🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত চরিত্র

◉ বাংলা সাহিত্য›বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত চরিত্র

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚78মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

"১৭. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা ‘লালসালু’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান একটি নারী চরিত্রের নাম কি? (বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ২৬)"

ক

জমিলা

খ

জোহরা

গ

রাবেয়া

ঘ

তাহেরা

✅ সঠিক উত্তর:ক. জমিলা

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: জমিলা — ‘লালসালু’ উপন্যাস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জমিলা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারীচরিত্র। উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার, কুসংস্কার, ক্ষমতার প্রভাব, নারীজীবন এবং ব্যক্তির স্বাধীনতার সংকট তুলে ধরা হয়েছে।
❖ উপন্যাসের নাম: লালসালু (Lalsalu)।
❖ রচয়িতা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
❖ প্রথম প্রকাশ: ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ, ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে।
❖ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র: মজিদ, রহিমা, জমিলা, খালেক ব্যাপারী, আমেনা বিবি ও আক্কাস।
❖ জমিলার পরিচয়: জমিলা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণী, প্রাণবন্ত, সাহসী ও স্বাধীনচেতা।
❖ মজিদ: উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র। তিনি মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবরকে অজ্ঞাত পীরের মাজার বলে প্রচার করেন এবং লাল কাপড়ে ঢেকে ধর্মীয় প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা: গ্রামের মানুষের ধর্মীয় আবেগ, অজ্ঞতা ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়ে মজিদ ধীরে ধীরে সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন।
❖ লালসালুর তাৎপর্য: ‘লালসালু’ বলতে লাল রঙের কাপড়কে বোঝানো হয়েছে, যা উপন্যাসে মাজার ঢাকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ধর্মীয় বিশ্বাসকে ক্ষমতা ও স্বার্থসিদ্ধির উপায় হিসেবে ব্যবহারের প্রতীক।
❖ রহিমা: মজিদের প্রথম স্ত্রী। তিনি শারীরিকভাবে শক্তিশালী, পরিশ্রমী ও স্বামীভক্ত নারী। তাঁর চরিত্রে সহিষ্ণুতা ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত আনুগত্যের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
❖ জমিলার স্বভাব: তিনি সহজে ভয় পান না, হাসিখুশি থাকেন এবং মজিদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ মেনে নিতে চান না। তাঁর আচরণ মজিদের প্রতিষ্ঠিত কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
❖ জমিলার প্রতিরোধ: মজিদের ভীতিনির্ভর ধর্মীয় প্রভাবের সামনে জমিলা আত্মসমর্পণ করতে চান না। তাঁর স্বাভাবিক হাসি, স্বাধীনতা ও প্রতিবাদী মনোভাব মজিদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
❖ জমিলা ও রহিমার পার্থক্য: রহিমা প্রচলিত সামাজিক রীতিতে অভ্যস্ত হলেও জমিলা প্রশ্নহীন আনুগত্য মানতে চান না। এই দুটি চরিত্রের মাধ্যমে নারীর অবস্থান ও প্রতিবাদের ভিন্ন রূপ ফুটে ওঠে।
❖ খালেক ব্যাপারী: মহব্বতনগরের প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
❖ আমেনা বিবি: খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী। সন্তান না হওয়া এবং সামাজিক-ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তাঁর জীবনে সংকট তৈরি হয়।
❖ আক্কাস: গ্রামে শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী এক ব্যক্তি। তাঁর বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা মজিদের ধর্মীয় কর্তৃত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
❖ উপন্যাসের পটভূমি: পূর্ববাংলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, সামাজিক বৈষম্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব প্রতিষ্ঠার ঘটনা কাহিনির ভিত্তি।
❖ মূল বিষয়: ধর্মীয় কুসংস্কার, ধর্মব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, গ্রামীণ সমাজ ও নারীর স্বাধীনতা।
❖ লেখক পরিচিতি: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯২২–১৯৭১) বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার। তাঁর সাহিত্যে আধুনিক মানুষের অস্তিত্বসংকট, নিঃসঙ্গতা, ভয়, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সামাজিক ক্ষমতাকাঠামো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
❖ জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯২২।
❖ জন্মস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
❖ মৃত্যু: ১০ অক্টোবর ১৯৭১, প্যারিস, ফ্রান্স।
❖ বিখ্যাত উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
❖ গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা (১৯৪৫) এবং দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
❖ নাটক: বহিপীর (১৯৬০), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৪), সুড়ঙ্গ।
❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১) এবং একুশে পদক (১৯৮৪, মরণোত্তর)।
❖ চলচ্চিত্ররূপ: তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত লালসালু চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০০১ সালে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ জমিলা — লালসালু উপন্যাসের চরিত্র।
➤ উপন্যাসের রচয়িতা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
➤ প্রকাশকাল — ১৯৪৮।
➤ প্রকাশক — কমরেড পাবলিশার্স, ঢাকা।
➤ প্রধান পুরুষ চরিত্র — মজিদ।
➤ মজিদের প্রথম স্ত্রী — রহিমা।
➤ মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী — জমিলা।
➤ জমিলার বৈশিষ্ট্য — স্বাধীনচেতা ও প্রতিবাদী।
➤ গ্রাম — মহব্বতনগর।
➤ খালেক ব্যাপারী — গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি।
➤ আমেনা বিবি — খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী।
➤ আক্কাস — শিক্ষাপ্রসারে উদ্যোগী ব্যক্তি।
➤ লালসালু — মাজার ঢাকার লাল কাপড়।
➤ উপন্যাসের মূল বিষয় — ধর্মব্যবসা ও গ্রামীণ ক্ষমতাকাঠামো।
➤ লেখকের জন্ম — ১৫ আগস্ট ১৯২২।
➤ জন্মস্থান — ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
➤ মৃত্যু — ১০ অক্টোবর ১৯৭১।
➤ মৃত্যুর স্থান — প্যারিস, ফ্রান্স।
➤ প্রথম গল্পগ্রন্থ — নয়নচারা (১৯৪৫)।
➤ প্রথম উপন্যাস — লালসালু (১৯৪৮)।
➤ দ্বিতীয় উপন্যাস — চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪)।
➤ তৃতীয় উপন্যাস — কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
➤ উল্লেখযোগ্য নাটক — বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ।
➤ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার — ১৯৬১।
➤ একুশে পদক — ১৯৮৪ (মরণোত্তর)।
➤ লালসালু চলচ্চিত্রের পরিচালক — তানভীর মোকাম্মেল।
➤ চলচ্চিত্র মুক্তি — ২০০১।
➤ লালসালু—মজিদ, রহিমা, জমিলা; চাঁদের অমাবস্যা—আরেফ আলী; কাঁদো নদী কাঁদো—মুহাম্মদ মুস্তফা।"
02
🎯 Level 1

২০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পোস্টমাস্টার’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি? (পোস্টমাস্টার জেনারেলের রাজশাহীর পোস্টাল অপারেটর: ২৬)

ক

ফটিক

খ

অমিত

গ

রতন

ঘ

রহমত

✅ সঠিক উত্তর:গ. রতন

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: রতন — ‘পোস্টমাস্টার’ গল্প।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘রতন’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘পোস্টমাস্টার’-এর অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র। রতন একজন অনাথ গ্রামীণ কিশোরী, যার সঙ্গে শহর থেকে আসা একজন পোস্টমাস্টারের গভীর স্নেহ ও মানসিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
❖ গল্পের নাম: পোস্টমাস্টার (The Postmaster)।
❖ রচয়িতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
❖ প্রথম প্রকাশ: ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দ, বাংলা ১২৯৮ বঙ্গাব্দে, হিতবাদী পত্রিকায়।
❖ প্রধান চরিত্র: রতন ও পোস্টমাস্টার।
❖ গল্পের পটভূমি: উলাপুর নামে একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। এখানে একটি নীলকুঠির কাছে ছোট ডাকঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
❖ পোস্টমাস্টারের পরিচয়: কলকাতা থেকে আগত একজন যুবক। শহরের পরিবেশে অভ্যস্ত হওয়ায় গ্রামীণ জীবনের নিঃসঙ্গতা, অপরিচিত পরিবেশ ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তাঁকে কষ্ট দেয়।
❖ রতনের পরিচয়: গ্রামের একটি অনাথ মেয়ে। সে পোস্টমাস্টারের ঘরের ছোটখাটো কাজ করে এবং তাঁর দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণে সাহায্য করে।
❖ রতনের পারিবারিক অবস্থা: রতনের বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। ফলে সে একাকিত্ব ও পারিবারিক স্নেহের অভাবের মধ্যে জীবনযাপন করে।
❖ দুই চরিত্রের নিঃসঙ্গতা: পোস্টমাস্টার শহরের পরিচিত পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন, আর রতন পরিবারহীন। এই অভিন্ন নিঃসঙ্গতা তাঁদের মধ্যে স্নেহ ও নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
❖ রতনের শিক্ষালাভ: পোস্টমাস্টার অবসর সময়ে রতনকে বাংলা বর্ণমালা পড়াতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে রতন পড়াশোনায় আগ্রহী হয়ে ওঠে।
❖ রতনের সেবাযত্ন: পোস্টমাস্টার অসুস্থ হয়ে পড়লে রতন আন্তরিকভাবে তাঁর সেবা করে। এতে তাঁর প্রতি রতনের ভালোবাসা ও পরিবারের সদস্যের মতো নির্ভরতা প্রকাশ পায়।
❖ পোস্টমাস্টারের বদলির আবেদন: গ্রামের নিঃসঙ্গতা ও অসুস্থতার কারণে পোস্টমাস্টার অন্যত্র বদলির আবেদন করেন। কিন্তু তাঁর আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
❖ চাকরি ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত: বদলির আবেদন ব্যর্থ হলে পোস্টমাস্টার চাকরি থেকে পদত্যাগ করে কলকাতায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
❖ রতনের আবেগ: পোস্টমাস্টারের বিদায়ের কথা শুনে রতন গভীরভাবে ব্যথিত হয়। সে আশা করে, পোস্টমাস্টার হয়তো তাকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যাবেন।
❖ রতনের প্রত্যাখ্যাত আশা: রতন পোস্টমাস্টারের সঙ্গে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পোস্টমাস্টার তা সম্ভব নয় বলে জানান।
❖ বিদায়ের সময় অর্থ প্রদান: পোস্টমাস্টার রতনকে কিছু অর্থ দিতে চান, যাতে তাঁর অনুপস্থিতিতে রতনের অসুবিধা না হয়।
❖ রতনের প্রত্যাখ্যান: রতন অর্থ গ্রহণ করতে চায় না। কারণ পোস্টমাস্টারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অর্থনৈতিক নয়, বরং গভীর আবেগ ও স্নেহের।
❖ গল্পের করুণ পরিণতি: পোস্টমাস্টার চলে যাওয়ার পরও রতন ডাকঘরের আশপাশে ঘুরে বেড়ায় এবং তাঁর ফিরে আসার ক্ষীণ আশা মনে ধরে রাখে।
❖ পোস্টমাস্টারের দার্শনিক উপলব্ধি: বিদায়ের সময় পোস্টমাস্টার মানবজীবনের বিচ্ছেদকে অনিবার্য বলে ভাবেন। কিন্তু রতনের কাছে বিচ্ছেদটি ব্যক্তিগত ও গভীর বেদনাদায়ক।
❖ গল্পের প্রধান বৈপরীত্য: পোস্টমাস্টার সম্পর্কটিকে সাময়িক গ্রামীণ অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচনা করলেও রতন তাঁকে পরিবারের আপনজন মনে করে।
❖ গল্পের মূল বিষয়: মানবিক সম্পর্ক, নিঃসঙ্গতা, স্নেহ, শ্রেণিগত দূরত্ব, অবহেলা, বিচ্ছেদ ও অপূর্ণ প্রত্যাশা।
❖ রবীন্দ্রনাথের জন্ম: ৭ মে ১৮৬১, জোড়াসাঁকো, কলকাতা।
❖ মৃত্যু: ৭ আগস্ট ১৯৪১।
❖ নোবেল পুরস্কার: ১৯১৩ সালে সাহিত্যে।
❖ প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত ছোটগল্প: ভিখারিনী (১৮৭৭)। এটি বাংলা ছোটগল্পের প্রাথমিক নিদর্শনগুলোর একটি।
❖ অন্যান্য বিখ্যাত ছোটগল্প: কাবুলিওয়ালা, শাস্তি, সমাপ্তি, ছুটি, জীবিত ও মৃত, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, অপরিচিতা, হৈমন্তী।
❖ চলচ্চিত্ররূপ: সত্যজিৎ রায়ের ‘তিন কন্যা’ (১৯৬১) চলচ্চিত্রের একটি পর্ব পোস্টমাস্টার গল্প অবলম্বনে নির্মিত।
❖ সাহিত্যিক গুরুত্ব: রবীন্দ্রনাথ এই গল্পে সামান্য দুটি চরিত্রের সম্পর্কের মাধ্যমে মানবিক আবেগের গভীরতা, সামাজিক ব্যবধান ও বিচ্ছেদের বেদনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরেছেন।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ রতন — পোস্টমাস্টার গল্পের চরিত্র।
➤ লেখক — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
➤ প্রকাশকাল — ১৮৯১।
➤ প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা — হিতবাদী।
➤ গল্পের পটভূমি — উলাপুর গ্রাম।
➤ পোস্টমাস্টারের আগের শহর — কলকাতা।
➤ রতন — অনাথ গ্রামীণ কিশোরী।
➤ পোস্টমাস্টার রতনকে শেখান — বাংলা বর্ণমালা।
➤ পোস্টমাস্টারের বদলির আবেদন — প্রত্যাখ্যাত হয়।
➤ পোস্টমাস্টার ফিরে যান — কলকাতায়।
➤ রতন অর্থ গ্রহণ করতে চায় না — স্নেহের সম্পর্ক অর্থ দিয়ে পূরণ করা যায় না বলে।
➤ গল্পের মূল বিষয় — নিঃসঙ্গতা ও বিচ্ছেদ।
➤ পোস্টমাস্টার অবলম্বনে চলচ্চিত্র — তিন কন্যা।
➤ পরিচালক — সত্যজিৎ রায়।
➤ চলচ্চিত্র মুক্তি — ১৯৬১।
➤ ফটিক — ছুটি গল্পের চরিত্র।
➤ অমিত — শেষের কবিতা উপন্যাসের চরিত্র।
➤ রহমত — কাবুলিওয়ালা গল্পের চরিত্র।
➤ কাবুলিওয়ালা-র অন্য প্রধান চরিত্র — মিনি।
➤ শাস্তি — চন্দরা।
➤ সমাপ্তি — মৃন্ময়ী।
➤ জীবিত ও মৃত — কাদম্বিনী।
➤ পোস্টমাস্টার—রতন; ছুটি—ফটিক; কাবুলিওয়ালা—রহমত; শেষের কবিতা—অমিত।
Advertisement
03
🎯 Level 1

২৪. ‘অভয়া’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর কোন উপন্যাসের চরিত্র? (ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পেশকার: ২৫; বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার: ২২)

ক

শ্রীকান্ত

খ

দেবদাস

গ

গৃহদাহ

ঘ

পল্লীসমাজ

✅ সঠিক উত্তর:ক. শ্রীকান্ত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: শ্রীকান্ত — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘অভয়া’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র। বিশেষত উপন্যাসটির দ্বিতীয় পর্বে অভয়ার জীবনসংগ্রাম, ব্যক্তিস্বাধীনতা, ভালোবাসা এবং প্রচলিত সামাজিক বিধিনিষেধের সঙ্গে তাঁর সংঘাত চিত্রিত হয়েছে।
❖ শ্রীকান্ত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আত্মজৈবনিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ভ্রমণধর্মী উপন্যাস। এর প্রধান কথক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র শ্রীকান্ত। তাঁর বিচিত্র জীবনযাত্রায় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরিচয়ের মধ্য দিয়ে সমাজের নানা স্তরের জীবনচিত্র উঠে এসেছে।
❖ অভয়া চরিত্রের পরিচয়: অভয়া একজন বিবাহিতা নারী। স্বামীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অশান্তিপূর্ণ ও নিপীড়নমূলক হয়ে ওঠে। পরে তিনি রোহিণীবাবুর সঙ্গে জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। সামাজিক বিধিনিষেধের তুলনায় ব্যক্তিগত মর্যাদা ও মানবিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার কারণে অভয়া ব্যতিক্রমী নারীচরিত্র হিসেবে পরিচিত।
❖ অভয়ার চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য:
• আত্মমর্যাদাবোধ: অন্যায় ও অপমানের কাছে নতি স্বীকার করতে চান না।
• প্রথাবিরোধিতা: প্রচলিত বিবাহ-সংস্কারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
• মানবিকতা: বিপন্ন মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন।
• স্বাধীন সিদ্ধান্ত: নিজের জীবন সম্পর্কে নিজেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দাবি করেন।
• নৈতিক সাহস: সমাজের সমালোচনা সত্ত্বেও নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপন করেন।
❖ শ্রীকান্তের সঙ্গে অভয়ার সম্পর্ক: শ্রীকান্ত অভয়ার জীবনসংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেন। অভয়ার ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাভাবনা শ্রীকান্তকে বিবাহ, নৈতিকতা, নারীস্বাধীনতা এবং সামাজিক সংস্কার সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে সাহায্য করে।
❖ শ্রীকান্ত উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র: শ্রীকান্ত, রাজলক্ষ্মী বা পিয়ারী বাইজি, ইন্দ্রনাথ, অন্নদাদিদি, অভয়া, রোহিণীবাবু ও কমললতা।
❖ প্রকাশকাল: শ্রীকান্ত চার পর্বে প্রকাশিত হয়—১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ ও ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে।
❖ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক পরিচয়
• জন্ম: ১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬।
• জন্মস্থান: দেবানন্দপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।
• মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮।
• বিশেষ পরিচিতি: বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক।
• প্রথম প্রকাশিত গল্প: মন্দির (১৯০৩), কুন্তলীন পুরস্কারপ্রাপ্ত।
• বিখ্যাত উপন্যাস: বড়দিদি, বিরাজবৌ, পরিণীতা, পল্লীসমাজ, দেবদাস, চরিত্রহীন, শ্রীকান্ত, দত্তা, গৃহদাহ, দেনাপাওনা, পথের দাবী, শেষ প্রশ্ন ও বিপ্রদাস।
• সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য: মানবিক বেদনা, নারীজীবনের সংকট, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম ও ব্যক্তিস্বাধীনতার চিত্রায়ণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ খ. দেবদাস: শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত ট্র্যাজিক উপন্যাস। প্রধান চরিত্র দেবদাস, পার্বতী বা পারু এবং চন্দ্রমুখী। সামাজিক মর্যাদাগত বাধা, প্রেমের ব্যর্থতা ও আত্মবিনাশ উপন্যাসটির প্রধান বিষয়।
❖ গ. গৃহদাহ: প্রধান চরিত্র অচলা, মহিম ও সুরেশ। প্রেম, দাম্পত্য, ব্যক্তিগত আকর্ষণ ও সামাজিক নৈতিকতার জটিল সম্পর্ক নিয়ে রচিত।
❖ ঘ. পল্লীসমাজ: প্রধান চরিত্র রমেশ ও রমা। গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, জমিদারি স্বার্থ, সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং সংস্কারচেষ্টার কাহিনি।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ অভয়া — শ্রীকান্ত।
➤ শ্রীকান্ত-এর রচয়িতা — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
➤ শ্রীকান্ত-এর কেন্দ্রীয় কথক — শ্রীকান্ত।
➤ অভয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র — রোহিণীবাবু।
➤ অভয়া চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য — নারীস্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও প্রথাবিরোধিতা।
➤ রাজলক্ষ্মীর অন্য পরিচয় — পিয়ারী বাইজি।
➤ ইন্দ্রনাথ — শ্রীকান্ত-এর স্মরণীয় কিশোর চরিত্র।
➤ অন্নদাদিদি — শ্রীকান্ত-এর চরিত্র।
➤ কমললতা — শ্রীকান্ত-এর চরিত্র।
➤ শ্রীকান্ত প্রকাশিত হয় — চার পর্বে।
➤ শ্রীকান্ত-এর প্রথম পর্ব — ১৯১৭।
➤ শ্রীকান্ত-এর শেষ পর্ব — ১৯৩৩।
➤ শরৎচন্দ্রের জন্ম — ১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬।
➤ শরৎচন্দ্রের মৃত্যু — ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮।
➤ চরিত্র মনে রাখুন: অভয়া–শ্রীকান্ত; পার্বতী–দেবদাস; অচলা–গৃহদাহ; রমা–পল্লীসমাজ।
04
🎯 Level 1

২৭. ‘আনসার’ কোন গ্রন্থের কেন্দ্রীয় চরিত্র? (সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের অফিসার: ২৫)

ক

ব্যথার দান

খ

মৃত্যুক্ষুধা

গ

জিনের বাদশা

ঘ

বাঁধনহারা

✅ সঠিক উত্তর:খ. মৃত্যুক্ষুধা

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: মৃত্যুক্ষুধা — কাজী নজরুল ইসলাম।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আনসার কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় চরিত্র। এই চরিত্রের মাধ্যমে নজরুল বিপ্লবী চেতনা, উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম এবং সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠার আদর্শ তুলে ধরেছেন।
❖ মৃত্যুক্ষুধা প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে। এর কাহিনিতে মানুষের দারিদ্র্য, ক্ষুধা, শ্রেণিবৈষম্য, প্রেম, ধর্মীয় সংস্কার এবং বিপ্লবী রাজনৈতিক চেতনা একত্রে উপস্থাপিত হয়েছে।
❖ আনসারের পরিচয়: আনসার একজন দেশপ্রেমিক ও বিপ্লবীচেতনার মানুষ। তিনি সমাজের আর্থিক বৈষম্য এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন।
❖ বিপ্লবী চেতনা: আনসার মনে করেন, শুধু বাহ্যিক সংস্কার বা প্রতীকী প্রতিবাদে পরাধীনতা দূর করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতার জন্য দৃঢ় রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রাম প্রয়োজন।
❖ সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা: আনসারের চরিত্রে হিন্দু-মুসলমানের বিভাজনের পরিবর্তে বৃহত্তর মানবিক ও জাতীয় মুক্তির আদর্শ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
❖ মৃত্যুক্ষুধার অন্যান্য চরিত্র: রুবি, আনসার, মেজবউ, প্যাঁকালে ও মোয়াজ্জেম উপন্যাসটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
❖ দুটি ক্ষুধার প্রতীক: উপন্যাসের নামের ‘ক্ষুধা’ কেবল অন্নের অভাব নয়। এতে খাদ্যের ক্ষুধা, প্রেমের আকাঙ্ক্ষা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার তৃষ্ণা একাধিক অর্থে প্রকাশ পেয়েছে।
❖ কাজী নজরুল ইসলামের পরিচয়
• জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯।
• জন্মস্থান: চুরুলিয়া, বর্ধমান, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ।
• মৃত্যু: ২৯ আগস্ট ১৯৭৬।
• মৃত্যুস্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
• উপাধি: বিদ্রোহী কবি।
• রাষ্ট্রীয় পরিচিতি: বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
• প্রথম কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা (১৯২২)।
• প্রথম উপন্যাস: বাঁধনহারা (১৯২৭)।
• অন্যান্য উপন্যাস: মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০), কুহেলিকা (১৯৩১)।
• গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা।
• কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, ভাঙার গান, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ফণিমনসা, সিন্ধু-হিন্দোল, চক্রবাক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. ব্যথার দান: কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ; প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। এতে মানুষের বেদনা, প্রেম, সমাজবাস্তবতা ও বিপ্লবী অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। এটি মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস নয়।
❖ গ. জিনের বাদশা: প্রশ্নে উল্লিখিত এই শিরোনামটি মৃত্যুক্ষুধা নয়। আনসার চরিত্রকে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ হলো নজরুলের মৃত্যুক্ষুধা।
❖ ঘ. বাঁধনহারা: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস; ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি পত্রোপন্যাসধর্মী রচনা। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র নূরুল হুদা, মাহবুবা, রাবেয়া ও সোফিয়া।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ আনসার — মৃত্যুক্ষুধা।
➤ রচয়িতা — কাজী নজরুল ইসলাম।
➤ মৃত্যুক্ষুধা প্রকাশ — ১৯৩০।
➤ মৃত্যুক্ষুধা-র অন্যান্য চরিত্র — রুবি, মেজবউ, প্যাঁকালে ও মোয়াজ্জেম।
➤ উপন্যাসের প্রধান বিষয় — দারিদ্র্য, ক্ষুধা, প্রেম, সাম্য ও বিপ্লব।
➤ নজরুলের জন্ম — ২৪ মে ১৮৯৯।
➤ মৃত্যু — ২৯ আগস্ট ১৯৭৬।
➤ নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ — অগ্নিবীণা (১৯২২)।
➤ প্রথম উপন্যাস — বাঁধনহারা (১৯২৭)।
➤ তৃতীয় উপন্যাস — কুহেলিকা (১৯৩১)।
➤ কুহেলিকা-র গুরুত্বপূর্ণ বিপ্লবী চরিত্র — প্রমত্ত।
➤ ব্যথার দান — গল্পগ্রন্থ।
➤ কুহেলিকা-র গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র — প্রমত্ত ও জাহাঙ্গীর।
➤ আনসার–মৃত্যুক্ষুধা; প্রমত্ত–কুহেলিকা; নূরুল হুদা–বাঁধনহারা।
05
🎯 Level 1

৩০. ‘ফটিক’ চরিত্রটি কোন রচয়িতার সৃষ্টি? (ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের চেইনম্যান: ২৫)

ক

কায়কোবাদ

খ

কাজী নজরুল ইসলাম

গ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঘ

জসীমউদ্দীন

✅ সঠিক উত্তর:গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ‘ছুটি’ গল্পের ফটিক চরিত্র।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ফটিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘ছুটি’ ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তাঁর পূর্ণ নাম ফটিক চক্রবর্তী। তিনি গ্রামবাংলার এক দুরন্ত, প্রাণবন্ত ও আবেগপ্রবণ কিশোর।
❖ প্রধান চরিত্র: ফটিক, তাঁর ছোট ভাই মাখন, মা, মামা বিশ্বম্ভরবাবু এবং মামিমা।
❖ গ্রামের দুরন্ত শৈশব: ফটিক গ্রামের ছেলেদের সঙ্গে নদীর ধারে খেলাধুলা করে। একটি কাঠের গুঁড়ি গড়িয়ে দেওয়ার খেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই মাখনের সঙ্গে তাঁর বিবাদ ঘটে।
❖ মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক: ফটিকের মা তাঁর দুরন্ত স্বভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়ার কারণে তিনি প্রায়ই মায়ের বকুনি খান। কিন্তু ফটিকের অন্তরে মায়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা রয়েছে।
❖ কলকাতায় যাত্রা: ফটিকের মামা বিশ্বম্ভরবাবু গ্রামে এসে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যান। ফটিক প্রথমে শহরে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহী হলেও অচিরেই নতুন পরিবেশে মানসিক সংকটে পড়ে।
❖ শহরের জীবন: মামির বিরূপ আচরণ, স্কুলে অনভ্যস্ততা, পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া এবং পরিচিত গ্রামীণ পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্নতা ফটিককে নিঃসঙ্গ করে তোলে।
❖ মায়ের জন্য আকুলতা: ফটিক বারবার মায়ের কাছে ফিরে যেতে চায়। কিন্তু মামা জানিয়ে দেন, বিদ্যালয়ের ছুটি হলে সে বাড়ি যেতে পারবে।
❖ অসুস্থতা ও করুণ পরিণতি: একসময় ফটিক প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে। জীবনের শেষ মুহূর্তে সে মাকে দেখতে চায়। গল্পের শেষের ছুটি কেবল বিদ্যালয়ের ছুটি নয়; তা জীবনের সকল দুঃখ ও বিচ্ছেদ থেকে চিরমুক্তির প্রতীক হয়ে ওঠে।
❖ গল্পের প্রধান বিষয়: শিশুমন, মাতৃস্নেহ, গ্রাম ও শহরের পার্থক্য, পারিবারিক অবহেলা এবং শৈশবের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. কায়কোবাদ: জন্ম ১৮৫৭ সালে, মৃত্যু ২১ জুলাই ১৯৫১। প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। বাংলা মুসলিম মহাকাব্যধর্মী কবিতার গুরুত্বপূর্ণ কবি। বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান (১৯০৪), যার পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
❖ খ. কাজী নজরুল ইসলাম: জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯; মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬। বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি। বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সাম্যবাদী, সর্বহারা; উপন্যাস বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
❖ ঘ. জসীমউদ্দীন: জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯০৩, মৃত্যু ১৩ মার্চ ১৯৭৬। জন্মস্থান ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রাম। পল্লিকবি নামে পরিচিত। বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, বালুচর।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ফটিক — ছুটি গল্প।
➤ ছুটি-এর লেখক — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
➤ ফটিকের পূর্ণ নাম — ফটিক চক্রবর্তী।
➤ ফটিকের ছোট ভাই — মাখন।
➤ ফটিকের মামা — বিশ্বম্ভরবাবু।
➤ ফটিকের গ্রামের জীবন — স্বাধীন ও দুরন্ত।
➤ ফটিককে কলকাতায় নিয়ে যান — মামা।
➤ শহরে তাঁর প্রধান সংকট — নিঃসঙ্গতা ও মানসিক অবহেলা।
➤ গল্পের আবেগিক কেন্দ্র — মায়ের জন্য আকুলতা।
➤ ‘ছুটি’ নামের প্রতীকী অর্থ — জীবনযন্ত্রণা থেকে চূড়ান্ত মুক্তি।
➤ পোস্টমাস্টার গল্পের চরিত্র — রতন।
➤ একরাত্রি গল্পের চরিত্র — সুরবালা।
➤ কাবুলিওয়ালা গল্পের চরিত্র — রহমত ও মিনি।
➤ অতিথি গল্পের প্রধান চরিত্র — তারাপদ।
➤ ফটিক–ছুটি; রতন–পোস্টমাস্টার; রহমত–কাবুলিওয়ালা; সুরবালা–একরাত্রি।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৩৩. ‘জটায়ু’ চরিত্রের স্রষ্টা: (বিআরটিএ’র সহকারী মোটরযান কর্মকর্তা: ২৪)

ক

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

খ

যতি নন্দী

গ

কালিদাস

ঘ

সত্যজিৎ রায়

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সত্যজিৎ রায়

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সত্যজিৎ রায়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জটায়ু সত্যজিৎ রায় রচিত ফেলুদা গোয়েন্দা সিরিজের অত্যন্ত জনপ্রিয় চরিত্র। তাঁর প্রকৃত নাম লালমোহন গাঙ্গুলি। তিনি একজন জনপ্রিয় রোমাঞ্চকাহিনিকার এবং ফেলুদার অভিযানগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী।
❖ জটায়ুর পরিচয়:
• প্রকৃত নাম: লালমোহন গাঙ্গুলি।
• ছদ্মনাম: জটায়ু।
• পেশা: রহস্য ও রোমাঞ্চকাহিনির লেখক।
• বিশেষ বৈশিষ্ট্য: হাস্যরস, সরলতা, অদ্ভুত কল্পনা ও বিস্ময়প্রবণতা।
• ঘনিষ্ঠ সঙ্গী: ফেলুদা ও তোপসে।
❖ ফেলুদার পরিচয়: ফেলুদার প্রকৃত নাম প্রদোষচন্দ্র মিত্র। তিনি একজন বাঙালি প্রাইভেট গোয়েন্দা, যিনি পর্যবেক্ষণক্ষমতা, যুক্তিবোধ এবং তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে রহস্য সমাধান করেন।
❖ তোপসের পরিচয়: তোপসের প্রকৃত নাম তপেশরঞ্জন মিত্র। তিনি ফেলুদার খুড়তুতো ভাই এবং অনেক অভিযানের কথক।
❖ জটায়ুর ভূমিকা: তিনি ফেলুদার তদন্তে প্রায়ই অনিচ্ছাকৃত হাস্যরসের সৃষ্টি করেন। তবে তাঁর সরলতা ও আন্তরিকতা পাঠকদের কাছে চরিত্রটিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।
❖ জটায়ুর সাহিত্যিক পরিচয়: জটায়ু নিজেও কল্পিত রোমাঞ্চ ও রহস্য উপন্যাস লেখেন। তাঁর লেখায় চমকপ্রদ ঘটনা, অসম্ভব রকমের দুঃসাহসিক কাহিনি এবং অতিরঞ্জিত উপাদান থাকে।
❖ জটায়ুর প্রথম আবির্ভাব: ‘সোনার কেল্লা’ কাহিনিতে জটায়ু প্রথম উপস্থিত হন।
❖ সোনার কেল্লা চলচ্চিত্র: সত্যজিৎ রায় ১৯৭৪ সালে সোনার কেল্লা চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। এতে জটায়ু চরিত্রে অভিনয় করেন বিখ্যাত অভিনেতা সন্তোষ দত্ত।
❖ সত্যজিৎ রায়ের পরিচয়
• জন্ম: ২ মে ১৯২১।
• জন্মস্থান: কলকাতা।
• মৃত্যু: ২৩ এপ্রিল ১৯৯২।
• পিতা: সুকুমার রায়।
• পিতামহ: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।
• বিশেষ পরিচিতি: চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সাহিত্যিক ও সংগীত পরিচালক।
• প্রথম চলচ্চিত্র: পথের পাঁচালী (১৯৫৫)।
• গোয়েন্দা চরিত্র: ফেলুদা।
• বিজ্ঞানী চরিত্র: প্রফেসর শঙ্কু।
• চলচ্চিত্রবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মান: অস্কারের সম্মানসূচক পুরস্কার (১৯৯২)।
• ভারতরত্ন: ১৯৯২।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: জন্ম ২৩ জুলাই ১৮৯৮, মৃত্যু ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। বিখ্যাত উপন্যাস গণদেবতা, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, কবি, আরোগ্য নিকেতন, ধাত্রীদেবতা।
❖ খ. যতি নন্দী: ছবির এই বিকল্পটি জটায়ু চরিত্রের স্রষ্টা নয়। জটায়ু চরিত্রের মূল স্রষ্টা সত্যজিৎ রায়।
❖ গ. কালিদাস: সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার। উল্লেখযোগ্য রচনা অভিজ্ঞানশকুন্তলম, বিক্রমোর্বশীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম, মেঘদূত, রঘুবংশ ও কুমারসম্ভব। প্রাচীন রামায়ণকাহিনির জটায়ু চরিত্রের সঙ্গে ফেলুদা সিরিজের ‘জটায়ু’ ছদ্মনামের পার্থক্য রয়েছে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ জটায়ু চরিত্রের স্রষ্টা — সত্যজিৎ রায়।
➤ জটায়ুর প্রকৃত নাম — লালমোহন গাঙ্গুলি।
➤ জটায়ু — লালমোহন গাঙ্গুলির ছদ্মনাম।
➤ জটায়ুর পেশা — রোমাঞ্চকাহিনির লেখক।
➤ জটায়ুর প্রথম আবির্ভাব — সোনার কেল্লা।
➤ ফেলুদার প্রকৃত নাম — প্রদোষচন্দ্র মিত্র।
➤ তোপসের প্রকৃত নাম — তপেশরঞ্জন মিত্র।
➤ ফেলুদার স্রষ্টা — সত্যজিৎ রায়।
➤ প্রফেসর শঙ্কুর স্রষ্টা — সত্যজিৎ রায়।
➤ ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প — ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি (১৯৬৫)।
➤ সোনার কেল্লা চলচ্চিত্র — ১৯৭৪।
➤ চলচ্চিত্রে জটায়ুর প্রথম অভিনেতা — সন্তোষ দত্ত।
➤ সত্যজিৎ রায়ের জন্ম — ২ মে ১৯২১।
➤ মৃত্যু — ২৩ এপ্রিল ১৯৯২।
➤ প্রথম চলচ্চিত্র — পথের পাঁচালী (১৯৫৫)।
➤ সম্মানসূচক অস্কার — ১৯৯২।
➤ ভারতরত্ন — ১৯৯২।
07
🎯 Level 1

৩৬. ‘মোদাচ্ছের পীর’ চরিত্রটিকে কোন গ্রন্থে পাওয়া যায়? (সিনিয়র স্টাফ নার্স: ২৪)

ক

বহিপীর

খ

তরঙ্গভঙ্গ

গ

নীলদর্পণ

ঘ

লালসালু

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. লালসালু

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: লালসালু — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ‘মোদাচ্ছের পীর’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। তবে এখানে একটি বিশেষ পার্থক্য মনে রাখা প্রয়োজন—মোদাচ্ছের পীর উপন্যাসে সরাসরি সক্রিয় কোনো জীবিত চরিত্র নন; মজিদ একটি অজ্ঞাত কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ লালসালু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ। তিনি মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবর দেখতে পান। গ্রামের মানুষ কবরটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না।
❖ মজিদের কৌশল: মজিদ ঘোষণা করে যে এটি এক মহান পীর মোদাচ্ছের পীরের মাজার। সে গ্রামবাসীদের অভিযোগ করে যে তাঁরা পবিত্র মাজারের যথাযথ সম্মান রক্ষা করেননি।
❖ মাজার নির্মাণ ও প্রচার: মজিদ কবরটিকে পরিষ্কার করে লাল কাপড়ে ঢেকে দেয়। এরপর মাজারের পবিত্রতা, পীরের অলৌকিক ক্ষমতা এবং ধর্মীয় ভয়কে ব্যবহার করে মানুষের মনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে।
❖ মজিদের অর্থনৈতিক স্বার্থ: মাজারকে কেন্দ্র করে তিনি খাদ্য, অর্থ, সম্মান ও সামাজিক কর্তৃত্ব লাভ করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস তাঁর জীবিকা ও ক্ষমতার ভিত্তিতে পরিণত হয়।
❖ মোদাচ্ছের পীরের ঐতিহাসিক পরিচয়: উপন্যাসে কবরটির প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। মজিদের ঘোষণার বাইরে মোদাচ্ছের পীর নামে সেখানে সত্যিই কোনো পীর সমাহিত ছিলেন—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কাহিনিতে নেই।
❖ প্রতীকী তাৎপর্য: মোদাচ্ছের পীরের তথাকথিত মাজার ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস, ভয়ের রাজনীতি এবং প্রতারণাভিত্তিক সামাজিক ক্ষমতার প্রতীক।
❖ লালসালু নামের অর্থ: ‘লালসালু’ বলতে লাল রঙের কাপড় বোঝায়। উপন্যাসে মাজারের কবরটি লাল কাপড়ে ঢাকা থাকে। এই কাপড় ধর্মীয় কর্তৃত্ব ও অন্ধবিশ্বাসের দৃশ্যমান প্রতীক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. বহিপীর: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক। এতে ধর্মীয় ক্ষমতা, সামাজিক কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সংঘাত চিত্রিত হয়েছে। বহিপীর নাটক এবং লালসালু উপন্যাসে ধর্মব্যবসার বিষয় থাকলেও ‘মোদাচ্ছের পীর’ নামটি লালসালু-র সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ খ. তরঙ্গভঙ্গ: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক। তাঁর নাট্যরচনায় সামাজিক ও মানসিক সংঘাত, অস্তিত্বের সংকট এবং আধুনিক নাট্যরীতির প্রভাব লক্ষ করা যায়।
❖ গ. নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক, প্রকাশ ১৮৬০। এতে নীলকরদের অত্যাচার ও কৃষকদের দুর্দশা চিত্রিত হয়েছে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মোদাচ্ছের পীর — লালসালু।
➤ লালসালু-এর রচয়িতা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
➤ উপন্যাস প্রকাশ — ১৯৪৮।
➤ মজিদ — প্রধান চরিত্র।
➤ মোদাচ্ছের পীরের মাজার বলে প্রচারিত কবর — অজ্ঞাত পরিচয়ের কবর।
➤ কবরের ওপর বিছানো কাপড় — লালসালু।
➤ উপন্যাসের গ্রাম — মহব্বতনগর।
➤ মজিদের প্রথম স্ত্রী — রহিমা।
➤ মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী — জমিলা।
➤ মজিদের প্রধান কৌশল — ধর্মীয় ভীতি ও কুসংস্কারকে কাজে লাগানো।
➤ উপন্যাসের প্রধান বক্তব্য — ধর্মব্যবসা ও অন্ধবিশ্বাসের সমালোচনা।
➤ বহিপীর — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক।
➤ তরঙ্গভঙ্গ — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক।
➤ নীলদর্পণ — দীনবন্ধু মিত্রের নাটক।
➤ মনে রাখুন: মজিদ, জমিলা, রহিমা, মোদাচ্ছের পীর — সবগুলোই লালসালু-সংশ্লিষ্ট নাম।
08
🎯 Level 1

৩৯. ‘অন্নদা বিবি’ কোন উপন্যাসের চরিত্র? (পিজিসিবি-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২৪)

ক

গৃহদাহ

খ

চরিত্রহীন

গ

দত্তা

ঘ

শ্রীকান্ত

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. শ্রীকান্ত

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: শ্রীকান্ত — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ছবিতে ‘অন্নদা বিবি’ লেখা হয়েছে। তবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মূল উপন্যাসে চরিত্রটি ‘অন্নদাদিদি’ নামে পরিচিত। তিনি শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রথম পর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র।
❖ অন্নদাদিদির পরিচয়: তিনি সামাজিকভাবে অবহেলিত ও কষ্টভোগী এক নারী। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য বজায় রাখতে গিয়ে তাঁকে কঠিন জীবনসংগ্রামের মুখোমুখি হতে হয়।
❖ স্বামীর পরিচয়: তাঁর স্বামী সাপুড়ে পরিচয়ে জীবনযাপন করেন। অন্নদাদিদি স্বামীর সঙ্গে সমাজের প্রচলিত নিয়মের বাইরে কঠিন ও অনিশ্চিত পরিবেশে বসবাস করেন।
❖ শ্রীকান্তের সঙ্গে পরিচয়: কিশোর শ্রীকান্ত ও তাঁর বন্ধু ইন্দ্রনাথ অন্নদাদিদির সঙ্গে পরিচিত হয়। তাঁর দুঃখ, স্নেহ ও আত্মত্যাগ শ্রীকান্তের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
❖ অন্নদাদিদির চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:
• সহিষ্ণুতা: প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ধৈর্য ধারণ করেন।
• ত্যাগ: ব্যক্তিগত সুখের চেয়ে সম্পর্কের প্রতি দায়িত্বকে গুরুত্ব দেন।
• মানবিকতা: শ্রীকান্ত ও ইন্দ্রনাথের প্রতি স্নেহ প্রকাশ করেন।
• আত্মমর্যাদা: সামাজিক অবহেলার মধ্যেও ব্যক্তিগত মর্যাদা বজায় রাখেন।
• সংসারসংগ্রাম: দারিদ্র্য ও সামাজিক প্রতিকূলতার মধ্যে জীবনযাপন করেন।
❖ সাহিত্যিক তাৎপর্য: অন্নদাদিদির চরিত্রের মাধ্যমে শরৎচন্দ্র নারীর দুঃখ, ত্যাগ, সামাজিক অবিচার এবং প্রচলিত নৈতিক বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন।
❖ শ্রীকান্ত উপন্যাসে নারীর বিভিন্ন রূপ: অন্নদাদিদির ত্যাগ, রাজলক্ষ্মীর ভালোবাসা, অভয়ার স্বাধীনচেতা অবস্থান এবং কমললতার আধ্যাত্মিক জীবন—এসবের মাধ্যমে উপন্যাসে নারীজীবনের বহুমাত্রিক চিত্র পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. গৃহদাহ: শরৎচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র অচলা, মহিম ও সুরেশ। দাম্পত্যের সংকট ও প্রেমের জটিলতা এর কেন্দ্রীয় বিষয়।
❖ খ. চরিত্রহীন: শরৎচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র সতীশ, সাবিত্রী, কিরণময়ী, দিবাকর ও সরোজিনী। সমাজের প্রচলিত চরিত্রবিচার ও নারীজীবনের দ্বন্দ্ব এতে চিত্রিত হয়েছে।
❖ গ. দত্তা: শরৎচন্দ্রের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র বিজয়া ও নরেন্দ্রনাথ বা নরেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রাসবিহারী ও বিলাসবিহারী। প্রেম ও সামাজিক বাধার কাহিনি।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ অন্নদাদিদি — শ্রীকান্ত।
➤ ছবিতে দেওয়া নাম — ‘অন্নদা বিবি’।
➤ মূল সাহিত্যিক পরিচয় — অন্নদাদিদি।
➤ রচয়িতা — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
➤ অন্নদাদিদি পাওয়া যায় — শ্রীকান্ত-এর প্রথম পর্বে।
➤ অন্নদাদিদির সঙ্গে সম্পর্কিত দুই কিশোর — শ্রীকান্ত ও ইন্দ্রনাথ।
➤ তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য — ত্যাগ, সহিষ্ণুতা ও স্নেহ।
➤ শ্রীকান্তের শৈশববন্ধু — ইন্দ্রনাথ।
➤ শ্রীকান্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রেমিকা — রাজলক্ষ্মী।
➤ রাজলক্ষ্মীর অপর পরিচয় — পিয়ারী বাইজি।
➤ অভয়া — শ্রীকান্ত-এর দ্বিতীয় পর্বের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
➤ কমললতা — শ্রীকান্ত-এর চরিত্র।
➤ দত্তা-র প্রধান নারী চরিত্র — বিজয়া।
➤ চরিত্রহীন-এর নারী চরিত্র — কিরণময়ী ও সাবিত্রী।
➤ মনে রাখুন: অন্নদাদিদি, রাজলক্ষ্মী, অভয়া, ইন্দ্রনাথ ও কমললতা — শ্রীকান্ত উপন্যাসের চরিত্র।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৪২. ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম— (পিএসসির ইলেকট্রিক্যাল ইন্সপেক্টর: ২৩)

ক

গফুর

খ

নিমাই

গ

কুবের

ঘ

রামু

✅ সঠিক উত্তর:গ. কুবের

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: কুবের — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ কুবের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। তিনি পদ্মানদীর তীরবর্তী কেতুপুর গ্রামের একজন দরিদ্র জেলে।
❖ পদ্মানদীর মাঝি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। উপন্যাসটি পদ্মানদীর তীরবর্তী দরিদ্র জেলে সমাজের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য, প্রেম, সামাজিক সম্পর্ক এবং স্বপ্নভঙ্গের কাহিনি।
❖ কুবেরের পরিচয়: কুবের পেশায় জেলে। পদ্মানদীতে মাছ ধরে এবং নানা শ্রমের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।
❖ কুবেরের স্ত্রী: মালা। তিনি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী এবং সংসারের অভাবের মধ্যে জীবনযাপন করেন।
❖ কপিলা চরিত্র: কপিলা মালার বোন। তিনি প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় নারী। কুবেরের সঙ্গে তাঁর মানসিক ও শারীরিক আকর্ষণ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘাত সৃষ্টি করে।
❖ হোসেন মিয়া: উপন্যাসের অন্যতম রহস্যময় ও প্রভাবশালী চরিত্র। তিনি ময়নাদ্বীপে নতুন বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেন এবং দরিদ্র মানুষদের সেখানে বসবাসের প্রলোভন দেখান।
❖ ময়নাদ্বীপ: উপন্যাসে ময়নাদ্বীপ বাস্তবতা ও স্বপ্নের মধ্যবর্তী এক প্রতীকী স্থান। সেখানে দরিদ্র মানুষের নতুন জীবনের সম্ভাবনা এবং অজানা ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা একসঙ্গে উপস্থিত।
❖ কুবেরের দ্বন্দ্ব: একদিকে স্ত্রী, সন্তান ও পরিচিত সংসারের দায়িত্ব; অন্যদিকে কপিলার প্রতি আকর্ষণ এবং নতুন জীবনের সম্ভাবনা। এই দ্বন্দ্ব কুবেরকে জটিল মানসিক পরিস্থিতিতে ফেলে।
❖ জেলে সমাজের বাস্তবতা: বর্ষা, ঝড়, নদীভাঙন, মাছের অভাব, মহাজনি শোষণ এবং জীবনধারণের অনিশ্চয়তা উপন্যাসটির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
❖ পদ্মানদীর প্রতীকী তাৎপর্য: পদ্মা কেবল নদী নয়; এটি জেলেদের জীবন, জীবিকা, বিপদ, আশা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রতীক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. গফুর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তাঁর কন্যা আমিনা ও বলদ মহেশ।
❖ খ. নিমাই: বিভিন্ন বাংলা সাহিত্যকর্মে নিমাই নামের চরিত্র পাওয়া যায়; তবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নিমাই নন।
❖ ঘ. রামু: ছবির এই বিকল্পটি পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নয়। সঠিক নাম কুবের।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ কুবের — পদ্মানদীর মাঝি।
➤ রচয়িতা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
➤ প্রকাশকাল — ১৯৩৬।
➤ কুবেরের পেশা — জেলে।
➤ কুবেরের গ্রাম — কেতুপুর।
➤ কুবেরের স্ত্রী — মালা।
➤ কুবেরের শ্যালিকা — কপিলা।
➤ কুবেরের সঙ্গে আকর্ষণের সম্পর্ক — কপিলা।
➤ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র — হোসেন মিয়া।
➤ হোসেন মিয়ার স্বপ্নের দ্বীপ — ময়নাদ্বীপ।
➤ উপন্যাসের প্রধান নদী — পদ্মা।
➤ উপন্যাসের প্রধান বিষয় — জেলে সমাজের দারিদ্র্য ও জীবনসংগ্রাম।
➤ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম — ১৯ মে ১৯০৮।
➤ মৃত্যু — ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬।
➤ মানিকের আরেক বিখ্যাত উপন্যাস — পুতুল নাচের ইতিকথা।
➤ পুতুল নাচের ইতিকথা-র চরিত্র — শশী ও কুসুম।
➤ কুবের–পদ্মানদীর মাঝি; শশী–পুতুল নাচের ইতিকথা; গফুর–মহেশ।
10
🎯 Level 1

৪৫. বাংলা সাহিত্যে ‘মজিদ’ চরিত্রটি কোন ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি? (বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২৩)

ক

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

খ

আবু ইসহাক

গ

ছফা আহমেদ

ঘ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ঘ
◈ সঠিক উত্তর: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ‘লালসালু’ উপন্যাসের মজিদ চরিত্র।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ মজিদ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। বাংলা সাহিত্যে ধর্মব্যবসা, সামাজিক ক্ষমতা ও অন্ধবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে নির্মিত অন্যতম আলোচিত চরিত্র তিনি।
❖ লালসালু প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাস, দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও ক্ষমতার অপব্যবহার গভীর মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিতে উপস্থাপিত হয়েছে।
❖ মজিদের সামাজিক পরিচয়: মজিদ একজন দরিদ্র ও আশ্রয়হীন ব্যক্তি। জীবিকার সন্ধানে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ঘুরে বেড়ান।
❖ মহব্বতনগরে আগমন: তিনি মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পুরোনো অজ্ঞাত কবর দেখতে পান।
❖ মোদাচ্ছের পীরের মাজার: মজিদ দাবি করেন, কবরটি পবিত্র মোদাচ্ছের পীরের মাজার। তিনি গ্রামের মানুষকে বোঝান যে মাজারটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে।
❖ ধর্মীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা: মজিদ কবরটি পরিষ্কার করে লাল কাপড়ে ঢেকে দেন। মাজারকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ভীতি ও অলৌকিকতার ধারণা প্রচার করে তিনি গ্রামবাসীর ওপর প্রভাব বিস্তার করেন।
❖ অর্থনৈতিক ক্ষমতা: মাজারের মাধ্যমে মজিদের আয় ও সামাজিক সম্মান বৃদ্ধি পায়। একসময় গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তিনি প্রভাব বিস্তার করতে থাকেন।
❖ প্রথম স্ত্রী রহিমা: রহিমা শান্ত ও সহিষ্ণু নারী। তিনি মজিদের কর্তৃত্বের মধ্যে জীবনযাপন করেন।
❖ দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলা: জমিলা প্রাণবন্ত ও প্রতিবাদী নারী। মজিদের ভীতিনির্ভর কর্তৃত্ব সহজে মেনে নিতে পারেন না।
❖ ধর্মীয় প্রতারণার প্রকৃতি: মজিদ নিজেকে পবিত্র মাজারের রক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করলেও তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য আত্মরক্ষা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সামাজিক ক্ষমতা অর্জন।
❖ চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব: মজিদ কেবল প্রতারক নন; তাঁর মধ্যে দারিদ্র্যের ভয়, ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতাও কাজ করে। এই জটিলতা তাঁকে সাহিত্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
❖ মজিদের প্রতীকী অর্থ: মজিদ ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে ব্যবহার করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতীক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: জন্ম ১৯ মে ১৯০৮, মৃত্যু ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬। বিখ্যাত উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি, পুতুল নাচের ইতিকথা, জননী, দিবারাত্রির কাব্য। তাঁর বিখ্যাত চরিত্র কুবের, শশী, কুসুম ও কপিলা।
❖ খ. আবু ইসহাক: জন্ম ১ নভেম্বর ১৯২৬, মৃত্যু ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩। বাংলাদেশের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। প্রধান উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ী (১৯৫৫), পদ্মার পলিদ্বীপ এবং জাল। সূর্য দীঘল বাড়ী-এর প্রধান চরিত্র জয়গুন। দারিদ্র্য, নারীজীবনের সংকট ও সামাজিক কুসংস্কার উপন্যাসটির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
❖ গ. ছফা আহমেদ: ছবিতে এই নামটি রয়েছে। তবে ‘মজিদ’ চরিত্রের স্রষ্টা তিনি নন। বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক আহমদ ছফা-র বিখ্যাত রচনার মধ্যে ওঙ্কার, গাভী বিত্তান্ত, অলাতচক্র, পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ উল্লেখযোগ্য।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ মজিদ চরিত্রের স্রষ্টা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
➤ মজিদ — লালসালু-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।
➤ লালসালু প্রকাশ — ১৯৪৮।
➤ উপন্যাসের পটভূমি — মহব্বতনগর।
➤ মজিদের প্রচারিত পীর — মোদাচ্ছের পীর।
➤ মজিদের প্রথম স্ত্রী — রহিমা।
➤ মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী — জমিলা।
➤ উপন্যাসের নামের সঙ্গে সম্পর্কিত — মাজারের লাল কাপড়।
➤ মজিদের সামাজিক কর্তৃত্বের ভিত্তি — অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় ভীতি।
➤ উপন্যাসের ইংরেজি নাম — Tree Without Roots।
➤ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্ম — ১৫ আগস্ট ১৯২২।
➤ মৃত্যু — ১০ অক্টোবর ১৯৭১।
➤ চাঁদের অমাবস্যা — ১৯৬৪।
➤ কাঁদো নদী কাঁদো — ১৯৬৮।
➤ সূর্য দীঘল বাড়ী-এর রচয়িতা — আবু ইসহাক।
➤ সূর্য দীঘল বাড়ী-এর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র — জয়গুন।
➤ পদ্মানদীর মাঝি-এর রচয়িতা — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
➤ মজিদ–লালসালু; আরেফ আলী–চাঁদের অমাবস্যা; জয়গুন–সূর্য দীঘল বাড়ী।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন