🧠 🔖
👑 Premium Topic

ধাতু, প্রকৃতি ও প্রত্যয়

◉ বাংলা ব্যাকরণ›ধাতু, প্রকৃতি ও প্রত্যয়

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚169মোট প্রশ্ন
🎯7মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে / ক্রিয়ার যে অংশকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে বলে— / ক্রিয়া প্রকৃতির অন্য নাম কী? [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট: ২০]

ক

বিভক্তি

খ

কারক

গ

ধাতু

ঘ

প্রত্যয়

✅ সঠিক উত্তর:গ. ধাতু

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ধাতু
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: ধাতু—ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “ধাতু” প্রসঙ্গে ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
❖ ধাতু নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিভক্তি ⇒ বিভক্তি শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে; এটি প্রশ্নে চাওয়া প্রত্যয় বা ধাতুমূল নয়।
❖ খ. কারক ⇒ কারক বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক বোঝায়; এটি শব্দগঠনকারী প্রত্যয় নয়।
❖ ঘ. প্রত্যয় ⇒ প্রত্যয় একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ধাতু চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ধাতু — ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — ধাতু।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ধাতু।"
02
🎯 Level 1

০১. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে / ক্রিয়ার যে অংশকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে বলে— / ক্রিয়া প্রকৃতির অন্য নাম কী? [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট: ২০]

ক

বিভক্তি

খ

কারক

গ

ধাতু

ঘ

প্রত্যয়

✅ সঠিক উত্তর:গ. ধাতু

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ধাতু
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: ধাতু—ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “ধাতু” প্রসঙ্গে ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
❖ ধাতু নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিভক্তি ⇒ বিভক্তি শব্দকে বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে; এটি প্রশ্নে চাওয়া প্রত্যয় বা ধাতুমূল নয়।
❖ খ. কারক ⇒ কারক বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক বোঝায়; এটি শব্দগঠনকারী প্রত্যয় নয়।
❖ ঘ. প্রত্যয় ⇒ প্রত্যয় একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ধাতু চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ধাতু — ক্রিয়ার এমন মূল অর্থবাহী অংশ, যেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গড়ে ওঠে।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — ধাতু।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ধাতু।
Advertisement
03
🎯 Level 1

০৭. ‘সে ঘুমাচ্ছে’ বাক্যে ‘ঘুমা’ কোন ধরনের ধাতু?

ক

মৌলিক

খ

সাধিত

গ

যৌগিক

ঘ

বাংলা

✅ সঠিক উত্তর:খ. সাধিত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সাধিত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “পড়া” এবং “ঘুমা” একই শব্দ নয়: “পড়্” মৌলিক ধাতু, কিন্তু “পড়া/পড়ানো” সাধিত ক্রিয়ামূলের আলোচনা হতে পারে; ঘুম নামের ভিত্তি থেকে “ঘুমা” নামধাতু হয়।
❖ বিশেষ্য “ঘুম”-এর সঙ্গে আ যোগ করে ঘুমা; এটি গঠন অনুসারে সাধিত এবং উপশ্রেণিতে নামধাতু—একই ধাতুর দুটি শ্রেণি-পরিচয়।
❖ অর্থগত প্রয়োগ: সাধিত — প্রশ্নে চাওয়া ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য বা শব্দের যথাযথ রূপ। এই অর্থের সঙ্গে প্রশ্নের মূল শব্দের সম্পর্ক রেখে প্রকৃতি–প্রত্যয় নির্ণয় করতে হয়।
❖ বিকল্প তুলনা: অন্য রূপগুলোর তুলনায় সাধিত-তে চাওয়া মূল, প্রত্যয় বা অর্থটি সরাসরি প্রকাশ পায়। একটি মাত্র ধ্বনি ভুল হলেও সংস্কৃত ব্যুৎপত্তির ধরন বদলে যেতে পারে।
❖ পরীক্ষার পদ্ধতি: প্রত্যয়যুক্ত শব্দটির পদশ্রেণি চিনে ধাতুমূল ও নামমূল আলাদা করো; তারপর প্রত্যয়ের পরিচয় নিশ্চিত করো।
❖ সাধিত নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মৌলিক ⇒ মৌলিক ধাতুর আরও বিশ্লেষণ সম্ভব নয়; সাধিত/প্রযোজক গঠনে নতুন রূপাংশ থাকে।
❖ গ. যৌগিক ⇒ যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতুতে নাম/বিশেষণের সঙ্গে কর্, হ্, পা, দে প্রভৃতি ধাতু যুক্ত হয়।
❖ ঘ. বাংলা ⇒ বাংলা একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে সাধিত চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সাধিত — প্রশ্নে চাওয়া ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য বা শব্দের যথাযথ রূপ।
➤ আলোচ্য শব্দ — সে ঘুমাচ্ছে।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — সাধিত।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. সাধিত।
04
🎯 Level 1

১৫. কোনটি খাঁটি বাংলা ধাতু?

ক

কৃ

খ

গম্

গ

হাস্

ঘ

খাদ্

✅ সঠিক উত্তর:গ. হাস্

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: হাস্
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সংস্কৃত √হস্ থেকে হাস-সম্পর্কিত রূপের ঐতিহাসিক সম্পর্ক থাকলেও বিদ্যালয় ব্যাকরণের প্রাতিষ্ঠানিক শ্রেণিতে হাস্-কে দেশীয় বা বাংলা ধাতুর উদাহরণ বলা হয়।
❖ “খাঁটি বাংলা” ও “সংস্কৃত উৎস” শ্রেণিবিভাগ বিভিন্ন পণ্ডিতের ঐতিহাসিক ধ্বনিতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে ভিন্ন হতে পারে; পরীক্ষার প্রচলিত তালিকা ধরতে হবে।
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: হাস্—হাসার কাজ নির্দেশকারী বাংলা ধাতু। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “হাস্” প্রসঙ্গে হাস্ ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ হাস্ নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. কৃ ⇒ কৃ একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে হাস্ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ খ. গম্ ⇒ গম্ একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে হাস্ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. খাদ্ ⇒ খাদ্ একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে হাস্ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ হাস্ — হাসার কাজ নির্দেশকারী বাংলা ধাতু।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — হাস্।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. হাস্।
05
🎯 Level 1

২১. ‘ঘুমানো’ ক্রিয়াপদের নামধাতু-ভিত্তি কোনটি?

ক

গোঁজা

খ

ঘুমা

গ

শিখা

ঘ

পোঁতা

✅ সঠিক উত্তর:খ. ঘুমা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: ঘুমা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: ঘুমা—ঘুম নামপদ থেকে গঠিত নামধাতু; ঘুমাচ্ছে, ঘুমায় ইত্যাদি ক্রিয়াপদে ব্যবহৃত। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “উটা” প্রসঙ্গে ঘুমা ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ ঘুমা নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ উৎসভিত্তিক শ্রেণি: দেশীয় বাংলা, সংস্কৃতজাত ও বিদেশি উৎসের ধাতু আলাদা করা যায়; গঠনভিত্তিক মৌলিক–সাধিত–যৌগিক শ্রেণির সঙ্গে উৎসভিত্তিক শ্রেণির পার্থক্য আছে।
❖ মৌলিক/সিদ্ধ ধাতু বিশ্লেষণাতীত; সাধিত ধাতু অন্য ধাতু বা নামপদে রূপাংশ যুক্ত হয়ে গঠিত; সংযোগমূলক ধাতু নাম/বিশেষণ ও কর্, হ, পা, দে জাতীয় ধাতুর সংযোগে তৈরি হয়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. গোঁজা ⇒ গোঁজা একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ঘুমা চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ গ. শিখা ⇒ শিখা একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ঘুমা চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. পোঁতা ⇒ পোঁতা একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে ঘুমা চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ঘুমা — ঘুম নামপদ থেকে গঠিত নামধাতু; ঘুমাচ্ছে, ঘুমায় ইত্যাদি ক্রিয়াপদে ব্যবহৃত।
➤ আলোচ্য শব্দ — ঘুমানো।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — ঘুমা।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. ঘুমা।
Advertisement
06
🎯 Level 1

২৬. ‘পাঠক’ শব্দটি কোন শ্রেণির ধাতু দ্বারা বা হতে গঠিত? [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৯]

ক

বিদেশী

খ

সংস্কৃত

গ

খাঁটি বাংলা

ঘ

দেশী

✅ সঠিক উত্তর:খ. সংস্কৃত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: সংস্কৃত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দের অর্থ: পাঠক অর্থ যে পাঠ করেন। অর্থ নির্ণয় করলে কেন নির্দিষ্ট প্রকৃতি–প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়।
❖ রূপগঠন: √পঠ্ + অক/ণক ⇒ পাঠক। এখানে √পঠ্ প্রকৃতি এবং অক/ণক প্রত্যয় বা প্রত্যয়ঘনিষ্ঠ রূপ।
❖ শ্রেণিগত পরিচয়: গঠনটি কৃৎ ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ধাতুমূলের সঙ্গে কৃৎ, নামমূলের সঙ্গে তদ্ধিত যুক্ত হয়—উৎস শনাক্ত করলে একই রূপের কাছাকাছি ভুল বিকল্প বাদ দেওয়া যায়।
❖ বাক্যে প্রয়োগ: “পাঠক” যে অর্থে ব্যবহৃত হয়—যে পাঠ করেন—তার সঙ্গে মূল প্রকৃতির অর্থগত যোগ রয়েছে। অর্থ ভিন্ন হলে কাছাকাছি বানানের অন্য শব্দকেও এক প্রক্রিয়ার উদাহরণ বলা যায় না।
❖ কর্তৃবাচক শব্দগঠন: ণক-এর ণ ইৎ-চিহ্ন হওয়ায় কার্যকর অংশ অক; মূল স্বরের বৃদ্ধিও হতে পারে। “গায়ক” ও “নায়ক”—এরা কাজের কর্তা নির্দেশ করে।
❖ পাঠক শব্দের মূল “পাঠ” সংস্কৃত উৎসজাত।
❖ তাই এটি সংস্কৃত ধাতু/সংস্কৃত মূল থেকে গঠিত শব্দ।
❖ সংস্কৃত নির্ণয়ের আগে ধাতু শব্দের সংজ্ঞা বুঝতে হবে। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের অর্থবাহী মূল; বিভিন্ন কাল ও পুরুষের বিভক্তি যুক্ত হলে এই মূল থেকে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
❖ ধাতু আর ক্রিয়াপদ সমার্থক নয়: √পড়্ একটি মূল ধাতু; “পড়ি”, “পড়ছে”, “পড়েছিল” ধাতুতে ভিন্ন কাল-পুরুষসূচক রূপ যুক্ত হয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ।
❖ গঠনগত বিচার এবং অর্থগত বিচার আলাদা। “ঘুম” নাম থেকে ঘুমা নামধাতু; “পড়্” মৌলিক ধাতু; “ছেলেকে পড়ায়” ক্রিয়ায় অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর প্রযোজক ভাব।
❖ নামধাতু নামশব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ থেকে আসে; প্রযোজক ধাতু কাউকে দিয়ে কাজ করানো প্রকাশ করে। ‘সে ঘুমায়’ ও ‘মা শিশুকে ঘুম পাড়ায়’—এই দুটি বাক্যের অর্থ আলাদা।
❖ ধাতু ক্রিয়াপদের মূল; ক্রিয়াপদ ধাতুর সঙ্গে কাল, পুরুষ ও প্রকারসূচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত রূপ। উদাহরণ: √পড়্ → পড়ি, পড়ছে, পড়েছিল।
❖ সমান্তরাল উদাহরণ: “পাঠক” অর্থ যে পাঠ করেন; একই বিষয় বোঝাতে “√চল্ + অন্ত → চলন্ত” উদাহরণটির সঙ্গে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের কাজ তুলনা করা যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিদেশী ⇒ বিদেশী একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে সংস্কৃত চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ গ. খাঁটি বাংলা ⇒ খাঁটি বাংলা একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে সংস্কৃত চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. দেশী ⇒ দেশী একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে সংস্কৃত চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ সংস্কৃত — প্রশ্নে চাওয়া ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য বা শব্দের যথাযথ রূপ।
➤ শব্দ — পাঠক।
➤ প্রকৃতি — √পঠ্।
➤ প্রত্যয় — অক/ণক।
➤ প্রত্যয় শ্রেণি — কৃৎ।
➤ অর্থ — যে পাঠ করেন।
➤ ধাতু — ক্রিয়ার মূল অর্থবাহী অংশ।
➤ ক্রিয়াপদ — ধাতুতে কাল ও পুরুষের রূপ যুক্ত হলে গঠিত হয়।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত ক্রিয়ামূল।
➤ মৌলিক ধাতু — বিশ্লেষণাতীত।
➤ নামধাতু — নামশব্দ থেকে গঠিত।
➤ প্রযোজক ধাতু — অন্যকে দিয়ে কাজ করানো।
➤ উদাহরণ — √কর্ → করি, করে, করবে।
➤ উদাহরণ — √পড়্ → পড়ে, পড়ল, পড়ছে।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু, ক্রিয়াপদ ও সাধিত ধাতুর ধরন আলাদা করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. সংস্কৃত।
07
🎯 Level 1

৩৪. ‘গমন’ শব্দটির প্রকৃতি–প্রত্যয় কোনটি?

ক

√গম্ + ই

খ

√গা + অন

গ

√গম্ + অন

ঘ

√গম্ + আ

✅ সঠিক উত্তর:গ. √গম্ + অন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: √গম্ + অন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “গমন” শব্দে প্রকৃতি √গম্ এবং কৃৎ প্রত্যয় অন। “গমন” = যাওয়া; “আগমন” = এসে পৌঁছানো; “নির্গমন” = বেরিয়ে যাওয়া।
❖ প্রত্যয় অন ও ক্রিয়ারূপে আ—দুটি সমান নয়: √গম্+অন থেকে ভাববাচক বিশেষ্য, কিন্তু ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়াবিভক্তি বসে সমাপিকা ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
❖ মূল শব্দের অর্থ: গমন অর্থ গমনের কাজ। অর্থ নির্ণয় করলে কেন নির্দিষ্ট প্রকৃতি–প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়।
❖ রূপগঠন: √গম্ + অন ⇒ গমন। এখানে √গম্ প্রকৃতি এবং অন প্রত্যয় বা প্রত্যয়ঘনিষ্ঠ রূপ।
❖ শ্রেণিগত পরিচয়: গঠনটি কৃৎ ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ধাতুমূলের সঙ্গে কৃৎ, নামমূলের সঙ্গে তদ্ধিত যুক্ত হয়—উৎস শনাক্ত করলে একই রূপের কাছাকাছি ভুল বিকল্প বাদ দেওয়া যায়।
❖ বাক্যে প্রয়োগ: “গমন” যে অর্থে ব্যবহৃত হয়—গমনের কাজ—তার সঙ্গে মূল প্রকৃতির অর্থগত যোগ রয়েছে। অর্থ ভিন্ন হলে কাছাকাছি বানানের অন্য শব্দকেও এক প্রক্রিয়ার উদাহরণ বলা যায় না।
❖ প্রত্যয়ের কাজ: অন যোগে তৈরি শব্দটির পদপরিচয়ও লক্ষ্যণীয়। একটি ধাতু থেকে “চলন” (বিশেষ্য) এবং “চলন্ত” (বিশেষণ)—দুটি ভিন্ন প্রত্যয়জনিত রূপ হতে পারে।
❖ প্রশ্নের √গম্ + অন বুঝতে প্রকৃতি (মূল অংশ), প্রত্যয় (পরে যুক্ত গঠনকারী অংশ) ও বিভক্তি (বাক্যে সম্পর্কসূচক রূপ) আলাদা করতে হয়।
❖ নামপ্রকৃতি বিভক্তিহীন নামশব্দ; ধাতুপ্রকৃতি ক্রিয়ামূল। যেমন “দেশ” থেকে দেশি এবং √চল্ থেকে চলন্ত—দুটির প্রকৃতির শ্রেণি ভিন্ন।
❖ প্রকৃতি–প্রত্যয়ের সংযোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়; একই শব্দে বিভক্তি বসলে সাধারণত বাক্যে পদের সম্পর্ক বা রূপ প্রকাশ পায়। “দেশি” বনাম “দেশে” তুলনা করলে পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
❖ প্রাতিপদিক বিভক্তিহীন নামশব্দ; যেমন বই, দেশ, মানুষ। ‘দেশি’তে দেশ প্রকৃতি এবং ই প্রত্যয়, ‘দেশে’তে দেশের সঙ্গে বিভক্তির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
❖ প্রকৃতি মূল শব্দ/ধাতু; প্রত্যয় মূলের পরে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি; বিভক্তি শব্দকে বাক্যে অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে।
❖ সমান্তরাল উদাহরণ: “গমন” অর্থ গমনের কাজ; একই বিষয় বোঝাতে “√গৈ + ণক → গায়ক” উদাহরণটির সঙ্গে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের কাজ তুলনা করা যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. √গম্ + ই ⇒ √গম্ + ই একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে √গম্ + অন চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ খ. √গা + অন ⇒ √গা + অন একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে √গম্ + অন চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. √গম্ + আ ⇒ √গম্ + আ একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে √গম্ + অন চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ √গম্ + অন — গম্ ধাতু ও অন কৃৎ প্রত্যয়ে গঠিত গমন, অর্থ যাওয়া।
➤ শব্দ — গমন।
➤ প্রকৃতি — √গম্।
➤ প্রত্যয় — অন।
➤ প্রত্যয় শ্রেণি — কৃৎ।
➤ অর্থ — গমনের কাজ।
➤ প্রকৃতি — প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার আগের মূল।
➤ প্রাতিপদিক — বিভক্তিহীন নামপদ।
➤ বিভক্তি — বাক্যে পদের সম্পর্কসূচক অংশ।
➤ উদাহরণ — দেশ + ই → দেশি।
➤ উদাহরণ — ঢাকা + আই → ঢাকাই।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু না নামপ্রকৃতি, প্রথমে তা শনাক্ত করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. √গম্ + অন।
08
🎯 Level 1

৩৬. নিচের কোনটি বিভক্তিহীন প্রাতিপদিকের উদাহরণ?

ক

লাভ

খ

লাভের

গ

লাভকে

ঘ

লাভটি

✅ সঠিক উত্তর:ক. লাভ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: লাভ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ “লাভ” বিভক্তিহীন নামপদ; “লাভের”, “লাভকে” প্রভৃতিতে কারক/সম্বন্ধসূচক বিভক্তি যোগ হয়েছে।
❖ “লাভটি” বিশেষ্যটিতে নির্দেশক “টি” যোগ করে একটি নির্দিষ্ট লাভ বোঝানো হচ্ছে, তাই সেটি স্বতন্ত্র নিখাদ প্রাতিপদিক রূপ নয়।
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: লাভ—অর্জন বা প্রাপ্তির নাম; বিভক্তিহীন অবস্থায় প্রাতিপদিক। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “লাভ” প্রসঙ্গে লাভ ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ প্রশ্নের লাভ বুঝতে প্রকৃতি (মূল অংশ), প্রত্যয় (পরে যুক্ত গঠনকারী অংশ) ও বিভক্তি (বাক্যে সম্পর্কসূচক রূপ) আলাদা করতে হয়।
❖ নামপ্রকৃতি বিভক্তিহীন নামশব্দ; ধাতুপ্রকৃতি ক্রিয়ামূল। যেমন “দেশ” থেকে দেশি এবং √চল্ থেকে চলন্ত—দুটির প্রকৃতির শ্রেণি ভিন্ন।
❖ প্রকৃতি–প্রত্যয়ের সংযোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়; একই শব্দে বিভক্তি বসলে সাধারণত বাক্যে পদের সম্পর্ক বা রূপ প্রকাশ পায়। “দেশি” বনাম “দেশে” তুলনা করলে পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
❖ প্রকৃতি মূল শব্দ/ধাতু; প্রত্যয় মূলের পরে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি; বিভক্তি শব্দকে বাক্যে অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে।
❖ প্রাতিপদিক বিভক্তিহীন নামশব্দ; যেমন বই, দেশ, মানুষ। ‘দেশি’তে দেশ প্রকৃতি এবং ই প্রত্যয়, ‘দেশে’তে দেশের সঙ্গে বিভক্তির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. লাভের ⇒ লাভের একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে লাভ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ গ. লাভকে ⇒ লাভকে একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে লাভ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. লাভটি ⇒ লাভটি একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে লাভ চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ লাভ — অর্জন বা প্রাপ্তির নাম; বিভক্তিহীন অবস্থায় প্রাতিপদিক।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — লাভ।
➤ প্রকৃতি — প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার আগের মূল।
➤ প্রাতিপদিক — বিভক্তিহীন নামপদ।
➤ বিভক্তি — বাক্যে পদের সম্পর্কসূচক অংশ।
➤ উদাহরণ — দেশ + ই → দেশি।
➤ উদাহরণ — ঢাকা + আই → ঢাকাই।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু না নামপ্রকৃতি, প্রথমে তা শনাক্ত করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. লাভ।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৪৪. নিচের কোনটি নামপ্রকৃতিতে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ?

ক

নির্ভয়

খ

রাজপুত্র

গ

পোশাক

ঘ

গোলাপি

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. গোলাপি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: গোলাপি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দের অর্থ: গোলাপি অর্থ গোলাপি রঙের। অর্থ নির্ণয় করলে কেন নির্দিষ্ট প্রকৃতি–প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়।
❖ রূপগঠন: গোলাপ + ই ⇒ গোলাপি। এখানে গোলাপ প্রকৃতি এবং ই প্রত্যয় বা প্রত্যয়ঘনিষ্ঠ রূপ।
❖ শ্রেণিগত পরিচয়: গঠনটি তদ্ধিত ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ধাতুমূলের সঙ্গে কৃৎ, নামমূলের সঙ্গে তদ্ধিত যুক্ত হয়—উৎস শনাক্ত করলে একই রূপের কাছাকাছি ভুল বিকল্প বাদ দেওয়া যায়।
❖ বাক্যে প্রয়োগ: “গোলাপি” যে অর্থে ব্যবহৃত হয়—গোলাপি রঙের—তার সঙ্গে মূল প্রকৃতির অর্থগত যোগ রয়েছে। অর্থ ভিন্ন হলে কাছাকাছি বানানের অন্য শব্দকেও এক প্রক্রিয়ার উদাহরণ বলা যায় না।
❖ ধ্বনিগত রূপান্তর: প্রত্যয়যোগে প্রকৃতির স্বর বা ব্যঞ্জন বদলাতে পারে। তাই শুধু দৃশ্যমান শেষ বর্ণ কেটে বাকি অংশকেই যথার্থ প্রকৃতি ধরে নেওয়া উচিত নয়।
❖ এখানে গোলাপি শনাক্ত করতে প্রত্যয় ও অন্য শব্দগঠন পদ্ধতির সংজ্ঞা জানা প্রয়োজন। প্রত্যয় নামপ্রকৃতি অথবা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে।
❖ উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়; সমাস একাধিক পদের সংক্ষিপ্ত সমন্বয়; সন্ধি ধ্বনিগত সংযোগ। প্রত্যয়ের অবস্থান ও কাজ এ তিনটির থেকে স্বতন্ত্র।
❖ একটি শব্দ প্রত্যয় দিয়ে গঠিত কিনা নিশ্চিত হতে মূল শব্দ, যোগ হওয়া অংশ এবং অর্থের পরিবর্তন—সব কটি পরীক্ষা করতে হবে। অক্ষরজোড়ার সাদৃশ্য একা যথেষ্ট নয়।
❖ প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে; উপসর্গ শব্দের আগে যুক্ত হয়; সমাস একাধিক পদকে সংক্ষেপে যুক্ত করে; সন্ধি ধ্বনিগত মিলন ঘটায়।
❖ সাধিত বিশেষ্য যেমন চলন, গমন; সাধিত বিশেষণ যেমন চলন্ত, দর্শনীয়। একই ধাতু থেকে আলাদা প্রত্যয়ে আলাদা পদশ্রেণি গঠিত হতে পারে।
❖ সমান্তরাল উদাহরণ: “গোলাপি” অর্থ গোলাপি রঙের; একই বিষয় বোঝাতে “প্রচুর + য → প্রাচুর্য” উদাহরণটির সঙ্গে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের কাজ তুলনা করা যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. নির্ভয় ⇒ নির্ভয় একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে গোলাপি চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ খ. রাজপুত্র ⇒ রাজপুত্র একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে গোলাপি চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ গ. পোশাক ⇒ পোশাক একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে গোলাপি চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ গোলাপি — গোলাপের রঙের মতো রং নির্দেশকারী তদ্ধিতান্ত বিশেষণ।
➤ শব্দ — গোলাপি।
➤ প্রকৃতি — গোলাপ।
➤ প্রত্যয় — ই।
➤ প্রত্যয় শ্রেণি — তদ্ধিত।
➤ অর্থ — গোলাপি রঙের।
➤ প্রত্যয় — মূলের শেষে যুক্ত শব্দগঠনকারী অংশ।
➤ উপসর্গ — শব্দের আগে যুক্ত অর্থপরিবর্তক অংশ।
➤ কৃৎ/তদ্ধিত — যথাক্রমে ধাতু ও নামপ্রকৃতিতে বসে।
➤ উদাহরণ — √গম্ + অন → গমন।
➤ উদাহরণ — √চল্ + অন্ত → চলন্ত।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু না নামপ্রকৃতি, প্রথমে তা শনাক্ত করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. গোলাপি।
10
🎯 Level 1

৫৪. ‘তু’ শব্দাংশটি শব্দগঠনে ব্যবহৃত হলে কোন ব্যাকরণিক উপাদান?

ক

উপসর্গ

খ

ধাতু

গ

প্রত্যয়

ঘ

বিশেষণ

✅ সঠিক উত্তর:গ. প্রত্যয়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: প্রত্যয়
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রধান ব্যাকরণিক তথ্য: প্রত্যয়—প্রশ্নে চাওয়া ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য বা শব্দের যথাযথ রূপ। প্রশ্নে কোন বৈশিষ্ট্যটি নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, তা এই সংজ্ঞার নির্দিষ্ট অংশ থেকে বোঝা যায়।
❖ প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা: “তু” প্রসঙ্গে প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে; একই শব্দের অর্থ, গঠন ও পদপরিচয় ভিন্ন হলে উত্তরও ভিন্ন হতে পারে।
❖ ব্যাকরণিক পার্থক্য: শব্দের উৎস, গঠন এবং বাক্যে ব্যবহার—তিনটি আলাদা বিচারের ক্ষেত্র। বিশেষত ধাতু ও ধাতু থেকে তৈরি ক্রিয়াপদ, অথবা নামপ্রকৃতি ও প্রত্যয়ান্ত শব্দ এক করে দেখা যাবে না।
❖ এখানে প্রত্যয় শনাক্ত করতে প্রত্যয় ও অন্য শব্দগঠন পদ্ধতির সংজ্ঞা জানা প্রয়োজন। প্রত্যয় নামপ্রকৃতি অথবা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ সৃষ্টি করে।
❖ উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়; সমাস একাধিক পদের সংক্ষিপ্ত সমন্বয়; সন্ধি ধ্বনিগত সংযোগ। প্রত্যয়ের অবস্থান ও কাজ এ তিনটির থেকে স্বতন্ত্র।
❖ একটি শব্দ প্রত্যয় দিয়ে গঠিত কিনা নিশ্চিত হতে মূল শব্দ, যোগ হওয়া অংশ এবং অর্থের পরিবর্তন—সব কটি পরীক্ষা করতে হবে। অক্ষরজোড়ার সাদৃশ্য একা যথেষ্ট নয়।
❖ সাধিত বিশেষ্য যেমন চলন, গমন; সাধিত বিশেষণ যেমন চলন্ত, দর্শনীয়। একই ধাতু থেকে আলাদা প্রত্যয়ে আলাদা পদশ্রেণি গঠিত হতে পারে।
❖ প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে; উপসর্গ শব্দের আগে যুক্ত হয়; সমাস একাধিক পদকে সংক্ষেপে যুক্ত করে; সন্ধি ধ্বনিগত মিলন ঘটায়।
❖ বিচারের শেষ ধাপ: প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটির সঙ্গে বিকল্পগুলোর অর্থ, শব্দগঠন ও শ্রেণিপরিচয় আলাদা করে মিলিয়ে নাও; একটি রূপের বদলে অন্য রূপ বসালে বক্তব্যের মূল অর্থ বদলে যায় কি না পরীক্ষা করো।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. উপসর্গ ⇒ উপসর্গ শব্দের আগে বসে; প্রত্যয় শব্দের পরে বসে।
❖ খ. ধাতু ⇒ ধাতু একটি স্বতন্ত্র শব্দ বা ব্যাকরণিক রূপ; প্রশ্নে যে প্রত্যয় চাওয়া হয়েছে তার নির্দিষ্ট অর্থ বা রূপসংস্থান এতে নেই।
❖ ঘ. বিশেষণ ⇒ বিশেষণ অন্য পদের গুণ, অবস্থা বা সম্পর্ক প্রকাশ করে; প্রশ্নে চাওয়া পদশ্রেণি আলাদা।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ প্রত্যয় — প্রশ্নে চাওয়া ব্যাকরণিক বৈশিষ্ট্য বা শব্দের যথাযথ রূপ।
➤ আলোচ্য শব্দ — তু।
➤ ব্যাকরণিক পরিচয় — প্রত্যয়।
➤ প্রত্যয় — মূলের শেষে যুক্ত শব্দগঠনকারী অংশ।
➤ উপসর্গ — শব্দের আগে যুক্ত অর্থপরিবর্তক অংশ।
➤ কৃৎ/তদ্ধিত — যথাক্রমে ধাতু ও নামপ্রকৃতিতে বসে।
➤ উদাহরণ — √গম্ + অন → গমন।
➤ উদাহরণ — √চল্ + অন্ত → চলন্ত।
➤ পরীক্ষার সূত্র — ধাতু না নামপ্রকৃতি, প্রথমে তা শনাক্ত করো।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. প্রত্যয়।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন