🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাক্য, বাক্যের গঠন ও প্রকারভেদ

◉ বাংলা ব্যাকরণ›বাক্য, বাক্যের গঠন ও প্রকারভেদ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚88মোট প্রশ্ন
🎯5মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. বাক্যের প্রধান তিনটি অংশ— [এনএসআই ফিল্ড অফিসার: ২১]

ক

সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয়

খ

ধ্বনি, শব্দ, বাক্য

গ

বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ

ঘ

কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল ধারণা: এই প্রশ্নে “কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া” নির্ধারণ করতে বাক্যের ভাষিক স্তর, বাক্যে পদগুলোর কাজ এবং বাক্যের অর্থগত বিভাজন—এই বিষয়গুলোর পার্থক্য বুঝতে হবে।
❖ “রহিম বই পড়ে” বাক্যে রহিম কর্তা, বই কর্ম, পড়ে সমাপিকা ক্রিয়া।
❖ “পাখি উড়ে” বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়া আছে, কিন্তু কর্ম নেই; তাই প্রত্যেক বাক্যে কর্ম থাকা বাধ্যতামূলক নয়।
❖ প্রশ্নের ‘তিনটি অংশ’ বলতে প্রচলিত কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার কাঠামো বোঝানো হয়েছে; উদ্দেশ্য-বিধেয় হলো আলাদা দ্বিবিভাগ।
❖ শব্দ হলো অর্থবোধক ভাষিক একক; বাক্যে ব্যবহারের সময় শব্দ নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক কাজ করে পদ হয়। ধ্বনি শব্দের উচ্চারিত ক্ষুদ্র একক, আর বর্ণ সেই ধ্বনির লিখিত প্রতীক।
❖ উদ্দেশ্য হলো বাক্যে যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয় এবং বিধেয় হলো উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যে বক্তব্য দেওয়া হয়। এই অর্থগত দ্বিভাগ কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ থেকে পৃথক।
❖ বাক্য হলো এক বা একাধিক সুবিন্যস্ত পদে গঠিত এমন ভাষিক প্রকাশ, যার মাধ্যমে বক্তার একটি সম্পূর্ণ বক্তব্য বোঝা যায়। বাক্য হতে হলে শুধু শব্দের সারি যথেষ্ট নয়; অর্থপূর্ণ সম্পর্কও জরুরি।
❖ ব্যবহারিক উদাহরণ: “রিনা আজ বই পড়েছে”—এ বাক্যে রিনা কর্তা/উদ্দেশ্য, বই কর্ম এবং পড়েছে সমাপিকা ক্রিয়া; একেক স্তরের নাম একেক কাজে ব্যবহৃত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয় ⇒ সমাস, উপসর্গ ও প্রত্যয় মূলত শব্দগঠনের প্রক্রিয়া/উপকরণ; এখানে চাওয়া বাক্যস্তরের পরিচয় নয়।
❖ খ. ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ⇒ ধ্বনি মৌখিক ভাষার ক্ষুদ্র শ্রবণযোগ্য একক; বাক্যে সরাসরি যে পদ/শব্দ কাজ করছে সেই স্তর নয়।
❖ গ. বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ⇒ “বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ” এখানে শব্দ, পদ, উদ্দেশ্য-বিধেয় বা কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার লক্ষ্যভেদে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 01 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — রহিম বই পড়ে বাক্যে রহিম কর্তা, বই কর্ম, পড়ে সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — পাখি উড়ে বাক্যে কর্তা ও ক্রিয়া আছে, কিন্তু কর্ম নেই; তাই প্রত্যেক বাক্যে কর্ম থাকা বাধ্যতামূলক নয়।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — প্রশ্নের ‘তিনটি অংশ’ বলতে প্রচলিত কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার কাঠামো বোঝানো হয়েছে; উদ্দেশ্য-বিধেয় হলো আলাদা দ্বিবিভাগ।
➤ উদ্দেশ্য কী? — যার বিষয়ে বক্তব্য।
➤ বিধেয় কী? — উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়।
➤ শব্দ ও পদ এক? — শব্দ বাক্যে ব্যাকরণিক ভূমিকা পেলে পদ।
➤ ধ্বনি কী? — ভাষার উচ্চারিত ক্ষুদ্র একক।
➤ বর্ণ কী? — ধ্বনির লিখিত চিহ্ন।
➤ উদাহরণ — রহিম বই পড়ে ⇒ কর্তা–কর্ম–ক্রিয়া।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — ধ্বনি, শব্দ, পদ ও বাক্য আলাদা করো ⇒ কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া।"
02
🎯 Level 1

০৫. প্রতিটি বাক্যে প্রধানত কয়টি অংশ থাকে? [জনতা ব্যাংকের অফিসার: ০৮]

ক

২ টি

খ

৩ টি

গ

৪ টি

ঘ

৫ টি

✅ সঠিক উত্তর:ক. ২ টি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ২ টি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল ধারণা: এই প্রশ্নে “২ টি” নির্ধারণ করতে বাক্যের ভাষিক স্তর, বাক্যে পদগুলোর কাজ এবং বাক্যের অর্থগত বিভাজন—এই বিষয়গুলোর পার্থক্য বুঝতে হবে।
❖ “রাহুল মাঠে খেলছে”—উদ্দেশ্য ‘রাহুল’, বিধেয় ‘মাঠে খেলছে’।
❖ উদ্দেশ্যের বিস্তার থাকতে পারে: ‘আমাদের গ্রামের মেধাবী ছাত্র রাহুল’ একটি বিস্তৃত উদ্দেশ্য।
❖ বিধেয়ের মধ্যে ক্রিয়া ও তার পরিপূরক কর্ম, সময়, স্থান ইত্যাদি থাকতে পারে।
❖ বাক্য হলো এক বা একাধিক সুবিন্যস্ত পদে গঠিত এমন ভাষিক প্রকাশ, যার মাধ্যমে বক্তার একটি সম্পূর্ণ বক্তব্য বোঝা যায়। বাক্য হতে হলে শুধু শব্দের সারি যথেষ্ট নয়; অর্থপূর্ণ সম্পর্কও জরুরি।
❖ কর্তা ক্রিয়া সম্পাদনকারী বা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি/বস্তু; কর্ম ক্রিয়ার প্রভাবগ্রাহী উপাদান; ক্রিয়া কাজ, ঘটা বা অবস্থার প্রকাশক পদ। অকর্মক ক্রিয়ায় কর্ম নাও থাকতে পারে।
❖ ভাষা বিশ্লেষণের স্তর: ধ্বনি/বর্ণ → শব্দ → পদ → পদসমষ্টি/খণ্ডবাক্য → বাক্য। প্রতিটি স্তরের কাজ ভিন্ন, তাই “বাক্যের একক” ও “ভাষার ক্ষুদ্রতম একক” গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
❖ ব্যবহারিক উদাহরণ: “রিনা আজ বই পড়েছে”—এ বাক্যে রিনা কর্তা/উদ্দেশ্য, বই কর্ম এবং পড়েছে সমাপিকা ক্রিয়া; একেক স্তরের নাম একেক কাজে ব্যবহৃত।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. ৩ টি ⇒ “৩ টি” এখানে শব্দ, পদ, উদ্দেশ্য-বিধেয় বা কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার লক্ষ্যভেদে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর নয়।
❖ গ. ৪ টি ⇒ “৪ টি” এখানে শব্দ, পদ, উদ্দেশ্য-বিধেয় বা কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার লক্ষ্যভেদে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর নয়।
❖ ঘ. ৫ টি ⇒ “৫ টি” এখানে শব্দ, পদ, উদ্দেশ্য-বিধেয় বা কর্তা-কর্ম-ক্রিয়ার লক্ষ্যভেদে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 05 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — ২ টি।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — রাহুল মাঠে খেলছে—উদ্দেশ্য ‘রাহুল’, বিধেয় ‘মাঠে খেলছে’।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — উদ্দেশ্যের বিস্তার থাকতে পারে: ‘আমাদের গ্রামের মেধাবী ছাত্র রাহুল’ একটি বিস্তৃত উদ্দেশ্য।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — বিধেয়ের মধ্যে ক্রিয়া ও তার পরিপূরক কর্ম, সময়, স্থান ইত্যাদি থাকতে পারে।
➤ ধ্বনি কী? — ভাষার উচ্চারিত ক্ষুদ্র একক।
➤ বর্ণ কী? — ধ্বনির লিখিত চিহ্ন।
➤ উদাহরণ — রহিম বই পড়ে ⇒ কর্তা–কর্ম–ক্রিয়া।
➤ কর্তা কী? — যে ব্যক্তি/বস্তু ক্রিয়ার সঙ্গে কর্তৃসম্পর্কে থাকে।
➤ কর্ম কী? — ক্রিয়ার প্রভাবগ্রাহী বা অবলম্বন।
➤ সমাপিকা ক্রিয়া কী? — যে ক্রিয়া দিয়ে পূর্ণ বক্তব্য শেষ হয়।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — ধ্বনি, শব্দ, পদ ও বাক্য আলাদা করো ⇒ ২ টি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. ২ টি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১১. বাক্য হওয়ার জন্য বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি? [জনতা ব্যাংকের অফিসার: ১৫]

ক

যোগ্যতা

খ

মাধুর্য

গ

আকাঙ্ক্ষা

ঘ

আসক্তি

✅ সঠিক উত্তর:খ. মাধুর্য

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: মাধুর্য
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সঠিক ব্যাকরণিক পরিচয়: “মাধুর্য” বোঝার জন্য বাক্যটি পূর্ণ কি না, পদগুলোর নৈকট্য বজায় আছে কি না এবং অর্থটি বাস্তব/প্রসঙ্গসম্মত কি না—এই তিন পরীক্ষা জরুরি।
❖ ‘মাধুর্য’ মানে শ্রুতিমধুরতা বা প্রকাশের সৌন্দর্য; এটি শৈলীর গুণ।
❖ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা—এগুলো বাক্য পূর্ণ ও অর্থবোধক কি না যাচাইয়ের মৌলিক মানদণ্ড।
❖ ‘আজ বৃষ্টি হচ্ছে’ বাক্যটি খুব সাধারণ হলেও পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করায় সার্থক।
❖ আসত্তি (নৈকট্য) মানে বাক্যের পরস্পর-সম্পর্কিত পদগুলোর যৌক্তিক সংলগ্নতা ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস। পরীক্ষায় এটি “আসক্তি” শব্দের সঙ্গে এক করে নেওয়া ঠিক নয়।
❖ সার্থক বাক্যের তিন গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। মাধুর্য, অলংকার, আবেগ ইত্যাদি রচনাকে উন্নত করতে পারে, কিন্তু এগুলো সব বাক্যের বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
❖ আকাঙ্ক্ষা মানে একটি পদ শুনে বাক্যের ভাব পূর্ণ হওয়ার জন্য পরবর্তী পদ শোনার প্রত্যাশা; তা অপূর্ণ থাকলে শ্রোতা আরও তথ্য চায়।
❖ পরীক্ষার কৌশল: “মাধুর্য” বাছার আগে একই বাক্যকে একবার স্বাভাবিক পদক্রমে সাজাও এবং অর্থ পূর্ণ হচ্ছে কি না মিলিয়ে নাও।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. যোগ্যতা ⇒ যোগ্যতা শব্দগুলোর অর্থগত সামঞ্জস্যের শর্ত; আলোচ্য বিকল্পটি যে দিক জানতে চায় তার সঙ্গে মেলে না।
❖ গ. আকাঙ্ক্ষা ⇒ আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ বক্তব্যের জন্য পরবর্তী পদ-প্রত্যাশা বোঝায়; এখানে সেটি প্রশ্নের লক্ষ্য নয়।
❖ ঘ. আসক্তি ⇒ আসক্তি সাধারণত অনুরাগ/নেশা বোঝায়; পরীক্ষায় আসত্তি (নৈকট্য) পরিভাষা থেকে এটি পৃথক।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 11 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — মাধুর্য।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ‘মাধুর্য’ মানে শ্রুতিমধুরতা বা প্রকাশের সৌন্দর্য; এটি শৈলীর গুণ।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা—এগুলো বাক্য পূর্ণ ও অর্থবোধক কি না যাচাইয়ের মৌলিক মানদণ্ড।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ‘আজ বৃষ্টি হচ্ছে’ বাক্যটি খুব সাধারণ হলেও পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করায় সার্থক।
➤ অসংলগ্ন পদবিন্যাস ⇒ আসত্তির সমস্যা।
➤ অর্থগত অসংগতি ⇒ যোগ্যতার সমস্যা।
➤ তিন গুণকে আলাদা করে শনাক্ত করাই পরীক্ষার কৌশল।
➤ সার্থক বাক্যের প্রধান গুণ — আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা।
➤ আকাঙ্ক্ষা — অন্য পদ শোনার প্রত্যাশা।
➤ আসত্তি — সম্পর্কিত পদের সংলগ্নতা/সুবিন্যাস।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — অর্থের পূর্ণতা ও শব্দের সম্পর্ক ⇒ মাধুর্য।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. মাধুর্য।
04
🎯 Level 1

১৫. ‘বাজার শেষ করে বাড়ি’—এখানে বাক্যের কোন গুণের অভাব রয়েছে? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ১৬]

ক

যোগ্যতা

খ

আকাঙ্ক্ষা

গ

আসক্তি

ঘ

মাধুর্য

✅ সঠিক উত্তর:খ. আকাঙ্ক্ষা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: আকাঙ্ক্ষা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সঠিক ব্যাকরণিক পরিচয়: “আকাঙ্ক্ষা” বোঝার জন্য বাক্যটি পূর্ণ কি না, পদগুলোর নৈকট্য বজায় আছে কি না এবং অর্থটি বাস্তব/প্রসঙ্গসম্মত কি না—এই তিন পরীক্ষা জরুরি।
❖ ‘বাজার শেষ করে বাড়ি’ শুনে ‘ফিরল/গেল/এল’—এমন সমাপিকা অংশ প্রত্যাশিত।
❖ পূর্ণ বাক্য: ‘বাজার শেষ করে সে বাড়ি ফিরল।’
❖ বাক্যাংশে ক্রিয়া বা বিধেয় অসম্পূর্ণ থাকলে আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ রয়ে যায়, যদিও পৃথক শব্দগুলো অর্থপূর্ণ।
❖ আকাঙ্ক্ষা মানে একটি পদ শুনে বাক্যের ভাব পূর্ণ হওয়ার জন্য পরবর্তী পদ শোনার প্রত্যাশা; তা অপূর্ণ থাকলে শ্রোতা আরও তথ্য চায়।
❖ যোগ্যতা হলো বাক্যের পদসমূহের অর্থগত ও প্রাসঙ্গিক সামঞ্জস্য। অর্থহীন বা বাস্তবের সঙ্গে অসংগত পদসংযোগে যোগ্যতার অভাব ঘটে; সাহিত্যিক রূপক ব্যতিক্রম হতে পারে।
❖ বাক্যের ত্রুটি শনাক্তের তিন ধাপ: বক্তব্য অসম্পূর্ণ কি না → পদগুলোর সম্পর্ক/বিন্যাস ঠিক কি না → প্রকাশিত অর্থ বা প্রসঙ্গ যৌক্তিক কি না।
❖ পরীক্ষার কৌশল: “আকাঙ্ক্ষা” বাছার আগে একই বাক্যকে একবার স্বাভাবিক পদক্রমে সাজাও এবং অর্থ পূর্ণ হচ্ছে কি না মিলিয়ে নাও।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. যোগ্যতা ⇒ যোগ্যতা শব্দগুলোর অর্থগত সামঞ্জস্যের শর্ত; আলোচ্য বিকল্পটি যে দিক জানতে চায় তার সঙ্গে মেলে না।
❖ গ. আসক্তি ⇒ আসক্তি সাধারণত অনুরাগ/নেশা বোঝায়; পরীক্ষায় আসত্তি (নৈকট্য) পরিভাষা থেকে এটি পৃথক।
❖ ঘ. মাধুর্য ⇒ মাধুর্য রচনার শ্রুতিমধুর গুণ; বাক্যের সার্থকতার বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 15 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — আকাঙ্ক্ষা।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ‘বাজার শেষ করে বাড়ি’ শুনে ‘ফিরল/গেল/এল’—এমন সমাপিকা অংশ প্রত্যাশিত।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — পূর্ণ বাক্য: ‘বাজার শেষ করে সে বাড়ি ফিরল।’
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — বাক্যাংশে ক্রিয়া বা বিধেয় অসম্পূর্ণ থাকলে আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ রয়ে যায়, যদিও পৃথক শব্দগুলো অর্থপূর্ণ।
➤ সার্থক বাক্যের প্রধান গুণ — আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা।
➤ আকাঙ্ক্ষা — অন্য পদ শোনার প্রত্যাশা।
➤ আসত্তি — সম্পর্কিত পদের সংলগ্নতা/সুবিন্যাস।
➤ যোগ্যতা — অর্থগত ও প্রাসঙ্গিক সামঞ্জস্য।
➤ মাধুর্য — ভাষার সৌন্দর্যগুণ; বাধ্যতামূলক গুণ নয়।
➤ অসম্পূর্ণ বক্তব্য ⇒ আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — অর্থের পূর্ণতা ও শব্দের সম্পর্ক ⇒ আকাঙ্ক্ষা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. আকাঙ্ক্ষা।
05
🎯 Level 1

১৯. বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্য সুসংবদ্ধ পদবিন্যাসই হলো— [বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী সার্জেন্ট: ০৫]

ক

মাধুর্য

খ

আসক্তি

গ

আকাঙ্ক্ষা

ঘ

যোগ্যতা

✅ সঠিক উত্তর:খ. আসক্তি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: আসক্তি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সঠিক ব্যাকরণিক পরিচয়: “আসক্তি” বোঝার জন্য বাক্যটি পূর্ণ কি না, পদগুলোর নৈকট্য বজায় আছে কি না এবং অর্থটি বাস্তব/প্রসঙ্গসম্মত কি না—এই তিন পরীক্ষা জরুরি।
❖ আসত্তি বা নৈকট্য বলতে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত পদগুলোর সুশৃঙ্খল সংযোগ বোঝায়।
❖ ‘সে আজ বাড়ি যাবে’ বাক্যে ক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কাল ও স্থানবাচক পদ উপযুক্ত ক্রমে আছে।
❖ ‘আজ বাড়ি সে যাবে’ বাক্যটিও বিশেষ জোরে গ্রহণযোগ্য; আসত্তিকে যান্ত্রিক অনড় পদক্রম বলে ভাবা ভুল।
❖ বাক্যের ত্রুটি শনাক্তের তিন ধাপ: বক্তব্য অসম্পূর্ণ কি না → পদগুলোর সম্পর্ক/বিন্যাস ঠিক কি না → প্রকাশিত অর্থ বা প্রসঙ্গ যৌক্তিক কি না।
❖ আসত্তি (নৈকট্য) মানে বাক্যের পরস্পর-সম্পর্কিত পদগুলোর যৌক্তিক সংলগ্নতা ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস। পরীক্ষায় এটি “আসক্তি” শব্দের সঙ্গে এক করে নেওয়া ঠিক নয়।
❖ সার্থক বাক্যের তিন গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। মাধুর্য, অলংকার, আবেগ ইত্যাদি রচনাকে উন্নত করতে পারে, কিন্তু এগুলো সব বাক্যের বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
❖ পরীক্ষার কৌশল: “আসক্তি” বাছার আগে একই বাক্যকে একবার স্বাভাবিক পদক্রমে সাজাও এবং অর্থ পূর্ণ হচ্ছে কি না মিলিয়ে নাও।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মাধুর্য ⇒ মাধুর্য রচনার শ্রুতিমধুর গুণ; বাক্যের সার্থকতার বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
❖ গ. আকাঙ্ক্ষা ⇒ আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ বক্তব্যের জন্য পরবর্তী পদ-প্রত্যাশা বোঝায়; এখানে সেটি প্রশ্নের লক্ষ্য নয়।
❖ ঘ. যোগ্যতা ⇒ যোগ্যতা শব্দগুলোর অর্থগত সামঞ্জস্যের শর্ত; আলোচ্য বিকল্পটি যে দিক জানতে চায় তার সঙ্গে মেলে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 19 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — আসক্তি।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — আসত্তি বা নৈকট্য বলতে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত পদগুলোর সুশৃঙ্খল সংযোগ বোঝায়।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ‘সে আজ বাড়ি যাবে’ বাক্যে ক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কাল ও স্থানবাচক পদ উপযুক্ত ক্রমে আছে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ‘আজ বাড়ি সে যাবে’ বাক্যটিও বিশেষ জোরে গ্রহণযোগ্য; আসত্তিকে যান্ত্রিক অনড় পদক্রম বলে ভাবা ভুল।
➤ যোগ্যতা — অর্থগত ও প্রাসঙ্গিক সামঞ্জস্য।
➤ মাধুর্য — ভাষার সৌন্দর্যগুণ; বাধ্যতামূলক গুণ নয়।
➤ অসম্পূর্ণ বক্তব্য ⇒ আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ।
➤ অসংলগ্ন পদবিন্যাস ⇒ আসত্তির সমস্যা।
➤ অর্থগত অসংগতি ⇒ যোগ্যতার সমস্যা।
➤ তিন গুণকে আলাদা করে শনাক্ত করাই পরীক্ষার কৌশল।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — অর্থের পূর্ণতা ও শব্দের সম্পর্ক ⇒ আসক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. আসক্তি।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২২. সাধারণত বাংলা বাক্যে— [জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৫]

ক

ক্রিয়ার পর কর্ম বসে

খ

কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে

গ

কর্মের পর ক্রিয়া, তারপর কর্তা বসে

ঘ

কর্ম, কর্তা ও ক্রিয়ার অবস্থান পরিবর্তনশীল

✅ সঠিক উত্তর:খ. কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গঠন শনাক্তকরণ: “কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে” নির্ধারণে প্রধান খণ্ডবাক্য, আশ্রিত অংশ, সমাপিকা ক্রিয়া ও সংযোজকের সম্পর্ক বিচার করতে হয়। শুধু শব্দ বা কমার উপস্থিতি দিয়ে শ্রেণি স্থির করা যায় না।
❖ বাংলার স্বাভাবিক শব্দক্রম Subject–Object–Verb (SOV): “নীলা (কর্তা) গল্প (কর্ম) পড়ে (ক্রিয়া)”।
❖ ইংরেজির সাধারণ ক্রম Subject–Verb–Object (SVO): “Nila reads a story.”
❖ কর্ম না-থাকা অকর্মক ক্রিয়ায় ক্রম হবে কর্তা–ক্রিয়া, যেমন “নীলা হাসে”।
❖ সাপেক্ষ গঠন চেনার সূত্র: ‘যে–সে’, ‘যখন–তখন’, ‘যদি–তবে’, ‘যদিও–তবুও’, ‘যত–তত’। তবে শুধুই সংযোজক দেখে নয়, খণ্ডবাক্যগুলোর স্বাধীনতা পরীক্ষা করতে হবে।
❖ সরল বাক্য সাধারণত একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য ও একটি প্রধান সমাপিকা ক্রিয়াকেন্দ্রিক বক্তব্য প্রকাশ করে; অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও বাক্য সরল হতে পারে।
❖ যৌগিক বাক্য-এ দুই বা ততোধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘তবে’, ‘নইলে’, ‘তাই’ ইত্যাদির মাধ্যমে বা সংযোজক উহ্য রেখে যুক্ত হতে পারে।
❖ প্রয়োগপদ্ধতি: প্রথমে প্রশ্নের উদ্ধৃতিতে সমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো; তারপর খণ্ডবাক্যগুলো নিজে পূর্ণ বাক্য হতে পারে কি না দেখো। এই পরীক্ষায় “কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে” ফল পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ক্রিয়ার পর কর্ম বসে ⇒ “ক্রিয়ার পর কর্ম বসে” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
❖ গ. কর্মের পর ক্রিয়া, তারপর কর্তা বসে ⇒ “কর্মের পর ক্রিয়া, তারপর কর্তা বসে” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
❖ ঘ. কর্ম, কর্তা ও ক্রিয়ার অবস্থান পরিবর্তনশীল ⇒ “কর্ম, কর্তা ও ক্রিয়ার অবস্থান পরিবর্তনশীল” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 22 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — বাংলার স্বাভাবিক শব্দক্রম Subject–Object–Verb (SOV): নীলা (কর্তা) গল্প (কর্ম) পড়ে (ক্রিয়া)।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — ইংরেজির সাধারণ ক্রম Subject–Verb–Object (SVO): Nila reads a story.
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — কর্ম না-থাকা অকর্মক ক্রিয়ায় ক্রম হবে কর্তা–ক্রিয়া, যেমন নীলা হাসে।
➤ যৌগিক — সমমর্যাদার একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য।
➤ যে–সে — সম্পর্কসূচক জটিল গঠন।
➤ যদি–তবে — শর্তসূচক জটিল গঠন।
➤ যদিও–তবুও — ছাড়সাপেক্ষ জটিল গঠন।
➤ কিন্তু/এবং/নইলে — সমন্বয়কারী যোগসূত্র হতে পারে।
➤ একটি বাক্যে “এবং” থাকলেই তা যৌগিক নয়; যুক্ত অংশ দুটি স্বাধীন কি না দেখো।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পৃথক করো ⇒ কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. কর্তার পর কর্ম, তারপর ক্রিয়া বসে।
07
🎯 Level 1

২৬. ‘কর্মরত ব্যক্তিকে বিরক্ত করো না’—এটি গঠন অনুসারে কোন বাক্য? [বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার: ১৯]

ক

যৌগিক

খ

জটিল

গ

সরল

ঘ

মিশ্র

✅ সঠিক উত্তর:গ. সরল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: সরল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গঠন শনাক্তকরণ: “সরল” নির্ধারণে প্রধান খণ্ডবাক্য, আশ্রিত অংশ, সমাপিকা ক্রিয়া ও সংযোজকের সম্পর্ক বিচার করতে হয়। শুধু শব্দ বা কমার উপস্থিতি দিয়ে শ্রেণি স্থির করা যায় না।
❖ “কর্মরত” বিশেষণ পদ; সেটি ‘ব্যক্তি’কে বিশেষিত করছে, আলাদা পূর্ণ খণ্ডবাক্য নয়।
❖ “বিরক্ত করো না” একটিই নিষেধসূচক সমাপিকা ক্রিয়া।
❖ গঠন অনুসারে সরল এবং ভাব অনুসারে অনুজ্ঞাবাচক—একই বাক্যের দুটি আলাদা শ্রেণিবিচার।
❖ যৌগিক বাক্য-এ দুই বা ততোধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘তবে’, ‘নইলে’, ‘তাই’ ইত্যাদির মাধ্যমে বা সংযোজক উহ্য রেখে যুক্ত হতে পারে।
❖ সাপেক্ষ গঠন চেনার সূত্র: ‘যে–সে’, ‘যখন–তখন’, ‘যদি–তবে’, ‘যদিও–তবুও’, ‘যত–তত’। তবে শুধুই সংযোজক দেখে নয়, খণ্ডবাক্যগুলোর স্বাধীনতা পরীক্ষা করতে হবে।
❖ সরল বাক্য সাধারণত একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য ও একটি প্রধান সমাপিকা ক্রিয়াকেন্দ্রিক বক্তব্য প্রকাশ করে; অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও বাক্য সরল হতে পারে।
❖ প্রয়োগপদ্ধতি: প্রথমে প্রশ্নের উদ্ধৃতিতে সমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো; তারপর খণ্ডবাক্যগুলো নিজে পূর্ণ বাক্য হতে পারে কি না দেখো। এই পরীক্ষায় “সরল” ফল পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. যৌগিক ⇒ যৌগিকের জন্য সমমর্যাদার একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য চাই; এখানে প্রশ্নে লক্ষ্য করা সম্পর্ক ভিন্ন।
❖ খ. জটিল ⇒ জটিল/মিশ্র বাক্যের লক্ষণ প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের নির্ভরশীল সম্পর্ক; আলোচ্য উদাহরণে নির্ধারিত গঠনটি তা নয়।
❖ ঘ. মিশ্র ⇒ জটিল/মিশ্র বাক্যের লক্ষণ প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের নির্ভরশীল সম্পর্ক; আলোচ্য উদাহরণে নির্ধারিত গঠনটি তা নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 26 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — সরল।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — কর্মরত বিশেষণ পদ; সেটি ‘ব্যক্তি’কে বিশেষিত করছে, আলাদা পূর্ণ খণ্ডবাক্য নয়।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — বিরক্ত করো না একটিই নিষেধসূচক সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — গঠন অনুসারে সরল এবং ভাব অনুসারে অনুজ্ঞাবাচক—একই বাক্যের দুটি আলাদা শ্রেণিবিচার।
➤ যদিও–তবুও — ছাড়সাপেক্ষ জটিল গঠন।
➤ কিন্তু/এবং/নইলে — সমন্বয়কারী যোগসূত্র হতে পারে।
➤ একটি বাক্যে “এবং” থাকলেই তা যৌগিক নয়; যুক্ত অংশ দুটি স্বাধীন কি না দেখো।
➤ গঠন অনুসারে বাক্য — সরল, জটিল, যৌগিক।
➤ সরল — একক স্বাধীন বক্তব্য/প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ জটিল বা মিশ্র — প্রধান + আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পৃথক করো ⇒ সরল।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. সরল।
08
🎯 Level 1

২৯. ‘সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে’ বাক্যটি— / ‘রক্ষকই ভক্ষক’ বাক্যটি কোন জাতীয় বাক্য? [বিপিএসসি অফিসার ক্যাশ: ২২]

ক

সরল

খ

জটিল

গ

যৌগিক

ঘ

মিশ্র

✅ সঠিক উত্তর:ক. সরল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: সরল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গঠন শনাক্তকরণ: “সরল” নির্ধারণে প্রধান খণ্ডবাক্য, আশ্রিত অংশ, সমাপিকা ক্রিয়া ও সংযোজকের সম্পর্ক বিচার করতে হয়। শুধু শব্দ বা কমার উপস্থিতি দিয়ে শ্রেণি স্থির করা যায় না।
❖ “রক্ষকই ভক্ষক”—এটি ক্রিয়া উহ্য থাকা সংক্ষিপ্ত নামবাচক বিধেয়যুক্ত সরল বাক্য।
❖ “সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে”—‘ডুবাও’ অনুজ্ঞাসূচক একক ক্রিয়া।
❖ কর্তা উহ্য হলেও বাক্য একক বক্তব্য প্রকাশ করলে সরল হতে পারে।
❖ বাক্যরূপান্তরের মূল নিয়ম হলো অর্থ অক্ষুণ্ণ রাখা। জটিল থেকে সরলে আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে বিশেষণ, বিশেষ্যগুচ্ছ বা অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করা যায়; যৌগিক করতে স্বাধীন অংশ সাজাতে হয়।
❖ জটিল বা মিশ্র বাক্য-এ একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে একটি বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে; আশ্রিত অংশ প্রধান অংশের শর্ত, সময়, কারণ, বিশেষণ বা বিষয়বস্তু প্রকাশ করে।
❖ সমাপিকা ক্রিয়া নিজে বাক্যের বক্তব্য শেষ করতে পারে—যেমন ‘গেল’; অসমাপিকা ক্রিয়া অন্য ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে—যেমন ‘গিয়ে’, ‘করলে’, ‘হলেও’।
❖ প্রয়োগপদ্ধতি: প্রথমে প্রশ্নের উদ্ধৃতিতে সমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো; তারপর খণ্ডবাক্যগুলো নিজে পূর্ণ বাক্য হতে পারে কি না দেখো। এই পরীক্ষায় “সরল” ফল পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. জটিল ⇒ জটিল/মিশ্র বাক্যের লক্ষণ প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের নির্ভরশীল সম্পর্ক; আলোচ্য উদাহরণে নির্ধারিত গঠনটি তা নয়।
❖ গ. যৌগিক ⇒ যৌগিকের জন্য সমমর্যাদার একাধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য চাই; এখানে প্রশ্নে লক্ষ্য করা সম্পর্ক ভিন্ন।
❖ ঘ. মিশ্র ⇒ জটিল/মিশ্র বাক্যের লক্ষণ প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের নির্ভরশীল সম্পর্ক; আলোচ্য উদাহরণে নির্ধারিত গঠনটি তা নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 29 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — সরল।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — রক্ষকই ভক্ষক—এটি ক্রিয়া উহ্য থাকা সংক্ষিপ্ত নামবাচক বিধেয়যুক্ত সরল বাক্য।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে—‘ডুবাও’ অনুজ্ঞাসূচক একক ক্রিয়া।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — কর্তা উহ্য হলেও বাক্য একক বক্তব্য প্রকাশ করলে সরল হতে পারে।
➤ যদিও–তবুও — ছাড়সাপেক্ষ জটিল গঠন।
➤ কিন্তু/এবং/নইলে — সমন্বয়কারী যোগসূত্র হতে পারে।
➤ একটি বাক্যে “এবং” থাকলেই তা যৌগিক নয়; যুক্ত অংশ দুটি স্বাধীন কি না দেখো।
➤ গঠন অনুসারে বাক্য — সরল, জটিল, যৌগিক।
➤ সরল — একক স্বাধীন বক্তব্য/প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ জটিল বা মিশ্র — প্রধান + আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পৃথক করো ⇒ সরল।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. সরল।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৩৫. ‘যেমন কাজ করবে, তেমন ফল পাবে’ বাক্যটির সরল রূপ কোনটি? [বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী পরিচালক: ১৬]

ক

কাজ অনুযায়ী ফল পাবে

খ

যেমন কর্ম তেমন ফল

গ

ফলেই কর্মের পরিচয়

ঘ

কাজের উপর ফল নির্ভর করে

✅ সঠিক উত্তর:ক. কাজ অনুযায়ী ফল পাবে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: কাজ অনুযায়ী ফল পাবে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গঠন শনাক্তকরণ: “কাজ অনুযায়ী ফল পাবে” নির্ধারণে প্রধান খণ্ডবাক্য, আশ্রিত অংশ, সমাপিকা ক্রিয়া ও সংযোজকের সম্পর্ক বিচার করতে হয়। শুধু শব্দ বা কমার উপস্থিতি দিয়ে শ্রেণি স্থির করা যায় না।
❖ “যেমন কাজ করবে, তেমন ফল পাবে”—এটি দুটি পরস্পর-নির্ভর সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য।
❖ “কাজ অনুযায়ী ফল পাবে” বাক্যে সাপেক্ষ অংশকে ‘অনুযায়ী’ অনুসর্গ দিয়ে একক বিধেয়ে সংকুচিত করা হয়েছে।
❖ রূপান্তরে অর্থগত অনুপাত বজায় রাখা জরুরি: কাজের ধরন অনুযায়ী ফল।
❖ বাক্যরূপান্তরের মূল নিয়ম হলো অর্থ অক্ষুণ্ণ রাখা। জটিল থেকে সরলে আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে বিশেষণ, বিশেষ্যগুচ্ছ বা অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করা যায়; যৌগিক করতে স্বাধীন অংশ সাজাতে হয়।
❖ জটিল বা মিশ্র বাক্য-এ একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে একটি বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে; আশ্রিত অংশ প্রধান অংশের শর্ত, সময়, কারণ, বিশেষণ বা বিষয়বস্তু প্রকাশ করে।
❖ সমাপিকা ক্রিয়া নিজে বাক্যের বক্তব্য শেষ করতে পারে—যেমন ‘গেল’; অসমাপিকা ক্রিয়া অন্য ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে—যেমন ‘গিয়ে’, ‘করলে’, ‘হলেও’।
❖ প্রয়োগপদ্ধতি: প্রথমে প্রশ্নের উদ্ধৃতিতে সমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো; তারপর খণ্ডবাক্যগুলো নিজে পূর্ণ বাক্য হতে পারে কি না দেখো। এই পরীক্ষায় “কাজ অনুযায়ী ফল পাবে” ফল পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. যেমন কর্ম তেমন ফল ⇒ “যেমন কর্ম তেমন ফল” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
❖ গ. ফলেই কর্মের পরিচয় ⇒ “ফলেই কর্মের পরিচয়” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
❖ ঘ. কাজের উপর ফল নির্ভর করে ⇒ “কাজের উপর ফল নির্ভর করে” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 35 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — কাজ অনুযায়ী ফল পাবে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — যেমন কাজ করবে, তেমন ফল পাবে—এটি দুটি পরস্পর-নির্ভর সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — কাজ অনুযায়ী ফল পাবে বাক্যে সাপেক্ষ অংশকে ‘অনুযায়ী’ অনুসর্গ দিয়ে একক বিধেয়ে সংকুচিত করা হয়েছে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — রূপান্তরে অর্থগত অনুপাত বজায় রাখা জরুরি: কাজের ধরন অনুযায়ী ফল।
➤ যদিও–তবুও — ছাড়সাপেক্ষ জটিল গঠন।
➤ কিন্তু/এবং/নইলে — সমন্বয়কারী যোগসূত্র হতে পারে।
➤ একটি বাক্যে “এবং” থাকলেই তা যৌগিক নয়; যুক্ত অংশ দুটি স্বাধীন কি না দেখো।
➤ গঠন অনুসারে বাক্য — সরল, জটিল, যৌগিক।
➤ সরল — একক স্বাধীন বক্তব্য/প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ জটিল বা মিশ্র — প্রধান + আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পৃথক করো ⇒ কাজ অনুযায়ী ফল পাবে।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. কাজ অনুযায়ী ফল পাবে।
10
🎯 Level 1

৩৮. ‘শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়ছে, বৃষ্টির বিরাম নেই’—এর সমন্বিত সরল রূপ কোনটি?

ক

শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে

খ

শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়বে

গ

শস্য শ্যামল, তাই বৃষ্টি নেই

ঘ

বৃষ্টি পড়ছে এবং শস্য নষ্ট হচ্ছে

✅ সঠিক উত্তর:ক. শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গঠন শনাক্তকরণ: “শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে” নির্ধারণে প্রধান খণ্ডবাক্য, আশ্রিত অংশ, সমাপিকা ক্রিয়া ও সংযোজকের সম্পর্ক বিচার করতে হয়। শুধু শব্দ বা কমার উপস্থিতি দিয়ে শ্রেণি স্থির করা যায় না।
❖ “শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়ছে” এবং “বৃষ্টির বিরাম নেই”—দুটি তথ্য একত্র হয়েছে।
❖ “অবিরাম” ক্রিয়াবিশেষণটি ‘বিরাম নেই’ অংশের অর্থ বহন করে।
❖ “শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে” একটি স্বাধীন সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত সরল বাক্য।
❖ যৌগিক বাক্য-এ দুই বা ততোধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘তবে’, ‘নইলে’, ‘তাই’ ইত্যাদির মাধ্যমে বা সংযোজক উহ্য রেখে যুক্ত হতে পারে।
❖ সাপেক্ষ গঠন চেনার সূত্র: ‘যে–সে’, ‘যখন–তখন’, ‘যদি–তবে’, ‘যদিও–তবুও’, ‘যত–তত’। তবে শুধুই সংযোজক দেখে নয়, খণ্ডবাক্যগুলোর স্বাধীনতা পরীক্ষা করতে হবে।
❖ সরল বাক্য সাধারণত একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য ও একটি প্রধান সমাপিকা ক্রিয়াকেন্দ্রিক বক্তব্য প্রকাশ করে; অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও বাক্য সরল হতে পারে।
❖ প্রয়োগপদ্ধতি: প্রথমে প্রশ্নের উদ্ধৃতিতে সমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো; তারপর খণ্ডবাক্যগুলো নিজে পূর্ণ বাক্য হতে পারে কি না দেখো। এই পরীক্ষায় “শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে” ফল পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়বে ⇒ “শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়বে” বাক্যে মূল অর্থ, স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংখ্যা অথবা আশ্রিত-প্রধান সম্পর্কের একটি দিক বদলে গেছে।
❖ গ. শস্য শ্যামল, তাই বৃষ্টি নেই ⇒ এবং/কিন্তু/তাই স্বাধীন বক্তব্য যুক্ত করতে পারে; কিন্তু প্রশ্নের মূল অর্থ বা নির্ধারিত গঠনের সঙ্গে এই বিকল্পের মিল নেই।
❖ ঘ. বৃষ্টি পড়ছে এবং শস্য নষ্ট হচ্ছে ⇒ এবং/কিন্তু/তাই স্বাধীন বক্তব্য যুক্ত করতে পারে; কিন্তু প্রশ্নের মূল অর্থ বা নির্ধারিত গঠনের সঙ্গে এই বিকল্পের মিল নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ 38 নম্বর প্রশ্নের সঠিক উত্তর — শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — শ্যামল শস্যে বৃষ্টি পড়ছে এবং বৃষ্টির বিরাম নেই—দুটি তথ্য একত্র হয়েছে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — অবিরাম ক্রিয়াবিশেষণটি ‘বিরাম নেই’ অংশের অর্থ বহন করে।
➤ বিশেষভাবে মনে রাখুন — শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে একটি স্বাধীন সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত সরল বাক্য।
➤ যদিও–তবুও — ছাড়সাপেক্ষ জটিল গঠন।
➤ কিন্তু/এবং/নইলে — সমন্বয়কারী যোগসূত্র হতে পারে।
➤ একটি বাক্যে “এবং” থাকলেই তা যৌগিক নয়; যুক্ত অংশ দুটি স্বাধীন কি না দেখো।
➤ গঠন অনুসারে বাক্য — সরল, জটিল, যৌগিক।
➤ সরল — একক স্বাধীন বক্তব্য/প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া।
➤ জটিল বা মিশ্র — প্রধান + আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
➤ নির্ণয়ের সূত্র — প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পৃথক করো ⇒ শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. শ্যামল শস্যে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন