01
🎯 Level 1
৩. মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম কী? (বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ২৬)
✅ সঠিক উত্তর:ক. অনন্ত
ব্যাখ্যা:
"উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: অনন্ত।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম হিসেবে ‘অনন্ত’ প্রচলিত। সাহিত্য-ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে বলা হয়, ‘অনন্ত’ তাঁর ব্যক্তিগত নাম, ‘বড়ু’ কৌলিক উপাধি এবং ‘চণ্ডীদাস’ গুরুপ্রদত্ত নাম।
❖ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান সাহিত্যকর্ম ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’, যা বাংলা সাহিত্যের আদি মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। কাব্যটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি এবং বড়ায়ির মধ্যস্থতাকে কেন্দ্র করে রচিত।
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিতে ‘বড়ু চণ্ডীদাস’, ‘চণ্ডীদাস’ এবং ‘অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস’—এই ভণিতারূপগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায়। এসব ভণিতা থেকে কবির নাম ও পরিচয় সম্পর্কে ধারণা করা হয়েছে।
❖ তবে গবেষণাগতভাবে ‘অনন্ত’ নামটি সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয়। কারণ কবির সমসাময়িক পূর্ণাঙ্গ জীবনী পাওয়া যায়নি এবং পুঁথিতে পাওয়া কিছু নাম ও পাঠের মৌলিকত্ব নিয়েও মতভেদ রয়েছে।
❖ তাই পরীক্ষায় ‘প্রকৃত নাম — অনন্ত’ উত্তরটি ব্যবহৃত হলেও সাহিত্য-ইতিহাসে এটি প্রচলিত পরিচয় হিসেবে বুঝতে হবে।
◉ ১. বড়ু চণ্ডীদাসের নামের ব্যাখ্যা
❖ অনন্ত: কবির প্রকৃত বা ব্যক্তিগত নাম হিসেবে প্রচলিত।
❖ বড়ু: তাঁর কৌলিক উপাধি হিসেবে পরিচিত।
❖ চণ্ডীদাস: প্রচলিত বিবরণ অনুযায়ী গুরুপ্রদত্ত নাম।
❖ বড়ু চণ্ডীদাস: সাহিত্যিক পরিচয়ে বহুল ব্যবহৃত নাম।
❖ অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস: পুঁথির ভণিতার সঙ্গে সম্পর্কিত পরিচয়।
❖ কবির প্রকৃত নাম নির্ধারণে ভণিতার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হলেও একে একমাত্র নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
◉ ২. ভণিতা কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
❖ ভণিতা হলো কবিতা বা গীতিপদের এমন অংশ, যেখানে কবি নিজের নাম বা পরিচয় উল্লেখ করেন।
❖ মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য এবং বৈষ্ণব পদাবলিতে ভণিতার বিশেষ ব্যবহার রয়েছে।
❖ সাধারণত পদের শেষের দিকে কবির নামসংবলিত বক্তব্য পাওয়া যায়।
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে বড়ু চণ্ডীদাসের নামসংবলিত ভণিতা থেকে তাঁর রচনাস্বত্ব সম্পর্কে ধারণা করা হয়েছে।
❖ একইভাবে বৈষ্ণব পদাবলিতে বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের নামসংবলিত ভণিতা দেখা যায়।
❖ তবে মধ্যযুগে অনুলিপিকারদের সংযোজন ও পাঠভেদের কারণে সব ভণিতার যথার্থতা একই রকম নয়।
◉ ৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিতে কবির নাম
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কৃত পুঁথিতে বড়ু চণ্ডীদাস নামটি বহুবার পাওয়া যায়।
❖ চণ্ডীদাস নামটিও বিভিন্ন পদে ব্যবহৃত হয়েছে।
❖ কিছু পাঠে অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস পরিচয় পাওয়া যায়।
❖ এসব নামের ব্যবহার কবির পরিচয় নির্ধারণে গবেষকদের সহায়তা করেছে।
❖ কিন্তু পুঁথির প্রথমাংশ ও শেষাংশ অনুপস্থিত থাকায় কবির নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ আত্মপরিচয় পাওয়া যায়নি।
❖ এজন্য কবির প্রকৃত নাম, জন্মস্থান ও জীবনকাল সম্পর্কে গবেষণায় অনিশ্চয়তা রয়েছে।
◉ ৪. চণ্ডীদাস-সমস্যার সঙ্গে সম্পর্ক
❖ বাংলা সাহিত্য-ইতিহাসে একাধিক কবির নামে চণ্ডীদাস পরিচয় পাওয়া যায়।
❖ বড়ু চণ্ডীদাস প্রধানত শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা।
❖ দ্বিজ চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে সম্পর্কিত নাম।
❖ দীন চণ্ডীদাস নামেও বৈষ্ণব পদ পাওয়া যায়।
❖ বিভিন্ন পদের ভাষা, ভণিতা ও কাব্যরীতির পার্থক্যের কারণে একই নামের একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে গবেষণাগত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
❖ এই বিতর্ককে চণ্ডীদাস-সমস্যা বলা হয়।
◉ ৫. বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান সাহিত্যিক অবদান
❖ তাঁর প্রধান রচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
❖ কাব্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় চিত্রিত হয়েছে।
❖ বড়ায়ি রাধা ও কৃষ্ণের সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী চরিত্র।
❖ কাব্যে সংলাপ, গীতিপদ এবং নাট্যধর্মী কাহিনির সমন্বয় রয়েছে।
❖ ৪১৮টি সংরক্ষিত পদ কাব্যটির গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক সম্পদ।
❖ মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যরীতির ইতিহাসে গ্রন্থটি বিশেষ মূল্যবান।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম — অনন্ত (প্রচলিত উত্তর)।
➤ বড়ু — কৌলিক উপাধি।
➤ চণ্ডীদাস — প্রচলিত মতে গুরুপ্রদত্ত নাম।
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের পূর্ণ প্রচলিত পরিচয় — অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস।
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান রচনা — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের প্রধান চরিত্র — রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
➤ কবির নামসংবলিত পঙ্ক্তি — ভণিতা।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে পাওয়া ভণিতার নাম — বড়ু চণ্ডীদাস ও চণ্ডীদাস।
➤ চণ্ডীদাস নামের কবিদের পরিচয়সংক্রান্ত বিতর্ক — চণ্ডীদাস-সমস্যা।
➤ চণ্ডীদাস নামের গুরুত্বপূর্ণ কবি — বড়ু, দ্বিজ ও দীন চণ্ডীদাস।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার — ১৯০৯।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশ — ১৯১৬।
➤ পুঁথির আবিষ্কারক — বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সাহিত্যিক যুগ — মধ্যযুগ।
➤ ড. শহীদুল্লাহর মতানুসারে জীবনকাল — ১৩৭০–১৪৩৩ খ্রি.।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মোট খণ্ড — ১৩টি।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সংরক্ষিত পদ — ৪১৮টি।"
◈ সঠিক উত্তর: অনন্ত।
◈ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম হিসেবে ‘অনন্ত’ প্রচলিত। সাহিত্য-ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে বলা হয়, ‘অনন্ত’ তাঁর ব্যক্তিগত নাম, ‘বড়ু’ কৌলিক উপাধি এবং ‘চণ্ডীদাস’ গুরুপ্রদত্ত নাম।
❖ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান সাহিত্যকর্ম ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’, যা বাংলা সাহিত্যের আদি মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। কাব্যটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি এবং বড়ায়ির মধ্যস্থতাকে কেন্দ্র করে রচিত।
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিতে ‘বড়ু চণ্ডীদাস’, ‘চণ্ডীদাস’ এবং ‘অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস’—এই ভণিতারূপগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায়। এসব ভণিতা থেকে কবির নাম ও পরিচয় সম্পর্কে ধারণা করা হয়েছে।
❖ তবে গবেষণাগতভাবে ‘অনন্ত’ নামটি সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয়। কারণ কবির সমসাময়িক পূর্ণাঙ্গ জীবনী পাওয়া যায়নি এবং পুঁথিতে পাওয়া কিছু নাম ও পাঠের মৌলিকত্ব নিয়েও মতভেদ রয়েছে।
❖ তাই পরীক্ষায় ‘প্রকৃত নাম — অনন্ত’ উত্তরটি ব্যবহৃত হলেও সাহিত্য-ইতিহাসে এটি প্রচলিত পরিচয় হিসেবে বুঝতে হবে।
◉ ১. বড়ু চণ্ডীদাসের নামের ব্যাখ্যা
❖ অনন্ত: কবির প্রকৃত বা ব্যক্তিগত নাম হিসেবে প্রচলিত।
❖ বড়ু: তাঁর কৌলিক উপাধি হিসেবে পরিচিত।
❖ চণ্ডীদাস: প্রচলিত বিবরণ অনুযায়ী গুরুপ্রদত্ত নাম।
❖ বড়ু চণ্ডীদাস: সাহিত্যিক পরিচয়ে বহুল ব্যবহৃত নাম।
❖ অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস: পুঁথির ভণিতার সঙ্গে সম্পর্কিত পরিচয়।
❖ কবির প্রকৃত নাম নির্ধারণে ভণিতার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হলেও একে একমাত্র নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
◉ ২. ভণিতা কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
❖ ভণিতা হলো কবিতা বা গীতিপদের এমন অংশ, যেখানে কবি নিজের নাম বা পরিচয় উল্লেখ করেন।
❖ মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য এবং বৈষ্ণব পদাবলিতে ভণিতার বিশেষ ব্যবহার রয়েছে।
❖ সাধারণত পদের শেষের দিকে কবির নামসংবলিত বক্তব্য পাওয়া যায়।
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে বড়ু চণ্ডীদাসের নামসংবলিত ভণিতা থেকে তাঁর রচনাস্বত্ব সম্পর্কে ধারণা করা হয়েছে।
❖ একইভাবে বৈষ্ণব পদাবলিতে বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের নামসংবলিত ভণিতা দেখা যায়।
❖ তবে মধ্যযুগে অনুলিপিকারদের সংযোজন ও পাঠভেদের কারণে সব ভণিতার যথার্থতা একই রকম নয়।
◉ ৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিতে কবির নাম
❖ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের আবিষ্কৃত পুঁথিতে বড়ু চণ্ডীদাস নামটি বহুবার পাওয়া যায়।
❖ চণ্ডীদাস নামটিও বিভিন্ন পদে ব্যবহৃত হয়েছে।
❖ কিছু পাঠে অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস পরিচয় পাওয়া যায়।
❖ এসব নামের ব্যবহার কবির পরিচয় নির্ধারণে গবেষকদের সহায়তা করেছে।
❖ কিন্তু পুঁথির প্রথমাংশ ও শেষাংশ অনুপস্থিত থাকায় কবির নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ আত্মপরিচয় পাওয়া যায়নি।
❖ এজন্য কবির প্রকৃত নাম, জন্মস্থান ও জীবনকাল সম্পর্কে গবেষণায় অনিশ্চয়তা রয়েছে।
◉ ৪. চণ্ডীদাস-সমস্যার সঙ্গে সম্পর্ক
❖ বাংলা সাহিত্য-ইতিহাসে একাধিক কবির নামে চণ্ডীদাস পরিচয় পাওয়া যায়।
❖ বড়ু চণ্ডীদাস প্রধানত শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা।
❖ দ্বিজ চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে সম্পর্কিত নাম।
❖ দীন চণ্ডীদাস নামেও বৈষ্ণব পদ পাওয়া যায়।
❖ বিভিন্ন পদের ভাষা, ভণিতা ও কাব্যরীতির পার্থক্যের কারণে একই নামের একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে গবেষণাগত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
❖ এই বিতর্ককে চণ্ডীদাস-সমস্যা বলা হয়।
◉ ৫. বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান সাহিত্যিক অবদান
❖ তাঁর প্রধান রচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
❖ কাব্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের বিভিন্ন পর্যায় চিত্রিত হয়েছে।
❖ বড়ায়ি রাধা ও কৃষ্ণের সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী চরিত্র।
❖ কাব্যে সংলাপ, গীতিপদ এবং নাট্যধর্মী কাহিনির সমন্বয় রয়েছে।
❖ ৪১৮টি সংরক্ষিত পদ কাব্যটির গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক সম্পদ।
❖ মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যরীতির ইতিহাসে গ্রন্থটি বিশেষ মূল্যবান।
◈ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম — অনন্ত (প্রচলিত উত্তর)।
➤ বড়ু — কৌলিক উপাধি।
➤ চণ্ডীদাস — প্রচলিত মতে গুরুপ্রদত্ত নাম।
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের পূর্ণ প্রচলিত পরিচয় — অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস।
➤ বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান রচনা — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের প্রধান চরিত্র — রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
➤ কবির নামসংবলিত পঙ্ক্তি — ভণিতা।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে পাওয়া ভণিতার নাম — বড়ু চণ্ডীদাস ও চণ্ডীদাস।
➤ চণ্ডীদাস নামের কবিদের পরিচয়সংক্রান্ত বিতর্ক — চণ্ডীদাস-সমস্যা।
➤ চণ্ডীদাস নামের গুরুত্বপূর্ণ কবি — বড়ু, দ্বিজ ও দীন চণ্ডীদাস।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার — ১৯০৯।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশ — ১৯১৬।
➤ পুঁথির আবিষ্কারক — বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সাহিত্যিক যুগ — মধ্যযুগ।
➤ ড. শহীদুল্লাহর মতানুসারে জীবনকাল — ১৩৭০–১৪৩৩ খ্রি.।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মোট খণ্ড — ১৩টি।
➤ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সংরক্ষিত পদ — ৪১৮টি।"