহাকাল ⇒ সময়ের বৃহৎ ধারণা, ব্যাকরণিক কাল নয়
❖ প্রাতিপদিক ⇒ বিভক্তিহীন শব্দরূপ
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কাল ⇒ ক্রিয়ার সময়
➤ বর্তমান ⇒ করি
➤ অতীত ⇒ করলাম
➤ ভবিষ্যৎ ⇒ করব
➤ ধাতু ⇒ ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ
➤ ক্রিয়াবিভক্তি ⇒ ক্রিয়ার কাল ও পুরুষের রূপচিহ্ন"
02
🎯 Level 1

০৪. ‘বাঙালিরা ভাত খায়’ কোন কালের উদাহরণ? / ‘গরু ঘাস খায়’—এখানে ‘খায়’ কোন কালের উদাহরণ? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৯]

ক

বর্তমান অনুজ্ঞা

খ

ঘটমান বর্তমান

গ

সাধারণ অতীত

ঘ

সাধারণ বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সাধারণ বর্তমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সাধারণ বর্তমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘বাঙালিরা ভাত খায়’ এবং ‘গরু ঘাস খায়’—দুই বাক্যে ‘খায়’ সাধারণ বর্তমানের রূপ। এটি অভ্যাস, প্রচলিত আচরণ বা সাধারণ সত্য প্রকাশ করে।
❖ ‘খাচ্ছে’ হলে কাজটি এখন চলছে, অর্থাৎ ঘটমান বর্তমান; ‘খেয়েছে’ হলে পুরাঘটিত বর্তমান।
❖ সাধারণ বর্তমানকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান নামেও আলোচনা করা হয়। কিছু ব্যাকরণে নিত্যবৃত্তকে স্বভাবগত বা বারবার সংঘটিত কাজের বিশেষ ব্যবহার হিসেবে পৃথক করা হয়।
❖ অভ্যাস মানে বারবার সংঘটিত স্বভাবগত কাজ; যেমন ‘সে প্রতিদিন ভাত খায়’। ‘বাঙালিরা ভাত খায়’ একটি প্রচলিত অভ্যাস বা সামগ্রিক রীতি নির্দেশ করে।
❖ সাধারণ বর্তমান-এর রূপে চিরন্তন সত্যও বলা যায়: ‘পানি নিচের দিকে প্রবাহিত হয়’, ‘সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে’। এখানে কাজের নির্দিষ্ট শুরু-শেষ গুরুত্ব পায় না।
❖ খাচ্ছে বলা হলে বক্তা চলমান খাওয়ার দৃশ্য বোঝান। ‘খেয়েছে’ বললে কাজ শেষ এবং ‘খেয়েছিল’ বললে পূর্ববর্তী অতীত ঘটনার কথা বোঝায়।
✧ উপভাগের নামের তারতম্য: কিছু ব্যাকরণে অভ্যাসগত ব্যবহারকে ‘নিত্যবৃত্ত বর্তমান’ নাম দেওয়া হয়, অন্য পাঠ্যে তা ‘সাধারণ বর্তমান’-এর অন্তর্ভুক্ত। উত্তর নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট বিকল্প লক্ষ করতে হবে।
❖ এই প্রশ্নের ‘খায়’ একটি সমাপিকা ক্রিয়া, কারণ এটি একাই বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে; অন্য ক্রিয়ার সাহায্য লাগে না।
❖ অনুজ্ঞা থেকে পার্থক্য: ‘তুমি ভাত খাও’ বললে ‘খাও’ নির্দেশও হতে পারে; কিন্তু ‘গরু ঘাস খায়’ একটি বিবৃতিমূলক সাধারণ সত্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বর্তমান অনুজ্ঞা ⇒ ‘খাও’—আদেশসূচক
❖ ঘটমান বর্তমান ⇒ ‘খাচ্ছে’—কাজ চলছে
❖ সাধারণ অতীত ⇒ ‘খেল’—কাজ আগেই শেষ
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সাধারণ বর্তমান ⇒ খায়
➤ ঘটমান বর্তমান ⇒ খাচ্ছে
➤ পুরাঘটিত বর্তমান ⇒ খেয়েছে
➤ নিত্যবৃত্ত ⇒ স্বাভাবিক অভ্যাস
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৭. ‘চার আর তিনে সাত হয়’ কোন কালের উদাহরণ? [জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ইউনিয়ন পরিষদ সচিব: ২৩]

ক

বর্তমান অনুজ্ঞা

খ

ঘটমান বর্তমান

গ

সাধারণ অতীত

ঘ

নিত্যবৃত্ত বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. নিত্যবৃত্ত বর্তমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: নিত্যবৃত্ত বর্তমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘চার আর তিনে সাত হয়’—এটি গাণিতিক চিরন্তন সত্য। এখানে ‘হয়’ একটি নিয়ম বা স্থায়ী সত্য প্রকাশ করছে।
❖ চিরন্তন সত্য, প্রাকৃতিক নিয়ম ও অভ্যাস বোঝাতে নিত্যবৃত্ত বর্তমান ব্যবহৃত হয়: ‘সূর্য ওঠে’, ‘নদীর পানি নিচের দিকে যায়’।
❖ নিত্যবৃত্ত বর্তমান ও সাধারণ বর্তমান একই ক্রিয়ারূপে প্রকাশিত হতে পারে; এই প্রশ্নে স্থায়ী সত্যের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
❖ নিত্যবৃত্ত বর্তমান স্বভাব, নিয়ম, নিয়মিত ঘটনা বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে। এখানে ‘চার আর তিনে সাত হয়’ এমনই গাণিতিক সত্য।
❖ ‘হয়’ সাধারণ বর্তমান ক্রিয়াপদ হলেও বাক্যের অর্থগত ধরন নিত্যবৃত্ত—কারণ সমতা প্রতিবার একই থাকে, একক সাময়িক ঘটনা নয়।
✧ চিরন্তন সত্য হচ্ছে এমন সাধারণ নিয়ম যা নির্দিষ্ট সময়ের ঘটনার ওপর নির্ভর করে না; উদাহরণ: ‘পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে’।
❖ ‘সাত হচ্ছে’ বললে বর্তমান সময়ে কিছু ঘটছে এমন চলমান ভাব; এই নির্দিষ্ট গাণিতিক সমতা প্রকাশের জন্য তা স্বাভাবিক নয়।
❖ ‘সাত হলো’ অতীতে সম্পন্ন গণনা বা ফল ঘোষণা করতে পারে; কিন্তু ‘সাত হয়’ স্থায়ী সম্পর্ক প্রকাশ করে।
❖ সাধারণ বনাম নিত্যবৃত্ত: রূপ উভয় ক্ষেত্রে সমান হতে পারে। পরীক্ষায় যদি বিশেষভাবে নিত্যবৃত্ত বর্তমান বিকল্প থাকে এবং বক্তব্য স্থায়ী সত্য হয়, সেই বিকল্পটি অধিক নির্দিষ্ট।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বর্তমান অনুজ্ঞা ⇒ ‘করো’—আদেশ
❖ ঘটমান বর্তমান ⇒ ‘হচ্ছে’—চলমান
❖ সাধারণ অতীত ⇒ ‘হলো’—অতীত
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ গাণিতিক সত্য ⇒ নিত্যবৃত্ত বর্তমান
➤ হয় ⇒ বর্তমানরূপ
➤ স্বাভাবিক নিয়ম ⇒ নিত্যবৃত্ত
➤ ঘটছে ⇒ ঘটমান বর্তমান
04
🎯 Level 1

১০. ‘উসাইন বই পড়ছে’ কোন কালের উদাহরণ? / ‘বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে’ বাক্যটি কোন ধরনের বর্তমান কাল নির্দেশ করে? [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক: ২২]

ক

সাধারণ বর্তমান

খ

ঘটমান বর্তমান

গ

নিত্যবৃত্ত বর্তমান

ঘ

পুরাঘটিত বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:খ. ঘটমান বর্তমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ঘটমান বর্তমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘উসাইন বই পড়ছে’ এবং ‘বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে’—এখানে দুটি কাজই চলমান।
❖ ঘটমান বর্তমান শনাক্ত করতে ক্রিয়ায় ‘-ছে’ জাতীয় রূপ এবং এখন কাজটি চলছে কি না লক্ষ করতে হয়।
❖ ‘পড়ে’ সাধারণ বর্তমান, ‘পড়েছে’ পুরাঘটিত বর্তমান এবং ‘পড়বে’ ভবিষ্যৎ; একই ধাতুর ভিন্ন রূপে ভিন্ন কাল প্রকাশিত।
❖ ঘটমান বর্তমান: এই মুহূর্তে কোনো কাজ চলছে; যেমন ‘উসাইন বই পড়ছে’, ‘বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে’।
❖ ‘পড়ছে’ ক্রিয়াপদ ‘পড়্’ ধাতুর চলিত ঘটমান বর্তমান; ‘যাচ্ছে’ হলো ‘যা-’ ধাতুর চলমান রূপ। দুটিতেই কাজ এখনও শেষ হয়নি।
❖ কর্তা হলো যে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে কিছু বলা হয়; এখানে উসাইন এবং বালকেরা কর্তা, পড়ছে/যাচ্ছে হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
❖ ‘উসাইন বই পড়বে’ লিখলে ভবিষ্যৎ, ‘পড়েছে’ লিখলে পুরাঘটিত বর্তমান, ‘পড়ে’ লিখলে সাধারণ বর্তমান।
❖ সাধারণ বর্তমান ও নিত্যবৃত্ত বর্তমান স্বভাবগত কাজ বোঝাতে পারে; ‘বালকেরা রোজ স্কুলে যায়’ হলে সে অর্থ আসত।
✧ মুখ্য নিয়ম: বাক্যে ক্রিয়ার সাথে ছি/ছ/ছে থাকলেই যান্ত্রিকভাবে রায় না দিয়ে দেখবে কাজটি চলমান কি না; এখানে তা সুস্পষ্ট।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সাধারণ বর্তমান ⇒ ‘পড়ে/যায়’
❖ নিত্যবৃত্ত বর্তমান ⇒ নিয়মিত বা অভ্যাসগত ঘটনা
❖ পুরাঘটিত বর্তমান ⇒ ‘পড়েছে/গিয়েছে’
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পড়ছে ⇒ ঘটমান বর্তমান
➤ যাচ্ছে ⇒ ঘটমান বর্তমান
➤ পড়ে ⇒ সাধারণ বর্তমান
➤ পড়েছে ⇒ পুরাঘটিত বর্তমান
05
🎯 Level 1

১৩. ‘ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে স্বাধীন হয়েছে বাংলাদেশ’—এটি কোন কাল? [শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী: ১৯]

ক

সাধারণ বর্তমান

খ

ঘটমান বর্তমান

গ

নিত্যবৃত্ত বর্তমান

ঘ

পুরাঘটিত বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. পুরাঘটিত বর্তমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: পুরাঘটিত বর্তমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে’—‘হয়েছে’ ক্রিয়ায় সম্পন্ন ঘটনার বর্তমান ফল প্রকাশ পেয়েছে।
❖ স্বাধীনতা অর্জন একটি অতীত ঘটনা, কিন্তু স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব বর্তমানে অব্যাহত; এই ভাষাগত দৃষ্টিতে এটি পুরাঘটিত বর্তমান।
❖ তুলনা: ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হলো’ সাধারণ অতীত ঘটনার বর্ণনা; ‘স্বাধীন হয়েছিল’ পুরাঘটিত অতীতের রূপ।
❖ ‘স্বাধীন হয়েছে’ ক্রিয়াপদটি হওয়া ধাতুর পুরাঘটিত বর্তমান রূপ; স্বাধীনতা অর্জন সম্পন্ন, স্বাধীনতার অবস্থা বর্তমান।
❖ সময় ও ক্রিয়ার রূপ: ঐতিহাসিক ঘটনাটি ১৯৭১ সালে সংঘটিত হলেও ‘হয়েছে’ ব্যাকরণিকভাবে বর্তমান কালের সম্পন্ন রূপ—এটিই পরীক্ষায় নির্ণেয়।
❖ ক্রিয়ার ফল বলতে সম্পন্ন কাজের বর্তমান অবস্থা বা প্রভাবকে বোঝায়। ‘দরজা বন্ধ হয়েছে’—এখন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা; ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে’—স্বাধীনতার অবস্থা অব্যাহত।
❖ ‘স্বাধীন হয়েছিল’ বললে পুরাঘটিত অতীতের ভাব; ‘স্বাধীন হলো’ বললে সাধারণ অতীতের ঘটনাবর্ণনা।
❖ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঐতিহাসিকতা আলাদা আলোচ্য; এখানে প্রশ্নটি ‘হয়েছে’ ক্রিয়ার কাল নিয়ে, স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে নয়।
✧ প্রধান কৌশল: বাক্যের ঘটনা পুরোনো কি না দেখে কাল ঠিক করবে না; প্রথমে নির্দিষ্ট ক্রিয়াপদের রূপ চিনবে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সাধারণ বর্তমান ⇒ ‘স্বাধীন থাকে’ রূপে বর্তমান বর্ণনা
❖ ঘটমান বর্তমান ⇒ ‘স্বাধীন হচ্ছে’—চলমান
❖ নিত্যবৃত্ত বর্তমান ⇒ বারবার/স্বভাবত ঘটে
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ স্বাধীন হয়েছে ⇒ পুরাঘটিত বর্তমান
➤ স্বাধীন হলো ⇒ সাধারণ অতীত
➤ স্বাধীন হয়েছিল ⇒ পুরাঘটিত অতীত
➤ হয়েছে ⇒ সম্পন্ন ক্রিয়া
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৬. ‘বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ’ বাক্যের ক্রিয়াটি কোন কালের? / ‘বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ’—এই বাক্যের ক্রিয়াটি কোন কালের উদাহরণ? [মাউশি অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর: ২০]

ক

সাধারণ বর্তমান

খ

সাধারণ অতীত

গ

পুরাঘটিত অতীত

ঘ

পুরাঘটিত বর্তমান

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. পুরাঘটিত বর্তমান

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: পুরাঘটিত বর্তমান
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ’—এখানে ‘লিখেছি’ পুরাঘটিত বর্তমান ক্রিয়ারূপ।
❖ লেখার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু তার ভাবগত ফল বা তাৎপর্য এখনো বর্তমান—এই অর্থে পুরাঘটিত বর্তমানের ব্যবহার।
❖ ‘লিখলাম’ সাধারণ অতীত, ‘লিখছিলাম’ ঘটমান অতীত এবং ‘লিখেছিলাম’ পুরাঘটিত অতীত—রূপগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
❖ ‘বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ’—এখানে ‘লিখেছি’ উত্তম পুরুষের পুরাঘটিত বর্তমান রূপ।
❖ রূপ বিশ্লেষণ: ‘লিখ্’ ধাতু → ‘লিখেছি’। কাজ সম্পন্ন হয়েছে; এর সঙ্গে বর্তমানেও গৌরব, স্মৃতি ও দায়িত্বের ভাব সংযুক্ত।
❖ কাব্যিক রূপক: ‘বুকের রক্তে লেখা’ আক্ষরিক লেখার কাজ নয়; স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের গভীর স্মারক। তবে কাব্যিক অর্থ থাকলেও ব্যাকরণিক ক্রিয়ার কাল বদলায় না।
❖ ‘লিখছি’ ঘটমান বর্তমান; ‘লিখলাম’ সাধারণ অতীত; ‘লিখেছিলাম’ পুরাঘটিত অতীত; ‘লিখব’ সাধারণ ভবিষ্যৎ।
❖ সমাপিকা ক্রিয়া ‘লিখেছি’ একাই বাক্যের সময় নির্দেশ করছে; ‘বুকের রক্তে’ ক্রিয়াকে অলংকারিকভাবে বিশেষিত করেছে।
✧ বাক্যার্থ বনাম রূপার্থ: কবিতার স্বাধীনতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অতীত হলেও ক্রিয়াপদের রূপ বর্তমান সম্পন্ন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সাধারণ বর্তমান ⇒ ‘লিখি’
❖ সাধারণ অতীত ⇒ ‘লিখলাম’
❖ পুরাঘটিত অতীত ⇒ ‘লিখেছিলাম’
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ লিখেছি ⇒ পুরাঘটিত বর্তমান
➤ লিখলাম ⇒ সাধারণ অতীত
➤ লিখছিলাম ⇒ ঘটমান অতীত
➤ লিখেছিলাম ⇒ পুরাঘটিত অতীত
07
🎯 Level 1

১৯. নিচের কোনটি নিত্যবৃত্ত অতীত? [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক: ১৬]

ক

পড়লাম

খ

পড়িতেছিলাম

গ

পড়তাম

ঘ

পড়াব

✅ সঠিক উত্তর:গ. পড়তাম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: পড়তাম — নিত্যবৃত্ত অতীত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘পড়তাম’ ক্রিয়ারূপটি অতীতে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস বোঝাতে পারে। তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত।
❖ ‘পড়লাম’ একটি অতীত ঘটনা; ‘পড়িতেছিলাম’ অতীতে কাজ চলছিল; ‘পড়াব’ ভবিষ্যতের কাজ।
❖ একই ‘পড়্’ ধাতুর রূপ পাল্টে অভ্যাস, সম্পন্নতা ও চলমানতা আলাদা বোঝানো সম্ভব।
❖ ‘পড়তাম’ একটি নিত্যবৃত্ত অতীত ক্রিয়ারূপ, যা অতীতে পড়ার স্বাভাবিক বা অভ্যাসগত কাজ বোঝায়।
❖ রূপ বিশ্লেষণ: পড়্ ধাতুর সঙ্গে অভ্যাসগত অতীতের রূপ যুক্ত হয়ে ‘পড়তাম’। উত্তম পুরুষের অতীত অভ্যাস এখানে প্রকাশিত।
❖ ‘পড়লাম’ অতীতের একটি সম্পন্ন কাজ, তাই সাধারণ অতীত; ‘পড়িতেছিলাম’ সাধু রীতির ঘটমান অতীত।
❖ ‘পড়াব’ ভবিষ্যতে কাউকে পড়ানোর কাজ বোঝায়; এখানে ‘পড়া’ ও ‘পড়ানো’—ধাতুগত কারণগত পার্থক্যও আছে।
❖ নিত্যবৃত্ত অতীত-এর বিপরীতে ঘটমান অতীত একটি নির্দিষ্ট অতীত মুহূর্তে কাজ চলছিল বোঝায়: ‘গতকাল সন্ধ্যায় পড়ছিলাম’।
✧ সহজ পরীক্ষণ: ‘আগে নিয়মিত ...’ বসিয়ে বাক্যটি স্বাভাবিক হয় কি না দেখো: ‘আগে নিয়মিত পড়তাম’—সঙ্গত; ‘আগে নিয়মিত পড়লাম’—সাধারণভাবে সঙ্গত নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পড়লাম ⇒ সাধারণ অতীত
❖ পড়িতেছিলাম ⇒ ঘটমান অতীত
❖ পড়াব ⇒ সাধারণ ভবিষ্যৎ
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পড়তাম ⇒ নিত্যবৃত্ত অতীত
➤ পড়লাম ⇒ সাধারণ অতীত
➤ পড়িতেছিলাম ⇒ ঘটমান অতীত
➤ পড়াব ⇒ ভবিষ্যৎ
08
🎯 Level 1

২২. ‘আমি যদি পাখি হতাম’ কোন কালের উদাহরণ? / ‘তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো’ বাক্যটিতে ‘যেতে’ শব্দটি ক্রিয়ার কোন কাল? [রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ২০]

ক

পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ

খ

নিত্যবৃত্ত বর্তমান

গ

নিত্যবৃত্ত অতীত

ঘ

পুরাঘটিত অতীত

✅ সঠিক উত্তর:গ. নিত্যবৃত্ত অতীত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: নিত্যবৃত্ত অতীতের শর্তসূচক প্রয়োগ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘আমি যদি পাখি হতাম’ এবং ‘তুমি যদি যেতে’—ক্রিয়াগুলো অতীতের রূপে কল্পিত বা শর্তাধীন পরিস্থিতি প্রকাশ করছে।
❖ এখানে বাস্তবে কোনো অতীতের অভ্যাস নেই; ‘হতাম/যেতে’ রূপের বিশেষ শর্তসূচক প্রয়োগ রয়েছে। প্রচলিত ব্যাকরণের পরীক্ষায় একে নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার ধরা হয়।
❖ ‘যদি ... তবে ...’ গঠনে শর্ত ও ফল থাকে। যেমন ‘যদি বৃষ্টি হতো, আমরা ঘরে থাকতাম’।
❖ ‘আমি যদি পাখি হতাম’ বাক্যে ‘হতাম’ হলো নিত্যবৃত্ত অতীতের সদৃশ রূপ, কিন্তু অর্থে অতীত অভ্যাস নয়; এটি অবাস্তব কল্পনা বা শর্ত।
❖ শর্তবাচক বা সাপেক্ষ ভাব হলো এমন প্রকাশ, যেখানে একটি ঘটনা অন্য শর্তের ওপর নির্ভর করে; যেমন ‘যদি যেতে, তবে ভালো হতো’।
✧ রূপগত ও অর্থগত পার্থক্য: ‘শৈশবে আমি খেলতাম’—প্রকৃত অতীত অভ্যাস; ‘আমি যদি উড়তে পারতাম’—বর্তমানের অবাস্তব আকাঙ্ক্ষা। দুটিতে ‘-তাম’ থাকলেও অর্থ ভিন্ন।
❖ ‘যেতে’ একা অসমাপিকা বা শর্তাত্মক প্রসঙ্গের অংশ হতে পারে। ‘যদি’ ও ‘তবে’ শর্ত এবং ফলকে সংযুক্ত করে।
❖ পুরাঘটিত অতীত ‘গিয়েছিলাম’—অতীতে পূর্বসম্পন্ন কাজ, আর পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ ‘গিয়ে থাকব’—অনুমান বা ভবিষ্যৎ সম্পন্নতার ভাব। এ দুটিই এই বাক্যের সুনির্দিষ্ট অর্থ নয়।
✧ সঠিক শ্রেণিবিভাগ: প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে ‘নিত্যবৃত্ত অতীত’ রূপগতভাবে নিকটতম; ভাবগতভাবে সাপেক্ষ/কল্পনামূলক ব্যবহারটি আলাদা করে বুঝতে হবে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ ⇒ ‘করে থাকব’
❖ নিত্যবৃত্ত বর্তমান ⇒ ‘রোজ যাই’
❖ পুরাঘটিত অতীত ⇒ ‘গিয়েছিলাম’
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ হতাম ⇒ শর্তসূচক অতীতরূপ
➤ যেতে ⇒ কল্পিত শর্ত
➤ যদি...তবে ⇒ শর্ত ও ফল
➤ নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট প্রয়োগ
➤ ‘হতাম’ ⇒ নিত্য অতীত রূপ হলেও অবাস্তব শর্ত প্রকাশ করতে পারে
Advertisement
09
🎯 Level 1

৩০. বাংলায় অনুজ্ঞা পদগুলো হচ্ছে— [ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৭]

ক

বিশেষ্য পদের রূপ

খ

বিশেষণ পদের রূপ

গ

সর্বনাম পদের রূপ

ঘ

ক্রিয়া পদের রূপ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক্রিয়া পদের রূপ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ক্রিয়াপদের রূপ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ অনুজ্ঞা প্রকাশ পায় ক্রিয়াপদের বিশেষ রূপে; যেমন ‘যাও’, ‘করো’, ‘করুন’, ‘বলবেন’।
❖ বিশেষ্য ব্যক্তি/বস্তুর নাম, বিশেষণ গুণ বা অবস্থা, সর্বনাম নামের পরিবর্তে বসে। এদের কোনোটি নিজে অনুজ্ঞার ক্রিয়ারূপ নয়।
❖ বাক্যের ‘বসুন’ ক্রিয়াপদটি বক্তার বিনীত নির্দেশ বা অনুরোধ বুঝিয়ে অনুজ্ঞা ভাব প্রকাশ করে।
❖ অনুজ্ঞা পদ হলো আদেশ, অনুরোধ, নির্দেশ, নিষেধ ইত্যাদি প্রকাশকারী ক্রিয়াপদের বিশেষ রূপ। যেমন ‘আসো’, ‘বসুন’, ‘যেও না’।
❖ ক্রিয়াপদ কাজ করা, হওয়া বা থাকা বোঝায়। ‘যাও’ দিয়ে যাওয়া কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রকাশিত হওয়ায় এটি ক্রিয়াপদ।
❖ বিশেষ্য নাম বোঝায়: ছেলে, বই, দেশ; বিশেষণ গুণ বা পরিমাণ: ভালো, বড়, পাঁচ; সর্বনাম নামের বিকল্প: আমি, তুমি, সে।
✧ রূপান্তর: ‘তুমি বই পড়ো’ অনুজ্ঞা, ‘তুমি বই পড়ছ’ ঘটমান বর্তমান, ‘তুমি বই পড়বে’ সাধারণ ভবিষ্যৎ।
❖ অনুজ্ঞা শুধু আদেশ নয়: ‘সুখী হও’ আশীর্বাদ; ‘দয়া করে বসুন’ অনুরোধ; ‘যেও না’ নিষেধ—সবই ক্রিয়ার রূপে প্রকাশিত।
❖ বাক্যে ক্রিয়া না দেখলে শুধু বিশেষ্য বা বিশেষণ থেকে অনুজ্ঞা নির্ণয় করা যায় না; ‘ভালো’ বিশেষণ কিন্তু ‘ভালো থেকো’ অনুজ্ঞা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বিশেষ্য পদের রূপ ⇒ নাম বোঝায়
❖ বিশেষণ পদের রূপ ⇒ গুণ বোঝায়
❖ সর্বনাম পদের রূপ ⇒ নামের বদলে বসে
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ যাও/বসুন ⇒ ক্রিয়াপদ
➤ অনুজ্ঞা ⇒ ক্রিয়ার ভাব
➤ বিশেষ্য ⇒ নাম
➤ সর্বনাম ⇒ নামের পরিবর্তে
10
🎯 Level 1

৩৩. কোন বাক্যটিতে অনুজ্ঞা আছে? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০৫]

ক

আবার তোরা মানুষ হ

খ

মানুষ মরণশীল

গ

সে বই পড়ে

ঘ

কুষ্টিয়া বড় শহর

✅ সঠিক উত্তর:ক. আবার তোরা মানুষ হ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: আবার তোরা মানুষ হ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘আবার তোরা মানুষ হ’ বাক্যে ‘হ’ দিয়ে কাউকে উপদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে; তাই অনুজ্ঞা রয়েছে।
❖ ‘মানুষ মরণশীল’ একটি চিরন্তন সত্য, ‘সে বই পড়ে’ সাধারণ বর্তমানের বিবৃতি, ‘কুষ্টিয়া বড় শহর’ একটি বর্ণনামূলক উক্তি।
❖ অনুজ্ঞাসূচক ক্রিয়া সাধারণত শ্রোতাকে লক্ষ্য করে বলা হয়; এখানে ‘তোরা’ সম্বোধনটি তা স্পষ্ট করে।
❖ ‘আবার তোরা মানুষ হ’—এখানে হ (হওয়ার আদেশসূচক রূপ) দিয়ে চরিত্র ও মানবিক গুণ অর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
❖ অনুজ্ঞা বক্তা শ্রোতাকে কোনো কাজ বা আচরণে উৎসাহিত করার রূপ; আদেশ, আহ্বান ও উপদেশ—সবই এর অন্তর্ভুক্ত।
❖ ‘মানুষ মরণশীল’ একটি সাধারণ সত্যের বিবৃতি; এতে কাউকে কাজ করতে বলা হয়নি।
❖ ‘সে বই পড়ে’ সাধারণ বর্তমান কাজের বর্ণনা; ‘কুষ্টিয়া বড় শহর’ একটি বর্ণনামূলক বাক্য, অনুজ্ঞার ক্রিয়া নেই।
✧ ভাব-বিচার: ‘মানুষ হ’ অর্থ জন্মগতভাবে মানুষ হয়ে যাওয়ার নির্দেশ নয়; নৈতিক অর্থে মানবিক হও।
❖ আহ্বানমূলক অনুজ্ঞা-র অন্য উদাহরণ: ‘জাগো’, ‘চলো’, ‘দেশকে ভালোবাসো’। এ সব ক্ষেত্রে শ্রোতাকে কর্মে উদ্দীপ্ত করা হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মানুষ মরণশীল ⇒ নিত্য সত্য
❖ সে বই পড়ে ⇒ সাধারণ বর্তমান
❖ কুষ্টিয়া বড় শহর ⇒ বর্ণনামূলক উক্তি
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মানুষ হ ⇒ উপদেশমূলক অনুজ্ঞা
➤ মানুষ মরণশীল ⇒ চিরন্তন সত্য
➤ সে বই পড়ে ⇒ সাধারণ বর্তমান
➤ কুষ্টিয়া বড় শহর ⇒ বিবৃতি
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন