🧠 🔖
👑 Premium Topic

মধ্যযুগের সাহিত্য- জীবনী, নাথ, মর্সিয়া ও লোক সাহিত্য

◉ বাংলা সাহিত্য›মধ্যযুগের সাহিত্য- জীবনী, নাথ, মর্সিয়া ও লোক সাহিত্য

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚65মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

৫৫. ‘মর্সিয়া’ কী? (পরমাণু শক্তি কমিশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২৬)

ক

আনন্দ গীতি

খ

লোক গীতি

গ

শোক গীতি

ঘ

লালন গীতি

✅ সঠিক উত্তর:গ. শোক গীতি

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: শোক গীতি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ মর্সিয়া হলো শোকগীতি বা বিলাপমূলক কবিতা, যেখানে মৃত্যু, শাহাদত কিংবা কোনো বিয়োগান্ত ঘটনার শোক প্রকাশ করা হয়।
❖ মর্সিয়া আরবি সাহিত্যিক ঐতিহ্য থেকে উদ্ভূত একটি বিশেষ কবিতার ধারা।
❖ এর মূল আরবি শব্দ মার্থিয়্যাহ, যার অর্থ মৃত ব্যক্তির জন্য শোক বা বিলাপ প্রকাশ।
❖ মর্সিয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মৃত ব্যক্তি বা বিয়োগান্ত ঘটনাকে স্মরণ করে শোক, বেদনা, শ্রদ্ধা ও আবেগ প্রকাশ করা।
❖ সাধারণভাবে মর্সিয়া বিভিন্ন ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রচিত হতে পারে।
❖ তবে ফারসি, উর্দু এবং বাংলা সাহিত্যধারায় এটি বিশেষভাবে কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে।
❖ কারবালায় ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদত মর্সিয়া সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বিষয়।
❖ বাংলা সাহিত্যে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বর্ণনাকে কেন্দ্র করে একটি সমৃদ্ধ মর্সিয়া সাহিত্যধারা গড়ে উঠেছে।
❖ মর্সিয়া কেবল শোকের ঘটনা বর্ণনা করে না; এতে স্মরণ, সহমর্মিতা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের অনুভূতিও প্রকাশ পায়।
✦ মর্সিয়া সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য
১. শোক ও বিলাপ
❖ মর্সিয়ার প্রধান বিষয় দুঃখ ও শোকের প্রকাশ।
❖ প্রিয়জন হারানোর বেদনা এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।
২. বিয়োগান্ত ঘটনা
❖ মৃত্যু, শাহাদত ও দুঃখজনক পরিণতি মর্সিয়ার প্রধান বিষয়।
❖ কারবালার কাহিনি এর পরিচিত উদাহরণ।
৩. স্মরণ ও শ্রদ্ধা
❖ মৃত ব্যক্তির স্মৃতি ও গুণাবলি স্মরণ করা হয়।
❖ আত্মত্যাগ ও বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ পায়।
৪. করুণ আবেগ
❖ ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিতে গভীর বেদনার আবহ থাকে।
❖ আবেগপূর্ণ বর্ণনা শ্রোতা বা পাঠকের মনে সহমর্মিতা সৃষ্টি করে।
৫. সংগীতধর্মিতা
❖ অনেক মর্সিয়া সুর করে আবৃত্তি বা গাওয়া হয়।
❖ বাংলা লোকসংগীতের জারিধারার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে।
✦ বাংলা মর্সিয়া ও জারিগানের সম্পর্ক
❖ জারিগান বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শোকসংগীতধারা।
❖ এর প্রধান ঐতিহাসিক বিষয়গুলোর মধ্যে কারবালার ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
❖ মহররম উপলক্ষে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে কারবালার কাহিনি জারিগানের মাধ্যমে পরিবেশিত হয়েছে।
❖ মর্সিয়া ও জারিগান উভয়ের মধ্যেই শোক ও বিলাপের উপাদান রয়েছে।
❖ তবে মর্সিয়া একটি সাহিত্যিক শোকধারা, আর জারি বাংলার বিশেষ লোকসংগীত ও পরিবেশনার রীতি।
❖ তাই এ দুটিকে সম্পূর্ণ সমার্থক বলা যায় না।
✦ মর্সিয়া, হামদ ও নাতের পার্থক্য
মর্সিয়া:
❖ শোক, বিলাপ ও বিয়োগান্ত ঘটনার প্রকাশ।
❖ কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বিকাশ ঘটেছে।
হামদ:
❖ আল্লাহর প্রশংসায় রচিত কবিতা বা সংগীত।
নাত:
❖ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রশংসায় রচিত কবিতা বা সংগীত।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. আনন্দ গীতি — ভুল।
আনন্দগীতিতে সুখ, উৎসব ও আনন্দের প্রকাশ থাকে। মর্সিয়ার মূল বিষয় শোক ও বিলাপ।
❖ খ. লোক গীতি — নির্দিষ্ট উত্তর নয়।
লোকগীতি একটি বৃহত্তর সংগীতধারা। মর্সিয়ার প্রভাবে কিছু লোকগান রচিত হলেও মর্সিয়ার সরাসরি সংজ্ঞা লোকগীতি নয়।
❖ গ. শোক গীতি — সঠিক।
মর্সিয়া মূলত শোকগীতি বা বিলাপগীতি।
❖ ঘ. লালন গীতি — ভুল।
লালনগীতি লালন শাহের দর্শন, মানবতাবাদ, দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক সাধনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি মর্সিয়ার সমার্থক নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মর্সিয়া কী? — শোকগীতি।
➤ মর্সিয়ার অপর পরিচয় — বিলাপগীতি।
➤ মর্সিয়ার সাহিত্যিক রূপ — শোককাব্য।
➤ মর্সিয়া শব্দের উৎস — আরবি।
➤ মর্সিয়ার প্রধান আবেগ — শোক ও বেদনা।
➤ বাংলা মর্সিয়ার প্রধান বিষয় — কারবালার ঘটনা।
➤ মর্সিয়ায় স্মরণ করা হয় — নিহত ও প্রয়াত ব্যক্তিদের।
➤ জারিগান — বাংলার শোকসংগীতের একটি লোকধারা।
➤ হামদ — আল্লাহর প্রশংসামূলক সংগীত।
➤ নাত — মহানবী (সা.)-এর প্রশংসামূলক সংগীত।
➤ লালনগীতি — লালন শাহের আধ্যাত্মিক ও মরমি গান।
➤ মনে রাখার সূত্র — মর্সিয়া ⇒ শোক ⇒ বিলাপ ⇒ কারবালা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. শোক গীতি।"
02
🎯 Level 1

৫৫. ‘মর্সিয়া’ কী? (পরমাণু শক্তি কমিশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২৬)

ক

আনন্দ গীতি

খ

লোক গীতি

গ

শোক গীতি

ঘ

লালন গীতি

✅ সঠিক উত্তর:গ. শোক গীতি

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: শোক গীতি।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ মর্সিয়া হলো শোকগীতি বা বিলাপমূলক কবিতা, যেখানে মৃত্যু, শাহাদত কিংবা কোনো বিয়োগান্ত ঘটনার শোক প্রকাশ করা হয়।
❖ মর্সিয়া আরবি সাহিত্যিক ঐতিহ্য থেকে উদ্ভূত একটি বিশেষ কবিতার ধারা।
❖ এর মূল আরবি শব্দ মার্থিয়্যাহ, যার অর্থ মৃত ব্যক্তির জন্য শোক বা বিলাপ প্রকাশ।
❖ মর্সিয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মৃত ব্যক্তি বা বিয়োগান্ত ঘটনাকে স্মরণ করে শোক, বেদনা, শ্রদ্ধা ও আবেগ প্রকাশ করা।
❖ সাধারণভাবে মর্সিয়া বিভিন্ন ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রচিত হতে পারে।
❖ তবে ফারসি, উর্দু এবং বাংলা সাহিত্যধারায় এটি বিশেষভাবে কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে।
❖ কারবালায় ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদত মর্সিয়া সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বিষয়।
❖ বাংলা সাহিত্যে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বর্ণনাকে কেন্দ্র করে একটি সমৃদ্ধ মর্সিয়া সাহিত্যধারা গড়ে উঠেছে।
❖ মর্সিয়া কেবল শোকের ঘটনা বর্ণনা করে না; এতে স্মরণ, সহমর্মিতা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের অনুভূতিও প্রকাশ পায়।
✦ মর্সিয়া সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য
১. শোক ও বিলাপ
❖ মর্সিয়ার প্রধান বিষয় দুঃখ ও শোকের প্রকাশ।
❖ প্রিয়জন হারানোর বেদনা এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।
২. বিয়োগান্ত ঘটনা
❖ মৃত্যু, শাহাদত ও দুঃখজনক পরিণতি মর্সিয়ার প্রধান বিষয়।
❖ কারবালার কাহিনি এর পরিচিত উদাহরণ।
৩. স্মরণ ও শ্রদ্ধা
❖ মৃত ব্যক্তির স্মৃতি ও গুণাবলি স্মরণ করা হয়।
❖ আত্মত্যাগ ও বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ পায়।
৪. করুণ আবেগ
❖ ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিতে গভীর বেদনার আবহ থাকে।
❖ আবেগপূর্ণ বর্ণনা শ্রোতা বা পাঠকের মনে সহমর্মিতা সৃষ্টি করে।
৫. সংগীতধর্মিতা
❖ অনেক মর্সিয়া সুর করে আবৃত্তি বা গাওয়া হয়।
❖ বাংলা লোকসংগীতের জারিধারার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে।
✦ বাংলা মর্সিয়া ও জারিগানের সম্পর্ক
❖ জারিগান বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শোকসংগীতধারা।
❖ এর প্রধান ঐতিহাসিক বিষয়গুলোর মধ্যে কারবালার ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
❖ মহররম উপলক্ষে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে কারবালার কাহিনি জারিগানের মাধ্যমে পরিবেশিত হয়েছে।
❖ মর্সিয়া ও জারিগান উভয়ের মধ্যেই শোক ও বিলাপের উপাদান রয়েছে।
❖ তবে মর্সিয়া একটি সাহিত্যিক শোকধারা, আর জারি বাংলার বিশেষ লোকসংগীত ও পরিবেশনার রীতি।
❖ তাই এ দুটিকে সম্পূর্ণ সমার্থক বলা যায় না।
✦ মর্সিয়া, হামদ ও নাতের পার্থক্য
মর্সিয়া:
❖ শোক, বিলাপ ও বিয়োগান্ত ঘটনার প্রকাশ।
❖ কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বিকাশ ঘটেছে।
হামদ:
❖ আল্লাহর প্রশংসায় রচিত কবিতা বা সংগীত।
নাত:
❖ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রশংসায় রচিত কবিতা বা সংগীত।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. আনন্দ গীতি — ভুল।
আনন্দগীতিতে সুখ, উৎসব ও আনন্দের প্রকাশ থাকে। মর্সিয়ার মূল বিষয় শোক ও বিলাপ।
❖ খ. লোক গীতি — নির্দিষ্ট উত্তর নয়।
লোকগীতি একটি বৃহত্তর সংগীতধারা। মর্সিয়ার প্রভাবে কিছু লোকগান রচিত হলেও মর্সিয়ার সরাসরি সংজ্ঞা লোকগীতি নয়।
❖ গ. শোক গীতি — সঠিক।
মর্সিয়া মূলত শোকগীতি বা বিলাপগীতি।
❖ ঘ. লালন গীতি — ভুল।
লালনগীতি লালন শাহের দর্শন, মানবতাবাদ, দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক সাধনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি মর্সিয়ার সমার্থক নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মর্সিয়া কী? — শোকগীতি।
➤ মর্সিয়ার অপর পরিচয় — বিলাপগীতি।
➤ মর্সিয়ার সাহিত্যিক রূপ — শোককাব্য।
➤ মর্সিয়া শব্দের উৎস — আরবি।
➤ মর্সিয়ার প্রধান আবেগ — শোক ও বেদনা।
➤ বাংলা মর্সিয়ার প্রধান বিষয় — কারবালার ঘটনা।
➤ মর্সিয়ায় স্মরণ করা হয় — নিহত ও প্রয়াত ব্যক্তিদের।
➤ জারিগান — বাংলার শোকসংগীতের একটি লোকধারা।
➤ হামদ — আল্লাহর প্রশংসামূলক সংগীত।
➤ নাত — মহানবী (সা.)-এর প্রশংসামূলক সংগীত।
➤ লালনগীতি — লালন শাহের আধ্যাত্মিক ও মরমি গান।
➤ মনে রাখার সূত্র — মর্সিয়া ⇒ শোক ⇒ বিলাপ ⇒ কারবালা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. শোক গীতি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

৫৯. কোনটি শোকগীতি বা বিলাপ সংগীত? (জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে সহকারী পরিচালক: ০৬)

ক

সারিগান

খ

ভাটিয়ালী

গ

মর্সিয়া

ঘ

হামদ

✅ সঠিক উত্তর:গ. মর্সিয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: মর্সিয়া।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ মর্সিয়া হলো শোকগীতি বা বিলাপসংগীত।
❖ এতে মৃত্যু, শাহাদত, স্বজন হারানো এবং বিয়োগান্ত ঘটনার শোক প্রকাশ করা হয়।
❖ মর্সিয়া শব্দটি আরবি মার্থিয়্যাহ থেকে এসেছে।
❖ মর্সিয়ার প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য হলো শোক, বিলাপ, স্মরণ ও করুণ আবেগের প্রকাশ।
❖ আরবি সাহিত্যিক ঐতিহ্যে মৃত ব্যক্তির স্মরণে শোককবিতা রচনার প্রচলন ছিল।
❖ পরবর্তী সময়ে ফারসি ও উর্দু সাহিত্যে এই ধারা বিশেষভাবে বিকশিত হয়।
❖ বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যে কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনাকে প্রধান বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
❖ বিশেষত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবার-সঙ্গীদের শাহাদত, ত্যাগ ও শোকের ঘটনা মর্সিয়া সাহিত্যে গুরুত্ব পেয়েছে।
❖ বাংলার লোকসংস্কৃতিতে এই শোকধারার সঙ্গে জারিগানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
❖ তাই শোকগীতি বা বিলাপসংগীত বলতে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে মর্সিয়াকেই বোঝায়।
✦ মর্সিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য
❖ মৃত্যু বা বিয়োগান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত।
❖ করুণ আবেগ ও বিলাপের প্রকাশ থাকে।
❖ মৃত ব্যক্তি বা শহীদের স্মৃতি স্মরণ করা হয়।
❖ আত্মত্যাগ ও বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়।
❖ বাংলা সাহিত্যে কারবালার ঘটনা প্রধান বিষয় হিসেবে পাওয়া যায়।
❖ সুর করে পাঠ বা গানের মাধ্যমে পরিবেশিত হতে পারে।
✦ সারিগান কী?
❖ সারিগান বাংলার সমবেত শ্রমসংগীতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা।
❖ বিশেষভাবে নৌকা বাইচ বা দলবদ্ধভাবে নৌকা চালানোর সময় সারিগান গাওয়ার প্রচলন রয়েছে।
❖ এতে ছন্দ ও সুরের সাহায্যে কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করা হয়।
❖ দলবদ্ধ শ্রমের সঙ্গে সারিগানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
❖ তাই সারিগান মূলত শ্রম ও সমবেত পরিবেশনার গান, শোকগীতির নির্দিষ্ট পরিচয় নয়।
✦ ভাটিয়ালী কী?
❖ ভাটিয়ালী বাংলাদেশের নদীনির্ভর লোকসংগীতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা।
❖ মাঝি, নদী, নৌযাত্রা, দূরত্ব, একাকিত্ব এবং বিরহের অনুভূতি ভাটিয়ালী গানে প্রকাশ পায়।
❖ ভাটির অঞ্চল ও নদীকেন্দ্রিক জীবনের সঙ্গে এই সংগীতের সম্পর্ক রয়েছে।
❖ ভাটিয়ালীতে বিরহ বা বেদনা থাকতে পারে, কিন্তু এটি মর্সিয়ার সমার্থক নয়।
✦ হামদ কী?
❖ হামদ হলো আল্লাহর প্রশংসায় রচিত ধর্মীয় কবিতা বা সংগীত।
❖ এতে আল্লাহর মহিমা, গুণাবলি ও প্রশংসা প্রকাশ করা হয়।
❖ অন্যদিকে নাত হলো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রশংসামূলক কবিতা বা সংগীত।
❖ হামদ ও নাতের সঙ্গে মর্সিয়ার ধর্মীয় সাহিত্যিক সম্পর্ক থাকলেও বিষয়বস্তু পৃথক।
✦ হামদ, নাত, মর্সিয়া ও জারির পার্থক্য
হামদ:
❖ আল্লাহর প্রশংসা।
নাত:
❖ মহানবী (সা.)-এর প্রশংসা।
মর্সিয়া:
❖ মৃত্যু, শাহাদত ও বিয়োগান্ত ঘটনার শোকপ্রকাশ।
জারি:
❖ বাংলা লোকসংগীতের শোকপ্রকাশমূলক ধারা।
❖ কারবালার ঘটনার সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. সারিগান — ভুল।
সারিগান মূলত দলবদ্ধ শ্রম ও নৌকা চালানোর সঙ্গে সম্পর্কিত সংগীত।
❖ খ. ভাটিয়ালী — ভুল।
ভাটিয়ালী নদী ও মাঝির জীবনকেন্দ্রিক লোকসংগীত। এতে বিরহ থাকতে পারে, কিন্তু এর প্রধান পরিচয় শোকগীতি নয়।
❖ গ. মর্সিয়া — সঠিক।
মর্সিয়া হলো শোকগীতি বা বিলাপসংগীত।
❖ ঘ. হামদ — ভুল।
হামদ আল্লাহর প্রশংসামূলক সংগীত। এটি মর্সিয়ার সমার্থক নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ শোকগীতি বা বিলাপসংগীত — মর্সিয়া।
➤ মর্সিয়া শব্দের উৎস — আরবি।
➤ মর্সিয়ার প্রধান বিষয় — শোক ও বিলাপ।
➤ বাংলা মর্সিয়ার প্রধান ঐতিহাসিক বিষয় — কারবালা।
➤ সারিগান — সমবেত শ্রম ও নৌকা চালানোর গান।
➤ ভাটিয়ালী — নদী ও মাঝিকেন্দ্রিক লোকসংগীত।
➤ হামদ — আল্লাহর প্রশংসামূলক গান।
➤ নাত — মহানবী (সা.)-এর প্রশংসামূলক গান।
➤ জারিগান — বাংলার শোকসংগীতের লোকধারা।
➤ কারবালার ঘটনা — ৬১ হিজরি বা ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ।
➤ মনে রাখার সূত্র — হামদ ⇒ আল্লাহর প্রশংসা; নাত ⇒ নবীজির প্রশংসা; মর্সিয়া ⇒ শোক।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. মর্সিয়া।
04
🎯 Level 1

০৮. ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ সংগ্রহের প্রধান সম্পাদক কে? (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল অফিসার: ২৬)

ক

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

খ

আহমদ শরীফ

গ

দীনেশচন্দ্র সেন

ঘ

সুকুমার সেন

✅ সঠিক উত্তর:গ. দীনেশচন্দ্র সেন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: দীনেশচন্দ্র সেন।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ড. দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬–১৯৩৯) ছিলেন বাংলা ভাষা, সাহিত্য-ইতিহাস ও লোকসাহিত্য গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
❖ সম্পাদনার কাজ: তিনি পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগৃহীত লোকগাথা ও পালাগান সম্পাদনা, সংকলন ও প্রকাশ করেন।
❖ পূর্ববঙ্গ গীতিকা: বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সম্পাদনায় ৫৪টি পূর্ববঙ্গীয় গীতিকা চার খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
❖ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান: এসব সাহিত্যকর্ম প্রকাশে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
❖ মাঠপর্যায়ের সংগ্রাহক: চন্দ্রকুমার দে ছিলেন বহু পালার প্রধান সংগ্রাহক। তিনি লোকশিল্পীদের কাছ থেকে পালাগুলো সংগ্রহ করে লিখিত রূপ দেন।
❖ সম্পাদক ও সংগ্রাহকের পার্থক্য: সংগ্রাহক লোকসমাজ থেকে মূল উপাদান সংগ্রহ করেন, আর সম্পাদক সেগুলো যাচাই, বিন্যস্ত ও প্রকাশের উপযোগী করেন।
❖ গবেষণাগত অবদান: দীনেশচন্দ্র সেনের কাজের ফলে বাংলার গ্রামীণ লোকগাথা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সাহিত্য-গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়।
❖ উল্লেখযোগ্য গবেষণাকর্ম: তাঁর কাজের মধ্যে History of Bengali Language and Literature এবং The Folk-Literature of Bengal বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ভুল। তিনি বিখ্যাত ভাষাবিদ ও সাহিত্য-গবেষক।
❖ খ. আহমদ শরীফ — ভুল। তিনি বাংলা পুঁথি ও মধ্যযুগীয় সাহিত্য গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
❖ গ. দীনেশচন্দ্র সেন — সঠিক। পূর্ববঙ্গ গীতিকার প্রধান সম্পাদক ও সংকলক।
❖ ঘ. সুকুমার সেন — ভুল। তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের বিশিষ্ট গবেষক।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ পূর্ববঙ্গ গীতিকার প্রধান সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ পূর্ববঙ্গ গীতিকার গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ দীনেশচন্দ্র সেনের জীবনকাল — ১৮৬৬–১৯৩৯।
➤ পূর্ববঙ্গ গীতিকার সংকলিত পালা — ৫৪টি (বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী)।
➤ প্রকাশিত প্রধান খণ্ড — চারটি।
➤ পূর্ববঙ্গ গীতিকা প্রকাশের প্রতিষ্ঠান — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার প্রকাশকাল — ১৯২৩।
➤ দীনেশচন্দ্র সেনের বিখ্যাত ইংরেজি গবেষণাগ্রন্থ — History of Bengali Language and Literature।
➤ মনে রাখার সূত্র — চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ ⇒ দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদনা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. দীনেশচন্দ্র সেন।
05
🎯 Level 1

১১. ‘লোকসাহিত্য’ বলতে কি বুঝায়? (পরিবেশ অধিদপ্তরের নমুনা সংগ্রহকারী: ২৬; পাওয়ার গ্রিডের জুনিয়র প্রশাসনিক সহকারী: ২৫)

ক

কবিতা, গান

খ

উপন্যাস, নাটক

গ

ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন

ঘ

প্রাচীন লোকনাট্য, চিত্রকলা

✅ সঠিক উত্তর:গ. ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ লোকসাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের জীবন, বিশ্বাস, কল্পনা ও অভিজ্ঞতা থেকে সৃষ্ট এবং প্রধানত মুখে মুখে প্রচারিত সাহিত্যিক ঐতিহ্য।
❖ লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদান হলো ছড়া, লোকগান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন, লোককথা, রূপকথা, উপকথা, গীতিকা ও ব্রতকথা।
❖ মৌখিকতা: লোকসাহিত্য লিখিত হওয়ার আগেই সমাজে প্রচলিত থাকতে পারে। অনেক রচনার নির্দিষ্ট লেখক জানা যায় না।
❖ সমষ্টিগত চরিত্র: লোকসমাজের বিভিন্ন মানুষ একই রচনা গেয়ে, শুনিয়ে ও পরিবর্তন করে প্রচার করেন। ফলে লোকসাহিত্য ক্রমে সমষ্টিগত সাংস্কৃতিক সম্পদে পরিণত হয়।
❖ আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য: অঞ্চলভেদে ভাষা, উচ্চারণ, জীবনযাত্রা ও লোকবিশ্বাসের পার্থক্য লোকসাহিত্যে প্রতিফলিত হয়।
❖ সাংস্কৃতিক মূল্য: লোকসাহিত্য থেকে কোনো জনগোষ্ঠীর কৃষি, সামাজিক আচরণ, ধর্মীয় বিশ্বাস, নৈতিক শিক্ষা ও ইতিহাসবোধ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
❖ প্রচলিত উদাহরণ: খনার বচন, ঠাকুরমার ঝুলি, মৈমনসিংহ গীতিকা এবং বাংলার বিভিন্ন লোকগান লোকসাহিত্যের পরিচিত নিদর্শন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. কবিতা, গান — অসম্পূর্ণ। কেবল কবিতা ও গান বললে লোকসাহিত্যের সব শাখা বোঝায় না।
❖ খ. উপন্যাস, নাটক — ভুল। এগুলো সাধারণত লিখিত শিষ্টসাহিত্যের স্বতন্ত্র রূপ।
❖ গ. ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন — সঠিক। লোকসাহিত্যের প্রধান রূপগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
❖ ঘ. প্রাচীন লোকনাট্য, চিত্রকলা — অসম্পূর্ণ। লোকনাট্য লোকসাহিত্যের অন্তর্গত হতে পারে, কিন্তু চিত্রকলা প্রধানত লোকশিল্পের অংশ।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদান — ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন।
➤ লোকসাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য — মৌখিক প্রচার।
➤ লোকসাহিত্যের ইংরেজি — Folk Literature।
➤ লোকসাহিত্যের আখ্যানমূলক গানের নাম — গীতিকা।
➤ পশুপাখির নীতিমূলক কাহিনি — উপকথা।
➤ লোকসমাজের অভিজ্ঞতাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত বাক্য — প্রবাদ।
➤ পরিচিত বস্তু আড়াল করে প্রশ্ন তৈরি করার সাহিত্যরূপ — ধাঁধা।
➤ লোকসাহিত্যের সাংস্কৃতিক চরিত্র — সমষ্টিগত ও আঞ্চলিক।
➤ মনে রাখার সূত্র — ছড়া + গান + ধাঁধা + প্রবাদ ⇒ লোকসাহিত্য।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ-প্রবচন।
Advertisement
06
🎯 Level 1

১৪. কোন চরিত্রটি মৈমনসিংহ গীতিকার নয়— (ডিজিএফআই এর এসআই: ২৫)

ক

নদের চাঁদ

খ

আলাত

গ

মদিনা

ঘ

মলুয়া

✅ সঠিক উত্তর:খ. আলাত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: আলাত।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ‘আলাত’ প্রদত্ত প্রশ্নের অন্যান্য বিকল্পের মতো মৈমনসিংহ গীতিকার পরিচিত চরিত্র নয়।
❖ নদের চাঁদ: তিনি দ্বিজ কানাই রচিত ‘মহুয়া’ পালার প্রধান পুরুষচরিত্র। তাঁর অন্য প্রচলিত নাম নদ্যার চাঁদ।
❖ মদিনা: তিনি মনসুর বয়াতি রচিত ‘দেওয়ানা মদিনা’ পালার কেন্দ্রীয় নারীচরিত্র।
❖ মলুয়া: মলুয়া হলো মৈমনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালার নাম ও নায়িকার নাম।
❖ মৈমনসিংহ গীতিকার বৈশিষ্ট্য: এখানে বিভিন্ন পালায় প্রেম, দাম্পত্যজীবন, সামাজিক বাধা, লোকবিশ্বাস, মানবিক সংঘাত ও করুণ পরিণতির কাহিনি পাওয়া যায়।
❖ চরিত্র ও পালার নামের পার্থক্য: পরীক্ষায় একই শব্দ কখনো পালার শিরোনাম, কখনো চরিত্রের নাম হিসেবে আসতে পারে। যেমন মলুয়া পালার নাম এবং নায়িকার নাম—উভয়ই।
❖ গবেষণাগত সীমা: আলাত নামে কোনো চরিত্র সমস্ত বাংলা লোকসাহিত্যে নেই—এমন দাবি করা হচ্ছে না। এখানে নির্দিষ্ট মৈমনসিংহ গীতিকার পরিচিত চরিত্রতালিকা বোঝানো হয়েছে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. নদের চাঁদ — মৈমনসিংহ গীতিকার চরিত্র। তিনি মহুয়া পালার নায়ক।
❖ খ. আলাত — সঠিক। প্রদত্ত সংকলনের পরিচিত চরিত্র নয়।
❖ গ. মদিনা — মৈমনসিংহ গীতিকার চরিত্র। তিনি দেওয়ানা মদিনার নায়িকা।
❖ ঘ. মলুয়া — মৈমনসিংহ গীতিকার চরিত্র। তিনি মলুয়া পালার নায়িকা।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার চরিত্র নয় — আলাত।
➤ নদের চাঁদ কোন পালার চরিত্র? — মহুয়া।
➤ মহুয়া পালার কবি — দ্বিজ কানাই।
➤ মদিনা কোন পালার চরিত্র? — দেওয়ানা মদিনা।
➤ দেওয়ানা মদিনার কবি — মনসুর বয়াতি।
➤ মলুয়া কী? — একটি পালা ও তার কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার প্রধান বিষয় — মানবিক প্রেম ও জীবনসংগ্রাম।
➤ মনে রাখার সূত্র — নদের চাঁদ ⇒ মহুয়া; মদিনা ⇒ দেওয়ানা মদিনা; মলুয়া ⇒ মলুয়া।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. আলাত।
১৫. ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক কে? (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (পিএসসি) এর স্টেশন অফিসার: ২৫; নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মিডওয়াইফ: ২৪)
ক. আবদুল করিম
খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ. দীনেশচন্দ্র সেন
ঘ. আশরাফ সিদ্দিকী
প্রদত্ত উত্তর: গ
◈ পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর: দীনেশচন্দ্র সেন। তবে প্রকৃত মাঠপর্যায়ের প্রধান সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ মৈমনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ লোকগাথা-সংকলন। এর প্রকাশনার সঙ্গে ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং মূল সংগ্রহের সঙ্গে চন্দ্রকুমার দে-র নাম বিশেষভাবে যুক্ত।
❖ মাঠপর্যায়ের সংগ্রাহক: চন্দ্রকুমার দে বৃহত্তর ময়মনসিংহের গ্রামে গ্রামে ঘুরে লোকশিল্পীদের কাছ থেকে মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, দেওয়ানা মদিনা প্রভৃতি পালা সংগ্রহ করেন।
❖ সম্পাদক ও সংকলক: দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত পালাগুলো সম্পাদনা ও সংকলন করে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন।
❖ প্রকাশকাল: ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
❖ ঐতিহাসিক প্রমাণ: বাংলাপিডিয়ায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, লোকগাথাগুলো সংগ্রহ ও লিখিত রূপ দেওয়ার মূল কৃতিত্ব চন্দ্রকুমার দে-র।
❖ প্রশ্নের সমস্যা: প্রদত্ত চারটি বিকল্পের মধ্যে চন্দ্রকুমার দে নেই। তাই প্রচলিত প্রশ্নসমাধানে দীনেশচন্দ্র সেনকে উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
❖ সংশোধনের প্রয়োজন: প্রশ্নটি যথার্থ করতে চাইলে ‘সংগ্রাহক’ শব্দের জায়গায় ‘সম্পাদক’ বা ‘সংকলক’ ব্যবহার করা উচিত। অন্যথায় একটি বিকল্পে চন্দ্রকুমার দে যুক্ত করতে হবে।
❖ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত: মাঠপর্যায়ে সংগ্রহ ⇒ চন্দ্রকুমার দে। সম্পাদনা ও গ্রন্থরূপে সংকলন ⇒ দীনেশচন্দ্র সেন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. আবদুল করিম — ভুল। তিনি এই গীতিকাসংকলনের প্রধান সংগ্রাহক নন।
❖ খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ভুল। তিনি চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
❖ গ. দীনেশচন্দ্র সেন — পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর। তিনি মূলত সম্পাদক ও সংকলক।
❖ ঘ. আশরাফ সিদ্দিকী — ভুল। তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত লোকসাহিত্য গবেষক ও সংগ্রাহক; তবে এই নির্দিষ্ট সংকলনের প্রধান সংগ্রাহক নন।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার প্রকৃত প্রধান সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী পরীক্ষাভিত্তিক উত্তর — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার প্রকাশকাল — ১৯২৩।
➤ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
➤ সংগ্রাহক ও সম্পাদকের কাজ কি এক? — না।
➤ চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারক — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
➤ বাংলাদেশের বিশিষ্ট লোকসাহিত্য সংগ্রাহক — আশরাফ সিদ্দিকী।
➤ মনে রাখার সূত্র — সংগ্রহ ⇒ চন্দ্রকুমার; সম্পাদনা ⇒ দীনেশচন্দ্র।
◈ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: অপশনভিত্তিক উত্তর গ. দীনেশচন্দ্র সেন; ঐতিহাসিকভাবে সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে।
07
🎯 Level 1

১৮. ‘ভেলুয়া’ কোন সংকলন গ্রন্থের অংশ? (সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের অফিসার: ২৫)

ক

মৈমনসিংহ গীতিকা

খ

পূর্ববঙ্গ গীতিকা

গ

ঠাকুরমার ঝুলি

ঘ

ফোকলোর সংগ্রহমালা

✅ সঠিক উত্তর:খ. পূর্ববঙ্গ গীতিকা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ‘ভেলুয়া’ বা ‘ভেলুয়া সুন্দরী’ বাংলার পূর্ববঙ্গ গীতিকা সংকলনের অন্তর্গত একটি লোকপালা।
❖ সংগ্রাহক: বাংলাপিডিয়ায় চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার পালাগুলোর মধ্যে ভেলুয়া সুন্দরী-র উল্লেখ রয়েছে।
❖ সম্পাদক: পূর্ববঙ্গের এই লোকপালাগুলো সংকলন ও সম্পাদনায় দীনেশচন্দ্র সেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
❖ ভৌগোলিক পরিচয়: ‘ভেলুয়া’কে বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গের চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলের গীতিকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
❖ গীতিকার ধরন: এটি কাহিনিনির্ভর লোকগাথা, যেখানে মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সামাজিক পরিবেশের প্রতিফলন রয়েছে।
❖ পূর্ববঙ্গ গীতিকার বিস্তৃতি: এ সংকলনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাড়াও সিলেট, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং পূর্ববঙ্গের অন্যান্য অঞ্চলের লোকপালা স্থান পেয়েছে।
❖ গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ বিশেষ একটি সংকলন; আর ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ বৃহত্তর পূর্ববঙ্গীয় লোকগাথার সংকলন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. মৈমনসিংহ গীতিকা — ভুল। মহুয়া ও মলুয়ার মতো পালা এখানে বেশি পরিচিত; ভেলুয়ার নির্দিষ্ট সংকলন পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
❖ খ. পূর্ববঙ্গ গীতিকা — সঠিক। ভেলুয়া সুন্দরী এ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
❖ গ. ঠাকুরমার ঝুলি — ভুল। এটি রূপকথার সংকলন।
❖ ঘ. ফোকলোর সংগ্রহমালা — প্রশ্নের উত্তর নয়। এটি এখানে নির্দিষ্ট সংকলন নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ‘ভেলুয়া’ কোন সংকলনের অংশ? — পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
➤ ভেলুয়ার অন্য নাম — ভেলুয়া সুন্দরী।
➤ ভেলুয়ার প্রধান ভৌগোলিক অঞ্চল — চট্টগ্রাম-নোয়াখালী।
➤ ভেলুয়া সুন্দরীর সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ পূর্ববঙ্গ গীতিকার সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত পালা — মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ানা মদিনা।
➤ ‘ঠাকুরমার ঝুলি’র সংকলক — দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
➤ মনে রাখার সূত্র — ভেলুয়া সুন্দরী ⇒ চট্টগ্রাম-নোয়াখালী ⇒ পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
08
🎯 Level 1

২১. ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র পালাগুলো সংগ্রহ করেন— (মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২৫)

ক

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

খ

রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

গ

চন্দ্রকুমার দে

ঘ

দীনেশচন্দ্র সেন

✅ সঠিক উত্তর:গ. চন্দ্রকুমার দে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: চন্দ্রকুমার দে।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ মৈমনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর প্রধান সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে (১৮৮৯–১৯৪৬)। তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথা সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
❖ জন্মস্থান: বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী তাঁর জন্ম বর্তমান নেত্রকোনা জেলার রাঘবপুর গ্রামে।
❖ সংগ্রহের পদ্ধতি: তিনি লোকশিল্পীদের কাছ থেকে মৌখিকভাবে প্রচলিত পালাগান শুনে লিখিত রূপ দেন।
❖ সংগৃহীত পালা: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, দস্যু কেনারাম, কমলা, কঙ্ক ও লীলা, দেওয়ানা মদিনা প্রভৃতি তাঁর সংগৃহীত উল্লেখযোগ্য গীতিকা।
❖ সম্পাদক: সংগৃহীত পালাগুলো ড. দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদনা করেন এবং প্রকাশের ব্যবস্থা করেন।
❖ প্রকাশকাল: ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
❖ ঐতিহাসিক গুরুত্ব: চন্দ্রকুমার দের সংগ্রহের ফলে পূর্ববঙ্গের গ্রামীণ মানুষের প্রেম, সামাজিক সম্পর্ক, ধর্মীয় বিশ্বাস ও জীবনসংগ্রামের বহু মূল্যবান কাহিনি সংরক্ষিত হয়।
❖ বিশেষ পার্থক্য: প্রশ্নে ‘সংগ্রহ করেন’ বলা হয়েছে। তাই উত্তর চন্দ্রকুমার দে; ‘সম্পাদনা করেন’ বলা হলে দীনেশচন্দ্র সেন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ভুল। তিনি চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
❖ খ. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — ভুল। তিনি বাংলা প্রবন্ধ ও বিজ্ঞানচর্চার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
❖ গ. চন্দ্রকুমার দে — সঠিক। মৈমনসিংহ গীতিকার প্রধান সংগ্রাহক।
❖ ঘ. দীনেশচন্দ্র সেন — ভুল। তিনি সম্পাদক ও সংকলক।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ প্রকাশকাল — ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
➤ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
➤ চন্দ্রকুমার দের জন্মস্থান — রাঘবপুর, নেত্রকোনা।
➤ চন্দ্রকুমার দের জীবনকাল — ১৮৮৯–১৯৪৬।
➤ চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারক — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
➤ মনে রাখার সূত্র — সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার ⇒ সম্পাদক দীনেশচন্দ্র।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. চন্দ্রকুমার দে।
Advertisement
09
🎯 Level 1

২৪. ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ কে সম্পাদনা করেন? (সমন্বিত ৮ ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ২৫; বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার: ১৭)

ক

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

খ

দীনেশচন্দ্র সেন

গ

রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

ঘ

রামমোহন রায়

✅ সঠিক উত্তর:খ. দীনেশচন্দ্র সেন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: দীনেশচন্দ্র সেন।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ড. দীনেশচন্দ্র সেন মৈমনসিংহ গীতিকার সম্পাদক ও সংকলক।
❖ প্রকাশকাল: মৈমনসিংহ গীতিকা ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।
❖ সংগ্রাহক: চন্দ্রকুমার দে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে পালাগুলো সংগ্রহ করেন।
❖ সম্পাদনার কাজ: দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত মৌখিক কাহিনিগুলো বিন্যস্ত, সংকলিত, সম্পাদিত এবং গবেষণামূলক ভূমিকা ও আলোচনাসহ প্রকাশ করেন।
❖ ইংরেজি পরিচিতি: তাঁর উদ্যোগে এসব লোকগাথার ইংরেজি রূপ Eastern Bengal Ballads নামে আন্তর্জাতিক পাঠকের কাছে পরিচিত হয়।
❖ সাহিত্যিক গুরুত্ব: এই প্রকাশনার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গের সাধারণ মানুষের লোকভাষা, প্রেম, সামাজিক সম্পর্ক ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হয়।
❖ গবেষক হিসেবে পরিচয়: দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
❖ পরীক্ষায় পার্থক্য: সংগ্রহ করেন — চন্দ্রকুমার দে; সম্পাদনা করেন — দীনেশচন্দ্র সেন।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ভুল। তিনি চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারক।
❖ খ. দীনেশচন্দ্র সেন — সঠিক। মৈমনসিংহ গীতিকার সম্পাদক।
❖ গ. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — ভুল। তিনি বিজ্ঞানমনস্ক প্রাবন্ধিক ও গবেষক।
❖ ঘ. রামমোহন রায় — ভুল। তিনি বাংলার নবজাগরণ ও সমাজসংস্কারের অগ্রদূত।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার প্রকাশকাল — ১৯২৩।
➤ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান — কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
➤ ইংরেজি প্রকাশনা — Eastern Bengal Ballads।
➤ দীনেশচন্দ্র সেনের জীবনকাল — ১৮৬৬–১৯৩৯।
➤ চর্যাপদের আবিষ্কারক — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
➤ মনে রাখার সূত্র — ময়মনসিংহের পালা ⇒ সংগ্রহ চন্দ্রকুমার ⇒ সম্পাদনা দীনেশচন্দ্র।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: খ. দীনেশচন্দ্র সেন।
10
🎯 Level 1

২৭. নিচের কোনটি মৈমনসিংহ গীতিকা? (সমন্বিত ৭ ব্যাংকের অফিসার: ২৩)

ক

নদের চাঁদ

খ

আলাদ

গ

মদিনা

ঘ

মলুয়া

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. মলুয়া

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: মলুয়া।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ‘মলুয়া’ মৈমনসিংহ গীতিকার একটি পরিচিত লোকপালার নাম। একই সঙ্গে মলুয়া পালার কেন্দ্রীয় নারীচরিত্রের নামও মলুয়া।
❖ সাহিত্যিক পরিচয়: এটি পূর্ববঙ্গের কাহিনিনির্ভর প্রেমমূলক লোকগাথা।
❖ প্রধান বিষয়: পালাটিতে প্রেম, সামাজিক প্রতিকূলতা, পারিবারিক সংকট, নারীজীবনের সংগ্রাম এবং করুণ পরিণতি ফুটে উঠেছে।
❖ সংগ্রাহক: মলুয়া পালাটি চন্দ্রকুমার দে সংগ্রহ করেন।
❖ সম্পাদক: এটি দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত মৈমনসিংহ গীতিকায় স্থান পেয়েছে।
❖ ভাষার বৈশিষ্ট্য: পালাটি বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকভাষা ও আঞ্চলিক শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ।
❖ অন্য চরিত্রের পার্থক্য: নদের চাঁদ মহুয়া পালার নায়ক এবং মদিনা দেওয়ানা মদিনার নায়িকা। কিন্তু প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে মলুয়া একটি পূর্ণাঙ্গ পালার শিরোনাম।
❖ সাহিত্যিক গুরুত্ব: মলুয়া পালায় বাংলার লোকসমাজে নারীর জীবন, সম্পর্ক ও প্রতিকূল পরিস্থিতির বাস্তব পরিচয় পাওয়া যায়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. নদের চাঁদ — ভুল। এটি মহুয়া পালার চরিত্রের নাম।
❖ খ. আলাদ — ভুল। প্রদত্ত সংকলনের পরিচিত পালার শিরোনাম নয়।
❖ গ. মদিনা — ভুল। এটি দেওয়ানা মদিনা পালার চরিত্রের নাম।
❖ ঘ. মলুয়া — সঠিক। এটি মৈমনসিংহ গীতিকার পালার নাম।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মৈমনসিংহ গীতিকার একটি পালা — মলুয়া।
➤ মলুয়া কী? — পালার নাম ও কেন্দ্রীয় নারীচরিত্রের নাম।
➤ মলুয়া পালার সংগ্রাহক — চন্দ্রকুমার দে।
➤ মলুয়া পালার সংকলনের সম্পাদক — দীনেশচন্দ্র সেন।
➤ নদের চাঁদ কোন পালার নায়ক? — মহুয়া।
➤ মদিনা কোন পালার নায়িকা? — দেওয়ানা মদিনা।
➤ মলুয়ার সাহিত্যিক ধরন — লোকগীতিকা।
➤ মনে রাখার সূত্র — নদের চাঁদ ও মদিনা ⇒ চরিত্র; মলুয়া ⇒ পালার নাম।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ঘ. মলুয়া।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন