01
🎯 Level 1
০১. ক্রিয়া সম্পাদনের সময়কে কী বলে? [কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক: ২১]
✅ সঠিক উত্তর:খ. কাল
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কাল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্রিয়া সংঘটনের সময়কে কাল বলে। ক্রিয়ার কাজটি এখন ঘটে, আগে ঘটেছে, নাকি পরে ঘটবে—ক্রিয়াপদের রূপ দিয়ে সেই সময় বোঝানো হয়।
❖ বাংলা ব্যাকরণে কাল প্রধানত বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ—তিন প্রকার। যেমন: ‘পড়ি’, ‘পড়লাম’, ‘পড়ব’।
❖ ক্রিয়ার ধাতু মূলত কাজের ধারণা দেয়; কালের পরিবর্তন প্রকাশ পায় ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি বা রূপে।
❖ ক্রিয়া হলো এমন পদ যার দ্বারা কোনো কাজ করা, ঘটা বা অবস্থার প্রকাশ ঘটে; যেমন খাই, বৃষ্টি হচ্ছে, আছি। কেবল সময়ের নাম দিয়ে নয়, ক্রিয়াপদ পরীক্ষা করে কাল নির্ধারণ করতে হয়।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়ার মৌলিক অর্থবাহী অংশ; যেমন পড়্, কর্, যা-। একই ধাতু থেকে ‘পড়ি–পড়লাম–পড়ব’ তৈরি হওয়ায় কাল পরিবর্তনের নিয়ম স্পষ্ট হয়।
❖ ক্রিয়াবিভক্তি বা কালচিহ্ন হলো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রূপগত উপাদান, যা কাল ও পুরুষ বোঝাতে সাহায্য করে; যেমন পড়ব-এর -ব ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
✧ তিন কালের তুলনা: ‘সে গান গায়’—বর্তমান; ‘সে গান গাইল’—অতীত; ‘সে গান গাইবে’—ভবিষ্যৎ। এখানে কর্তা ও কাজ একই থাকলেও সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
❖ কাল এবং ভাব পৃথক ধারণা: ‘তুমি যাও’ বাক্যে ক্রিয়াটি অনুজ্ঞা বা আদেশ প্রকাশ করছে, আর ‘তুমি যাচ্ছ’ বাক্যে কাজটি বর্তমানে চলছে। একটি কাজের সময় ও বক্তার মনোভাব পৃথকভাবে বুঝতে হয়।
❖ পরীক্ষায় কাল শব্দের সঙ্গে কারক বা প্রাতিপদিক গুলিয়ে ফেলবে না। কারক হলো বাক্যে নামপদের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ক, আর প্রাতিপদিক হলো বিভক্তি গ্রহণের আগে নামপদের মূল রূপ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কারক ⇒ ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক
❖ মহাকাল ⇒ সময়ের বৃহৎ ধারণা, ব্যাকরণিক কাল নয়
❖ প্রাতিপদিক ⇒ বিভক্তিহীন শব্দরূপ
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কাল ⇒ ক্রিয়ার সময়
➤ বর্তমান ⇒ করি
➤ অতীত ⇒ করলাম
➤ ভবিষ্যৎ ⇒ করব
➤ ধাতু ⇒ ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ
➤ ক্রিয়াবিভক্তি ⇒ ক্রিয়ার কাল ও পুরুষের রূপচিহ্ন"
◈ সঠিক উত্তর: কাল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্রিয়া সংঘটনের সময়কে কাল বলে। ক্রিয়ার কাজটি এখন ঘটে, আগে ঘটেছে, নাকি পরে ঘটবে—ক্রিয়াপদের রূপ দিয়ে সেই সময় বোঝানো হয়।
❖ বাংলা ব্যাকরণে কাল প্রধানত বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ—তিন প্রকার। যেমন: ‘পড়ি’, ‘পড়লাম’, ‘পড়ব’।
❖ ক্রিয়ার ধাতু মূলত কাজের ধারণা দেয়; কালের পরিবর্তন প্রকাশ পায় ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি বা রূপে।
❖ ক্রিয়া হলো এমন পদ যার দ্বারা কোনো কাজ করা, ঘটা বা অবস্থার প্রকাশ ঘটে; যেমন খাই, বৃষ্টি হচ্ছে, আছি। কেবল সময়ের নাম দিয়ে নয়, ক্রিয়াপদ পরীক্ষা করে কাল নির্ধারণ করতে হয়।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়ার মৌলিক অর্থবাহী অংশ; যেমন পড়্, কর্, যা-। একই ধাতু থেকে ‘পড়ি–পড়লাম–পড়ব’ তৈরি হওয়ায় কাল পরিবর্তনের নিয়ম স্পষ্ট হয়।
❖ ক্রিয়াবিভক্তি বা কালচিহ্ন হলো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রূপগত উপাদান, যা কাল ও পুরুষ বোঝাতে সাহায্য করে; যেমন পড়ব-এর -ব ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
✧ তিন কালের তুলনা: ‘সে গান গায়’—বর্তমান; ‘সে গান গাইল’—অতীত; ‘সে গান গাইবে’—ভবিষ্যৎ। এখানে কর্তা ও কাজ একই থাকলেও সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
❖ কাল এবং ভাব পৃথক ধারণা: ‘তুমি যাও’ বাক্যে ক্রিয়াটি অনুজ্ঞা বা আদেশ প্রকাশ করছে, আর ‘তুমি যাচ্ছ’ বাক্যে কাজটি বর্তমানে চলছে। একটি কাজের সময় ও বক্তার মনোভাব পৃথকভাবে বুঝতে হয়।
❖ পরীক্ষায় কাল শব্দের সঙ্গে কারক বা প্রাতিপদিক গুলিয়ে ফেলবে না। কারক হলো বাক্যে নামপদের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ক, আর প্রাতিপদিক হলো বিভক্তি গ্রহণের আগে নামপদের মূল রূপ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কারক ⇒ ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক
❖ মহাকাল ⇒ সময়ের বৃহৎ ধারণা, ব্যাকরণিক কাল নয়
❖ প্রাতিপদিক ⇒ বিভক্তিহীন শব্দরূপ
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কাল ⇒ ক্রিয়ার সময়
➤ বর্তমান ⇒ করি
➤ অতীত ⇒ করলাম
➤ ভবিষ্যৎ ⇒ করব
➤ ধাতু ⇒ ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ
➤ ক্রিয়াবিভক্তি ⇒ ক্রিয়ার কাল ও পুরুষের রূপচিহ্ন"