01
🎯 Level 1
৪৮. ‘ব্রজবুলি’ ভাষার প্রবর্তক কে? (নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মিডওয়াইফ: ২৪ / সাব রেজিস্ট্রার: ১৬)
✅ সঠিক উত্তর:খ. বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: খ
◈ প্রচলিত পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক উত্তর: বিদ্যাপতি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রজবুলি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে বিদ্যাপতির নাম গ্রহণ করা হয়।
❖ বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি প্রধানত মৈথিলি ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমবিষয়ক পদ রচনা করেন।
❖ তাঁর কবিতার ভাষা, সুর, গীতিময়তা ও প্রেমের প্রকাশ বাংলা বৈষ্ণব কবিদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
❖ বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির মৈথিলি পদ অনুকরণ করতে গিয়ে যে মৈথিলি-বাংলা ভিত্তিক কবিভাষা ব্যবহার করেন, সেটিই ব্রজবুলি নামে পরিচিত।
❖ তাই বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষার আদর্শ কবি বা প্রেরণাদাতা বলা হয়।
❖ পরবর্তী সময়ে জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাসসহ বিভিন্ন কবি ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেন।
❖ ব্রজবুলি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ভাষারূপ হয়ে ওঠে।
✦ বিদ্যাপতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
❖ বিদ্যাপতি মিথিলার কবি।
❖ তাঁর সাহিত্যিক ভাষা প্রধানত মৈথিলি।
❖ তিনি রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহকেন্দ্রিক পদ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
❖ বাংলা বৈষ্ণব পদাবলিতে তাঁর ভাষা ও কাব্যরীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।
❖ বিদ্যাপতিকে অনেক সাহিত্য-ইতিহাসে ‘মৈথিল কোকিল’ নামে অভিহিত করা হয়।
❖ গোবিন্দদাস তাঁর কাব্যভাব ও ভাষার গভীর অনুসারী ছিলেন।
✦ ব্রজবুলির বিকাশ কীভাবে ঘটেছে?
❖ প্রথমে বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় প্রেমপদ রচনা করেন।
❖ তাঁর পদ বাংলা অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
❖ বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির ভাষা ও পদরচনার ভঙ্গি অনুকরণ করেন।
❖ অনুকরণের সময় বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়।
❖ এর ফলে বিশেষ কৃত্রিম সাহিত্যিক রীতি গড়ে ওঠে।
❖ এই রীতিই ব্রজবুলি নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
✦ গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক সংশোধনী
❖ বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন।
❖ ব্রজবুলি একটি পরবর্তী সাহিত্যিক ভাষারীতি হিসেবে বাঙালি কবিদের অনুকরণে বিকশিত হয়েছে।
❖ তাই বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলির একক সচেতন নির্মাতা বলা গবেষণাগতভাবে অতিসরলীকরণ।
❖ তবে বিদ্যাপতির মৈথিলি পদাবলি ব্রজবুলির প্রধান ঐতিহাসিক প্রেরণা—এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
❖ বাংলাপিডিয়ার ব্রজবুলি নিবন্ধে বিদ্যাপতির সঙ্গে ব্রজবুলির প্রাথমিক প্রচলনের সম্পর্ক বর্ণিত হয়েছে। অন্যদিকে ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে পরবর্তী বাঙালি কবিদের ভূমিকা স্পষ্টভাবে আলোচিত হয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. চণ্ডীদাস — ভুল।
চণ্ডীদাস বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রাচীন কবি। তবে ব্রজবুলির প্রবর্তক হিসেবে পরীক্ষার নির্ধারিত উত্তর তিনি নন।
❖ খ. বিদ্যাপতি — সঠিক।
বিদ্যাপতির মৈথিলি পদাবলির অনুকরণেই ব্রজবুলির সাহিত্যিক বিকাশ ঘটে। তাই পরীক্ষায় তাঁর নাম প্রবর্তক হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
❖ গ. আলাওল — ভুল।
আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার বাংলা কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। তিনি ব্রজবুলির প্রবর্তক নন।
❖ ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ভুল।
রবীন্দ্রনাথ ব্রজবুলির অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেন। কিন্তু ব্রজবুলির বিকাশ তাঁর বহু শতাব্দী আগে হয়েছিল।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ব্রজবুলির প্রচলিত প্রবর্তক — বিদ্যাপতি।
➤ বিদ্যাপতির সাহিত্যিক পরিচয় — মিথিলার কবি।
➤ বিদ্যাপতির প্রধান ভাষা — মৈথিলি।
➤ বিদ্যাপতির পরিচিত অভিধা — মৈথিল কোকিল।
➤ ব্রজবুলির প্রধান ভিত্তি — মৈথিলি।
➤ ব্রজবুলির প্রকৃতি — কৃত্রিম কবিভাষা।
➤ ব্রজবুলির গুরুত্বপূর্ণ পদকর্তা — গোবিন্দদাস।
➤ ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেছেন — জ্ঞানদাস।
➤ ব্রজবুলির অনুকরণে রবীন্দ্রনাথের রচনা — ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী।
➤ আলাওলের প্রধান কাব্য — পদ্মাবতী।
➤ মনে রাখার সূত্র — বিদ্যাপতি ⇒ মৈথিলি পদ ⇒ বাংলা কবিদের অনুকরণ ⇒ ব্রজবুলি।
◈ চূড়ান্ত পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর: খ. বিদ্যাপতি।"
◈ প্রচলিত পরীক্ষাভিত্তিক সঠিক উত্তর: বিদ্যাপতি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রজবুলি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে বিদ্যাপতির নাম গ্রহণ করা হয়।
❖ বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি প্রধানত মৈথিলি ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমবিষয়ক পদ রচনা করেন।
❖ তাঁর কবিতার ভাষা, সুর, গীতিময়তা ও প্রেমের প্রকাশ বাংলা বৈষ্ণব কবিদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
❖ বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির মৈথিলি পদ অনুকরণ করতে গিয়ে যে মৈথিলি-বাংলা ভিত্তিক কবিভাষা ব্যবহার করেন, সেটিই ব্রজবুলি নামে পরিচিত।
❖ তাই বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষার আদর্শ কবি বা প্রেরণাদাতা বলা হয়।
❖ পরবর্তী সময়ে জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাসসহ বিভিন্ন কবি ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেন।
❖ ব্রজবুলি বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ভাষারূপ হয়ে ওঠে।
✦ বিদ্যাপতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
❖ বিদ্যাপতি মিথিলার কবি।
❖ তাঁর সাহিত্যিক ভাষা প্রধানত মৈথিলি।
❖ তিনি রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহকেন্দ্রিক পদ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
❖ বাংলা বৈষ্ণব পদাবলিতে তাঁর ভাষা ও কাব্যরীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।
❖ বিদ্যাপতিকে অনেক সাহিত্য-ইতিহাসে ‘মৈথিল কোকিল’ নামে অভিহিত করা হয়।
❖ গোবিন্দদাস তাঁর কাব্যভাব ও ভাষার গভীর অনুসারী ছিলেন।
✦ ব্রজবুলির বিকাশ কীভাবে ঘটেছে?
❖ প্রথমে বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় প্রেমপদ রচনা করেন।
❖ তাঁর পদ বাংলা অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
❖ বাঙালি কবিরা বিদ্যাপতির ভাষা ও পদরচনার ভঙ্গি অনুকরণ করেন।
❖ অনুকরণের সময় বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়।
❖ এর ফলে বিশেষ কৃত্রিম সাহিত্যিক রীতি গড়ে ওঠে।
❖ এই রীতিই ব্রজবুলি নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
✦ গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক সংশোধনী
❖ বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন।
❖ ব্রজবুলি একটি পরবর্তী সাহিত্যিক ভাষারীতি হিসেবে বাঙালি কবিদের অনুকরণে বিকশিত হয়েছে।
❖ তাই বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলির একক সচেতন নির্মাতা বলা গবেষণাগতভাবে অতিসরলীকরণ।
❖ তবে বিদ্যাপতির মৈথিলি পদাবলি ব্রজবুলির প্রধান ঐতিহাসিক প্রেরণা—এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
❖ বাংলাপিডিয়ার ব্রজবুলি নিবন্ধে বিদ্যাপতির সঙ্গে ব্রজবুলির প্রাথমিক প্রচলনের সম্পর্ক বর্ণিত হয়েছে। অন্যদিকে ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে পরবর্তী বাঙালি কবিদের ভূমিকা স্পষ্টভাবে আলোচিত হয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. চণ্ডীদাস — ভুল।
চণ্ডীদাস বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রাচীন কবি। তবে ব্রজবুলির প্রবর্তক হিসেবে পরীক্ষার নির্ধারিত উত্তর তিনি নন।
❖ খ. বিদ্যাপতি — সঠিক।
বিদ্যাপতির মৈথিলি পদাবলির অনুকরণেই ব্রজবুলির সাহিত্যিক বিকাশ ঘটে। তাই পরীক্ষায় তাঁর নাম প্রবর্তক হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
❖ গ. আলাওল — ভুল।
আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার বাংলা কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। তিনি ব্রজবুলির প্রবর্তক নন।
❖ ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ভুল।
রবীন্দ্রনাথ ব্রজবুলির অনুকরণে ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেন। কিন্তু ব্রজবুলির বিকাশ তাঁর বহু শতাব্দী আগে হয়েছিল।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ব্রজবুলির প্রচলিত প্রবর্তক — বিদ্যাপতি।
➤ বিদ্যাপতির সাহিত্যিক পরিচয় — মিথিলার কবি।
➤ বিদ্যাপতির প্রধান ভাষা — মৈথিলি।
➤ বিদ্যাপতির পরিচিত অভিধা — মৈথিল কোকিল।
➤ ব্রজবুলির প্রধান ভিত্তি — মৈথিলি।
➤ ব্রজবুলির প্রকৃতি — কৃত্রিম কবিভাষা।
➤ ব্রজবুলির গুরুত্বপূর্ণ পদকর্তা — গোবিন্দদাস।
➤ ব্রজবুলিতে পদ রচনা করেছেন — জ্ঞানদাস।
➤ ব্রজবুলির অনুকরণে রবীন্দ্রনাথের রচনা — ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী।
➤ আলাওলের প্রধান কাব্য — পদ্মাবতী।
➤ মনে রাখার সূত্র — বিদ্যাপতি ⇒ মৈথিলি পদ ⇒ বাংলা কবিদের অনুকরণ ⇒ ব্রজবুলি।
◈ চূড়ান্ত পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর: খ. বিদ্যাপতি।"