📝Regular Exam
📝 Regular Exam Previous

বাংলা সাহিত্য- মধ্যযুগ

◉ Exam ZoneRegular Exam

এই Exam-এর তথ্য, syllabus এবং নির্বাচিত Sample MCQ এখানে পড়ুন। পূর্ণ Exam attempt, timer, result, score ও progress App-এর existing system অনুযায়ী চলবে।

25মোট প্রশ্ন
⏱️10মিনিট
🎯25পূর্ণমান
🪙10Entry Coins
📝

নির্বাচিত Sample MCQ

এই Exam থেকে বাছাই করা সর্বোচ্চ ১০টি Sample MCQ, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

01
🎯 1 Mark

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রচলিত সময়সীমা কোনটি?

৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ

১২০১–১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ

১৮০১–১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ

১৯০১–বর্তমানকাল

✅ সঠিক উত্তর:খ. ১২০১–১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
১২০১–১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগে সাধারণভাবে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে মধ্যযুগ বলা হয়। এ যুগে ধর্মীয় ভাবধারা, দেবদেবীর মাহাত্ম্যবিষয়ক মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, চৈতন্যজীবনী, অনুবাদ সাহিত্য, নাথ সাহিত্য এবং মুসলিম কবিদের প্রণয়োপাখ্যান বিশেষভাবে বিকশিত হয়। মধ্যযুগের শেষভাগে শাক্ত পদাবলি ও অন্নদামঙ্গলের মতো রচনাও গুরুত্বপূর্ণ।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ ⇒ এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের প্রচলিত সময়সীমা; চর্যাপদ এ যুগের প্রধান নিদর্শন।
❖ ১৮০১–১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ ⇒ এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রাথমিক পর্যায়ের অন্তর্গত বলে বিবেচিত।
❖ ১৯০১–বর্তমানকাল ⇒ এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পরবর্তী ও সমকালীন বিকাশের সময়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: প্রাচীন যুগ শেষ ১২০০-তে, মধ্যযুগ শুরু ১২০১-এ; মধ্যযুগের শেষ ১৮০০-তে।
02
🎯 1 Mark

শ্রীকৃষ্ণকীর্তির পুঁথি আবিষ্কার করেন কে?

বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

দীনেশচন্দ্র সেন

সুকুমার সেন

✅ সঠিক উত্তর:ক. বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তির পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে তিনি ১৯১৬ সালে গ্রন্থটি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এ কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, মানবিক আবেগ এবং লোকজ ভাষার শক্তিশালী ব্যবহার লক্ষ করা যায়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ⇒ তিনি নেপাল থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত; শ্রীকৃষ্ণকীর্তির আবিষ্কারক নন।
❖ দীনেশচন্দ্র সেন ⇒ তিনি বাংলা লোকসাহিত্য ও মধ্যযুগীয় সাহিত্য গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব; কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তির পুঁথির আবিষ্কারক নন।
❖ সুকুমার সেন ⇒ তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশিষ্ট ইতিহাসকার; শ্রীকৃষ্ণকীর্তির পুঁথি আবিষ্কারের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তি—বসন্তরঞ্জন; চর্যাপদ—হরপ্রসাদ। দুটি পুঁথি-আবিষ্কারকের নাম একসঙ্গে মিলিয়ে পড়ুন।
03
🎯 1 Mark

শ্রীকৃষ্ণকীর্তি কাব্যের খণ্ডসংখ্যা কত?

৯টি

১১টি

১৩টি

১৫টি

✅ সঠিক উত্তর:গ. ১৩টি

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
১৩টি

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তি ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। কাব্যটির প্রধান বিষয় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি। এতে দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, বংশীখণ্ড, বিরহখণ্ড প্রভৃতি পর্বের মাধ্যমে প্রেমের আকর্ষণ, দ্বন্দ্ব, মিলন ও বিরহের মানবিক রূপ ফুটে উঠেছে। কাব্যটিতে বড়াই চরিত্রটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য; সে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমসম্পর্কে দূতীর ভূমিকা পালন করে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ ৯টি ⇒ শ্রীকৃষ্ণকীর্তির খণ্ডসংখ্যা ৯টি নয়; প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী এটি ১৩ খণ্ডে বিভক্ত।
❖ ১১টি ⇒ ১১টি খণ্ড নয়; এ সংখ্যা শ্রীকৃষ্ণকীর্তির গঠনবিন্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
❖ ১৫টি ⇒ কাব্যটির খণ্ডসংখ্যা ১৫টিও নয়; সঠিক সংখ্যা ১৩।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘কৃষ্ণকীর্তি’তে কৃষ্ণের বাঁশির সুরের মতো ১৩ খণ্ড—শ্রীকৃষ্ণকীর্তি = ১৩।
04
🎯 1 Mark

বৃন্দাবন দাসের ‘চৈতন্যভাগবত’-এর পূর্বনাম কী ছিল?

চৈতন্যমঙ্গল

চৈতন্যচরিতামৃত

চৈতন্যচন্দ্রোদয়

চৈতন্যচরিত

✅ সঠিক উত্তর:ক. চৈতন্যমঙ্গল

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
চৈতন্যমঙ্গল

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বৃন্দাবন দাসের চৈতন্যভাগবতের পূর্বনাম ছিল চৈতন্যমঙ্গল। পরে লোচন দাসও ‘চৈতন্যমঙ্গল’ নামে একটি কাব্য রচনা করলে বিভ্রান্তি এড়াতে বৃন্দাবন দাসের গ্রন্থটি ‘চৈতন্যভাগবত’ নামে পরিচিত হয়। শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন, ভক্তি, নামসংকীর্তন ও ধর্মীয় আন্দোলনের বর্ণনায় এটি চৈতন্যজীবনী সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গ্রন্থ। বৃন্দাবন দাসকে অনেক সময় ‘চৈতন্যলীলার ব্যাস’ বলা হয়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ চৈতন্যচরিতামৃত ⇒ এটি কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত চৈতন্যজীবনীগ্রন্থ; বৃন্দাবন দাসের গ্রন্থের পূর্বনাম নয়।
❖ চৈতন্যচন্দ্রোদয় ⇒ এটি চৈতন্যবিষয়ক নাট্যধর্মী রচনা; চৈতন্যভাগবতের পূর্বনাম নয়।
❖ চৈতন্যচরিত ⇒ এটি চৈতন্যভাগবতের স্বীকৃত পূর্বনাম নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: বৃন্দাবন দাসের ‘মঙ্গল’ পরে ‘ভাগবত’; আর লোচন দাসের রচনার নাম থেকেই যায় ‘চৈতন্যমঙ্গল’।
05
🎯 1 Mark

মঙ্গলকাব্যের প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?

দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার ও পূজার প্রতিষ্ঠা

রাজনৈতিক যুদ্ধের বৃত্তান্ত রচনা

প্রকৃতিবিষয়ক বিজ্ঞানচর্চা

ইংরেজি শিক্ষার প্রসার

✅ সঠিক উত্তর:ক. দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার ও পূজার প্রতিষ্ঠা

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার ও পূজার প্রতিষ্ঠা

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মঙ্গলকাব্য হলো মধ্যযুগের এমন এক আখ্যানকাব্যধারা, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো দেব বা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার এবং তাঁর পূজার প্রতিষ্ঠা করা। কাহিনিতে সাধারণত দেবতার পূজা প্রতিষ্ঠার জন্য বাধা, দেবতার ক্রোধ, বিপর্যয় এবং শেষে ভক্তের স্বীকৃতি বা মঙ্গললাভের ঘটনা থাকে। মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল ও অন্নদামঙ্গল এ ধারার গুরুত্বপূর্ণ শাখা। মঙ্গলকাব্যে লোকজ জীবন, সমাজ, বাণিজ্য, পারিবারিক সম্পর্ক ও সমকালীন বাস্তবতারও পরিচয় পাওয়া যায়।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ রাজনৈতিক যুদ্ধের বৃত্তান্ত রচনা ⇒ যুদ্ধবৃত্তান্ত মঙ্গলকাব্যের প্রধান লক্ষ্য নয়; দেবমাহাত্ম্য ও পূজাপ্রতিষ্ঠাই এর কেন্দ্রবিষয়।
❖ প্রকৃতিবিষয়ক বিজ্ঞানচর্চা ⇒ মঙ্গলকাব্য বিজ্ঞানগ্রন্থ নয়; এটি ধর্মাশ্রিত আখ্যানকাব্য।
❖ ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ⇒ ইংরেজি শিক্ষার প্রসার আধুনিক যুগের বিষয়; মঙ্গলকাব্যের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
‘মঙ্গলকাব্য’ নামেই সূত্র আছে—দেবতার কৃপায় ভক্তের ‘মঙ্গল’; তাই দেবমাহাত্ম্য ও পূজাপ্রতিষ্ঠা এর মূল লক্ষ্য।
06
🎯 1 Mark

মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর সাহিত্যিক উপাধি কী?

কবিকঙ্কণ

রায়গুণাকর

দ্বিজ

মহাকবি

✅ সঠিক উত্তর:ক. কবিকঙ্কণ

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
কবিকঙ্কণ

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ‘কবিকঙ্কণ’। তাঁর চণ্ডীমঙ্গল ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’ নামেও পরিচিত। এ কাব্যে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্যের পাশাপাশি মধ্যযুগীয় বাংলার সমাজ, কৃষিজীবন, বণিকসমাজ ও গ্রামীণ বাস্তবতার জীবন্ত চিত্র পাওয়া যায়। কালকেতু ও ফুল্লরা এবং ধনপতি-খুল্লনা কাহিনি এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য অংশ।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ রায়গুণাকর ⇒ এটি অন্নদামঙ্গল রচয়িতা ভারতচন্দ্রের উপাধি; মুকুন্দরামের নয়।
❖ দ্বিজ ⇒ মধ্যযুগের কিছু কবির নামের সঙ্গে ‘দ্বিজ’ শব্দটি যুক্ত থাকলেও এটি মুকুন্দরামের স্বীকৃত সাহিত্যিক উপাধি নয়।
❖ মহাকবি ⇒ এটি একটি সাধারণ সম্মানসূচক অভিধা; মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর নির্দিষ্ট উপাধি নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: মুকুন্দরাম—চণ্ডীমঙ্গল—কবিকঙ্কণ। তিনটি নাম এক সূত্রে পড়ুন।
07
🎯 1 Mark

কবীন্দ্র পরমেশ্বর বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেন কার পৃষ্ঠপোষকতায়?

পরাগল খানের

হুসেন শাহের

আরাকানরাজ সুধর্মার

কীর্তিনারায়ণের

✅ সঠিক উত্তর:ক. পরাগল খানের

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
পরাগল খানের

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কবীন্দ্র পরমেশ্বর পরাগল খানের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলায় মহাভারত অনুবাদ করেন। তাঁর অনূদিত মহাভারত ‘পরাগলী মহাভারত’ নামেও পরিচিত। মধ্যযুগে সংস্কৃত মহাকাব্য ও পুরাণ বাংলায় অনূদিত হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনি সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাংলা অনুবাদ সাহিত্যের বিকাশে কবীন্দ্র পরমেশ্বরের অবদান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ হুসেন শাহের ⇒ তাঁর সময়ে বাংলা সাহিত্যচর্চার পরিবেশ অনুকূল ছিল এবং বহু সাহিত্যিক সক্রিয় ছিলেন; তবে কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারত অনুবাদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষক ছিলেন পরাগল খান।
❖ আরাকানরাজ সুধর্মার ⇒ আরাকান রাজসভা আলাওলসহ কয়েকজন কবির সাহিত্যপৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত; কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারত অনুবাদের সঙ্গে এ নাম যুক্ত নয়।
❖ কীর্তিনারায়ণের ⇒ এ নাম কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারত অনুবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে স্বীকৃত নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: ‘পরাগলী মহাভারত’ নামের ‘পরাগলী’ শব্দটি এসেছে পৃষ্ঠপোষক পরাগল খানের নাম থেকে।
08
🎯 1 Mark

মধ্যযুগের বাংলা প্রণয়োপাখ্যান ‘ইউসুফ-জুলেখা’-র রচয়িতা কে?

শাহ মুহম্মদ সগীর

দৌলত কাজী

আলাওল

সৈয়দ সুলতান

✅ সঠিক উত্তর:ক. শাহ মুহম্মদ সগীর

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
শাহ মুহম্মদ সগীর

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা মুসলিম সাহিত্যধারার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ কবি। তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘ইউসুফ-জুলেখা’। এটি ইউসুফ ও জুলেখার প্রেমকাহিনিনির্ভর একটি প্রণয়োপাখ্যান। বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের রোমান্টিক কাহিনিকাব্যের ধারায় এ রচনার বিশেষ স্থান রয়েছে।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ দৌলত কাজী ⇒ তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্যের রচয়িতা।
❖ আলাওল ⇒ তিনি আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন; তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘পদ্মাবতী’, ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ প্রভৃতি।
❖ সৈয়দ সুলতান ⇒ তিনি ‘নবীবংশ’ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত; ‘ইউসুফ-জুলেখা’ তাঁর রচনা নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: সগীরের কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’—নামের সঙ্গে প্রেমকাহিনির জোড়া চরিত্রটি মিলিয়ে পড়ুন।
09
🎯 1 Mark

দৌলত কাজীর অসমাপ্ত ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য সম্পূর্ণ করেন কে?

আলাওল

শাহ মুহম্মদ সগীর

মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর

✅ সঠিক উত্তর:ক. আলাওল

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
আলাওল

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আরাকান রাজসভার কবি দৌলত কাজী ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য রচনা শুরু করলেও তা অসমাপ্ত রেখে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীকালে আরাকান রাজসভার আরেক বিখ্যাত কবি আলাওল কাব্যটি সম্পূর্ণ করেন। আলাওল মধ্যযুগের বাংলা মুসলিম সাহিত্যধারার প্রধান কবি; তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে পদ্মাবতী, সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, তোহফা ও সিকান্দরনামা উল্লেখযোগ্য।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ শাহ মুহম্মদ সগীর ⇒ তিনি ‘ইউসুফ-জুলেখা’ রচয়িতা; দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য সম্পূর্ণ করেননি।
❖ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ⇒ তিনি ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’ বা চণ্ডীমঙ্গলের কবি; আরাকান রাজসভার এ কাব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
❖ ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ⇒ তিনি অন্নদামঙ্গল রচয়িতা; ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ সম্পূর্ণ করার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: দৌলত কাজী শুরু, আলাওল শেষ—আরাকান রাজসভার দুই কবির এই ধারাবাহিকতা পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
10
🎯 1 Mark

রামপ্রসাদ সেনের রচিত ভক্তিগীতিগুলো প্রধানত কোন নামে পরিচিত?

শ্যামাসংগীত

বৈষ্ণব পদাবলি

মঙ্গলগান

নাথগীতি

✅ সঠিক উত্তর:ক. শ্যামাসংগীত

ব্যাখ্যা:

◈ সঠিক উত্তর:
শ্যামাসংগীত

✦ বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রামপ্রসাদ সেন বাংলা শাক্ত পদাবলির প্রধান কবি। দেবী কালী বা শ্যামাকে কেন্দ্র করে তাঁর রচিত ভক্তিগীতিগুলো ‘শ্যামাসংগীত’ নামে পরিচিত। তাঁর গানে দেবীর সঙ্গে ভক্তের নিবিড়, আপন ও পারিবারিক সম্পর্কের প্রকাশ ঘটেছে। শাক্ত পদাবলি মধ্যযুগের শেষপর্বের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যধারা। কমলাকান্ত ভট্টাচার্যও শ্যামাসংগীতের গুরুত্বপূর্ণ কবি।

◉ অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
❖ বৈষ্ণব পদাবলি ⇒ বৈষ্ণব পদাবলির মূল বিষয় রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও ভক্তি; রামপ্রসাদের কালীভক্তিমূলক গান এ ধারার নয়।
❖ মঙ্গলগান ⇒ দেবদেবীর মাহাত্ম্যকেন্দ্রিক মঙ্গলকাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত গানকে সাধারণভাবে মঙ্গলগান বলা যায়; এটি রামপ্রসাদের গানের নির্দিষ্ট নাম নয়।
❖ নাথগীতি ⇒ নাথ সাহিত্য গোরক্ষনাথ, ময়নামতী ও গোপীচন্দ্রকেন্দ্রিক; রামপ্রসাদের শাক্তগান এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

✦ মনে রাখার কৌশল / শর্টকাট:
মনে রাখুন: শ্যামা মানে কালী; রামপ্রসাদ মানে শ্যামাসংগীত।