01
🎯 Level 1
০১. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে / ক্রিয়ার যে অংশকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে বলে— / ক্রিয়া প্রকৃতির অন্য নাম কী? [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট: ২০]
✅ সঠিক উত্তর:গ. ধাতু
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ধাতু
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: ধাতু—ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “ধাতু” প্রসঙ্গে ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
❖ ধাতু নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিভক্তি ⇒ বিভক্তি শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে; এটি প্রশ্নে চাওয়া প্রত্যয় বা ধাতুমূল নয়।
❖ খ. কারক ⇒ কারক বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক বোঝায়; এটি শব্দগঠনকারী প্রত্যয় নয়।
❖ ঘ. প্রত্যয় ⇒ প্রত্যয় একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ধাতু চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ধাতু — ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — ধাতু।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ধাতু।"
◈ সঠিক উত্তর: ধাতু
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: ধাতু—ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “ধাতু” প্রসঙ্গে ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
❖ ধাতু নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিভক্তি ⇒ বিভক্তি শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে; এটি প্রশ্নে চাওয়া প্রত্যয় বা ধাতুমূল নয়।
❖ খ. কারক ⇒ কারক বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক বোঝায়; এটি শব্দগঠনকারী প্রত্যয় নয়।
❖ ঘ. প্রত্যয় ⇒ প্রত্যয় একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ধাতু চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ধাতু — ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — ধাতু।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ধাতু।"