🧠 🔖
👑 Premium Topic

বিপরীত শব্দ

◉ বাংলা ব্যাকরণ›বিপরীত শব্দ

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚221মোট প্রশ্ন
🎯9মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

১০. ‘ঊন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ১৯–২০]

ক

খালি

খ

শূন্য

গ

ভর্তি

ঘ

মিত

✅ সঠিক উত্তর:গ. ভর্তি

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ভর্তি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: ঊন অর্থ কম, অপর্যাপ্ত বা পূর্ণতার অভাব; ভর্তি/পূর্ণ মানে স্থান সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়া।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: ঊন বিশ আর পূর্ণ বিশ—সংখ্যার পূর্ণতার ভেদ।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: ঊন এবং ভর্তি একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “ভর্তি” উত্তর।
❖ মূল অর্থের বিরোধ—দুটি শব্দের মধ্যে কাজ, গুণ, ফল বা অবস্থার পার্থক্য আছে। নিকটার্থ ও বিপরীতার্থ গুলিয়ে না ফেলে একই অর্থক্ষেত্রে তুলনা করতে হবে।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: ঊন শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে ভর্তি-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “ঊন” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “ভর্তি” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: গ্রহণ–বর্জন ; অল্প–বেশি ; নন্দিত–নিন্দিত। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. খালি — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. শূন্য — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. মিত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — ঊন।
➤ সঠিক উত্তর — ভর্তি।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — ঊন ↔ ভর্তি।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — ঊন অর্থ কম, অপর্যাপ্ত বা পূর্ণতার অভাব; ভর্তি/পূর্ণ মানে স্থান সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়া।
➤ বাক্যগত সূত্র — ঊন বিশ আর পূর্ণ বিশ—সংখ্যার পূর্ণতার ভেদ।
➤ অর্থগত ধরন — সাধারণ শব্দ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — গ্রহণ–বর্জন।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — অল্প–বেশি।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — নন্দিত–নিন্দিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ভর্তি।"
02
🎯 Level 1

0১. সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়? [বাংলা (৯ম–১০ম)]

ক

একটি

খ

দুটি

গ

তিনটি

ঘ

চারটি

✅ সঠিক উত্তর:খ. দুটি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: দুটি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো অর্থে পরস্পরের বিপরীত সম্পর্কযুক্ত দুটি শব্দ।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: কম–বেশি, আলো–অন্ধকার জোড়া গঠন করে।
❖ যুগ্মশব্দের সঠিক শ্রেণি: এ ধরনের প্রশ্নে প্রতিটি শব্দের অর্থ আলাদাভাবে বুঝে দেখতে হয়—দুটি শব্দ অর্থে বিপরীত, কাছাকাছি/সমার্থক, না শুধু সম্পর্কবাচক। নির্বাচিত উত্তরটির ক্ষেত্রে প্রশ্নে চাওয়া শ্রেণিগত বৈশিষ্ট্যটি পাওয়া যায়।
❖ সম্পর্কবাচক যুগ্ম—দুই পক্ষের ভিন্ন সামাজিক/আইনি ভূমিকা বোঝায়। মনে রাখতে হবে সব সম্পর্কবাচক যুগ্ম শব্দ কঠোর অর্থে বিপরীতার্থক নয়; কিছু কেবল পরস্পর-পরিপূরক।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়? শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে দুটি-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ প্রাসঙ্গিক সূক্ষ্ম পার্থক্য: বিপরীত শব্দ হিসেবে দুটি শব্দের অর্থগত সম্পর্ক দেখা হয়। তবে “দুটি শব্দ বিপরীতার্থক” কথার মানে এ নয় যে শব্দদুটির সব ব্যবহার সব পরিস্থিতিতে একে অন্যকে সম্পূর্ণ বাতিল করবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: স্বামী–স্ত্রী ; দাতা–গ্রহীতা ; পুরোহিত–যজমান। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. একটি — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়? শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. তিনটি — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়? শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. চারটি — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়? শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — সাধারণত কতটি শব্দ পরস্পর বিপরীত শব্দ হয়?।
➤ সঠিক উত্তর — দুটি।
➤ প্রশ্নে চাওয়া শ্রেণি — দুটি।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — বিপরীতার্থক শব্দ হলো অর্থে পরস্পরের বিপরীত সম্পর্কযুক্ত দুটি শব্দ।
➤ বাক্যগত সূত্র — কম–বেশি, আলো–অন্ধকার জোড়া গঠন করে।
➤ অর্থগত ধরন — সামাজিক সম্পর্ক।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — স্বামী–স্ত্রী।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — দাতা–গ্রহীতা।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — পুরোহিত–যজমান।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. দুটি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১০. ‘ঊন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ১৯–২০]

ক

খালি

খ

শূন্য

গ

ভর্তি

ঘ

মিত

✅ সঠিক উত্তর:গ. ভর্তি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ভর্তি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: ঊন অর্থ কম, অপর্যাপ্ত বা পূর্ণতার অভাব; ভর্তি/পূর্ণ মানে স্থান সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়া।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: ঊন বিশ আর পূর্ণ বিশ—সংখ্যার পূর্ণতার ভেদ।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: ঊন এবং ভর্তি একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “ভর্তি” উত্তর।
❖ মূল অর্থের বিরোধ—দুটি শব্দের মধ্যে কাজ, গুণ, ফল বা অবস্থার পার্থক্য আছে। নিকটার্থ ও বিপরীতার্থ গুলিয়ে না ফেলে একই অর্থক্ষেত্রে তুলনা করতে হবে।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: ঊন শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে ভর্তি-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “ঊন” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “ভর্তি” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: গ্রহণ–বর্জন ; অল্প–বেশি ; নন্দিত–নিন্দিত। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. খালি — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. শূন্য — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. মিত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ঊন শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — ঊন।
➤ সঠিক উত্তর — ভর্তি।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — ঊন ↔ ভর্তি।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — ঊন অর্থ কম, অপর্যাপ্ত বা পূর্ণতার অভাব; ভর্তি/পূর্ণ মানে স্থান সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়া।
➤ বাক্যগত সূত্র — ঊন বিশ আর পূর্ণ বিশ—সংখ্যার পূর্ণতার ভেদ।
➤ অর্থগত ধরন — সাধারণ শব্দ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — গ্রহণ–বর্জন।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — অল্প–বেশি।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — নন্দিত–নিন্দিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ভর্তি।
04
🎯 Level 1

১৮. ‘গঞ্জনা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [অলংকারাদি ১৬–১৭]

ক

বঞ্চনা

খ

বন্দনা

গ

প্রশংসা

ঘ

ঘটনা

✅ সঠিক উত্তর:গ. প্রশংসা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: প্রশংসা
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: গঞ্জনা মানে ধিক্কার, অপমানকর তিরস্কার; প্রশংসা হলো গুণের স্বীকৃতি।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: গঞ্জনা মানুষকে অপমানিত করে, প্রশংসা উৎসাহিত করে।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: গঞ্জনা এবং প্রশংসা একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “প্রশংসা” উত্তর।
❖ নৈতিক গুণবাচক বৈপরীত্য—কোনো ব্যক্তির আচরণের ইতিবাচক ও নেতিবাচক মূল্যায়ন প্রকাশিত হয়। চরিত্রবাচক শব্দের বিপরীত নির্বাচনে আচরণের প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: গঞ্জনা শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে প্রশংসা-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “গঞ্জনা” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “প্রশংসা” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: সাধু–অসাধু ; কপট–অকপট ; বিনয়–ঔদ্ধত্য। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বঞ্চনা — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। গঞ্জনা শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. বন্দনা — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। গঞ্জনা শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. ঘটনা — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। গঞ্জনা শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — গঞ্জনা।
➤ সঠিক উত্তর — প্রশংসা।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — গঞ্জনা ↔ প্রশংসা।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — গঞ্জনা মানে ধিক্কার, অপমানকর তিরস্কার; প্রশংসা হলো গুণের স্বীকৃতি।
➤ বাক্যগত সূত্র — গঞ্জনা মানুষকে অপমানিত করে, প্রশংসা উৎসাহিত করে।
➤ অর্থগত ধরন — নৈতিকতা ও চরিত্র।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — সাধু–অসাধু।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — কপট–অকপট।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — বিনয়–ঔদ্ধত্য।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. প্রশংসা।
05
🎯 Level 1

২৬. ‘ধৃত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ১৯–২০]

ক

ধর্তৃ

খ

ধীর

গ

মুক্ত

ঘ

মধুর

✅ সঠিক উত্তর:গ. মুক্ত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: মুক্ত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: ধৃত মানে আটকানো বা ধারণ করা; মুক্ত মানে আটকানো নয়, স্বাধীন।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: ধৃত বন্দীকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে এই জোড়া ব্যবহৃত।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: ধৃত এবং মুক্ত একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “মুক্ত” উত্তর।
❖ মূল অর্থের বিরোধ—দুটি শব্দের মধ্যে কাজ, গুণ, ফল বা অবস্থার পার্থক্য আছে। নিকটার্থ ও বিপরীতার্থ গুলিয়ে না ফেলে একই অর্থক্ষেত্রে তুলনা করতে হবে।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: ধৃত শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে মুক্ত-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “ধৃত” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “মুক্ত” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: গ্রহণ–বর্জন ; অল্প–বেশি ; নন্দিত–নিন্দিত। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ধর্তৃ — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ধৃত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. ধীর — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ধৃত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. মধুর — গ্রহণযোগ্য নয়। মধুর মানে মিষ্টি স্বাদ বা শ্রুতিমধুর; তিক্ত মানে স্বাদে কড়া বা মর্মে কষ্টদায়ক—এ অর্থটি প্রশ্নে চাওয়া সরাসরি বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে না। ধৃত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — ধৃত।
➤ সঠিক উত্তর — মুক্ত।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — ধৃত ↔ মুক্ত।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — ধৃত মানে আটকানো বা ধারণ করা; মুক্ত মানে আটকানো নয়, স্বাধীন।
➤ বাক্যগত সূত্র — ধৃত বন্দীকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে এই জোড়া ব্যবহৃত।
➤ অর্থগত ধরন — সাধারণ শব্দ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — গ্রহণ–বর্জন।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — অল্প–বেশি।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — নন্দিত–নিন্দিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. মুক্ত।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৩৪. ‘প্রবিষ্ট’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ১৩–১৪]

ক

প্রহিত

খ

অপ্রবিষ্ট

গ

অন্তর্মুখী

ঘ

নির্গত

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. নির্গত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: নির্গত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: প্রবিষ্ট মানে কোনো স্থানে ঢুকেছে; নির্গত মানে বাইরে বেরিয়ে গেছে।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: প্রবেশ ও নির্গমন হলো গতির বিপরীত দিক।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: প্রবিষ্ট এবং নির্গত একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “নির্গত” উত্তর।
❖ মূল অর্থের বিরোধ—দুটি শব্দের মধ্যে কাজ, গুণ, ফল বা অবস্থার পার্থক্য আছে। নিকটার্থ ও বিপরীতার্থ গুলিয়ে না ফেলে একই অর্থক্ষেত্রে তুলনা করতে হবে।
❖ শব্দগঠনের বিষয়: অ-/অন-/নিঃ-/নির- জাতীয় উপসর্গ বাংলা ও তৎসম শব্দে কোথাও অভাব, অনুপস্থিতি বা নাকারণ প্রকাশ করে। তবে সব “অ” দিয়ে শুরু হওয়া শব্দকে যান্ত্রিকভাবে নেতিবাচক বলা ঠিক নয়; প্রবিষ্ট–নির্গত-এর প্রকৃত অর্থও দেখতে হবে।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: প্রবিষ্ট শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে নির্গত-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “প্রবিষ্ট” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “নির্গত” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: গ্রহণ–বর্জন ; অল্প–বেশি ; নন্দিত–নিন্দিত। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. প্রহিত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। প্রবিষ্ট শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. অপ্রবিষ্ট — গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অভাব বা নেতিবাচক রূপ হতে পারে; তবু নির্দিষ্ট মূল শব্দের সঙ্গে অর্থের তুলনা দরকার। প্রবিষ্ট শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. অন্তর্মুখী — গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অভাব বা নেতিবাচক রূপ হতে পারে; তবু নির্দিষ্ট মূল শব্দের সঙ্গে অর্থের তুলনা দরকার। প্রবিষ্ট শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — প্রবিষ্ট।
➤ সঠিক উত্তর — নির্গত।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — প্রবিষ্ট ↔ নির্গত।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — প্রবিষ্ট মানে কোনো স্থানে ঢুকেছে; নির্গত মানে বাইরে বেরিয়ে গেছে।
➤ বাক্যগত সূত্র — প্রবেশ ও নির্গমন হলো গতির বিপরীত দিক।
➤ অর্থগত ধরন — সাধারণ শব্দ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — গ্রহণ–বর্জন।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — অল্প–বেশি।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — নন্দিত–নিন্দিত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. নির্গত।
07
🎯 Level 1

৪২. ‘মূর্ত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ১১–১২]

ক

অম্লান

খ

বিমূর্ত

গ

প্রমূর্ত

ঘ

বস্তুভূত

✅ সঠিক উত্তর:খ. বিমূর্ত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: বিমূর্ত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: মূর্ত হলো দৃশ্যমান বা স্পর্শযোগ্য রূপযুক্ত; বিমূর্ত হলো নির্দিষ্ট অবয়বহীন।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: মূর্তি মূর্ত বস্তু; ভালোবাসা বিমূর্ত ধারণা।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: মূর্ত এবং বিমূর্ত একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “বিমূর্ত” উত্তর।
❖ প্রকাশ বনাম অপ্রকাশ—দৃশ্যমানতা, পরিচিতি, প্রকাশিত হওয়া বা অস্তিত্বের বৈশিষ্ট্যের বিপরীত বোঝায়। শব্দের সঙ্গে ‘অ-/অন-/নি-/নির-’ যুক্ত হলে কোথাও অভাবার্থ সৃষ্টি হয়।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: মূর্ত শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে বিমূর্ত-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “মূর্ত” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “বিমূর্ত” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: আবির্ভাব–তিরোভাব ; ব্যক্ত–গূঢ় ; বিদিত–অজ্ঞাত। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. অম্লান — গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অভাব বা নেতিবাচক রূপ হতে পারে; তবু নির্দিষ্ট মূল শব্দের সঙ্গে অর্থের তুলনা দরকার। মূর্ত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. প্রমূর্ত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। মূর্ত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. বস্তুভূত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। মূর্ত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — মূর্ত।
➤ সঠিক উত্তর — বিমূর্ত।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — মূর্ত ↔ বিমূর্ত।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — মূর্ত হলো দৃশ্যমান বা স্পর্শযোগ্য রূপযুক্ত; বিমূর্ত হলো নির্দিষ্ট অবয়বহীন।
➤ বাক্যগত সূত্র — মূর্তি মূর্ত বস্তু; ভালোবাসা বিমূর্ত ধারণা।
➤ অর্থগত ধরন — আবির্ভাব ও প্রকাশ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — আবির্ভাব–তিরোভাব।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — ব্যক্ত–গূঢ়।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — বিদিত–অজ্ঞাত।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. বিমূর্ত।
08
🎯 Level 1

৫০. ‘সংহত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [চবি ০৭–০৮]

ক

বিরত

খ

বিভক্ত

গ

সংবদ্ধ

ঘ

অশক্ত

✅ সঠিক উত্তর:খ. বিভক্ত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: বিভক্ত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: সংহত অর্থ একত্র, নিবিড় বা সুসংগঠিত; বিভক্ত মানে টুকরো বা ভাগে বিচ্ছিন্ন।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: সংহত দল ও বিভক্ত দল কার্যক্ষমতায় ভিন্ন।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: সংহত এবং বিভক্ত একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “বিভক্ত” উত্তর।
❖ ভাব ও মনোভাবের বিপরীত—আনন্দ-বেদনা, আগ্রহ-বিরাগ বা স্থিরতা-অস্থিরতার মতো অনুভূতিগত পার্থক্য বোঝায়। মানসিক অবস্থা এবং ব্যক্তির চরিত্র এক জিনিস নয়।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: সংহত শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে বিভক্ত-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “সংহত” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “বিভক্ত” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: সুখ–দুঃখ ; হর্ষ–বিষাদ ; প্রসন্ন–বিমর্ষ। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বিরত — গ্রহণযোগ্য নয়। বিরত মানে থেমে থাকা/নিবৃত্ত; নিরত মানে সক্রিয়ভাবে লিপ্ত—এ অর্থটি প্রশ্নে চাওয়া সরাসরি বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে না। সংহত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. সংবদ্ধ — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। সংহত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. অশক্ত — গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অভাব বা নেতিবাচক রূপ হতে পারে; তবু নির্দিষ্ট মূল শব্দের সঙ্গে অর্থের তুলনা দরকার। সংহত শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — সংহত।
➤ সঠিক উত্তর — বিভক্ত।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — সংহত ↔ বিভক্ত।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — সংহত অর্থ একত্র, নিবিড় বা সুসংগঠিত; বিভক্ত মানে টুকরো বা ভাগে বিচ্ছিন্ন।
➤ বাক্যগত সূত্র — সংহত দল ও বিভক্ত দল কার্যক্ষমতায় ভিন্ন।
➤ অর্থগত ধরন — মানসিক অবস্থা।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — সুখ–দুঃখ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — হর্ষ–বিষাদ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — প্রসন্ন–বিমর্ষ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. বিভক্ত।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৫৮. ‘সুন্দর’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি (ষষ্ঠ)]

ক

জীর্ণ

খ

কুৎসিত

গ

কদাকার

ঘ

কোনোটিই নয়

✅ সঠিক উত্তর:খ. কুৎসিত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কুৎসিত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: সুন্দর মানে মনোহর বা রূপগুণে আকর্ষণীয়; কুৎসিত মানে অসুন্দর।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: সুন্দর দৃশ্য ও কুৎসিত দৃশ্যের মূল্যায়ন সৌন্দর্যভিত্তিক।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: সুন্দর এবং কুৎসিত একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “কুৎসিত” উত্তর।
❖ প্রকৃতি, পদার্থ বা দৃশ্যবাচক বৈপরীত্য—আলো-অন্ধকার, ভেজা-শুষ্ক, প্রাকৃতিক-কৃত্রিমের মতো ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য লক্ষণ আলাদা করে।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: সুন্দর শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে কুৎসিত-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ প্রাসঙ্গিক সূক্ষ্ম পার্থক্য: কুৎসিত শব্দের অর্থ অসুন্দর; “কদাকার”ও অনেক ক্ষেত্রে অসুন্দর বোঝায়, কিন্তু সেটির মূল জোর আকৃতির বিকৃতির ওপর। সাধারণ গুণবাচক বিপরীত হিসেবে “সুন্দর–কুৎসিত” বেশি প্রচলিত।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: আলো–তিমির ; কৃষ্ণপক্ষ–শুক্লপক্ষ ; সিক্ত–শুষ্ক। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. জীর্ণ — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। সুন্দর শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. কদাকার — গ্রহণযোগ্য নয়। অসুন্দর আকারের। সুন্দর শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ ঘ. কোনোটিই নয় — গ্রহণযোগ্য নয়। এই বিকল্পটি তখনই গ্রহণযোগ্য যখন অন্য কোনো বিকল্পে সঠিক শব্দ না থাকে। সুন্দর শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — সুন্দর।
➤ সঠিক উত্তর — কুৎসিত।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — সুন্দর ↔ কুৎসিত।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — সুন্দর মানে মনোহর বা রূপগুণে আকর্ষণীয়; কুৎসিত মানে অসুন্দর।
➤ বাক্যগত সূত্র — সুন্দর দৃশ্য ও কুৎসিত দৃশ্যের মূল্যায়ন সৌন্দর্যভিত্তিক।
➤ অর্থগত ধরন — প্রকৃতি ও রূপ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — আলো–তিমির।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — কৃষ্ণপক্ষ–শুক্লপক্ষ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — সিক্ত–শুষ্ক।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. কুৎসিত।
10
🎯 Level 1

৬৬. ‘ক্ষীণ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? [সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫]

ক

নপুংসক

খ

তীক্ষ্ণ

গ

সংকীর্ণ

ঘ

সবল

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সবল

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সবল
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মূল শব্দ ও পরিভাষার সংজ্ঞা: ক্ষীণ মানে দুর্বল, ক্ষয়প্রাপ্ত বা স্বল্প; সবল মানে শক্তিসম্পন্ন।
❖ বাক্যে প্রয়োগ ও উদাহরণ: ক্ষীণ দেহ থেকে সবল দেহে পরিবর্তন।
❖ সঠিক বিপরীতার্থের ব্যাখ্যা: ক্ষীণ এবং সবল একই অর্থক্ষেত্রের বিপরীত বৈশিষ্ট্য, অবস্থা অথবা ভূমিকা নির্দেশ করে। একটি যে দিকটি প্রকাশ করে, অন্যটি তার বিপরীত দিকটি জানায়; তাই “সবল” উত্তর।
❖ পরিমাণ বা অবস্থার পরিবর্তনের বৈপরীত্য—একদিকে বৃদ্ধি/উন্নয়ন/প্রসার, অন্যদিকে হ্রাস/অবনতি/সংকোচন। কোথায় পরিবর্তন হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গও অর্থ নির্ধারণ করে।
❖ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য: সমার্থক শব্দ কাছাকাছি ভাব বোঝায়, আর বিপরীতার্থক শব্দ অর্থের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করে। একই উচ্চারণ, একই পদ বা একই উৎসের শব্দ হলেও বিপরীতার্থক হওয়া নিশ্চিত নয়।
❖ প্রসঙ্গের গুরুত্ব: ক্ষীণ শব্দের আক্ষরিক অর্থ ও রূপক অর্থ কোথাও আলাদা হতে পারে। পরীক্ষায় কোন ভাবটি চাওয়া হচ্ছে তা নির্ণয় করতে সবল-এর সঙ্গে অর্থগত সম্পর্ক যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
✧ আরও একটি প্রয়োগবিধি: “ক্ষীণ” শব্দটি যে বৈশিষ্ট্য/অবস্থা বোঝায়, “সবল” তার বিপরীত অবস্থা বোঝায়। তাই মূল শব্দের জায়গায় বিকল্প বসানোর আগে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকছে কি না পরীক্ষা করতে হবে।
❖ একই বিষয়ের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ: বৃদ্ধি–হ্রাস ; উৎকর্ষ–অপকর্ষ ; উত্থান–পতন। এগুলো একই পরীক্ষার অধ্যায়ে বিভ্রান্তিকর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. নপুংসক — গ্রহণযোগ্য নয়। এটির নিজস্ব অর্থ আছে, কিন্তু প্রদত্ত শব্দের প্রত্যক্ষ বিপরীতার্থ নয়। ক্ষীণ শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ খ. তীক্ষ্ণ — গ্রহণযোগ্য নয়। তীক্ষ্ণ হলো ধারালো বা তীব্র; স্থূল মানে মোটা/ভোঁতা বা সূক্ষ্মতার অভাব—এ অর্থটি প্রশ্নে চাওয়া সরাসরি বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে না। ক্ষীণ শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
❖ গ. সংকীর্ণ — গ্রহণযোগ্য নয়। সংকীর্ণ মানে স্থান বা মানসিকতায় ছোট; প্রশস্ত মানে বিস্তৃত বা উদার—এ অর্থটি প্রশ্নে চাওয়া সরাসরি বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে না। ক্ষীণ শব্দটির নির্দিষ্ট বিপরীত/প্রশ্নে চাওয়া বৈশিষ্ট্য এই বিকল্পটি যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মূল শব্দ — ক্ষীণ।
➤ সঠিক উত্তর — সবল।
➤ বিপরীতার্থক যুগ্ম — ক্ষীণ ↔ সবল।
➤ মূল অর্থের পরিচয় — ক্ষীণ মানে দুর্বল, ক্ষয়প্রাপ্ত বা স্বল্প; সবল মানে শক্তিসম্পন্ন।
➤ বাক্যগত সূত্র — ক্ষীণ দেহ থেকে সবল দেহে পরিবর্তন।
➤ অর্থগত ধরন — পরিবর্তন ও গতি।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — বৃদ্ধি–হ্রাস।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — উৎকর্ষ–অপকর্ষ।
➤ সংশ্লিষ্ট জোড়া — উত্থান–পতন।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. সবল।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন