🧠 🔖
👑 Premium Topic

কবি-সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছদ্মনাম

◉ বাংলা সাহিত্য কবি-সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছদ্মনাম

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚115মোট প্রশ্ন
🎯4মোট লেভেল
0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০৩.‘অশোক সৈয়দ’ কার ছদ্মনাম? / বাংলা সাহিত্যে ‘পরাবাস্তব কবি’ হিসেবে পরিচিত— (৩১তম বিসিএস)

ক. আবদুল মান্নান সৈয়দ

খ. সৈয়দ আজিজুল হক

গ. আবু সায়ীদ আইয়ুব

ঘ. সৈয়দ শামসুল হক

✅ সঠিক উত্তর:ক. ক. আবদুল মান্নান সৈয়দ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: আবদুল মান্নান সৈয়দ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ আবদুল মান্নান সৈয়দ-এর ছদ্মনাম ছিল “অশোক সৈয়দ”। একই সঙ্গে তাঁকে বাংলা সাহিত্যে পরাবাস্তব ধারা-র সঙ্গে যুক্ত আধুনিক কাব্যভাষার এক স্বতন্ত্র কবি বলেও চিহ্নিত করা হয়। Banglapedia-তে তাঁর সাহিত্যিক পরিচয় এবং অন্য উৎসে তাঁর ছদ্মনামের উল্লেখ পাওয়া যায়।
❖ তিনি শুধু কবি নন; প্রাবন্ধিক, সমালোচক, গবেষক, সম্পাদক, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক—বহুমাত্রিক সাহিত্যসত্তা। আধুনিক বাংলা কবিতায় দার্শনিকতা, পরাবাস্তবতা, মেটাফিজিক্স, এবং মননশীল সাহিত্য-সমালোচনা—এই দিকগুলোতে তাঁর অবদান আলাদা গুরুত্ব বহন করে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সৈয়দ আজিজুল হক আলাদা সাহিত্যিক সত্তা; “অশোক সৈয়দ” তাঁর নয়।
❖ আবু সায়ীদ আইয়ুব ছিলেন দার্শনিক ও সাহিত্যসমালোচক; এই ছদ্মনাম তাঁর নয়।
❖ সৈয়দ শামসুল হক “সব্যসাচী লেখক” নামে বেশি পরিচিত।
02
🎯 Level 1

০৬.‘কবি কঙ্কণ’ কার উপাধি? (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক: ১৮)

ক. বিজয় গুপ্ত

খ. দ্বিজ মাধব

গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

ঘ. মাধবদেব বসু

✅ সঠিক উত্তর:গ. গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলা মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী-ই “কবি কঙ্কণ” নামে পরিচিত। তাঁর চণ্ডীমঙ্গল বাংলা কাব্যধারার এক মহৎ সৃষ্টি। তাই এই উপাধির সঙ্গে তাঁর নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
❖ “কঙ্কণ” বিশেষণটি তাঁর কাব্যকীর্তির সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গেছে যে সাহিত্য-ইতিহাসে তাঁকে প্রায়শই কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম নামেই উল্লেখ করা হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গল কাব্যের জন্য স্মরণীয়।
❖ দ্বিজ মাধব-ও মঙ্গলকাব্যের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ।
❖ মাধবদেব বসু এই উপাধির অধিকারী নন।
03
🎯 Level 1

০৯.কায়কোবাদের আসল নাম কী? (বিআরডিবির সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা: ২৩)

ক. মীর্জা কায়কোবাদ

খ. কাজেম আল কোরেশী

গ. শাহ কাজেম বিনহাই

ঘ. কায়কোবাদ

✅ সঠিক উত্তর:খ. খ. কাজেম আল কোরেশী

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: কাজেম আল কোরেশী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট মুসলিম কবি কায়কোবাদ-এর প্রকৃত নাম মুহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। তিনি মূলত “কায়কোবাদ” ছদ্মনামেই সর্বাধিক পরিচিত।
❖ তাঁর কাব্যে ইতিহাস, মুসলিম ঐতিহ্য, মহাকাব্যিক ধারা, আবেগ, আরবি-ফারসি ভাবভাষার প্রভাব লক্ষ করা যায়। বাংলা মুসলিম কাব্যধারায় তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মীর্জা কায়কোবাদ নামটি প্রকৃত নাম নয়, ভুল বা প্রচলিত বিকৃত রূপ।
❖ শাহ কাজেম বিন হাই-ও সঠিক নয়।
❖ কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক নাম, প্রকৃত নাম নয়।
04
🎯 Level 1

১৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘কবিগুরু’ উপাধি দেন— (সিভিল সার্ভিস কার্যালয়ের জুনিয়র অডিটর: ১৪)

ক. রবিহারা সংগঠন

খ. ডা. কানিংহাম

গ. ক্ষিতিমোহন সেন

ঘ. chi. si. lizong

✅ সঠিক উত্তর:গ. গ. ক্ষিতিমোহন সেন

ব্যাখ্যা:

◈ প্রচলিত এমসিকিউ-উত্তর: ক্ষিতিমোহন সেন
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ সাধারণ বাংলা জিকে-তে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে “কবিগুরু” উপাধি দেওয়ার কৃতিত্ব ক্ষিতিমোহন সেন-কে দেওয়া হয়। এই তথ্যটি মূলত প্রচলিত পরীক্ষামুখী উত্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
❖ এখানে মনে রাখা দরকার, “কবিগুরু” বা “বিশ্বকবি” ধরনের উপাধির ক্ষেত্রে সবসময় একক প্রাথমিক নথি পাওয়া যায় না; অনেক সময় এগুলো সাহিত্যিক-সামাজিক প্রচলন থেকে প্রতিষ্ঠা পায়। তাই পরীক্ষার খাতায় ক্ষিতিমোহন সেন-ই প্রত্যাশিত উত্তর।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ডা. কানিংহাম-এর সঙ্গে এই উপাধির সম্পর্ক নেই।
❖ চি. সি. লিজং-ও এ প্রশ্নে মান্য উত্তর নয়।
❖ রবিহারা সংগঠন পরীক্ষামুখী উত্তরে গ্রহণযোগ্য নয়।
05
🎯 Level 1

১৬. পাঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন কত সালে? / কত সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন? (প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৩)

ক. ১৯১৩

খ. ১৯১৫

গ. ১৯১৭

ঘ. ১৯১৯

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ঘ. ১৯১৯

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: ১৯১৯
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৯ সালে তাঁর knighthood ত্যাগ করেন। এটি তাঁর রাজনৈতিক-নৈতিক অবস্থানের এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত।
❖ এই ঘটনার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছিলেন যে সাহিত্যিকের ভূমিকা কেবল নান্দনিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; অন্যায় ও ঔপনিবেশিক বর্বরতার বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিবাদও সাহিত্যিক দায়িত্বের অংশ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯১৫ = নাইট উপাধি লাভের বছর।
❖ ১৯১৩ = নোবেল লাভের বছর।
❖ ১৯১৭ নয়।
06
🎯 Level 1

১৯. গোবিন্দদাসের উপাধি কী ছিল? (সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজসেবা অফিসার: ০৫)

ক. কবি কঙ্কণ

খ. কবিরাজ

গ. অনন্ত

ঘ. বড়ু

✅ সঠিক উত্তর:খ. খ. কবিরাজ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: কবিরাজ
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বৈষ্ণব পদাবলির বিশিষ্ট কবি গোবিন্দদাস-এর পরিচিত উপাধি “কবিরাজ”। বাংলা বৈষ্ণব কাব্যধারায় তাঁর পদাবলি বিশেষভাবে মূল্যবান।
❖ তিনি প্রেম, ভক্তি, রাধাকৃষ্ণ-ভাব, গীতিমাধুর্য ও কাব্যসৌন্দর্যের জন্য বিশেষ খ্যাত। বৈষ্ণব পদকর্তাদের মধ্যে তাঁর নাম অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কবি কঙ্কণ = মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
❖ বড়ু শব্দটি “বড়ু চণ্ডীদাস” প্রভৃতি প্রসঙ্গে আসে।
❖ অনন্ত এ প্রশ্নের স্বীকৃত উত্তর নয়।
07
🎯 Level 1

২২. ‘জরাসন্ধ’ কার ছদ্মনাম? (তথ্য মন্ত্রণালয়ের টেলিভিশন প্রকৌশলী: ০৪)

ক. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী

খ. সমরেশ বসু

গ. বিমল ঘোষ

ঘ. অতীন্দ্রকুমার sengupta

✅ সঠিক উত্তর:ক. ক. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ জরাসন্ধ হলেন চারুচন্দ্র চক্রবর্তী-র ছদ্মনাম। তিনি বিশেষত কারাজীবন, অপরাধমনস্তত্ত্ব ও জেল-অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা রচনার জন্য পরিচিত।
❖ “জরাসন্ধ” নামটি বাংলা সাহিত্যে আলাদা এক ভয়াল, তীক্ষ্ণ, বাস্তবধর্মী বয়ান তৈরি করেছে। তাঁর লেখায় বন্দিজীবন ও রাষ্ট্রীয় দমনযন্ত্রের অভ্যন্তরীণ চিত্র পাওয়া যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সমরেশ বসু = কালকূট।
❖ বিমল ঘোষ ও অতীন্দ্রকুমার সেনগুপ্ত এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন।
08
🎯 Level 1

২৬. ‘তিমির হনন’ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন— (এনএসআইয়ের জুনিয়র ফিল্ড অফিসার: ১৯)

ক. অমিয় চক্রবর্তী

খ. বুদ্ধদেব বসু

গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ঘ. রূপকুমার চক্রবর্তী

✅ সঠিক উত্তর:গ. গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইমেজভিত্তিক উত্তর অনুযায়ী ‘তিমির হনন’ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অন্যতম প্রধান প্রবর্তক এবং বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়।
❖ মধুসূদন দত্তের সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা মেঘনাদবধ কাব্য। Banglapedia অনুযায়ী এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য, দুই খণ্ড ও নয় সর্গে রচিত, এবং ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যের মাধ্যমে তিনি ইউরোপীয় মহাকাব্যিক ধারা, মিল্টনীয় গাম্ভীর্য এবং ভারতীয় পুরাণকাহিনিকে একত্রে মিশিয়ে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেন।
❖ মধুসূদনের সাহিত্যিক গুরুত্ব বোঝার জন্য মনে রাখতে হবে—তিনি শুধু ছদ্মনামধারী কবি নন; তিনি বাংলা মহাকাব্য, সনেট, অমিত্রাক্ষর ছন্দ, নাটক—সব ক্ষেত্রেই নবযুগের সূচক।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ অমিয় চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ কবি; তিনি রবীন্দ্র-পরবর্তী কবিতার এক স্বতন্ত্র কণ্ঠ।
❖ বুদ্ধদেব বসু আধুনিক বাংলা কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও সম্পাদনা-চর্চায় বিশিষ্ট; Banglapedia অনুযায়ী তিনি শতাধিক গ্রন্থের রচ্যিতা।
❖ রূপকুমার চক্রবর্তী এই প্রশ্নের স্বীকৃত উত্তর নন।
09
🎯 Level 1

২৯. ‘দুঃখী’ কার ছদ্মনাম? (নৌবাহিনীর সহকারী পরীক্ষক: ২৩)

ক. প্যারীচাঁদ মিত্র

খ. মধুসূদন দত্ত

গ. মধুসূদন মজুমদার

ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী

✅ সঠিক উত্তর:গ. গ. মধুসূদন মজুমদার

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: মধুসূদন মজুমদার
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ ইমেজে ‘দুঃখী’ ছদ্মনামের উত্তর হিসেবে মধুসূদন মজুমদার দেওয়া হয়েছে। বাংলা সাহিত্য-জিকে-তে এটি একটি প্রচলিত ছদ্মনাম-ভিত্তিক প্রশ্ন।
❖ ছদ্মনাম ব্যবহারের একটি ঐতিহ্য বাংলা সাহিত্যে দীর্ঘদিন ধরে আছে। অনেক লেখক নিজস্ব সামাজিক অবস্থান, রচনার ধরন, ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গি, বা ব্যক্তিগত আত্মপরিচয়ের কারণে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। ‘দুঃখী’ নামের ভেতরেও এক ধরনের আত্মবিনয়, বেদনাবোধ বা সাহিত্যিক অবস্থান প্রকাশ পায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ প্যারীচাঁদ মিত্র-র ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
❖ মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের মহাকবি, কিন্তু “দুঃখী” তাঁর প্রচলিত ছদ্মনাম নয়।
❖ বিহারীলাল চক্রবর্তী গীতিকবি হিসেবে পরিচিত; “দুঃখী” তাঁর ছদ্মনাম নয়।
10
🎯 Level 1

৩২. নারী জাগরণের অগ্রদূত / বাঙালির প্রথম জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত কে? / বাংলাদেশে নারী শিক্ষা প্রসারে অগ্রদূত কে? / বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী লেখিকা কে? (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক: ০১)

ক. নবাব ফয়জুন্নেসা

খ. শামসুন্নাহার মাহমুদ

গ. বেগম সুফিয়া কামাল

ঘ. বেগম রোকেয়া

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. ঘ. বেগম রোকেয়া

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর: বেগম রোকেয়া
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীশিক্ষা, নারী অধিকার ও মুসলিম নারীজাগরণের ইতিহাসে সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি। Banglapedia বলছে, বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরঅম্লান; তিনি মুসলমান মেয়েদের সচেতনতা সৃষ্টি ও অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।
❖ তিনি শুধু লেখক নন; তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, নারী অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত। তাঁর বিখ্যাত রচনা সুলতানার স্বপ্ন, অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ নারী-freedom, শিক্ষার অধিকার এবং সমাজের পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর বিরুদ্ধে শক্তিশালী সাহিত্যিক প্রতিবাদ।
❖ “নারী জাগরণের অগ্রদূত” উপাধি তাঁর ক্ষেত্রে যথার্থ, কারণ তিনি মুসলিম সমাজে নারীর শিক্ষা, স্বাবলম্বন, আত্মমর্যাদা ও সামাজিক অংশগ্রহণের প্রশ্নকে সাহিত্যের পাশাপাশি বাস্তব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সামনে আনেন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ নবাব ফয়জুন্নেসা বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিককার নারী লেখকদের একজন এবং নারীশিক্ষা প্রসারেও ভূমিকা আছে, তবে নারীজাগরণের সবচেয়ে প্রচলিত অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়া বেশি স্বীকৃত।
❖ শামসুন্নাহার মাহমুদ নারীশিক্ষা ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ।
❖ সুফিয়া কামাল নারী আন্দোলনের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হলেও “নারী জাগরণের অগ্রদূত” প্রশ্নে textbook উত্তর সাধারণত বেগম রোকেয়া।
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন