🧠 🔖
👑 Premium Topic

নরবাচক ও নারীবাচক শব্দ (লিঙ্গ)

◉ বাংলা ব্যাকরণ›নরবাচক ও নারীবাচক শব্দ (লিঙ্গ)

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚122মোট প্রশ্ন
🎯7মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০২. বাংলা ব্যাকরণ কোন পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না? [১১তম শিক্ষক নিবন্ধন]

ক

বিশেষ্য

খ

অব্যয়

গ

সর্বনাম

ঘ

বিশেষণ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. বিশেষণ

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: বিশেষণ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলায় ‘ভালো ছেলে’ ও ‘ভালো মেয়ে’—উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষণ ‘ভালো’; ‘সুন্দর ছেলে’ ও ‘সুন্দর মেয়ে’তেও একই নিয়ম।
❖ বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণ পদে সংস্কৃতের মতো লিঙ্গভেদ সাধারণত মানা হয় না।
❖ বাংলায় বিশেষণের রূপ পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক বিশেষ্যের আগে সাধারণত একই থাকে।
❖ এখানে “ভালো” ও “সুন্দর” শব্দ দুটি লিঙ্গ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়নি।
❖ সংস্কৃতে অনেক বিশেষণের পুরুষ ও স্ত্রী রূপ ভিন্ন; সে নিয়ম বাংলা বিশেষণের সর্বত্র প্রযোজ্য নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ বাংলা শব্দরূপ ও বাক্যরূপ নির্ণয়ে পদ, অর্থ ও গঠন একসঙ্গে বিচার করতে হয়; শুধু শেষের বর্ণ দেখে লিঙ্গ বা প্রত্যয় নির্ধারণ করা যায় না।
◉ বিশেষণ বাংলায় সাধারণত স্ত্রী-পুরুষ ভেদে অপরিবর্তিত থাকে; তবে সংস্কৃত উৎসের কিছু সাহিত্যিক শব্দে পৃথক স্ত্রীবাচক রূপ পাওয়া যায়।
❖ পদপরিচয়: বিশেষ্য ব্যক্তি/বস্তু/ভাবের নাম, বিশেষণ বিশেষ্যের গুণ, সর্বনাম বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে এবং প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করতে পারে।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: বিশেষণ (সূত্র: বাংলা ব্যাকরণ)।
➤ তুলনা: ছাত্র–ছাত্রী (লিঙ্গান্তর); উপ + কূল = উপকূল (উপসর্গ); বই + ইকা-জাত ক্ষুদ্রার্থ = পুস্তিকা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বিশেষ্য ⇒ বিশেষ্যে লিঙ্গভেদ দেখা যায়।
❖ অব্যয় ⇒ অব্যয় অপরিবর্তনীয়; লিঙ্গের নিয়মের মূল ক্ষেত্র নয়।
❖ সর্বনাম ⇒ সর্বনামে বাংলায় রূপগত লিঙ্গভেদ কম, তবে ব্যক্তি নির্দেশে লিঙ্গগত অর্থ থাকতে পারে।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সঠিক উত্তর — বিশেষণ (সূত্র: বাংলা ব্যাকরণ)।
➤ উত্তরের বিকল্প — ঘ।
➤ প্রত্যয় যোগ হয় — শব্দের শেষে।
➤ উপসর্গ যোগ হয় — শব্দের আগে।
➤ বাংলায় সাধারণ বিশেষণ — লিঙ্গভেদে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত।
➤ বাংলায় ‘ভালো ছেলে’ ও ‘ভালো মেয়ে’—উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষণ ‘ভালো’।
➤ সংস্কৃতে অনেক বিশেষণের পুরুষ ও স্ত্রী রূপ ভিন্ন।
➤ মনে রাখার সূত্র — প্রশ্নের শব্দ ⇒ বিশেষণ (সূত্র: বাংলা ব্যাকরণ)।"
02
🎯 Level 1

০৮. ‘কুলি’ শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? [ডাক বিভাগের মেইল অপারেটর: ১৯]

ক

মহিলা কুলি

খ

কুলিনী

গ

কামিন

ঘ

কামিনী

✅ সঠিক উত্তর:গ. কামিন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: কামিন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পুরোনো পেশাগত শব্দভাণ্ডারে কুলি ও কামিন আলাদা নারী–পুরুষ শ্রমিক পরিচয় হিসেবে পাওয়া যায়।
❖ বইভিত্তিক ব্যাকরণে কুলি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে কামিন দেওয়া হয়।
❖ পেশাবাচক অনেক শব্দে স্ত্রীবাচক রূপ সরাসরি প্রত্যয়যোগে না হয়ে আলাদা শব্দে প্রকাশ পায়।
❖ বর্তমানে নারী শ্রমিক বা মহিলা কুলি বলাও স্বাভাবিক; প্রচলিত ঐতিহাসিক স্ত্রীবাচক রূপ ও আধুনিক বর্ণনা এক জিনিস নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: কুলি।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: কামিন।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মহিলা কুলি ⇒ অর্থ বোঝায়, কিন্তু এটি একক স্ত্রীবাচক শব্দ নয়।
❖ কুলিনী ⇒ কুলীন পরিবারের নারী অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে; কুলির স্ত্রীবাচক নয়।
❖ কামিনী ⇒ নারী/রমণী অর্থে ব্যবহৃত; কুলির নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — কুলি।
➤ সঠিক উত্তর — কামিন।
➤ উত্তরের বিকল্প — গ।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ পুরোনো পেশাগত শব্দভাণ্ডারে কুলি ও কামিন আলাদা নারী–পুরুষ শ্রমিক পরিচয় হিসেবে পাওয়া যায়।
➤ বর্তমানে নারী শ্রমিক বা মহিলা কুলি বলাও স্বাভাবিক।
➤ মনে রাখার সূত্র — কুলি ⇒ কামিন।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১৪. ‘গরীয়ান’ এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? [বিসিকের প্রমোশন অফিসার: ২১]

ক

মহৎ

খ

মহান

গ

গরীয়সী

ঘ

মহীয়ান

✅ সঠিক উত্তর:গ. গরীয়সী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: গরীয়সী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ গরীয়ান শব্দে মহত্ত্ব বা গৌরবের ভাব; গরীয়সী তার প্রচলিত স্ত্রীবাচক রূপ।
❖ গরীয়ান শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো গরীয়সী।
➤ গরীয়ান = পুংলিঙ্গ
➤ গরীয়সী = স্ত্রীলিঙ্গ
❖ একই ধরনের রূপান্তর:
❖ গরীয়সী ও মহীয়সী দুটিই স্ত্রীবাচক বিশেষণ, কিন্তু ভিন্ন মূল শব্দ থেকে গঠিত।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: গরীয়ান।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: গরীয়সী।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মহৎ ⇒ গুণবাচক শব্দ, স্ত্রীবাচক রূপ নয়।
❖ মহান ⇒ পুং/সাধারণ রূপে ব্যবহৃত; সরাসরি স্ত্রীবাচক নয়।
❖ মহীয়ান ⇒ পুংলিঙ্গ শব্দ।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — গরীয়ান।
➤ সঠিক উত্তর — গরীয়সী।
➤ উত্তরের বিকল্প — গ।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ গরীয়ান শব্দে মহত্ত্ব বা গৌরবের ভাব।
➤ গরীয়সী ও মহীয়সী দুটিই স্ত্রীবাচক বিশেষণ, কিন্তু ভিন্ন মূল শব্দ থেকে গঠিত।
➤ মনে রাখার সূত্র — গরীয়ান ⇒ গরীয়সী।
04
🎯 Level 1

২০. ‘চঞ্চল’ এর স্ত্রীলিঙ্গ কী? [বিএমইটি’র অফিস সহায়ক: ২৩]

ক

চঞ্চলা

খ

চঞ্চলময়ী

গ

চঞ্চলামতি

ঘ

চঞ্চলবতী

✅ সঠিক উত্তর:ক. চঞ্চলা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: চঞ্চলা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ চঞ্চল বিশেষণটি কথ্য বাংলায় ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই একই থাকতে পারে।
❖ চঞ্চল শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো চঞ্চলা।
❖ চঞ্চলা একটি সাহিত্যিক বা তৎসম স্ত্রীবাচক রূপ; এ কারণে সাধারণ বাংলা বিশেষণের রূপ সর্বত্র বদলায়—এমন নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: চঞ্চল।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: চঞ্চলা।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চঞ্চলময়ী ⇒ চঞ্চলতায় পূর্ণ অর্থে হতে পারে; সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ নয়।
❖ চঞ্চলামতি ⇒ চঞ্চল মনের অধিকারিণী; ভিন্ন অর্থ।
❖ চঞ্চলবতী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — চঞ্চল।
➤ সঠিক উত্তর — চঞ্চলা।
➤ উত্তরের বিকল্প — ক।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ চঞ্চল বিশেষণটি কথ্য বাংলায় ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই একই থাকতে পারে।
➤ চঞ্চলা একটি সাহিত্যিক বা তৎসম স্ত্রীবাচক রূপ।
➤ মনে রাখার সূত্র — চঞ্চল ⇒ চঞ্চলা।
05
🎯 Level 1

২৬. ‘ধাত্রী’ শব্দটি কোন লিঙ্গ? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ৯৯]

ক

পুংলিঙ্গ

খ

স্ত্রীলিঙ্গ

গ

ক্লীব লিঙ্গ

ঘ

উভয় লিঙ্গ

✅ সঠিক উত্তর:খ. স্ত্রীলিঙ্গ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: স্ত্রীলিঙ্গ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ধাত্রী মূলত প্রসূতিসেবিকা, শিশুকে লালনকারী নারী বা দুধমা অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
❖ ধাত্রী শব্দের অর্থ প্রসূতিসেবিকা বা শিশুর পরিচর্যাকারী নারী।
❖ এটি স্বভাবত স্ত্রীবাচক শব্দ।
❖ ধাত্রী শব্দের ব্যবহার পেশা, মাতৃত্ব ও লালন-পালনসংক্রান্ত ঐতিহ্যবাহী অর্থ বহন করে।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গ বলতে প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের পুরুষ, নারী, জড় অথবা উভয়-মানববাচক নির্দেশের শ্রেণিবিভাগ বোঝায়। এর প্রধান চার ভাগ—পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, ক্লীবলিঙ্গ ও উভয়লিঙ্গ।
◉ শব্দের অর্থ ও প্রসঙ্গ লক্ষণীয়: ব্যক্তি বা প্রাণী বোঝালে নারী/পুরুষভেদ দেখা যায়, জড়বস্তুর ক্ষেত্রে ক্লীবলিঙ্গ এবং লিঙ্গনিরপেক্ষ মানববাচক শব্দে উভয়লিঙ্গ হয়।
❖ লিঙ্গনির্ণয়ের সূত্র: বিশেষ্যের অর্থ কাকে বোঝাচ্ছে তা আগে দেখতে হয়। শুধু শেষ অক্ষর -ী, -আ বা -র হলেই সেটি নির্দিষ্ট লিঙ্গের শব্দ নয়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: ধাত্রী।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: স্ত্রীলিঙ্গ।
➤ তুলনা: রাজা (পুংলিঙ্গ); রানি (স্ত্রীলিঙ্গ); বই (ক্লীবলিঙ্গ); মানুষ (উভয়লিঙ্গ)।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পুংলিঙ্গ ⇒ পুরুষ বোঝায় না।
❖ ক্লীব লিঙ্গ ⇒ জড় বস্তু নয়।
❖ উভয় লিঙ্গ ⇒ সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ে ব্যবহৃত নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — ধাত্রী।
➤ সঠিক উত্তর — স্ত্রীলিঙ্গ।
➤ উত্তরের বিকল্প — খ।
➤ লিঙ্গ শব্দের সংজ্ঞা — পুরুষ, নারী, উভয় অথবা জড়বাচক নির্দেশের ব্যাকরণিক পরিচয়।
➤ প্রচলিত বাংলা লিঙ্গের শ্রেণি — চারটি।
➤ ধাত্রী মূলত প্রসূতিসেবিকা, শিশুকে লালনকারী নারী বা দুধমা অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
➤ ধাত্রী শব্দের ব্যবহার পেশা, মাতৃত্ব ও লালন-পালনসংক্রান্ত ঐতিহ্যবাহী অর্থ বহন করে।
➤ মনে রাখার সূত্র — ধাত্রী ⇒ স্ত্রীলিঙ্গ।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৩২. ‘বিদ্বান’ এর সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? [স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী: ১৯]

ক

বিদ্বানী

খ

বিদুষীকী

গ

বিদুষী

ঘ

বিদ্বানিকা

✅ সঠিক উত্তর:গ. বিদুষী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: বিদুষী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বিদ্বান–বিদুষী তৎসম শব্দদ্বয়ের একটি ব্যতিক্রমী স্ত্রীবাচক জোড়া।
❖ বাংলায় ‘বিদ্বান নারী’ ব্যবহারও দেখা যায়, তবে সরাসরি প্রশ্নে স্ত্রীবাচক রূপ বিদুষী।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: বিদ্বান।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: বিদুষী।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বিদ্বানী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ বিদুষীকী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ বিদ্বানিকা ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — বিদ্বান।
➤ সঠিক উত্তর — বিদুষী।
➤ উত্তরের বিকল্প — গ।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ বিদ্বান–বিদুষী তৎসম শব্দদ্বয়ের একটি ব্যতিক্রমী স্ত্রীবাচক জোড়া।
➤ বাংলায় ‘বিদ্বান নারী’ ব্যবহারও দেখা যায়, তবে সরাসরি প্রশ্নে স্ত্রীবাচক রূপ বিদুষী।
➤ মনে রাখার সূত্র — বিদ্বান ⇒ বিদুষী।
07
🎯 Level 1

৩৮. ‘ভূত’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি? [সমবায় অধিদপ্তরের সহকারী ফিল্ড অপারেটর: ২৩]

ক

ভূতনী

খ

পেত্নী

গ

মেয়ে ভূত

ঘ

ভূতিকা

✅ সঠিক উত্তর:খ. পেত্নী

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: পেত্নী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ভূত ও পেত্নী লোকবিশ্বাসে পুরুষ ও নারী অশরীরী সত্তার প্রচলিত পৃথক শব্দ।
❖ প্রেত্নী/পেত্নী লোকসাহিত্যে ব্যবহৃত; এটি প্রাতিষ্ঠানিক জীববৈজ্ঞানিক লিঙ্গবিভাগ নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: ভূত।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: পেত্নী।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ভূতনী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ মেয়ে ভূত ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ ভূতিকা ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — ভূত।
➤ সঠিক উত্তর — পেত্নী।
➤ উত্তরের বিকল্প — খ।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ ভূত ও পেত্নী লোকবিশ্বাসে পুরুষ ও নারী অশরীরী সত্তার প্রচলিত পৃথক শব্দ।
➤ প্রেত্নী/পেত্নী লোকসাহিত্যে ব্যবহৃত।
➤ মনে রাখার সূত্র — ভূত ⇒ পেত্নী।
08
🎯 Level 1

৪৪. ‘মরদ’ এর স্ত্রীবাচক শব্দ — / ‘মরদ’ এর বিপরীত শব্দ — [১২তম শিক্ষক নিবন্ধন]

ক

মর্দ

খ

জেনানা

গ

জেনানী

ঘ

মরদী

✅ সঠিক উত্তর:খ. জেনানা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: জেনানা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মরদ কথ্য ও বিদেশি উৎসসম্পৃক্ত শব্দ, অর্থ পুরুষ; জেনানা অর্থ নারী।
❖ মরদ অর্থ পুরুষ। এর স্ত্রীবাচক/বিপরীত রূপ হলো জেনানা।
➤ জেনানা = নারী/নারীসমাজ
❖ উভয় শব্দের রীতি আনুষ্ঠানিক ভাষার চেয়ে কথ্য/ঐতিহাসিক সমাজভাষায় বেশি পাওয়া যায়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গান্তর হলো পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, অথবা স্ত্রীবাচক শব্দের পুরুষবাচক রূপ প্রকাশের প্রক্রিয়া। এর জন্য প্রত্যয়যোগ, ধ্বনিগত পরিবর্তন, সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা নারীবাচক পূর্বপদ ব্যবহৃত হতে পারে।
◉ ব্যুৎপত্তি ও ব্যবহার এক নয়: কোনো শব্দ অভিধানে স্ত্রীবাচক রূপে থাকলেও আজকের কথ্য ভাষায় নারী–পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে মূল পেশানাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
❖ স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির পদ্ধতি: কোনো শব্দে -ী, -আ, -ইকা, -ইনী, -আনী ইত্যাদি যোগ হতে পারে; আবার কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে নারীকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: মরদ।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: জেনানা।
➤ রূপগত তুলনা: শিক্ষক–শিক্ষিকা; নায়ক–নায়িকা; রাজা–রানি; স্বামী–স্ত্রী—এগুলোর গঠন এক রকম নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মর্দ ⇒ একই অর্থে পুরুষ।
❖ জেনানী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ মরদী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — মরদ।
➤ সঠিক উত্তর — জেনানা।
➤ উত্তরের বিকল্প — খ।
➤ প্রত্যয়যুক্ত নারীবাচক উদাহরণ — নায়ক–নায়িকা।
➤ ভিন্ন মূলের নারীবাচক উদাহরণ — স্বামী–স্ত্রী।
➤ পেশাবাচক শব্দে প্রসঙ্গ — আলাদা নারী রূপ বা লিঙ্গনিরপেক্ষ পেশানাম।
➤ মরদ কথ্য ও বিদেশি উৎসসম্পৃক্ত শব্দ, অর্থ পুরুষ।
➤ উভয় শব্দের রীতি আনুষ্ঠানিক ভাষার চেয়ে কথ্য/ঐতিহাসিক সমাজভাষায় বেশি পাওয়া যায়।
➤ মনে রাখার সূত্র — মরদ ⇒ জেনানা।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৫০. ‘লিঙ্গ’ শব্দটি কোন লিঙ্গ? [রূপালী ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ): ১৬]

ক

উভয় লিঙ্গ

খ

স্ত্রীলিঙ্গ

গ

ক্লীব লিঙ্গ

ঘ

পুংলিঙ্গ

✅ সঠিক উত্তর:গ. ক্লীব লিঙ্গ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ক্লীব লিঙ্গ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ লিঙ্গ ব্যাকরণে একটি ধারণা বা শ্রেণিবিভাগের নাম; ধারণাটি নিজে ব্যক্তি নয়।
❖ শব্দটির বিশেষ অর্থ দেহগত অঙ্গসংক্রান্তও হতে পারে; প্রসঙ্গ অনুযায়ী শব্দার্থ বদলায়, কিন্তু ধারণাবাচক ব্যবহারে ক্লীব।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ লিঙ্গ বলতে প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে শব্দের পুরুষ, নারী, জড় অথবা উভয়-মানববাচক নির্দেশের শ্রেণিবিভাগ বোঝায়। এর প্রধান চার ভাগ—পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, ক্লীবলিঙ্গ ও উভয়লিঙ্গ।
◉ শব্দের অর্থ ও প্রসঙ্গ লক্ষণীয়: ব্যক্তি বা প্রাণী বোঝালে নারী/পুরুষভেদ দেখা যায়, জড়বস্তুর ক্ষেত্রে ক্লীবলিঙ্গ এবং লিঙ্গনিরপেক্ষ মানববাচক শব্দে উভয়লিঙ্গ হয়।
❖ লিঙ্গনির্ণয়ের সূত্র: বিশেষ্যের অর্থ কাকে বোঝাচ্ছে তা আগে দেখতে হয়। শুধু শেষ অক্ষর -ী, -আ বা -র হলেই সেটি নির্দিষ্ট লিঙ্গের শব্দ নয়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ: লিঙ্গ।
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: ক্লীব লিঙ্গ।
➤ তুলনা: রাজা (পুংলিঙ্গ); রানি (স্ত্রীলিঙ্গ); বই (ক্লীবলিঙ্গ); মানুষ (উভয়লিঙ্গ)।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ উভয় লিঙ্গ ⇒ এতে নারী ও পুরুষ দুজনকেই বোঝানো হয়; নির্দিষ্ট এক লিঙ্গের জন্য এটি নয়।
❖ স্ত্রীলিঙ্গ ⇒ এটি নারীবাচক নির্দেশ করে; আলোচ্য শব্দের ব্যাকরণিক ব্যবহার মিলিয়ে দেখতে হয়।
❖ পুংলিঙ্গ ⇒ এটি কেবল পুরুষবাচক ব্যক্তি বা প্রাণী নির্দেশ করে, আলোচ্য শব্দের প্রকৃতি ভিন্ন।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রশ্নের মূল শব্দ — লিঙ্গ।
➤ সঠিক উত্তর — ক্লীব লিঙ্গ।
➤ উত্তরের বিকল্প — গ।
➤ লিঙ্গ শব্দের সংজ্ঞা — পুরুষ, নারী, উভয় অথবা জড়বাচক নির্দেশের ব্যাকরণিক পরিচয়।
➤ প্রচলিত বাংলা লিঙ্গের শ্রেণি — চারটি।
➤ লিঙ্গ ব্যাকরণে একটি ধারণা বা শ্রেণিবিভাগের নাম।
➤ শব্দটির বিশেষ অর্থ দেহগত অঙ্গসংক্রান্তও হতে পারে।
➤ শব্দের প্রকৃত অর্থ যাচাই — অভিধান ও প্রাসঙ্গিক ব্যবহার।
➤ মনে রাখার সূত্র — লিঙ্গ ⇒ ক্লীব লিঙ্গ।
10
🎯 Level 1

৫৬. নিচের কোনটি ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীলিঙ্গ? [রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১৭]

ক

সুন্দরী

খ

মানবী

গ

কুমারী

ঘ

মালিকা

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. মালিকা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: মালিকা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মালিকা ফুলের মালার ক্ষুদ্রার্থক রূপ হিসেবে বর্ণিত হতে পারে; আবার নাম হিসেবেও ব্যবহৃত।
❖ সুন্দরী/মানবী/কুমারী শব্দে নারী ব্যক্তির পরিচয় প্রধান, ক্ষুদ্র বস্তু নয়।
✧ গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ও নিয়ম:
◉ ক্ষুদ্রার্থক স্ত্রীপ্রত্যয় এমন রূপ তৈরি করতে পারে, যা কোনো কিছুর ছোট আকার বোঝায়; যেমন পুস্তিকা, গীতিকা, নাটিকা। শব্দটি স্ত্রীবাচক রূপে হলেও সব সময় নারী বোঝায় না।
◉ অর্থগত পরীক্ষা জরুরি: ‘সেবিকা’ নারী সেবাকর্মী, আর ‘পুস্তিকা’ ছোট বই—দুটির শেষে কাছাকাছি অক্ষর থাকলেও গঠিত অর্থ ভিন্ন।
❖ প্রত্যয়ের অর্থভেদ: -ইকা কখনো নারীবাচক ব্যক্তি নির্দেশ করে, আবার কখনো অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের বস্তু বা রচনাকে বোঝায়।
✦ উদাহরণ ও প্রয়োগ:
➤ উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য: মালিকা।
➤ তুলনা: পুস্তক–পুস্তিকা (ছোট বই); নাটক–নাটিকা (ছোট নাটক); সেবক–সেবিকা (নারী সেবাকর্মী)।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সুন্দরী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ মানবী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
❖ কুমারী ⇒ এই শব্দের অর্থ ও গঠন আলোচ্য মূল শব্দের চাওয়া স্ত্রীবাচক/পুরুষবাচক রূপের সমতুল্য নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সঠিক উত্তর — মালিকা।
➤ উত্তরের বিকল্প — ঘ।
➤ ক্ষুদ্রার্থে প্রত্যয় — ছোট আকার বা সংক্ষিপ্ত রচনা নির্দেশ করে।
➤ ক্ষুদ্রার্থের উদাহরণ — পুস্তিকা, গীতিকা, নাটিকা।
➤ ‘সেবিকা’-র অর্থ — নারী সেবাকর্মী; ক্ষুদ্র সেবা নয়।
➤ মালিকা ফুলের মালার ক্ষুদ্রার্থক রূপ হিসেবে বর্ণিত হতে পারে।
➤ সুন্দরী/মানবী/কুমারী শব্দে নারী ব্যক্তির পরিচয় প্রধান, ক্ষুদ্র বস্তু নয়।
➤ মনে রাখার সূত্র — প্রশ্নের শব্দ ⇒ মালিকা।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন