🧠 🔖
👑 Premium Topic

বাংলা সাহিত্যের- পঙক্তি/উক্তি

◉ বাংলা সাহিত্য›বাংলা সাহিত্যের- পঙক্তি/উক্তি

নির্বাচিত Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখানে পড়ুন। সম্পূর্ণ Quiz, Level Practice, Result ও Progress App-এ আগের নিয়মেই চলবে।

📚152মোট প্রশ্ন
🎯8মোট লেভেল
⭐—0 Ratings
💬0Reviews
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Topic থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ ও ব্যাখ্যা

01
🎯 Level 1

০১. ‘এ ভরা বাদর মাহ ভাদর / শূন্য মন্দির মোর’ — কে লিখেছেন? [বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ)২৩]

ক

চণ্ডীদাস

খ

বিদ্যাপতি

গ

কাজী নজরুল ইসলাম

ঘ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

✅ সঠিক উত্তর:খ. বিদ্যাপতি

ব্যাখ্যা:

"উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: বিদ্যাপতি
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এটি বৈষ্ণব পদাবলির একটি বিখ্যাত পদ, যার রচয়িতা মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি।
❖ এখানে মূলত রাধার বিরহ-বেদনা প্রকাশ পেয়েছে — কৃষ্ণের অনুপস্থিতিতে রাধার হৃদয়ের শূন্যতা বোঝাতে “শূন্য মন্দির” উপমা ব্যবহার করা হয়েছে।
❖ “ভরা বাদর মাহ ভাদর” → বর্ষার সময় (ভাদ্র মাস), যখন প্রকৃতি পূর্ণ, কিন্তু প্রেমিকের অনুপস্থিতিতে হৃদয় শূন্য।
❖ বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ কারণ তার পদাবলি পরবর্তীতে চৈতন্য যুগে বৈষ্ণব সাহিত্যের মূল ভিত্তি হয়ে ওঠে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চণ্ডীদাস → তিনিও বৈষ্ণব কবি, কিন্তু এই পদটি তার নয়
❖ কাজী নজরুল ইসলাম → আধুনিক যুগের কবি, বৈষ্ণব পদাবলির সাথে সম্পর্ক নেই
❖ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর → তিনি বৈষ্ণব ভাবধারা গ্রহণ করলেও এটি তার রচনা নয়"
02
🎯 Level 1

১২. ‘কেমনে নির্মিব বলে মাটির প্রদীপে, তাই বলে তাক যদি দেবে গলা টিপে’— কে বলেছেন? (কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ০৩)

ক

কবি ইহসান

খ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গ

গোলাম মোস্তফা

ঘ

জসীমউদ্দীন

✅ সঠিক উত্তর:খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ প্রশ্নের পংক্তিতে রূপকধর্মী বক্তব্য আছে।
❖ “মাটির প্রদীপ” বলতে ক্ষুদ্র, সাধারণ বা দুর্বল কিছুকে বোঝানো হতে পারে।
❖ “গলা টিপে” বলা হয়েছে ধ্বংস করা, দমন করা বা বিকাশের সুযোগ না দেওয়ার অর্থে।
❖ রবীন্দ্রনাথের রচনায় এমন রূপক, ব্যঙ্গ ও দার্শনিক ভাবের ব্যবহার প্রায়ই দেখা যায়।
❖ তিনি মানুষের সৃজনশীলতা, স্বাধীনতা ও বিকাশের পক্ষে ছিলেন; তাই দুর্বলকে দমন করার মানসিকতার সমালোচনা তার সাহিত্যভাবনার সঙ্গে মিলে যায়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কবি ইহসান → এই পংক্তির জন্য পরিচিত নন।
❖ গোলাম মোস্তফা → ইসলামী ভাবধারার কবি হিসেবে পরিচিত।
❖ জসীমউদ্দীন → পল্লীকবি; গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির কবি।
Advertisement
03
🎯 Level 1

১৯. ‘গভীর চুম্বনে মম সমস্ত আকাশ, সমস্ত পৃথিবী’— কে বলেছেন? (জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক: ০৬)

ক

জীবনানন্দ দাশ

খ

সুকান্ত ভট্টাচার্য

গ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঘ

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

✅ সঠিক উত্তর:গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পংক্তিটির ভাষা ও ভাব রবীন্দ্রনাথের কাব্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
❖ রবীন্দ্রনাথের কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, বিশ্বচেতনা ও মহাজাগতিক অনুভব একসঙ্গে মিশে থাকে।
❖ “সমস্ত আকাশ, সমস্ত পৃথিবী”—এখানে ব্যক্তিগত অনুভূতিকে বিশ্বমানবিক ও মহাজাগতিক মাত্রায় বিস্তৃত করা হয়েছে।
❖ রবীন্দ্রনাথের প্রেম শুধু ব্যক্তিগত নয়; তা প্রকৃতি, বিশ্ব ও অস্তিত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
❖ এই ধরনের বিশ্বচেতনা রবীন্দ্র-কাব্যের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ জীবনানন্দ দাশ → প্রকৃতি ও নিঃসঙ্গতার কবি, তবে এই পংক্তি তার নয়।
❖ সুকান্ত ভট্টাচার্য → সংগ্রামী ও সমাজবাস্তবতার কবি।
❖ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত → আধুনিক কাব্যের জটিল বুদ্ধিবৃত্তিক কবি।
04
🎯 Level 1

২৮. “আমি চনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে, তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে” — কে বলেছেন? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ০৪)

ক

কবি ইকবাল

খ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গ

গোলাম মোস্তফা

ঘ

জসীমউদ্দীন

✅ সঠিক উত্তর:খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এই পঙ্‌ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধর্মী বক্তব্যভঙ্গির সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ এখানে আত্মসমালোচনা, ব্যঙ্গ এবং মানবমনের দ্বন্দ্ব একসাথে প্রকাশ পেয়েছে।
❖ “তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে”—এখানে নৈতিক অবস্থানের বৈপরীত্য দেখানো হয়েছে।
❖ রবীন্দ্রনাথের কবিতায় মানুষের অন্তর্লোক, অপরাধবোধ, আত্মসমর্পণ ও মানসিক সংঘাত বহুবার প্রকাশ পেয়েছে।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কবি ইকবাল → উর্দু-ফারসি দর্শনধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত, এই পঙ্‌ক্তি তার নয়।
❖ গোলাম মোস্তফা → ইসলামী ভাবধারার কবি, কিন্তু এই উদ্ধৃতি তার নয়।
❖ জসীমউদ্দীন → পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত; তার ভাষা গ্রামীণ জীবননির্ভর।
05
🎯 Level 1

৩৫. “এ যে দুর্ভেদ্য, এ যে মানবী, ইহার রহস্যের কি অন্ত আছে” — এই উক্তিটি কার? (কর্মসংস্থান ব্যাংকের সহকারী অফিসার: ০১)

ক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ

প্রমথ চৌধুরী

গ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ঘ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

✅ সঠিক উত্তর:ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এই উক্তিতে নারী-মানবীর রহস্যময়তা, গভীরতা ও জটিলতার কথা বলা হয়েছে।
❖ রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যজগতে নারী চরিত্রগুলো শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; তারা মানসিক, সামাজিক ও অস্তিত্বগত প্রশ্নের কেন্দ্র।
❖ তার গল্প-উপন্যাসে নারী চরিত্র যেমন—বিমলা, চারুলতা, মৃণাল, বিনোদিনী—প্রচলিত সমাজের বাইরে গিয়ে নিজস্ব সত্তা প্রকাশ করে।
❖ তাই “মানবী” সম্পর্কিত এই গভীর দার্শনিক অভিব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ প্রমথ চৌধুরী → গদ্যরীতি ও প্রবন্ধে গুরুত্বপূর্ণ।
❖ বঙ্কিমচন্দ্র → উপন্যাসের পথিকৃৎ, কিন্তু এই উদ্ধৃতি তার নয়।
❖ শরৎচন্দ্র → নারী চরিত্র নির্মাণে বিখ্যাত, তবে উদ্ধৃতিটি রবীন্দ্রনাথের।
Advertisement
06
🎯 Level 1

৪৫. “মা তোর বদনখানি মলিন হলে, আমি — ভাসি” শূন্যস্থান কী বসবে? (জেলা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১২)

ক

চোখের জলে

খ

নয়ন জলে

গ

বুকের জলে

ঘ

নদীর জলে

✅ সঠিক উত্তর:খ. নয়ন জলে

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: নয়ন জলে
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ পূর্ণ পঙ্‌ক্তি হলো—“মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, আমি নয়ন জলে ভাসি।”
❖ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “আমার সোনার বাংলা” গানের অংশ।
❖ “নয়ন জল” অর্থ চোখের জল; এখানে দেশমায়ের দুঃখে সন্তানের কান্না বোঝানো হয়েছে।
❖ জাতীয় সংগীতের শব্দগত শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তাই “চোখের জলে” অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি হলেও আসল শব্দ নয়।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চোখের জলে → অর্থ কাছাকাছি, কিন্তু মূল পঙ্‌ক্তি নয়।
❖ বুকের জলে → সাহিত্যিকভাবে প্রচলিত নয়।
❖ নদীর জলে → প্রসঙ্গবহির্ভূত।
07
🎯 Level 1

৫৪. “আমি ভাঙা, নাঙেল চাষা, নাঙেল ছোট লোক” কে বলেছেন? (দুদকের সহকারী পরিচালক: ০৩)

ক

কাজী ইমদাদুল হক

খ

কাজী নজরুল ইসলাম

গ

গোলাম মোস্তফা

ঘ

জসীমউদ্‌দীন

✅ সঠিক উত্তর:খ. কাজী নজরুল ইসলাম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: খ
◈ সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
❖ এই উক্তিটির সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম।
❖ নজরুলের রচনায় নিম্নবিত্ত, কৃষক, শ্রমিক, মজুর, কুলি—এসব অবহেলিত মানুষের পরিচয় গৌরবের সঙ্গে উঠে এসেছে।
❖ “চাষা”, “ছোট লোক” ইত্যাদি শব্দ সমাজে অবমূল্যায়নের চিহ্ন হলেও নজরুল এগুলোকে বিদ্রোহী আত্মপরিচয়ে রূপ দিয়েছেন।
❖ নজরুলের সাহিত্যচেতনার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি অভিজাত সমাজের বিপরীতে সাধারণ মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ কাজী ইমদাদুল হক → কথাসাহিত্যিক; “আবদুল্লাহ” উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
❖ গোলাম মোস্তফা → ইসলামী ভাবধারার কবি।
❖ জসীমউদ্‌দীন → পল্লিকবি; গ্রামীণ জীবন লিখেছেন, তবে এই উদ্ধৃতিটি তার নয়।
08
🎯 Level 1

৬১. ‘তবুও থামে না যৌবন বেগ, জীবনের উল্লাসে’ কার চরণ? (প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৩)

ক

সুফিয়া কামাল

খ

সুকান্ত ভট্টাচার্য

গ

কাজী নজরুল ইসলাম

ঘ

আল মাহমুদ

✅ সঠিক উত্তর:গ. কাজী নজরুল ইসলাম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ উদ্ধৃত চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
❖ ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় মানবজীবনের দুরন্ত গতি, যৌবনের উদ্যম, অভিযানের আকাঙ্ক্ষা এবং বাধা অতিক্রমের সাহস প্রকাশিত হয়েছে।
❖ এখানে যৌবন বলতে কেবল মানুষের নির্দিষ্ট বয়স বোঝানো হয়নি; যৌবন প্রাণশক্তি, সৃজনশীলতা, সাহস এবং নিরন্তর এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক।
❖ কবির কাছে জীবন স্থবির নয়। মানুষ সব সময় নতুন কিছু আবিষ্কার করতে এবং অজানাকে জানতে চায়।
❖ ‘তবুও থামে না যৌবন বেগ’ চরণে মানুষের অদম্য প্রচেষ্টা ও সাহসী অভিযাত্রার কথা বলা হয়েছে।
❖ ‘জীবনের উল্লাস’ বলতে জীবনের প্রতি গভীর আকর্ষণ, কর্মপ্রেরণা এবং নতুন সম্ভাবনার আনন্দ বোঝানো হয়েছে।
❖ কবিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিমালয় অতিক্রম, মেরু অভিযান এবং মহাকাশের দিকে মানুষের অগ্রযাত্রার কল্পনা পাওয়া যায়।
❖ এর মাধ্যমে কবি মানুষের সীমাহীন অনুসন্ধিৎসা ও অদম্য প্রাণশক্তির প্রশংসা করেছেন।
❖ এখানে জীবনকে জয় করার আকাঙ্ক্ষাই কবিতার প্রধান বক্তব্য।
✦ ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য
❖ জীবনের জয়গান: কবি মানবজীবনের গতিশীলতা ও সম্ভাবনাকে মহিমান্বিত করেছেন।
❖ যৌবনের শক্তি: যৌবনকে অদম্য কর্মশক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
❖ অভিযাত্রার চেতনা: অজানাকে জয় করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে।
❖ বাধা অতিক্রম: বিপদ ও প্রতিবন্ধকতাকে অগ্রযাত্রার পথে চূড়ান্ত বাধা হিসেবে গণ্য করা হয়নি।
❖ মানবিক সম্ভাবনা: মানুষের জ্ঞান, কল্পনা ও সাহসের সীমাহীন বিস্তারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
✦ নজরুলের জীবনবাদী চেতনা
❖ কাজী নজরুল ইসলাম শুধু শোষণবিরোধী কবি নন; জীবনের শক্তি ও সৌন্দর্যেরও কবি।
❖ তাঁর কবিতায় যৌবন, বিদ্রোহ, উদ্যম ও নবজাগরণের বিষয় ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
❖ ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতার প্রধান সুর হতাশা নয়, জীবনকে ভালোবেসে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. সুফিয়া কামাল — ভুল।
সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের বিশিষ্ট নারী কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’। উদ্ধৃত চরণটি তাঁর নয়।
❖ খ. সুকান্ত ভট্টাচার্য — ভুল।
সুকান্ত ভট্টাচার্য তরুণ বয়স, বিপ্লব ও সংগ্রামের কবি হলেও আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়।
❖ গ. কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক।
‘জীবন-বন্দনা’ কবিতার এই চরণে নজরুল যৌবনের অদম্য গতিকে প্রকাশ করেছেন।
❖ ঘ. আল মাহমুদ — ভুল।
আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’। আলোচ্য চরণটি তাঁর নয়।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ‘তবুও থামে না যৌবন বেগ’ — কাজী নজরুল ইসলাম।
➤ কবিতার নাম — জীবন-বন্দনা।
➤ প্রধান বিষয় — জীবনের অদম্য গতি।
➤ যৌবনের প্রতীকী অর্থ — সাহস, কর্মশক্তি ও উদ্যম।
➤ কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে — অভিযাত্রা ও নতুনকে জয় করার আকাঙ্ক্ষা।
➤ ‘জীবন-বন্দনা’ — জীবনবাদী ও উদ্দীপনামূলক কবিতা।
➤ সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ — সাঁঝের মায়া।
➤ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ — ছাড়পত্র।
➤ আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ — সোনালী কাবিন।
➤ মনে রাখার সূত্র — জীবন-বন্দনা ⇒ নজরুল ⇒ যৌবন ⇒ অদম্য প্রাণশক্তি।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম।
Advertisement
09
🎯 Level 1

৭৫. ‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?’ এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা— (সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক: ১৯)

ক

শেখ ফজলল করিম

খ

গোবিন্দ দাস

গ

মদনমোহন তর্কালঙ্কার

ঘ

জ্ঞানদাস

✅ সঠিক উত্তর:ক. শেখ ফজলল করিম

ব্যাখ্যা:

উত্তর: ক
◈ সঠিক উত্তর: শেখ ফজলল করিম।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?’ পংক্তিটি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি শেখ ফজলল করিম রচিত ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
❖ কবির পরিচয়: শেখ ফজলল করিম (১৮৮২–১৯৩৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, সাহিত্যিক ও সমাজচিন্তক। তিনি তাঁর নীতিবাদী, মানবতাবাদী ও আধ্যাত্মিক চিন্তাসমৃদ্ধ রচনার জন্য পরিচিত।
❖ জন্মস্থান: তিনি বর্তমান লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
❖ কবিতার মূল বক্তব্য: কবি স্বর্গ ও নরককে শুধু মৃত্যুর পরবর্তী কোনো দূরবর্তী স্থান হিসেবে দেখেননি। তিনি মানুষের চিন্তা, বিবেক, নৈতিক আচরণ এবং পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যেই স্বর্গ-নরকের অভিজ্ঞতা খুঁজে পেয়েছেন।
❖ মানবতাবাদী দর্শন: মানুষের মধ্যে যখন প্রেম, সহমর্মিতা, সততা ও ভালোবাসা বিরাজ করে, তখন পার্থিব জীবনই স্বর্গসুখের মতো হয়ে ওঠে।
❖ নৈতিক অবক্ষয়: অন্যদিকে লোভ, হিংসা, নিষ্ঠুরতা, অন্যায় ও বিবেকহীনতা মানুষের জীবনে নরকতুল্য যন্ত্রণা সৃষ্টি করে।
❖ ‘সুরাসুর’ শব্দের তাৎপর্য: সুর ও অসুর যথাক্রমে শুভ ও অশুভ শক্তির প্রতীক। কবির মতে, মানুষের মধ্যেই মহৎ ও অমহৎ প্রবৃত্তি বিদ্যমান।
❖ সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য: কবিতাটিতে নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, আত্মশুদ্ধি এবং সহজ ভাষায় গভীর জীবনদর্শন প্রকাশিত হয়েছে।
❖ বিশেষ গুরুত্ব: পংক্তিটির প্রধান শিক্ষা হলো, স্বর্গের মতো সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে হলে মানুষকে আগে নিজের চরিত্র, ব্যবহার ও মানবিক সম্পর্ক সুন্দর করতে হবে।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. শেখ ফজলল করিম — সঠিক। তিনি ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতার রচয়িতা।
❖ খ. গোবিন্দ দাস — ভুল। গোবিন্দ দাস কবিরাজ বৈষ্ণব পদাবলির বিখ্যাত কবি; আলোচ্য পংক্তির রচয়িতা নন।
❖ গ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার — ভুল। তিনি উনিশ শতকের শিক্ষাবিদ, কবি ও শিশুসাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘শিশুশিক্ষা’।
❖ ঘ. জ্ঞানদাস — ভুল। তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য কবি।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক’—কার রচনা? — শেখ ফজলল করিম।
➤ পংক্তিটি কোন কবিতার? — স্বর্গ ও নরক।
➤ শেখ ফজলল করিমের জন্মসাল — ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ।
➤ শেখ ফজলল করিমের মৃত্যুসাল — ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দ।
➤ শেখ ফজলল করিমের জন্মস্থান — কাকিনা, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট।
➤ ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতার প্রধান ভাব — মানবতাবাদ ও নৈতিক জীবনদর্শন।
➤ কবির মতে স্বর্গ-নরক কোথায়? — মানুষের মধ্যেই।
➤ ‘সুরাসুর’ কীসের প্রতীক? — শুভ ও অশুভ প্রবৃত্তি।
➤ কবিতায় স্বর্গের অনুভূতি সৃষ্টি হয় কীভাবে? — প্রেম, প্রীতি ও মানবিক সম্পর্কের মাধ্যমে।
➤ ‘শিশুশিক্ষা’ কার রচনা? — মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
➤ গোবিন্দ দাস কোন ধারার কবি? — বৈষ্ণব পদাবলি।
➤ মনে রাখার সূত্র — শেখ ফজলল করিম ⇒ স্বর্গ ও নরক ⇒ মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: ক. শেখ ফজলল করিম।
10
🎯 Level 1

৮০. ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে’ কোন কবির কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে? (৬ষ্ঠ বিজেএস)

ক

কাজী নজরুল ইসলাম

খ

প্রেমেন্দ্র মিত্র

গ

জীবনানন্দ দাশ

ঘ

বুদ্ধদেব বসু

✅ সঠিক উত্তর:গ. জীবনানন্দ দাশ

ব্যাখ্যা:

উত্তর: গ
◈ সঠিক উত্তর: জীবনানন্দ দাশ।
✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা
❖ ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে’ পংক্তিটি জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
❖ কাব্যগ্রন্থ: কবিতাটি ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। গ্রন্থটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
❖ বাংলার প্রতি ভালোবাসা: কবি মৃত্যুর পরও এই বাংলায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। এটি তাঁর স্বদেশপ্রেম, প্রকৃতিপ্রীতি ও জন্মভূমির প্রতি গভীর আবেগের প্রতিফলন।
❖ ধানসিঁড়ি নদী: ধানসিঁড়ি বাংলাদেশের ঝালকাঠি অঞ্চলের একটি বাস্তব নদী। জীবনানন্দের কাব্যে এ নদী বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্মৃতির প্রতীক হয়ে উঠেছে।
❖ প্রকৃতির রূপ: কবি মানুষ হিসেবে না হলেও শঙ্খচিল, শালিখ, কাক কিংবা হাঁসের মতো প্রাণীর রূপে বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছেন।
❖ পুনরাগমনের আকাঙ্ক্ষা: কবিতায় আক্ষরিক পুনর্জন্মের ধারণার চেয়ে বাংলার প্রকৃতির সঙ্গে চিরস্থায়ী আত্মিক সম্পর্কের প্রকাশ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
❖ সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য: কবিতায় চিত্রকল্প, প্রকৃতিপ্রেম, স্বদেশচেতনা, নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও মৃত্যুচিন্তা একসঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে।
❖ কবির পরিচয়: জীবনানন্দ দাশ ‘রূপসী বাংলার কবি’, যাঁর কবিতায় বাংলার নদী, মাঠ, বন, পাখি ও ঋতুর অনন্য চিত্র পাওয়া যায়।
◉ অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ
❖ ক. কাজী নজরুল ইসলাম — ভুল। তিনি বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবমুক্তির কবি; আলোচ্য পংক্তিটি তাঁর নয়।
❖ খ. প্রেমেন্দ্র মিত্র — ভুল। তিনি আধুনিক কবি ও কথাসাহিত্যিক।
❖ গ. জীবনানন্দ দাশ — সঠিক। ‘আবার আসিব ফিরে’ তাঁর রচনা।
❖ ঘ. বুদ্ধদেব বসু — ভুল। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতা ও সাহিত্যসমালোচনার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
✦ পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন
➤ ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে’—কার রচনা? — জীবনানন্দ দাশ।
➤ কবিতার নাম — আবার আসিব ফিরে।
➤ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? — রূপসী বাংলা।
➤ ‘রূপসী বাংলা’ প্রকাশিত হয় — ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে।
➤ ‘রূপসী বাংলা’ কি কবির জীবদ্দশায় প্রকাশিত? — না, মৃত্যুর পরে।
➤ ধানসিঁড়ি নদীর অবস্থান — ঝালকাঠি, বাংলাদেশ।
➤ কবি কোন কোন প্রাণীর রূপে ফিরে আসতে চান? — শঙ্খচিল, শালিখ, কাক ও হাঁস।
➤ কবিতার মূল বিষয় — বাংলার প্রতি অমর ভালোবাসা।
➤ জীবনানন্দের পরিচিত উপাধি — রূপসী বাংলার কবি।
➤ মনে রাখার সূত্র — ধানসিঁড়ি ⇒ আবার আসিব ফিরে ⇒ রূপসী বাংলা ⇒ জীবনানন্দ।
◈ চূড়ান্ত উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ।
Advertisement
📖 আরও প্রশ্ন Practice করতে App ব্যবহার করুন