বাংলাদেশ বিষয়াবলি- দেশ পরিক্রমা (পার্ট-০২)
🎭 শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ এখন ৯টি
৮ জানুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর ফলে শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ সংখ্যা ৬টি থেকে বেড়ে ৯টি হয়েছে।
পুনর্গঠিত ৯ বিভাগ
১. সংগীত
২. চারুকলা
৩. নাট্যকলা
৪. চলচ্চিত্র
৫. নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস
৬. আলোকচিত্র
৭. কালচারাল ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা
৮. গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া
৯. প্রশাসন ও অর্থ
পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন
আগে শিল্পকলার তিনটি বিভাগের প্রতিনিধি থাকার বিধান ছিল। সংশোধিত অধ্যাদেশে—
- শিল্পকলার আটটি শাখা থেকে আটজন প্রতিনিধি রাখার বিধান করা হয়।
- নৃ-গোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধিকে বোর্ডে নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়।
সূত্র: BSS ও The Daily Star
🏛️ NICAR-এর ১১৯তম সভা
২০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি—NICAR—এর ১১৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এটি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে NICAR-এর প্রথম সভা। সভায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নতুন চারটি থানা
- পূর্বাচল উত্তর — গাজীপুর
- পূর্বাচল দক্ষিণ — নারায়ণগঞ্জ
- মাতারবাড়ী — কক্সবাজার
- রায়পুরা ভেঙে নতুন একটি থানা — নরসিংদী
নতুন থানাটির নাম পরে ঘোষণা করার কথা বলা হয়। তখন দেশে মোট থানার সংখ্যা ছিল ৬৩৯টি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ একত্র করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
দুটি বিভাগ ১৬ মার্চ ২০১৭ সালে সৃষ্টি হয়েছিল।
মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন
‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
তবে ইংরেজি নাম Ministry of Women and Children Affairs—MoWCA অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
রাজস্ব ব্যবস্থায় পরিবর্তন
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়—
- Revenue Policy Division
- Revenue Management Division
এর ফলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভাগের সংখ্যা ছয়টি হবে। অন্য চারটি বিভাগ হলো—
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
- অর্থ বিভাগ
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
১২ মে ২০২৫ রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছিল। অধ্যাদেশ কার্যকর হলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—NBR—বিলুপ্ত হওয়ার কথা বলা হয়।
সাতক্ষীরা ‘এ’ শ্রেণির জেলা
পরিবেশগত বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে ‘বি’ থেকে ‘এ’ শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়।
ঠাকুরগাঁও জেলার ‘ভুল্লী’ থানার নামের বানান সংশোধনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়। থানাটি ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ উদ্বোধন করা হয়েছিল।
⚠️ মূল উপাত্তে প্রস্তাবিত নতুন নামের অংশটি অস্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে; তাই এখানে অর্থ ঠিক রেখে শুধু বানান সংশোধনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: NICAR ও সরকারি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসংক্রান্ত প্রতিবেদন
⚖️ তিন ধরনের আদালত বিশেষ আদালত
১২ জানুয়ারি ২০২৬ বিশেষ আদালত (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আইন, ২০০৩-এর ক্ষমতাবলে সরকার তিন ধরনের আদালত ও ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ আদালত হিসেবে ঘোষণা করে।
আওতাভুক্ত আদালত
১. পারিবারিক আপিল আদালত
২. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
৩. ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল
বিচারিক মর্যাদা
- দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে এগুলো জেলা জজ আদালত হিসেবে গণ্য হবে।
- বিশেষ জেলা জজ আদালত হিসেবেও পরিচিত হবে।
- ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে দায়রা জজ আদালত হিসেবে গণ্য হবে।
- বিশেষ দায়রা জজ আদালত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
💊 অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা
৮ জানুয়ারি ২০২৬ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের হালনাগাদ তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতির অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রদত্ত উপাত্ত অনুযায়ী, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় এখন ২৯৫টি ওষুধ রয়েছে। এসব ওষুধ সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে।
পটভূমি
- ১৯৮২ সালে জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১৯৯৪ সালে নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- তখন বাজারে প্রায় ৩৫০টি ওষুধ ছিল।
- এর মধ্যে ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হতো।
- প্রায় ৩০ বছর তালিকাটি বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই চলেছে।
- ফলে তালিকার বাইরে থাকা ওষুধের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
⚠️ তথ্য-সতর্কতা: প্রকাশিত বাংলা ও ইংরেজি প্রতিবেদনে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংখ্যা নিয়ে ২৯৫ ও ১৯৫—দুই ধরনের সংখ্যা পাওয়া গেছে। তোমার মূল উপাত্ত অনুযায়ী এখানে ২৯৫টি রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত সরকারি তালিকা প্রকাশিত হলে সংখ্যাটি পুনরায় যাচাই করা উচিত।
🤝 বাংলাদেশ–উরুগুয়ে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা
১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর বাংলাদেশ ও উরুগুয়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক পরামর্শসভা অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
সভায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক পরামর্শসংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক—MoU স্বাক্ষরিত হয়।
এই সমঝোতা নিয়মিত ও কাঠামোবদ্ধ রাজনৈতিক পরামর্শকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।
আলোচনার ক্ষেত্র
- বাণিজ্য
- বিনিয়োগ
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
- প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণ
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- স্বাস্থ্য
- শিক্ষা
- জ্বালানি
- কৃষি
- ক্রীড়া
- সক্ষমতা বৃদ্ধি
সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও BSS
🏥 মুন্সীগঞ্জে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ মুন্সীগঞ্জ জেলায় নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
তখন দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ছিল ৩৭টি। নতুন প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৮টিতে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ
১১ নভেম্বর ২০২৫ ঢাকার জুরাইনে অবস্থিত ব্যারিস্টার রফিকুল হক মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়।
সূত্র: BSS ও The Daily Star
🌾 দেশের প্রথম অ্যাগ্রো-ইকোফিজিওলজি ল্যাব
১১ জানুয়ারি ২০২৬ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের প্রথম Agro-Ecophysiology Laboratory উদ্বোধন করা হয়।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন—PKSF-এর আর্থিক সহায়তায় এবং Rural Micro-Enterprise Transformation Project-এর আওতায় Wave Foundation শেকৃবির কৃষি উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে ল্যাবটি স্থাপন করে।
ল্যাবের সম্ভাব্য কার্যক্রম
- মাটি ও উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বিশ্লেষণ
- স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার
- ন্যানোপ্রযুক্তির প্রয়োগ
- ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি
- কৃষিপণ্যের পুষ্টিমান উন্নয়ন
সূত্র: BSS
🗳️ ২০২৫ সালে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
সর্বশেষ নিবন্ধিত দল হলো বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
সর্বশেষ নিবন্ধিত দলসমূহ
| নং | দলের নাম | নিবন্ধনের তারিখ | প্রতীক |
|---|---|---|---|
| ৫৪ | বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি | ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ফুলকপি |
| ৫৫ | বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি | ৯ এপ্রিল ২০২৫ | রকেট |
| ৫৬ | বাংলাদেশ লেবার পার্টি | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | আনারস |
| ৫৭ | বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি—BRP | ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | হাতি |
| ৫৮ | জাতীয় নাগরিক পার্টি—NCP | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ | শাপলা কলি |
| ৫৯ | বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল—মার্কসবাদী | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ | কাঁচি |
| ৬০ | জনতার দল | ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ | কলম |
| ৬১ | আমজনতার দল | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রজাপতি |
| ৬২ | বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি—BEP | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | দোয়াত-কলম |
| ৬৩ | বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি | ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | বই |
🔎 নোট: নিবন্ধন নম্বর ৬৩ হলেও মোট সক্রিয় নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৬০—কারণ কিছু দলের নিবন্ধন স্থগিত, বাতিল বা কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে।
সূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
⚓ নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর
২২ ডিসেম্বর ২০২৫ সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তর-এর নাম পরিবর্তন করে নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর রাখে।
ইংরেজি নাম:
Directorate of Seafarers Welfare
নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় নেওয়া হয়। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
সূত্র: সরকারি প্রজ্ঞাপন ও BSS
🌿 প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা
ECA কী?
