01
🎯 Level 1
০২. পদের যে রূপ দ্বারা সংখ্যার ধারণা জন্মে তাকে বলে — [৮ম প্রাথমিক নিবন্ধন]
✅ সঠিক উত্তর:গ. বচন
ব্যাখ্যা:
উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: বচন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়। “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
❖ প্রশ্নের বাক্যটিই বচনের সরাসরি সংজ্ঞা।
❖ পদের যে রূপ দ্বারা সংখ্যার ধারণা জন্মে তাকে বচন বলে।
❖ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে; বচন সংখ্যা নির্দেশ করে। “আমরা” উত্তম পুরুষ হয়েও বহুবচন—একই শব্দে দুটি বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে থাকতে পারে।
❖ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন; বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পুরুষ ⇒ বক্তা, শ্রোতা ও অনুপস্থিত ব্যক্তি বোঝায়।
➤ আমি = উত্তম পুরুষ
➤ তুমি = মধ্যম পুরুষ
➤ সে = নাম পুরুষ
❖ ধ্বনি ⇒ ভাষার ক্ষুদ্রতম শ্রুতিগ্রাহ্য একক।
➤ ক, খ, গ, আ ইত্যাদি।
❖ লিঙ্গ ⇒ পুরুষবাচক, স্ত্রীবাচক বা জড়/ক্লীব অর্থের ভেদ বোঝায়।
➤ রাজা–রানি, শিক্ষক–শিক্ষিকা।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়।
➤ “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
➤ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে।
➤ বচন সংখ্যা নির্দেশ করে।
➤ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন।
➤ বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. বচন।
◈ সঠিক উত্তর: বচন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়। “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
❖ প্রশ্নের বাক্যটিই বচনের সরাসরি সংজ্ঞা।
❖ পদের যে রূপ দ্বারা সংখ্যার ধারণা জন্মে তাকে বচন বলে।
❖ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে; বচন সংখ্যা নির্দেশ করে। “আমরা” উত্তম পুরুষ হয়েও বহুবচন—একই শব্দে দুটি বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে থাকতে পারে।
❖ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন; বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পুরুষ ⇒ বক্তা, শ্রোতা ও অনুপস্থিত ব্যক্তি বোঝায়।
➤ আমি = উত্তম পুরুষ
➤ তুমি = মধ্যম পুরুষ
➤ সে = নাম পুরুষ
❖ ধ্বনি ⇒ ভাষার ক্ষুদ্রতম শ্রুতিগ্রাহ্য একক।
➤ ক, খ, গ, আ ইত্যাদি।
❖ লিঙ্গ ⇒ পুরুষবাচক, স্ত্রীবাচক বা জড়/ক্লীব অর্থের ভেদ বোঝায়।
➤ রাজা–রানি, শিক্ষক–শিক্ষিকা।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়।
➤ “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
➤ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে।
➤ বচন সংখ্যা নির্দেশ করে।
➤ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন।
➤ বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. বচন।