📝Regular Exam
📝 Regular Exam Previous

বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ

◉ Exam ZoneRegular Exam

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

25মোট প্রশ্ন
⏱️10মিনিট
🎯25পূর্ণমান
🪙10Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

নিচের শাসক/রাজবংশগুলোর কার্যকাল অনুযায়ী প্রাচীন থেকে পরবর্তী—সঠিক কালানুক্রম কোনটি? I. সারগন অব আক্কাদ II. হাম্মুরাবি III. অশুরবানিপাল IV. দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার

I → II → III → IV

II → I → III → IV

I → III → II → IV

II → III → IV → I

✅ সঠিক উত্তর:ক. I → II → III → IV

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
I → II → III → IV

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সারগন অব আক্কাদ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২৩৩৪ অব্দে আক্কাদীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম প্রথম সাম্রাজ্য-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ধরা হয়। হাম্মুরাবি পুরাতন ব্যাবিলনীয় যুগের শাসক; তাঁর রাজত্বকাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৭৯২–১৭৫০ অব্দ। অশুরবানিপাল ছিলেন নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের শাসক, তাঁর রাজত্বকাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬৬৯–৬৩১ অব্দ। দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার নব্য-ব্যাবিলনীয় বা ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক; তিনি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০৫–৫৬২ অব্দে রাজত্ব করেন।

অতএব, প্রাচীন থেকে পরবর্তী সঠিক ক্রম হলো সারগন → হাম্মুরাবি → অশুরবানিপাল → দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ II → I → III → IV ⇒ হাম্মুরাবি সারগনের বহু পরে শাসন করেন; তাই হাম্মুরাবির আগে সারগনকে বসানো ভুল।
❖ I → III → II → IV ⇒ অশুরবানিপাল হাম্মুরাবির প্রায় এক হাজার বছরেরও বেশি পরে ছিলেন; তাই III-এর আগে II হবে।
❖ II → III → IV → I ⇒ সারগন এই চারজনের মধ্যে সর্বপ্রাচীন; তাঁকে শেষে রাখা সম্পূর্ণ ভুল।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: “আক্কাদ আগে, হাম্মুরাবি পরে; অ্যাসিরিয়া শেষে, নব্য ব্যাবিলন তারও পরে।” সংক্ষেপে: সা–হা–অ–নে।
02
🎯 1 Mark

সিন্ধু সভ্যতার নগর ও স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য সম্পর্কে নিচের বক্তব্যগুলো বিবেচনা করুন— I. মহেঞ্জোদারোর বৃহৎ স্নানাগার (Great Bath) জনসমাগমভিত্তিক ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। II. লোথাল একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগর ছিল এবং সেখানে ডকইয়ার্ডের নিদর্শন পাওয়া গেছে। III. সিন্ধু নগরগুলোতে সাধারণত পোড়ানো ইটের মানক অনুপাত ১:২:৪ ব্যবহৃত হতো। উপরের কোনটি/কোনগুলো সঠিক?

শুধু I ও II

শুধু I ও III

শুধু II ও III

I, II ও III

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. I, II ও III

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
I, II ও III

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তিনটি বক্তব্যই সঠিক। বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত মহেঞ্জোদারোর বৃহৎ স্নানাগার সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যনিদর্শন। এর সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিত না হলেও এটি ধর্মীয় শুদ্ধিকরণ, আনুষ্ঠানিকতা বা সামষ্টিক ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে ব্যাপকভাবে বিবেচিত। বর্তমান ভারতের গুজরাটে অবস্থিত লোথাল ছিল সিন্ধু সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র; এর বিখ্যাত ডকইয়ার্ড সামুদ্রিক বা নদীপথের বাণিজ্যিক যোগাযোগের প্রমাণ বহন করে।

সিন্ধু নগর পরিকল্পনার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো মানসম্মত পোড়ানো ইট ব্যবহার। ইটের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার অনুপাত প্রায় ৪:২:১, অর্থাৎ ছোট থেকে বড় অনুপাতে ১:২:৪ হিসেবে প্রকাশ করা হয়। এটি নগর নির্মাণে সুসংগঠিত মাননিয়ন্ত্রণের পরিচায়ক।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ শুধু I ও II ⇒ I ও II সঠিক হলেও III-ও সঠিক; তাই এ উত্তর অসম্পূর্ণ।
❖ শুধু I ও III ⇒ বৃহৎ স্নানাগার ও ইটের অনুপাত সঠিক, কিন্তু লোথালের ডকইয়ার্ড সম্পর্কিত II-ও সঠিক।
❖ শুধু II ও III ⇒ II ও III সঠিক হলেও মহেঞ্জোদারোর বৃহৎ স্নানাগার সম্পর্কিত I-ও সঠিক।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“মহেঞ্জো = স্নান, লোথাল = নৌবন্দর, হরপ্পা = পরিকল্পিত ইট ও নিকাশি”—এই তিনটি যুগল তথ্য একসঙ্গে মনে রাখুন।
03
🎯 1 Mark

প্রাচীন মিশরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া-সংক্রান্ত ধর্মীয় গ্রন্থের বিবর্তন সম্পর্কে কোন ক্রমটি সঠিক?

Pyramid Texts → Coffin Texts → Book of the Dead

Coffin Texts → Pyramid Texts → Book of the Dead

Book of the Dead → Pyramid Texts → Coffin Texts

Pyramid Texts → Book of the Dead → Coffin Texts

✅ সঠিক উত্তর:ক. Pyramid Texts → Coffin Texts → Book of the Dead

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
Pyramid Texts → Coffin Texts → Book of the Dead

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রাচীন মিশরীয় ধর্মবিশ্বাসে মৃত্যুর পরের জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পুরাতন রাজত্বকালে রাজকীয় পিরামিডের অভ্যন্তরীণ দেয়ালে খোদাই করা ধর্মীয় মন্ত্রগুলোকে Pyramid Texts বলা হয়। এগুলো প্রধানত ফারাওদের পরজীবনযাত্রার সহায়ক মন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

পরবর্তী মধ্য রাজত্বকালে এসব মন্ত্রের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত হয়ে কফিনে লেখা শুরু হয়; এগুলো Coffin Texts নামে পরিচিত। নতুন রাজত্বকাল থেকে পরজীবনসংক্রান্ত মন্ত্র ও নির্দেশনা প্যাপিরাসে সংকলিত আকারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যা আধুনিক নামে Book of the Dead নামে পরিচিত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ Coffin Texts → Pyramid Texts → Book of the Dead ⇒ Pyramid Texts হলো প্রাচীনতম ধাপ; Coffin Texts পরে বিকশিত।
❖ Book of the Dead → Pyramid Texts → Coffin Texts ⇒ Book of the Dead নতুন রাজত্বকালীন; এটিকে প্রথমে রাখা ভুল।
❖ Pyramid Texts → Book of the Dead → Coffin Texts ⇒ Coffin Texts মধ্যবর্তী ধাপ; Book of the Dead-এর আগে এর অবস্থান।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“পিরামিড থেকে কফিন, কফিন থেকে বই”—লেখার স্থান ও রূপের পরিবর্তনই সঠিক ক্রমটি মনে রাখতে সাহায্য করবে।
04
🎯 1 Mark

আকেমেনীয় পারস্য সাম্রাজ্যে প্রথম দারিয়ুসের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে নিচের কোন সমন্বয়টি সঠিক?

স্যাট্রাপি প্রশাসন সুসংহতকরণ, রয়্যাল রোড উন্নয়ন এবং স্বর্ণমুদ্রা ‘ড্যারিক’ চালু

সেনেট প্রতিষ্ঠা, টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন এবং ডেনারিয়াস চালু

নোমার্ক ব্যবস্থা প্রবর্তন, হায়ারোগ্লিফিক মান্যকরণ এবং রূপার শেকেল চালু

পলিসভিত্তিক শাসন, অস্ট্রাসিজম প্রবর্তন এবং আউল মুদ্রা চালু

✅ সঠিক উত্তর:ক. স্যাট্রাপি প্রশাসন সুসংহতকরণ, রয়্যাল রোড উন্নয়ন এবং স্বর্ণমুদ্রা ‘ড্যারিক’ চালু

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
স্যাট্রাপি প্রশাসন সুসংহতকরণ, রয়্যাল রোড উন্নয়ন এবং স্বর্ণমুদ্রা ‘ড্যারিক’ চালু

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রথম দারিয়ুস বা দারিয়ুস দ্য গ্রেট আকেমেনীয় পারস্য সাম্রাজ্যের প্রশাসনকে সুসংগঠিত ও কার্যকর করেন। বিশাল সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য তিনি অঞ্চলগুলোকে স্যাট্রাপি নামে প্রশাসনিক এককে বিভক্ত বা সুসংহত করেন; প্রতিটি অঞ্চলের শাসককে বলা হতো স্যাট্রাপ। তিনি যোগাযোগ ও প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়াতে রয়্যাল রোড ব্যবস্থার উন্নয়ন করেন, যার বিখ্যাত পথ সার্ডিস থেকে সুসা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তাঁর সঙ্গে স্বর্ণমুদ্রা ‘ড্যারিক’-এর প্রচলনও যুক্ত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ সেনেট প্রতিষ্ঠা, টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন এবং ডেনারিয়াস চালু ⇒ এগুলো প্রাচীন রোমান সভ্যতার রাজনৈতিক ও মুদ্রাব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত; পারস্যের নয়।
❖ নোমার্ক ব্যবস্থা প্রবর্তন, হায়ারোগ্লিফিক মান্যকরণ এবং রূপার শেকেল চালু ⇒ নোমার্ক ও হায়ারোগ্লিফিক প্রাচীন মিশরীয় প্রশাসন ও লিখনপদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
❖ পলিসভিত্তিক শাসন, অস্ট্রাসিজম প্রবর্তন এবং আউল মুদ্রা চালু ⇒ এগুলো প্রধানত প্রাচীন গ্রিক, বিশেষত এথেনীয় রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“দারিয়ুস = দরবারের দূরপথ ও ড্যারিক”—দারিয়ুসের সঙ্গে স্যাট্রাপি, রয়্যাল রোড ও ড্যারিককে একত্রে মনে রাখুন।
05
🎯 1 Mark

ফিনিশীয় সভ্যতার অবদান সম্পর্কে নিচের বক্তব্যগুলো বিবেচনা করুন— I. তারা ভূমধ্যসাগরীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যে বিশেষ দক্ষ ছিল। II. তাদের বর্ণমালাভিত্তিক লিখনপদ্ধতি মূলত ব্যঞ্জনবর্ণনির্ভর ছিল। III. গ্রিকরা ফিনিশীয় বর্ণমালা গ্রহণ করে তাতে স্বরবর্ণের সুস্পষ্ট ব্যবহার যুক্ত করে। উপরের কোনটি/কোনগুলো সঠিক?

শুধু I ও II

শুধু I ও III

শুধু II ও III

I, II ও III

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. I, II ও III

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
I, II ও III

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ফিনিশীয়রা পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষত বর্তমান লেবাননকেন্দ্রিক এলাকায় বিকশিত সামুদ্রিক বণিকজাতি ছিল। টায়ার, সিডন ও বাইব্লস ছিল তাদের গুরুত্বপূর্ণ নগর। তারা জাহাজ নির্মাণ, ভূমধ্যসাগরীয় বাণিজ্য এবং উপনিবেশ স্থাপনে দক্ষ ছিল।

ফিনিশীয়দের অন্যতম বিশ্বসভ্যতাগত অবদান হলো সহজতর বর্ণমালাভিত্তিক লিপি। এ লিপিতে সাধারণত ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণ ছিল; স্বরবর্ণ আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হতো না। গ্রিকরা এই বর্ণমালার ভিত্তি গ্রহণ করে স্বরবর্ণের জন্য পৃথক চিহ্নের ব্যবহার গড়ে তোলে। পরবর্তীকালে গ্রিক বর্ণমালা থেকে লাতিনসহ বহু ইউরোপীয় বর্ণমালার বিকাশ ঘটে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ শুধু I ও II ⇒ I ও II সঠিক, কিন্তু গ্রিকদের স্বরবর্ণ-সংযোজন সম্পর্কিত III-ও সঠিক।
❖ শুধু I ও III ⇒ ফিনিশীয় লিপির ব্যঞ্জনবর্ণনির্ভর বৈশিষ্ট্য II সঠিক; তাই এ উত্তর অসম্পূর্ণ।
❖ শুধু II ও III ⇒ লিপি-সম্পর্কিত দুটি বক্তব্য সঠিক হলেও ফিনিশীয়দের সামুদ্রিক বাণিজ্যদক্ষতা সম্পর্কিত I-ও সঠিক।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“ফিনিশীয় = ফিনিশড নৌবাণিজ্য + বর্ণমালার ভিত্তি।” গ্রিকরা সেই ভিত্তিতে স্বরবর্ণ যোগ করেছে—এটি মনে রাখুন।
06
🎯 1 Mark

এথেন্স ও স্পার্টার রাজনৈতিক কাঠামো সম্পর্কে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?

এথেন্সে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণভিত্তিক গণতন্ত্র ছিল; স্পার্টায় দ্বৈত রাজতন্ত্র ও Gerousia ছিল।

এথেন্সে বংশানুক্রমিক দ্বৈত রাজতন্ত্র ছিল; স্পার্টায় সকল অধিবাসীর প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ছিল।

এথেন্সে সম্রাটের অধীনে প্রদেশশাসন ছিল; স্পার্টায় স্যাট্রাপরা শাসন করত।

এথেন্স ও স্পার্টা উভয়ই রোমান সেনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।

✅ সঠিক উত্তর:ক. এথেন্সে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণভিত্তিক গণতন্ত্র ছিল; স্পার্টায় দ্বৈত রাজতন্ত্র ও Gerousia ছিল।

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
এথেন্সে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণভিত্তিক গণতন্ত্র ছিল; স্পার্টায় দ্বৈত রাজতন্ত্র ও Gerousia ছিল।

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল পলিস বা নগররাষ্ট্র। এথেন্সে নাগরিকদের অংশগ্রহণভিত্তিক প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র গড়ে ওঠে। তবে ‘নাগরিক’ বলতে মূলত প্রাপ্তবয়স্ক স্বাধীন পুরুষ নাগরিকদের বোঝাত; নারী, দাস এবং বিদেশি বাসিন্দারা এ রাজনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

অন্যদিকে স্পার্টা ছিল সামরিক অনুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র। সেখানে একই সঙ্গে দুই রাজা শাসন করতেন—এটি দ্বৈত রাজতন্ত্র নামে পরিচিত। প্রবীণদের পরিষদ Gerousia এবং পাঁচজন Ephor-ও স্পার্টার শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ এথেন্সে বংশানুক্রমিক দ্বৈত রাজতন্ত্র ছিল; স্পার্টায় সকল অধিবাসীর প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ছিল। ⇒ বাস্তবে দ্বৈত রাজতন্ত্র ছিল স্পার্টায়; এথেন্সে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র থাকলেও তা সকল অধিবাসীর জন্য ছিল না।
❖ এথেন্সে সম্রাটের অধীনে প্রদেশশাসন ছিল; স্পার্টায় স্যাট্রাপরা শাসন করত। ⇒ সম্রাট, প্রদেশশাসন ও স্যাট্রাপি পারস্য সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক পরিভাষা; গ্রিক নগররাষ্ট্রের নয়।
❖ এথেন্স ও স্পার্টা উভয়ই রোমান সেনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। ⇒ রোমান সেনেট প্রাচীন রোমের প্রতিষ্ঠান; এথেন্স ও স্পার্টা ছিল স্বাধীন গ্রিক নগররাষ্ট্র।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“এথেন্স = Assembly, স্পার্টা = Soldiers।” এথেন্সে নাগরিক-সভা, স্পার্টায় সামরিক শাসন ও দুই রাজা।
07
🎯 1 Mark

প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক-আইনি বিকাশের সঠিক কালানুক্রম কোনটি?

রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা

টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা

অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা

রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন

✅ সঠিক উত্তর:ক. রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রোমান রাজতন্ত্রের অবসানের পর আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫০৯ অব্দে রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে প্যাট্রিসিয়ান ও প্লেবিয়ানদের অধিকারসংক্রান্ত দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫১–৪৫০ অব্দে টুয়েলভ টেবলস বা দ্বাদশ ফলক আইন প্রণীত হয়। এটি রোমান আইনের প্রাচীন লিখিত ভিত্তিগুলোর অন্যতম।

এর অনেক পরে, দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর অক্টাভিয়ান খ্রিস্টপূর্ব ২৭ অব্দে ‘অগাস্টাস’ উপাধি গ্রহণ করেন এবং প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রোমান সাম্রাজ্য যুগের সূচনা করেন। বাহ্যিকভাবে প্রজাতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান কিছুটা বজায় থাকলেও প্রকৃত ক্ষমতা সম্রাটের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা ⇒ টুয়েলভ টেবলস প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক পরে প্রণীত হয়।
❖ অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন → রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ⇒ অগাস্টাসের যুগ সবচেয়ে পরবর্তী; তাকে শুরুতে রাখা ভুল।
❖ রোমান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা → অগাস্টাসের অধীনে প্রিন্সিপেট প্রতিষ্ঠা → টুয়েলভ টেবলস প্রণয়ন ⇒ টুয়েলভ টেবলস প্রজাতন্ত্র যুগের প্রাথমিক আইন; প্রিন্সিপেটের বহু আগে।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“Republic আগে, Rules পরে, Ruler শেষে”—প্রজাতন্ত্র, লিখিত আইন, তারপর অগাস্টাসের সম্রাটকেন্দ্রিক প্রিন্সিপেট।
08
🎯 1 Mark

মায়া, অ্যাজটেক ও ইনকা সভ্যতার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে নিচের কোন সমন্বয়টি নির্ভুল?

মায়া—Long Count calendar ও জটিল জ্যোতির্বিদ্যা; অ্যাজটেক—টেনোচটিটলান; ইনকা—কুইপু

মায়া—কুইপু; অ্যাজটেক—মাচু পিচু; ইনকা—টেনোচটিটলান

মায়া—হ্যামুরাবির আইনসংহিতা; অ্যাজটেক—জিগুরাত; ইনকা—হায়ারোগ্লিফিক

মায়া—স্যাট্রাপি; অ্যাজটেক—Gerousia; ইনকা—টুয়েলভ টেবলস

✅ সঠিক উত্তর:ক. মায়া—Long Count calendar ও জটিল জ্যোতির্বিদ্যা; অ্যাজটেক—টেনোচটিটলান; ইনকা—কুইপু

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
মায়া—Long Count calendar ও জটিল জ্যোতির্বিদ্যা; অ্যাজটেক—টেনোচটিটলান; ইনকা—কুইপু

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মায়া সভ্যতা মেসোআমেরিকায় বিকশিত হয় এবং তাদের উন্নত ক্যালেন্ডার, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, শূন্যের ব্যবহার ও চিত্রলিপিভিত্তিক লিখনপদ্ধতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। Long Count ছিল দীর্ঘ সময় পরিমাপের একটি ক্যালেন্ডার পদ্ধতি।

অ্যাজটেক সভ্যতার রাজধানী টেনোচটিটলান বর্তমান মেক্সিকো সিটির স্থানে টেক্সকোকো হ্রদের দ্বীপে গড়ে উঠেছিল। ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চলে বিকশিত হয়। তাদের কুইপু ছিল গিঁটযুক্ত দড়ির মাধ্যমে হিসাব ও তথ্যসংরক্ষণের ব্যবস্থা।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ মায়া—কুইপু; অ্যাজটেক—মাচু পিচু; ইনকা—টেনোচটিটলান ⇒ কুইপু ও মাচু পিচু ইনকা সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত; টেনোচটিটলান অ্যাজটেক রাজধানী।
❖ মায়া—হ্যামুরাবির আইনসংহিতা; অ্যাজটেক—জিগুরাত; ইনকা—হায়ারোগ্লিফিক ⇒ হ্যামুরাবির আইনসংহিতা ব্যাবিলনীয়, জিগুরাত মেসোপটেমীয় এবং হায়ারোগ্লিফিক মিশরীয় সভ্যতার বৈশিষ্ট্য।
❖ মায়া—স্যাট্রাপি; অ্যাজটেক—Gerousia; ইনকা—টুয়েলভ টেবলস ⇒ স্যাট্রাপি পারস্যের, Gerousia স্পার্টার এবং টুয়েলভ টেবলস রোমান আইনের অংশ।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“মায়া = সময়, অ্যাজটেক = টেনোচটিটলান, ইনকা = গিঁট।” অর্থাৎ Calendar–City–Knots।
09
🎯 1 Mark

প্রাচীন চীনা সভ্যতার রাজবংশ ও সংশ্লিষ্ট বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে নিচের বক্তব্যগুলো বিবেচনা করুন— I. শাং রাজবংশের সঙ্গে oracle bone inscription বা অস্থিলিপির সম্পর্ক রয়েছে। II. ঝৌ রাজবংশ ‘Mandate of Heaven’ ধারণাকে রাজনৈতিক বৈধতার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে। III. ছিন রাজবংশের কিন শি হুয়াং ওজন, মাপ, মুদ্রা ও লিখনব্যবস্থার মানকীকরণের সঙ্গে যুক্ত। উপরের কোনটি/কোনগুলো সঠিক?

শুধু I ও II

শুধু I ও III

শুধু II ও III

I, II ও III

✅ সঠিক উত্তর:ঘ. I, II ও III

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
I, II ও III

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তিনটি বক্তব্যই সঠিক। শাং রাজবংশ প্রাচীন চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রোঞ্জযুগীয় রাজবংশ। কচ্ছপের খোলস ও পশুর হাড়ে ভবিষ্যদ্বাণীসংক্রান্ত যে লিপি খোদাই করা হতো, তা oracle bone inscription নামে পরিচিত এবং চীনা লিখনের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর মধ্যে গণ্য।

ঝৌ রাজবংশ শাং রাজবংশকে পরাজিত করার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা হিসেবে Mandate of Heaven বা ‘স্বর্গের ম্যান্ডেট’ ধারণা ব্যবহার করে। এ ধারণা অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণ শাসক স্বর্গীয় অনুমোদন লাভ করেন; অত্যাচারী শাসক সেই অনুমোদন হারালে তাকে অপসারণ বৈধ হতে পারে।

ছিন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কিন শি হুয়াং খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে চীনকে রাজনৈতিকভাবে একীভূত করেন। তিনি মুদ্রা, ওজন, মাপ, গাড়ির অক্ষের প্রস্থ এবং লিখনব্যবস্থার মানকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ শুধু I ও II ⇒ I ও II সঠিক হলেও কিন শি হুয়াংয়ের মানকীকরণ সম্পর্কিত III-ও সঠিক।
❖ শুধু I ও III ⇒ I ও III সঠিক, কিন্তু Mandate of Heaven-এর সঙ্গে ঝৌ রাজবংশের সম্পর্কও সঠিক।
❖ শুধু II ও III ⇒ II ও III সঠিক হলেও শাং রাজবংশের oracle bone inscription-সংক্রান্ত I-ও সঠিক।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“শাং = হাড়ের লিপি, ঝৌ = স্বর্গের অনুমতি, ছিন = এক মান।” তিন রাজবংশের তিনটি সংকেত এভাবে মনে রাখুন।
10
🎯 1 Mark

নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের শেষ পর্যায় সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সবচেয়ে নির্ভুল?

অশুরবানিপালের নিনেভেহ গ্রন্থাগারে বহু কিউনিফর্ম ফলক সংরক্ষিত ছিল; খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে মেডীয় ও নব্য-ব্যাবিলনীয় জোট নিনেভেহ দখল করে।

হাম্মুরাবি নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারসিকরা নিনেভেহ দখল করে।

দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৩৩১ অব্দে আলেকজান্ডার নিনেভেহ দখল করে।

সারগন অব আক্কাদ নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ অব্দে গ্রিকরা নিনেভেহ দখল করে।

✅ সঠিক উত্তর:ক. অশুরবানিপালের নিনেভেহ গ্রন্থাগারে বহু কিউনিফর্ম ফলক সংরক্ষিত ছিল; খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে মেডীয় ও নব্য-ব্যাবিলনীয় জোট নিনেভেহ দখল করে।

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
অশুরবানিপালের নিনেভেহ গ্রন্থাগারে বহু কিউনিফর্ম ফলক সংরক্ষিত ছিল; খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে মেডীয় ও নব্য-ব্যাবিলনীয় জোট নিনেভেহ দখল করে।

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
অশুরবানিপাল ছিলেন নব্য-অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের শক্তিশালী শাসক। তাঁর রাজধানী নিনেভেহে প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত গ্রন্থাগারে বিপুলসংখ্যক কিউনিফর্ম মাটির ফলক সংগৃহীত ছিল। এসব ফলকের মধ্যে সাহিত্য, ধর্ম, প্রশাসন, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং গিলগামেশ মহাকাব্যের বিভিন্ন সংস্করণসংক্রান্ত পাঠও পাওয়া যায়।

অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের পতনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে মেডীয় ও নব্য-ব্যাবিলনীয় যৌথ বাহিনীর নিনেভেহ দখল। এর ফলে নব্য-অ্যাসিরীয় আধিপত্য কার্যত ভেঙে পড়ে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হাম্মুরাবি নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারসিকরা নিনেভেহ দখল করে। ⇒ হাম্মুরাবি ছিলেন পুরাতন ব্যাবিলনীয় শাসক; নিনেভেহের বিখ্যাত গ্রন্থাগার তাঁর নয়। খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্য ব্যাবিলন দখল করে, নিনেভেহ নয়।
❖ দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৩৩১ অব্দে আলেকজান্ডার নিনেভেহ দখল করে। ⇒ দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার নব্য-ব্যাবিলনীয় শাসক; নিনেভেহ গ্রন্থাগারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৩৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ গগামেলার যুদ্ধের সময়কাল, নিনেভেহ পতনের ঘটনা নয়।
❖ সারগন অব আক্কাদ নিনেভেহে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন; খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ অব্দে গ্রিকরা নিনেভেহ দখল করে। ⇒ সারগন অব আক্কাদ অশুরবানিপালের বহু পূর্ববর্তী শাসক; নিনেভেহ গ্রন্থাগার তাঁর কীর্তি নয় এবং উল্লিখিত দখল-তারিখও ভুল।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
“অশুরবানিপাল = আশুরের বইঘর; ৬১২ = নিনেভেহ নিঃশেষ।” গ্রন্থাগার ও পতনের সাল একসঙ্গে মনে রাখুন।