🧠 🔖
👑 Premium Topic

বচন ও সংখ্যাবাচক শব্দ

◉ বাংলা ব্যাকরণ›বচন ও সংখ্যাবাচক শব্দ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚90মোট প্রশ্ন
🎯5মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০২. পদের যে রূপ দ্বারা সংখ্যার ধারণা জন্মে তাকে বলে — [৮ম প্রাথমিক নিবন্ধন]

ক

পুরুষ

খ

ধ্বনি

গ

বচন

ঘ

লিঙ্গ

✅ সঠিক উত্তর:গ. বচন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: বচন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়। “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
❖ প্রশ্নের বাক্যটিই বচনের সরাসরি সংজ্ঞা।
❖ পদের যে রূপ দ্বারা সংখ্যার ধারণা জন্মে তাকে বচন বলে।
❖ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে; বচন সংখ্যা নির্দেশ করে। “আমরা” উত্তম পুরুষ হয়েও বহুবচন—একই শব্দে দুটি বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে থাকতে পারে।
❖ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন; বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পুরুষ ⇒ বক্তা, শ্রোতা ও অনুপস্থিত ব্যক্তি বোঝায়।
➤ আমি = উত্তম পুরুষ
➤ তুমি = মধ্যম পুরুষ
➤ সে = নাম পুরুষ
❖ ধ্বনি ⇒ ভাষার ক্ষুদ্রতম শ্রুতিগ্রাহ্য একক।
➤ ক, খ, গ, আ ইত্যাদি।
❖ লিঙ্গ ⇒ পুরুষবাচক, স্ত্রীবাচক বা জড়/ক্লীব অর্থের ভেদ বোঝায়।
➤ রাজা–রানি, শিক্ষক–শিক্ষিকা।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ রূপ বলতে শব্দের ব্যাকরণগত চেহারার পরিবর্তনকে বোঝায়।
➤ “সে” এবং “তারা” একবচন-বহুবচনের সর্বনামগত রূপান্তরের সহজ উদাহরণ।
➤ পুরুষ বক্তা, শ্রোতা ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্ক নির্দেশ করে।
➤ বচন সংখ্যা নির্দেশ করে।
➤ বচনের প্রচলিত প্রধান দুই বিভাগ একবচন ও বহুবচন।
➤ বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের মতো স্বতন্ত্র দ্বিবচন রূপ প্রচলিত নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. বচন।
02
🎯 Level 1

০৫. কোনটি একবচন নির্দেশক? / নিচের কোনটি একবচন বাচক নির্দেশক? [আইসিবি ব্যাংকের অফিসার: ১৪]

ক

গুলি, গুলো, গ্রাম পুঞ্জ

খ

রা, গণ, বৃন্দ, বর্গ

গ

টি, টা, খানা, খানি

ঘ

পাল, যুথ, সব, সকল

✅ সঠিক উত্তর:গ. টি, টা, খানা, খানি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: টি, টা, খানা, খানি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ একবচন নির্দেশক এমন পদাশ্রিত অংশ যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সত্তাকে শনাক্ত করে। “বইটি”, “কলমটা”, “একখানা খাতা”—এগুলোতে এককভাবে বস্তু নির্দেশিত।
❖ টি, টা, খানা, খানি—এগুলো সাধারণত একবচন নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক।
➤ বইটি
➤ কলমটা
➤ একখানা চিঠি
➤ একখানি পত্র
❖ টি/টা কথ্য ও লিখিত উভয় রীতিতে ব্যবহৃত; খানা/খানি বস্তুবাচক বিশেষ্যের সঙ্গে প্রচলিত। “একখানি চিঠি” এবং “একটি চিঠি” উভয়ই শুদ্ধ।
❖ গুলো/গুলি সচরাচর বহুবচন নির্দেশক; গণ/বৃন্দ সম্মানসূচক ব্যক্তিসমষ্টি নির্দেশক। এই দুই ধরনের নির্দেশককে একবচনের সঙ্গে মেলানো যাবে না।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ গুলি, গুলো, গ্রাম পুঞ্জ ⇒ গুলি, গুলো ⇒ বহুবচন নির্দেশক। যেমন: বইগুলো, কলমগুলি।
❖ রা, গণ, বৃন্দ, বর্গ ⇒ ব্যক্তিবাচক বহুবচনে ব্যবহৃত। যেমন: ছাত্ররা, শিক্ষকগণ।
❖ পাল, যুথ, সব, সকল ⇒ দল/সমষ্টি/বহুবচন বোঝায়। যেমন: গরুর পাল, হাতিযুথ, সব মানুষ।
❖ রা, গণ, বৃন্দ, বর্গ ⇒ গুলি, গুলো ⇒ বহুবচন নির্দেশক। যেমন: বইগুলো, কলমগুলি।
❖ রা, গণ, বৃন্দ, বর্গ ⇒ ব্যক্তিবাচক বহুবচনে ব্যবহৃত। যেমন: ছাত্ররা, শিক্ষকগণ।
❖ পাল, যুথ, সব, সকল ⇒ দল/সমষ্টি/বহুবচন বোঝায়। যেমন: গরুর পাল, হাতিযুথ, সব মানুষ।
❖ পাল, যুথ, সব, সকল ⇒ গুলি, গুলো ⇒ বহুবচন নির্দেশক। যেমন: বইগুলো, কলমগুলি।
❖ রা, গণ, বৃন্দ, বর্গ ⇒ ব্যক্তিবাচক বহুবচনে ব্যবহৃত। যেমন: ছাত্ররা, শিক্ষকগণ।
❖ পাল, যুথ, সব, সকল ⇒ দল/সমষ্টি/বহুবচন বোঝায়। যেমন: গরুর পাল, হাতিযুথ, সব মানুষ।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ একবচন নির্দেশক এমন পদাশ্রিত অংশ যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সত্তাকে শনাক্ত করে।
➤ “বইটি”, “কলমটা”, “একখানা খাতা”—এগুলোতে এককভাবে বস্তু নির্দেশিত।
➤ টি/টা কথ্য ও লিখিত উভয় রীতিতে ব্যবহৃত।
➤ খানা/খানি বস্তুবাচক বিশেষ্যের সঙ্গে প্রচলিত।
➤ গুলো/গুলি সচরাচর বহুবচন নির্দেশক।
➤ গণ/বৃন্দ সম্মানসূচক ব্যক্তিসমষ্টি নির্দেশক।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. টি, টা, খানা, খানি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৯. নিচের কোনটি একবচনের দৃষ্টান্ত নয়? [রূপালী ব্যাংকের অফিসার: ১৪]

ক

মেয়েটি

খ

একজন কবি

গ

একটি জীবন

ঘ

বড় বড় গাছ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. বড় বড় গাছ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: বড় বড় গাছ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “বড় বড় গাছ” বাক্যাংশে বিশেষণ বড় পুনরুক্ত হয়েছে; এর ফলে একাধিক বড় গাছের চিত্র প্রকাশিত।
❖ বড় বড় গাছ একাধিক গাছ বোঝাচ্ছে।
❖ “বড় বড়” দ্বিরুক্তি এবং “গাছ” শব্দের প্রসঙ্গ এখানে বহুবচন অর্থ তৈরি করেছে।
❖ তবে বিশেষণ-দ্বিরুক্তি কখনো তীব্রতা প্রকাশও করতে পারে; যেমন “খুব খুব ভালো” শব্দে সরাসরি বস্তুর সংখ্যা নির্ণীত হয় না। শব্দ ও প্রসঙ্গ উভয় যাচাই জরুরি।
❖ “মেয়েটি”, “একজন কবি” ও “একটি জীবন” তিন ক্ষেত্রেই একক নির্দেশক উপস্থিত; তাই এগুলো বহুবচনের নয়।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মেয়েটি ⇒ “টি” একবচন নির্দেশক।
❖ একজন কবি ⇒ “একজন” সরাসরি একবচন নির্দেশ করে।
❖ একটি জীবন ⇒ “একটি” একবচন নির্দেশ করে।
❖ একজন কবি ⇒ মেয়েটি ⇒ “টি” একবচন নির্দেশক।
❖ একজন কবি ⇒ “একজন” সরাসরি একবচন নির্দেশ করে।
❖ একটি জীবন ⇒ “একটি” একবচন নির্দেশ করে।
❖ একটি জীবন ⇒ মেয়েটি ⇒ “টি” একবচন নির্দেশক।
❖ একজন কবি ⇒ “একজন” সরাসরি একবচন নির্দেশ করে।
❖ একটি জীবন ⇒ “একটি” একবচন নির্দেশ করে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ “বড় বড় গাছ” বাক্যাংশে বিশেষণ বড় পুনরুক্ত হয়েছে।
➤ এর ফলে একাধিক বড় গাছের চিত্র প্রকাশিত।
➤ তবে বিশেষণ-দ্বিরুক্তি কখনো তীব্রতা প্রকাশও করতে পারে।
➤ যেমন “খুব খুব ভালো” শব্দে সরাসরি বস্তুর সংখ্যা নির্ণীত হয় না।
➤ “মেয়েটি”, “একজন কবি” ও “একটি জীবন” তিন ক্ষেত্রেই একক নির্দেশক উপস্থিত।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. বড় বড় গাছ।
04
🎯 Level 1

১২. নিচের কোন বহুবচনটি সঠিক? [সিজিডিএফ কার্যালয়ের জুনিয়র অডিটর: ১৯]

ক

মনুষ্যসকল

খ

মনুষ্যসমূহ

গ

পাখিসব

ঘ

ক, খ, গ সবগুলোই

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক, খ, গ সবগুলোই

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ক, খ, গ সবগুলোই
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সকল, সমূহ ও সব—তিনটি শব্দই বহুসংখ্যক ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশে ব্যবহৃত হতে পারে। “মানুষসকল”, “মানুষসমূহ” কিংবা “পাখিসব” অর্থগতভাবে সমষ্টি বোঝায়।
❖ তিনটিই বহুবচন অর্থ প্রকাশ করছে।
➤ মনুষ্যসকল = বহু মানুষ
➤ মনুষ্যসমূহ = বহু মানুষ
➤ পাখিসব = অনেক পাখি
❖ আধুনিক প্রমিত রীতিতে সব গঠন সমান স্বাভাবিক নয়: সব মানুষ বেশি স্বাভাবিক; মানুষসকল সাধু/সাহিত্যিক রীতিতে শোনা যায়।
❖ প্রশ্নের লক্ষ্য ব্যাকরণগত বহুত্ব প্রকাশ, সমসাময়িক বাক্যরীতিতে সবচেয়ে প্রাঞ্জল শব্দটি নির্বাচন নয়।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মনুষ্যসকল ⇒ “মনুষ্যসকল” চাওয়া ক, খ, গ সবগুলোই-এর নির্দিষ্ট অর্থ বা ব্যবহার নির্দেশ করে না; শব্দটির নিজস্ব শ্রেণি বা প্রসঙ্গ পৃথক।
❖ মনুষ্যসমূহ ⇒ “মনুষ্যসমূহ” চাওয়া ক, খ, গ সবগুলোই-এর নির্দিষ্ট অর্থ বা ব্যবহার নির্দেশ করে না; শব্দটির নিজস্ব শ্রেণি বা প্রসঙ্গ পৃথক।
❖ পাখিসব ⇒ “পাখিসব” চাওয়া ক, খ, গ সবগুলোই-এর নির্দিষ্ট অর্থ বা ব্যবহার নির্দেশ করে না; শব্দটির নিজস্ব শ্রেণি বা প্রসঙ্গ পৃথক।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সকল, সমূহ ও সব—তিনটি শব্দই বহুসংখ্যক ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশে ব্যবহৃত হতে পারে।
➤ “মানুষসকল”, “মানুষসমূহ” কিংবা “পাখিসব” অর্থগতভাবে সমষ্টি বোঝায়।
➤ আধুনিক প্রমিত রীতিতে সব গঠন সমান স্বাভাবিক নয়: সব মানুষ বেশি স্বাভাবিক।
➤ মানুষসকল সাধু/সাহিত্যিক রীতিতে শোনা যায়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. ক, খ, গ সবগুলোই।
05
🎯 Level 1

১৭. নিচের কোনটি বহুবচন নির্দেশক শব্দ নয়? / কোনটি বহুবচনজ্ঞাপক শব্দের দৃষ্টান্ত নয়? [রূপালী ব্যাংকের অফিসার: ১৪]

ক

গ্রাম

খ

মহল

গ

দাম

ঘ

ক্ষেত্র

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক্ষেত্র

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ক্ষেত্র
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ক্ষেত্র শব্দের প্রধান অর্থ জায়গা, ক্ষেত, পরিসর বা কাজের বিষয়। এটি নিজে কোনো বহুবচনজ্ঞাপক যোগাংশ নয়।
❖ ক্ষেত্র অর্থ স্থান, পরিসর বা বিষয়।
❖ এটি বহুবচন নির্দেশক শব্দ নয়।
❖ মহল লোকসমষ্টি বোঝায়, যেমন “সুধীমহল”; গ্রাম বিশেষ সমষ্টিবোধক তৎসম গঠনে পাওয়া যায়।
❖ দাম শব্দটি “শৈবালদাম”, “পুষ্পদাম” ইত্যাদিতে মালা/সমষ্টির ভাব দেয়; এখানে দাম অর্থ মূল্য নয়।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ গ্রাম ⇒ বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
❖ মহল ⇒ গোষ্ঠী/সমাজ বোঝায়। যেমন: সুধীমহল।
❖ দাম ⇒ কিছু ব্যাকরণিক তালিকায় সমষ্টিবাচক/বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ধরা হয়।
❖ মহল ⇒ গ্রাম ⇒ বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
❖ মহল ⇒ গোষ্ঠী/সমাজ বোঝায়। যেমন: সুধীমহল।
❖ দাম ⇒ কিছু ব্যাকরণিক তালিকায় সমষ্টিবাচক/বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ধরা হয়।
❖ দাম ⇒ গ্রাম ⇒ বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
❖ মহল ⇒ গোষ্ঠী/সমাজ বোঝায়। যেমন: সুধীমহল।
❖ দাম ⇒ কিছু ব্যাকরণিক তালিকায় সমষ্টিবাচক/বহুবচনজ্ঞাপক হিসেবে ধরা হয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ক্ষেত্র শব্দের প্রধান অর্থ জায়গা, ক্ষেত, পরিসর বা কাজের বিষয়।
➤ এটি নিজে কোনো বহুবচনজ্ঞাপক যোগাংশ নয়।
➤ মহল লোকসমষ্টি বোঝায়, যেমন “সুধীমহল”।
➤ গ্রাম বিশেষ সমষ্টিবোধক তৎসম গঠনে পাওয়া যায়।
➤ দাম শব্দটি “শৈবালদাম”, “পুষ্পদাম” ইত্যাদিতে মালা/সমষ্টির ভাব দেয়।
➤ এখানে দাম অর্থ মূল্য নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. ক্ষেত্র।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২০. কোন পদের সামনে ‘অজস্র’ শব্দটি বসালে বহুবচন হয়? [জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৬]

ক

সর্বনাম

খ

অব্যয়

গ

বিশেষ্য

ঘ

ক্রিয়া

✅ সঠিক উত্তর:গ. বিশেষ্য

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: বিশেষ্য
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ অজস্র শব্দটি সংখ্যাবাচক পরিমাণসূচক বিশেষণ; এর অর্থ অসংখ্য বা প্রচুর। এটি কোনো বিশেষ্যের আগে বসলে বহুত্বের অর্থ তৈরি করে।
❖ অজস্র অর্থ অসংখ্য, অনেক।
❖ এটি বিশেষ্যের আগে বসে বহুবচন অর্থ প্রকাশ করে।
❖ “অজস্র মানুষ”, “অজস্র সমস্যা”, “অজস্র ফুল”—বিশেষ্যের মূল রূপ অপরিবর্তিত থেকেও বহু ব্যক্তি/বস্তু বোঝানো যায়।
❖ বচনচিহ্ন কেবল “-রা” বা “-গুলো” নয়; সংখ্যা ও পরিমাণসূচক বিশেষণও বহুত্বের অর্থ তৈরি করতে পারে।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সর্বনাম ⇒ আমি, তুমি, সে—এসবের আগে “অজস্র” বসে না।
❖ অব্যয় ⇒ এবং, কিন্তু, অথবা—এসবের সংখ্যা নেই।
❖ ক্রিয়া ⇒ করা/যাওয়া/খাওয়া—এসবের আগে “অজস্র” বসিয়ে বহুবচন করা যায় না।
❖ অব্যয় ⇒ সর্বনাম ⇒ আমি, তুমি, সে—এসবের আগে “অজস্র” বসে না।
❖ অব্যয় ⇒ এবং, কিন্তু, অথবা—এসবের সংখ্যা নেই।
❖ ক্রিয়া ⇒ করা/যাওয়া/খাওয়া—এসবের আগে “অজস্র” বসিয়ে বহুবচন করা যায় না।
❖ ক্রিয়া ⇒ সর্বনাম ⇒ আমি, তুমি, সে—এসবের আগে “অজস্র” বসে না।
❖ অব্যয় ⇒ এবং, কিন্তু, অথবা—এসবের সংখ্যা নেই।
❖ ক্রিয়া ⇒ করা/যাওয়া/খাওয়া—এসবের আগে “অজস্র” বসিয়ে বহুবচন করা যায় না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ অজস্র শব্দটি সংখ্যাবাচক পরিমাণসূচক বিশেষণ।
➤ এর অর্থ অসংখ্য বা প্রচুর।
➤ “অজস্র মানুষ”, “অজস্র সমস্যা”, “অজস্র ফুল”—বিশেষ্যের মূল রূপ অপরিবর্তিত থেকেও বহু ব্যক্তি/বস্তু বোঝানো যায়।
➤ বচনচিহ্ন কেবল “-রা” বা “-গুলো” নয়।
➤ সংখ্যা ও পরিমাণসূচক বিশেষণও বহুত্বের অর্থ তৈরি করতে পারে।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. বিশেষ্য।
07
🎯 Level 1

২৪. ‘কাগজ’ শব্দের ফারসি বহুবচনরীতির প্রভাবযুক্ত ঐতিহ্যিক রূপ কোনটি? [ব্রেকবিবির অফিসার: ১১]

ক

কাগজাত

খ

কাগজগুলো

গ

কাগজসমূহ

ঘ

কাগজাদি

✅ সঠিক উত্তর:ক. কাগজাত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: কাগজাত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রচলিত ও অভিধানসমর্থিত শব্দটি কাগজাত, কাগজাত নয়। এর অর্থ কাগজপত্র, দলিলাদির সমষ্টি; ঐতিহাসিকভাবে এটি ফারসি বহুবচনরীতির প্রভাবযুক্ত।
❖ কাগজগুলো, কাগজসমূহ বাংলা প্রমিত রীতিতেও গ্রহণযোগ্য বহুবচন। কাগজাদি কাগজ ও অনুরূপ কাগজপত্রকে বোঝাতে পারে।
❖ অভিধানের বানান আলাদা না করলে পরের ব্যাখ্যাও ভুল হবে; তাই এখানে মূল অপশনে কাগজাত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কাগজগুলো—চলিত ও প্রমিত বাংলা বহুবচন; কিন্তু ফারসি ঐতিহ্যিক রূপ নয়।
❖ কাগজসমূহ—আনুষ্ঠানিক বহুবচন; প্রশ্নের নির্দিষ্ট ব্যুৎপত্তিগত রূপ নয়।
❖ কাগজাদি—কাগজ ও অন্যান্য নথি বোঝায়; ঐতিহ্যিক “কাগজাত”-এর বিকল্প সমার্থ হলেও একই রূপ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রচলিত ও অভিধানসমর্থিত শব্দটি কাগজাত, কাগজাত নয়।
➤ এর অর্থ কাগজপত্র, দলিলাদির সমষ্টি।
➤ কাগজগুলো, কাগজসমূহ বাংলা প্রমিত রীতিতেও গ্রহণযোগ্য বহুবচন।
➤ কাগজাদি কাগজ ও অনুরূপ কাগজপত্রকে বোঝাতে পারে।
➤ অভিধানের বানান আলাদা না করলে পরের ব্যাখ্যাও ভুল হবে।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. কাগজাত।
08
🎯 Level 1

২৭. ‘পর্বত’ শব্দের সঙ্গে ‘পুঞ্জ’ যোগে গঠিত সমষ্টিবাচক রূপ কোনটি? [বিআইডব্লিউটির মিটার রিডার: ২৩]

ক

পর্বতরাজি

খ

পর্বতমালা

গ

পর্বতসমূহ

ঘ

পর্বতপুঞ্জ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. পর্বতপুঞ্জ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: পর্বতপুঞ্জ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পুঞ্জ শব্দের অর্থ স্তূপ, গুচ্ছ, সমবায়; পর্বতপুঞ্জ হলো পরস্পর সংলগ্ন পর্বতের দল বা সমষ্টি।
❖ পর্বতমালা বলে প্রায়ই পর্বতের লম্বা সারি; পর্বতরাজি অনেক পর্বত; পর্বতসমূহ সাধারণ বহুবচন। সবগুলোই অর্থপূর্ণ গঠন।
❖ অতএব পুঞ্জ-যোগে গঠিত নির্দিষ্ট শব্দ চাইলে পর্বতপুঞ্জ নির্ণায়ক; একমাত্র এটিই বহুবচন হয় এমন দাবি সঠিক নয়।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পর্বতরাজি—শুদ্ধ সমষ্টিবাচক রূপ, তবে রাজি-যোগে।
❖ পর্বতমালা—শুদ্ধ সারিবাচক রূপ, কিন্তু মালা-যোগে।
❖ পর্বতসমূহ—শুদ্ধ বহুবচন, তবে প্রশ্নে চাওয়া পুঞ্জ-যোগে নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পুঞ্জ শব্দের অর্থ স্তূপ, গুচ্ছ, সমবায়।
➤ পর্বতপুঞ্জ হলো পরস্পর সংলগ্ন পর্বতের দল বা সমষ্টি।
➤ পর্বতমালা বলে প্রায়ই পর্বতের লম্বা সারি।
➤ পর্বতরাজি অনেক পর্বত।
➤ একমাত্র এটিই বহুবচন হয় এমন দাবি সঠিক নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. পর্বতপুঞ্জ।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৩১. ‘অশ্রুবিন্দু’ কোন বচন? [জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১৭]

ক

বহুবচন

খ

দ্বিত্ব

গ

একবচন

ঘ

কোনো বচন নয়

✅ সঠিক উত্তর:গ. একবচন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: একবচন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ অশ্রুবিন্দু অর্থ চোখের পানির একটি ফোঁটা; “বিন্দু” নিজে একটি ক্ষুদ্র বিন্দু নির্দেশ করে। তাই প্রসঙ্গহীন একক শব্দটির সাধারণ পাঠ একবচন।
❖ অশ্রুবিন্দুগুলো, অশ্রুবিন্দুসমূহ স্পষ্ট বহুবচন। “তার চোখে অশ্রুবিন্দু দেখা দিল”—প্রসঙ্গ অনুযায়ী এক বা একাধিক হতে পারে, কিন্তু শব্দটি নিজে বহুবচনসূচক নয়।
❖ বচন প্রশ্নে বাস্তব সম্ভাব্য সংখ্যা ও শব্দের বহুবচনচিহ্ন আলাদা বিচার করতে হয়।
❖ সমষ্টিবাচক শব্দ একটি দল, গুচ্ছ, সারি বা বহু সদস্যের সমষ্টির নাম। “একটি দল” ব্যাকরণে একবচন হলেও দলের সদস্য অনেক; তাই সমষ্টিবাচকতা ও বিশেষ্যের ব্যাকরণিক বচন একই বিষয় নয়।
❖ রূপ বনাম অর্থ: “বইগুলো” সরাসরি বহুবচন, “বইয়ের স্তূপ” একটি সমষ্টির নাম। দুটি দিয়ে একই সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পেলেও শব্দগঠন ও প্রয়োগ আলাদা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বহুবচন—“অশ্রুবিন্দুসমূহ” বা “অশ্রুবিন্দুগুলো” হলে স্পষ্ট বহুবচন।
❖ দ্বিত্ব—পদ পুনরুক্তির ধারণা; এটি শব্দটির বচন নয়।
❖ কোনো বচন নয়—অশ্রুবিন্দু বিশেষ্য; প্রাসঙ্গিকভাবে বচন নির্ণেয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ অশ্রুবিন্দু অর্থ চোখের পানির একটি ফোঁটা।
➤ “বিন্দু” নিজে একটি ক্ষুদ্র বিন্দু নির্দেশ করে।
➤ অশ্রুবিন্দুগুলো, অশ্রুবিন্দুসমূহ স্পষ্ট বহুবচন।
➤ “তার চোখে অশ্রুবিন্দু দেখা দিল”—প্রসঙ্গ অনুযায়ী এক বা একাধিক হতে পারে, কিন্তু শব্দটি নিজে বহুবচনসূচক নয়।
➤ বচন প্রশ্নে বাস্তব সম্ভাব্য সংখ্যা ও শব্দের বহুবচনচিহ্ন আলাদা বিচার করতে হয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. একবচন।
10
🎯 Level 1

৩৪. ‘শশধর’ শব্দের ‘ধর’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে? [ডাক অধিদপ্তরের পোস্টম্যান: ২৩]

ক

ধারণকারী অর্থে

খ

সাধারণ অর্থে

গ

মানুষ অর্থে

ঘ

বিশেষ অর্থে

✅ সঠিক উত্তর:ক. ধারণকারী অর্থে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: ধারণকারী অর্থে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ শশধর = শশ (খরগোশের চিহ্ন) + ধর (ধারণকারী)। সংস্কৃত কাব্যিক কল্পনায় চাঁদের গায়ে শশকের আকৃতির চিহ্ন রয়েছে বলে চাঁদকে শশধর বলা হয়।
❖ এখানে ধর মানে ধারণকারী বা বহনকারী, বহুবচন নয়। “গঙ্গাধর” (যিনি গঙ্গাকে ধারণ করেন) শব্দেও একই অর্থ।
❖ বচনপ্রসঙ্গের সঙ্গে শব্দটির ব্যুৎপত্তি গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
❖ বচন বিশেষ্য ও সর্বনামের সংখ্যাগত অর্থ বোঝায়; একবচন এক সত্তা এবং বহুবচন একাধিক সত্তা প্রকাশ করে। তবে বিশেষ্য কখনো জাতি বা শ্রেণি বোঝালে বহুবচনচিহ্ন ছাড়াই বহু সদস্য বোঝাতে পারে।
❖ একবচনের চিহ্ন যেমন টি, টা, একজন; বহুবচনের চিহ্ন যেমন রা, গুলো, গণ। তবে অচিহ্নিত বিশেষ্যও বাক্যের প্রসঙ্গে সমষ্টিবোধক হতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সাধারণ অর্থে—এটি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ জানায় না; “ধারণকারী” শব্দটিই প্রাসঙ্গিক।
❖ মানুষ অর্থে—“ধর” শব্দ এখানে কোনো মানুষের শ্রেণি বোঝায় না।
❖ বিশেষ অর্থে—অস্পষ্ট; ব্যুৎপত্তিগত সঠিক অর্থ ধারণকারী।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ শশধর = শশ (খরগোশের চিহ্ন) + ধর (ধারণকারী)।
➤ সংস্কৃত কাব্যিক কল্পনায় চাঁদের গায়ে শশকের আকৃতির চিহ্ন রয়েছে বলে চাঁদকে শশধর বলা হয়।
➤ এখানে ধর মানে ধারণকারী বা বহনকারী, বহুবচন নয়।
➤ “গঙ্গাধর” (যিনি গঙ্গাকে ধারণ করেন) শব্দেও একই অর্থ।
➤ বচনপ্রসঙ্গের সঙ্গে শব্দটির ব্যুৎপত্তি গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
➤ একবচন—একটি ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
➤ বহুবচন—একাধিক ব্যক্তি/বস্তু নির্দেশ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. ধারণকারী অর্থে।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন