01
🎯 Level 1
"১৭. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা ‘লালসালু’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান একটি নারী চরিত্রের নাম কি? (বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ২৬)"
✅ সঠিক উত্তর:ক. জমিলা
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: জমিলা — ‘লালসালু’ উপন্যাস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জমিলা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারীচরিত্র। উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার, কুসংস্কার, ক্ষমতার প্রভাব, নারীজীবন এবং ব্যক্তির স্বাধীনতার সংকট তুলে ধরা হয়েছে।
❖ উপন্যাসের নাম: লালসালু (Lalsalu)।
❖ রচয়িতা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
❖ প্রথম প্রকাশ: ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ, ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে।
❖ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র: মজিদ, রহিমা, জমিলা, খালেক ব্যাপারী, আমেনা বিবি ও আক্কাস।
❖ জমিলার পরিচয়: জমিলা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণী, প্রাণবন্ত, সাহসী ও স্বাধীনচেতা।
❖ মজিদ: উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র। তিনি মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবরকে অজ্ঞাত পীরের মাজার বলে প্রচার করেন এবং লাল কাপড়ে ঢেকে ধর্মীয় প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা: গ্রামের মানুষের ধর্মীয় আবেগ, অজ্ঞতা ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়ে মজিদ ধীরে ধীরে সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন।
❖ লালসালুর তাৎপর্য: ‘লালসালু’ বলতে লাল রঙের কাপড়কে বোঝানো হয়েছে, যা উপন্যাসে মাজার ঢাকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ধর্মীয় বিশ্বাসকে ক্ষমতা ও স্বার্থসিদ্ধির উপায় হিসেবে ব্যবহারের প্রতীক।
❖ রহিমা: মজিদের প্রথম স্ত্রী। তিনি শারীরিকভাবে শক্তিশালী, পরিশ্রমী ও স্বামীভক্ত নারী। তাঁর চরিত্রে সহিষ্ণুতা ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত আনুগত্যের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
❖ জমিলার স্বভাব: তিনি সহজে ভয় পান না, হাসিখুশি থাকেন এবং মজিদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ মেনে নিতে চান না। তাঁর আচরণ মজিদের প্রতিষ্ঠিত কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
❖ জমিলার প্রতিরোধ: মজিদের ভীতিনির্ভর ধর্মীয় প্রভাবের সামনে জমিলা আত্মসমর্পণ করতে চান না। তাঁর স্বাভাবিক হাসি, স্বাধীনতা ও প্রতিবাদী মনোভাব মজিদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
❖ জমিলা ও রহিমার পার্থক্য: রহিমা প্রচলিত সামাজিক রীতিতে অভ্যস্ত হলেও জমিলা প্রশ্নহীন আনুগত্য মানতে চান না। এই দুটি চরিত্রের মাধ্যমে নারীর অবস্থান ও প্রতিবাদের ভিন্ন রূপ ফুটে ওঠে।
❖ খালেক ব্যাপারী: মহব্বতনগরের প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
❖ আমেনা বিবি: খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী। সন্তান না হওয়া এবং সামাজিক-ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তাঁর জীবনে সংকট তৈরি হয়।
❖ আক্কাস: গ্রামে শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী এক ব্যক্তি। তাঁর বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা মজিদের ধর্মীয় কর্তৃত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
❖ উপন্যাসের পটভূমি: পূর্ববাংলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, সামাজিক বৈষম্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব প্রতিষ্ঠার ঘটনা কাহিনির ভিত্তি।
❖ মূল বিষয়: ধর্মীয় কুসংস্কার, ধর্মব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, গ্রামীণ সমাজ ও নারীর স্বাধীনতা।
❖ লেখক পরিচিতি: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯২২–১৯৭১) বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার। তাঁর সাহিত্যে আধুনিক মানুষের অস্তিত্বসংকট, নিঃসঙ্গতা, ভয়, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সামাজিক ক্ষমতাকাঠামো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
❖ জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯২২।
❖ জন্মস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
❖ মৃত্যু: ১০ অক্টোবর ১৯৭১, প্যারিস, ফ্রান্স।
❖ বিখ্যাত উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
❖ গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা (১৯৪৫) এবং দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
❖ নাটক: বহিপীর (১৯৬০), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৪), সুড়ঙ্গ।
❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১) এবং একুশে পদক (১৯৮৪, মরণোত্তর)।
❖ চলচ্চিত্ররূপ: তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত লালসালু চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০০১ সালে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ জমিলা — লালসালু উপন্যাসের চরিত্র।
➤ উপন্যাসের রচয়িতা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
➤ প্রকাশকাল — ১৯৪৮।
➤ প্রকাশক — কমরেড পাবলিশার্স, ঢাকা।
➤ প্রধান পুরুষ চরিত্র — মজিদ।
➤ মজিদের প্রথম স্ত্রী — রহিমা।
➤ মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী — জমিলা।
➤ জমিলার বৈশিষ্ট্য — স্বাধীনচেতা ও প্রতিবাদী।
➤ গ্রাম — মহব্বতনগর।
➤ খালেক ব্যাপারী — গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি।
➤ আমেনা বিবি — খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী।
➤ আক্কাস — শিক্ষাপ্রসারে উদ্যোগী ব্যক্তি।
➤ লালসালু — মাজার ঢাকার লাল কাপড়।
➤ উপন্যাসের মূল বিষয় — ধর্মব্যবসা ও গ্রামীণ ক্ষমতাকাঠামো।
➤ লেখকের জন্ম — ১৫ আগস্ট ১৯২২।
➤ জন্মস্থান — ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
➤ মৃত্যু — ১০ অক্টোবর ১৯৭১।
➤ মৃত্যুর স্থান — প্যারিস, ফ্রান্স।
➤ প্রথম গল্পগ্রন্থ — নয়নচারা (১৯৪৫)।
➤ প্রথম উপন্যাস — লালসালু (১৯৪৮)।
➤ দ্বিতীয় উপন্যাস — চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪)।
➤ তৃতীয় উপন্যাস — কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
➤ উল্লেখযোগ্য নাটক — বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ।
➤ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার — ১৯৬১।
➤ একুশে পদক — ১৯৮৪ (মরণোত্তর)।
➤ লালসালু চলচ্চিত্রের পরিচালক — তানভীর মোকাম্মেল।
➤ চলচ্চিত্র মুক্তি — ২০০১।
➤ লালসালু—মজিদ, রহিমা, জমিলা; চাঁদের অমাবস্যা—আরেফ আলী; কাঁদো নদী কাঁদো—মুহাম্মদ মুস্তফা।"
◈ সঠিক উত্তর: জমিলা — ‘লালসালু’ উপন্যাস।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জমিলা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারীচরিত্র। উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার, কুসংস্কার, ক্ষমতার প্রভাব, নারীজীবন এবং ব্যক্তির স্বাধীনতার সংকট তুলে ধরা হয়েছে।
❖ উপন্যাসের নাম: লালসালু (Lalsalu)।
❖ রচয়িতা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
❖ প্রথম প্রকাশ: ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ, ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে।
❖ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র: মজিদ, রহিমা, জমিলা, খালেক ব্যাপারী, আমেনা বিবি ও আক্কাস।
❖ জমিলার পরিচয়: জমিলা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণী, প্রাণবন্ত, সাহসী ও স্বাধীনচেতা।
❖ মজিদ: উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র। তিনি মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবরকে অজ্ঞাত পীরের মাজার বলে প্রচার করেন এবং লাল কাপড়ে ঢেকে ধর্মীয় প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা: গ্রামের মানুষের ধর্মীয় আবেগ, অজ্ঞতা ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়ে মজিদ ধীরে ধীরে সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন।
❖ লালসালুর তাৎপর্য: ‘লালসালু’ বলতে লাল রঙের কাপড়কে বোঝানো হয়েছে, যা উপন্যাসে মাজার ঢাকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ধর্মীয় বিশ্বাসকে ক্ষমতা ও স্বার্থসিদ্ধির উপায় হিসেবে ব্যবহারের প্রতীক।
❖ রহিমা: মজিদের প্রথম স্ত্রী। তিনি শারীরিকভাবে শক্তিশালী, পরিশ্রমী ও স্বামীভক্ত নারী। তাঁর চরিত্রে সহিষ্ণুতা ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত আনুগত্যের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
❖ জমিলার স্বভাব: তিনি সহজে ভয় পান না, হাসিখুশি থাকেন এবং মজিদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ মেনে নিতে চান না। তাঁর আচরণ মজিদের প্রতিষ্ঠিত কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
❖ জমিলার প্রতিরোধ: মজিদের ভীতিনির্ভর ধর্মীয় প্রভাবের সামনে জমিলা আত্মসমর্পণ করতে চান না। তাঁর স্বাভাবিক হাসি, স্বাধীনতা ও প্রতিবাদী মনোভাব মজিদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে।
❖ জমিলা ও রহিমার পার্থক্য: রহিমা প্রচলিত সামাজিক রীতিতে অভ্যস্ত হলেও জমিলা প্রশ্নহীন আনুগত্য মানতে চান না। এই দুটি চরিত্রের মাধ্যমে নারীর অবস্থান ও প্রতিবাদের ভিন্ন রূপ ফুটে ওঠে।
❖ খালেক ব্যাপারী: মহব্বতনগরের প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি মজিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
❖ আমেনা বিবি: খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী। সন্তান না হওয়া এবং সামাজিক-ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তাঁর জীবনে সংকট তৈরি হয়।
❖ আক্কাস: গ্রামে শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী এক ব্যক্তি। তাঁর বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা মজিদের ধর্মীয় কর্তৃত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
❖ উপন্যাসের পটভূমি: পূর্ববাংলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, সামাজিক বৈষম্য এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব প্রতিষ্ঠার ঘটনা কাহিনির ভিত্তি।
❖ মূল বিষয়: ধর্মীয় কুসংস্কার, ধর্মব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, গ্রামীণ সমাজ ও নারীর স্বাধীনতা।
❖ লেখক পরিচিতি: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯২২–১৯৭১) বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার। তাঁর সাহিত্যে আধুনিক মানুষের অস্তিত্বসংকট, নিঃসঙ্গতা, ভয়, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সামাজিক ক্ষমতাকাঠামো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
❖ জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯২২।
❖ জন্মস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
❖ মৃত্যু: ১০ অক্টোবর ১৯৭১, প্যারিস, ফ্রান্স।
❖ বিখ্যাত উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
❖ গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা (১৯৪৫) এবং দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
❖ নাটক: বহিপীর (১৯৬০), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৪), সুড়ঙ্গ।
❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১) এবং একুশে পদক (১৯৮৪, মরণোত্তর)।
❖ চলচ্চিত্ররূপ: তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত লালসালু চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০০১ সালে।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ জমিলা — লালসালু উপন্যাসের চরিত্র।
➤ উপন্যাসের রচয়িতা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
➤ প্রকাশকাল — ১৯৪৮।
➤ প্রকাশক — কমরেড পাবলিশার্স, ঢাকা।
➤ প্রধান পুরুষ চরিত্র — মজিদ।
➤ মজিদের প্রথম স্ত্রী — রহিমা।
➤ মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী — জমিলা।
➤ জমিলার বৈশিষ্ট্য — স্বাধীনচেতা ও প্রতিবাদী।
➤ গ্রাম — মহব্বতনগর।
➤ খালেক ব্যাপারী — গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি।
➤ আমেনা বিবি — খালেক ব্যাপারীর স্ত্রী।
➤ আক্কাস — শিক্ষাপ্রসারে উদ্যোগী ব্যক্তি।
➤ লালসালু — মাজার ঢাকার লাল কাপড়।
➤ উপন্যাসের মূল বিষয় — ধর্মব্যবসা ও গ্রামীণ ক্ষমতাকাঠামো।
➤ লেখকের জন্ম — ১৫ আগস্ট ১৯২২।
➤ জন্মস্থান — ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
➤ মৃত্যু — ১০ অক্টোবর ১৯৭১।
➤ মৃত্যুর স্থান — প্যারিস, ফ্রান্স।
➤ প্রথম গল্পগ্রন্থ — নয়নচারা (১৯৪৫)।
➤ প্রথম উপন্যাস — লালসালু (১৯৪৮)।
➤ দ্বিতীয় উপন্যাস — চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪)।
➤ তৃতীয় উপন্যাস — কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
➤ উল্লেখযোগ্য নাটক — বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ।
➤ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার — ১৯৬১।
➤ একুশে পদক — ১৯৮৪ (মরণোত্তর)।
➤ লালসালু চলচ্চিত্রের পরিচালক — তানভীর মোকাম্মেল।
➤ চলচ্চিত্র মুক্তি — ২০০১।
➤ লালসালু—মজিদ, রহিমা, জমিলা; চাঁদের অমাবস্যা—আরেফ আলী; কাঁদো নদী কাঁদো—মুহাম্মদ মুস্তফা।"