📝Regular Exam
📝 Regular Exam Previous

বাংলা সাহিত্য- চর্যাপদ

◉ Exam ZoneRegular Exam

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

25মোট প্রশ্ন
⏱️10মিনিট
🎯25পূর্ণমান
🪙5Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে?

১৯০৭ সালে

১৯১৬ সালে

১৯২১ সালে

১৯৩১ সালে

✅ সঠিক উত্তর:খ. ১৯১৬ সালে

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারের পর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম হিসেবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এর পদগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনসংগীত হলেও ভাষা, সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাস জানার ক্ষেত্রেও এর মূল্য অপরিসীম।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১৯০৭ সালে ⇒ এ সময় চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারের ঘটনা সম্পর্কিত; গ্রন্থাকারে প্রকাশের বছর নয়।
❖ ১৯২১ সালে ⇒ চর্যাপদ প্রকাশের সঙ্গে এ বছরের কোনো সম্পর্ক নেই।
❖ ১৯৩১ সালে ⇒ এটি চর্যাপদ প্রকাশের সঠিক সাল নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: পুঁথি আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬। অর্থাৎ আবিষ্কারের প্রায় ৯ বছর পরে প্রকাশ।
02
🎯 1 Mark

চর্যাপদের পুঁথির সঙ্গে সংযুক্ত সংস্কৃত টীকার রচয়িতা কে ছিলেন?

মুনিদত্ত

অতীশ দীপঙ্কর

সন্ধ্যাকর নন্দী

রামাই পণ্ডিত

✅ সঠিক উত্তর:ক. মুনিদত্ত

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের পুঁথির সঙ্গে একটি সংস্কৃত টীকা পাওয়া যায়, যার রচয়িতা মুনিদত্ত। এই টীকা চর্যাপদের দুর্বোধ্য, সাংকেতিক ও সাধনামূলক পদগুলোর অর্থ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। চর্যাপদের ভাষায় দ্ব্যর্থবোধকতা ও গূঢ়ার্থ থাকায় টীকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ অতীশ দীপঙ্কর ⇒ তিনি ছিলেন বিখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত ও ধর্মপ্রচারক; চর্যাপদের সংস্কৃত টীকার রচয়িতা নন।
❖ সন্ধ্যাকর নন্দী ⇒ তিনি ‘রামচরিত’-এর রচয়িতা হিসেবে পরিচিত; চর্যাপদের টীকাকার নন।
❖ রামাই পণ্ডিত ⇒ তিনি ‘শূন্যপুরাণ’-এর সঙ্গে সম্পর্কিত কবি; চর্যাপদের সংস্কৃত টীকার রচয়িতা নন।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: চর্যার গূঢ় অর্থের ‘মুনি’সুলভ ব্যাখ্যাতা—মুনিদত্ত।
03
🎯 1 Mark

চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিটি কোন লিপিতে লিখিত ছিল?

বাংলা লিপি

দেবনাগরী লিপি

প্রাচীন নেওয়ারি লিপি

শারদা লিপি

✅ সঠিক উত্তর:গ. প্রাচীন নেওয়ারি লিপি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
প্রাচীন নেওয়ারি লিপি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিটি প্রাচীন নেওয়ারি লিপিতে লিখিত ছিল। পুঁথিটি নেপালে সংরক্ষিত থাকায় সেখানে প্রচলিত নেওয়ারি লিপির ব্যবহার স্বাভাবিক। তবে লিপি নেওয়ারি হলেও চর্যাপদের ভাষায় প্রাচীন বাংলার সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। লিপি ও ভাষা এক বিষয় নয়—একই ভাষা বিভিন্ন লিপিতে লেখা সম্ভব।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বাংলা লিপি ⇒ চর্যাপদের ভাষায় বাংলা বৈশিষ্ট্য থাকলেও প্রাপ্ত পুঁথিটি বাংলা লিপিতে লেখা নয়।
❖ দেবনাগরী লিপি ⇒ সংস্কৃত ও হিন্দিসহ বহু ভাষায় ব্যবহৃত লিপি; চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথির লিপি নয়।
❖ শারদা লিপি ⇒ কাশ্মীর অঞ্চলে ঐতিহাসিকভাবে ব্যবহৃত একটি লিপি; চর্যাপদের পুঁথির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: নেপালে পাওয়া পুঁথি—তাই লিপি নেওয়ারি; ভাষাগত গুরুত্ব—প্রাচীন বাংলা।
04
🎯 1 Mark

চর্যাপদের পুঁথিটি নেপালের কোন শহরের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে পাওয়া যায়?

কাঠমান্ডু

পাটনা

বারাণসী

কলকাতা

✅ সঠিক উত্তর:ক. কাঠমান্ডু

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
কাঠমান্ডু

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের পুঁথিটি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর রাজদরবারের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত ছিল। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বহু বৌদ্ধ পুঁথি নেপালে সংরক্ষিত থাকায় বাংলা ও পূর্বভারতের সাহিত্য-ইতিহাস পুনর্গঠনে নেপালের পুঁথিভান্ডার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ পাটনা ⇒ বিহারের ঐতিহাসিক শহর; চর্যাপদের পুঁথি এখানে আবিষ্কৃত হয়নি।
❖ বারাণসী ⇒ ভারতীয় ধর্ম, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাচীন কেন্দ্র; চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথির স্থান নয়।
❖ কলকাতা ⇒ চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশের সঙ্গে কলকাতার সম্পর্ক আছে, কিন্তু পুঁথি আবিষ্কারের স্থান নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: চর্যার পুঁথি নেপালে, আর প্রকাশ বাংলা অঞ্চলে—‘পুঁথি কাঠমান্ডুতে, প্রকাশ কলকাতায়’।
05
🎯 1 Mark

চর্যাপদ রচনার সময়কাল প্রধানত কোন রাজবংশের শাসনামলের সঙ্গে সম্পর্কিত?

পাল রাজবংশ

সেন রাজবংশ

মৌর্য রাজবংশ

মুঘল রাজবংশ

✅ সঠিক উত্তর:ক. পাল রাজবংশ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
পাল রাজবংশ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ সাধারণভাবে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে রচিত বলে বিবেচিত, যা মূলত পাল যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। পাল শাসকেরা বৌদ্ধধর্মের, বিশেষত মহাযান ও বজ্রযানধারার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। চর্যাপদের বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা এবং সিদ্ধাচার্যদের কর্মকাণ্ড পালযুগের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সেন রাজবংশ ⇒ সেন যুগ মূলত পাল যুগের পরবর্তী; চর্যাপদের প্রধান রচনাকাল পাল যুগের সঙ্গে অধিক সম্পর্কিত।
❖ মৌর্য রাজবংশ ⇒ মৌর্য যুগ চর্যাপদের রচনাকালের বহু শতাব্দী পূর্ববর্তী।
❖ মুঘল রাজবংশ ⇒ মুঘল যুগ অনেক পরের; চর্যাপদের সঙ্গে এর কোনো কালগত সম্পর্ক নেই।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: পালদের সঙ্গে বৌদ্ধধর্ম, আর বৌদ্ধ সহজিয়াদের সঙ্গে চর্যাপদ—তাই চর্যাপদ = পাল যুগ।
06
🎯 1 Mark

চর্যাপদে সরহপা বা সারহা রচিত পদের সংখ্যা কত?

২টি

৩টি

৪টি

৮টি

✅ সঠিক উত্তর:গ. ৪টি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
৪টি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদে সরহপা বা সারহার রচিত পদ রয়েছে ৪টি। তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি ও সাধক। চর্যাপদের কবিরা তাঁদের সাধন-অভিজ্ঞতা প্রকাশে রূপক, প্রতীক এবং গূঢ় ভাষা ব্যবহার করেছেন; সরহার পদগুলিও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ২টি ⇒ এটি শবরপা-র রচিত পদের সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত, সরহার নয়।
❖ ৩টি ⇒ এটি কুক্কুরীপা-র রচিত পদের সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত, সরহার নয়।
❖ ৮টি ⇒ এটি ভুসুকুপা-র রচিত পদের সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত, সরহার নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘সারহা চার’—সারহার চর্যাপদ ৪টি।
07
🎯 1 Mark

চর্যাপদে কুক্কুরীপা রচিত পদের সংখ্যা কত?

১টি

২টি

৩টি

৫টি

✅ সঠিক উত্তর:গ. ৩টি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
৩টি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদে কুক্কুরীপা রচিত পদের সংখ্যা ৩টি। তিনি চর্যাপদের সিদ্ধাচার্য কবিদের একজন। চর্যাপদের কবিদের রচনার সংখ্যা সমান নয়; কারও একটি, কারও কয়েকটি এবং কারও তুলনামূলক বেশি পদ রয়েছে। পরীক্ষায় কবি ও পদসংখ্যার সম্পর্ক থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ১টি ⇒ চর্যাপদের কয়েকজন কবির একটি করে পদ থাকলেও কুক্কুরীপা ১টি পদ রচনা করেননি।
❖ ২টি ⇒ শবরপা-র রচিত পদের সংখ্যা ২টি; কুক্কুরীপা-র নয়।
❖ ৫টি ⇒ কুক্কুরীপা-র নামে ৫টি পদ নেই; তাঁর পদসংখ্যা ৩টি।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘কুক্কুরীর তিন পদ’—কুক্কুরীপা = ৩টি পদ।
08
🎯 1 Mark

চর্যাপদে শবরপা রচিত পদের সংখ্যা কত?

২টি

৩টি

৪টি

৬টি

✅ সঠিক উত্তর:ক. ২টি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
২টি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদে শবরপা রচিত পদ রয়েছে ২টি। তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের অন্যতম কবি। চর্যাপদের কবিদের পরিচয় ও তাঁদের পদসংখ্যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য; বিশেষত একাধিক নির্বাচনী পরীক্ষায় এ ধরনের তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন দেখা যায়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৩টি ⇒ কুক্কুরীপা রচিত পদের সংখ্যা ৩টি; শবরপা-র নয়।
❖ ৪টি ⇒ সরহপা বা সারহা রচিত পদের সংখ্যা ৪টি; শবরপা-র নয়।
❖ ৬টি ⇒ শবরপা-র নামে চর্যাপদে ৬টি পদ নেই।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘শবরের জোড়া পদ’—শবরপা = ২টি পদ।
09
🎯 1 Mark

সিদ্ধাচার্য কানহপা কার শিষ্য ছিলেন বলে পরিচিত?

সরহপা

জালন্ধরীপা

লুইপা

শবরপা

✅ সঠিক উত্তর:খ. জালন্ধরীপা

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
জালন্ধরীপা

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সিদ্ধাচার্য কানহপা জালন্ধরীপা-র শিষ্য ছিলেন বলে পরিচিত। চর্যাপদের কবিরা শুধু সাহিত্যিক নন, তাঁরা বৌদ্ধ সহজিয়া ও বজ্রযান সাধনার সঙ্গে যুক্ত সিদ্ধপুরুষও ছিলেন। তাঁদের গুরু-শিষ্য পরম্পরা থেকে তৎকালীন সাধনা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলনের ধারার পরিচয় পাওয়া যায়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সরহপা ⇒ তিনি সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের কবি হলেও কানহপা-র গুরু হিসেবে পরিচিত নন।
❖ লুইপা ⇒ তিনি চর্যাপদের অন্যতম প্রধান সিদ্ধাচার্য; কানহপা তাঁর শিষ্য ছিলেন না।
❖ শবরপা ⇒ তিনি সিদ্ধাচার্য কবি হলেও কানহপা-র গুরু হিসেবে স্বীকৃত নন।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘কানহা জালন্ধরের শিষ্য’—কানহপা → জালন্ধরীপা।
10
🎯 1 Mark

চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশে কোন সাহিত্যপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ছিল?

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ

এশিয়াটিক সোসাইটি

বাংলা একাডেমি

বিশ্বভারতী

✅ সঠিক উত্তর:ক. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদকে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, পুঁথি ও লোকঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং প্রকাশে এ প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চর্যাপদ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ইতিহাসচর্চায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ এশিয়াটিক সোসাইটি ⇒ প্রাচ্যবিদ্যা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলেও চর্যাপদের প্রথম গ্রন্থপ্রকাশের প্রতিষ্ঠান এটি নয়।
❖ বাংলা একাডেমি ⇒ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান; কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠিত হয় চর্যাপদ প্রকাশের বহু পরে।
❖ বিশ্বভারতী ⇒ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান; চর্যাপদের প্রথম প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: চর্যার প্রথম প্রকাশ—‘পরিষৎ’-এর প্রকাশ। অর্থাৎ বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ।