🧠 🔖
👑 Premium Topic

দ্বিরুক্ত শব্দ

◉ বাংলা ব্যাকরণ›দ্বিরুক্ত শব্দ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚65মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. একই শব্দ বারবার ব্যবহৃত হলে তাকে বলে— / অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে দুইবার ব্যবহৃত হওয়া শব্দকে বলে— [রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ০০]

ক

প্রচলিত শব্দ

খ

ধ্বন্যাত্মক শব্দ

গ

অপদ

ঘ

দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ দ্বিরুক্তি শব্দের ব্যুৎপত্তি দ্বি + উক্তি; অর্থ একই বা কাছাকাছি গঠনের শব্দ দুবার বলে বিশেষ অর্থ সৃষ্টি।
❖ শুধু দুইবার বলা নয়, পুনরাবৃত্তির ফলে ভাবের আধিক্য, সামান্যতা, বিস্তার, পুনরাবৃত্তি বা অনুকার অর্থ তৈরি হওয়া বিশেষ লক্ষণ।
❖ “জ্বর জ্বর” হালকা অনুভূতি, “রাশি রাশি” প্রচুর পরিমাণ, “ডেকে ডেকে” বারবার কাজ এবং “টুপটাপ” বৃষ্টির শব্দ—চার রকম প্রয়োগ।
❖ শব্দদ্বিত্ব/দ্বিরুক্তি বলতে অবিকৃত বা কিছুটা পরিবর্তিত শব্দ বা শব্দাংশ পাশাপাশি প্রয়োগ করে নতুন বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়।
❖ অর্থভিত্তিক ব্যবহার: আধিক্য (রাশি রাশি), সামান্যতা (জ্বর জ্বর), পৌনঃপুনিকতা (ডেকে ডেকে), আবেগ (মা মা), ধ্বনি (টুপটাপ)।
✧ একই শব্দ বা প্রায় একই শব্দ যখন পাশাপাশি দুইবার ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. প্রচলিত শব্দ ⇒ সমাজে প্রচলিত শব্দ; দ্বিরুক্তির গঠন-সংজ্ঞা নয়।
❖ খ. ধ্বন্যাত্মক শব্দ ⇒ বাস্তব বা কল্পিত ধ্বনি অনুকরণ; এ প্রশ্নে অন্য গঠন বা অর্থ চাওয়া হয়েছে।
❖ গ. অপদ ⇒ ব্যাকরণিক পদ-সম্পর্কিত সাধারণ শব্দ; দ্বিত্বের নির্দিষ্ট নাম নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ দ্বিরুক্তি শব্দের ব্যুৎপত্তি দ্বি + উক্তি; অর্থ একই বা কাছাকাছি গঠনের শব্দ দুবার বলে বিশেষ অর্থ সৃষ্টি।
➤ শুধু দুইবার বলা নয়, পুনরাবৃত্তির ফলে ভাবের আধিক্য, সামান্যতা, বিস্তার, পুনরাবৃত্তি বা অনুকার অর্থ তৈরি হওয়া বিশেষ লক্ষণ।
➤ “জ্বর জ্বর” হালকা অনুভূতি, “রাশি রাশি” প্রচুর পরিমাণ, “ডেকে ডেকে” বারবার কাজ এবং “টুপটাপ” বৃষ্টির শব্দ—চার রকম প্রয়োগ।
➤ শব্দদ্বিত্ব/দ্বিরুক্তি বলতে অবিকৃত বা কিছুটা পরিবর্তিত শব্দ বা শব্দাংশ পাশাপাশি প্রয়োগ করে নতুন বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করাকে বোঝায়।
➤ গঠনভিত্তিক তিন ভাগ: শব্দের দ্বিরুক্তি (ভালো ভালো), পদের দ্বিরুক্তি (হাতে হাতে), অনুকার/ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি (ঝমঝম)।
➤ অর্থভিত্তিক ব্যবহার: আধিক্য (রাশি রাশি), সামান্যতা (জ্বর জ্বর), পৌনঃপুনিকতা (ডেকে ডেকে), আবেগ (মা মা), ধ্বনি (টুপটাপ)।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত।
02
🎯 Level 1

০৪. খাঁটি দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি? [জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৭]

ক

হাসি খুশি

খ

বড় মন্দ্র

গ

রাশি রাশি

ঘ

জন্ম মৃত্যু

✅ সঠিক উত্তর:গ. রাশি রাশি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: রাশি রাশি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ খাঁটি বা অবিকৃত দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু দুইবার ব্যবহার করে: “রাশি রাশি”, “গরম গরম”।
❖ “রাশি” অর্থ স্তূপ বা সমাবেশ; “রাশি রাশি ধন” বলতে ধনের অত্যধিক পরিমাণ বোঝায়।
❖ “হাসি-খুশি” কাছাকাছি অর্থের যুগ্মশব্দ; “জন্ম-মৃত্যু” বিপরীতার্থক জোড়া; এরা হুবহু একই শব্দের দ্বিত্ব নয়।
❖ শব্দের দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু পুনরাবৃত্ত হয়ে, বা কাছাকাছি শব্দ জুড়ে সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে; যেমন গরম গরম, ধন-দৌলত।
❖ সমার্থক যুগল (ধনদৌলত), বিপরীত যুগল (ভালো-মন্দ), ভিন্নার্থক যুগল (ডালভাত)—এসব একক পুনরাবৃত্তি থেকে পৃথক।
✧ রাশি রাশি খাঁটি দ্বিরুক্ত শব্দ; একই শব্দ হুবহু দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. হাসি খুশি ⇒ নিকটার্থক যুগল; অভিন্ন একটি শব্দ হুবহু পুনরাবৃত্ত নয়।
❖ খ. বড় মন্দ্র ⇒ একই শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই; বিশেষণ ও আলাদা শব্দ।
❖ ঘ. জন্ম মৃত্যু ⇒ বিপরীতার্থক যুগল, অবিকৃত দ্বিত্ব নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ রাশি রাশি — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ খাঁটি বা অবিকৃত দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু দুইবার ব্যবহার করে: “রাশি রাশি”, “গরম গরম”।
➤ “রাশি” অর্থ স্তূপ বা সমাবেশ; “রাশি রাশি ধন” বলতে ধনের অত্যধিক পরিমাণ বোঝায়।
➤ “হাসি-খুশি” কাছাকাছি অর্থের যুগ্মশব্দ; “জন্ম-মৃত্যু” বিপরীতার্থক জোড়া; এরা হুবহু একই শব্দের দ্বিত্ব নয়।
➤ শব্দের দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু পুনরাবৃত্ত হয়ে, বা কাছাকাছি শব্দ জুড়ে সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে; যেমন গরম গরম, ধন-দৌলত।
➤ অবিকৃত দ্বিত্ব হলো একই শব্দের চেহারা না বদলে দুটি রূপ পাশাপাশি বসা; “ভালো ভালো” তার উদাহরণ।
➤ সমার্থক যুগল (ধনদৌলত), বিপরীত যুগল (ভালো-মন্দ), ভিন্নার্থক যুগল (ডালভাত)—এসব একক পুনরাবৃত্তি থেকে পৃথক।
➤ ভালো ভালো — একই বিশেষণের পুনরাবৃত্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. রাশি রাশি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৭. ‘গলায় গলায়’ কী? [বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ০৬]

ক

দ্বিরুক্ত শব্দ

খ

বিপরীত শব্দ

গ

সংখ্যাবাচক শব্দ

ঘ

নরবাচক শব্দ

✅ সঠিক উত্তর:ক. দ্বিরুক্ত শব্দ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: দ্বিরুক্ত শব্দ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “গলায় গলায়” বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে পুনরাবৃত্তি; এখানে গলা + য় রূপ ব্যবহৃত।
❖ “গলায় গলায় ভাব” অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা, আন্তরিক সম্পর্ক বা নিবিড় মেলামেশা বোঝানো বাগধারাসদৃশ প্রকাশ।
❖ এখানে সংখ্যা বা বিপরীতার্থকতা নয়, নৈকট্য ও আবেগের গভীরতা প্রকাশ পায়।
❖ পদের দ্বিরুক্তি তখন হয়, যখন বিভক্তিযুক্ত বা বাক্যে নির্দিষ্ট কাজ করা একটি পদ একই রূপে আবার ব্যবহৃত হয়; যেমন ঘরে ঘরে, দেশে দেশে।
❖ এই পদ্ধতিতে স্থানবণ্টন (ঘরে ঘরে), সময়সারণি (দিনে দিনে), পরিমাণ (হাঁড়ি হাঁড়ি), গভীরতা (হাড়ে হাড়ে) বোঝাতে পারে।
✧ এটি খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা মেলামেশা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
❖ রূপগত বিশ্লেষণ: মূল শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত পদ দুবার বসলে তা পদের দ্বিত্ব হয়; তবে শব্দযুগলের সুনির্দিষ্ট অর্থ বাক্যের প্রেক্ষাপটেই নির্ণয় করতে হবে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. বিপরীত শব্দ ⇒ “বিপরীত শব্দ” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
❖ গ. সংখ্যাবাচক শব্দ ⇒ “সংখ্যাবাচক শব্দ” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
❖ ঘ. নরবাচক শব্দ ⇒ “নরবাচক শব্দ” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ দ্বিরুক্ত শব্দ — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “গলায় গলায়” বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে পুনরাবৃত্তি; এখানে গলা + য় রূপ ব্যবহৃত।
➤ “গলায় গলায় ভাব” অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা, আন্তরিক সম্পর্ক বা নিবিড় মেলামেশা বোঝানো বাগধারাসদৃশ প্রকাশ।
➤ এখানে সংখ্যা বা বিপরীতার্থকতা নয়, নৈকট্য ও আবেগের গভীরতা প্রকাশ পায়।
➤ পদের দ্বিরুক্তি তখন হয়, যখন বিভক্তিযুক্ত বা বাক্যে নির্দিষ্ট কাজ করা একটি পদ একই রূপে আবার ব্যবহৃত হয়; যেমন ঘরে ঘরে, দেশে দেশে।
➤ বিভক্তি হলো নামপদের সঙ্গে যুক্ত রূপ, যা বাক্যে কারক বা সম্পর্ক প্রকাশে সাহায্য করে; “পথ + এ = পথে”।
➤ এই পদ্ধতিতে স্থানবণ্টন (ঘরে ঘরে), সময়সারণি (দিনে দিনে), পরিমাণ (হাঁড়ি হাঁড়ি), গভীরতা (হাড়ে হাড়ে) বোঝাতে পারে।
➤ ঘর + এ = ঘরে; ঘরে ঘরে — পদের দ্বিরুক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. দ্বিরুক্ত শব্দ।
04
🎯 Level 1

১১. ‘ভালো ভালো’ শব্দযুগলে কোন ধরনের দ্বিরুক্তি ঘটেছে? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০৩]

ক

একই শব্দের পুনরাবৃত্তি

খ

সমার্থক দুটি ভিন্ন শব্দের যোগ

গ

বিপরীতার্থক শব্দের যোগ

ঘ

ভিন্নার্থক দুটি শব্দের যোগ

✅ সঠিক উত্তর:ক. একই শব্দের পুনরাবৃত্তি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: একই শব্দের পুনরাবৃত্তি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “ভালো ভালো”তে প্রথম ও দ্বিতীয় “ভালো” একই শব্দ; তারা সমার্থক দুটি ভিন্ন শব্দ নয়।
❖ বিশেষণ দ্বিত্বে সংখ্যার বিস্তার বা গুণের মাত্রা বোঝায়—“ভালো ভালো বই” = নির্বাচিত বা একাধিক ভালো বই।
❖ তুলনা: ধন-দৌলত দুই নিকটার্থক শব্দ; ভালো-মন্দ বিপরীতার্থক; ডাল-ভাত ভিন্নার্থক যুগল।
❖ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
❖ বিশেষণ দ্বিত্বে বহুত্ব (লাল লাল ফুল), গুণের আধিক্য (বড় বড় বাড়ি), কিংবা ক্ষুদ্রতা/কোমলতা (ছোট ছোট টুকরা) আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. সমার্থক দুটি ভিন্ন শব্দের যোগ ⇒ “সমার্থক দুটি ভিন্ন শব্দের যোগ” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ গ. বিপরীতার্থক শব্দের যোগ ⇒ “বিপরীতার্থক শব্দের যোগ” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ ঘ. ভিন্নার্থক দুটি শব্দের যোগ ⇒ “ভিন্নার্থক দুটি শব্দের যোগ” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ একই শব্দের পুনরাবৃত্তি — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “ভালো ভালো”তে প্রথম ও দ্বিতীয় “ভালো” একই শব্দ; তারা সমার্থক দুটি ভিন্ন শব্দ নয়।
➤ বিশেষণ দ্বিত্বে সংখ্যার বিস্তার বা গুণের মাত্রা বোঝায়—“ভালো ভালো বই” = নির্বাচিত বা একাধিক ভালো বই।
➤ তুলনা: ধন-দৌলত দুই নিকটার্থক শব্দ; ভালো-মন্দ বিপরীতার্থক; ডাল-ভাত ভিন্নার্থক যুগল।
➤ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
➤ বিশেষণ দ্বিত্বে বহুত্ব (লাল লাল ফুল), গুণের আধিক্য (বড় বড় বাড়ি), কিংবা ক্ষুদ্রতা/কোমলতা (ছোট ছোট টুকরা) আসতে পারে।
➤ কোনো শব্দ অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করলে বিশেষণীয় কাজ হয়; যেমন “লাল লাল” ফুলের রং জানায়।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. একই শব্দের পুনরাবৃত্তি।
05
🎯 Level 1

১৩. ‘হাঁড়ি হাঁড়ি সন্দেশ’ বাক্যাংশটি বহুবচনজ্ঞাপক হয়েছে— [বেসিক ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ২০]

ক

সমার্থক শব্দযোগে

খ

বহুবাচক শব্দযোগে

গ

পদের দ্বিত্ব প্রয়োগে

ঘ

সমার্থক শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগে

✅ সঠিক উত্তর:গ. পদের দ্বিত্ব প্রয়োগে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: পদের দ্বিত্ব প্রয়োগে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “হাঁড়ি হাঁড়ি” একই পরিমাণবাচক বিশেষ্য পুনরুক্ত হয়ে বহু হাঁড়ি ভরা সন্দেশের পরিমাণ বোঝায়।
❖ পদের দ্বিত্বে স্থান, কাল, পরিমাণ ও বণ্টন—বিভিন্ন অর্থ আসতে পারে: “ঘরে ঘরে”, “দিনে দিনে”, “হাঁড়ি হাঁড়ি”।
❖ “হাঁড়ি পাতিল” দুটি ভিন্ন সমজাতীয় বস্তু; তা আর “হাঁড়ি হাঁড়ি” একই পদ পুনরাবৃত্ত হওয়া এক নয়।
❖ পদের দ্বিরুক্তি তখন হয়, যখন বিভক্তিযুক্ত বা বাক্যে নির্দিষ্ট কাজ করা একটি পদ একই রূপে আবার ব্যবহৃত হয়; যেমন ঘরে ঘরে, দেশে দেশে।
❖ এই পদ্ধতিতে স্থানবণ্টন (ঘরে ঘরে), সময়সারণি (দিনে দিনে), পরিমাণ (হাঁড়ি হাঁড়ি), গভীরতা (হাড়ে হাড়ে) বোঝাতে পারে।
✧ হাঁড়ি হাঁড়ি সন্দেশ—এখানে “হাঁড়ি” শব্দের পুনরাবৃত্তি হয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. সমার্থক শব্দযোগে ⇒ “সমার্থক শব্দযোগে” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
❖ খ. বহুবাচক শব্দযোগে ⇒ “বহুবাচক শব্দযোগে” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
❖ ঘ. সমার্থক শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগে ⇒ “সমার্থক শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগে” থেকে প্রশ্নে লক্ষ্য করা বিভক্তিযুক্ত পদের একই রূপে দ্বিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পদের দ্বিত্ব প্রয়োগে — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “হাঁড়ি হাঁড়ি” একই পরিমাণবাচক বিশেষ্য পুনরুক্ত হয়ে বহু হাঁড়ি ভরা সন্দেশের পরিমাণ বোঝায়।
➤ পদের দ্বিত্বে স্থান, কাল, পরিমাণ ও বণ্টন—বিভিন্ন অর্থ আসতে পারে: “ঘরে ঘরে”, “দিনে দিনে”, “হাঁড়ি হাঁড়ি”।
➤ “হাঁড়ি পাতিল” দুটি ভিন্ন সমজাতীয় বস্তু; তা আর “হাঁড়ি হাঁড়ি” একই পদ পুনরাবৃত্ত হওয়া এক নয়।
➤ পদের দ্বিরুক্তি তখন হয়, যখন বিভক্তিযুক্ত বা বাক্যে নির্দিষ্ট কাজ করা একটি পদ একই রূপে আবার ব্যবহৃত হয়; যেমন ঘরে ঘরে, দেশে দেশে।
➤ বিভক্তি হলো নামপদের সঙ্গে যুক্ত রূপ, যা বাক্যে কারক বা সম্পর্ক প্রকাশে সাহায্য করে; “পথ + এ = পথে”।
➤ এই পদ্ধতিতে স্থানবণ্টন (ঘরে ঘরে), সময়সারণি (দিনে দিনে), পরিমাণ (হাঁড়ি হাঁড়ি), গভীরতা (হাড়ে হাড়ে) বোঝাতে পারে।
➤ ঘর + এ = ঘরে; ঘরে ঘরে — পদের দ্বিরুক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. পদের দ্বিত্ব প্রয়োগে।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৬. ‘লাল লাল ফুল’—এখানে কোন পদের দ্বিরুক্তি ঘটেছে? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০৭]

ক

বিশেষ্য

খ

সর্বনাম

গ

বিশেষণ

ঘ

ক্রিয়া

✅ সঠিক উত্তর:গ. বিশেষণ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: বিশেষণ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “লাল” একটি গুণবাচক বা বর্ণবাচক বিশেষণ; “লাল লাল” পুনরাবৃত্তিতে ফুলের রং ও বহুত্বের ভাব স্পষ্ট।
❖ বিশেষ্য বস্তু বা নাম নির্দেশ করে, বিশেষণ সেই বিশেষ্যের গুণ বা রং নির্দেশ করে। এখানে “ফুল” বিশেষ্য, “লাল লাল” বিশেষণ।
❖ “বাড়ি বাড়ি” বিশেষ্য/পদদ্বিত্ব, “যে যে” সর্বনামদ্বিত্ব, “হেসে হেসে” ক্রিয়াবাচক পুনরাবৃত্তি—শ্রেণিগুলো আলাদা।
❖ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
❖ কোনো শব্দ অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করলে বিশেষণীয় কাজ হয়; যেমন “লাল লাল” ফুলের রং জানায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিশেষ্য ⇒ “বিশেষ্য” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ খ. সর্বনাম ⇒ “সর্বনাম” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ ঘ. ক্রিয়া ⇒ “ক্রিয়া” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বিশেষণ — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “লাল” একটি গুণবাচক বা বর্ণবাচক বিশেষণ; “লাল লাল” পুনরাবৃত্তিতে ফুলের রং ও বহুত্বের ভাব স্পষ্ট।
➤ বিশেষ্য বস্তু বা নাম নির্দেশ করে, বিশেষণ সেই বিশেষ্যের গুণ বা রং নির্দেশ করে।
➤ এখানে “ফুল” বিশেষ্য, “লাল লাল” বিশেষণ।
➤ “বাড়ি বাড়ি” বিশেষ্য/পদদ্বিত্ব, “যে যে” সর্বনামদ্বিত্ব, “হেসে হেসে” ক্রিয়াবাচক পুনরাবৃত্তি—শ্রেণিগুলো আলাদা।
➤ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
➤ বিশেষণ দ্বিত্বে বহুত্ব (লাল লাল ফুল), গুণের আধিক্য (বড় বড় বাড়ি), কিংবা ক্ষুদ্রতা/কোমলতা (ছোট ছোট টুকরা) আসতে পারে।
➤ কোনো শব্দ অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করলে বিশেষণীয় কাজ হয়; যেমন “লাল লাল” ফুলের রং জানায়।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. বিশেষণ।
07
🎯 Level 1

১৯. বিশেষণ পদ হিসেবে দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগের উদাহরণ কোনটি? [সিজিডিএফ কার্যালয়ের অডিটর: ২২]

ক

নামিল নটে বাঁধন ছলছল বেদনায়

খ

চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা

গ

কনকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ

ঘ

বৃষ্টির মরমমানি আমাদের অস্থির করে তোলে

✅ সঠিক উত্তর:ক. নামিল নটে বাঁধন ছলছল বেদনায়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: নামিল নটে বাঁধন ছলছল বেদনায়
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “ছলছল” জল বা চোখে জলের ঝিলিক/পূর্ণতার ভাব; “ছলছল বেদনা”তে এটি অনুভূত অবস্থাকে বিশেষিত করে।
❖ কোনো দ্বিরুক্ত শব্দ বিশেষণধর্মী হলে পরবর্তী বিশেষ্য বা ভাবের রূপ, অবস্থা বা গুণ জানায়।
❖ “চিকচিক করে” ক্রিয়ার রীতি প্রকাশ করে; একই অনুকারজাত শব্দও ভিন্ন বাক্যে বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণের কাজ করতে পারে।
❖ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
❖ কোনো শব্দ অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করলে বিশেষণীয় কাজ হয়; যেমন “লাল লাল” ফুলের রং জানায়।
✧ এখানে ছলছল দ্বিরুক্ত শব্দটি বেদনার অবস্থা/ভাবকে বিশেষিত করছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা ⇒ “চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ গ. কনকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ ⇒ “কনকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
❖ ঘ. বৃষ্টির মরমমানি আমাদের অস্থির করে তোলে ⇒ “বৃষ্টির মরমমানি আমাদের অস্থির করে তোলে” এখানে আলোচ্য বিশেষ্যের গুণ বা রং প্রকাশকারী লক্ষ্য-দ্বিত্ব নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ নামিল নটে বাঁধন ছলছল বেদনায় — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “ছলছল” জল বা চোখে জলের ঝিলিক/পূর্ণতার ভাব; “ছলছল বেদনা”তে এটি অনুভূত অবস্থাকে বিশেষিত করে।
➤ কোনো দ্বিরুক্ত শব্দ বিশেষণধর্মী হলে পরবর্তী বিশেষ্য বা ভাবের রূপ, অবস্থা বা গুণ জানায়।
➤ “চিকচিক করে” ক্রিয়ার রীতি প্রকাশ করে; একই অনুকারজাত শব্দও ভিন্ন বাক্যে বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণের কাজ করতে পারে।
➤ বিশেষণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, রং, আকার, সংখ্যা বা অবস্থা বোঝায়—যেমন ভালো, লাল, ছোট।
➤ বিশেষণ দ্বিত্বে বহুত্ব (লাল লাল ফুল), গুণের আধিক্য (বড় বড় বাড়ি), কিংবা ক্ষুদ্রতা/কোমলতা (ছোট ছোট টুকরা) আসতে পারে।
➤ কোনো শব্দ অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করলে বিশেষণীয় কাজ হয়; যেমন “লাল লাল” ফুলের রং জানায়।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. নামিল নটে বাঁধন ছলছল বেদনায়।
08
🎯 Level 1

২২. ‘মিটিমিটি আলো’—দ্বিরুক্ত শব্দটি আলোর কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে? [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী: ০৪]

ক

প্রবল দীপ্তি

খ

মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি

গ

জোরে শব্দ হওয়া

ঘ

আলোর অনুপস্থিতি

✅ সঠিক উত্তর:খ. মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “মিটিমিটি” বা “মিটির মিটির” আলো বোঝালে মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি বোঝায়; আলোর তীব্রতা কম।
❖ একই ধ্বন্যাত্মক/অনুকার রূপ মিটিমিটি হাসি বললেও সূক্ষ্ম বা চাপা হাসির ভাব প্রকাশ করে।
❖ এটি বজ্রপাতের প্রবল আলো বা শব্দ নয়, আলোর কোমল স্বল্পমাত্রার অবস্থার প্রতিকৃতি।
❖ শব্দের দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু পুনরাবৃত্ত হয়ে, বা কাছাকাছি শব্দ জুড়ে সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে; যেমন গরম গরম, ধন-দৌলত।
❖ সমার্থক যুগল (ধনদৌলত), বিপরীত যুগল (ভালো-মন্দ), ভিন্নার্থক যুগল (ডালভাত)—এসব একক পুনরাবৃত্তি থেকে পৃথক।
✧ মিটিমিটি শব্দটি আলো/হাসি/চাহনি ইত্যাদির গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. প্রবল দীপ্তি ⇒ “প্রবল দীপ্তি” আলোচ্য বিশেষ শব্দদ্বিত্বের গঠন/অর্থের সঙ্গে মেলে না।
❖ গ. জোরে শব্দ হওয়া ⇒ “জোরে শব্দ হওয়া” আলোচ্য বিশেষ শব্দদ্বিত্বের গঠন/অর্থের সঙ্গে মেলে না।
❖ ঘ. আলোর অনুপস্থিতি ⇒ “আলোর অনুপস্থিতি” আলোচ্য বিশেষ শব্দদ্বিত্বের গঠন/অর্থের সঙ্গে মেলে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “মিটিমিটি” বা “মিটির মিটির” আলো বোঝালে মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি বোঝায়; আলোর তীব্রতা কম।
➤ একই ধ্বন্যাত্মক/অনুকার রূপ মিটিমিটি হাসি বললেও সূক্ষ্ম বা চাপা হাসির ভাব প্রকাশ করে।
➤ এটি বজ্রপাতের প্রবল আলো বা শব্দ নয়, আলোর কোমল স্বল্পমাত্রার অবস্থার প্রতিকৃতি।
➤ শব্দের দ্বিরুক্তি একই শব্দ হুবহু পুনরাবৃত্ত হয়ে, বা কাছাকাছি শব্দ জুড়ে সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে; যেমন গরম গরম, ধন-দৌলত।
➤ অবিকৃত দ্বিত্ব হলো একই শব্দের চেহারা না বদলে দুটি রূপ পাশাপাশি বসা; “ভালো ভালো” তার উদাহরণ।
➤ সমার্থক যুগল (ধনদৌলত), বিপরীত যুগল (ভালো-মন্দ), ভিন্নার্থক যুগল (ডালভাত)—এসব একক পুনরাবৃত্তি থেকে পৃথক।
➤ ভালো ভালো — একই বিশেষণের পুনরাবৃত্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. মৃদু ও ক্ষীণ দীপ্তি।
Advertisement
09
🎯 Level 1

২৫. ‘মনে মনে তুলনা করে দেখলাম’ এখানে দ্বিরুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে— [পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ক্যাশ সহকারী: ১৮]

ক

ব্যঙ্গ অর্থে

খ

আধিক্য বুঝাতে

গ

বিশেষ্য রূপে

ঘ

ক্রিয়া বিশেষণরূপে

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ক্রিয়া বিশেষণরূপে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: ক্রিয়া বিশেষণরূপে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “মনে মনে” চুপিচুপি বা নিজের মনের ভেতর চিন্তার পদ্ধতি বোঝায়; এটি “তুলনা করে দেখলাম” ক্রিয়াটি কীভাবে হয়েছে জানায়।
❖ ক্রিয়া বিশেষণ যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ ক্রিয়ার রীতি, সময়, মাত্রা বা স্থান বোঝায়; এখানে রীতিবাচক।
❖ “মনের কথা” বললে “মনের” বিশেষ্যসম্পর্কিত, কিন্তু “মনে মনে ভাবা” বললে দ্বিরুক্ত অংশটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করে।
❖ অসমাপিকা ক্রিয়া অন্য ক্রিয়ার সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ বক্তব্য দেয় না—যেমন ডেকে, হেসে, কাটিতে।
❖ পৌনঃপুনিকতা অর্থ একই কাজ পুনঃপুন সংঘটিত হওয়া; নিরন্তরতা অব্যাহতভাবে চলা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ব্যঙ্গ অর্থে ⇒ “ব্যঙ্গ অর্থে” আলোচ্য ক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি বা তার নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
❖ খ. আধিক্য বুঝাতে ⇒ “আধিক্য বুঝাতে” আলোচ্য ক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি বা তার নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
❖ গ. বিশেষ্য রূপে ⇒ “বিশেষ্য রূপে” আলোচ্য ক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি বা তার নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ক্রিয়া বিশেষণরূপে — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “মনে মনে” চুপিচুপি বা নিজের মনের ভেতর চিন্তার পদ্ধতি বোঝায়; এটি “তুলনা করে দেখলাম” ক্রিয়াটি কীভাবে হয়েছে জানায়।
➤ ক্রিয়া বিশেষণ যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ ক্রিয়ার রীতি, সময়, মাত্রা বা স্থান বোঝায়; এখানে রীতিবাচক।
➤ “মনের কথা” বললে “মনের” বিশেষ্যসম্পর্কিত, কিন্তু “মনে মনে ভাবা” বললে দ্বিরুক্ত অংশটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করে।
➤ অসমাপিকা ক্রিয়া অন্য ক্রিয়ার সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ বক্তব্য দেয় না—যেমন ডেকে, হেসে, কাটিতে।
➤ ক্রিয়াপদ দ্বিত্ব একই কাজের পুনরাবৃত্তি, দীর্ঘকাল সংঘটন বা সহগামী কাজ বোঝাতে পারে—“ডেকে ডেকে”, “হেসে হেসে”।
➤ পৌনঃপুনিকতা অর্থ একই কাজ পুনঃপুন সংঘটিত হওয়া; নিরন্তরতা অব্যাহতভাবে চলা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. ক্রিয়া বিশেষণরূপে।
10
🎯 Level 1

২৮. ভারী পায়ে হাঁটা বা আঘাতের গম্ভীর পুনরাবৃত্ত শব্দ বোঝায় কোনটি? [পিকেএসএফ সহকারী ব্যবস্থাপক: ১৪]

ক

রইরই

খ

আয়-বয়

গ

ধমধম

ঘ

ঠা ঠা

✅ সঠিক উত্তর:গ. ধমধম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ধমধম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “ধমধম” ভারী পদক্ষেপ, দরজা বা জোর আঘাতের গম্ভীর পুনরাবৃত্ত আওয়াজ প্রকাশ করে।
❖ “ধমধম করে পা ফেলছে”—এখানে ক্রিয়ার রীতি ও শ্রুতিগ্রাহ্য অভিঘাত দুটোই বোঝানো হয়েছে।
❖ “ঠা ঠা রোদ” বাস্তব আওয়াজের নয়, প্রখরতার কল্পিত অনুভূতি; “রইরই” অন্য ধরনের আওয়াজ বা উল্লাসসূচক ব্যবহার হতে পারে।
❖ ধ্বন্যাত্মক শব্দ প্রকৃত শব্দ বা কোনো অনুভূতির কাল্পনিক ধ্বনি নকল করে; যেমন ঘেউ ঘেউ, মড়মড়, গা ছমছম।
❖ একই শব্দ অনুকার অব্যয়/ক্রিয়াবিশেষণীয় প্রয়োগ করতে পারে; শব্দশ্রেণি ও শব্দগঠনের ধরন আলাদা বিশ্লেষণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. রইরই ⇒ “রইরই”–এর ধ্বনি/অনুভূতির উৎস প্রশ্নে চাওয়া নির্দিষ্ট আওয়াজের সঙ্গে মেলে না।
❖ খ. আয়-বয় ⇒ “আয়-বয়”–এর ধ্বনি/অনুভূতির উৎস প্রশ্নে চাওয়া নির্দিষ্ট আওয়াজের সঙ্গে মেলে না।
❖ ঘ. ঠা ঠা ⇒ তীব্র রোদ বা শূন্যতার কাল্পনিক অনুভূতি; ভারী পায়ের বাস্তব আওয়াজ নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ধমধম — আলোচ্য প্রশ্নের নির্ধারিত ব্যাকরণিক রূপ/অর্থ।
➤ “ধমধম” ভারী পদক্ষেপ, দরজা বা জোর আঘাতের গম্ভীর পুনরাবৃত্ত আওয়াজ প্রকাশ করে।
➤ “ধমধম করে পা ফেলছে”—এখানে ক্রিয়ার রীতি ও শ্রুতিগ্রাহ্য অভিঘাত দুটোই বোঝানো হয়েছে।
➤ “ঠা ঠা রোদ” বাস্তব আওয়াজের নয়, প্রখরতার কল্পিত অনুভূতি; “রইরই” অন্য ধরনের আওয়াজ বা উল্লাসসূচক ব্যবহার হতে পারে।
➤ ধ্বন্যাত্মক শব্দ প্রকৃত শব্দ বা কোনো অনুভূতির কাল্পনিক ধ্বনি নকল করে; যেমন ঘেউ ঘেউ, মড়মড়, গা ছমছম।
➤ বাস্তব অনুকৃত ধ্বনি: কুকুরের ঘেউ ঘেউ, বৃষ্টির টুপটাপ, শুকনো ডালের মড়মড়; কাল্পনিক অনুভূতিধ্বনি: মাথা টনটন, খাঁ খাঁ নীরবতা।
➤ একই শব্দ অনুকার অব্যয়/ক্রিয়াবিশেষণীয় প্রয়োগ করতে পারে; শব্দশ্রেণি ও শব্দগঠনের ধরন আলাদা বিশ্লেষণ।
➤ ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব — প্রকৃত বা কল্পিত ধ্বনির অনুকরণ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ধমধম।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন