লেকচার-০৩ঃ বাংলাদেশ বিষয়াবলি- আলোচিত বাংলাদেশ
🏦 বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর
♦ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. মোস্তাকুর রহমান, FCMA।
✦ শিক্ষা ও পেশাগত যোগ্যতা
❖ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
❖ পরবর্তীতে Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh (ICMAB) থেকে Cost and Management Accounting বিষয়ে পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেন।
❖ তিনি একজন Fellow Cost and Management Accountant (FCMA)।
✦ অতিরিক্ত তথ্য
❖ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর তিন দশকেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।
❖ তিনি BGMEA-এর Standing Committee on Bangladesh Bank-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
❖ এছাড়া Chittagong Stock Exchange, BGMEA, REHAB, ATAB ও DCCI-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন।
🧠 পরীক্ষায় মনে রাখুন
◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর — মো. মোস্তাকুর রহমান
◈ দায়িত্ব গ্রহণ — ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
◈ পূর্ববর্তী গভর্নর — ড. আহসান এইচ মনসুর
◈ ড. আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদ — ১৪ আগস্ট ২০২৪–২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
🏆 পদক ও পুরস্কার
📚 গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬
♦ ১৫ মার্চ ২০২৬ অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি পরিচালিত পাঁচটি স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
🥇 চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬
♦ ২০২৫ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য—
➤ কথাপ্রকাশ
পুরস্কার লাভ করে।
🥇 মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬
♦ ২০২৫ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে গুণমান ও শৈল্পিক বিচারে সেরা গ্রন্থ প্রকাশের জন্য তিনটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পুরস্কৃত হয়—
| প্রকাশনা | গ্রন্থ | লেখক |
|---|---|---|
| ঐতিহ্য | কালি-কলম আর কাগজের অড রিসার্চ: ফাউন্টেন পেন | আমিন বাবু |
| প্রথমা প্রকাশন | শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা | মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক |
| The University Press Limited | BARISAL AND BEYOND: Essays on Bangla Literature | Clinton B. Seely |
🧒 রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার
♦ ২০২৫ সালে গুণমান বিচারে সর্বাধিক সংখ্যক শিশুতোষ গ্রন্থ প্রকাশের জন্য—
➤ পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেড
পুরস্কার লাভ করে।
📖 সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার
♦ ২০২৪ বা ২০২৫ সালে প্রথমবার বইমেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গুণগতমান বিচারে সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য—
➤ সহজ প্রকাশ
পুরস্কৃত হয়।
🎨 শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার
নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান—
🥇 ক্রিয়েটিভ ঢাকা পাবলিকেশন্স — স্টল ৫০৩–৫০৪
🥈 মাত্রা প্রকাশ — স্টল ৮৭৩–৮৭৪
🥉 বেঙ্গল বুকস — স্টল ৬১৭–৬২১
🏅 স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬
🇧🇩 বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা
♦ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হলো স্বাধীনতা পুরস্কার।
❖ স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সালে পুরস্কারটি প্রবর্তন করা হয়।
✦ বর্তমান পুরস্কারসামগ্রী
➤ ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণপদক
➤ পদকের রেপ্লিকা
➤ ৫ লাখ টাকা
➤ সম্মাননাপত্র
✦ অর্থমূল্যের বিবর্তন
➤ প্রাথমিকভাবে — ২০ হাজার টাকা
➤ ২০১৩ — ২ লাখ টাকা
➤ ২০১৭ — ৩ লাখ টাকা
➤ ২০১৯ — ৫ লাখ টাকা
🏆 স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ — বিজয়ী
| ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান | ক্ষেত্র |
|---|---|
| বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) | স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারীশিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান |
| ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ | মুক্তিযুদ্ধ |
| মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর) | মুক্তিযুদ্ধ |
| অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি |
| ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল | চিকিৎসাবিদ্যা |
| ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) | সাহিত্য |
| এ. কে. এম. হানিফ (হানিফ সংকেত) | সংস্কৃতি |
| বশির আহমেদ (মরণোত্তর) | সংস্কৃতি |
| জোবেরা রহমান (লিনু) | ক্রীড়া |
| পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF) | পল্লী উন্নয়ন |
| ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) | সমাজসেবা/জনসেবা |
| SOS Children’s Villages International in Bangladesh | সমাজসেবা/জনসেবা |
| মো. সাইদুল হক | সমাজসেবা/জনসেবা |
| গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র | সমাজসেবা/জনসেবা |
| মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) | সমাজসেবা/জনসেবা |
| কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) | জনপ্রশাসন |
| ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ |
| অধ্যাপক ড. এম. এ. রহিম | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ |
| অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া | গবেষণা ও প্রশিক্ষণ |
| আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) | পরিবেশ সংরক্ষণ |
📌 তথ্য-যাচাই: সরকারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৬ সালের তালিকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নামটি “অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম” হিসেবে রয়েছে। তাই মূল ফাইলের “জহিরুল করিম”-এর পরিবর্তে সরকারি বানানটি ব্যবহার করা হয়েছে।
🔁 দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ
♦ ৫ মার্চ ২০২৬ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে সরকার।
❖ তালিকায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) ছিলেন।
❖ তিনি এর আগেও ১৯৭৭ সালে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন।
⚖️ নতুন নিয়ম
♦ ৮ মার্চ ২০২৬ স্বাধীনতা পুরস্কারসংক্রান্ত নির্দেশনা সংশোধন করা হয়।
➤ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ার পর—
অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখলে কমপক্ষে ২৫ বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারবেন।
🧠 Quick Fact
◈ পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ন্যূনতম ব্যবধান — ২৫ বছর
🌾 দেশ পরিক্রমা
🌾 BINA-এর নতুন ধানের জাত
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট—
➤ BINA = Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture
উচ্চফলনশীল, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী এবং উচ্চ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ আমন ধানের দুটি নতুন জাত উদ্ভাবন করে—
🌾 বিনা ধান-২৭
🌾 বিনা ধান-২৮
♦ জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় জাত দুটি সারা দেশে চাষের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
⇒ এর ফলে BINA উদ্ভাবিত ধানের মোট জাতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮টি।
🌱 বিনা ধান-২৭
◈ দেশের প্রথম ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল আমন ধান।
🌾 বিনা ধান-২৮
◈ দেশের সর্বোচ্চ উচ্চফলনশীল সুগন্ধি আমন ধান।
🧠 মনে রাখুন
| বিষয় | উত্তর |
|---|---|
| BINA-এর নতুন ধান | বিনা ধান-২৭ ও ২৮ |
| মোট উদ্ভাবিত ধানের জাত | ২৮ |
| ব্লাস্ট প্রতিরোধী | বিনা ধান-২৭ |
| উচ্চফলনশীল সুগন্ধি | বিনা ধান-২৮ |
| অনুমোদনকারী | জাতীয় বীজ বোর্ড |
🌐 UNGA-এর সভাপতি পদে বাংলাদেশ
🇺🇳 United Nations General Assembly
♦ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদটি প্রতিবছর আঞ্চলিক ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে আবর্তিত হয়।
❖ UNGA-এর ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচন নির্ধারিত ছিল—
➤ ২ জুন ২০২৬
❖ ২০২৬–২৭ মেয়াদে এ পদটি Asia-Pacific Group-এর জন্য নির্ধারিত ছিল।
🇧🇩 বাংলাদেশের প্রার্থী
➤ ড. খলিলুর রহমান
🇨🇾 সাইপ্রাসের প্রার্থী
➤ Andreas S. Kakouris
❖ বাংলাদেশ প্রায় চার বছর আগেই প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছিল।
🔄 Related Update — ফলাফল
♦ পরবর্তীতে ২ জুন ২০২৬ জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গোপন ব্যালটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
🏆 বিজয়ী — বাংলাদেশের ড. খলিলুর রহমান
➤ খলিলুর রহমান — ৯৯ ভোট
➤ Andreas S. Kakouris — ৯১ ভোট
❖ মোট ভোট পড়ে ১৯০টি।
❖ কোনো ভোট বাতিল হয়নি এবং কেউ ভোটদানে বিরত থাকেনি।
❖ ৮১তম UNGA অধিবেশন শুরু হয় ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
✦ ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য—
“Restoring Trust, Managing Transformation: A United Nations That Delivers for All”
📜 বাংলাদেশের পূর্ব ইতিহাস
❖ বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে UNGA-এর ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
🧠 পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
◈ UNGA 81st President — ড. খলিলুর রহমান
◈ দেশ — বাংলাদেশ
◈ নির্বাচন — ২ জুন ২০২৬
◈ ভোট — ৯৯
◈ প্রতিদ্বন্দ্বী — Andreas S. Kakouris, Cyprus
🛍️ বিশ্বের বৃহত্তম কারুশিল্প বিপণনকেন্দ্র
🏆 Aarong Dhanmondi Flagship Outlet
♦ আড়ংয়ের ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট Guinness World Records-এর স্বীকৃতি লাভ করে—
➤ “Largest craft and artisanal retail store”
✦ আয়তন — ২,৬৩৬ বর্গমিটার
✦ অবস্থান — ধানমন্ডি, ঢাকা
✦ Guinness রেকর্ড অর্জনের তারিখ — ৩০ অক্টোবর ২০২৫
❖ আউটলেটটি জনসাধারণের জন্য প্রথম চালু হয় ৭ মার্চ ২০২৫।
❖ Guinness-এর তথ্য অনুযায়ী সেখানে ৩৪৩ জন কর্মী কাজ করেন।
❖ ১০ মার্চ ২০২৬ আড়ং আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিষয়টি জানায়।
🧠 Quick Fact
◈ বিশ্বের বৃহত্তম craft and artisanal retail store — BRAC-Aarong
◈ আয়তন — ২,৬৩৬ বর্গমিটার
◈ স্থান — ধানমন্ডি, ঢাকা
🏦 PRB-তে যুক্ত সিটি ব্যাংক
♦ ৪ মার্চ ২০২৬ সিটি ব্যাংক PLC জানায়, ব্যাংকটি জাতিসংঘের—
➤ Principles for Responsible Banking (PRB)
-এ স্বাক্ষর করেছে।
❖ এর মাধ্যমে ব্যাংকটি United Nations Environment Programme Finance Initiative (UNEP FI)-এর সঙ্গে যুক্ত হয়।
🌱 UNEP FI
◈ প্রতিষ্ঠিত — ১৯৯২
◈ কাজ — ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জাতিসংঘকে যুক্ত করে টেকসই অর্থায়ন বা Sustainable Finance এগিয়ে নেওয়া।
🪪 NID-তে ‘ডাক নাম’
♦ ৮ মার্চ ২০২৬ নির্বাচন কমিশন জানায়, NID-সংক্রান্ত নামের জটিলতা কমাতে ব্যক্তির ডাক নাম সংগ্রহের সুযোগ রাখা হবে।
📌 গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
❖ ডাক নাম সংগ্রহ করা হলেও—
➤ NID কার্ডে ডাক নাম ছাপা হবে না।
❖ এটি নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
❖ নিজের বা মা-বাবা/স্বামী-স্ত্রীর বিকল্প বা ডাক নাম যাচাইয়ের প্রয়োজনে তথ্যটি ব্যবহার করা যাবে।
💧 উপকূলে সুপেয় পানির ভান্ডার
♦ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গভীরে বিশাল সুপেয় পানির ভান্ডারের অস্তিত্ব শনাক্ত করার তথ্য গবেষণায় উঠে আসে।
❖ গবেষণাটি পরিচালনা করে—
➤ Columbia University
➤ বাংলাদেশের গবেষকদের যৌথ দল
❖ গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৪০ কেজি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি আনা হয়।
❖ সুন্দরবন এলাকায় গবেষণা পরিচালিত হয়।
✦ বৈজ্ঞানিক ভিত্তি
লবণাক্ত পানি সুপেয় পানির তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী (electrically conductive)। এই বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ স্তরের পানি শনাক্ত করা যায়।
🏛️ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের দায়িত্ব
👔 মন্ত্রী
| নাম | দায়িত্ব |
|---|---|
| আহমেদ আযম খান | মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় |
| মো. আমিন উর রশিদ | মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয় |
🏛️ প্রতিমন্ত্রী
| নাম | দায়িত্ব |
|---|---|
| মো. শরীফুল আলম | বস্ত্র ও পাট |
| সুলতান সালাউদ্দিন টুকু | মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ |
| হাবিবুর রশিদ | রেলপথ; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ |
| মো. রাজিব আহসান | নৌপরিবহন; সেতু বিভাগ |
| মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি | পরিকল্পনা |
| ফারজানা শারমীন | সমাজকল্যাণ |
| মো. নূরুল হক | প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান |
| ববি হাজ্জাজ | প্রাথমিক ও গণশিক্ষা |
| মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন | ভূমি; পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক |
| মো. আব্দুল বারী | জনপ্রশাসন; খাদ্য |
🎯 উপদেষ্টা
| নাম | দায়িত্ব |
|---|---|
| নজরুল ইসলাম খান | রাজনৈতিক উপদেষ্টা; কৃষি |
| রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ | রাজনৈতিক উপদেষ্টা; শিল্প |
| ডা. জাহেদ উর রহমান | পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি; তথ্য ও সম্প্রচার; সংস্কৃতি |
🏛️ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা
♦ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন।
➤ প্রথম অধিবেশন শুরু — ১২ মার্চ ২০২৬
❖ অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
❖ দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পদত্যাগ করেছিলেন।
❖ ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কারাগারে থাকায় দায়িত্ব পালনের অবস্থায় ছিলেন না।
❖ সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লা-১ আসনের সংসদ সদস্য—
➤ খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে
সাময়িকভাবে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার আহ্বান জানান।
📜 ঐতিহাসিক মিল
❖ ১০ এপ্রিল ১৯৭৩ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও একই ধরনের পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান—
➤ মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের
নাম প্রস্তাব করেন।
❖ তাঁর সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
🏛️ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
♦ ১২ মার্চ ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের—
🔹 স্পিকার
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম
সংসদীয় আসন — ভোলা-৩
🔹 ডেপুটি স্পিকার
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
সংসদীয় আসন — নেত্রকোনা-১
❖ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ ভবনে তাঁদের শপথ পাঠ করান।
👥 সভাপতিমণ্ডলী বা Panel Speakers
♦ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন দেওয়া হয়।
| সদস্য | আসন |
|---|---|
| মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ | ঢাকা-৮ |
| গয়েশ্বর চন্দ্র রায় | ঢাকা-২ |
| ড. আব্দুল মঈন খান | নরসিংদী-১ |
| মোহাম্মদ মনিরুল হক চৌধুরী | কুমিল্লা-৬ |
| এটিএম আজহারুল ইসলাম | রংপুর-২ |
❖ কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তাঁরা নামের ক্রমানুসারে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।
⏳ সংসদ অচল থাকার ইতিবৃত্ত
বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংকটের কারণে বিভিন্ন সময়ে সংসদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
📌 গুরুত্বপূর্ণ Timeline
➤ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ — রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংসদীয় ব্যবস্থা স্থবির।
➤ ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ — দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
➤ ২৪ মার্চ ১৯৮২ — হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসন শুরু।
➤ ৭ মে ১৯৮৬ — নির্বাচন; সংসদীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু।
➤ ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ — গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতন।
➤ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ — জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
➤ ১৯৯১ — সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
➤ ১১ জানুয়ারি ২০০৭ — জরুরি অবস্থা; সংসদীয় কার্যক্রমে দীর্ঘ বিরতি।
➤ ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ — নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
➤ ৬ আগস্ট ২০২৪ — দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত।
➤ ১২ মার্চ ২০২৬ — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
⏱️ সর্বশেষ বিরতি
❖ দ্বাদশ সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার ৫৮৩ দিন পর ত্রয়োদশ সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়।
⇒ প্রায় ১ বছর ৭ মাস ৬ দিন।
📜 সংসদে ১৩৩ অধ্যাদেশ উত্থাপন
♦ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ ১২ মার্চ ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
⚖️ সাংবিধানিক ভিত্তি
➤ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ
❖ সংসদ না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারি করা অধ্যাদেশ পরবর্তী সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপন করতে হয়।
❖ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী—
➤ মো. আসাদুজ্জামান
১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করেন।
🧠 গুরুত্বপূর্ণ
◈ প্রথম অধ্যাদেশ —
Bangladesh Bank (Amendment) Ordinance, 2024
➤ জারি — ১৩ আগস্ট ২০২৪
◈ সর্বশেষ অধ্যাদেশ —
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬
➤ জারি — ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
❖ অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনার জন্য ১৪ সদস্যের বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়।
➤ সভাপতি — জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩)
🕌 সংসদে কালেমা তাইয়্যিবা
♦ ১১ মার্চ ২০২৬ জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে স্পিকারের চেয়ারের পেছনের উঁচু দেয়ালে—
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)”
লেখা আরবি ক্যালিগ্রাফি স্থাপন করা হয়।
❖ এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে স্থাপন করা হয় বলে ফাইলের তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
🏛️ সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠক
♦ ২৮ মার্চ ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
📍 স্থান — জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্যাবিনেট কক্ষ (লেভেল-২)
সভাপতি
➤ চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম
❖ কমিটির ১১ সদস্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
✦ আলোচ্য বিষয়—
➤ সংসদ সদস্যদের আবাসন
➤ চিকিৎসা সুবিধা
➤ প্রথম দিনের অধিবেশনের শব্দ-বিভ্রাট
❖ শব্দ-বিভ্রাটের কারণ অনুসন্ধানে Sergeant-at-Arms-এর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়।
➤ রিপোর্ট দেওয়ার সময়সীমা — ৩ এপ্রিল ২০২৬
👑 ত্রয়োদশ সংসদ — গুরুত্বপূর্ণ পদ
| পদ | ব্যক্তি |
|---|---|
| সংসদ নেতা | তারেক রহমান |
| বিরোধীদলীয় নেতা | মো. শফিকুর রহমান |
| বিরোধীদলীয় উপনেতা | আবদুল্লাহ মো. তাহের |
| চিফ হুইপ | মো. নূরুল ইসলাম |
| বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ | মো. নাহিদ ইসলাম |
👥 সরকারি দলের হুইপ
♦ ২ মার্চ ২০২৬ রাষ্ট্রপতি ৬ জন হুইপ নিয়োগ দেন—
➤ মো. জি কে গউছ — হবিগঞ্জ-৩
➤ রকিবুল ইসলাম বকুল — খুলনা-৩
➤ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু — শরীয়তপুর-৩
➤ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু — নাটোর-২
➤ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া — দিনাজপুর-৪
➤ এ. বি. এম. আশরাফ উদ্দিন নিজান — লক্ষ্মীপুর-৪
⚖️ আইনি ভিত্তি
➤ The Bangladesh (Whips) Order, 1972
❖ চিফ হুইপ পান পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা।
❖ অন্যান্য হুইপ পান প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা।
🏛️ গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটি
| কমিটি | সভাপতি | আসন |
|---|---|---|
| কার্য উপদেষ্টা কমিটি | স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ | ভোলা-৩ |
| বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব-সম্পর্কিত কমিটি | মো. শাহজাহান | নোয়াখালী-৪ |
| বিশেষ অধিকার-সম্পর্কিত কমিটি | স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ | ভোলা-৩ |
| সংসদ কমিটি | চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম | — |
🛡️ আর্থ-সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি
♦ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ৯টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—
◉ Family Card
◉ কৃষক কার্ড
◉ E-Health Card
◉ খাল খনন
◉ ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মগুরুর সম্মানী
◉ কৃষিঋণ মওকুফ
❖ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সরকার গঠনের পর পর্যায়ক্রমে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়।
👨👩👧👦 Family Card
➤ “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক”
♦ ১০ মার্চ ২০২৬ ঢাকার কড়াইল বস্তিসংলগ্ন বনানীর T&T মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Family Card কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
❖ এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ Family Card-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়।
💳 Family Card কী?
Family Card হলো ডেটাবেসভিত্তিক ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা পরিচয়পত্র, যার মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে নিয়মিত আর্থিক ও অন্যান্য সামাজিক সুবিধা দেওয়া হবে।
👩 বিশেষ বৈশিষ্ট্য
কার্ডটি পরিবারের নারীপ্রধান/গৃহকর্ত্রীর নামে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
💰 Family Card-এর আর্থিক সুবিধা
➤ মাসে সর্বোচ্চ ২,৫০০ টাকা
❖ অর্থ ব্যাংক হিসাব বা Mobile Financial Services-এর মাধ্যমে সরাসরি দেওয়া হবে।
❖ খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রেও—
➤ চাল
➤ ডাল
➤ ভোজ্যতেল
➤ লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য
সুলভ মূল্যে বা নির্ধারিত ব্যবস্থায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
📊 প্রথম ধাপের Verified Data
♦ উদ্বোধনের দিন ১৭ জন নারীর হাতে সরাসরি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।
♦ একই সঙ্গে ডিজিটালভাবে—
➤ ৩৭,৫৬৭ নারীর হিসাবে অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়।
❖ সরকারি Social Security Policy Support Programme-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে জুনের মধ্যে ৩৭,৫৬৭ নারীপ্রধান পরিবারকে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়।
🎯 দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
❖ Family Card-কে একক সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের লক্ষ্য রয়েছে।
❖ SSPS-এর programme brief অনুযায়ী—
➤ সম্ভাব্য জাতীয় কভারেজ — ২ কোটি পরিবার পর্যন্ত
➤ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য — Universal Social ID
➤ ২০৩০ সালের মধ্যে বৃহত্তর ডিজিটাল সামাজিক পরিচয়ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে।
👨👩👧 কারা অগ্রাধিকার পাবেন?
◈ ভূমিহীন পরিবার
◈ হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্য
◈ গৃহহীন পরিবার
◈ প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে এমন পরিবার
◈ বেদে/যাযাবর জনগোষ্ঠী
◈ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার
◈ ০.৫ একর বা তার কম জমির মালিক স্বল্পভূমির পরিবার
📍 Family Card পাইলট এলাকা
পাইলট কার্যক্রমের আওতায় নির্বাচিত এলাকার মধ্যে রয়েছে—
➤ বনানী — কড়াইল, সাততলা, ভাসানটেক
➤ খালিশপুর — খুলনা
➤ চরফ্যাশন — ভোলা
➤ মিরপুর সার্কেল/শাহ আলী
➤ দিরাই — সুনামগঞ্জ
➤ পাংশা — রাজবাড়ী
➤ ভৈরব — কিশোরগঞ্জ
➤ পতেঙ্গা — চট্টগ্রাম
➤ বগুড়া সদর
➤ বাঞ্ছারামপুর — ব্রাহ্মণবাড়িয়া
➤ লালপুর — নাটোর
➤ লামা — বান্দরবান
➤ ঠাকুরগাঁও সদর
➤ নবাবগঞ্জ — দিনাজপুর
💡 Family Card কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশে আগে থেকেই—
➤ বয়স্ক ভাতা
➤ VGD
➤ VGF
➤ প্রতিবন্ধী ভাতা
➤ মাতৃত্বকালীন সহায়তা
ইত্যাদি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি রয়েছে।
❖ Family Card-এর মূল ধারণা হলো এসব বিচ্ছিন্ন সুবিধাকে পরিবারকেন্দ্রিক একক ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত করা।
এর সম্ভাব্য সুবিধা—
✦ একই পরিবারের অনাকাঙ্ক্ষিত দ্বৈত সুবিধা কমানো
✦ প্রকৃত দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করা
✦ প্রশাসনিক ব্যয় কমানো
✦ Targeted Social Protection বাড়ানো
✦ নিয়মিত ও পূর্বানুমেয় সহায়তা নিশ্চিত করা
📚 Poverty Graduation
Family Card শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা নয়; পরিবারকে ধীরে ধীরে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার ধারণাটি Poverty Graduation Approach-এর সঙ্গেও সম্পর্কিত।
🌾 কৃষকের সেবায় ‘কৃষক কার্ড’
♦ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কৃষক কার্ড চালুর লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়।
♦ ১৪ এপ্রিল ২০২৬, পহেলা বৈশাখে পরীক্ষামূলকভাবে কর্মসূচি উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
🌱 উদ্দেশ্য
কৃষক কার্ড শুধু পরিচয়পত্র নয়; কৃষকের সরকারি সেবা, সহায়তা ও প্রণোদনা পাওয়ার একটি সমন্বিত মাধ্যম।
✦ সম্ভাব্য সুবিধা
➤ ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ
➤ সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা
➤ সাশ্রয়ী কৃষিযন্ত্র
➤ সেচ সুবিধা
➤ সহজ শর্তে কৃষিঋণ
➤ কৃষি বীমা
➤ ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি
➤ কৃষি প্রশিক্ষণ
➤ আবহাওয়া তথ্য
➤ বাজারদর
➤ রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ
🐟 শুধু ফসলের কৃষক নয়
এর আওতায় আসবেন—
◈ শস্যচাষি
◈ মৎস্যচাষি
◈ প্রাণিসম্পদ খামারি
◈ দুগ্ধ খামারি
💰 সহায়তা
ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের গড়ে—
➤ ২,৫০০ টাকা
ভর্তুকি/কৃষি উপকরণ সহায়তার পরিকল্পনা করা হয়।
📌 তথ্য-যাচাই: মার্চের শেষ দিকে BSS-এর সর্বশেষ ঘোষণায় পাইলট কর্মসূচি ১১ উপজেলায় চালুর কথা বলা হয়। ফলে মূল নোটে থাকা “৮ বিভাগের ৯ উপজেলার ৯ ব্লক” তথ্যটি পরিকল্পনার আগের পর্যায়ের হতে পারে।
🕌 ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মগুরুর সম্মানী
♦ ১৪ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
🕌 মসজিদ
| দায়িত্ব | মাসিক সম্মানী |
|---|---|
| ইমাম | ৫,০০০ টাকা |
| মুয়াজ্জিন | ৩,০০০ টাকা |
| খাদেম | ২,০০০ টাকা |
| মোট | ১০,০০০ টাকা |
🛕 মন্দির
➤ পুরোহিত — ৫,০০০ টাকা
➤ সেবাইত — ৩,০০০ টাকা
☸️ বৌদ্ধবিহার
➤ বিহার অধ্যক্ষ — ৫,০০০ টাকা
➤ উপাধ্যক্ষ — ৩,০০০ টাকা
⛪ গির্জা
➤ পালক/যাজক — ৫,০০০ টাকা
➤ সহকারী পালক/যাজক — ৩,০০০ টাকা
🏛️ পাইলট প্রকল্প
মূল পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত—
➤ মসজিদ — ৪,৮০৯টি
➤ মন্দির — ৯৯০টি
➤ বৌদ্ধবিহার — ১৪৪টি
➤ গির্জা — ৩৯৬টি
📌 বিভিন্ন প্রতিবেদনে মসজিদের সংখ্যায় সামান্য অমিল দেখা যায়; পরীক্ষার নোটে সরকারি প্রকল্পের ৪,৮০৯ সংখ্যাটি অনুসরণ করাই নিরাপদ।
🩺 E-Health Card
🏥 ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’
♦ মানসম্মত ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় E-Health Card চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
♦ ৪ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান E-Health Card চালুর নির্দেশ দেন।
✦ পরিকল্পিত সুবিধা
◈ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা
◈ চিকিৎসা ব্যয়ে সহায়তা
◈ Preventive Healthcare
◈ Digital Health Record
◈ Electronic Referral
◈ Ambulance Pool
◈ PPP-ভিত্তিক সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাসেবা
◈ স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ
◈ মেডিকেল বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা
◈ ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা
👩⚕️ বড় পরিকল্পনা
➤ মাঠপর্যায়ে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা।
❖ প্রথমে একটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করা হয়।
🚑 Smart Ambulance Pool
অ্যাপের মাধ্যমে—
➤ অ্যাম্বুলেন্সের অবস্থান
➤ চলাচল
➤ প্রাপ্যতা
দেখার ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
🌎 আন্তর্জাতিক তুলনা
🇮🇳 ভারত — Ayushman Bharat, চালু ২০১৮
🇬🇧 যুক্তরাজ্য — National Health Service (NHS)
🇹🇭 থাইল্যান্ড — Universal Coverage Scheme
💧 দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি
♦ ১৬ মার্চ ২০২৬ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় খাল খননের মাধ্যমে দেশব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
❖ এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন/পুনঃখননের জন্য বিশেষ সেল গঠন করা হয়।
🎯 মহাপরিকল্পনা
➤ পাঁচ বছরে প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার
নদী, খাল, জলাধার ইত্যাদি খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
❖ প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জেলায় কার্যক্রম বাস্তবায়নের ঘোষণা আসে।
🎯 লক্ষ্য
➤ সেচ সুবিধা বৃদ্ধি
➤ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি
➤ উপরিভাগের পানির ব্যবহার বাড়ানো
➤ ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো
➤ জলাবদ্ধতা হ্রাস
➤ খরা ও বন্যা মোকাবিলা
➤ গ্রামীণ কর্মসংস্থান
📌 কিছু প্রাথমিক প্রতিবেদনে চার বছরের কথা থাকলেও BSS-এর সরকারি তথ্য এবং পরবর্তী সংসদীয় বক্তব্যে পাঁচ বছরে ২০,০০০ কিমি নিশ্চিত করা হয়েছে।
📜 খাল খনন কর্মসূচির ঐতিহাসিক পটভূমি
♦ ১ নভেম্বর ১৯৭৬ জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক থাকাকালে যশোরের শার্শার উলাশী এলাকায় বেতনা নদী পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
♦ ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭৬ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র পুনঃখনন উদ্বোধন করেন।
♦ ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
♦ পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন থানায় উলাশী ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।
♦ ১৯৭৯ সালের শেষ দিকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হয়।
🌾 প্রভাব
মূল নোটের তথ্য অনুযায়ী ১৯৭৯–১৯৮১ সময়কালে—
➤ ১,৫০০-এর বেশি খাল
➤ প্রায় ২৬,০০০ কিমি
খনন/পুনঃখনন করা হয় বলে উল্লেখ রয়েছে।
এর ফলে—
◈ সেচ সুবিধা বৃদ্ধি
◈ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি
◈ মাছ উৎপাদন
◈ গ্রামীণ কর্মসংস্থান
◈ উপরিভাগের পানির ব্যবহার
বাড়াতে সহায়তা করে।
❖ ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ও খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়।
🚜 কৃষিঋণ মওকুফ — ঘোষণা থেকে বাস্তবায়ন
📅 ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
♦ রাজশাহীতে তারেক রহমান—
➤ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষণা দেন।
📅 ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
♦ বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষিঋণ মওকুফের অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত হয়।
📅 ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
♦ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
📅 ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
♦ মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে—
➤ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
👨🌾 সুবিধাভোগী
প্রায় ১২ লাখ কৃষক।
অন্তর্ভুক্ত খাত—
➤ শস্য
➤ অন্যান্য ফসল
➤ মৎস্য
➤ পশুপালন
📜 ঐতিহাসিক তথ্য
❖ ১৯৯১–১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকার ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছিল।
🧠 মার্চ ২০২৬ — Super Quick Revision
| প্রশ্নযোগ্য বিষয় | উত্তর |
|---|---|
| বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর | মো. মোস্তাকুর রহমান |
| দায়িত্ব গ্রহণ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার প্রদান | ১৫ মার্চ ২০২৬ |
| সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার | স্বাধীনতা পুরস্কার |
| স্বাধীনতা পুরস্কার প্রবর্তন | ১৯৭৭ |
| পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কারের ব্যবধান | ন্যূনতম ২৫ বছর |
| BINA-এর নতুন ধান | বিনা ধান-২৭ ও ২৮ |
| BINA-এর মোট ধানের জাত | ২৮ |
| UNGA 81st President | ড. খলিলুর রহমান |
| UNGA নির্বাচনে বাংলাদেশের ভোট | ৯৯ |
| বৃহত্তম craft retail store | BRAC-Aarong, Dhanmondi |
| আয়তন | ২,৬৩৬ বর্গমিটার |
| City Bank যে নীতিতে স্বাক্ষর করে | PRB |
| ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন | ১২ মার্চ ২০২৬ |
| স্পিকার | হাফিজ উদ্দিন আহমদ |
| ডেপুটি স্পিকার | কায়সার কামাল |
| সংসদে উত্থাপিত অধ্যাদেশ | ১৩৩টি |
| সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ | ৯৩(২) |
| সরকারি হুইপ | ৬ জন |
| Family Card উদ্বোধন | ১০ মার্চ ২০২৬ |
| প্রথম ধাপ | ৩৭,৫৬৭ নারীপ্রধান পরিবার |
| মাসিক Family Card সহায়তা | সর্বোচ্চ ২,৫০০ টাকা |
| ধর্মীয় সম্মানী উদ্বোধন | ১৪ মার্চ ২০২৬ |
| প্রতি মসজিদের মোট সম্মানী | ১০,০০০ টাকা |
| E-Health Card নির্দেশ | ৪ মার্চ ২০২৬ |
| খাল খনন উদ্বোধন | ১৬ মার্চ ২০২৬ |
| খাল খননের লক্ষ্য | ৫ বছরে ২০,০০০ কিমি |
| কৃষিঋণ মওকুফ | ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত |
| সম্ভাব্য সুবিধাভোগী কৃষক | প্রায় ১২ লাখ |
🎯 BCS/চাকরির পরীক্ষার জন্য Most Important Facts
◈ ১৪তম গভর্নর → মো. মোস্তাকুর রহমান
◈ স্বাধীনতা পুরস্কার → বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা
◈ BINA-২৭ → ব্লাস্ট প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল আমন
◈ BINA-২৮ → উচ্চফলনশীল সুগন্ধি আমন
◈ UNGA 81st President → ড. খলিলুর রহমান
◈ UNGA নির্বাচনে ভোট → ৯৯–৯১
◈ Aarong Guinness Record → ২,৬৩৬ বর্গমিটার
◈ PRB → Principles for Responsible Banking
◈ UNEP FI → United Nations Environment Programme Finance Initiative
◈ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন → ১২ মার্চ ২০২৬
◈ স্পিকার → মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
◈ ডেপুটি স্পিকার → ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
◈ ১৩৩ অধ্যাদেশ → সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ
◈ Family Card → নারীপ্রধান পরিবারের নামে
◈ Family Card সহায়তা → সর্বোচ্চ ২,৫০০ টাকা/মাস
◈ খাল খনন → ৫ বছরে প্রায় ২০,০০০ কিমি
◈ কৃষক কার্ড পাইলট উদ্বোধন → ১৪ এপ্রিল ২০২৬
◈ কৃষিঋণ মওকুফ → ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত
📚 উৎস ও তথ্য-যাচাই
১. বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangladesh Bank) — গভর্নরের সরকারি প্রোফাইল ও সাবেক গভর্নরদের তালিকা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমান ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৪তম গভর্নর; ড. আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদ শেষ হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
২. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সরকার — স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এর ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের সরকারি তালিকা এবং ৮ মার্চ ২০২৬-এর সংশোধিত পুরস্কার নির্দেশাবলি।
৩. United Nations — UNGA 81st Session-এর সভাপতি নির্বাচন; ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট এবং Andreas S. Kakouris ৯১ ভোট পান। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২ জুন ২০২৬।
৪. Guinness World Records — BRAC-Aarong-এর ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটকে ২,৬৩৬ বর্গমিটার আয়তনের বিশ্বের বৃহত্তম craft and artisanal retail store হিসেবে স্বীকৃতি।
৫. Social Security Policy Support (SSPS) Programme, Government of Bangladesh — Family Card-এর কাঠামো, আর্থিক সহায়তা, ডিজিটাল পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা পরিকল্পনা।
৬. Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS) — Family Card উদ্বোধন ও ৩৭,৫৬৭ নারী; Farmer Card-এর ১৪ এপ্রিলের পাইলট; ১৩৩ অধ্যাদেশ; খাল খনন কর্মসূচি ও পাঁচ বছরে ২০,০০০ কিমি লক্ষ্য।
৭. জাতীয় সংসদ/BSS সংসদ অধিবেশন প্রতিবেদন — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ, অধ্যাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কার্যক্রম।
৮. বাংলা একাডেমি ও বইমেলা-সংশ্লিষ্ট সরকারি/বিশ্বস্ত প্রতিবেদন — গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬।
৯. BINA/কৃষি খাতের সরকারি তথ্য — বিনা ধান-২৭ ও বিনা ধান-২৮ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের অনুমোদন।
১০. UNEP Finance Initiative — Principles for Responsible Banking (PRB) ও টেকসই অর্থায়নের কাঠামো।