ECA-এর পূর্ণরূপ:
Ecologically Critical Area
মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে পরিবেশ বা জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হলে তাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ECA বলা হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫—যা ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ কার্যকর হয় এবং ২০১০ সালে সংশোধিত হয়—এর আওতায় ECA ঘোষণা করা হয়।
ECA ঘোষণার উদ্দেশ্য
- প্রাকৃতিক বন ও গাছপালা রক্ষা
- জলাশয় ও হাওরের পরিবেশ সংরক্ষণ
- সৈকত ও নদীর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য রক্ষা
- মাটি, পানি ও বায়ুর গুণমান বজায় রাখা
- জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ
নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড
ECA এলাকায় মূল উপাত্ত অনুযায়ী নয় ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে—
- প্রাকৃতিক বন ও গাছপালা কাটা
- বন্যপ্রাণী শিকার বা হত্যা
- প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংস
- মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ড
- মাটি, পানি, বায়ু ও শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন
ব্যবস্থাপনা বিধিমালা
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা জারি করা হয়।
বিধিমালা লঙ্ঘনের শাস্তি—
- সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড
- অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা
- অথবা উভয় দণ্ড
ECA ঘোষণার পদ্ধতি
জাতীয় কমিটি কোনো এলাকার পরিবেশগত ঝুঁকি যাচাই করে। ঝুঁকি থাকলে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী সরকারকে সুপারিশ করা হয়। এরপর সরকার গেজেটের মাধ্যমে এলাকাটিকে ECA ঘোষণা করে।
বাংলাদেশের ১৩টি ECA
| ক্রম | ECA-এর নাম | উপজেলা/এলাকা | জেলা | ঘোষণা |
|---|---|---|---|---|
| ১ | সুন্দরবন | আশাশুনি; মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা; দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা; মঠবাড়িয়া; পাথরঘাটা | সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, বরগুনা | ১৯৯৯ |
| ২ | কক্সবাজার–টেকনাফ সমুদ্রসৈকত | কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ | কক্সবাজার | ১৯৯৯ |
| ৩ | সেন্টমার্টিন দ্বীপ | টেকনাফ | কক্সবাজার | ১৯৯৯ |
| ৪ | সোনাদিয়া দ্বীপ | মহেশখালী | কক্সবাজার | ১৯৯৯ |
| ৫ | হাকালুকি হাওর | ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা | সিলেট, মৌলভীবাজার | ১৯৯৯ |
| ৬ | টাঙ্গুয়ার হাওর | তাহিরপুর, ধর্মপাশা | সুনামগঞ্জ | ১৯৯৯ |
| ৭ | মারজাত বাওড় | কালিগঞ্জ | ঝিনাইদহ | ১৯৯৯ |
| ৮ | গুলশান–বারিধারা লেক | ঢাকা মহানগর | ঢাকা | ২০০১ |
| ৯ | বুড়িগঙ্গা নদী | — | ঢাকা | ২০০৯ |
| ১০ | তুরাগ নদী | — | ঢাকা | ২০০৯ |
| ১১ | বালু নদী | — | ঢাকা | ২০০৯ |
| ১২ | শীতলক্ষ্যা নদী | — | ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ | ২০০৯ |
| ১৩ | জাফলং–ডাউকি নদী | গোয়াইনঘাট | সিলেট | ২০১৫ |
সূত্র: পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ECA ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ও পরিবেশ অধিদপ্তরসংক্রান্ত তথ্য
📱 মুঠোফোনে NEIR সিস্টেম
১ জানুয়ারি ২০২৬ মোবাইল ফোন চোরাচালান, কর ফাঁকি ও ক্লোন হ্যান্ডসেটের বিস্তার ঠেকাতে NEIR সিস্টেম চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
NEIR কী?
NEIR-এর পূর্ণরূপ:
National Equipment Identity Register
এটি একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ, যেখানে মোবাইল ফোনের ১৫ সংখ্যার IMEI নম্বর নিবন্ধিত থাকবে।
এর মাধ্যমে জানা যাবে—
- কোন ফোন কার নামে নিবন্ধিত
- কোন সিম কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হচ্ছে
- ফোনের মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে কি না
- ফোনটি বৈধ, অবৈধ, চোরাই বা ক্লোন করা কি না
NEIR চালুর কারণ
Mobile Phone Industry Owners Association of Bangladesh—MIOB-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট হ্যান্ডসেটের প্রায় ৬০ শতাংশ অনিবন্ধিত বা গ্রে মার্কেটের।
গ্রে মার্কেটের ফোন তুলনামূলক সস্তা হলেও—
- সাধারণত ওয়ারেন্টি থাকে না
- বিক্রয়োত্তর সেবা পাওয়া যায় না
- চোরাই ফোন শনাক্ত করা কঠিন হয়
- অপরাধে ব্যবহৃত ফোনের তথ্য অনুসন্ধানে সমস্যা হয়
- কর ফাঁকি ও অবৈধ আমদানি বাড়ে
NEIR ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ১ জুলাই ২০২১ শুরু হয়েছিল।
NEIR কীভাবে কাজ করবে?
সিম দিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সময় সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্যান্ডসেটের ১৫ সংখ্যার IMEI যাচাই করবে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী—
- ১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে সচল থাকা ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।
- মার্চ ২০২৬-এর পর অনিবন্ধিত, চোরাই বা অনুমোদনহীন ফোন ব্লক হতে পারে।
- IMEI ক্লোনিং শনাক্ত করা সহজ হবে।
- গ্রাহক অনলাইনে নিজের ফোনের বৈধতা যাচাই করতে পারবেন।
যাচাইয়ের উপায়
- SMS লিখুন:
KYD <১৫ সংখ্যার IMEI> - পাঠিয়ে দিন: ১৬০০২ নম্বরে
- অথবা ডায়াল করুন:
*16001#
🔗 অফিসিয়াল পোর্টাল: neir.btrc.gov.bd
⚠️ তথ্য-সতর্কতা: NEIR চালু ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভিন্নতা দেখা গেছে। তাই পরীক্ষার উত্তরে “চালুর ঘোষণা/প্রাথমিক প্রয়োগ” শব্দ ব্যবহার করা নিরাপদ।
সূত্র: BTRC, NEIR পোর্টাল ও MIOB-সংক্রান্ত প্রতিবেদন
🔢 IMEI কী?
IMEI = International Mobile Equipment Identity
সাধারণত এটি একটি ১৫ সংখ্যার ইউনিক নম্বর, যার মাধ্যমে মোবাইল ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।
✅ ১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে সচল ফোন
BTRC-এর পরবর্তী সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—
➤ ১ জানুয়ারি ২০২৬-এ নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।
🔄 SIM পরিবর্তন/ফোন বিক্রির আগে
নিজের নামে নিবন্ধিত ফোন অন্যকে দেওয়ার, বিক্রি করার অথবা কিছু ক্ষেত্রে SIM পরিবর্তনের আগে de-registration করতে হবে।
🌐 গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নির্দেশনা
BTRC জানিয়েছে NEIR সেবা নিতে শুধুমাত্র তাদের নির্ধারিত অফিশিয়াল NEIR পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে এবং অননুমোদিত লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না। NEIR-সংশ্লিষ্ট সেবা বিনামূল্যে।
🧪 Related Data
◈ বাংলাদেশে NEIR-এর pilot কার্যক্রম ১ জুলাই ২০২১ থেকে শুরু হয়েছিল বলে মূল সংকলনে উল্লেখ রয়েছে।
⚠️ মূল ফাইলে ‘মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিবন্ধিত ফোন নিবন্ধনের সুযোগ’ এবং পরে ব্লক করার একটি সময়সীমা উল্লেখ আছে। তবে BTRC-এর পরবর্তী সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে কার্যকর নীতির ভাষা পরিবর্তিত/পরিষ্কার হয়েছে। তাই পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ তথ্য হলো—NEIR পূর্ণাঙ্গ চালু ১ জানুয়ারি ২০২৬; আগে সচল ফোন auto-registered।
🎯 পরীক্ষায় মনে রাখুন
🔹 NEIR → National Equipment Identity Register
🔹 পূর্ণাঙ্গ চালু → ১ জানুয়ারি ২০২৬
🔹 IMEI → International Mobile Equipment Identity
🔹 IMEI → সাধারণত ১৫ digit
🔹 আগে সচল ফোন → Auto-registered
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🧠 Final Mega Revision — জানুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔸 শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ → ৯টি
🔸 NICAR ১১৯তম সভা → ২০ জানুয়ারি ২০২৬
🔸 NICAR অনুমোদিত প্রস্তাব → ১১টি
🔸 নতুন থানা → ৪টি
🔸 সাতক্ষীরা → A Category District
🔸 Essential Medicines → ২৯৫
🔸 Bangladesh–Uruguay first consultations → ৭ জানুয়ারি ২০২৬
🔸 Bangladesh–Uruguay diplomatic relations → ১৯৭২
🔸 First Agro-Ecophysiology Lab → SAU, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
🔸 Political party registration serial 63 → বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি
🔸 প্রতীক → বই
🔸 Seafarers Welfare Directorate → নাম পরিবর্তন ডিসেম্বর ২০২৫
🔸 ECA → ১৩টি
🔸 ECA law → Environment Conservation Act, 1995
🔸 NEIR → ১ জানুয়ারি ২০২৬
🔸 NEIR → National Equipment Identity Register
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📚 উৎস
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
১. ব্যবহারকারীর দেওয়া জানুয়ারি ২০২৬ — আলোচিত বাংলাদেশ মূল সংকলন — উপরের সব মূল তথ্যের ভিত্তি।
২. Bangladesh Election Commission — রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন তালিকা; নেজামে ইসলাম পার্টি নং ৬৩, প্রতীক ‘বই’।
৩. Cabinet/Chief Adviser Press Wing ও The Daily Star — NICAR ১১৯তম সভা, ২০ জানুয়ারি ২০২৬; ৪ নতুন থানা; সাতক্ষীরা A ক্যাটাগরি; স্বাস্থ্য ও রাজস্ব কাঠামো পুনর্গঠন।
৪. BSS ও The Daily Star — National Essential Medicines List 295, ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
৫. Ministry of Foreign Affairs, Bangladesh — Bangladesh–Uruguay first-ever Bilateral Political Consultations, ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
৬. PKSF/RMTP — দেশের প্রথম Agro-Ecophysiology Laboratory, SAU, উদ্বোধন ১১ জানুয়ারি ২০২৬।
৭. BTRC — NEIR পূর্ণাঙ্গ চালু ১ জানুয়ারি ২০২৬; নেটওয়ার্কে আগে সচল ফোন auto-registration; official NEIR service নির্দেশনা।
৮. Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS) — MUN Alert ও টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
৯. Guinness World Records/BSS/ISPR — Most Flags Flown Simultaneously While Skydiving, Team Bangladesh।
১০. আইন ও বিচার বিভাগ — e-Family Court।
১১. BSS/PID — BUET-designed e-rickshaw pilot।
১২. Export Promotion Bureau (EPB) — Paper and Packaging Products: Product of the Year 2026।